দোহারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়নমূলক প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন

ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার নয়াবাড়ি ইউনিয়নের বাহ্রা হাবিল উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়নমূলক প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করা হয়েছে।

রবিবার (৬ জুন) বেলা ১১টায় দোহার উপজেলার বাহ্রা হাবিল উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ে নয়াবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের আয়োজনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বাউন্ডারি ওয়াল, অভিভাবক ছাউনি ও শিক্ষার্থীদের সুরক্ষায় হাত ধোয়ার জন্য বেসিন বসানোর প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়।

জানা যায়, জাপান সরকারের উন্নয়ন সংস্থা জাইকার অর্থায়নে প্রায় ২৯ লাখ টাকা ব্যয়ে এ প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করা হবে। দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ.এফএম ফিরোজ মাহমুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেন। উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- নয়াবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শামীম আহম্মেদ হান্নান।

এ সময়ে আরও উপস্থিত ছিলেন- বাহ্রা হাবিল উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাখাওয়াত হোসেন নান্নু, দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক তৈয়বুর রহমান তরুণ, নয়াবাড়ি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ডা. মো. বিল্লাল হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মো. শহিদ মিয়া canceltimesharegeek, কুসুমহাটি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল কাদের মন্ডল ও সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ হোসেন, প্রতিষ্ঠানের দাতা সদস্য অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম বিল্পব-সহ জাইকার কর্মকর্তাবৃন্দ।

নবাবগঞ্জে জিয়াউর রহমানের ৪০ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত

ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪০ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় নবাবগঞ্জ উপজেলার শোল্লা ইউনিয়নের সিংহড়া বিএনপির পার্টি অফিসে ঢাকা জেলা বিএনপি আয়োজিত এই আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আবু আশফাক বলেন, বিএনপির প্রথম ক্ষমতায় এসে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছে। দেশে মাত্র চারটি পত্রিকা ছিল বিএনপি এসে সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছে। বর্তমান সরকার একটি অবৈধ সরকার বিনা ভোটে অবৈধভাবে ক্ষমতায় আছে তারা একদলীয় শাসন কায়েমের চেষ্টা করছেন। তিনি নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন আপনারা সঙ্ঘবদ্ধ হওয়া যেকোনো মুহূর্তে তারেক জিয়ার নেতৃত্বে আন্দোলনের মাধ্যমে বর্তমান সরকারের পতন ঘটিয়ে দেশনেত্রী বেগম জিয়াকে চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী আমরা বানাবো।

সে সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী শামসুজ্জামান শহীদ, ঢাকা জেলা যুবদলের সহ সভাপতি কাজী মনিরুজ্জামান পবন, শোল্লা ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব মো: আজম মিয়া, নবাবগঞ্জ উপজেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈকত হোসেন, নবাবগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাহিনুর ইসলাম রাহিন, নবাবগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুয়াদ, ঢাকা জেলা দক্ষিণ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রাকিবুল ইসলাম রাকিব, ঢাকা জেলা দক্ষিণ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী মেহেদী হাসান তপু সহ নবাবগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদল,
নবাবগঞ্জ উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মজনু দেওয়ান,নবাবগঞ্জ উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব পল্লব আহমেদ, যুবদল ও বিএনপির অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরাসহ আরো অনেকে।

দোহারে গোল্ডকাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট এর ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

ঢাকা জেলার দোহার উপজেলায় সুন্দরীপাড়া গোল্ডকাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট এর ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শনিবার সকালে দোহার উপজেলার সুন্দরীপাড়া এলাকায় এ খালেটি অনুষ্ঠিত হয় আর এই খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলী আহসান খোকন শিকদার। খেলা উদ্বোধন করেন কুসুমহাটি ইউপি চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন আজাদ।

কুসুমহাটি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল কাদের মন্ডলের সভাপতিত্বে এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন রবি আজিয়াটার এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট এমএ খান সোহেল, দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য শাহ্-সম্রাট চিশ্তি, কুসুমহাটি ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি কালাম বিশ্বাস, দোহার উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি রায়হান বেপারী, ইউপি সদস্য শাওন ইসলামসহ আরও অনেকে।

জয়পাড়া ক্রিকেট একদশ ও শিলাকোঠা ক্রীড়া সংঘ ফাইনাল খেলায় অংশগ্রহণ করে ৪০ রানে জয়পাড়া ক্রিকেট একাদশ জয়লাভ করে। পরে খেলোয়ারদের মাঝে পুরস্কার তুলে দেন আমন্ত্রীত অতিথিবৃন্দ।

দোহারে মাদক ব্যবসায়ীকে কারাদণ্ড

ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার বাবুল মাদবর (৩৮) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে ৬ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন দোহারের ভ্রাম্যমাণ আদালত। আজ শনিবার দোহার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র এ সাজা দেন।

শনিবার দুপুর পৌনে ১টার দিকে মাদক বিক্রির সময় দোহার উপজেলা লটাখোলা কবরস্থান এলাকা থেকে বাবুলকে আটক করে দোহার থানা পুলিশ। এসময় তার কাছ থেকে গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বাবুলকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।

সাজাপ্রাপ্ত বাবুল দোহার উপজেলার দক্ষিণ জয়পাড়া গাংপার এলাকার দশা মাদবরের ছেলে।

সে সময় দোহার থানা পুলিশ বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোঘণা দিয়েছে তার এই ঘোষণা বাস্তবায়নের জন্য আমরা দোহার থানা পুলিশ কাজ করে যাচ্ছি।

দোহার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র এ সাজা কালে বলেন, দোহারে কোন মাদক সেবক ও ব্যাবসায়ীকে ছাড় দেওয়া হবে না।

নবাবগঞ্জে ৭জনের শরীরে করোনার ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় ৭ জনের শরীরে করোনার ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে। শনাক্ত হওয়া ৭জনই পেশায় শ্রমিক। তারা চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে নবাবগঞ্জে আশ্রয়ণ প্রকল্পের কাজে এসেছিলেন। নবাবগঞ্জ উপজেলা ফোকাল পার্সন ও মেডিকেল অফিসার ডাঃ হরগোবিন্দ সরকার অনুপ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শনিবার দুপুরে নবাবগঞ্জ উপজেলা ফোকাল পার্সন ও মেডিকেল অফিসার ডাঃ হরগোবিন্দ সরকার অনুপ জানান, করোনায় আক্রান্ত বিভিন্ন বয়সী ওই দশজন শ্রমিকের কাজ করেন। গত মে মাসের ১৮ তারিখে তারা সকলে ট্রাকযোগে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে নবাবগঞ্জে আশ্রয়ণ প্রকল্পের কাজের জন্য এসেছিলেন।

বিষয়টি জানতে পেরে ২৬ মে তাদের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য তাদেরকে ঢাকার বক্ষব্যাধী হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। তাদের সকলের শরীরে করোনাভাইরাসের ভারতীয় ধরণের ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া গেছে। এখন ঢাকার টিবি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

বৈরিতা নয়, প্রকৃতির সাথে সেতুবন্ধনে রক্ষা করি প্রিয় পৃথিবীকে – অধ্যাপক ড. কবিরুল বাশার

দোহারের কৃতি সন্তান, জাহাংগীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. কবিরুল বাশার, ৫ই জুন,২০২১ বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে লিখিত একটি প্রবন্ধ news39.net এর পাঠকদের জন্য উপস্থাপন করা হলো।

হুক্কা বার, কফি বার, ওয়াইন বার এসব তো শুনেছেন। কিন্তু অক্সিজেন বার-এর নাম আপনারা শুনেছেন? আমেরিকা, জাপান, কানাডার শহরবাসী এখন এর সঙ্গে পরিচিত। দিল্লিতে ২০১৯ সালে প্রথমবারের মতো অভিনব অক্সিজেন থেরাপির ধারণা নিয়ে কাজ শুরু করেছেন ২৬ বছরের যুবক আর্যবীর কুমার।

দিল্লির বিষাক্ত বায়ু থেকে কিছুক্ষণের জন্য মুক্তি পেতে দক্ষিণ দিল্লির ‘সিলেক্ট সিটি ওয়াক মল সাকেট’-এ বসানো হয়েছে অভিজাত অক্সিপিউর অক্সিজেন বার। তবে এই বিশুদ্ধ প্রাণবায়ু গ্রহণ করে শরীরকে চাঙ্গা করে তুলতে পকেটও চাঙ্গা থাকতে হবে। মাত্র ১৫ মিনিটের জন্য অক্সিজেন বার ব্যবহার করতে খরচ হবে ৪৯৯ রুপি। বিদেশে এই থেরাপি ইতোমধ্যেই রমরমিয়ে চলছে। যদিও চিকিৎসকদের মতে এই থেরাপির কোনো ব্যাখ্যা নেই। বরং প্রয়োজন ছাড়া শরীরে আলাদা করে অক্সিজেন নিলে হিতে বিপরীত হতে পারে বলেই মত ডাক্তারদের। আমাদের এই প্রিয় পৃথিবীর পরিবেশকে আমরা এমনভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছি যে, এখন আমাদের অক্সিজেন অভিজাত মল থেকে কিনে গ্রহণ করতে হচ্ছে।

পরিবেশ সচেতনতা এবং সংরক্ষণে প্রতিবছর ৫ জুন পালিত হয় বিশ্ব পরিবেশ দিবস। এবারের পরিবেশ দিবসের মূল প্রতিপাদ্য, ‘বাস্তুতন্ত্র পুনরুদ্ধার’। কোনো একটি পরিবেশের জীব এবং জড় উপাদানসমূহের মধ্যে পারস্পরিক ক্রিয়া, আদান-প্রদান ইত্যাদির মাধ্যমে যে তন্ত্র গড়ে ওঠে তাই বাস্তুতন্ত্র।

একটি পূর্ণবয়স্ক ব্যাঙ একদিনে তার ওজনের সমপরিমাণ কীটপতঙ্গ খেয়ে ফসলের সুরক্ষা করতে পারে। অথচ এই পোকামাকড় দমনের জন্য অনিয়ন্ত্রিতভাবে কীটনাশক প্রয়োগ করা হচ্ছে যার ফলে ধ্বংস হচ্ছে ব্যাঙ, দূষিত হচ্ছে পরিবেশ।

কোনো স্থানের প্রাণী, উদ্ভিদ এবং জড় উপাদান নিজেদের মধ্যে এবং একে অপরের মধ্যে ক্রিয়া-বিক্রিয়া করে বেঁচে থাকে। বাস্তুতন্ত্রের সকল উপাদানসমূহ পরস্পরের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। বাস্তুতন্ত্রের বিপুলসংখ্যক জীববৈচিত্র্যের পারস্পরিক সম্পর্কের কারণেই পরিবেশে ভারসাম্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিনিয়ত প্রকৃতিকে অযাচিত ও অন্যায়ভাবে ব্যবহারের মাধ্যমে বাস্তুতন্ত্রকে নষ্ট করে পৃথিবীকে আমরা ভারসাম্যহীন করে চলেছি। জলবায়ু পরিবর্তনের ভয়াবহতা বিবেচনায় এই মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে যাওয়া বাস্তুতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করা।

পরিবেশের যেকোনো একটি ক্ষুদ্র উপাদানের ক্ষতি বা বিলুপ্তি বিরাট বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। বিশ্বব্যাপী করোনা মহামারি আমাদেরকে দেখিয়েছে এবং শিখিয়েছে পরিবেশ কতটা গুরুত্বপূর্ণ আমাদের জন্য। পরিবেশ বিষয়ে আমাদের অজ্ঞতার কারণে যে জীবকে এক সময়ে অপ্রয়োজনীয় মনে করা হতো সময়ের বিবর্তনে সেই জীব সম্প্রদায় পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ধরা দিয়েছে।

উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, একটি পূর্ণবয়স্ক ব্যাঙ একদিনে তার ওজনের সমপরিমাণ কীটপতঙ্গ খেয়ে ফসলের সুরক্ষা করতে পারে। অথচ এই পোকামাকড় দমনের জন্য অনিয়ন্ত্রিতভাবে কীটনাশক প্রয়োগ করা হচ্ছে যার ফলে ধ্বংস হচ্ছে ব্যাঙ, দূষিত হচ্ছে পরিবেশ।

পাখিদের প্রধান খাদ্য পোকামাকড়। এর মধ্যে ফসলের জন্য ক্ষতিকর কীটপতঙ্গই বেশি। তাছাড়া উদ্ভিদের পরাগায়ন, বিস্তার ও প্রজাতি রক্ষায় পাখি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অথচ এই পাখিদের পুড়িয়ে হত্যা করার ঘটনাও বাংলাদেশে ঘটেছে। পেঁচা, ঈগল, চিল, বাজপাখিকে আমরা শিকারি প্রজাতি হিসেবে জানি। এরা ক্ষতিকর ইঁদুর খেয়ে ইঁদুরের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে রাখে।

মানুষের বসতবাড়িতে বসবাসকারী একজোড়া ইঁদুর বিনা বাধায় বংশবিস্তার করলে এক বছরে তার পরিবারের সংখ্যা দাঁড়াবে ৮৮০-তে। কিন্তু একটি পেঁচা দিনে কমপক্ষে তিনটি ইঁদুর খেয়ে এদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। কাক, চিল ও শকুন ময়লা আবর্জনা খেয়ে পরিবেশ ঠিক রাখে এবং রোগজীবাণু বিস্তার রোধে ভূমিকা রাখে। এজন্য বাস্তুতন্ত্রের কোনো জীবকেই ‘অপ্রয়োজনীয়’ বলা যায় না। পরিবেশ থেকে কোনো উদ্ভিদ বা প্রাণী বিলুপ্ত হলে বাস্তুতন্ত্রের স্থিতিশীলতা নষ্ট হয়।

পৃথিবীর জনসংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং মানুষ আধুনিক জীবনযাপনে অভ্যস্ত হচ্ছে। মানুষের চাহিদা মেটাতে গিয়ে প্রাকৃতিক উপাদান ধ্বংস করা হচ্ছে।

আমাদের এ সুন্দর পৃথিবীকে মানুষ ও অন্যান্য জীবের বসবাসযোগ্য করার জন্য পরিবেশ সংরক্ষণ অপরিহার্য। পৃথিবীতে রয়েছে অসংখ্য জীব, আর তাদের জীবন ধারণের জন্য বিভিন্ন উপাদান- বায়ু, মাটি, পানি, ইত্যাদি। পৃথিবীর জনসংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং মানুষ আধুনিক জীবনযাপনে অভ্যস্ত হচ্ছে। মানুষের চাহিদা মেটাতে গিয়ে প্রাকৃতিক উপাদান ধ্বংস করা হচ্ছে। প্রকৃতি ও পরিবেশের ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র উদ্ভিদ এবং প্রাণী থেকে শুরু করে বৃহদাকৃতির যে কেউই কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। খাদ্য শৃঙ্খলের প্রতিটি জীবের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় উদ্ভিদ ও প্রাণীকুল একে অপরের সাথে নিবিড়ভাবে আবদ্ধ। বিভিন্ন প্রজাতির উদ্ভিদ, পশুপাখি, কীটপতঙ্গ, মানুষ ইত্যাদি নিয়ে গড়ে উঠেছে জীববৈচিত্র্য। পাহাড়, অরণ্য, জলাভূমি, সমুদ্র জীববৈচিত্র্যের অতীব প্রয়োজনীয় আধার। তাই পরিবেশ সুরক্ষিত থাকলে মানুষের বেঁচে থাকার প্রয়োজনীয় উপাদান—অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, ওষুধ, জ্বালানি নিরবিচ্ছিন্নভাবে পাওয়া সম্ভব।

পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হলে বিশেষ করে উদ্ভিদ ক্ষতিগ্রস্ত হলে বৃষ্টিপাতের হার কমে যাবে। ফলে চাষাবাদের যথেষ্ট ক্ষতি হবে। বিশ্বব্যাপী জনসংখ্যা বৃদ্ধি, শিল্পায়ন এবং পরিবেশ দূষণের ফলে ধীরে ধীরে পৃথিবী উষ্ণ হয়ে উঠছে যার ফলে গ্রিন হাউজ প্রতিক্রিয়া দেখা দিচ্ছে এবং বাস্তুতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পরিবেশ সুরক্ষিত থাকলে এর তীব্রতা থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে।

মানুষের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য পরিবেশ সংরক্ষণের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। কোনো একটি শিল্পকারখানা অথবা যেকোনো স্থাপনা নির্মাণের পূর্বেই সে এলাকার পরিবেশের উপর বিরূপ প্রভাব হিসেব করে দেখতে হবে এবং সেখান থেকে উৎপাদিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিবেশবান্ধব ভাবে করতে হবে। সুন্দর মানব সভ্যতা তৈরির লক্ষ্যে পরিকল্পিত নগরায়ন এবং সৌর শক্তির ব্যবহার করা প্রয়োজন।

রাসায়নিক সার এবং কীটনাশক—যেগুলো বাস্তুতন্ত্রের জন্য ক্ষতিকর সেগুলোর ব্যবহার কমিয়ে জৈব সার এবং জৈব কীটনাশক ব্যবহারে উৎসাহিত করতে হবে। বায়ু, পানি, মাটি, শব্দ দূষণ যেন না হয় সেরকম সব ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। পরিবেশ দূষণ জীববৈচিত্র্য রক্ষা করতে জনসচেতনতা প্রয়োজন। এক্ষেত্রে সরকারি সংস্থা এবং পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো মুখ্য ভূমিকা পালন করতে পারে। বাংলাদেশ এবং আন্তর্জাতিক পরিবেশ নীতিকে যথার্থভাবে অনুসরণ করে পরিবেশ রক্ষায় দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। অন্যথায় আমাদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার সংগ্রামে আমরা পরাজিত হব।

আমরা অভিজাত মলে গিয়ে অক্সিজেন ক্রয় করতে চাই না, পরিবেশ থেকে বুক ভরে অক্সিজেন নিতে চাই। প্রকৃতি ও পরিবেশের সাথে বৈরিতা নয়, চলুন সেতুবন্ধন রচনা করে অক্সিজেনের পরিপূর্ণ আধারে রূপান্তরিত করি আমাদের এই প্রিয় পৃথিবীকে।

অধ্যাপক ড. কবিরুল বাশার ।। দোহারের কৃতি সন্তান ও প্রাণিবিদ্যা বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

দোহার উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক কমিটি গঠিত 

ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক কমিটি গঠিত হয়েছে। ঢাকা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আব্দুর রহমান বাবুল ও সাধারন সম্পাদক নাজমুল ইসলাম অভি স্বাক্ষরিত এক প্যাডে এই কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়। ৩১ জন নেতা কর্মী দিয়ে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে আহবায়ক হিসাবে নির্বাচিত হয়েছেন দোহার পৌরসভার সাবেক ছাত্রনেতা জুলহাস উদ্দিন। সদ্য ঘোষিত এই কমিটিতে সদস্য সচিব হিসাবে নির্বাচিত হয়েছেন তানভির রহমান নিশু।

এই ব্যাপারে নিউজ৩৯কে দোহার উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক জুলহাস উদ্দিন বলেন, আমাকে দোহার উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক নির্বাচিত করায় ঢাকা জেলা বি,এন,পির সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক জননেতা জনাব খোন্দকার আবু আশফাক ভাই কে দোহার উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

দোহার উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক কমিটি গঠিত 

কমিটিতে যুগ্ম আহবায়ক নির্বাচিত হয়েছেন ৮ জন। তারা হলেন বিকাশ চন্দ সরকার, ইকবাল হোসেন মুন্সি, মাহবুবুর রহমান শোভান, বোরহান মিয়া, মশিউর রহমান মাখন, ফারুক পত্তনদার, রমজান খান, নজরুল ইসলাম রাসেল। কমিটিতে সদস্য হিসাবে স্থান পেয়েছেন ২১ জন।

এরই মাঝে সদ্য ঘোষিত এই আহবায়ক কমিটি থেকে পদত্যাগ করেছেন যুগ্ম আহবায়ক মশিউর রহমান মাখন। তিনি স্বেচ্ছাসেবক দলের একজন কর্মী হিসাবেই থাকতে চান এই কারন দেখিয়ে আহবায়ক কমিটি থেকে পদত্যাগ করেন।

দোহার উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক কমিটি গঠিত 

দোহারে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দলবেধে মুদি দোকানে হামলা

ঢাকা জেলার দোহার পৌরসভার  দক্ষিণ জয়পাড়া ৫নং ওয়ার্ডের শাহজাহান (৪৫) নামে এক মুদির দোকানে  হামলার ঘটনা ঘটেছে।  মঙ্গলবার সকাল ১১ টার সময় এই ঘটনা ঘটে।

শাহজাহান জানান, আমার দোকানে সামনে বসে থাকা আলিফ ও সায়েম কথা বলছিল। এর মধ্যে দোকানে সামনের রাস্তা দিয়ে দুইজন  মোটরসাইকেল জোরে চালিয়ে যাচ্ছিল। সে সময় আলিফ ও সায়েম তাদেরকে বলে যে এখান দিয়েএত জোরে কেন মোটরসাইকেল চালাস। সে সময় তারা মোটরসাইকেল থামিয়ে এসে আলিফ ও সায়েমকে মারধর করে এবং আমি ফিরিয়ে দেই। কিন্তু তারা কিছু সময় পর উত্তর জয়পাড়া যেয়ে ৫-৭ জনকে নিয়ে আসে আলিফ ও সায়েমকে মারার জন্য। তখন তাদের হাতে ছিল বাস,লাঠি ও দেশীয় অস্ত্র ছ্যান তখন এ অবস্থা দেখে আলিফ ও সায়েম আমার দোকানে ভিতরে টুকে যায়। আর সে সময় তন্নয়,আবির,রনি,ইব্রাহিম নামে এই চার জনসহ আরো কয়েকজন আমার দোকান ভাংচুর করে। তাদের বের করতে মারার জন্য কিন্তু তারা আমাদের জন্য ওদেরকে দোকান থেকে বের করতে পারে নাই পরে তারা না পেরে চলে যায়। পরে আমরা দোহার থানা পুলিশকে খবর দেই তারা এসে ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেন। এরপর আমার থানায় গিয়ে ৪ জন সহ আরো অগাত কয়েকজনের নামে অভিযোগ  করি।

দক্ষিণ জয়পাড়া পৌরসভার ৫নং ওর্য়াডের বাসিন্দা বাবুল জানান, আমার ভাগিনা ও আলিফ দুইজনই ছোট ছোট। ওরা হয়তো তাদের সাথে একটু কথা কাটাকাটি  করেছে। তাই বলেকি তারা বড়দের সাথে করে নিয়ে এসে ছ্যান ও লাঠি দিয়ে মারতে আসবে। আমার কথা হল এরা কি ভাবে এত সাহস পায় এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় এসে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে মারতে আসে।

এ বিষয় দোহার থানা এসআই মাসুম বলেন, শাহজাহান নামে এক ব্যক্তি থানায় ফোন দেয় তখন আমরা ফোন পেয়ে ঘটনা স্থল পরিদর্শনে যাই। তখন এলাকাবাসী শাহজাহান ও এলাকাবাসী জানায় যে মোটরসাইকেল চালানো নিয়ে কথা কাটাকাটি ফলে এ ঘটনা ঘটে। শাহজাহান থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছে আর হামলাকারীদের পূর্ণ তথ্য তারা দিতে পারিনি পূর্ণ তথ্য দিলে আমরা এ বিষয় ব্যবস্থা নিব।

বান্দুরা বাসস্ট্যান্ডের সরকারি ইজারাভুক্ত জমি পরিমাপ করে সীমানা নির্ধারণ

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় পুরাতন বান্দুরা এলাকায় বাসস্ট্যান্ডের সরকারি ইজারাভুক্ত জমি পরিমাপ করে সীমানা নির্ধারণ করেছেন উপজেলা প্রশাসন। সোমবার নবাবগঞ্জ উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) অরুন কৃষ্ণ পাল সরকারি জমিটি সার্ভে করে লাল নিশানা টাঙিয়ে দেয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার পুরাতন বান্দুরা মৌজার বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন আরএস ৯২৯ দাগে ৪৮ শতাংশ জমি মোলাসীকান্দা উদ্যোগী সংঘের এবং আরএস ৯২৮ দাগের পরিমান ৫৬ শতাংশ জমি সরকারি সম্পত্তি যেটি ইজারাকৃত বাসস্ট্যান্ড। সোমবার সরকারি ও ব্যক্তি মালিকানা সম্পত্তির দু’টি দাগের সীমানা নির্ধারণ করা হয়। যা দীর্ঘদিন ধরে সীমানা নিয়ে জটিলতার সৃষ্টি হয়ে ছিল।

নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট এইচ এম সালাউদ্দীন মনজুর নির্দেশে বান্দুরা ইউপি চেয়ারম্যান ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে সোমবার দিনব্যাপী সার্ভে করে জমির সীমানা নির্ধারণ করে সরকারি জমির ইজারাদারকে বুঝিয়ে দেয়া হয়।

বান্দুরা মোলাসীকান্দা উদ্যোগী সংঘের সভাপতি রকৃত্তিক গমেজ বলেন, আমরা আমাদের ক্লাবের ৪৮ শতাংশ জমি বুঝে পেয়েছি।

বান্দুরা ইউপি চেয়ারম্যান হিল্লাল মিয়া বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এ দু”টি দাগের জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। প্রশাসনের হস্তক্ষেপে এখন তা সমাধান হলো।

এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এইচ এম সালাউদ্দীন মনজু বলেন, জমি পরিমাপ করে দুই দাগের সীমানা নির্ধারণের পর বাসস্ট্যান্ডের ইজারাদারকে জমি বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে।

দোহার প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা হলেন দোহার উপজেলা চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন

দোহার প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা হলেন দোহার উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেন। সোমবার দুপুরে দোহার প্রেসক্লাবের সাধারণ সভায় উপস্থিত সকল সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে প্রস্তাবটি গৃহীত হয়। একইসাথে আগামী ২২শে জুন, প্রেসক্লাবের নির্বাচনের নতুন তারিখ ঘোষণা হয়।

দোহার প্রেসক্লাব আহ্বায়ক মো. তারেক রাজীব নিউজ৩৯কে বলেন, প্রবীণ সাংবাআলমদিক মো. আলমগীর হোসেন দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, বেক্সিমকো মিডিয়া লিমিটেডের একজন পরিচালক। পাশাপাশি ‘আনন্দভুবন’ পত্রিকার প্রধান সম্পাদক, সাংবাদিক, কলামিস্ট। তাই দোহার প্রেসক্লাবের গঠনতন্ত্র মোতাবেক  সকল সদস্যদের ঐক্যমতের ভিত্তিতে কণ্ঠভোটে জনাব আলমগীর হোসেন প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা পরিষদের অন্তর্ভুক্ত হলেন। তার দিক নির্দেশনায় দোহার প্রেসক্লাব একটি আদর্শ, উন্নত, আধুনিক এবং আরও মানসম্পন্ন প্রেসক্লাবে পরিণত হবে বলে আমরা সবাই প্রত্যাশা করি।

উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন দোহার প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক মো. তারেক রাজীব, সাবেক সভাপতি মো.কামরুল হাসান, সাবেক সহ-সভাপতি অলি আহমেদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান টিপু, সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক শেখ সোহেল রানা, প্রবীণ সাংবাদিক সাইফ উদ্দিন ফনু, সংবাদ মো. শাহজাহান (সংবাদ),  আতাউর রহমান সানী (নববাংলা সম্পাদক), আবু নাঈম মোহাম্মদ তাইমিয়া (এশিয়ান টিভি), হাবিবুর রহমান (মুক্ত খবর), মো. সুজন হোসেন (আলোকিত সময়), মো. কামাল হোসেন (জাগ্রত জনতা), মো. আসাদ মাহমুদ (খবরের আলো), মো. জুবায়ের আহমেদ (বাংলাদেশের খবর)।

উল্লেখ্য, দোহার উপজেলা চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন ১৯৬২ সালের ৬ই মার্চ দোহার থানার সুতারপাড়া গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৮৩ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভূ-তত্ত্ব বিভাগে অনার্সসহ বিএসসি এবং ১৯৮৪ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন।