শীতকালে অসুখ থেকে শিশুকে রক্ষায় যা করবেন

শীত চলে এসেছে। শীতের তীব্রতা যতই বাড়বে, ততই বাড়বে শিশুদের নানা অসুখ। বিশেষ করে সর্দিকাশি, ঠান্ডা, ব্রংকিওলাইটিস, নিউমোনিয়া, অ্যাজমা, পেটব্যথা, ফুড পয়েজনিং, ডায়রিয়া এবং বিভিন্ন চর্মরোগ ইত্যাদি নানা অসুখে শিশুরা আক্রান্ত হতে পারে। এসব রোগ থেকে শিশুকে রক্ষা করতে করণীয়:

ডা. সৈয়দ মোহাম্মদ ফারুক

১. শিশুকে শীতের তীব্রতা থেকে যথাসম্ভব দূরে রাখুন। খুব প্রয়োজন না হলে শিশুকে ঘর থেকে বের করবেন না। রোদ উঠলে তবেই শিশুকে বের করুন। অতি প্রয়োজনে বের করতে হলে ভালো করে শীতের কাপড় জড়িয়ে বের করুন।

২. শিশুর প্রয়োজনে ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ করে রাখুন। শিশুর গায়ে সব সময় গরম কাপড় জড়িয়ে রাখুন। এ ছাড়া মাথায় টুপি, হাত-পায়ে মোজা পরিয়ে রাখুন। এ সময় আপনার শিশুকে সিনথেটিক কাপড়ের বদলে মোটা সুতির কাপড় পরানোর চেষ্টা করুন। এ ছাড়া গোসলের সময়, পান করার জন্য এবং অন্যান্য কাজে সব সময় কুসুম গরম পানি ব্যবহার করুন।

৩. শিশুকে সব সময় নিরাপদ খাবার, যেমন–ঘরে তৈরি খাবার ও সতেজ ফলমূল খেতে দিন। এক বেলার রান্না করা খাবার অন্য বেলায় না খাওয়ানোর চেষ্টা করুন।

৪. শিশুকে কোলে নেওয়া বা খাবার খাওয়ানো সময় হাতের রোগ-জীবাণু দূর করতে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করুন। শিশুর টয়লেটের পর হাত সাবান দিয়ে ধুয়ে নিন।

৫. পরিমিত পরিমাণে মাছ, মাংস, দুধ, ডিম, ডাল, বাদাম ও মৌসুমি শাকসবজি খেতে দিন। বাইরের রেস্টুরেন্টে তৈরি খাবার না খাওয়ানোর চেষ্টা করুন। শিশুকে প্রয়োজনে ঘন ঘন বুকের দুধ খাওয়ান।

৬. সাধারণ সর্দি-কাশির জন্য শিশুদের কোনো ওষুধের প্রয়োজন নেই। ছয় মাসের অধিক বয়সী শিশুদের লেবু, মধু, তুলসি পাতা, আদা, লবঙ্গ ও তেজপাতামিশ্রিত কুসুম গরম পানি বার বার পান করান।

৭. বেশি কাশি হলে বা কাশি না কমলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

৮. যে সব শিশুর শ্বাসকষ্ট বা অ্যাজমা আছে, তাদের চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী নিয়মিত ওষুধ খাওয়ান। প্রয়োজনে ইনহেলার কিংবা নেবুলাইজার ব্যবহার করুন। বেশি শ্বাসকষ্ট হলে অনতিবিলম্বে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যান।

৯. শিশুর পাতলা পায়খানা হলে বুকের দুধ ও স্বাভাবিক খাবারের পাশাপাশি প্রতিবার পাতলা পায়খানা ও বমির পর ওরস্যালাইন (সঠিক নিয়মে তৈরি করা) খেতে দিন। এ ছাড়া অন্যান্য স্বাভাবিক খাবার, যেমন: খিচুড়ি, ভাত, তরকারি, চিড়া,পাকা কলা, ডাবের পানি, আপেল, আনার ও কাঁচকলা সিদ্ধ প্রভৃতি খেতে দিন।

সবশেষে অবশ্যই মনে রাখবেন যে, বেশির ভাগ শীতকালীন অসুখে অ্যান্টিবায়োটিকের কোনো প্রয়োজন নেই।

১০. যেকোনো গরম জিনিস, গরম পানি আপনার শিশুর নাগালের বাইরে রাখুন।

১১. শিশুদের যত্নে প্রতিদিন কুসুম গরম পানি দিয়ে গোসল করান। গোসলের আগে অলিভ অয়েল ম্যাসেজ করুন। গোসলের পর প্রয়োজনে ভালো লোশন লাগাতে পারেন। এতে আপনার শিশুর ত্বক ভালো থাকবে।

১২. যেকোনো বিপদ চিহ্ন যেমন– বুকের দুধ খেতে না পারা, খাবার গিলতে না পারা, খিচুনি হওয়া, শরীর নেতিয়ে পরা, তীব্র শ্বাসকষ্ট হওয়া, শরীর বেশি গরম বা বেশি ঠান্ডা হয়ে যাওয়া, বার বার বমি করা, ইত্যাদি দেখা দিলে শিশুকে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে যান।

এই শীতে আপনি আপনার শিশুকে নিয়ে সুস্থ থাকুন, নিরাপদে থাকুন।

 লেখক: জনস্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞ  

 

নবাবগঞ্জের নতুন ইউএনও মো: মামুন অর রশিদ পি.পি.এম

রিপোর্টার  মোঃ আশিক শেখ:  ঢাকার নবাবগঞ্জ থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অফিসার ইনচার্জ হিসাবে যোগদান করেন পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মো: মামুন অর রশিদ পি.পি.এম।

 

১৩ডিসেম্বর রোজ বুধবার নিজ দায়িত্ব বুঝে নেন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অফিসার মো: মামুন অর রশিদ পি.পি.এম। এ সময় নবাবগঞ্জ থানার সকল কর্মকর্তা তাকে ফুলের তোরা দিয়ে শুভেচ্ছা অভিনন্দন জানায়।

এ সময় সদ্য যোগদানকৃত ওসি মো: মামুন অর রশিদ পি.পি.এম বলেন,আমার উপর অর্পিত সকল সরকারি দায়িত্ব ও কর্তব্য আমি যেন, সৎ, সততার, নেয় নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করতে পারি। এবং নবাবগঞ্জ থানার আইন শৃঙ্খলা রক্ষার্থে সকলের কাছে দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি। আজ হতে নবাবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ এর অফিস কক্ষ নবাবগঞ্জ বাসীর সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

এ সময় উপস্থিত ছিল ঢাকা জেলার শ্রেষ্ঠ নবাবগঞ্জ থানার তদন্ত ওসি আশফাক রাজীব হাসান। নবাবগঞ্জ থানার সেকেন্ড অফিসার অজিত কুমার, সহ পুলিশ উপ পরিদর্শকগন উপস্থিত ছিলেন।

দোহারে ‘৭০ এর সংসদ সদস্য’ মধু চৌধুরীর মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

মো আলআমিন, দোহার প্রতিনিধি: ১৯৭০ সালের নির্বাচনে দোহার নবাবগঞ্জ উপজেলা থেকে নির্বাচিত ( ঢাকা -৬) সংসদ সদস্য এবং দোহারে জয়পাড়া কলেজ ও নবাবগঞ্জে দোহার-নবাবগঞ্জ কলেজের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা মরহুম আশরাফ আলী মধু চৌধুরী ৪৭তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা হয়েছে।

জয়পাড়া কলেজ কর্তৃক আয়োজিত গত  বুধবার(১৩ই ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় অনুষ্ঠানের আলোচনার পূর্বে শিক্ষানুরাগী ও জননন্দিত মরহুম আশরাফ আলী চৌধুরীর জীবনবৃত্তান্ত ,স্মরণীয় ঘটনা ও কৃতকর্মের স্বরূপ উন্মোচন করা হয়।

উক্ত দোয়া ও আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন জয়পাড়া কলেজের গভর্নিং বডির সদস্য মো: ফজলুল হক, জয়পাড়া কলেজ এর অধ্যক্ষ সিদ্দিকুর রহমান ,উপাধ্যক্ষ তাপস কুমার নন্দী ও জয়পাড়া কলেজের সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দ।

আজ রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন হচ্ছে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস

0

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বরে গর্বিত বিজয়ের হাত ধরে পূর্ণতা পায় স্বাধীনতা। কিন্তু জাতিকে পঙ্গু করে দিতে বিজয়ের ৪৮ ঘণ্টা আগে পাক হানাদার বাহিনী এবং এ দেশে তাদের দোসররা মিলে হত্যা করে জাতির সূর্য সন্তান বুদ্ধিজীবীদের। পরবর্তীতে বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের লাশ মেলে ঢাকার রায়ের বাজারে। সেখানেই তাদের স্মরণে নির্মিত হয় স্মৃতিসৌধ।জাতির সেই সন্তানদের অবদান ও নির্মম হত্যাযজ্ঞের স্মরণে প্রতিবছর ১৪ ডিসেম্বর পালিত হয় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস।

রাজধানীর মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার (১৪ ডিসেম্বর) সকাল ৭টা ১ মিনিটে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষ্যে এ শ্রদ্ধা জানান তারা।

 

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা জানানো শেষে সর্বস্তরের মানুষ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

এরপর আওয়ামী লীগ সভাপতি হিসেবে দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে নিয়ে শহীদ সমাধিতে ফুল দিয়ে পুনরায় শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শহীদ স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর উপস্থিত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী।

পা ছুঁয়ে সালাম করা সম্বন্ধে যা বলে ইসলাম

আমরা অনেকেই পা ছুঁয়ে বড়দের বা শ্রদ্ধাভাজনদের সালাম করি। তবে পা ছুঁয়ে সালাম করার ব্যাপারে কি বলে ইসলাম?

ইসলাম ধর্মে সালাম দেওয়ার পদ্ধতি একটাই। আর তা হচ্ছে মুখে সালাম দেওয়া। পা ছুঁয়ে, ওজু করে বা অন্য কোনো উপায়ে সালাম দেওয়ার কোনো বিধান ইসলামে নেই।

পা ছুঁয়ে সালাম দেওয়া ইসলামি পদ্ধতি নয়। ইসলাম এই সালাম আমাদের শিক্ষা দেয়নি। এটা স্বামী, শ্বশুর, শাশুড়ি কিংবা বাবা-মা কারো জন্যই জায়েজ নেই। সবাইকে মুখেই সালাম দেওয়ার নিয়ম ইসলাম জায়েজ করেছে।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর স্ত্রী আয়েশা (রা.), মেয়ে ফাতেমা (রা.) এবং সাহাবিগণ কখনও রাসূল (সা.) এর পা ধরে সালাম করেননি। বরং সব সময় আসালামু আলাইকুম বলেই সালাম দিয়েছেন।

সুতরাং পা ছুঁয়ে সালাম করা বা কদমবুচি করা- এটা একটা সংস্কৃতির বিষয়, এটা কোনো ইসলামি সংস্কৃতিও  নয়। এটি সমাজ কর্তৃক চাপিয়ে দেওয়া একটি প্রথা মাত্র।

উল্লেখ্য, যে কাউকে সালাম দেওয়া যায়। বড় ছোটকে, ছোট বড়কে। বাবা সন্তানকে, সন্তান বাবাকে। স্বামী স্ত্রীকে, স্ত্রী স্বামীকে। এটাই ইসালামের বিধান। আল্লাহ তাআলা বলেন- কেউ সালাম দিলে, তুমিও তাকে আরো উত্তমভাবে সালামের উত্তর দাও।

আমাদের মনে রাখতে হবে- আল্লাহ ছাড়া করো কাছে মাথা নিছু করা শিরক।

সূত্র : তিরমিজি শরিফ, হাদিস : ২৬৯৮-২৭২৭; শুয়াবুল ইমান, হাদিস : ৮৪৫৯

 

ডিসেম্বরে বাংলা সাজে পতাকায়

0

ডিসেম্বর মাস বলতেই মনে পড়ে মহান বিজয় দিবসের কথা। উৎসব মুখর এক মাস। ডিসেম্বর মাসের শুরু থেকেই রাস্তাঘাট, বাজার হাট, দোকান, পাড়া মহল্লায়, প্রতিটা জায়গায় ভিড় জমে যায় পতাকা বিক্রেতা ও ক্রেতাদের ।

পতাকা বিক্রেতার কাছে পাওয়া যায় নানান সাইজের পতাকা, ছোট ছোট কাগজের পতাকা যা দিয়ে সাজানো হয় মাঠ ঘাঠ সহ সকল স্মৃতিস্তম্ভ। বাচ্চাদের জন্য রয়েছে বাংলাদেশের মানচিত্র ও বাংলাদেশর পতাকার বাহারি ডিজাইনের চরকি মাথায় পড়ার পতাকা সংবলিত রাবার ব্যান্ড, হাতের ব্যান্ড, বিজয়ের ক্যাপ সহ আরো অনেক ধরনের ডিজাইনের বিভিন্ন সামগ্রী।

ডিসেম্বর মাসের শুরু থেকে দেখা যায় রিস্কা, অটো, সিএনজি, বাইক সহ সকল যানবাহনের মধ্যে নতুন পতাকা লাগানো দেখা যায়।

বিজয় দিবস বাংলাদেশে বিশেষ দিন হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে দেশের সর্বত্র পালন করা হয়। প্রতি বছর ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশে দিনটি বিশেষভাবে পালিত হয়। ১৯৭২ সালের ২২ জানুয়ারি প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে দিনটিকে বাংলাদেশে জাতীয় দিবস হিসেবে উদযাপন করা হয় এবং সরকারিভাবে ছুটি ঘোষণা করা হয়।

নয় মাস যুদ্ধের পর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পাকিস্তানি বাহিনীর প্রায় ৯১,৬৩৪ সদস্য আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করে। এর ফলে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে।

 

নিখোঁজ হাফসার সন্ধান চায় তার পরিবার

দোহার (ঢাকা) প্রতিনিধি : ঢাকার দোহার উপজেলায় মধুরচরের জান্নাতুল ফেরদৌস হাফসা (১৩) নামে এক মাদ্রাসার ছাত্রী নিখোঁজের ঘটনা ঘটেছে। নিখোঁজ হাফসার বাবার নাম ইসলাম মোল্লা।

হাফসার ভাই মাহাবুব জানান, তার বোন সোমবার সকাল ৭ টার দিকে মেঘুলা আল জামিয়া আরাবিয়া দারুদ উলুম মহিলা মাদ্রাসার উদ্দেশ্যে রওনা হয়। এরপর আর বাসায় ফেরেনি। এবিষয়ে হাফসার বাবা ইসলাম মোল্লা বাদি হয়ে দোহার থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেন।

এ বিষয়ে দোহার থানার এসআই আব্দুল বারেক জানান, এবিষয়ে দোহার থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি অন্তভূক্ত হয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

নিখোঁজ হাফসার সন্ধান পেলে নিচের মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগ করতে অনুরোধ করেছে তার পরিবার। যোগাযোগের ঠিকানা: (মাহাবুব) ০১৮৪২৩৬৪৪৮৬, মধুরচর, দোহার, ঢাকা।

 

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাক্তন শিক্ষকের মৃত্যু

ঢাকার নবাবগঞ্জ সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষক আব্দুল মজিদ (৮০) সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন।  মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) রাত ৮টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডি পপুলার হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।

তিনি কলাকোপা ইউনিয়নের সমসাবাদ গ্রামের বাসিন্দা এবং উপজেলা সদরের প্যারাগন হাসপাতালের অন্যতম পরিচালক শাখাওয়াত হোসেন বাপ্পি ও ডা. এএমআই রুমেলের বাবা।

নবাবগঞ্জ সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, আব্দুল মান্নান বলেন মঙ্গলবার আছরের নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্যে কলাকোপা গোডাউন মসজিদের দিকে যাওয়ার সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মটরসাইকেল তাকে  ধাক্কা দেয়। তাৎক্ষণিকভাবে নিউ লাইফ হাসপাতালে নেওয়ার পর অবস্থা গুরুতর হওয়ায়  স্বজনরা তাকে ঢাকার উদ্দেশ্যে নিয়ে যান। রাত ৮টার দিকে ধানমন্ডি পপুলার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।
তিনি আরো জানান, নবাবগঞ্জ সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষক আব্দুল মজিদ সাহেব ২০১২ সালে আমাদের স্কুল থেকে অবসর গ্রহণ করেন।

শিক্ষক মতিঊর রহমান জানান, আব্দুল মজিদ মৃত্যুকালে তার স্ত্রী,  দুই ছেলে ও এক মেয়ে রেখে মারা যান।

অন্যদিকে, মটরসাইকেলে থাকা দুই আরোহী আহত হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে তাৎক্ষণিকভাবে জানা গেলেও তাদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।

 

ফেরেশতারা যাদের জন্য দোয়া করেন

0

কিছু সৌভাগ্যবান মানুষের জন্য ফেরেশতারা দোয়া করেন।। তাদের মধ্যে পাঁচজন হলো— এক. আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি পবিত্রাবস্থায় (অজু অবস্থায়) ঘুমায়, তার সঙ্গে একজন ফেরেশতা নিয়োজিত থাকেন। এরপর সে ঘুম থেকে জাগার পর আল্লাহর কাছে ফেরেশতা দোয়া করে বলেন—হে আল্লাহ, তোমার অমুক বান্দাকে ক্ষমা করে দাও, কেননা সে পবিত্রাবস্থায় ঘুমিয়েছিল।’ (ইবনে হিব্বান)

দুই. আবু হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেন, তোমাদের মধ্যে কোনো ব্যক্তি যখন অজু অবস্থায় নামাজের অপেক্ষায় বসে থাকে, সে যেন নামাজেই রত আছে। তার জন্য ফেরেশতারা দোয়া করতে থাকেন—হে আল্লাহ, তুমি তাকে ক্ষমা করো; হে আল্লাহ, তুমি তাকে অনুগ্রহ করো।’ (মুসলিম)

তিন. আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেন, ‘তোমাদের মাঝে যারা নামাজের পর নিজের স্থানে বসে থাকে, যতক্ষণ তার অজু ভঙ্গ না হবে, ততক্ষণ তাদের জন্য ফেরেশতারা দোয়া করতে থাকেন—হে আল্লাহ, তুমি তাদের ক্ষমা করে দাও এবং হে আল্লাহ, তুমি তাদের ওপর দয়া করো।’ (মুসনাদে আহমদ)

চার. সাআদ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেন, ‘কোরআন খতম যদি রাতের প্রথম ভাগে হয়, তবে সকাল পর্যন্ত ফেরেশতারা তার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে থাকেন।’ (দারেমি)

পাঁচ. আলী (রা.) বলেন, আমি রাসুল (সা.)-কে বলতে শুনেছি, ‘কোনো মুসলমান তার অন্য রোগী মুসলমান ভাইকে যদি দেখতে যায়, আল্লাহ তাআলা তার জন্য ৭০ হাজার ফেরেশতা পাঠান। দিনের যে সময়ে দেখতে যায়, তখন থেকে দিনের শেষ পর্যন্ত তার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকেন এবং রাতের যে সময়ে দেখতে যায়, তখন থেকে রাতের শেষ পর্যন্ত তার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকেন।’ (ইবনে হিব্বান)

ইসরাইলি বর্বরতা; আরও ২৯৭ ফিলিস্তিনি শহীদ, ইসরাইলি ৪০ সেনা নিহত

নিউজ৩৯ঃ আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাসের সামরিক শাখা আল-কাসেম ব্রিগেডস বলেছে, তাদের যোদ্ধারা গত ৪৮ ঘণ্টায় ৪০ ইসরায়েলি সেনাকে হত্যা এবং ৪৪টি সামরিক যান ধ্বংস করেছে। সোমবার (১১ ডিসেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে তুর্কি বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি।

রোববার টেলিগ্রামে এক পোস্টে হামাস বলেছে, ‘গত ৪৮ ঘণ্টায়, আল-কাসেম ব্রিগেডস গাজা উপত্যকায় সব ফ্রন্টে যুদ্ধে ৪৪টি ইসরায়েলি সামরিক যান সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে।’

অন্যদিকে ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর এক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে, গাজা উপত্যকায় স্থল অভিযান চালাতে গিয়ে গতকাল ৭ সেনাসহ এ পর্যন্ত মোট ৪২৫ সেনা নিহত হয়েছে। এছাড়া, ১৫৯৩ জন সেনা আহত হয়েছে। এরমধ্যে গাজায় স্থল অভিযান চালাতে গিয়ে আহত হয়েছে ৫৫৯ জন সেনা।

তবে শনিবার ইসরাইলের ইয়িদিয়োত অহরোনথ পত্রিকা জানিয়েছে, ৭ অক্টোবর সংঘাত শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত গাজায় পাঁচ হাজারের বেশি সেনা আহত হয়েছে যার মধ্যে দুই হাজার পঙ্গু হয়ে গেছে বলে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করা হয়েছে।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আশরাফ আল-কুদরা টেলিফোনে আল জাজিরা টিভি চ্যানেলকে বলেছেন, গাজায় গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরাইলের হামলায় ২৯৭ জন নিহত এবং আরও ৫৫০ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন। হতাহতদের অধিকাংশই নারী ও শিশু।

ইসরাইলি এই হামলায় হাসপাতাল, স্কুল, শরণার্থীশিবির, মসজিদ, গির্জাসহ হাজার হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত ও ধ্বংস হয়ে গেছে। গাজায় নিষিদ্ধ ফসফরাস বোমাও ব্যবহার করা হচ্ছে।

গাজার পাশাপাশি ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরেও ব্যাপক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরাইলি বাহিনী। সেখানে গত ৬৬ দিনে বহু ফিলিস্তিনি হতাহত হয়েছেন।