৬০ বছর পর ‘বন্ধুর’ সাথে দেখা: পাকিস্তানি প্রেসিডেন্টকে ক্ষমা চাইতে বললেন সালমান এফ রহমান

মো সোহেল / শরিফ হাসান, নিউজ৩৯: তাদের যখন শেষ দেখা হয় তখন ছিলো বয়স ১২। মাঝে সময় চলে গিয়েছে অনেক। হয়েছে দেশ স্বাধীন। তাই, বাল্যবন্ধু পাকিস্তানের প্রেসিডেন্টকে ১৯৭১ সালের ঘটনার জন্য রাষ্ট্রীয়ভাবে ক্ষমা চাইতে বললেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প এবং বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান।

সৌদি আরবে হজপালনে গিয়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে দেখা হয়েছিল পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ড. আরিফ আলভির। তবে এসময় রাষ্ট্রপতির পাশে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানকে দেখে অত্যন্ত উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠেন ড. আলভি। কারণ, তারা ছোটবেলার বন্ধু এবং দীর্ঘ ৬০ বছর পর দেখা হলো দুজনের। সেই উচ্ছ্বাসের কথা টুইটারে নিজেই জানিয়েছেন পাকিস্তানি প্রেসিডেন্ট।

আরিফ আলভি গত সোমবার (৩ জুলাই) টুইটারে দুটি ছবি শেয়ার করেছেন। ছবিতে মহানবি (সা.)-এর রওজার সামনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের পাশে দেখা যাচ্ছে পাকিস্তানি প্রেসিডেন্টকে।

Good meetings with Bangladesh President Mr Shahabuddin in Mecca, Mina & Madina. Below at Roza-e-Rasool. In white is my childhood friend Mr Salman Rehman, now Member Parliament, Minister & Advisor in BD. We met after 60 yrs. Blessings of Allah will do wonders for our relationship. pic.twitter.com/9QyDCLHixj

— Dr. Arif Alvi (@ArifAlvi) July 3, 2023
টুইটে তিনি বলেন, মক্কা, মিনা ও মদিনায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি জনাব সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে দারুণ সাক্ষাৎ হয়েছে। রওজা-ই-রসুলের নিচে সাদা পোশাকে আমার ছোটবেলার বন্ধু সালমান এফ রহমান। ৬০ বছর পরে আমাদের দেখা হলো। আল্লাহর আশীর্বাদ আমাদের সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিস্ময়কর কাজ করবে।

হজ করতে গিয়ে ‘বাল্যবন্ধু’ আরিফ আলভির সঙ্গে দেখা হওয়ার কথা জানিয়েছেন সালমান এফ রহমানও। এক টুইটে তিনজনের (রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন, আরিফ আলভি ও সালমান এফ রহমান) ছবি শেয়ার করে তিনি লিখেছেন, মসজিদে নববিতে আরিফ আলভির সঙ্গে দেখা হয়ে ভালো লাগলো। আমাদের যখন শেষবার দেখা হয়েছিল, তখন আমার বয়স ছিল ১২ বছর। (এই সাক্ষাৎ) শৈশবের অনেক স্মৃতি ফিরিয়ে এনেছে।

Pleasure meeting @ArifAlvi President of Pakistan in Masjid Nabawi. I was 12 years old when we last met. Brought back lots of fond childhood memories. I said to him we need an apology for 1971 in order to improve relations. We prayed for the welfare of the Ummah in the holy site. pic.twitter.com/VTSVw1v87m

— Salman F Rahman (@SalmanFRahmanMP) July 3, 2023

সাক্ষাতে কী কথা হয়েছিল তা উল্লেখ করে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর এ উপদেষ্টা বলেন, আমি তাকে (পাকিস্তানি প্রেসিডেন্টকে) বলেছি, সম্পর্ক উন্নয়নের স্বার্থে একাত্তরের জন্য আমাদের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। আমরা উম্মাহর কল্যাণের জন্য দোয়া করেছি।

উল্লেখ্য, সালমান এফ রহমানের টুইটার হ্যান্ডেলটি ভেরিফায়েড নয়। তবে তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে হ্যান্ডেলটির লিংক সংযুক্ত রয়েছে।

এইচএসসি পরীক্ষার কেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ

উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার কেন্দ্রের তালিকা ও আসনবিন্যাস প্রকাশ করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে এ তালিকা প্রকাশ করা হয়।
এর আগে গত ৮ জুন এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ করা হয়। রুটিন অনুযায়ী আগামী ১৭ আগস্ট পরীক্ষা শুরু হবে। প্রথম দিন বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষা দিয়ে শুরু হবে। আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে এইচএসসি পরীক্ষা।

ব্যবহারিক পরীক্ষা শুরু হবে আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে। এ পরীক্ষা চলবে আগামী ৪ অক্টোবর পর্যন্ত।

বাড়িজুড়ে পাখির আশ্রয়

‘আমার ঘরের পাশে গাছ আছে এক/ তাতে বাসা বেঁধেছিল পাখি প্রসূতিকালে/ ডিম ফুটে ছানা হল, ছানাদের ডানা হলো/ ডানা মেলে উড়ে গেল বাসাটা ফেলে’/…গানের এই পঙ্ক্তিগুলো শিল্পী মৌসুমি ভৌমিকের। এটি গানের একটি অংশ হলেও একটি বাড়ি কিন্তু এ রকমই এখন। একটি নয়, অনেকগুলো গাছ আছে সেই বাড়িটির ঘরের পাশে। আর সেই গাছগুলোতে অনেকগুলো পাখির বাসা। খড়কুটোতে পাখিরাই তা বুনে নিয়েছে।

সেসব বাসায় তারা ডিম পেড়েছে, ডিমে তা দিয়েছে। একদিন ডিম ফুটে ছানা হয়েছে। মা সেই ছানাদের বিপদ-আপদ থেকে আগলে রাখছে। দূর মাঠ থেকে, জলাভূমি থেকে ঠোঁটে করে বয়ে নিয়ে আসছে মাছ। অপেক্ষা-কাতর ছানাদের মুখে তুলে দিচ্ছে আহার। দেখতে দেখতে ছানারা বড় হয়ে উঠছে। গাছের ডালে ডালে উড়ছে, ফিরে আসছে। পাশেই বসে থাকা মা ছানাদের এই দুষ্টুমিপনায় আহ্লাদে ডানা ঝাড়ছে।
মৌলভীবাজার সদর উপজেলার একাটুনা ইউনিয়নের মল্লিকসরাই গ্রামের আরশদ মিয়ার বাড়িটি এখন এ রকমই। পাখিদের নিরাপদ প্রজননক্ষেত্র, ঠিকানা। শত শত বক পাখি আর পানকৌড়ি ওই বাড়ির গাছে গাছে বাসা বুনেছে। কোনো ভয়ভীতি নেই, ইচ্ছা হলেই উড়ছে। বাচ্চাদের ফেলে রেখে তো আর অনেক দূর যাওয়া যায় না, কাছেপিঠে ঘুরে আবার ফিরে আসছে। এখানে পাখিরা মানুষের প্রতিবেশী নয়, পাখিরই প্রতিবেশী যেন বাড়ির মানুষ।

বাড়িটিতে ঢোকার মুখে পাখি-সাম্রাজ্যের কিছুই টের পাওয়া যায় না। কখনো হয়তো এক-দুটি বক পাখি, নয়তো দু–একটি পানকৌড়ির উড়ে যাওয়া চোখে পড়তে পারে। এই বাড়ির এক তরুণ আবদুর রশীদ যখন তাঁদের ঘরের পশ্চিম পাশে নিয়ে গেলেন, তখনই পাখিদের দেখা মিলল। বাড়িটিতে একতলা, দোতলা ঘর কয়েকটি। লম্বা উঠান। অনেক মানুষ। বাড়িজুড়ে মানুষের চলাচল, হইচই—সবই আছে। পাখিরাও আছে তাদের মতো।

বাড়ির পশ্চিম অংশে একটি পুকুরপাড়ের বাঁশঝাড়, আমগাছ, তেঁতুলগাছসহ বুনো গাছজুড়ে শুধু সাদা সাদা বক বসে আছে। কোনোটা হঠাৎ দুই ডানা মেলে উড়াল দিচ্ছে, পুকুরের ওপর এক-দুই পাক খেয়ে আবার আগের জায়গাতেই ফিরছে। কোনোটি অনেকটা ময়ূরের মতো পালক ফুলিয়ে বাসার কাছে বসেছে। ছানারা কিচিরমিচির করছে এখানে-ওখানে। তিনটি বাঁশঝাড়, কয়েকটি আমগাছ, কাঁঠাল ও তেঁতুলগাছে বেশ কটি বক পাখির বাসা।

গাছের শাখা-প্রশাখার ভাঁজে, পাতার নিচে খড়কুটো দিয়ে তৈরি করা এই বাসাগুলোতে ছানারা কখনো সরব, কখনো নিশ্চুপ। কোনোটিতে মা বক পাখি বসে ডিমে তা দিচ্ছে। কোনো বাসায় মা ছানাদের মুখে তুলে দিচ্ছে সংগ্রহ করে নিয়ে আসা খাবার। ছানারা হাঁ করছে, মা মুখের ভেতর পুরে দিচ্ছে খাবার। একইভাবে একটি তেঁতুলগাছের একটি বাসায় একটি পানকৌড়ি কোথা থেকে উড়ে এসে দু–তিনটি ছানার মুখে তুলে দিল আহার। এ আরেক সংসার। মানুষের কাছাকাছি ওটা শুধু পাখিরই জগৎ।

বাড়ির বয়সী মানুষ কুলসুম বেগম জানালেন, জ্যৈষ্ঠ মাস থেকে বাচ্চা ফোটা শুরু হয়েছে। তাঁরা পাখিদের একটুও বিরক্ত করেন না। পাখিরা আশা করে এখানে বাসা করেছে। কাউকে পাখিদের তাঁরা মারতেও দেন না।
হয়তো একদিন পাখিরা বাসা ফেলে উড়ে যাবে, সে নাহয় গেল। এ রকম তো প্রায় ১০ বছর ধরেই বাড়িটিতে পাখিরা এমন আসা-যাওয়া করছে। বৈশাখের বৃষ্টিবাদল শুরু হলেই ঝাঁকে ঝাঁকে বক, পানকৌড়ি ও কিছু অচেনা পাখি বাড়িতে আসতে থাকে। এখানে তারা বাসা তৈরি করে, ছানা ফোটায়। এরপর শীত আসার আগেই ধীরে ধীরে বাড়ি ছাড়তে থাকে।

তখন দু–চারটি বক হয়তো থাকে, অন্যরা দূরের কোনো হাওর-বাঁওড়ের দিকে চলে যায়। সকালেই এই পাখিদের হইচইটা বেশি। দুপুরে কিছুটা ঝিমানো ভাব থাকে। আবার সন্ধ্যার আগে আগে নানা জায়গা থেকে যখন দিনের লেনদেন শেষ করে ঘরে ফেরে, তখনো তাদের হল্লা-চিৎকারে বাড়ি পাখির দখলে চলে যায়।

বাড়ির আরেক বাসিন্দা মুজাহিদ আহমদ বলেন, এই পাখিরা তাঁদের বাড়ির অন্য সব প্রাণীদের মতো। গরমের সময় কিছুটা দুর্গন্ধ থাকে, তাতে একটুও বিরক্ত হন না তাঁরা। বৃষ্টি হলেই তা ধুয়েমুছে যায়। বছরে দুবার বাচ্চা দিয়ে থাকে পাখিগুলো। প্রথম দফার বাচ্চারা এখন বড় হচ্ছে।
আস্তে আস্তে উড়ে যাচ্ছে। বৃষ্টি-ঝোড়ো বাতাস হলে অনেক পাখি গাছপালার নিচে নেমে আসে। বাড়ির পেছনে, এখানে-সেখানে হাঁটাহাঁটি করে। ঝড়ে অনেক ছানা নিচে পড়ে যায়। যতটা সম্ভব তাঁরা ছানাদের বাসায় ফিরিয়ে দেন। কিছু উড়ে যায়। তাঁদের বাড়ির আশপাশের তিন-চারটি বাড়িতেও এ রকম কিছু পাখি ছানা ফোটায় এই মৌসুমে।

বনের মতো পাখিপাড়ার একটা পরিবেশ এখন গ্রামের এই অংশটিতে। কে কার প্রতিবেশী, বড় কথা নয়। তারা আছে মিলেমিশে আত্মীয় যেন।

‘৭৩-এ যে দুর্ভিক্ষ হয়েছিলো, তারচেয়ে বড় দুর্ভিক্ষ বর্তমানে: খন্দকার আবু আশফাক

নবাবগঞ্জ প্রতিনিধি, news39.net: ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাক বলেছেন, ‘৭৩-এ যে দুর্ভিক্ষ হয়েছিলো, তারচেয়ে বড় দুর্ভিক্ষ বর্তমানে। যে হারে দ্রব্যমূল্যের দাম বেড়ে চলছে, তাতে সকলের নাভিশ্বাস উঠে গিয়েছে। মানুষের এখন কোন অধিকার নেই। লুটপাট করে দেশটাকে শেষ করে দিয়েছে। বিএনপির বর্তমান আন্দোলন শুধু বিএনপির জন্য নয়। এই আন্দোলন দেশ বাচানোর এবং মানুষ বাচানোর আন্দোলন। তাই, সকল দেশপ্রেমিক জনসাধারণ এই আন্দোলনে যোগ দিবে ইনশাআল্লাহ। এরা অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে আছে। এরা দেশ চালাতে ব্যর্থ হয়েছে। গত ১৫ বছরেও সাধারণ জনগণ ভোট দিতে পারেনি,তারা দিনের ভোট রাতে করে এসেছে জনগণের অধিকার হনন করেছে। ভোট আপনাদের নাগরিক অধিকার। আমাদের আন্দোলনের ডাক বিএনপি ক্ষমতায় আসার জন্য নয় একদফা আন্দোলনের ডাক আমাদের ভোটারিধাকারের ডাক অধিকার আদায়ের ডাক।

শনিবার দোহার নবাবগঞ্জ উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে তিনি এই কথা বলেন।

দোহার উপজেলা বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম মেছের বলেন, আগে এই সরকারকে বিদায় করতে হবে। এরপরে, আমরা ঘরে ফিরে যাবো।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক মোসলেহউদ্দিন মাছুম, পৌর সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস, নবাবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুস সালাম, নবাবগঞ্জ উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম খন্দকার, ঢাকা জেলা যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আবুল কাশেম ব্যপারি, দোহার উপজেলা বিএনপি সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইউনুস আলি খান, দোহার উপজেলা বিএনপি সাংগঠনিক সম্পাদক সেন্টু ভুইয়া সহ যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মহিলা দলের জেলা, উপজেলা পৌরসভা, ইউনিয়নসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা সহ আরো অনেকেই।

 

 

জয়পাড়ায় নবাবী কিচেন ও জুসবার উদ্বোধন

প্রতিবেদক মোঃ আলআমিন: দোহারের জয়পাড়া কলেজের পুরাতন মার্কেটের নিচতলায় নবাবী কিচেন এর ২য় শাখা উদ্বোধন করা হয়েছে।

এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দোহার পৌরসভার মেয়র মোঃ আলমাছ উদ্দিন। শনিবার সকাল ১১টায় লাল ফিতা কেটে নবাবী কিচেন শুভ উদ্বোধন করেন দোহার পৌরসভা মেয়র আলমাস উদ্দিন। এসময় উপস্থিত ছিলেন,দোহার পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুস সালাম শুকুর, জয়পাড়া পূর্ব বাজার কমিটির সভাপতি মানিক মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক জনাব জুলহাস উদ্দিন সাহেব, সহ-সভাপতি মোহাম্মদ হাকিম, সহ-সাধারণ সম্পাদক জনাব আ : রশিদ খান, দপ্তর সম্পাদক শামীম আহমেদ, প্রচার সম্পাদক ওসমান খান, নবাবী কিচেন মালিক মোঃ মহি উদ্দিন, বাধন ডিজিটাল স্টুডিও এর মালিক কামরুল ইসলাম , হাবিব মেডিক্যাল এর মালিক মামুন হোসেন পূর্ব বাজার এর ওষুধ ব্যবসায়ী আব্দুর রব, মোল্লা ইলেকট্রনিকস এর মালিক সিদ্দিক মোল্লা, মামুন, রাসেদসহ আরো অনেকেই।

 

দোহার-নবাবগঞ্জে মরিচের ঝাঁযে প্রাণ ওষ্ঠাগত

দোহার / নবাবগঞ্জ(ঢাকা) প্রতিনিধি: ঈদের ছুটিতে সবাই এসেছে গ্রামের বাড়িতে। এরই মধ্যে চলছে আষাঢ়ের ঘন কালো মেঘের অঝোর বৃষ্টি। প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘরের বাইরে বের হচ্ছে না। বাজারে ক্রেতাদের আনাগোনা কম, তবুও লাগামহীন কাঁচা মরিচসহ নিত্যপণ্যের দাম।

শনিবার (১জুলাই) দোহার উপজেলার জয়পাড়া বাজার,ইউসুফপুর বাজার,লটাখোলা নতুন বাজার,মেঘুলা বাজার,হরিচন্ডি বাজার, বাংলাবাজার,বৌবাজার,দোহার বাজার, নারিশাবাজার,হলের বাজার এবং নবাবগঞ্জ উপজেলার জয়কৃষনপুর, বান্দুরা, গোল্লা, নবাবগঞ্জ, শোল্লা, কোমরগঞ্জ বাজারসহ বেশ কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা যায় কাঁচা মরিচের দাম ৬০০ থেকে ৬৫০ এবং কোথাও ৭০০ টাকা কেজি। হাতেগোনা ক্রেতা-বিক্রেতা থাকলেও বাজারে কমছে না সবজি, মাছ ও মুরগিসহ বিভিন্ন নিত্যপণ্যের দাম।

ইউসুফ বাজারের সবজি ব্যবসায়ী হেলাল উদ্দিন জানান, বেশ কয়েকদিন ধরেই ঊর্ধ্বমুখী কাঁচা মরিচের দাম। বর্তমানে দাম কেজি প্রতি ৬৫০/-. রসুন এবং আদার দামও ঊর্ধ্বগতি একইভাবে।একদিকে ঈদ, অন্যদিকে বর্ষকালে সরবরাহ কম থাকায় দাম বাড়ছে। আর ক্রেতাদের দাবি, সিন্ডিকেট করে বিক্রেতারা কাঁচা মরিচের দাম বাড়াচ্ছেন। এর পেছনে অসাধু ব্যবসায়ীরা দায়ী।

বাংলাবাজারের বিক্রেতা লাল মুদ্দি বলেন, কোরবানির পশু আনা-নেওয়ার কাজে ট্রাকগুলো ব্যস্ত থাকায় কাঁচা মরিচের সরবরাহ হয়নি।

জুবায়ের নামে এক ক্রেতা বলেন, বাজারে কাঁচা মরিচের দাম লাগামছাড়া। ইতোমধ্যে সরকার আমদানির অনুমতি দিয়েছে। কিন্তু ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে দাম বাড়াচ্ছেন।

বান্দুরা বাজারের কাঁচাবাজার বিক্রেতা জালাল জানান, বর্তমানে কাঁচাবাজারে প্রায়ই সব কিছুর দাম বেড়েছে তবে আদা,রসুন, কাঁচা মরিচের দাম বেশী। আমরা ঈদের আগে মুরিচ ৪০০ টাকা কেজি বিক্রি করেছি সেই মরিচ এখন ৬০০ টাকা বিক্রি করতে হচ্ছে। আদা ঈদের আগে ছিল ৩২০ টাকা এখন হয়েছে ৪০০টাকা। রসুন ঈদের আগে ছিল ১৮০ টাকা এখন ২০০ টাকা কেজি এছাড়া টমেটো ছিল ১৬০ টাকা কেজি এখন ২০০ টাকা কেজি বিক্রি করতে হচ্ছে। দাম বাড়ার কথা জানতে চাইলে তিনি জানান আমরা যেখান থেকে কাঁচামাল কিনে আনি সেখান থেকেই মালের দাম বেশি রাখছে। তারা বলছে গাড়ি আসে না এবং বৃষ্টিতে কাঁচামালের অনেক ক্ষতি হয়েছে সে জন্য সব স্থানেই দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।

জয়পাড়া বাজারে মরিচ কিনতে আসা হুসেন আলী এক ক্রেতা বলেন, মরিচ ছাড়া তরকারি রান্না করা যায় না। অন্য মসলা না থাকলেও চলে, মরিচ ছাড়া তরকারি স্বাদ হয় না। কিন্তু যেভাবে দাম বাড়ছে তাতে মরিচ কেনাই কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ছে।

এদিকে, বাজারে অন্যান্য সবজির দামও ঊর্ধ্বমুখী। প্রতিটি সবজি কেজিতে দাম বেড়েছে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত। বাজারে প্রতিকেজি করলা ১০০ টাকা, পটল ৫০ টাকা, ঢেঁড়স ৪৫-৫০ টাকা, টমেটো ২০০ থেকে ২২০ টাকা, বেগুন ৯০ টাকা, পেঁপে ৬০ টাকা, আলু ৪০ টাকা ও শসা ৬০ টাকা।

দাম বেড়েছে পেঁয়াজ, আদা ও রসুনের। বাজারে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকা, আর ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকায়। প্রকারভেদে প্রতি কেজি আদা ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা এবং রসুন বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ২০০ টাকায়,টমেটোও বেড়ে হয়েছে ২০০ টাকা।

ঊর্ধ্বমুখী মাছের বাজারও। আকারভেদে ইলিশ বিক্রি হচ্ছে কেজিতে ৬০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকায়। দেশি শিং ১ হাজার ২০০ টাকা ও শোল ৯শত টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া প্রতিকেজি টেংরা মাছ ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, রুই ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, কাতল ৩৮০ থেকে ৪৩০ টাকা, পাবদা ৬০০ থেকে ৮০০, চিংড়ি ৮০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা, তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সরকার নির্ধারিত দামেও বিক্রি হলো না চামড়া

প্রতিবছরই লবণযুক্ত চামড়ার দাম নির্ধারণ করে দেয় সরকার। তবে কাঁচা চামড়া বিক্রির সময় সেই দর অনুসরণ করা হয় না।

চলতি বছর রাজধানী ঢাকায় প্রতি বর্গফুট লবণযুক্ত গরুর চামড়ার দাম ছিল ৫০ থেকে ৫৫ টাকা। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করে এই দাম নির্ধারণ করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। নির্ধারিত দাম অনুযায়ী ঢাকার মধ্যে মাঝারি আকারের ২৫ বর্গফুটের একটি লবণযুক্ত চামড়ার দাম হওয়ার কথা ১ হাজার ২৫০ থেকে ১ হাজার ৩৭৫ টাকা। এই হিসাব থেকে লবণ, মজুরি ও অন্যান্য খরচ বাবদ ৩০০ টাকা বাদ দিলে ওই চামড়ার আনুমানিক মূল্য দাঁড়ায় ৯৫০ থেকে ১ হাজার ৭৫ টাকা।

তবে গত বৃহস্পতিবার কোরবানি ঈদের দিনে পুরান ঢাকার পোস্তাসহ রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে দেখা গেছে, মাঝারি আকারের চামড়া বিক্রি হয়েছে ৬০০ থেকে ৮৫০ টাকার; অর্থাৎ সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে অন্তত ২০০ টাকা কমে বাজারে কাঁচা চামড়া বিক্রি হয়েছে।

কোরবানির সময় প্রতিবছরই লবণযুক্ত চামড়ার দাম নির্ধারণ করে দেয় সরকার। তবে পশু জবাইয়ের পর প্রাথমিকভাবে কাঁচা চামড়া বিক্রির সময় সেই দর অনুসরণ করা হয় না। অনেকটা অনুমানের ভিত্তিতে কাঁচা চামড়া বেচাকেনা হয়। ফলে প্রতিবছরই চামড়ার ন্যায্য দাম না পাওয়া নিয়ে অভিযোগ করেন কোরবানিদাতা ও মৌসুমি ব্যবসায়ীরা। এ বছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি।

 

নবাবগঞ্জে বৃদ্ধার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

 

নবাবগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি :

ঢাকার নবাবগঞ্জে রোকেয়া বেগম নামে এক বৃদ্ধার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ। সোমবার (২৬ জুন) সকালে নিজ বসতঘর থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত রোকেয়া বেগম উপজেলার বারুয়াখালী ইউনিয়নের বাহেরচর গ্রামের মৃত হারুনের স্ত্রী।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রোববার দুই ছেলের বউয়ের সাথে শাশুড়ি রোকেয়া বেগমের ঝগড়া হয়। রাতে দুই বউ ও শাশুড়ি যার যার মতো ঘুমাতে যান। সোমবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে বসতঘরের লোহার জানালার সঙ্গে ওড়না পেঁচানো রোকেয়া বেগমের ঝুলন্ত লাশ দেখতে পাওয়া যায়। সংবাদ পেয়ে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে বারুয়াখালী তদন্ত কেন্দ্রে নিয়ে যায়।

নিহত রোকেয়া বেগমের বড় ছেলে মো. লোকমানের দাবি- তার মাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত তার স্ত্রী সাথী আক্তার ও ছোট ভাইয়ের বউ বিথী আক্তারের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

বারুয়াখালী তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ কাজী রমজানুল হক বলেন, মরদেহের সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মিটফোর্ড হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

দেশের সব সম্পদ লুট করে দেশের বারোটা বাজিয়ে দিয়েছে – খন্দকার আবু আশফাক

শুক্রবার নবাবগঞ্জ উপজেলার কলাকোপায় দোহার উপজেলা ও দোহার পৌরসভা কৃষক দল ও মৎস্যজীবী দলের কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। খুব শীঘ্রই কমিটি ঘোষণা করা হবে। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাক বলেন, ফ্যাসিবাদী সরকার দেশের সব সম্পদ লুট করে দেশের বারোটা বাজিয়ে দিয়েছে। দেশের মানুষ আজ চরম অশান্তির মধ্যে রয়েছে। সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে পণ্যদ্রব্য। এ সরকাররে হাত থেকে দেশ ও দেশের জনগণকে রক্ষা করতে আগামী আন্দোলন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে এই অগতান্ত্রিক সরকারকে বিদায় করা হবে।

তিনি আরো বলেন, আমাদের কেবল কথার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে হবে না, এখন থেকে আন্দোলনে সবাইকে ঐক্যবন্ধ হতে হবে।

অনুষ্ঠানের আরো উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলা বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম মেছের, পৌরসভা বিএনপি সভাপতি কুদ্দুস খান, দোহার উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামীমা রাহিম শিলাসহ অন্যান্য নেতা-কর্মীরা।

দোহার নবাবগঞ্জ উপজেলার মানুষ অনেক আন্তরিক এবং উদার – স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী

ঢাকার দোহার উপজেলার পদ্মা সরকারি কলেজের শিক্ষক – কর্মচারীদের কৃতজ্ঞতাসূচক সৌজন্য সাক্ষাৎকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলার মানুষ অনেক আন্তরিক এবং উদার। যে কোন প্রয়োজনে তারা একে অপরের পাশে দাড়িয়েছে।

আবারও ক্ষমতায় আসার আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে যারা বঙ্গবন্ধু আহবানে সাড়া দিয়ে মুক্তিযুদ্ধ করেছে৷ একইভাবে, তারা শিক্ষা এবং উন্নয়ন অগ্রযাত্রার স্বার্থে তারা মেজর জেনারেল এ আর খানের আহবানে সাড়া দিয়ে পদ্মা কলেজ প্রতিষ্ঠা করেছে। আজ পদ্মা কলেজ সরকারি হয়েছে, এই মানুষটির অক্লান্ত পরিশ্রমে। পদ্মা কলেজ সরকারি করণের মূল কারিগরিই হচ্ছেন এ আর খান।

উল্লেখ্য দোহারের পদ্মা সরকারি কলেজ এবং নবাবগঞ্জ উপজেলার ডিএন কলেজ সরকারি করণে প্রত্যক্ষ সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি দুটি কলেজেই ডিও দিয়েছেন। বার বার শিক্ষামন্ত্রী এবং সচিব কমিটিকে তাগিদ দিয়েছেন। এছাড়া বর্তমান সংসদ সদস্য সালমান এফ রহমানও কলেজ দুটির সরকারি করণে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। এতে এই দুই জনপদের শিক্ষার্থীরা কলেজে ২০টাকা এবং অনার্সে ২৫টাকা বেতনে পড়ালেখা করতে পারবে। সরকারি করণের রাজস্বখাত থেকে বেতনভাতা প্রাপ্তি উপলক্ষে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের নিজ বাড়ি দোহারের শাইনপুকুরে দেখা করতে যান পদ্মা সরকারি কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীবৃন্দ।

শাইনপুকুরে নিজ বাড়িতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কলেজ চত্বরে একটি অত্যাধুনিক মসজিদ নির্মাণের কথা বলা হয়েছে। অচিরেই তা বাস্তবায়ন করা হবে। আপনারা এবং নবাবগঞ্জ কলেজ শুধু লক্ষ্য রাখবেন এই অঞ্চলের জনগণ যেন সরাসরি কলেজ এবং স্কুল সরকারি করণের সুবিধা পায়। অর্থের অভাবে কেউ যেন ঝড়ে না পড়ে৷

তিনি আরও বলেন, সবাইকে সচেতন হতে হবে। সন্তান কোথায় যায়, কী করে, তার খোঁজ রাখুন।
দেশের সর্বক্ষেত্রে নারী অধিকার বাস্তবায়ন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিশন-২০৪১ বাস্তবায়নে নারী শিক্ষার বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। আশা করছি আমাদের মেয়েরা নিজেকে শিক্ষিত ও দক্ষ জনশক্তি রূপে গড়ে তুলে দেশের উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা রাখছেন।

পদ্মা সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জালাল হোসেন বলেন, আমরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিকট কৃতজ্ঞ। এই কলেজ স্বাধীনতার চেতনায় পরিচালিত হবে। আমরা একাডেমিক মানোয়ন্নের মাধ্যমে আমাদের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে চাই। আমরা ঢাকা দক্ষিণে সেরা বিদ্যাপীঠে পরিণত হবো ইনশাআল্লাহ।

সহকারী অধ্যাপক লুতফর রহমান বলেন, বঙ্গবন্ধু দেশ স্বাধীন করেছেন। দেশকে উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় অগ্রসর করেছেন তার কণ্যা। সরকারি করণে সরাসরি তৃণমূলের জনগণ সুবিধা পাবে। আমরা আল্লাহর পর আপনার নিকট চির কৃতজ্ঞ। এছাড়া কলেজ সরকারি করণে অধ্যক্ষ জালাল হোসেন এবং সিনিয়র শিক্ষক সেলিম হোসেনের নিকটও আমরা কৃতজ্ঞ।

স্টাফ কাউন্সিল সেক্রেটারি আব্দুল জলিল বলেন, আমাদের কৃতজ্ঞতা প্রকাশের ভাষা নেই। আমাদের এখনো কিছু কিছু সহকর্মীর সমস্যা রয়েছে, সেগুলোর ব্যাপারে বিশেষ করে ৭ম গ্রেডে যাদের অবনমন হয়েছে, তাদের ব্যাপারে আশা করছি আপনি শিক্ষামন্ত্রীর সাথে কথা বলে সমাধান করবেন।

সমাজকল্যাণ বিভাগের স্নাতকের লেকচারার ইদ্রিস আলী বলেন, আজ আমি পরিচয় পেয়েছি। আজ এই বয়সে আমরা সরকারি কর্মকর্তা হয়েছি। এটির রুপকার আপনি। তাই আপনার নিকট আমরা কৃতজ্ঞ।

এসময় পদ্মা সরকারি কলেজের সকল শিক্ষক কর্মচারী, দোহার সার্কেল এএসপি আশরাফুল আলম, দোহার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)মোস্তফা কামালসহ দোহার উপজেলার মুক্তিযোদ্ধারা এবং বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাধারণ জনগণ উপস্থিত ছিলেন।