ব্লাড ডোনেশন এসোসিয়েশন: প্রতিষ্ঠাতা: সভাপতি মাজহারুল ইসলাম

ব্লাড ডোনার্স এসোসিয়েশন মিটিং ও আলোচনা সভার মাধ্যমে রক্তের প্রচার কার্যক্রম করে যাচ্ছে।

মানুষের কল্যাণে তারা প্রতিদিন অগনিত ডোনার দিয়ে যাচ্ছে এবং নবাবগঞ্জ মুক্তি ক্লিনিক তাদের মানবতার সেবায় সব সময় পাশে পাওয়ার জন্য সম্মাননা স্বারক দিয়ে ধন্যবাদ জানায়।

 

ইনশা-আল্লাহ, আর নয় রক্তের হা-হা কার। আশাকরি, নবাবগঞ্জের মানুষদের টাকা দিয়ে রক্ত কিনতে হবে না। কোনো দালাল ছাড়াই বিনামূল্যে যে কোন সময় রক্ত পেয়ে যাচ্ছেন।

ব্লাড ডোনেশন এর প্রতিষ্ঠাতাঃ সভাপতি মাজহারুল ইসলাম মোস্তফা ও তার সাথে আরও ১৫ জন কাজ করে যাচ্ছে।

ব্লাড ডোনেশন এসোসিয়েশন:

প্রতিষ্ঠাতাঃ সভাপতি মাজহারুল ইসলাম মোস্তফা

১.মোহাম্মদ সিয়াম- admin

২.আদিল শিকদার admin

৩.আরিন আক্তার রিয়া

৪.বিপুল আহমেদ

৫.হাফেজ আহমেদ

৬.নাইম দেওয়ান

৭.আবির

৮.সুহাব

৯.মোঃ ইনাম আহমেদ

১০.মোঃজিহাদ আহমেদ

১১.মোঃ আসিফ

১২.শেখ সামরিতা

১৩.সিফাত আহমেদ

১৪.ওয়াহিদ

১৫.শাহিন

১৬.রনি

 

 

দোহারে আওয়ামীলীগের ৭৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকার দোহার উপজেলায় র‌্যালী ও আলোচনা সভা করেছে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন। শুক্রবার বিকালে জয়পাড়া রতন স্বাধীনতা চত্তরে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পতিকৃতিতে পুষ্প অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানানো হয়। পরে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত এবং সকল শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। সভার সভাপতিত্ব করেন দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. আলমগীর হোসেন।

এসময় তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে বাংলাদেশ এখন ডিজিটাল হয়েছে। আগামী ২০৪১ সালের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নত দেশে পরিনত হবে ইনশাআল্লাহ। আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের কথা বিএনপি জামায়াতে ইসলামী ঘরেও আলোচনা করেন। তাই বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে হলে শেখ হাসিনার কোন বিকল্প নাই। আগামী নির্বাচনে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে শেখ হাসিনাকে আবারো প্রধানমন্ত্রী বানাতে হবে সেই লক্ষ এখন থেকেই আমাদের কাজ করতে হবে। সে সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল হক বেপারী, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোল্লা মো. বেলাল, দোহার পৌরসভার মেয়র আলমাছ উদ্দিন,বিলাসপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রাশেদ চোকদার,উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের আহব্বায়ক বাশার চোকদার, যুগ্ম আহবায়ক মিজানুর রহমান সাদ্দাম, রাইপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন আজাদ, আনোয়ার হোসেন,ছাত্রলীগ, কৃষকলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন ইউপি চেয়ারম্যানবৃন্দ।

Home-investors are well-versed in the housing market and are in a position to provide sellers advice that might be helpful. They could provide advice about the asking price, necessary repairs, and other aspects of the selling process. Visit https://www.home-investors.net/virginia/investors-that-buy-houses-chesapeake-va/.

দোহারে দুর্বৃত্তদের গুলিতে দুইজন আহত

ঢাকার দোহার উপজেলার মুকসুদপুর ইউনিয়নের দুবলী এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে দুইজন আহত হয়েছেন।

গতকাল বুধবার আনুমানিক রাত ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন, দোহার উপজেলার নারিশা পশ্চিম চর এলাকার মো. আলমগীরের ছেলে রাতুল শিকদার (১৯) ও একই গ্রামের জাহাঙ্গীর গাজীর ছেলে মেহেদী গাজী (২৮)।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুবলী ব্রিজের ঢালে রাতুল ও মেহেদীকে লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি চালায় দুর্বৃত্তরা। পরে তাদের ডাক চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের ঢাকায় পাঠান।

 আহত রাতুল জানান, বুধবার রাত আনুমানিক সারে আটটার দিকে ডাক্তার দেখিয়ে মোটরসাইকেল যোগে আমি ও আমার প্রতিবেশী মেহেদী বাড়ি ফিরছিলাম। দুবলী ব্রিজের ঢালে পৌঁছালে পেছন দিক থেকে আসা একটি মটরসাইকেলে করে তিনজন যুবক আমাদের পায়ে গুলি করে পালিয়ে যায়।

এ বিষয় আহত মেহেদি জানান, আমরা কিছু বুঝে উঠার আগেই আমাদের পায়ে গুলি করে তিনজন পালিয়ে যায়। আমি আহত অবস্থায়ও তাদের ধরার চেষ্টা করি, কিন্তু পারিনি। মেহেদি বলেন আরে বলেন, রাতের বেলা আমরা ছেলেদের কাউকেই চিনতে পারিনি। আর কি উদ্দেশ্যে গুলি করল তাও বুঝতে পারছিনা। তবে একটি ছেলেকে দেখলে হয়তোবা চিনতে পারবো।

 এদিকে এমন ঘটনায় ঐ এলাকার মানুষের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। আহত রাতুলের মা রিমি আক্তার বলেন, বুধবার রাতে ডাক্তার দেখিয়ে মোটরসাইকেলযোগে আমার ছেলে রাতুল ও মেহেদী বাড়ি ফিরছিল। দুবলী ব্রিজের ঢালে পৌঁছালে তাদের লক্ষ্য করে গুলি করে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। আমি দোষীদের দ্রুত শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তফা কামাল বলেন, ঘটনার পরপরই আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। দোষীদের আটক করতে আমাদের অভিযান চলছে।

দেশের অর্থনৈতিক সংকট সমাধানে শেখ হাসিনাকে আবার দরকার: আলমগীর হোসেন

ঢাকার ক তালিকাভুক্ত পৌরসভা, দোহার পৌরসভার ২০২৩-২০২৪ অর্থ বছরের বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। বুধবার দোহার পৌরসভা সালমান এফ রহমান অডিটোরিয়াম সভাকক্ষে ৪৪ কোটি ১৫ লক্ষ টাকার ২৫তম এ বাজেট ঘোষণা করেন নবনির্বাচিত পৌর মেয়র আলমাছ উদ্দিন। বাজেটে ঘাটতি প্রায় ২৯ কোটি টাকা। ঘাটতি মোকাবেলায় সরকারি বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে।

এসময় দোহার পৌরসভার নবনির্বাচিত মেয়র আলমাছ উদ্দিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও দোহার প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা মো.আলমগীর হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোবাশ্বের আলম এবং দোহার থানা অফিসার ইনচার্জ মো মোস্তফা কামাল।

এ সময় আলমগীর হোসেন বলেন, পৌরসভার সবচেয়ে বড় সমস্যা হল জনগন পৌর কর দেয় না। যার জন্য পৌরসভার উন্নয়ন করা সম্ভব কম হয়েছে। তবে এবার আমাদের এমপি মহোদয় সালমান এফ রহমান তিনি নিজে এই পৌরসভার উন্নয়নের দিকে নজর দিয়েছেন। তার সহায়তায় দোহার পৌরসভা এগিয়ে যাবে। এ বাজেটে কোনো কর বৃদ্ধি করা হয়নি।

তিনি আরো বলেন, সামনে জাতীয় নির্বাচন এই নির্বাচনে আবারও শেখ হাসিনাকে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বানাতে হবে। তিনি ছাড়া বাংলাদেশের এই অর্থনৈতিকের সমাধান হবে না। অন্য কোন সরকার আসলেও বাংলাদেশের হাল ধরতে পারবে না। তাই সাধারণ জনগণের কাছে দাবি আপনারা আগামী নির্বাচনে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জয়যুক্ত করবেন।

দোহার পৌরসভার তথ্যমতে, নিজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য্য করা হয়েছে ৯ কোটি ১৪ লক্ষ টাকা। তারমধ্যে হোল্ডিং ট্যাক্স বাবদ ৩ কোটি ৫ লক্ষ টাকা এবং পরোক্ষ কর বাবদ ৬ কোটি ৯ লক্ষ টাকা। রাজস্ব ব্যয়ের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৯ কোটি ৪৩ লক্ষ টাকা। তন্মধ্যে সাধারণ সংস্থাপন খাতে ব্যয় ৪ কোটি ২০ লক্ষ টাকা। শিক্ষা, সংস্কৃতি ও খেলাধুলা খাতে ব্যয় ১২.৫০ লক্ষ টাকা, জনস্বাস্থ্য খাতে ১১.৫০ লক্ষ, পরিবেশ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা খাতে ১ কোটি ৩৮ লক্ষ টাকা, সামাজিক নিরাপত্তা খাতে ২২.৪০ লক্ষ টাকা, জাতীয় দিবস ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান খাতে ৮.৫০ লক্ষ টাকা,যানবাহন আসবাবপত্র খাতে ব্যয় ১ কোটি ৪১ লক্ষ টাকা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও জরুরী ত্রাণ খাতে ১০ লক্ষ টাকা, ভ্যাট পরিশোধ খাতে ১৪.৭৫ লক্ষ টাকা, আয়কর পরিশোধ খাতে ১৫ লক্ষ, উন্নয়ন খাতের ঋণ পরিশোধ খাতে ১৫ লক্ষ, রাজস্ব উন্নয়ন খাতে ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা।

মোট উন্নয়ন ব্যয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩২ কোটি ৬০ লক্ষ টাকা। এর মধ্যে রাস্তা উন্নয়ন খাতে ১৫ কোটি ৬৫ লক্ষ, ড্রেন উন্নয়ন খাতে ৯ কোটি ৯৫ লক্ষ, স্ট্রীট লাইট খাতে ২০ লক্ষ, পৌর ভবন নির্মাণ ও মেরামত প্রকল্পে ব্যয় ৫০ লক্ষ, লোকাল গভার্নমেন্ট কভিড-১৯ রেন্সপন্স এন্ড রিকভারি প্রকল্পে ব্যয় ১ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা, পার্ক নির্মান প্রকল্পে ব্যয় ২ কোটি টাকা রাজস্ব ও উন্নয়ন মিলে সর্বমোট ব্যয়ের লক্ষ্য নির্ধারন করা হয়েছে ৪২ কোটি ২ লক্ষ টাকা।

বাজেটে সরকারের উন্নয়ন সহায়তা তহবিল হতে ১ কোটি ৮১ লক্ষ টাকা, লোকাল গভার্নমেন্ট কভিড-১৯ রেসপন্স এন্ড রিকভারি প্রকল্পে বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে ১কোটি ৪০ লক্ষ টাকা, গুরুত্বপূর্ণ নগর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প থেকে ২ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা, পৌর এলাকায় সৌর বিদ্যুতায়িত সড়ক বাতি স্থাপন প্রকল্পে বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে ২ কোটি টাকা, পার্ক নির্মান প্রকল্পে বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে ২ কোটি টাকা এবং দোহার পৌরসভা উন্নয়ন প্রকল্পে বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে।

পৌর সচিব নাসরিন জাহানের সঞ্চালনায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দোহার উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ মোবাশ্বের আলম, দোহার থানা তদন্ত কর্মকর্তা আজহারুল হক,কাউন্সিলর ও মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থীগণ, সাংবাদিকবৃন্দ এবং পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দসহ অনেকে।

বন্যপ্রাণীদের জন্য ফল গাছ লাগানোর নির্দেশ পরিবেশমন্ত্রীর

বন্যপ্রাণীদের খাদ্যের সংকট দূর করতে অধিক পরিমাণে ফলের গাছ লাগাতে বন অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন। তিনি বলেছেন, বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে বন্যপ্রাণীদের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। এটা স্থায়ী কোনো সমাধান নয়, কারণ প্রকল্প শেষ হলে পূনরায় খাদ্যের অভাব দেখা দেয়। মাদারীপুরের চরমুগরিয়াসহ যে-সব এলাকায় বানর বা অন্য বন্যপ্রাণীর নিয়মিত খাদ্য প্রয়োজন সেখানে বেশি বেশি করে বন্যপ্রাণীর খাবার উপযোগী ফলের গাছ লাগাতে হবে।

মঙ্গলবার পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় ‘মাদারীপুর জেলার আওতায় বিদ্যমান চরমুগুরিয়া ইকোপার্কের আধুনিকায়ন’ শীর্ষক প্রকল্প নিয়ে আলোচনায় সরকারি বাসভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বনবিভাগের প্রতি এ নির্দেশ দেন পরিবেশমন্ত্রী।

 

বেতন পরিশোধ না করায় অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থীকে পেটানোর অভিযোগ

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় বেতন বকেয়া থাকায় অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থীকে পেটানোর অভিযোগ উঠেছে। রোববার (১৮ জুন) সকালে পৌর এলাকার এমএম ওসমান মডেল স্কুলে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, ভাঙ্গা থানার পাশে অবস্থিত এমএম ওসমান মডেল স্কুলটি দীর্ঘদিন যাবৎ পাঠদানের অন্তরালে কোচিং বাণিজ্য করে আসছে। ভাঙ্গায় অবস্থিত বিভিন্ন স্কুলে সঙ্গে আঁতাত করে এসব স্কুলের নামে রেজিস্ট্রেশন দেখিয়ে ৪-৫ শত শিক্ষার্থীকে নিয়মিত কোচিং এর মাধ্যমে  প্রতিষ্ঠানটি পাঠদান করত।

বকেয়া বেতন পরিশোধ করতে দেরি হওয়ার অপরাধে  শিক্ষার্থীদেরকে বাঁশের লাঠি, বেত ও পা দিয়ে লাথি মেরে আহত করা হয়। শিক্ষার্থীদের আত্মচিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে স্কুল থেকে পালিয়ে যায় শিক্ষক ও কর্তৃপক্ষ। আহত উত্তেজিত শিক্ষার্থীদের নিয়ে অভিভাবকগণ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম হাবিবুর রহমান ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আজিম উদ্দিন সহ মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জালাল উদ্দিনের কাছে লিখিত অভিযোগ নিয়ে হাজির হয়। এ সময় আহত শিক্ষার্থীরা তাদের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ক্ষতের চিহ্ন প্রশাসনকে দেখায় এবং অনতিবিলম্বে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানায়।

এর আগেও উক্ত প্রতিষ্ঠানে নিয়মিতভাবে সরকারি বই শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছালে প্রশাসনের ভেতরে বিতর্ক সৃষ্টি হয়। সে সময় তৎকালীন মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার ছত্রছায়ায় বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়া হয়। তারপরেও  বীরদর্পে পাঠদান চালিয়ে যাচ্ছিল প্রতিষ্ঠানটির মালিক ওসমান। এসব কোচিং বাণিজ্যে শিক্ষার্থীদের শতভাগ গ্যারান্টি দিয়ে পাস করানোর প্রলোভন দেখিয়ে শত শত শিক্ষার্থীর কাছ থেকে প্রতিমাসে হাতিয়ে নিত লাখ লাখ টাকা।

বিষয়টি শুনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনা সত্যতা পেয়ে প্রতিষ্ঠানটিকে সিলগালা করে দেওয়ার নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন। আহত অনেক শিক্ষার্থী স্থানীয় ক্লিনিক ও হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।

বিষয়টি নিয়ে স্কুলের কর্ণধার ওসমানের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

অন্যের জমি নিজের দাবি করলে ৭ বছরের জেল

অন্যের মালিকানার জমি কেউ নিজের বলে দাবি করছে এমন প্রমাণ পেলে সাত বছরের কারাদণ্ড হবে। অন্য কারও জমি ষড়যন্ত্র করে নিজের নামে নেওয়া হয়েছে এমন প্রমাণ মিললে দুই বছরের কারাদণ্ড। এই বিধান রেখে ‘ভূমি অপরাধ ও প্রতিকার আইন-২০২৩’ এর খসড়ায় নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। আইনে ভূমি বিষয়ক অপরাধকে স্পষ্ট করা হয়েছে।

সোমবার (১৯ জুন)  সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে তার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। বিকালে সচিবালয়ে এ বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন।

ভূমি সংক্রান্ত প্রতারণা বা জালিয়াতির অপরাধে সর্বোচ্চ সাত বছর এবং সর্বনিম্ন দুই বছর কারাদণ্ডের বিধান রেখে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এ ধরনের অপরাধে কেউ সহযোগিতা করলেও একই শাস্তি হবে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

এছাড়া আজ ‘বালুমহল ও মাটি ব্যবস্থাপনা সংশোধন আইন-২০২৩’ এর খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এর ফলে কোনও ফসলী জমি থেকে বালু বা মাটি উত্তোলন করা যাবে না।

শিশুরা ডেঙ্গু আক্রান্ত হচ্ছে, সতর্ক থাকবেন কীভাবে

আমরা জানি, ডেঙ্গু একটি ভাইরাসজনিত জ্বর, যা স্ত্রী এডিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়। সাধারণত জুলাই থেকে অক্টোবর মাসে এ জ্বরের প্রকোপ দেখা দেয়। তবে এবার একটু আগেই, মানে এপ্রিল-মে থেকেই এই জ্বরের প্রকোপ দেখা যাচ্ছে। তাই এখনই অভিভাবকদের সাবধান হওয়া জরুরি।
ডেঙ্গু রোগের মূল লক্ষণ জ্বর। প্রথম দুই থেকে তিন দিন এই জ্বর থাকে, এবং তা ১০২ থেকে ১০৩ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত হতে পারে। জ্বরের সঙ্গে গাব্যথা, চোখের পেছন দিকে ব্যথা, ক্ষুধামান্দ্য, পেটব্যথা, বমি ও কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে। সেই সঙ্গে অনেক শিশুর গায়ে দানা বা র‌্যাশ দেখা দেয়। নাক বা মাড়ি থেকে রক্ত পড়তে পারে। ডেঙ্গুর তিন থেকে আট দিনের সময়কে বলা হয় ‘ক্রিটিক্যাল ফেজ’। এই সময় মূলত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত শিশুর অবস্থা জটিল হয়। এ ক্ষেত্রে পেটে পানি এসে পেট ফুলে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট, বমি বা মলের সঙ্গে রক্ত, খিঁচুনি, হাত–পা ঠান্ডা হয়ে যেতে পারে। এসব লক্ষণ হলো ডেঙ্গুর বিপদচিহ্ন। এগুলো দেখা দিলে সাবধান হতে হবে।

প্রতিরোধ

ডেঙ্গুজ্বর প্রতিরোধ করতে আমাদের বাড়ির চারপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে। ফুলের টব, ফ্রিজের নিচে জমে থাকা পানি, বাথরুমের বালতির পানি তিন দিন পরপর অবশ্যই পরিষ্কার করতে হবে, যেন ডেঙ্গু মশা এই পরিষ্কার পানিতে ডিম পাড়তে না পারে। ভোররাত ও সন্ধ্যার দিকে মশারি টাঙাতে হবে। ডেঙ্গু রোগীকে অবশ্যই মশারির নিচে রাখতে হবে। সুতরাং আসুন সাবধান থাকি, শিশুকে সুস্থ রাখি।

 

দোহারে র‌্যাবের অভিযানে ২ মাদক ব্যবসায়ী আটক

ঢাকার দোহার উপজেলায় র‌্যাবের অভিযানে ৩৯ কেজি গাঁজাসহ ২ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে র‌্যাব-১০ এর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দোহার থানা বটিয়া গ্রামীণ টাওয়ার সংলগ্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আনুমানিক ১১,১০,০০০/- (এগার লক্ষ দশ হাজার) টাকা মূল্যের ৩৭ (সাঁয়ত্রিশ) কেজি গাঁজাসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয় ।

গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম মো. সোহাগ মোল্লা (৩৫) বলে জানা যায়। নূরপুর খেলার মাঠ বটতলা সংলগ্ন এলাকায় আনুমানিক ৬০,০০০/- (ষাট হাজার) টাকা মূল্যের ০২ (দুই) কেজি গাঁজাসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে।গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম মো. বাচ্চু (৩৭) কে আটক করা হয়।

গতিশীল নেতৃত্ব ও মানবিক কার্যক্রমের জন্য নির্মল গুহ স্মরণীয় হয়ে থাকবেন

প্রায় বছর হতে চললো। চলে গিয়েছেন এই পৃথিবীর মায়া ছাড়া। কিন্তু মানুষের হৃদয়ে নির্মল রঞ্জন গুহের প্রতি যে ভালোবাসা তা চির অম্লান। দল মত নির্বিশেষে ছিলেন সকলের আপনজন, ভালোবাসার মানুষ। নিজবাড়িতে এখনো যেন কান পাতলে শোনা যায় তার দরাজ গলার মায়াবী ডাক। ২৯ জুন পূর্ণ হবে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী। স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি গাজী মেজবাহুল সাচ্চু বলেন, ‘নির্মল রঞ্জন গুহ স্বেচ্ছাসেবক লীগকে একটি শক্তিশালী ও জনবান্ধব সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলতে একজন নিবেদিত প্রাণ কর্মীর ন্যায় সজাগ ছিলেন। তার অকাল প্রয়ানে শুধু স্বেচ্ছাসেবক লীগই নয়, পুরো দেশবাসীই শোকাহত। তার গতিশীল নেতৃত্ব ও কার্যক্রমের ফলে তিনি আমাদের মাঝে চির অমলিন হয়ে বেঁচে থাকবেন।’ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান বাবু, সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক, উপ দপ্তর সম্পাদক রাহুল দাস, ঢাকা জেলা দক্ষিন আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি মাহাবুব বেপারী, দোহার উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক বাশার চোকদার, মিজানুর রহমান সহ ও আরো স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ২৯ জুন আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। মৃত্যু কালে তার বয়স হয়েছিল ৫৮ বছর। তিনি স্ত্রী ও দুই ছেলে রেখে গিয়েছিলেন। বড় ছেলে অনুপম গুহ নয়ন বর্তমানে ইংল্যান্ডে বার-এট ল পড়ছেন। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় গত বছরের ১২ জুন দিবাগত রাতে রাজধানীর শ্যামলীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে ভর্তি করা হয় নির্মল গুহকে। এরপর তাঁকে নেওয়া হয় লাইফ সাপোর্টে। হার্টে দুটি ব্লক ধরা পড়লে সেখানে রিং বসানো হয়। তাতেও অবস্থার উন্নতি হয়নি। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ১৬ জুন দুপুরে তাঁকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে নেওয়া হয়। এরপর থেকে সেখানে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। এর আগেও তিনি হার্টের সমস্যায় ভারতে চিকিৎসা নিয়েছিলেন। ২০১৯ সালের ২৫ নভেম্বর আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের নতুন সভাপতি নির্বাচিত হন নির্মল রঞ্জন। নতুন কমিটির সাধারণ সম্পাদক হন আফজালুর রহমান।