আবারও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হচ্ছেন মাহবুবুর রহমান

ঢাকা জেলা পরিষদে আবারও চেয়ারম্যান হচ্ছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহবুবুর রহমান। শনিবার সারাদেশের ৬১টি জেলা পরিষদে চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন দিয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামিলীগ। শনিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দলীয় মনোনয়ন বোর্ড, তাকে ঢাকা জেলার প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেয়।

এতে নিশ্চিতভাব্র ঢাকা জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন-সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহবুবুর রহমান হতে চলেছেন ঢাকা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান। দ্বিতীয়বারের মতো এই পদে তিনি আসীন হবেন।

বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহবুবুর রহমান দোহার উপজেলার নারিশা ইউনিয়নের দক্ষিন শিমুলিয়া গ্রামের মৃত আব্দুল কাদেরের ছেলে।তার মাতার নাম মৃত আনোয়ারা বেগম।২০০৮ সালে তিনি দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। ১৯৭৫ সালের পরবর্তী সময়ে ঢাকা জেলা ছাত্রলীগ নেতা হিসেবে এবং আওয়ামী লীগের দূঃসময়ে দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলাসহ ঢাকা জেলায় দলের নিবেদিত কর্মি হয়ে দলের জন্য কাজ করেছেন।

ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে অনুপম গুহ নয়ন

আছিফ সজলঃ বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে স্থান পেয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদ্য প্রয়াত সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহের বড় ছেলে অনুপম গুহ নয়ন। অনুপম গুহ নয়নকে বাংলাদেশ ছাএলীগের উপ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক করা হয়েছে।

তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় নয়ন নিউজ৩৯কে বলেন, আমাকে কেন্দ্রীয় কমিটিতে মনোনীত করায়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এবং বাংলাদেশ ছাএলীগের সংগ্রামী সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয় এবং সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আমি আমার বাবার দেখানো পথে, বঙ্গবন্ধু আদর্শে আমার উপর অর্পিত এই দায়িত্ব পালন করবো। আমি সকলের সহযোগিতা চাই। আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন।

নিউজ৩৯ পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

দোহারে বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে রিক্সা বিতরণ 

0

দোহারে বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বাবু মিয়া -বেগম রোকেয়া ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের উদ্যোগে রোমান মিয়ার নিজস্ব অর্থায়নে দোহার ও নবাবগঞ্জের হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে অটোরিক্সা বিতরণ করা হয়েছে। শুক্রবার (০৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪ টার দিকে কাঠালীঘাটা মাসুম মিয়ার নিজ বাড়িতে হতদরিদ্র সুবিধা বঞ্চিত পরিবারকে সাথে নিয়ে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলার আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন।

উক্ত অনুষ্ঠানে কাঠালীঘাটা মাসুম মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুম মিয়া উদ্বোধক হিসেবে ( ভার্চুয়াল) অনুষ্ঠান উদ্ভোদন করেন , এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন , বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আন্তজাতিক উপ-কমিটির সদস্য সুরুজ আলম সুরুজ, দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি একলাল উদ্দিন আহমেদ, দোহার পৌরসভার যুগ্ম- আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন মাঝি, দোহার পৌরসভার সংরক্ষিত আসন ১’২’৩ নং মহিলা কাউন্সিল ইসরাত জাহান বনানী, ১নং ওর্য়াডের কাউন্সিল আলমগীর মুবিন,২নং ওর্য়াডের কাউন্সিল শওকত হোসেন বেপারী, ৪নং ওর্য়াডের কাউন্সিল পাপেল মাহমুদ নিজাম, ঢাকা জেলা দক্ষিণ ছাত্রলীগের সভাপতি গিয়াস উদ্দিন সোহাগ, রাইপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মজিবর রহমান বেপারী, রাইপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আমজাদ হোসেন, দোহার উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আমিনুল ইসলাম, দোহার পৌরসভা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সাদ্দাম, দোহার উপজেলা যুব লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সজল আহমেদ, দোহার উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বশির আহমেদ, পৌরসভার স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সাধারণত সম্পাদক হাবিবুর রহমান বেপারী, জয়পাড়া বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণত সম্পাদক আব্দুর রহমান শান্ত,বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাকিম,আইয়ুব বাওয়ালী,ইসমাইল মাদবর, শহিদুল ইসলাম, আফজাল হোসেন ও কাঠালীঘাটা মাসুম মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান জনাব রোমান মিয়া বলেন, আপনাদের সকলের সহযোগিতায় দোহার ও নবাবগঞ্জের মানুষের পাশে সব সময় থাকতে চাই এবং দোহার ও নবাবগঞ্জের হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে আমার এই কার্যক্রমকে সব সময় অব্যাহত রাখতে চাই।

অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথি ও রোমান মিয়ার মা সুবিধা বঞ্চিতদের হাতে অটো রিক্সা চাবি তুলে দেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ( ভার্চুয়াল) বাবু মিয়া বেগম রোকিয়া ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের সভাপতি রোমান মিয়া।

জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে মনোনায়ন জমা দিলেন আলমগীর হোসেন

ঢাকা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচনে মনোনায়ন জমা দিয়েছেন দোহার উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও দোহার উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেন। এসময় দোহার, নবাবগঞ্জ এবং কেরাণিগঞ্জের প্রায় সকল ইউনিয়ন চেয়ারম্যান উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ধানমন্ডি রাজনৈতিক কার্যালয়ে ঢাকা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়নপত্র জমা দেন।

এসময় তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে দলের জন্য এবং দেশের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছি। জনগণ ও দলীয় নেতাকর্মীদের ইচ্ছার প্রতিফলনে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছি। এছাড়া দোহার উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে জনগণের সেবা করে যাচ্ছি। আশাকরি যতদিন বেচে থাকব জনগণের পাশে থেকে কাজ করে যাবো৷

এসময়ে উপস্থিত ছিলেন, দোহার পৌর মেয়র মো. আলমাস উদ্দীন, দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারন সম্পাদক নূরুল হক বেপারীসহ আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও সেচ্ছাসেবকলীগসহ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। এছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানগণ উপস্থিত ছিলেন৷

দোহার পৌরসভা নব-নির্বাচিত মেয়র ও কাউন্সিলরদের সংবর্ধনা

ঢাকার দোহার উপজেলার দোহার পৌরসভার নব-নির্বাচিত মেয়র মোঃ আলমাছ উদ্দিন,কাউন্সিলর ও মহিলা কাউন্সিলরদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে আটটার দিয়ে দোহার পৌরসভার ২নং ওর্য়াড ও এলাকাবাসীর আয়োজনে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়।

মো হাবিবুর রহমান হাবীবের সভাপতিত্বে ও মো. আলমগীর হোসেন এবং মো. আমাজাদ হোসেনের সঞ্চলনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ আলমগীর হোসেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোবাশ্বের আলম, পৌরসভা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক সাজ্জাদ হোসেন সুরুজ, যুদ্ধকালীন কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা রজ্জব আলী মোল্লা, বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. বোরহান উদ্দিন, উপজেলা আওয়ামী লীগের অন্যতম সদস্য লায়ন আব্দুস সালাম চৌধুরী, দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোস্তফা কামাল, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ উপ-কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক সুরুজ আলম সুরুজ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, বিলাসপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রাশেদ চোকদার, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক জয়নাল আবেদীন, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মো. আতিকুর রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি একলাল উদ্দিন আহমেদ, সাবেক সহ-সভাপতি বাশার মৃধা, উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি মু, আলমাছ উদ্দিন, ঢাকা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি নাসির উদ্দিন খান, ঢাকা জেলা দক্ষিণ ছাত্রলীগের সভাপতি গিয়াস উদ্দিন সোহাগ, পৌরসভার নবনির্বাচিত কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত আসনের মহিলা কাউন্সিলরগণ, উপজেলা আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে কুষ্টিয়ার লালন শাহ শিল্পীগোষ্ঠীরা সংগীত পরিবেশন করেন।

নবাবগঞ্জের গোবিন্দপুর ধাপারী ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ অনুষ্ঠিত 

ভরা বর্ষা মৌসুম। ইছামতি নদীতে পানি কম। তবুও ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার গোবিন্দপুর ধাপারী, মাঝিরকান্দা ও সাদাপুর গ্রাম বাসীর উদ্যেগে ইছামতী নদীতে এ নৌকা বাইচের আয়োজন করা হয়।

শনিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে বড় বড় বাইচের নৌকা ও মাঝি-মাল্লার বৈঠার ছলাৎ ছলাৎ শব্দ আর ছন্দ মাতিয়ে তোলে ইছামতির দুই তীর। নদীর পাড়ে দাঁড়িয়ে হাজার হাজার নারী পুরুষ এ দৃশ্য দেখতে ভিড় করে। বাইচে বিভিন্ন এলাকা থেকে সুসজ্জিত ঘাসী নৌকা অংশগ্রহণ করে। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য আলালপুরের মোহাম্মদ আলী মিস্ত্রী, মাঝিরকান্দার খান বাড়ি, শ্রীনগর আলমপুরের মামা ভাগ্নে,আগলার লিটন এক্সপ্রেস, দেওতলার শিকদার বাড়ি, কাউনিয়া কান্দি কাঞ্চন নগরের নীল তরী ও কৃষ্ণনগরের দাদা নাতী মোহন মণ্ডল বাইচে অংশ গ্রহণ করে । জোড়ায় জোড়ায় টান দেয় নৌকা ।

নৌকা বাইচ ঐতিহ্য রক্ষা জাতীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক রাশিম মোল্লা সংগঠনের পক্ষ থেকে দুই দফা দাবির কথা জানান।

১. দ্রুত ইছামতী নদী সচল করতে সোনাবাজু বেড়িবাঁধে প্রয়োজনীয় জলকপাট স্থাপন।
২. প্রতিটি জেলা উপজেলায় সরকারীভাবে নৌকা বাইচ আয়োজন করলে নৌকা বাইচ ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখা সম্ভব হবে। অন্যথায় নৌকা বাইচ খুব সহসাই বিলুপ্ত ঘটবে।

সূত্র জানায়, ২০১০ সালে এই বাধে পর্যাপ্ত সুইচগেট, ইছামতী নদীর ৭২ কিলোমিটার খনন করার দাবি জানিয়ে স্বারক লিপি দিয়েছি। শুনেছি বেশ কিছু দূর এগিয়েছে। কবে তা আলোর মুখ দেখবে তা কেউ জানেনা। আমরা মাননীয় এমপি সালমান এফ রহমানের হস্তক্ষেপ কমানা করছি। তিনিই পারেন আমাদের এই সমম্যা সমাধান দিতে।

নৌকা বাইচ দেখতে আসা দর্শনার্থীরা বলেন, একে অপরে বেশ কয়েকটি টান দিয়েছে। আমরা খুব আননৃদ পেয়েছি। এই ঐতিহ্য টিকে আজীবন।

নৌকাবাইচ ঐতিহ্য রক্ষা জাতীয় কমিটির ক্রীড়া সম্পাদক দুলাল দেওয়ান বলেন, নবাবাগঞ্জে নৌকাবাইচের ঐতিহ্য প্রায় শত বছরের। এক দশক আগেও ইছামতী নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে পুরো ভাদ্র্র্র্র মাসজুড়ে নৌকাবাইচ হতো। কিন্তু এখন নদীতে পর্যাপ্ত পানি না থাকা ও কচুরিপানার কারণে বাইচে ভাটা পড়েছে। বেশ কয়েকটি পয়েন্টে কচুরীপানা থাকায় এ বছর নৌকা বাইচ আয়োজন করা গেল না। আর এজন্য দায়ী পানি উন্নয়ন বোর্ড। ২০০১ সালে ইছামতী নদীর উৎপত্তিস্থল কাশিয়াখীতে বেড়িবাঁধ দেয়া হয়। কিন্তু পানি উন্নয়ন বোর্ডের অদক্ষতা ও অপরিপক্কতায় বাঁধের ইছামতী-পদ্মা নদীর সংযোগ স্থলে জলকপাট (স্লুইস গেট) স্থাপন না করে অন্যত্র স্লুইসগেট স্থাপন করা হয়। যে কারণে নদীটি আজ বিলুপ্তির পথে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন নবাবগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোঃ সিরাজুল ইসলাম, বান্দুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ হুমায়ুন কবির, ঐতিহ্য রক্ষা জাতীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক রাশিম মোল্লা,কামাল হোসেনসহ আরো অনেকে।

শ্রেষ্ঠ শিক্ষকের পুরস্কার পেলন নিউজ৩৯ সম্পাদক ও পদ্মা কলেজের শিক্ষক তারেক রাজিব 

ঢাকার দোহার উপজেলায় জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০২২ এ কলেজ পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হয়েছেন পদ্মা সরকারি কলেজের ইংরেজি বিষয়ের প্রভাষক এবং নিউজ ৩৯ এর সম্পাদক মুহাম্মদ তারেক রাজীব। দোহার উপজেলা প্রশাসন এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস তাকে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত করেন। এই শ্রেষ্ঠ শিক্ষককে দোহার উপজেলার পক্ষ থেকে ক্রেস্ট ও সনদ তুলে দেওয়া হয় গতকাল।

তারেক রাজীব বর্তমানে দোহার–নবাবগঞ্জ সোশ্যাল মুভমেন্ট ( DNSM) এর সভাপতি, দোহার – নবাবগঞ্জ পেশাজীবি পরিষদের যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক, তিনি দোহার প্রেসক্লাবের সাবেক আহবায়ক ছিলেন। তিনি দোহার নবাবগঞ্জ উপজেলায় সুপরিচিত স্বেচ্ছাসেবী।

তিনি বান্দুরা হলিক্রস উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি, নটরডেম কলেজ থেকে এইচএসসি, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে অনার্স-মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। এছাড়াও, তিনি বাংলাদেশ প্রেস ইন্সটিটিউট থেকে সাংবাদিকতায় পিজিডি ডিগ্রি লাভ করেন। ২০১৩ সালে পদ্মা সরকারি কলেজের ইংরেজি বিষয়ের প্রভাষক হিসেবে তিনি নিযুক্ত হন।

তারেক রাজিব সনদ ও ক্রেস্ট গ্রহণের সময় জানান, কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি আমার পিতা-মাতা পরিবারসহ পদ্মা কলেজ পরিবারের নিকট, একইসাথে আমার শিক্ষার্থীদেরসহ বিশেষ ধন্যবাদ জানাই অধ্যক্ষ মহোদয় ও উপজেলা প্রশাসন এবং শিক্ষা অফিসকে। এই পুরস্কার ইনশাআল্লাহ আমাকে আরও দায়িত্বশীল করবে। সবার নিকট দোয়া কামনা করছি। জাযাকাল্লাহ খায়ের।

আলমগীর হোসেনঃ ঢাকা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী

ঢাকার দোহার উপজেলা পরিষদের নির্বাচিত সফল চেয়ারম্যান এবং দোহার উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ আলমগীর হোসেন ঢাকা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছেন। রবিবার ধানমন্ডি ৩২নম্বরে দলীয় কার্যালয় থেকে দোহার উপজেলা আওয়ামীলীগ এবং দোহারের সকল ইউনিয়ন চেয়ারম্যানকে সাথী করে তিনি এই মনোনয়ন ফরম ক্রয় করেন।

জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রতিক্রিয়ায় দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন বলেন, আর-ও বড় পরিসরে মানুষের সেবা করার জন্য প্রার্থী হয়েছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের মহাসড়কে যে বাংলাদেশ, সেই উন্নয়ন, অগ্রগতির ধারা তৃণমূলে আরও বেশি পরিমাণে পৌঁছে দিতে আমি প্রার্থী হয়েছি। আমি বিশ্বাস করি এবং দৃড়ভাবে প্রত্যাশা করি দল আমাকে ইনশাআল্লাহ এই পদের জন্য বিবেচনা করবে।

জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু জয়তু শেখ হাসিনা।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা বাস্তবায়নে ক্লিনিক মালিকদের সাথে সভা

ঢাকার দোহারে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার মালিকদের সাথে বিশেষ সভা করেছে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. জসিম উদ্দিন।শনিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (রোগ নিয়ন্ত্রণ) উম্মে হুমায়রা কানেতার সঞ্চালনায় সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিটি বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সাইনবোর্ডে রেজিষ্ট্রেশন নাম্বার ও মেয়াদ উত্তির্নের তারিখ লিখে দিতে হবে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ব্যবস্থা করতে হবে। সরকারি হাসপাতাল এরিয়ায় কেনো বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের এজেন্ট বা দালাল আসতে পারবে না, সরকারি হাসপাতালের এ্যাম্বুলেন্স বসে থাকতে অন্যকোনো এ্যাম্বুলেন্স চলবে না। সপ্তাহে একদিন বৃহস্পতিবার বেলা ১২ টার পরে ঔষধ কোম্পানীর এসআর’রা ভিজিট করতে পারবেন। যে সকল ক্লিনিকে (ওটি) অপারেশন থিয়েটার চালু রয়েছে সে-সকল ক্লিনিকে সহকারী এমবিবিএস ডাক্তার, ডিউটি ডাক্তার, অজ্ঞান করার ডাক্তার, প্রশিক্ষিত মিডোওয়েফার ও সীকৃত প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধীত নার্স রাখতে হবে।

এসময় দোহার উপজেলা বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম তালুকদার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী গৃহীত এসকল সিদ্ধান্ত বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিকরা মেনে চলবেন বলে জানান।

পরে আনোয়ার খান হাসপাতাল থেকে দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ইর্ন্টানি করতে আসা ১৪তম ব্যাচের ১৫ জনকে ফুল দিয়ে স্বাগতম জানানো হয়।

এসময় দোহার পৌরসভা এরিয়ার সকল বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার মালিক, এ্যাম্বুলেন্স ডাইভার ও স্থানীয় সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

চায়না জালে দেশীয় মাছ সংকটে

ইছামতী ও পদ্মা নদীবেষ্টিত ঢাকা জেলার দোহার উপজেলা। এই উপজেলায় রয়েছে আড়িয়াল বিল, বিলাশপুর চকের বিল, নারিশা চকের বিল, মুকসুদপুর চকের বিল, কোঠাবাড়ি বিল, হিলশামারী খাল, ইউসুফপুরের বিল, মাহমুদপুর বিলসহ বেশকিছু বড় বিল। যা স্থানীয়ভাবে দেশীয় মাছের বড় যোগানদাতা। ইতিমধ্যে উপজেলার নিম্নাঞ্চলে নদ-নদীর পানি ঢুকেছে। আর এই নতুন পানিতে শুরু হয়েছে মাছের প্রজনন মৌসুম। আর দেখা দিয়েছে এক ভয়ংকর আপদ, চায়না জাল।

এই মাছের প্রজনন মৌসুমে নিষিদ্ধ কারেন্ট ও বাধাই জালের পর এবার ভয়ঙ্কর চায়না জালের ফাঁদে ধরা পড়ছে দেশীয় প্রজাতির বহু মাছ। অবৈধ এই জাল দিয়ে এক শ্রেণীর অসাধু জেলেরা মা মাছ নিধন করলেও মৎস্য বিভাগসহ স্থানীয় প্রশাসনের নেই নজরদারি। দোহার উপজেলায় এখনো সক্রিয় রয়েছে বেশ কিছু চায়না জাল উৎপন্ন কেন্দ্র। তার মধ্যে জয়পাড়াতেই রয়েছে প্রায় পাঁচটি চায়না জালের কারখানা। এপর্যন্ত জয়পাড়ার বাহিরে চায়না জালের কারখানায় ২টি অভিযান চালিয়েছে দোহার উপজেলা প্রশাসন। কিন্তু জয়পাড়া বাজারের চায়না জালের কারখানার খোঁজ ম্যৎস কর্মকর্তা লুৎফুন্নাহারকে দিলেও তার বিরুদ্ধে কোন অভিযান পরিচালনা করেননি তিনি। চায়না জাল কারখানার শ্রমিকদের সাথে কথা বলেলে তারা জানান সব কিছু ম্যানেজ করেই তারা এই জালের কারখানা চালাচ্ছে।

অসাধু মৎস্য ব্যবসায়ীরা নদীতে অবাধে অবৈধ জাল দিয়ে মাছ ধরার কারণে চলতি বছরেই দেশীয় মাছের সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে এই অঞ্চলের প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদিত মৎস্য সম্পদ বিলুপ্তির আশঙ্কা করছে অনেকেই।

মাছের সংকট তৈরি বিষয় মাহমুদপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা মোঃ আলমাস বলেন, চায়না জাল দিসে যে ভাবে মাছ নিধন করা হচ্ছে এতে করে আগামীতে মাছ না খেয়ে মরতে হতে পারে আমাদের। আমি বাজারে মাছ কিনতে গেলে দেশীয় মাছ পাইনা যাও পাওয়া যায় তাও আবার অনেক দাম।

দোহার উপজেলার মুকসুদপুর ইউনিয়নের দুবলী এলাকার মনির হোসেন বলেন, চায়না দুয়ারী বা রিংজাল মূলত মাছ ধরার এক ধরণের বিশেষ ফাঁদ। একে চায়না জাল, রিং জাল, ম্যাজিক জাল এবং ঢলুক জাল নামেও ডাকা হয়। এটি প্রায় ৬০ থেকে ৮০ ফুট লম্বা। ছোট ছোট কক্ষ বিশিষ্ট খোপের মতো। এ জাল বাঁশের খুঁটির সঙ্গে জালের দু’মাথা বেঁধে ফাঁদ পেতে রাখে খাল-বিল, নদী-নালা ও জলাশয়ের তলদেশ দিয়ে। জালের কাঠামোতে লোহার থাকায় জালটি পানির তলদেশে পৌঁছায়। এই জাল ক্ষুদ্র ফাঁসের কারণে সেই পথ ধরে ছোট থেকে বড় যে কোন ধরণের মাছ চলাচল করলে অনায়াসে জালের ভেতরে প্রবেশ করবে। এই জালের ফাঁদে যে কোন মাছ প্রবেশ করলে আর বের হতে পারে না। এ জালে আটকা পড়ে ছোট-বড় বিভিন্ন প্রজাতের মাছ। এমন ছোট পোনাও আটকা পড়ে যা কোন কাজে লাগে না বলে সেগুলো ফেলে দেন মাছ শিকারিরা। ডারকি জাল দিয়ে কিছু অসাধু ব্যক্তি ডিমওয়ালা মা ও পোনা মাছ অবাধে নিধন করছে।

তিনি আরো বলেন, অবৈধ জালের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় মাছের স্বাভাবিক প্রজনন, বংশ বিস্তার ও বৃদ্ধি ব্যাহত হচ্ছে। এর প্রভাবে নদ-নদীতে মাছের প্রাচুর্য কমে যাচ্ছে। বিশেষ করে পানি বৃদ্ধি ও মাছের প্রজনন মৌসুমে ডিমওয়ালা চিংড়ি, পুটি, টেংরা, কৈ, শিং, মাগুর, তেলাপিয়া, বড় বেলে, বোয়াল, শোল, টাকিসহ প্রাকৃতিক সব মাছ এই চায়না জালে নিধন হচ্ছে। এতে ক্রমেই মাছ শূন্য হয়ে পড়ছে নদ-নদী, খাল-বিল ও ছোট নদীগুলো। অচিরেই এসব জাল বন্ধ না হলে দেশের মৎস্য ভান্ডারে বিপর্যয় নেমে আসার শঙ্কা স্থানীয়দের।

এ বিষয়ে হাজেরা ম্যানশনের দ্বিতীয় তলায় কারখানার ব্যবস্থাপক ঈশ্বর কুমার বলেন, ‘আমরা লোন নিয়ে এই কারখানা দিয়েছি। আমরা তো ছোট পরিসরে কারখানা করেছি, অন্যরা বড় কারখানা করছে, তাতে তো কোনো দোষ নেই?’ গত বছর তো প্রশাসন অভিযান চালিয়ে কারখানা বন্ধ করে দিয়েছিল। তাহলে এখন কেন আবার চালাচ্ছেন এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘আমরা সবাই সমিতির মাধ্যমে এই চায়না জাল তৈরি করছি। আমাদের সব সুবিধা-অসুবিধা সমিতির লোকেরাই দেখেন।’

জয়পাড়া অবকাশ হলের পেছনের নিলু শেখের কারখানার ব্যবস্থাপকের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, ‘অনেক টাকা ঋণ করে এই কারখানা দিয়েছি। আমাদের তৈরি জাল বৈধ; কারণ, এ জালের ফাঁকা আগেরটার চেয়ে বেশি, ফলে মাছের ডিম আটকা পড়ে না, শুধু মাছই আটকা পরে।

সরেজমিনে উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নের মাহমুদপুর,বিলাশপুর, ইউসুফপুর, কোঠাবাড়ি, আড়িয়াল বিল, নারিশা গ্রাম ঘুরে সারি সারি চায়না জাল দেখতে পাওয়া যায়। এছাড়া দোহারের বিভিন্ন এলাকায় যেখানেই একটু পানি জমেছে সেখানেই এই জাল পাতা হচ্ছে। আর অবাধে ডিমওয়ালা দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ধরা হচ্ছে। চায়না জাল দিয়ে মাছ ধরার কারণে নতুন পানিতে মা মাছ ডিম ছাড়তে পারছে না। যার ফলে প্রাকৃতিকভাবে মাছের উৎপাদন হ্রাস পাচ্ছে। পোনা মাছও ধরা পড়ছে এই জালে। এভাবে অবাধে ডিমওয়ালা মাছ ও পোনা মাছ ধরলে মাছের অভাব দেখা দেবে।

পৌরসভা এলাকার লালমদ্দিন বলেন, এই চায়না জালের প্রতি সকল মানুষই ক্ষিপ্ত। আমি নিজেও এই সর্বনাশা জালকে সাপোর্ট করি না। ইলিশ নিধন আইনের মতো চায়না জাল দিয়ে ডিমওয়ালা মা মাছসহ ছোট ছোট মাছ নিধনের বিষয়টি আইনের আওতায় আনা হলে ভালো হয়। এই সর্বনাশা জাল দিয়ে মাছ নিধনের বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া দৃষ্টি আকর্ষণ করছি দোহার উপজেলা প্রশাসনের প্রতি। তা না হলে আমরা দেশি মাছ আর খুঁজে পাব না।

স্থানীয় পেশাদার জেলে গোবিন্দ বলেন, যারা প্রকৃত জেলে সম্প্রদায় মাছ ব্যবসায়ী, তারা কখনোই এই চায়না জাল দিয়ে মাছ ধরার পক্ষে না। এই জাল দেশে আসাতে অতি শিগগিরই দেশি মাছের ব্যাপক ঘাটতি দেখা দেবে। চায়না জালে সব ধরণের ছোট-বড় মাছই উঠে, সহজেই মাছ ধরা যায় এবং দাম কম হওয়ায় অহরহ স্থানীয় মৌসুমী মৎস্য শিকারীরা মাছ ধরতে নেমেছে। ফলে আমরা যারা বাপ-দাদার পেশা ধরে রেখে মাছ ধরি তাদের জীবিকা নির্বাহ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। তাই অনেকেই বাধ্য হয়ে চায়না জাল কিনছে। এখন চায়না জাল দিয়ে যেভাবে ছোট মাছ ধরা হচ্ছে, তাতে শুষ্ক মৌসুমে মাছের তীব্র আকাল হবে।

এ ব্যাপারে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা লুৎফুন্নাহারকে ও দোহারের নৌ পুলিশ সামছুল আলমকে কয়েকবার ফোন দিলেও পাওয়া যায় নি।