পদ্মা সরকারি কলেজ রোভার স্কাউট গ্রুপের বার্ষিক ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

0

পদ্মা সরকারি কলেজের রোভার স্কাউট গ্রুপের বার্ষিক ইফতার এ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১৭) ই এপ্রিল পদ্মা সরকারি কলেজ অডিটোরিয়াম রুমে পদ্মা সরকারি কলেজ রোভার স্কাউট গ্রুপের বার্ষিক ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। পদ্মা সরকারি কলেজের সম্মানিত অধ্যক্ষ ও রোভার স্কাউট গ্রুপের সভাপতি জনাব মো. জালাল হোসেনের সভাপতিত্বে এ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উক্ত মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও পদ্মা কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি মেজর জেনারেল (অব.) ডা. মো এ.আর খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সিমবায়োসিস বাংলাদেশ এর কান্ট্রি ডিরেক্টর ও পদ্মা কলেজের প্রতিষ্ঠাতা সহ-সভাপতি ডা.আব্দুর রহমান পাখি।

আরো উপস্থিত ছিলেন কলেজের অন্যান্য সম্মানিত প্রতিষ্ঠাতাবৃন্দ, শুভানুধ্যায়ী , বিভিন্ন ব্যাংক এর মুকসুদপুর শাখার ব্যবস্থাপকগন, সম্মানিত শিক্ষকমন্ডলী, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক ও স্কাউট শিক্ষকবৃন্দ , রোভার স্কাউট গ্রুপের আর.এস.এল জনাব ইদ্রিস আলী ও মাসুদ রানা, স্কাউট গ্রুপের সম্পাদক মোল্লা ইমদাদুল হক (চান), সাবেক ও বর্তমান রোভার স্কাউট সদস্য।

অবশেষে বন্ধ হলো জয়পাড়া বাজারের পৌরটোল

ঢাকার দোহার উপজেলায় পৌরসভার যানযট নিরসনকল্পে টোল আদায়ের নামে সড়কে অটোরিকশা থেকে ১০ টাকা করে চাঁদা আদায় করছিলো একটি মহল। যার ফলে সৃষ্ট যানযটে ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে চালক, যাত্রী, পথচারী ও শিক্ষার্থীদের।

আজকের প্রত্রিকাসহ বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশের পর সোমবার দুপুরে উপজেলা প্রশাসন ও পৌর কর্তৃপক্ষের এক জরুরি সভায় অটোরিকশা থেকে টোল আদায় ইজারা বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আপাতত টোল আদায় স্থগিত থাকবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় সভায়।

এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোবাশ্বের আলম জানান, সড়কে যানজট নিরসনের নীতিমালা অনুসরণ করে এক জরুরি সভায় পৌর টোল আদায় ইজারা বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং আপাতত টোল আদায় স্থগিত থাকবে।

এবিষয়ে দোহার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোস্তফা কামাল জানান, মাননীয় সাংসদ দোহার-নবাবগঞ্জের অভিভাবক সালমান এফ রহমানের নজরে আসলে তার নির্দেশে জরুরি সভায় টোল আদায় বন্ধের এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

দোহারের বিএনপির কমিটিকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ মিছিল

ঢাকার দোহার উপজেলার বিএনপির ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃত্বে অবৈধ কমিটির গঠন করাকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ মিছিল করা হয়েছে।
এই বিক্ষোভ মিছিলটি বিকাল সাড়ে পাঁচটায় জয়পাড়া করম আলী মোড় থেকে শুরু হয়ে লটাখেলা নতুন বাজারে এসে বক্তব্য মাধ্যমে শেষ হয়।

বিক্ষোভ মিছিলে থেকে বলা হয় “বিভেদ নয় ঐক্য চাই দালাল মুক্ত বিএনপি চাই” অনিয়ম, অগণতান্ত্রিক, স্বজনপ্রীতি, সেচ্ছাচারিতা ও পকেট কমিটি বন্ধ কর। দোহার উপজেলা বিএনপিকে রক্ষা কর, দোহার উপজেলা বিএনপি’র সম্মেলন নবাবগঞ্জে কেন কর্তৃপক্ষ জবাব চাই।

বিক্ষোভ মিছিল শেষে বক্তব্য রাখেন এ্যাডভোকেট ফজলুল হক বেলায়েদী সাবেক ছাত্রনেতা ও জিএস জয়পাড়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের তিনি তার বক্তব্য বলেন, আগামীকাল খন্দকার আবু আশফাক বিএনপির যে কমিটি করতে যাচ্ছে তা সম্পন্ন অবৈধ। দোহার থানার বিএনপিকে খন্দকার আবু আশফাক ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। তিনি তার সেচ্ছাচারিতা দিয়ে দোহারের বিএনপিকে পরিচালনা করছে যাতে দোহার থানার বিএনপি আর না ঘুরে দাঁড়াতে পারে। আমরা এই অবৈধ কমিটিকে প্রতাক্ষান করছি। আমরা এই অবৈধ কমিটি মানি না। দোহারের সম্মেলন দোহারে হবে নবাবগঞ্জে কেন?

উপস্থিত ছিলেন -এ্যাডভোকেট ফজলুল হক বেলায়েদী সাবেক ছাত্রনেতা ও জিএস জয়পাড়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, আবদুল আউয়াল আকন্দ
সাবেক ছাত্রদল সভাপতি, আবুল হাসনাত
সাবেক জিএস জয়পাড়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ও
বিএনপি সাংগঠনিক সম্পাদক দোহার উপজেলা,
আবুল কালাম আজাদ মিঠু বেপারী সাবেক সভাপতি যুবদল দোহার উপজেলা, মিনহাজ উদ্দিন পান্নু সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাইপাড়া ইউনিয়ন বিএনপি, হুমায়ুন কবির লিপন,হারুন অর রশীদ নারিশা ইউনিয়ন বিএনপি নেতা,শাহাদাৎ হোসেন বেপারী, শাকিল মাহমুদ জ্যাকি ঢাকা জেলা যুবদল নেতা, রাসেল বেপারী,মেহেদী বেপারী, মুঃ বোরহান মিয়া মোঃ রাতুল রাসেল স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা প্রমুখ।

সেনাবাহিনী সব সময় জনগণের পাশে বা সরকারের প্রদত্ত দায়িত্ব পালনে প্রস্তুত থাকে: সেনাপ্রধান

সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ, এসবিপি, ওএসপি, এনডিইউ, পিএসসি, পিএইচডি ঢাকা জেলার দোহার উপজেলাধীন মাঝিরচর থেকে নারিশা বাজার হয়ে মোকসেদপুর পর্যন্ত পদ্মা নদীর বাম তীর সংরক্ষণ প্রকল্প বাস্তবায়নের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন। শনিবার সকালে এই বাঁধ পরিদর্শনকালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারী শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা জনাব সালমান এফ রহমান, এমপি এবং সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। সেনাবাহিনীর প্রধান প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি দেখে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন এবং প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা প্রদান করেন।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র নির্দেশনায় পদ্মা সেতুর উজানে ঢাকা জেলার দোহার উপজেলাধীন মাঝিরচর থেকে নারিশা বাজার হয়ে মোকসেদপুর পর্যন্ত পদ্মা নদীর বাম তীর সংরক্ষণ প্রকল্প বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড এর অধীনস্ত ২৫ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্যাটালিয়নের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হচ্ছে।

উন্নত দেশের মর্যাদা অর্জনের লক্ষ্যে রূপকল্প-২০৪১ অনুযায়ী শিল্পায়নকে অগ্রাধিকার প্রদান করছে বর্তমান সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় ঢাকার দোহারে অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলে শিল্পায়নের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বর্তমান সরকার। তবে, এই বিপুল সম্ভাবনার পথে হুমকি প্রমত্তা পদ্মার ভাঙ্গন।

প্রকল্পটি গত ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে একনেক এ অনুমোদিত হলে গত এপ্রিল ২০১৯ এ ২৫ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্যাটালিয়ন কর্তৃক প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ শুরু করা হয়। প্রকল্পের মূল কাজ ছিল দুইটি: দোহারে পদ্মা নদীর বাম তীর ঘেঁষে ৬ কিঃমিঃ বাঁধ প্রতিরক্ষা এবং ১২.২০ কিঃ মিঃ ড্রেজিং। এরই মধ্যে অতি অল্পসময়েই ২৫ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্যাটালিয়নের সদস্যদের নিরলস প্রচেষ্টায় ৬ কিঃ মিঃ এলাকায় জিওব্যাগ ডাম্পিং ও প্লেসিং এর মাধ্যমে দোহার এলাকাকে পদ্মার ভাঙ্গন হতে রক্ষা করা হয়েছে। সেই সাথে ৬ কিঃ মিঃ স্থায়ী বাঁধ প্রতিরক্ষা কাজের ৩.৪৮ কিঃ মিঃ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে এবং অবিশিষ্ট ২.৫২ কিঃমিঃ স্থায়ী প্রতিরক্ষামূলক কাজ চলমান রয়েছে। এছাড়াও আইডব্লিউএম এর হাইড্রোলজিক্যাল ও মরফোলজিক্যাল স্টাডির সুপারিশ মোতাবেক গত ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২ তারিখ হতে ১২.২০ কিঃমিঃ ড্রেজিং কাজ শুরু হয়েছে। আসন্ন বর্ষা মৌসুমের পূর্বেই প্রকল্পের ৫০% ড্রেজিং কাজ সম্পন্ন করা হবে এবং অবশিষ্ট ৫০% কাজ আগামী ২০২২-২০২৩ অর্থ বছরে বর্ষা মৌসুমের পূর্বেই সম্পন্ন হবে বলে আশা করা যায়। তাছাড়া আইডব্লিউএম এর প্রতিবেদন মোতাবেক আওরাঙ্গবাদ হতে শাইনপুকুর পর্যন্ত ১৯.২০ কিঃমিঃ প্রিকশনারী নদীর তীর প্রতিরক্ষা কাজ আরডিপিপি’তে নতুন করে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে যা মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের জন্য প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আগামী ২০২৪ সালের জুন মাসের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নিষ্ঠা ও একাগ্রতার সাথে কাজ করে চলেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দৃঢ়প্রত্যয়ী সেনাসদস্যগণ। এই পদ্মা নদীর বাঁধের কাজে চল্লিশটি ড্রেজার খনন কাজে রয়েছে।

সেনাবাহিনী সব সময় জনগণের পাশে বা সরকারের প্রদত্ত দায়িত্ব পালনে প্রস্তুত থাকে

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দোহারে অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার পথ সুগম হবে এবং এই অঞ্চলের মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যায়।

পদ্মা নদী বাঁধ পরির্দশন কাজের সময় সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ বলেন, আজকে আমার এই পদ্মা নদীর বাঁধ পরির্দশনের কারন হল বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড এর অধীনস্ত ২৫ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্যাটালিয়নের কাজের কর্মকান্ড দেখা। তারা আজকে আমাকে পেয়ে মনবল বৃদ্ধি পেয়েছে। আমি খুব খুশি আমাদের যে কাজ দেওয়া হয়েছে তা আমরা সময় ভিতরে শেষ করতে পারবো এবং সেই সাথে কাজের কোয়ালিটিও রক্ষা করতে পারবো।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সব সময় জনগণের পাশে বা সরকারের প্রদত্ত দায়িত্ব পালন করতে সব সময় প্রস্তুত থাকে। আর এটা আমরা করতে পেরে নিজেদেরকে আনন্দিত ভৌতকরি। এই কাজগুলোতে আমরা সর্বচ্ছো কোয়ালিটি মেন্টেন করি।

বাঁধ পরিদর্শন কালে সালমান এফ রহমান বলেন, আমাদের এই প্রজেক্টটা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একনেক সভায় পাশ করিয়েছিলেন। তখন এই কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে। আজকে এই স্থানে এসে পরিদর্শন করার জন্য সেনা প্রধানকে ধন্যবাদ জানাই। সেনাবাহিনী বলেছে এই কাজটি সময়মত শেষ হবে। দোহারের প্রধান সমস্যা ছিল নদী ভাঙ্গন তাই দোহারের মানুষের দাবি ছিল পদ্মা নদীর ভাঙ্গন থেকে রক্ষা পাওয়ার। এটি বাস্তবায়িত্ব হলে আমার দোহারবাসী পদ্মা নদীর ভাঙ্গন থেকে রক্ষা পাবে।

তিনি আরো বলেন, এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দোহারবাসী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সেনাবাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞ থাকবে বলে আমি মনে করেছি।

সে সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, সেনাবাহিনীর উর্ধতন কর্মকর্তা, পানি উন্নয়ন বোডের উর্ধতন কর্মকর্তা, দোহার উপজেলায় চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন, দোহার উপজেলায় সহকারী কমিশনার ভূমি ফজলে রাব্বি, দোহার থানা ওসি মোস্তফা কামাল, ঢাকা জেলা দক্ষিণ ছাত্রলীগের সভাপতি গিয়াসউদ্দিন সোহাগ, দোহার উপজেলা নারিশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন প্রমুখ।

শনিবার দোহার পরিদর্শনে আসছেন সেনাপ্রধান

news39.net: সেনা বাহিনীর এক তথ্য বিবরণীতে জানানো হয়েছে, শনিবার উন্নয়নমূলক কাজ পরিদর্শনে ঢাকা জেলার দোহার উপজেলায় আসছেন সেনাপ্রধান জেনারেল এসএম শফিউদ্দিন আহমেদ। জানা যায়, দোহার উপজেলাধীন পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন প্রকল্প পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে সেনাপ্রধান আসছেন। এসময় তাঁর সফরসঙ্গী হিসেবে থাকবেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প বিষয়ক উপদেষ্টা, ঢাকা -১ সাংসদ সালমান ফজলুর রহমান এমপি।

শনিবার সকাল দশটার দিকে ঢাকা সেনানিবাস থেকে হেলিকপ্টারে করে দোহারের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন সেনাপ্রধান শফিউদ্দিন আহমেদ ও সাংসদ সালমান ফজলুর রহমান। এরপর ১০:০০# পুরাতন বিমান বন্দরের উদ্দেশ্যে যাত্রা ফরিদপুর জেলার সদরপুর উপজেলায়।

১০:৩০# আকোটের চরের উদ্দেশ্যে যাত্রা সকাল সকাল এবং আকোটের চরে অবতরণ।

# ঢাকা জেলার দোহার উপজেলায় ১০:৫৫ বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ড্রেজিং ও বাম তীর সংরক্ষণ প্রকল্প পরিদর্শন

এসময় তাদের সফরসঙ্গী হিসেবে থাকবেন পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ।

দোহারে নৌ-পুলিশের অভিযানে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকার জাল ধ্বংস

ঢাকার দোহার উপজেলায় পদ্মানদীতে অভিযান চালিয়ে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকার কারেন্ট জাল জব্দ করেছে কুতুবপুর নৌ-পুলিশ। এ সময় পদ্মানদী থেকে ৩০ টি নিষিদ্ধ চায়না দোয়ার ও ১০ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা জানায়, সোমবার বিকেলে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পদ্মানদীতে জাল ফেলে ইলিশ ধরছিল অসাধু জেলেরা।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা লুৎফুন্নাহারের নির্দেশে কুতুবপুর নৌ-ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. শামছুল আলমের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে তাদের ধাওয়া করলে জেলেরা জাল ফেলে পালিয়ে যায়। পরে কুতুবপুর নৌ-ফাঁড়ির পুলিশের সহযোগিতায় নদীতে থেকে ৩০ টি নিষিদ্ধ চাইনা দোয়ার ও ১০হাজার মিটার জাল জব্দ করে। জালগুলো জনসম্মুখে পুড়িয়ে ফেলা হয়। যার আনুমানিক বাজার মূল্য ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
দোহারের কুতুবপুর নৌ-ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. শামছুল আলম বলেন, নিয়মিত টহলের অংশ হিসাবে নৌ ফাড়িঁর পুলিশের একটি টিম পদ্মা নদীতে টহল দিচ্ছিল। এ সময় নদীতে নিষিদ্ধ চায়না দোয়ার ও নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল পাওয়া যায়। পরে পুলিশ ও এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে কারেন্ট জাল পুড়িয়ে ফেলা হয়। মাছ সংরক্ষণে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

মিনি কক্সবাজার ধ্বংস করে বালু ব্যবসার মহোৎসব

ঢাকার দোহার উপজেলায় মিনি কক্সবাজার খেতো মৈনটঘাটকে ও আশেপাশে থাকা ফসলি জমি নষ্ট করে চলছে বালু ব্যবসায়ীরা। এতে দিন দিন মৈনটঘাট এলাকায় ফসলি জমির উর্বরতা হারাচ্ছে। এক সময় মৈনটঘাটে প্রচুর বাদাম, সরিষা, ধনিয়া ও গম সহ অনেক ধরনের সবজি ও ফসল উৎপাদন হতো। কিন্তু বালু স্তুপের পর থেকে এখানে এসব ধরনের ফসল উৎপাদন অনেক কমে গিয়েছে ও সবজি উৎপাদন করা অসম্ভব হয়ে পরেছে।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মিনি কক্সবাজার খেতো মৈনটঘাটে ফসলি জমির বিশাল এলাকা জুড়ে বালুর স্তপ তৈরী করে বালু ব্যবসায়ীরা বিক্রি করাছে বালু। এই বালু বাতাসে উড়ে গিয়ে পাশে থাকা ফসলি জমিতে পরায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কৃষি ফসল। আর এতে কৃষকদের ক্ষতি হচ্ছে প্রচুর।

স্থানীয় কৃষক আবুল হোসেন জানান, আমাদের জমীতে বালু পড়ায় দিন দিন ফসল উৎপাদন করা অসম্ভব হয়ে পরছে। আগে এই মৈনটে আমরা প্রচুর পরিমানে ধান, বাদাম, কলই, গম, সরিষা সহ বিভিন্ন ধরনের সবজিও ফলানো হতো। কিন্তু এখন সারা মৈনট এলাকা ঘুরেও এসব ফসলের দেখা পাওয়া যায় না। আর এর মূল কারন হল এই বালু ব্যবসা।

আরো কয়েকজন কৃষক জানান, এখানে সব প্রভাবশালীরাই বালু ব্যবসা করে। তাদের কিছু বলা যায় না। আর এই বালুতে কোন জিনিসই আমরা করতে পারছি না। সব জমি আস্তে আস্তে বালু ব্যবসায়ীরা টাকা দিয়ে নিয়ে নিচ্ছে।

সবুজ নামে এক পথচারী জানান, প্রথম প্রথম আমরা সময় পেলেই মিনি কক্সবাজার মৈনটঘাটে আসতাম সময় কাটাতে। তখন মৈনটঘাটের পরিবেশ ছিলো সবুজ ফসলের মাঠে ঘেরা। আর এখন প্রয়োজনেও আসতে ইচ্ছে করে না। এখানে আসলেই ট্রাকের বালুতে তলিয়ে যাই। আর এর ফলে সারাদিন শরীর চুলকায় গোছল না করা পর্যন্ত।

আর এসব বালু পরিবহনে ব্যবহার করা হচ্ছে যন্ত্রদানব ট্রাক। উপজেলার প্রতিটি সড়কে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে বেপরোয়া অবৈধ মাটির ট্রাকগুলো। এসব ট্রাকের নেই বৈধ কোনো কাগজপত্র, রয়েছে বেপরোয়া গতি, হাইড্রোলিক হর্ন বাজানো এবং বেশির ভাগ চালকদের নেই ড্রাইভিং লাইসেন্স। সব মিলিয়ে নিয়ম কানুন ছাড়াই দিনরাত সড়কগুলো দখলে নিয়েছে মাটি ব্যবসায়ীদের এই যন্ত্রদানব। বিশেষ করে স্কুল চলাকালীন সময়ে ট্রাকের বেপরোয়া গতি জনমনে প্রতিনিয়ত আতঙ্কের সৃষ্টি করছে। এযাবৎকাল দোহার উপজেলার বহু মানুষের প্রাণহানি হয়েছে এসব ট্রাকের চাপায়। তারপরও লাগাম টানা যাচ্ছে না প্রাণঘাতি এ বাহনটির।

স্থানীয়দের মাধ্যমে জানা যায়, রাজনৈতিক পরিচয়ে বেশ কয়েকজন মিলে শক্তিশালী সিন্ডিকেট তৈরি করে এই বালু ব্যবসা করছে তারা। তাদের বিরুদ্ধে নাকি ভয়ে কেউ কোন কথা বলতে পারে না।

বালুর ট্রাকে ফসলি জমির পাশাপাশি ক্ষতি গ্রস্ত হচ্ছে রাস্তাঘাট। এছাড়াও মৈনটঘাট ইতিমধ্যে মিনিকক্সবাজার নামে দেশের সর্বত্র খ্যাতি অর্জন করেছে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে এখানে পর্যটকরা ঘুরতে আসেন। এই বালুর কারনে এখানে পর্যটকরা নিরুৎসাহিত হয়ে পরছে। সেই সাথে যারা প্রতিনিয়ত এই পথে চলাচল করে তারা এই বালুতে অতিষ্ঠ হয়ে পরছে।

বেপরোয়া এই বালু ব্যবসা ও ট্রাকের লাগাম টেনে ধরতে না পারলে এক সময় এই মৈনটঘাট পর্যটক শূন্যের হয়ে পরার পাশাপাশি ফসলের মাঠের পরিবর্তে মরুভূমির মতো হয়ে পরবে।

এবিষয়ে দোহার উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফজলে রাব্বি বলেন, আমরা বিষয়টি অবগত হয়েছি, সেখানে খুব দ্রুত মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করবো।

বাবু মিয়া-বেগম রোকেয়া ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট এর ইফতার বিতরণ

ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার কাঠালীঘাটা গ্রামে মাহে রমজান উপলক্ষে বাবু মিয়া-বেগম রোকেয়া ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের উদ্যোগে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার (১১ এপ্রিল) সকালে কাঠালীঘাটা মাসুম মিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে দুইশত (২০০) পরিবারের মাঝে এ ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। কাঠালীঘাটা মাসুম উচ্চ বিদ্যালয়ের সম্মানিত দাতা সদস্য ও জার্মান আওয়ামী লীগের যুগ্ন আহবায়ক মোঃ রোমান মিয়ার অর্থায়নে বাবু মিয়া বেগম রোকেয়া ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের প্রতি বছরের ন্যায় এবারও রাইপাড়া ও বান্দুরা ইউনিয়নের দরিদ্র পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

এসময় কাঠালীঘাটা মাসুম মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনজুর রশিদ বলেন, বাবু মিয়া বেগম রোকেয়া ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের সম্মানিত প্রতিষ্ঠাতা জার্মান আওয়ামী লীগ শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ রোমান মিয়া অর্থায়নে এবং তার আহবানে আমরা এলাকার দরিদ্র পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করেছি। ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা রোমান মিয়ার আহবানে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

বাবু মিয়া বেগম রোকেয়া ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের সম্মানিত প্রতিষ্ঠাতা মোঃ রোমান মিয়া বলেন, আমাদের ওয়েলফয়ারট্রাস্টের সকল সামাজিক কর্মসূচি ও দরিদ্রদের মাঝে আমরা প্রতিবছর ইফতার সামগ্রী বিতরণ করে থাকি। আমাদের এই ইফতার সামগ্রী ও সকল সহায়তা দরিদ্রদের জন্য অব্যাহত থাকবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, কাঠালীঘাটা মাসুম মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব মনজুর রশিদ, মোঃ শহিদুল ইসলাম শহিদ, মোঃ আইয়ুব বাওয়ালী, ইসমাঈল মাদবর, জাকির হোসেন,আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাএলীগসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।

দোহারে ফসলি জমির টপ সয়েল চলে যাচ্ছে ইট ভাটায়

ঢাকার দোহার উপজেলায় প্রশাসনের নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে উঠছে ইটভাটা। বেশিরভাগই ইটভাটা ফসলি জমির আশপাশে। এ কারণে ফসলি জমির উর্বর মাটি দেদার বিক্রি হচ্ছে ভাটায়। ফসলের জমির উপরিভাগ কেটে নিয়ে যাচ্ছে স্থানীয় ইটভাটায়।

দোহার উপজেলায় ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ২০টিরও বেশি ইটভাটা রয়েছে। দিনে দিনে আরও নতুন ইটভাটা তৈরির চেষ্টাও চলছে। এই ইটভাটাগুলোর ইট তৈরীর জন্য ফসলের জমির মাটি যাচ্ছে ইট ভাটায়। এসব ভাটায় যাচ্ছে উপজেলার আড়িয়ল বিলের, মৌড়া, নারিশা, সুতারপাড়া, জালালপুর, নিকড়ার চক, রসুলপুর চক, মাঝিরকান্দার চক, মাহমুদপুর ইউনিয়নের চক এলাকার দোহ ফসলি জমির মাটি।

সরেজমিন দেখা যায়, কৃষককে অধিক বেশি টাকার লোভ দেখিয়ে বা কোন কোন ক্ষেত্রে তাদেরকে ভায় দেখিয়ে ভেকু দিয়ে আবাদি জমির উপরিভাগের মাটি কেটে নিচ্ছেন ইটভাটার মালিকরা। এতে জমির উর্বরতাশক্তি নষ্ট হচ্ছে। কেউই বা মুখ খুললে তর বিরুদ্ধে নেওয়া হচ্ছে ব্যবস্থা। এই ভয়ে কেউ কিছু বলতে চাচ্ছে না। আর এই কারণে ফসলি জমি নষ্ট করার কারণে খাদ্য সংকটে পড়ার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী। মাহিন্দ্রা ও ট্রাকে করে এসব মাটি ইটভাটায় নেওয়া হচ্ছে। এ কারণে সড়কগুলোও হচ্ছে ক্ষতিগ্রস্ত। এভাবে ফসলি জমির মাটি অবাধে কেটে ইটভাটায়। বিক্রি হলেও চোখে পড়ছে না প্রসাশনের। এ ভাবে আগামী ১০-১৫ বছর এমন অবস্থা চলতে থাকলে কৃষি জমিগুলো অনাবাদি হয়ে পড়বে। এতে উৎপাদন কমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দেশে খাদ্য সংকট দেখা দিতে পারে।

অভিযোগ রয়েছে, মাটি ব্যবসায়ীরা ও ইটভাটার লোকজন দরিদ্র কৃষকদের ফসলি জমির মাঠে গিয়ে ভয়ভীতি দেখান। সামান্য কিছু টাকার বিনিময় বড় বড় গর্ত করে মাটি উত্তোলন করে নিয়ে যান। ফলে এই অঞ্চলে আবাদি জমির উপরিভাগের মাটি ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে।

দোহার উপজেলায় মাহমুদপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা নজরুল ও জাহাঙ্গীর ইসলাম বলেন, আমাদের বাড়ি সাথে কৃষি জমি এখান থেকে ধানসহ বিভিন্ন ধরনের ফসল উৎপাদন হত। কিন্তু এখন লিটন দেওয়া, সবুজ দেওয়ানা,আশরাফ দাওয়ান এরা এই স্থান থেকে মাটি কেটে নিয়ে ইটভটায় বিক্রি করতেছে। ব্যনা আসলে আমাদের ঘর ভেঙে যেতে পারে সে জন্য আমরা তাদেরকে নিষেধ করেছি কিন্তু তারা শুনে না। পরে আমরা আমাদের এখানের মহিলা মেম্বার মাকসুদার কাছে বিষয় টা জানিয়েছিলাম কিন্তু কোন কাজ হয়নি।

তারা আরো বলেন, এখান থেকে নদী পযন্ত প্রায় পাঁচ একরের মত কৃষি জমির উপরের অংশ কেটে নিয়ে গিয়েছে। আমরা বাঁধা দিলেও তারা শুনছে না।

ঐস্থানের আরেক জন বাসিন্দা বিল্লাল বলেন, গত বছর আমার জমি কেটে নিচ্ছিল ইটভাটায় আমি তখন পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করি। পরে পুলিশ ঘটনা স্থলে আসে কিন্তু কোন ব্যবস্থা নেয়নি। আর এখন আমি কিছু বলতে পারবো না আমি গতবার অভিযোগ করেছি বলে আমাকে দেখেলেই তারা কিটি সাইজ করে। রাস্তা ঘাটে উল্টো পাল্টা কথা বলে।

সুফিয়া আক্তার বলেন, এখান থেকে যে ভাবে মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে ইট ভাটায় তাতে মনে হয় কৃষি জমি আর থাকবে না। এখানে যে ইট ভাটা দিয়েছে এটা কারনে আমাদের গাছের ফল হয় না। গাছে নারিকেল হয় কিন্তু পানি হয় না ডব অবস্থায়ই শুকিয়ে যায়।

তিনি আরো বলেন, এই ইট ভাটায় ডিসি, উপজেলা প্রশাসন আসে কিন্তু কোন কিছুই হয় না।

অন্য দিকে জমির মালিক রেহেনুমা বলেন, আমার জমির মাটি কেটে নিয়ে বিক্রি করে ফেলেছে। এখন আমার জমি পুকুরে পরিনত হয়েছে। ইউএনও আসে যায় কিন্তু আমি আমার জায়গায় বুঝে পাচ্ছি না।আমি আমার জায়গা বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য তাদের কাছে দরখাস্ত দিয়ে ছিলাম তাতেও কোন কাজ হয়নি।

এবিষয়ে মাহমুদপুর ইউনিয়নের মহিলা মেম্বার মাকসুদা বেগম বাসায় গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। পরে তার মুঠো ফোনে কয়েক বার ফোন দিলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

দোহার উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা মামুন ইয়াকুব বলেন, এটি ভূমি মন্ত্রলায়ের বিষয় আমাদের না। তবে আমাদের পরামর্শ দেওয়া আছে কোন জমিতে কি করা যাবে আর যাবে না সে বিষয়। কৃষি জমির মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে এ বিষয় জানতে চাই তিনি বলেন এতে কৃষি জমি তার উবরতা হারাচ্ছে। তবে এই জমি হয়তোবা আবার ঠিক হয়ে যাবে।

মাটি কেটে নেওয়ার বিষয় সবুজ দেওয়ানা এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন, হা আমি মাটি কাটাছি তবে আপনি যেটা দেখেছেন সেটা না, আমি আমার জমি ও আমার ভাইয়ের জমি কেটতেছি। আনরা এখানে মাছের খামার বানাবো। এখানে আমাদের দুই ভায়ের ২১০ ফিট জমি আছে।

কৃষি জমির উপরের মাটি কাটার বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা পুকুর খনন করবো সে জন্য সব মাটি এখানে ধরবে না তাই আমরা ইট ভাটায় বিক্রি করে দিয়েছি। নিচের যে মাটি আছে সেটা দিয়ে আমরা পাড় বাঁধাই করে পুকুর খনন করবো।

তিনি আরো বলেন, ইটভাটার মালিকানায় আমিও আছি। ইট ভাটার পরিবেশের ছাড়পত্র আছে কি না জানতে চাইলে বলেন হা আমাদের ইটভাটার সব ধরনের কাগজ পত্র আছে এমনকি ডিসি অফিসেরও অনুমতি আছে।

এবিষয়ে দোহার উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফজলে রাব্বি বলেন, আমরা এ বিষয়ে দ্রুত অভিযান পরিচালনা করবো। আর যারা অবৈধ ভাবে মাটি কাটবে তাদেরে বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিব।

দোহারে হেরোইন ও ইয়াবাসহ দুই মাদকব্যবসায়ী আটক

ঢাকার দোহার উপজেলায় ৫৬ পুরিয়া হেরোইন ও ১০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদকব্যবসায়ীকে আটক করেছে দোহার থানা পুলিশ। বুধবার বিকেলে উপজেলার কুসুমহাটি ইউনিয়নের বড় বাস্তা এলাকার রাস্তার ওপর থেকে তাদেরকে আটক করা হয়। আটককৃতরা হলো- উপজেলার বড় বাস্তা এলাকার রোমান শিকদারের ছেলে আবির শিকদার(২৩) ও একই এলাকার মতি শিকদারের ছেলে ইমরান শিকদার(২৮)।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দোহার থানার চর মোহাম্মদপুর পুলিশ ফাঁড়ির এসআই সঞ্জয় মালো ও এএসআই অমিত হাসান সঙ্গীয় ফোর্স-সহ মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও গ্রেফতারি পরোয়ানা তামিল ডিউটি করার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়কালে আবির শিকদার ও ইমরান শিকদারকে আটক করে পুলিশ। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদকব্যবসায়ীরা দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। পুলিশ আটককৃতদেহ তল্লাশি করে ৫৬ পুরিয়া হেরোইন ও ১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে। আটককৃতদের দোহার থানার ০৬ নং মামলায় ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) এর টেবিল ৮(ক)/ ১০(ক) ধারায় নিয়মিত মামলা দায়ের করে বৃহস্পতিবার আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মোস্তফা কামাল জানান, মাদকদ্রব্যসহ দু’জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মাদক মামলা দিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।