৪০ দিন জামায়াতে নামাজ: উপহার পেলো ১৮ কিশোর

টানা ৪০ দিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতে পড়ে পুরস্কার পালেন শিশু-কিশোররা। জামাতে অংশগ্রহণসহ নামাজ আদায়ে শিশু-কিশোরদের উদ্ধুদ্ধকরণে দেশে-বিদেশে এমন প্রতিযোগিতা দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে। প্রায়ই বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ সংক্রান্ত খবর গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ পাচ্ছে। তেমনি ঢাকার দোহার উপজেলার মুকসুদপুর ইউনিয়নের শাইনপুকুর তানজীমুল উম্মাহ দাখিল মাদরাসার শিক্ষার্থীরা টানা ৪০ দিন তাকবিরে উলার (নামাজ শুরুর প্রথম তাকবির) সঙ্গে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতে আদায় করার জন্য ৮০জন কিশোর অংশ গ্রহণ করেন। তার মধ্যে থেকে ১৮ জনকে বাইসাইকেল ও অন্যদেরকে পুরস্কার দিয়েছেন শাইনপুকুর আল-কুরআন গবেষণা জামে মাসজিদ কমিটি। শনিবার (১৭ জুন ) সকালে শাইনপুকুর তানজীমুল উম্মাহ দাখিল মাদরাসার সভাকক্ষে পুরুষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এলাকায় কিশোরদের হাতে এই বাইসাইকেল তুলে দেওয়া হয়। মসজিদ কমিটি সূত্রে জানা গেছে, শিশু-কিশোরদের নামাজে আগ্রহী করতে এ প্রতিযোগিতা শুরু করা হয়। এলাকার ৮০ জন শিশু-কিশোর এ প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় তবে আস্তে আস্তে এর সংখ্যা কিছুটা কমে আসে। পরে সেখান থেকে ১৮ জন কিশোরকে অনুষ্ঠানিকভাবে বাইসাইকেল দিয়ে পুরস্কৃত করা হয়। তবে যারা টানা ৪০ দিন নামাজ আদায় করতে পারেনি তাদেরকেও নিরাশ করেনি আয়োজকরা বাকীদেরকেও পুরুষ্কার দেওয়া হয়। শিশু-কিশোরদের নামাজে উদ্বুদ্ধ করতে ব্যতিক্রমী এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে বলে জানান কমিটিরা।

মাওলানা মহসীন উদ্দিনের সঞ্চালনায় ও সভাপতি ও পরিচালক, অত্র মাদ্রাসা ও মাসজিদ কমিটির ইঞ্জিনিয়ার নাজমুল হোসেন গাজীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রফিকুল ইসলাম মিয়াজী আন-নাহদা ফাউন্ডেশন ও তত্ত্বাবধায়ক অত্র মাদ্রাসার। প্রধান অতিথি বক্তব্য তিনি বলেন, আমরা অনেকেই আছি বিভিন্ন খেলায় জিতে পুরুষ্কার নেই কিন্তু নামাজ পরে পুরুষ্কার জিতা খুব কম দেখা যায়। যারা আজকে পুরুষ্কার পেল তাদেরকে তদারকি করতে হবে যাতে তারা এই নামাজের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারে সে জন্য। তিনি আরো বলেন, তারা যাতে এই নামাজের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারে সে জন্য আমরা প্রতিমাসে ছোটখাটো পুরুষ্কার এর ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। সে সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, রুহুল আমিন,ফজলুর রহমান ফজল,রাফিয়া গাজী, মোবারক হোসেন মোল্লা,আব্দুল খালেক-মুয়াজ্জিন,আনোয়ার হোসাইন,যোবায়ের খান প্রমুখ।

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

আমি সাফা ইসলাম সম্রাট মোল্লা ঢাকা জেলা শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদের সভাপতি । দুই দুইবার শ্রেষ্ঠ সংগঠক হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নিকট থেকে দেশসেরা সংগঠক হিসেবে পুরস্কার গ্রহণ করেছি। আমি নারিশা ইউনিয়ন ইসলামি ব্যাংক আউটলেট শাখার একজন পরিচালক। এছাড়াও, আমি একজন ব্যবসায়ী এবং রাজনৈতিক শিষ্টাচারসম্পন্ন ব্যাক্তি হিসেবে দোহার – নবাবগঞ্জে অত্যন্ত সুপরিচিত। আমার পরিবার অনেক আগে থেকেই এলাকায় বিচার সালিসিতে সম্পৃক্ত এবং সালিসি হিসেবে উপস্থিত থাকেন।

গত সোমবার একটি সালিসিতে বিচারকার্য পরিচালনার সময় সালিসিদের মধ্যে মতভেদ হয়। এসময় এক পক্ষ বিল্লাল হোসেন নামে একজন সেখানে উপস্থিত আতাউর সানীকে বিল্লাল হোসেন বিচারকার্য ভিডিও করতে নির্দেশ দেয়। বিষয়টি নিষেধ করলেও আতাউর সানী ভিডিও করতে থাকে। এতে হটাৎ ই স্থানীয় যুবকেরা তার মোবাইল নিয়ে ভিডিও ডিলিট করতে চাইলে, দুইপক্ষের মধ্যে ধ্বস্তাধস্তি হয়। এতে উভয় পক্ষেরই কয়েকজন আহত হয়। এসময় আমিসহ এস আই দেলোয়ারের মধ্যস্ততায় পরিস্থিতি শান্ত হয় এবং নিয়ন্ত্রিত হয়। তাই, এই ধরনের কর্মকান্ডে আমাকে সম্পৃক্ত করার প্রচেষ্টা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং বিচারকার্য ভিন্ন দিকে প্রবাহিত করার অপচেষ্টা। একইসাথে, তাদের অপকর্ম ঢাকার একটি প্রচেষ্টা।

বিষয়টি দোহার উপজেলা চেয়ারম্যান, দোহার প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা এবং দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলমগীর হোসেন ভাই তদন্ত করেছেন। বিল্লাহ হোসেন এবং আমার সাথেসহ উপস্থিত বিভিন্ন ব্যাক্তির সাথে কথা বলেছেন, তদন্ত করেছেন। সেখানে বিল্লাল হোসেন সুস্পষ্টভাবে বলেছেন সম্রাট মোল্লা সালিসি ছিলেন। কিন্তু মারধরে জড়িত নন।

উপরন্তু, বিল্লাল হোসেন মেয়াদোত্তীর্ণ পত্রিকা সাপ্তাহিক নববাংলার প্রকাশক এবং আতাউর সানী সেই পত্রিকার সম্পাদক। তারা বিভিন্ন সময়ে পত্রিকার প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন অনৈতিক সুবিধা ও কাজ করে থাকে বলে অনেকের অভিযোগ। এছাড়াও, বিল্লাল হোসেন ও আতাউর সানীর আয় প্রশ্নবিদ্ধ।

তাই, news39.net সহ বিভিন্ন পত্রিকায় আমাকে নিয়ে যে বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার করে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে, তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। একইসাথে, আমার প্রতিবাদ প্রকাশের জন্য বিনীত অনুরোধ জানাই। অন্যথায়, আমি আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হবো। একইসাথে, দোহারে সৎ,সাহসিক সাংবাদিকতার প্রসার কামনা করছি।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

দোহারে বিচারে হামলা : থানায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

ঢাকার দোহার উপজেলায় কলা গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে বিচারে মারামারিতে সাংবাদিকসহ ৪ জন আহত হয়েছে। গত সোমবার বিকেলে উপজেলার নারিশা ইউনিয়নের খালপাড় গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এতে দোহার প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক আতাউর রহমান সানিসহ ৪ জন আহত হয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দোহার উপজেলার নারিশা ইউনিয়নের খালপাড় আম্বুর দোকান এলাকায় আবুল কাশেম ওরফে কাশি ও তার ভাতিজা ওয়াজ উদ্দিনের সাথে গাছ কাটা নিয়ে পাশের বাড়িতে বিচার বসে। বিচারে প্রধান বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলা মুক্তিযুদ্ধো চলাকালীন সময়ে কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা রজ্জব মোল্লা ও স্থানীয় লোকজন। সেখানে কাশির পক্ষ নিয়ে বিচারে আসে স্থানীয় সম্রাট মোল্লা ও তার লোকজন। বিচার চলাকালীন এক পর্যায়ে রজ্জব মোল্লার সাথে সম্রাট মোল্লার কথা কাটাকাটি হলে বিচার ছেড়ে চলে যান রজ্জব মোল্লা।

এমন সময় বিচারে উপস্থিত দোহার প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক আতাউর রহমান সানি তার মোবাইলে ভিডিও ধারণ করছে ভেবে তার মোবাইল ফোন কেড়ে নেয় উত্তেজিত লোকজন। এ সময় উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের কয়েকজন আহত হলে দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন।

এ বিষয়ে আহত বিল্লাল হোসেন বলেন, আমার চাচা কাশির সাথে আব্দুল মান্নানের চাচার ছেলে ওয়াজ উদ্দিনের সাথে গাছ কাটার বিষয় নিয়ে আজকে বিচার হচ্ছিলো। হঠাৎ বিচারের শেষ দিকে তখন সম্রাট মোল্লা রজ্জব মোল্লার উপর চড়াও হয়ে উঠলে পরিস্থিতি একটু গরম হয়ে যায়। অবস্থার বেগতিক দেখে রজ্জব মোল্লা বিচার থেকে চলে যাওয়ার পরেই সম্রাট মোল্লার অনুসারীরা হঠাৎ করে সাংবাদিক আতাউর সানির হাতে থাকা মোবাইল ফোনটি ছিনিয়ে নিয়ে তার উপর হামলার চেষ্টা করে, আমি পরিস্থিতি শান্ত করতে গেলে আমার উপরও হামলা করে আমাকে রক্তাক্ত করে ফলে ওরা। এমনকি আমার বৃদ্ধ মা ও চাচাতো ভাই ফারুক এগিয়ে এলে তাদের উপরও হামলা করে রক্তাক্ত করে ফেলে। বিচারে আমিও একজন বিচারক হিসেবেই সেখানে উপস্থিত ছিলাম।

এ বিষয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত এসআই দেলোয়ার জানান, অভিযোগটা আমার কাছে ছিলো। তারা স্থানীয়ভাবে বসে বিষয়টা মীমাংসা করবে বলে আমাকে ফোন দিলে আমি সেখানে যাই। হঠাৎ উভয় পক্ষের লোকজন হাতাহাতি শুরু করলে কয়েকজন আহত হয়। বিষয়টি হটাৎ করেই সংঘটিত হয়ে যায়।

এ বিষয়ে সম্রাট মোল্লা বলেন, আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। আমি কাউকে মারধর করিনি। আমি দোহার নবাবগঞ্জ উপজেলায় সকলের নিকট সুপরিচিত। আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

দোহার থানার ওসি তদন্ত আজহারুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় উভয় পক্ষ থানায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছেন। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ বিষয় দোহার প্রেসক্লাবের সভাপতি কামরুল হাসান বলেন, আমি এর তী নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। দোহার প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আতাউর সানীর উপর আঘাতকারীদের অতিদ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবী জানাচ্ছি।

প্রতিভা এন্টারপ্রাইজে আকর্ষণীয় পদে নিয়োগ

মেসার্স প্রতিভা এন্টারপ্রাইজ

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

কর্মস্থল: দোহার – নবাবগঞ্জ 

১. ডিস্ট্রিবিউশন ম্যানেজার অপারেশন – ১

শিক্ষাগত যোগ্যতা: নূন্যতম এইচ এস সি + MS word, Excel এ পারদর্শী হতে হবে।
বয়স: সর্বোচ্চ ৩০
কাজের ধরন: মার্কেটিং অপারেশন এন্ড ফিল্ড এনালাইসিস
বেতন: ১৫,০০০/- (+ টিএ/ডিএ)

২. কমপ্লায়েন্স অফিসার – ১

বয়স: সর্বোচ্চ ৩০
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি + MS word, Excel এ পারদর্শী হতে হবে।
কাজের ধরন: সকল প্রকার কমপ্লায়েন্স প্রোগ্রাম বিকাশ এবং বাস্তবায়ন। খসড়া তৈরি এবং কোম্পানির পলিসি বিকাশ করা।
বেতন: ১৫,০০০/- (টিএ/ডিএ)

৩. সেলস অফিসার মোবাইল ব্যাংকিং ( ১০ জন)

বয়স: ১৮ – ৩০
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এসএসসি
কাজের ধরন: ফিল্ড লেভেল মার্কেটিং
বেতন: বেসিক ৮০৫০ + ৩০% বেসিক KPI

৪. সেলস অফিসার মোবাইল অপারেটর (৫ জন)

বয়স: ১৮ – ৩০
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এসএসসি
কাজের ধরন: ফিল্ড লেভেল মার্কেটিং
বেতন: বেসিক ৬০০০ + সেলসের উপর কমিশন

আবেদনের সময়সীমা: ২০ জুন, ২০২৩

আবেদন পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

অথবা,

প্রতিভা এন্টারপ্রাইজ (বিকাশ)
হাজেরা ম্যানশন ২য় তলা ( জয়পাড়া বাজারে রিজিয়া ক্লিনিকের বিপরীতে)
জয়পাড়া বাজার, দোহার, ঢাকা।

বি:দ্র: একাধিক পদে আবেদন করা যাবে।

দোহারে ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবকলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত

ঢাকার দোহার উপজেলার বিলাসপুর ইউনিয়নের আওয়ামী সেচ্ছাসেবকলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার বিলাসপুর ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে এ ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনটি রাত আটটা পর্যন্ত টানা উত্তেজনা নিয়ে শেষ হয়।

ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের শেষে আগামী তিন বছরের জন্য আব্দুল খালেক মোল্লাকে সভাপতি ও ওমর চোকদারকে সাধারণ সম্পাদক করে বিলাসপুর ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবকলীগের কমিটি ঘোষনা করা হয়।

সম্মেলনে উপজেলা আওয়ামী সেচ্ছাসেবকলীগের আহ্বায়ক বাশার চোকদারের সভাপতিত্বে ও যুগ্ন আহ্বায়ক মিজানুর রহমান সাদ্দামের সঞ্চালনায় সম্মেলনের উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী সেচ্ছাসেবকলীগের সিনিয়র সহ সভাপতি ম. আব্দুর রাজ্জাক।

সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মো: আলমগীর হোসেন।

এছাড়াও অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী সেচ্ছাসেবকলীগের মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. শাহিনউল ইসলাম, উপ দপ্তর সম্পাদক রাহুল দাস, ঢাকা জেলা দক্ষিণ আওয়ামী সেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি মাহবুব বেপারী, পৌরসভা আওয়ামীলীগের আহ্বায়ক সাজ্জাদ হোসেন সুরুজ, বিলাসপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রাশেদ চোকদার, উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বশির আহমেদ, ঢাকা জেলা দক্ষিণ ছাত্রলীগের সভাপতি গিয়াসউদ্দিন সোহাগ সহ সকল অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

নবাবগঞ্জের শিকারীপাড়া বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড

নবাবগঞ্জ প্রতিনিধিঃ আজ (মঙ্গলবার) ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার শিকারীপাড়া বাজারে হঠাৎ ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে।  দুপুর দেড়টার দিকে হঠাৎ বাজারের একটি দোকানে অনেকে আগুন লেগেছে দেখতে পায়। দোকানটি তালাবদ্ধ ছিল। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি একই উপজেলার চরবাগুরী গ্রামের আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে মোঃ শফিকুল ইসলামের। আগুনে সব পুড়ে আনুমানিক ৫ -৬ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানান। ঠিক কি কারণে আগুন লেগেছে তা সঠিকভাবে জানা না গেলেও বৈদ্যুতিক কারণে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে আমাদের জানান একই বাজারের ঔষধ ব্যবসায়ী এস.এম.ইব্রাহিম। নবাবগঞ্জ উপজেলায় কোন ফায়ার সার্ভিস না থাকায় সাধারণ জনগণ ও ব্যবসায়ীরা সবাই মিলে আগুন নিয়ন্ত্রণে এগিয়ে আসেন। বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ শাহজাহান শিকদার বলেন, আমরা ঘটনাটি জানার সাথে সাথেই দোহার ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের পাঠাই। কিন্তু দূরত্ব বেশি থাকার কারণে স্থানীয়দের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে না হলে আরো বেশি ক্ষতি হতে পারতো। নবাবগঞ্জ উপজেলার ফায়ার সার্ভিসের কাজ স্থগিত থাকার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, দীর্ঘ দশ বছর আইনী জটিলতার কারণে কাজ হয়নি। এখন আর আইনী জটিলতা নেই। কিন্তু বাজেটের অভাবে কাজটি শুরু করা যাচ্ছে না। মাত্র কয়েকদিন হলো বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। আমরা অপেক্ষা করছি। বাজেট পেলেই কাজ শুরু হবে।

লোডশেডিংএ নাকাল দোহার-নবাবগঞ্জবাসী

দিন ও রাতে সমান তালে চলছে নবাবগঞ্জ ও দোহার উপজেলায় লোডশেডিং। এলাকাভেদে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ৮ থেকে ১৪ ঘণ্টাই লোডশেডিং হচ্ছে উপজেলাদ্বয়ের বিভিন্ন এলাকায়।
দুই উপজেলার সদর এলাকায় সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন অফিস,হাসপাতাল, থানা হওয়ার কিছুটা কম লোডশেডিং হলেও এই এলাকার বাইরে লোডশেডিং এর পরিমাণ সাধারণ মানুষের সহ্যের সীমা অতিক্রম করেছে। সবাই মাননীয় এমপির হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।

শিশু ও বায়োবৃদ্ধ ব্যাক্তিরা আছেন সবচেয়ে অসুবিধায়। ঠান্ডা কাশি,জ্বর,ডায়রিয়াসহ নানাবিধ শারীরিক সমস্যা দেখা দিচ্ছে এই তীব্র গরমে। কয়লা সংকটে লোডশেডিং হবে, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু সেটি যথাযথ সমন্বয় না করা এবং এখানকার বিদ্যুৎ অন্য এলাকায় দেয়ার অভিযোগ রয়েছে।

নবাবগঞ্জ উপজেলার বান্দুরা ইউনিয়নের নতুন বান্দুরা গ্রামের বাসিন্দা শারমিন আক্তার বলেন, গতকাল রাতে ১১ টা ৩০ মিনিটের দিকে বিদ্যুৎ চলে যায়। ভেবেছিলাম ১/২ ঘণ্টার মধ্যে চলে আসবে ।কিন্তু বিদ্যুৎ আসেনি। আমরা সবাই অসহ্য গরমে সারারাত নির্ঘুম ছিলাম।অনেক পরে সকাল ৭ টায় আমাদের এলাকায় বিদ্যুৎ আসে।
তিনি আরো বলেন, বাসায় শিশু ও বৃদ্ধলোক থাকায় সব চেয়ে বেশি ভোগান্তিতে আছি।

জানা যায়,নবাবগঞ্জ উপজেলা সদরের কলাকোপা ইউনিয়নের পানালিয়া বিদ্যুৎ অফিস থেকে উপজেলা অফিস হয়ে বাগমারা পর্যন্ত সবচেয়ে কম ৭-১০ ঘণ্টা লোডশেডিং হতে দেখা গেছে। এছাড়া উপজেলার জয়কৃষ্ণপুর, শিকারিপাড়া, বারুয়াখালী, নয়নশ্রী, বান্দুরা, যন্ত্রাইল, কৈলাইল, বক্সনগর, আগলা, গালিমপুর, চুড়াইন ইউনিয়নে ১০-১৪ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং হচ্ছে বলে জানা যায়।

সৌদি প্রবাসী মাসুম শেখ বলেন, আরব দেশগুলোতে এর চাইতে অনেক গরম তবুও বাংলাদেশে এসে গরমের যন্ত্রণা সহ্য করতে পারছি না। দিনদিন আমি অসুস্থ হয়ে পড়েছি। গত বছর প্রবাসে থাকা অবস্থায় লোডশেডিং এর কথা জেনেছি। পল্লী বিদ্যুৎ এর উচিত ছিল সমস্যাকে মাথায় রেখে বিদ্যুৎ বণ্টনে এবছর আগে থেকেই ব্যবস্থা নেওয়া এবং সমন্বয় করা। তাহলে সাধারণ মানুষ এই দুর্ভোগে পড়তো না।

নবাবগঞ্জ উপজেলার বাগমারা বাজার ঘুরে সরেজমিনে জানা যায়, মাত্রাতিরিক্ত লোডশেডিং এর কারণে হাত পাখা, চার্জার ফ্যান, আইপিএস, সৌর বিদ্যুৎ এর চাহিদা আগের তুলনায় অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। এই সুযোগে ব্যাবসায়ীরাও দাম হাকাচ্ছেন কয়েক গুণ বেশি। স্থানভেদে ৩০ টাকার তালের হাতপাখা বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ১০০ টাকায়, ১৫০০ টাকার চার্জার ফ্যান বিক্রি হচ্ছে, ২৫০০ থেকে ৩০০০ টাকায়।

একই অবস্থায় দোহার উপজেলার নয়াবাড়ি, কুসুমহাটি, মাহমুদপুর, বিলাশপুর, রাইপাড়া, সুতারপাড়া, নারিশা, মুকসুদপুর ও পৌরসভায় বিভিন্ন এলাকায়।এখানেও পালা করে হচ্ছে লোডশেডিং।

দোহার উপজেলার পশ্চিমচর গ্রামের বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা ইব্রাহীম খলিল সবুজ আমাদের জানান,প্রতিদিন দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ছে অথচ পল্লী বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানিগুলো প্রতিযোগিতা করছে লোডশেডিংয়ের। এ যেন সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র।

দোহারের জয়পাড়া বাজারের ব্যবসায়ীরা বলেছেন, লোডশেডিংয়ের কারনে আমাদের ব্যবসা স্থবির হয়ে যাচ্ছে। কারণ আমরা ব্যবসা করেই সংসার চালাই আর এই গরম ও বিদ্যুৎ এর লোডশেডিং এর কারনে দোকানে বসে দোকান করা সম্ভব হচ্ছে না।এছাড়াও বাজারে জেনারেটর আছে কিন্তু সেই লাইনেও এখন সমস্যা দেখা দিচ্ছে।

জয়পাড়া বাজারের মুদির ব্যবসায়ী মো: হালিম বলেন, প্রতিদিন দিনে ৭-৮ ঘন্টা বিদ্যুৎ থাকে না। আজকেও ফজরের পর ৭-৮ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ ছিল না। আমরা তো আমাদের বিদ্যুৎ বিল ঠিকই দিয়ে থাকি কিন্তু বিদ্যুৎ সঠিকমত পাই না।

জয়পাড়া বাজারে মাহমুদপুর ইউনিয়ন থেকে বাজার করতে আসা মো: রহিম মিয়া বলেন, লোডশেডিং যা করছে তা আর সহ্য করা যাচ্ছে না। দিন ও রাত মিলিয়ে তিনভাগের দুইভাগই বিদ্যুৎ থাকে না। অথচ আমরা প্রতি মাসে হাজার টাকার উপর বিদ্যুৎ বিল দিয়ে থাকি। আর যে মাসে বেশি লোডশেডিং হয় সে মাসে বিদ্যুৎ বিলও আরো বেশী আসে।

এ বিষয়ে জয়পাড়া ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের পরিচালক দেলোয়ার হোসেন বলেন,বিদ্যুৎ সেক্টরের প্রতিটি প্রকল্পে হাজার হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে । কিন্তু এর সুফল ঘরে তুলেতে পারছে না সরকার।বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানিগুলোর দূর্নীতি, লুটপাট আর ষড়যন্ত্রের কারণে এমনটি হচ্ছে। সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থা পল্লী বিদ্যুতের বিভিন্ন সমিতিতে। এই অবস্থায় চরম বিপাকে পড়েছি আমরা শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালিকেরা।

অন্য দিকে বিদ্যুৎ লোডশেডিং এর কারনে বেড়েছে হাতপাখা, আইপিএস ও চার্জার ফ্যান বিক্রি।
এবিষয়ে উপজেলার নয়াবাড়ি ইউনিয়নের সৌদি আরব প্রবাসী মো: ওয়াসিম বলেন, আমি জয়পাড়ায় আইপি এস নিতে এসেছিলাম তারা ৪০ হাজার টাকা চেয়েছে পরে আমি ঢাকা থেকে ৩২ হাজার টাকা দিয়ে কিনে এনেছি।

জয়পাড়া বাজারে ফ্যান বিক্রিতা সোহাগ হোসেন বলেন, কয়েকদিন আগেও চার্জার ফ্যানের দাম কম ছিল বর্তমানে চাহিদা বেশি থাকার কারনে কোম্পানি গুলো প্রতেকটি ফ্যানে ২-৩ হাজার টাকা বাড়িয়ে দিয়েছে সে জন্য আমাদেরও বেশি দামে।ফ্যান বিক্রি করতে হচ্ছে।

এ বিষয়ে ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার মো. মজিবুর রহমান বলেন, বর্তমানে দোহার ও নবাবগঞ্জে বিদ্যুৎ চাহিদা ৬০ থেকে ৬৫ মেগাওয়াট। কিন্তু সে তুলনায় বরাদ্দ পাচ্ছি ৪০ থেকে ৪৫ মেগাওয়াট। বিদ্যুতের বরাদ্দ কম থাকায় সারা দেশের ন্যায় দোহার ও নবাবগঞ্জে লোডশেডিং হচ্ছে।

দোহার উপজেলার কুসুমহাটি ইউনিয়ন জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

দোহার উপজেলার কুসুমহাটি ইউনিয়ন জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

২৯/০৫/২০২৩ সোমবার দোহার উপজেলা জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি কুসুমহাটি ইউনিয়ন বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রকাশ করা হয়।

৭১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয় হাবিবুর রহমান চুন্নু মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মোল্লা।

এছাড়াও সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন ৬ জন। তারা হলেন ফারুক মোল্লা, রহিম বেপারী, মোশাররফ হোসেন, ওহাব শিকদার, হায়াত আলী, আঃখালেক।
যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন ৪ জন। আবুল বিশ্বাস,মজনু মিয়া, পান্নু মিয়া, দেলোয়ার শিকদার।
সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী শাহজাহান ও সহ- সাংগঠনিক তাহভির রহমান নিশু। কোষাধ্যক্ষ বীর মুক্তিযোদ্ধা সিদ্দিকুর রহমান ও সহ-কোষাধ্যক্ষ রাকিব মাহমুদ। দপ্তর সম্পাদক শেখ বাবুল, প্রচার সম্পাদক বিল্লাল হোসেন, মহিলা সম্পাদক রানু আক্তার, কৃষি সম্পাদক মন্টু মোল্লা,ধর্ম সম্পাদক কাজী আঃ রাজ্জাক, সাহিত্য সম্পাদক সবুর উদ্দিন পান্নু,ক্রিয়া সম্পাদক মোঃ শহীদ,সমাজকল্যাণ সম্পাদক হারুন মাদবর। এছাড়াও ৪২ জনকে নির্বাহী সদস্য করা হয়।

ডাক্তার-ই মাকে মেরেছে – শিশু সামিয়ার আর্তনাদ

ঢাকার দোহার উপজেলার জয়পাড়া ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ভুল চিকিৎসার অভিযোগে এক প্রসূতি মায়ের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার রাতে (১৮ মে) দোহার উপজেলার লটাখোলা এলাকার জয়পাড়া ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এই দূর্ঘটনা ঘটে।

দোহার উপজেলার কুসুমহাটি ইউনিয়নের আন্তা গ্রামের মো: শাহীনের স্ত্রী রোজিনা আক্তার (৩৭)।

বৃহস্পতিবার বিকালে ডাক্তার দেখাতে নিয়ে আসা হয় রোজিনাকে। পরে ডাক্তার ডাঃ শরীফ নাজমুন নাহার (মিলি) বলেন, তার অবস্থা খারাপ, তাকে সিজার করাতে হবে। পরে তাকে সিজারের মাধ্যমে অপারেশন করানো হয়। এসময় রোজিনা একটি মেয়ে বাচ্চার জন্ম দেন।

রোজিনা আক্তারের ছোট ভাই মুকসেদ জানান, রোজিনাই ছিল আমাদের একমাত্র বোন। গতকাল বৃহস্পতিবার তাকে ডাক্তার দেখানোর কথা ছিলো। সে অনুযায়ী আমরা তাকে জয়পাড়া ক্লিনিকে ডাঃ শরীফ নাজমুন নাহার (মিলি) কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তারা টাকার লোভে, আমাদেরকে রোগীর অবস্থার ভয় দেখিয়ে, আমার বোনের সিজার করায়। সিজারে আমার বোনের একটি মেয়ে সন্তান হয়। আর এর কিছু সময় পরেই আমার বোন মারা যায়। কিন্তু তারা এটি ধামাচাপা দিতে একদিক দিয়ে মেয়ে বাবুটি আমার ভাগ্নীকে আমাদের কাছে পাঠিয়ে দেন। অন্যদিকে, তারা তাদের এম্বুলেন্স দিয়ে তাদের রেফার করা হাসপাতালে বোনকে পাঠায়। আমি ড্রাইভারকে বলি অন্য হাসপাতালে নিতে কিন্তু ড্রাইভার সেখানে নেয় না। আমাদের দাবি আমাদের যা হবার তা হয়েছে; কিন্তু এমন ঘটনা যেন আর কারো সাথে না ঘটে, সেটাই আমাদের দাবি। আমরা চাইলে অনেক কিছু করতে পারতাম কিন্তু করি নাই। যা হবার হয়েছে, আমার নবজাত ভাগ্নীরা হারিয়েছে তাদের মা, আমরা হারিয়েছি আমাদের বোন, আর জয়পাড়া ক্লিনিক পেয়েছে টাকা।

রোজিনার বড় মেয়ে সামিয়া বলেন, ডাক্তারি আমার মায়েকে মেরে ফেলেছে। এখন আমি কাকে মা বলে ডাকবো? কে আমাকে মায়ের আদর দিবে? ডাক্তার কি এসব ফেরত দিতে পারবে?

এবিষয়ে রোজিনার আরেক আত্মীয় সুতারপাড়া ইউনিয়নের ঘারমোরা গ্রামের মো: রফিক বলেন, এই হাসপাতালে এর আগেও রুমা ও বন্যা নামে আমাদের এলাকার ২ জনকে মেরে ফেলেছে। এটি দিয়ে তৃতীয়বার।

জয়পাড়া ক্লিনিকের চেয়ারম্যান শফিকুল তালুকদার বলেন, রোজিনার সিজার আমাদের এখানে হয়। তার একটি মেয়ে বাচ্চা হয়। তার অবস্থা খারাপ হওয়ায়, আমরা তাকে ঢাকা রেফার করি। রোজিনা আমাদের এখানে মৃত্যু বরণ করেনি, সে ঢাকায় নেওয়ার পথে মৃত্যু বরণ করে।

এবিষয়ে দোহার থানা তদন্ত কর্মকর্তা আজহারুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না। আমি এটি প্রথম শুনলাম। তবে, কেউ যদি কোন অভিযোগ করে, তাহলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কাজী রাইয়ানকে বাঁচাতে প্রয়োজন আর্থিক সহায়তার

লিকুমিয়া ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত ৫ বছরের শিশু কাজী রাইয়ান আহমেদ রূপ। তার চিকিৎসার জন্য প্রায় ৩০ লাখ টাকার প্রয়োজন যা পরিবার এবং সাংবাদিক পিতার পক্ষে মেটানো অসম্ভব। সুস্থভাবে সকলের মাঝে ফিরিয়ে আনতে সকলের কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন পরিবারের লোকজন।

কাজী রাইয়ান আহমেদ রূপ ঢাকার দোহার উপজেলার ঘাটা গ্রামের সাংবাদিক কাজী জোবায়ের আহমেদ ও রাশেদা আক্তার দম্পত্তির ছেলে।

জানা যায়, ২০১৯ সালে মাত্র ১১ মাস বয়সে প্রথম লিকুমিয়া (all) ব্লাড ক্যান্সার ধরা পরে রূপের। এর দীর্ঘ ৪ বছর চিকিৎসায় অনেকটা সুস্থ হয়ে উঠে সে। তবে ছেলেকে চিকিৎসা করাতে গিয়ে নিঃস্বপ্রায় রূপের বাবা। হঠাৎ গতমাসে আবারো গুরুতর অসুস্থ হলে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় রূপকে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ধীরে ধীরে অবস্থার অবনতি হতে থাকে শিশুটির। বর্তমান রুপ বিএসএমএমইউ হাসপাতালের ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ও বিভাগীয় চেয়ারম্যান প্রফেসর ডা: এ টি এম আতিকুর রহমান তত্বাবধানে রয়েছে রূপ।

প্রফেসর ডা: এ টি এম আতিকুর রহমান জানান, বর্তমানে রূপের অবস্থা আশংকাজনক। তার লিভার ও স্প্রিন্ট বড় হয়ে গেছে। এছাড়া সে নিউমনিয়ায় আক্রান্ত, পাশাপাশি রক্তের হিমোগ্লোবিন বাড়ছে না।

ডাক্তার আরো জানান, রূপের বনমেরু পরিবর্তন করা গেলে ৮০% সুস্থ হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। তবে এ চিকিৎসা বাংলাদেশে সম্ভব নয়। ভারতে নিয়ে করতে খরচ হবে প্রায় ৩০ লাখ টাকা।

রূপের সাংবাদিক পিতার পক্ষে এ টাকা ব্যয় করা সম্ভব নয়। এ অবস্থা ছেলেকে বাঁচাতে সমাজের বিত্তবান, দানশীল মানুষের কাছে সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছে অসহায় পরিবারটি। সেই সাথে প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা ও ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য সালমান এফ রহমানের সুদৃষ্টি কামনা করেন পরিবারটি।

যোগাযোগের ঠিকানা: ০১৭১৬৫৫৯১৯০ (বিকাশ), রূপের বাবা সাংবাদিক কাজী জোবায়ের আহমেদ

মো. জোবায়ের আহমেদ
একাউন্ট নাম্বার: ০০১২১০০০৩১১৪৭
সাউথইস্ট ব্যাক, জয়পাড়া শাখা, দোহার