দোহারে বিনামূল্যে স্বাস্থ্য সেবা প্রদান

ঢাকার দোহার উপজেলায় বিনামূল্যে স্বাস্থ্য সেবা ও ওষুধ বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকাল ৫টা থেকে উপজেলার ইমামনগর-নয়ানগর ত্রিকান্তী সংঘ প্রাঙ্গণে ভিশন অফ বাঙ্গালী খ্রিস্টান সোসাইটি এর আয়োজন করেন। চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. হরগোবিন্দ সরকার অনুপ।

এতে শিশু বৃদ্ধসহ শতাধিক মানুষের ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, বাত ব্যাথা, জ্বর রোগের চিকিৎসা করে ব্যবস্থাপত্র প্রদান করাসহ বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ করা হয়।

আরো উপস্থিত ছিলেন, ভিশন অফ বাঙ্গালী খ্রিস্টান সোসাইটি এর ভিশন অফ বাঙ্গালী খ্রিস্টান সোসাইটির সদস্য অমল মিল্টন রোজারিও ও রবার্ট রবিন রোজারিও, ক্লাবের সভাপতি কর্নেলিয়াস সরোজ গমেজ প্রমুখ।
ইমামনগর-নয়ানগর ত্রিকান্তী সংঘ ও সাধু যোসেফের সমাজ এতে সহযোগিতা করেন।

দোহারের ৩ ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনের তফসিল ঘোষনা

দীর্ঘ প্রায় ১২ বছর পর দোহার উপজেলার রায়পাড়া, মাহমুদপুর, সুতারপাড়া তিন ইউনিয়নের নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ২ নভেম্বর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে নিশ্চিত করেছেন ঢাকার দোহার উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. রেজাউল ইসলাম। দোহার পৌরসভার সাথে সীমানা জটিলতা থাকার কারনে এই দীর্ঘ ১২ বছর নির্বাচন বন্ধ ছিল।

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল ইসলাম জানান, আজকে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নির্বাচন কমিশন থেকে দোহারের তিনটি ইউনিয়নের নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। নির্বাচনের তফসিল অনুসারে ৬ অক্টোবর মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষদিন। ১০ অক্টোবর যাচাই-বাছাই, প্রত্যাহার ১৭ অক্টোবর ও ভোট গ্রহণ ২ নভেম্বর।

নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হওয়ায়, কে হবেন ইউপি চেয়ারম্যান আর কে হবেন মেম্বার এ নিয়ে শুরু হয়েছে ফেসবুকসহ নাগরিকদের মধ্যে নানা জল্পনা কল্পনা। দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের একাধিক নেতাকর্মী বলেন, ইউপি নাগরিকরা দীর্ঘ প্রায় এক যুগ পর তাদের ভোটের অধিকার ফিরে পাচ্ছে। আর এতে হয়তোবা ইউপি উন্নয়নকে এগিয়ে নিতে এ নির্বাচন একটি মাইল ফলক হিসেবে কাজ করবে।

এবিষয়ে দোহার উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়াডে মেম্বার পদ-প্রার্থী আল আমিন হোসেন বলেন, আমি নির্বাচনের জন্য আগে থেকেই গনসংযোগ করে আসছি। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার জন্য আমি নির্বাচন কমিশনার ও বাংলাদেশ গনপ্রজাতন্ত্রী সরকারকে ধন্যবাদ জানাই।
তিনি আরো বলেন, আমি আশা করি এই নির্বাচনে জনগন সঠিক সিদ্ধান্ত নিবে এবং ন্যায়ের পক্ষে ভোট দিবে।

দোহার উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. রেজাউল ইসলাম বলেন, দীর্ঘ জটিলতা শেষে প্রায় ১২ বছর পর দোহার উপজেলার তিনটি ইউনিয়ন রায়পাড়া, সুতারপাড়া ও মাহমুদপুর নির্বাচন হতে যাচ্ছে। নির্বাচনকে সামনের রেখে সকলের সহযোগীতা প্রয়োজন। দোহারবাসীর সার্বিক সহযোগীতা থাকলে নির্বাচন কমিশন একটি সুন্দর ইউপি নির্বাচন উপহার দিবে।

তিনি আরো বলেন, এই তিনটি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন ইভিএম এর মাধ্যমে হবে। যেটি সকাল ৮ থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ চলবে।

উল্লেখ্য, দোহার উপজেলার জয়পাড়া, রাইপাড়া, সুতারপাড়া ও মাহমুদপুর ইউনিয়নের আংশিক অংশ নিয়ে ২০০০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এরপর সীমানা জটিলতা ও ভোটার তালিকা নিয়ে বেশ কয়েকটি মামলা হওয়ায় বিগত ১২ বছর এই তিনটি ইউনিয়নের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি।

স্বাস্থ্য সেবা সহজীকরণ বাস্তবায়নে ক্লিনিক মালিকদের সাথে সভা

ঢাকার দোহার উপজেলায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার এর মালিকপক্ষদের সাথে স্বাস্থ্যসেবা সহজীকরণ সভা করেছে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. জসিম উদ্দিন।

সোমবার (১৯শে সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (রোগ নিয়ন্ত্রণ) উম্মে হুমায়রা কানেতার সঞ্চালনায় সভায় সভাপতিত্ব করেন,উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. জসিম উদ্দিন। উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মোবাশ্বের আলম, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দোহার থানা অফিসার ইনচার্জ মোস্তফা কামাল।

এসময় প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন,প্রতিটি বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের রেজিষ্ট্রেশন নাম্বার ও মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ লিখে সাইনবোর্ডে টানাতে হবে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এর দায়িত্বে খুব দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে। সরকারি হাসপাতালের এলাকায় মধ্যে কোনো বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের এজেন্ট বা দালাল আসতে পারবে না।সরকারি ল্যাব খোলা অবস্থায় অন্য কোথাও টেষ্ট করনো যাবে না।সরকারি হাসপাতালের এ্যাম্বুলেন্স ভাড়া ১৮০০-২০০০টাকা ও বেসরকারি এ্যাম্বুলেন্সের জন্য গ্যাস দ্বারা চালিত হলে দুস্থ পরিবারের জন্য ২৩০০ টাকা এবং তেল দ্বারা চালিত হলে ৪০০০ টাকায় ভাড়ায় চলবে। তবে এক স্থান থেকে অন্য স্থানের দূরত্ব বেশি হলে ভাড়া বেশি নেওয়া যেতে পারে। ইমার্জেন্সিসহ সপ্তাহে দুদিন যথা বৃহস্পতিবার ও সোমবার দুপুর ১.০০ঘটিকা থেকে ২.০০ঘটিকা পর্যন্ত ঔষধ কোম্পানীর প্রতিনিধিরা সাক্ষাৎ করতে পারবেন। যে সকল ক্লিনিকে অপারেশন থিয়েটার (ওটি) চালু রয়েছে সে-সকল ক্লিনিকে সহকারী এমবিবিএস ডাক্তার, ডিউটি ডাক্তার, অজ্ঞান করার ডাক্তার, প্রশিক্ষিত মিডোওয়েফার ও স্বীকৃত প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধিত নার্স রাখতে হবে।

এসময় তিনি আরো বলেন,জনস্বার্থবিরোধী কোন কাজ কেউ করতে পারবে না এবং করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।সিসিটিভির মাধ্যমে সকল অনিয়ম পর্যবেক্ষন করে তার যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান।

এসময় দোহার উপজেলা বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী গৃহীত এসকল সিদ্ধান্ত বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিকরা মেনে চলবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এসময় দোহার পৌরসভা এলাকার সকল বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার মালিকপক্ষ, এ্যাম্বুলেন্স ডাইভার ও স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ঢাকা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হলেন মুক্তিযোদ্ধা মাহবুবুর রহমান

টানা দ্বিতীয়বারের মতো ঢাকা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন দোহারের মাটি ও মানুষের নেতা, তৃণমূল থেকে সাফল্যের শিখরে আসীন বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহবুবুর রহমান। ঢাকা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে মাহবুবর রহমানকে দলীয় মনোনয়ন দেন প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনা। জানা যায় ঢাকা সিটির মধ্যে ও সিটির বাহিরে দুই জন ফরমজমা দেন। পরে শেখ হাসিনার নির্দশনায় সেই দুই ব্যক্তি আজ রবিবার ফরম তুলে নেন। এ জন্য কোন প্রার্থী না থাকায় মুক্তিযোদ্ধা মাহবুবুর রহমান বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় দ্বিতীয় বারের মতো ঢাকা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হোন।

মাহবুবুর রহমানের এই বিজয়কে তার সমর্থকেরা সততার এবং আনুগত্যের পুরস্কার এবং ক্ষমতার ভারসাম্য হিসাবে দেখছেন বলে জানা যায়।

যেভাবে হত্যা করা হয় সাইদুল ও সোহেলকে

0

অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য মানুষ কি না করে। জীবনের মায়া ত্যাগ করে নৌপথে সমুদ্র পাড়ি দিতেও দ্বিধা করেনা। আর এই সুযোগ নেয় সমাজের কিছু নরপশু। যুব সমাজকে টার্গেট করে চাকরি দেয়ার কথা বলে প্রতিশোধ হিসেবে হত্যার মতো জঘন্য ঘটনা ঘটাতেও দ্বিধাবোধ করেনা সমাজের মধ্যে ভালো মানুষের ঘাপটি মেরে থাকা ঘাতকরা। এমনই একটি নির্মম ঘটনার স্বীকার সাইদুল ইসলাম মৃর্ধা ও সোহেল।
সাইদুল ও সোহেল দুজনে প্রতিবেশি। ভালো বন্ধু। দরিদ্র পরিবারের সন্তান তারা। পরিবারের অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতার জন্য সাইদুল তিন বছর কাতারে কাটান। কিন্তু সেখানেও ভাগ্যের চাকা ঘোড়াতে পারেনি। সুবিধা করতে পারেনি বলে চলে আসেন দেশে। এবার দুবাই যাওয়ার চেষ্টা সাইদুলের। কিন্তু করোনাভাইরাস প্রার্দুভাবের কারণে যাওয়া হয়ে ওঠেনি। সাইদুলের মা রাজিয়া বেগম বলেন, চাকরির জন্য দুই বন্ধু দেখা করেন পাশের গ্রামের সাজ্জাত মোল্লার সঙ্গে। সাজ্জাত মোল্লা দুজনকেই একই এলাকার চঞ্চল মোল্লার মাওয়া বালুর ড্রেজারে চাকরি দেয়ার আশ্বাস দেন। কয়েকদিন পর ২০২১ সালের ২০শে এপ্রিল আনুমানিক সকাল ১০ টায় সাজ্জাত মোল্লা তার মোবাইল ফোন থেকে সাইদুলকে ফোন করে জানায়, এখনই মাওয়া যেতে হবে। চঞ্চল মোল্লা তারাতারি যেতে বলেছে। ফোন পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দুজনেই সাজ্জাত মোল্লার সঙ্গে চঞ্চল মোল্লার কাছে যাচ্ছেন বলে সাইদুল আমাকে জানায়। তখন ছিল ঠিক রমজান মাস। প্রায় সন্ধ্যা। ইফতারির খবর নিতে আমি ছেলে সাইদুলের মোবাইলে ফোন করি। সাইদুল আমাকে জানায়, আমি সাজ্জাত কাকা ও চঞ্চল মামার সঙ্গে মাওয়াতে আছি। কাজ বুঝে নিতে রাত হবে তাই আজ আসবো না। কাল সকালে আসবো।
রাজিয়া বেগম আরো বলেন, পরের দিন সাইদুলের মোবাইলে ফোন দেই। কিন্তু মোবাইল বন্ধ পাই। এ ঘটনা জানিয়ে থানায় মামলা করতে যাই। কিন্তু থানা কতৃপক্ষ সেদিন আমরা মামলা / জিডি কিছুই নেয়নি। তিনদিন পর ২৩শে এপ্রিল আবার থানায় গেলে সেদিনও মামলা না নিয়ে জিডি নেন। এভাবে চার মাসেরও বেশি সসয় পার হয়ে যায়। কিন্তু ছেলের কোনো সন্ধান নেই। অবশেষে ওই বছরের সেপ্টেম্বর মাসে অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও দোহার আমলী আদালতে একটি মামলা দায়ের করি। পরে সিআইডির মাধ্যমে জানতে পেরি আমার ছেলে আর জীবিত নেই।
মামলায় আবেদনে উল্লেখ করা হয়, আসামি সাজ্জাত মোল্যার সঙ্গে আমার পুত্র সাইদুল মৃর্ধার তুচ্ছ বিষয় নিয়ে ঝগড়া হয়। সাজ্জাত মোল্যা আমার ছেলেকে বলে, সুযোগ পেলে তোকে দেখে নেব। এরপর স্থানীয় গণ্যমান্য লোকজন সাজ্জাত মোল্যা এবং আমার ছেলে সাইদুল মৃর্ধার আপোষ করিয়ে দেয়। প্রতিবেশি হওয়ায় আমার ছেলে এবং সাজ্জাত মোল্যার মধ্যে ফের আন্তরিক সম্পর্ক হয়। একদিন আমার ছেলে সাইদুল করোনার কারণে বিদেশ যেতে না পারার কথা জানালে সাজ্জাত মোল্যা মাওয়াতে চঞ্চল মোল্যার ড্রেজারে চাকরি দেয়ার কথা বলে নিয়ে যায়। এরপর পরের দিন ছেলেকে ফোন দিলে তার মোবাইল বন্ধ পাই। আমরা সাজ্জাত মোল্যা ও চঞ্চল মোল্যার বাসায় গিয়ে ছেলের সন্ধান জানতে চাই। তারা বলে আমরা তোমার ছেলের খবর জানিনা। এ নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে তোকে ও তোর অন্য ছেলেদেরকে মেরে লাশ গুম করে ফেলবো।
রাজিয়ার আইনজীবী এডভোকেট শ্রেষ্ঠ আহমেদ রতন বলেন, এ ঘটনায় রাজিয়া বেগম প্রথমে দোহার থানায় মামলা করতে যায়। কিন্তু থানা কতৃপক্ষ সেদিন মামলা না নিয়ে দুই দিন পর জিডি নেন। পরে ছেলের সন্ধান না পেয়ে মা আদালতে মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলাটি দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে এজাহার হিসেবে গ্রহণ করে তদন্তের আদেশ দেন। দোহার থানা মামলাটি গ্রহণ করে কিছুদিন তদন্ত কার্যক্রম করেন। তথ্য প্রযুক্তির বিষয় জড়িত থাকায় পরে দোহার থানা মামলাটি সিআইডিতে হস্তান্তর করেন। সিআইডির তদন্ত শুরু করেন। এক পর্যায়ে এ ঘটনায় সোহাগ ব্যাপারী ও ইয়াছিন মোল্লাকে আটক করে সিআইডি। তারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবান্বন্দী দেন। বেড়িয়ে আসে সাইদুল ও সোহেলকে নির্মমভাবে হত্যা করার আদ্যপ্রান্ত।
যেভাবে হত্যা করা হয় সাইদুল ও সোহেলকে
ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে সোহাগ ব্যাপারী ও ইয়াছিন মোল্লা আদালতে স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্ধী দেয়। সোহাগ ব্যাপারী দোহার থানার ডুলি হাসির মোড় গ্রামের এমদাদুলের বাসায় থাকতেন। ওই বাসায় থেকে মটর সাইকেলের মিস্ত্রির কাজ করতেন। সেই সুবাদে এমদাদ, সাজ্জাত মোল্লা, কাওছার মোল্লা, মনির শেখ, ইয়াসিন, আলমদার ও ইয়াসিনের ভাতিজার সঙ্গে তার পরিচয় হয়। জবানবন্ধীতে সোহাগ ব্যাপারী ম্যাজিস্ট্রেটেটের কাছে বলেন, ঘটনার সপ্তাহ খানেক আগে সাজ্জাত মোল্লা ও এমদাদ আমাকে বলে, আমরা বোটে(ট্রলার) করে মাওয়া ব্রীজ দেখতে যাব। তুমি কি আমাদের সঙ্গে যাবা? তাদেরকে বলি – আমি যাব। ঘটনার দিন এমদাদ আমাকে সাজ্জাত মোল্লার বাসায় যেতে বলে। সে আমাকে ৩ হাজার ৫০০টাকা দিয়ে বাঁশতলার আজিমের কাছে যেতে বলে। সেখানে গেলে আজিম টাকা রেখে ৩৫টি ইয়াবা দিয়ে বোটে যেতে বলে। আমি বোটে যাই। সেখানে এমদাদ, আলীমদার, মনির, কাওছাড়, ইয়াসিন ও তার ভাতিজা বসা ছিল। ১০/ ১২মিনিট পরে সাজ্জাত মেল্লা একটা ব্যাগ ও দুই জন ছেলেকে নিয়ে আসে। তারপর সন্ধ্যার পর বোটে আবার দোহারের দিকে ফিরতে থাকি। ব্রীজ থেকে ৪/৫ কিলোমিটার আসার পর পদ্মা নদীর একটা চরে বোট থামে। বোট থেকে তখন সবাই নেমে ইয়াবা ও মদ খায়।
ম্যাজিস্ট্রেটকে আরো জানায়, পদ্মার চর থেকে সাঈদুল তার মায়ের সঙ্গে কথা বলে জানায়, আমি আজ ফিরবো না। আগামীকাল ফিরবো। মদ খাওয়া শেষ হলে প্রথমে রিভেলভার দিয়ে সাইদুলের পিঠে গুলি করে। সে পড়ে যায়। এরপর সাজ্জাদ মোল্লা সোহেলের মাথায় নৌকার বইঠা দিয়ে বাড়ি দেয়। তখন এমদাদুল রিভলবার দিয়ে সোহেলকে গুলি করে। এরপর ওরা সবাই মিলে সাঈদুলের গলায় রশি দিয়ে প্যাচ দিয়ে চাপ দেয়। সাঈদুল মারা যায়। তখন ওরা আবার সোহলের গলায় একইভাবে প্যাচ দিয়ে চাপ দেয়। সোহেলও মারা যায়। এরপর সবাই মিলে বালি খুড়ে গর্ত করে লাশ ২টা- একই গর্তে রেখে বালু দিয়ে চাপা দেয়। এরপর ওই গর্তের বালুর উপরে ডিজেল ঢেলে দেয়। এরপর আমরা সবাই বোটে উঠি। হঠাৎ সাজ্জাত মোল্লার মোবাইলে ফোলে একটা কল আসে। তখন সাজ্জাত মোল্লা বলেন, ওদের দুই জনকে মেরে ফেলেছি। তখন ফোন করা লোকটা বলে, তোরা ইন্ডিয়া গিয়ে পাসপোর্ট কর। তোদের আমি ইটালি নিয়ে আসবো।
১৬৪ ধারায় জবানবন্ধী দেয়া আরেক আসামী হলো মো. ইয়াছিন মোল্যা। তিনি ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে বলেন, ঘটনা ছিলো রোজার ৭ম দিন। সেদিন দুপুরের দিকে ইমদাদুল আমাকে ফোন করে মুকসেদপুর ঘাটে যেতে বলে। মুকসেদপুর বাজারে আমার সঙ্গে মনিরের দেখা হয়। তার দুই হাতে দুই ড্রাম ২০ লিটার ডিজেল ছিলো। আমি তার সঙ্গে ঘাটে গিয়ে দেখি একটি বোটে সাজ্জাত মোল্যা, ইমদাদুল, আলীমদার, সোহাগ মোল্যা, কাওছার মোল্যা, রাজন, সোহেল ও সাইদুল বসে আছে। তারপর সাজ্জাত মোল্যা আমাকে বোট চালিয়ে মাওয়া ঘাটের দিকে যেতে বলে। তখন প্রায় ৩টা বাজে। আমি বোট চালিয়ে পদ্মা ব্রীজের কাছে যাই। সেখানে আমরা পদ্মা ব্রীজ ঘুরে দেখি। এর মধ্যো সন্ধ্যা হয়ে যায়। সন্ধ্যার পর ইমদাদুল আমাকে বোট ঘুড়িয়ে দোহারের দিকে যেতে বলে। বোটটি ছিল চঞ্চল মোল্যার। কিছুদূর আসার পর ইমদাদুল পদ্মার একটি ছোট্র বালুর চরে বোট থামাতে বলে। আমি সেখানে বোট থামাই। তখন ওরা সবাই বোট থেকে নেমে ইয়াবা আর মদ খায়। ইমদাদুল কিছুক্ষণ পর সোহেলের পিঠে গুলি করে। সোহেল পড়ে যায়। তখন সাইদুলকে বোটের বৈঠা দিয়ে আলীমদার আর সোহাগ বাড়ি দিয়ে ফেলে দেয়। তখন সাজ্জাত গুলি করে সাইদুলকে। গুলি লাগে সাইদুলের কাঁধের দিকে। এরপর ওই নাইলনের দড়ি দিয়ে সবাই মিলে সোহেল ও সাইদুলের গলায় প্যাচ দিয়ে চাপ দেয়। ওরা মারা যায়। গর্ত খোড়া হলে ওরা সবাই মিলে সোহেল আর সাইদুলের লাশ ওই গর্তে ফেলে। ইমদাদুল একটা ড্রাম এনে ডিজেল ফেলে দেয়। তারপর সবাই মিলে বালু দেয়। এরপর আবার ডিজেল ঢালে। তারপর সবাই আবার বোটে উঠে রওনা দেয়। এ সময় সাজ্জাত মোল্যা ফোনে একজনকে জানায়, দাদা কাজ হয়ে গেছে। দুইটারেই মেরে বালু চাপা দিয়ে দিয়েছি।

দোহারে সেচ্ছাসেবকলীগের প্রাথমিক সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু

বাংলাদেশ আওয়ামী সেচ্ছাসেবক লীগ ঢাকা জেলা দক্ষিণ অন্তর্গত দোহার মেডেল থানা আওয়ামী সেচ্ছাসেবকলীগের সাংগঠনিক মাস উপলক্ষ্য বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ছ’টায় দোহার পৌরসভার সালমান এফ রহমান অডিটোরিয়াম রুমে এই বর্ধিত সভা ও প্রাথমিক সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

প্রাথমিক সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রমের আগে কেন্দ্রীয় সেচ্ছাসেবকলীগের সিনিয়ার সহ সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক দিক নির্দেশনা মূলক বক্তব্য রাখেন সে-সময় তিনি তার বক্তব্য বলেন, আমাদের বাংলাদেশে ১০৬ টি উপজেলাকে মডেল করার কর্মসূচির গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে এক নম্বরে রাখা হয়েছে দোহার উপজেলা। যে এই উপজেলার নেতা হবে সে হবে ১ নম্বর নেতা। সালমান এফ রহমান জানেন কি ভাবে উন্নয়ন করা যায়। বাংলাদেশে তিন জন শিল্পপতি থাকলে দোহারে তার মধ্যে এক সালমান এফ রহমান।

তিনি আরো বলেন, আমাদের ১১ জনের স্ট্রিং কমিটি করা হবে। তারা আগামী সাতদিনের মধ্যে সদস্য সংগ্রহ করে কেন্দ্রে নাম পাঠাবে। তাবে তাদেরকে লক্ষ রাখতে হবে এই নামের তালিকায় যাতে মাদক, সন্তাস বিরুদ্ধী ও ত্যাগী নেতার নাম আসে। আমি এও মনে করি দোহারে রাজনৈতিক করা ইশপাতের মত কঠিন আবার সহজ। তাই আমাদের ত্যাগী নেতাদের কমিটির অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

দোহার উপজেলার চেয়ারম্যান ও দোহার উপজেলার আওয়ামী লীগের সভাপতি আলমগীর হোসেন বলেন, আমাদের সংসদ সালমান এফ রহমান দোহারের পদ্মানদী বাঁধ দিয়ে দোহারকে রক্ষা করেছেন। তিনি এই দোহার উপজেলার পৌরসভাকে মডেল পৌরসভা হিসেবে গড়ে তুলবে। আজকে দোহার উপজেলায় কেন্দ্রীয় সেচ্ছাসেবকলীগের যারা এসেছেন তাদেরকে ধন্যবাদ জানাই।

বর্ধিত সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, পৌর মেয়র আলমাছ উদ্দিন, হাসান মতিউর রহমান, মাহাবুব বেপারী, রাহুল দাস, দোহার উপজেলার সাবেক সেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি বাসার চোকদার,
অনুপম গুহ নয়ন প্রমুখ।

নবাবগঞ্জে রাসূল সাঃ কে অবমাননাঃ কন্সটেবল প্রীতমসহ আটক ২

নিউজ৩৯ঃ ঢাকার নবাবগঞ্জে ইসলাম ধর্ম ও মহানবিকে (সা.) নিয়ে কটূক্তি করে ফেসবুকে কমেন্ট করার অভিযোগে পুলিশ কনস্টেবল প্রীতম মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।

ঢাকা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোবাশশিরা হাবীব খানের নেতৃত্বে একটি দল বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাতভর অভিযান চালিয়ে শুক্রবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকার একটি বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে তাকে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিবি) মোবাশশিরা হাবীব খান গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার অপরাধে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য প্রীতম মণ্ডলকে সাময়িকভাবে বরাখাস্ত করা। পরবর্তীতে প্রীতমকে গ্রেপ্তারে কাজ শুরু করে গোয়েন্দা পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর আসামি ১। প্রীতম মন্ডল ২। অলক সরকার কার্তিক দ্ব‌য়ের বিরুদ্ধে নবাবগঞ্জ থানায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। যার মামলা নং ১১ তারিখ ১৫/৯/২০২২ এবং তাদের উভয়কে নবাবগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পুলিশ সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে আসামীকে আদালতে পাঠিয়েছে।

অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য প্রীতম নবাবগঞ্জ উপজেলার শোল্লা গ্রামের বাসিন্দা। এ ঘটনায় উত্তেজিত হয় সাধারণ মানুষ। নবাবগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশের পদক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

এদিকে ইসলাম ও মহানবি (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদে শুক্রবার নবাবগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে মানববন্ধন ও বিক্ষোভের ডাক দেয় সাধারণ মুসুল্লিরা। অপরদিকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বস্তরের সাধারণ মানুষকে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য অনুরোধ করে শুক্রবার সকালে উপজেলা প্রশাসনের ফেসবুক আইডি থেকে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।

 

দোহার পদ্মা সরকারি কলেজ রোভার স্কাউটের তাবুজলসা অনুষ্ঠিত

পদ্মা সরকারি কলেজ রোভার স্কাউটের বার্ষিক দীক্ষা ক্যাম্প ও মহা-তাবুজলসা বুধবার রাত সাড়ে ন’টায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতি বছর এই অনুষ্ঠান কে ঘিরে রোভার স্কাউটের সদস্যদের মধ্যে দেখা দেয় প্রাণ চঞ্চলতা ও নব উদ্যমে কাজ করার গতিশীলতা।

নতুন সদস্যদের দীক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে স্কাউট গ্রুপে স্বাগত জানানো হয় প্রবীণদের মধ্যে থেকে তিনজন বিদায় নেন দীর্ঘ দিনের প্রিয় এই সংগঠন থেকে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাকা জেলা প্রশাসক মোঃ শহীদুল ইসলাম একজন স্কাউট ও একজন সাধারণ মানুষের মধ্যে পার্থক্য তুলে ধরেন।

তিনি স্কাউটিং এর গুরুত্ব তুলে ধরে উল্লেখ করেন,স্কাউট মানব সেবায় সদা প্রস্তুত। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোবাশ্বের আলম।

সার্বিক সমন্বয়কের ভূমিকায় ছিলেন পদ্মা সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো.জালাল হোসেন। শুভেচ্ছা বক্তব্য পেশ করেন পদ্মা সরকারি কলেজ রোভার স্কাউটের সাধারণ সম্পাদক ক্রীড়া শিক্ষক মোল্লা মো.ইমদাদুল হক চান।

রোভার স্কাউট সদস্যগণ বার্ষিক তাবুবাস উপলক্ষে চারটি দলে বিভক্ত হয়ে অত্র অনুষ্ঠানে মনোমুগ্ধকর ডিসপ্লে প্রদর্শন করে। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন রোভার স্কাউট লিডার মেধাবী ছাত্র সাকিল আহমেদ। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী পরিষদের উপ-সচিব কাজী নিশাত রসুল,দোহার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এ এম মুস্তাফিজুর রহমান, বাংলাদেশ ট্যাক্সেসবার এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি পদ্মা কলেজের প্রতিষ্ঠাতা এডভোকেট একেএম আজিজুর রহমান বাবুল,প্রতিষ্ঠাতা এমএ রহিম। খাইরুল ইসলাম দানেস,বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মোন্নাফ, মুকসুদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এমএ হান্নান, ঢাকা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি গিয়াস উদ্দিন সোহাগ, পদ্মা সরকারি কলেজের শিক্ষকবৃন্দসহ সকল রোভার স্কাউট সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

নবাবগঞ্জে ইয়াবা ও হেরোইনসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার দীঘিরপাড় এলাকা থেকে বিপুল পরিমান ইয়াবা ও হেরোইনসহ মো. আজাদ(৪৯) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১০। উদ্ধারকৃত ইয়াবা ও হেরোইনের আনুমানিক মূল্য প্রায় ২২ লাখ ৯৮ হাজার টাকা।

মঙ্গলবার বিকেলে কেরানীগঞ্জ র‌্যাব-১০ এর অধিনায়ক(পরিচালক) ডিআইজি মাহফুজুর রহমান এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানান। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আজাদ একজন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। সে নবাবগঞ্জ ও রাজধানী ঢাকা শহরসহ তার আশেপাশের বিভিন্ন এলাকায় ইয়াবা ও হেরোইনসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য সরবরাহ করে আসছিল। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ১২ সেপ্টেম্বর(সোমবার) র‌্যাব-১০ এর একটি আভিযানিক দল নবাবগঞ্জের দিঘীরপাড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাদক ব্যবসায়ী আজাদকে গ্রেপ্তার করে। এসময় তার কাছ থেকে ৩ হাজার ১৬০ পিচ ইয়াবা ও ১৩৫ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। যার আনুমানিক বাজার মূল্য ২২ লাখ ৯৮ হাজার টাকা। এ ছাড়াও তার নিকট থেকে একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আজাদের বিরুদ্ধে নবাবগঞ্জ থানায় মাদক আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

দোহার-নবাবগঞ্জে বিকাশ ডিস্ট্রিবিউশনের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

0

ঢাকার দোহার উপজেলায় মেসার্স প্রতিভা এন্টারপ্রাইজ (বিকাশ) এর দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠিত হয়েছে। পৌরসভার হাজেরা ম্যানশনের ২য় তালায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন নিউজ৩৯ এর সম্পাদক, পদ্মা সরকারি কলেজের শিক্ষক ও প্রতিভা এন্টারপ্রাইজের জিএম তারেক রাজিব। তিনিসহ  উপস্থিতি সবাইকে নিয়ে কেক কেটে এই বর্ষপূর্তি উদযাপন করা হয়।

এই সময় প্রধান অতিথি বক্তব্য তারেক রাজিব বলেন, আমরা সবাই এক সাথে কাজ করবো। আমরা আমাদের লক্ষ্যকে ঠিক রাখবো। তিনি আরো বলেন, সকল বিকাশ কর্মকর্তাকে, আমাদের এজেন্টসহ সকল গ্রাহকদের বলে দিব হবে যাতে তারা কোন অবৈধ লেনদেনের সাথে না জড়িত থাকি। আর যদি এ ধরনের কাজ করে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

সে সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, বিকাশের এরিয়া ম্যানেজার আবু বকর রন্টি, সহকারী এরিয়া ম্যানেজার সাদ্দাম হোসেন, একাউন্টস দেওয়ান মোঃ রাকিব আনসারীসহ সকল কর্মকর্তাবৃন্দ।