মেসওয়াক করার গুরুত্ব ও ফজিলত

মেসওয়াক করা মহানবী (সা.)-এর সুন্নত এবং আগের যুগের নবী-রাসুলদের স্বাভাবিক নিয়ম।

মেসওয়াক করার গুরুত্ব ও ফজিলত

কারণ দাঁত ও মুখ পরিষ্কার করার অন্যতম উপায় হলো মেসওয়াক করা। চিকিৎসাবিজ্ঞানের মতে, দিনে দুইবার ব্রাশ তথা মেসওয়াক করতে হয়। সকালে নাশতা করার পর এবং রাতে ঘুমানোর আগে।

সাধারণত মানুষ সকালে নাশতা শেষে প্রাত্যহিক কাজে বের হয় এবং মানুষের সঙ্গে মিশে থাকে। তাই তখন মুখের দুর্গন্ধের কারণে যেন কেউ কষ্ট না পায়। একইভাবে, সারা দিনের খাওয়াদাওয়া শেষ করে যখন মানুষ রাতে ঘুমাতে যায়, তখন যদি ব্রাশ না করে, তাতে দাঁতের ফাঁকে জমানো খাবার দাঁতকে নষ্ট করে দেয় এবং মুখে দুর্গন্ধ সৃষ্টি করে। তাই ঘুমানোর আগে ব্রাশ করতে হয়।

কিন্তু ইসলাম প্রতিটি নামাজের আগে মেসওয়াক করতে উৎসাহিত করেছে। কারণ নামাজ পড়ার সময় পাশের মুসল্লিরা যেন মুখের দুর্গন্ধে কষ্ট না পায়। এ বিষয়টিকে ইসলাম গুরুত্বের সঙ্গে দেখেছে এবং পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে অজু করার আগে মেসওয়াক করার প্রতি উৎসাহিত করেছে। তাই তো, মহানবী (সা.) বলেন, ‘যদি আমার উম্মতের ওপর কষ্টসাধ্য না হতো, তবে আমি তাদের প্রতিটি নামাজের সময় মেসওয়াক করার নির্দেশ দিতাম।’ (মুসলিম)

মেসওয়াক করার কারণে মুখের দুর্গন্ধ দূর হয়। ফলে আল্লাহর ফেরেশতাগণ বান্দার সঙ্গে স্বাচ্ছন্দ্যে থাকতে পারেন। এমতাবস্থায় আল্লাহ তাআলা ওই বান্দার প্রতি সন্তুষ্ট থাকেন। মহানবী (সা.) বলেন, ‘মেসওয়াক মুখের পবিত্রতা লাভের উপায় এবং আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি অর্জনের মাধ্যম।’ (নাসায়ি)

নবিজি , ‘বাড়িতে প্রবেশ করেই তিনি প্রথম যে কাজ করতেন, তা হল দাঁতন বা মেসওয়াক করা।’ (মুসলিম)

 

দোহার-নবাবগঞ্জ, কেরানীগঞ্জ উপজেলার মৌজার কর কমলো

মো: সোহেল, news39.net: ঢাকা, চট্টগ্রাম, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন এলাকাসহ উল্লেখিত কিছু কিছু এলাকায় অবিস্থত জমিকে মৌজা অনুযায়ী জমির নিবন্ধন(রেজিস্ট্রেশন) কর আবারও কিছুটা কমানো হয়েছে। ৪ ডিসেম্বর জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এ–সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

ঢাকা জেলার দোহার, নবাবগঞ্জ, কেরানীগঞ্জ, সাভার, ধামরাই উপজেলার ঙ শ্রেণির মৌজার কর কাঠাপ্রতি ৫০ হাজার টাকা থেকে কমিয়ে ২০ হাজার টাকা করা হয়েছে। এর ফলে নিবন্ধনের সময় জমির মূল্যের ৬ শতাংশ বা কাঠাপ্রতি ২০ হাজার টাকা—যা কম হবে, তা প্রযোজ্য হবে।

গত অক্টোবর মাসে যখন মৌজা ভিত্তিতে করহার নির্ধারণ করা হয়, তখন ঢাকা, চট্টগ্রাম, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন এলাকা ও এর বাইরে অবস্থিত জমিকে মৌজা অনুযায়ী ক থেকে ঙ—এই পাঁচ শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে।

হলফনামায় সালমান এফ রহমানের বার্ষিক আয় জানা গেল

ঢাকা-১ (দোহার-নবাবগঞ্জ) আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ও বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমানের বার্ষিক আয় ২৫ কোটি টাকা।

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দেওয়া হলফনামা থেকে এ তথ্য জানা গেছে। এতে তিনি উল্লেখ করেন, তার বার্ষিক আয় ২৫ কোটি ৩১ লাখ ২১ হাজার ২৭৩ টাকা। এর মধ্যে ২৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকা আসে ডিবেঞ্চার, ব্যাংক আমানত, সঞ্চয়পত্র ও শেয়ার থেকে। তার মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৩১২ কোটি ৯ লাখ টাকা। এর মধ্যে ৯৪ শতাংশের বেশি অস্থাবর বন্ড, তালিকাভুক্ত ও তালিকা ছাড়া কোম্পানির শেয়ার এবং লেটার অব ক্রেডিট।

এদিকে সালমান এফ রহমানের অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ৩১২ কোটি ৯ লাখ টাকা, যার মধ্যে বিনিয়োগ ২৯৫ কোটি ৫২ লাখ টাকা। এছাড়া নগদ ৫৩ লাখ ৩৫ হাজার টাকা, যানবাহনে ৫ কোটি ৮৪ লাখ টাকা, বৈদ্যুতিক সামগ্রীতে ৬০ লাখ ৫৩ হাজার টাকা এবং আসবাবপত্রের মূল্য ৩৯ লাখ ৬২ হাজার টাকা।

হলফনামায় দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সালমান এফ রহমানের কোনো বাড়ি বা অ্যাপার্টমেন্ট নেই। তবে তার স্ত্রীর ৩২ কোটি ৪৭ লাখ টাকার আবাসিক ও বাণিজ্যিক সম্পত্তি রয়েছে।

সালমান এফ রহমানের এক কোটি ৯৯ লাখ টাকার অকৃষি জমি এবং তার স্ত্রীর তিন কোটি ৭৩ লাখ টাকার জমি রয়েছে।

এর আগে ২০১৮ সালে সালমানের বার্ষিক আয় ছিল ৯ কোটি ৩১ লাখ টাকা। সেই তুলনায় এবার তার বার্ষিক আয় বেড়েছে ১৬ কোটি টাকা।

“বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচাইতে দুর্নীতিগ্রস্ত প্রকল্প হচ্ছে পদ্মা সেতু!”

0

“বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচাইতে দুর্নীতিগ্রস্ত প্রকল্প হচ্ছে পদ্মা সেতু!”

কি চমকে উঠলেন! এটা আমার কথা নয় এটা ছিল বাংলাদেশের নানা ধরনের জ্ঞানীগুণী সুশীলদের কথা! স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কঠিন ও গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ ছিল এই পদ্মা সেতু নির্মাণ করা। আর এই পদ্মা সেতু প্রকল্পের নির্মাণ কাজ শুরুর আগে থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছিল এই সেতু নির্মাণের বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে নানা ধরনের ষড়যন্ত্র, যে ষড়যন্ত্র করতে বাদ যায়নি তথাকথিত জ্ঞানীগুণী সুশীল এবং বিজ্ঞ বিজ্ঞ ব্যক্তিবর্গ।

তাদের কাছে ছিল নানান রকমের কথার ঝুড়ি, ঝুড়ির কথা শেষ হয়ে গেলে পুনরায় পাইকারি দরে দেশ বিদেশ থেকে কথা কিনে এনে ঝুড়ি ভর্তি করতো, পরে আবার সেগুলো উচ্চমূল্যে বাজারে বিক্রি করতো!

যারফলে সেতু নির্মাণের জন্য নানা ঘাত-প্রতিঘাত ও চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হয়েছিল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারকে।

একটু স্বাভাবিক ভাবে চিন্তা করলেই উত্তর পেয়ে যাবেন;

পদ্মা সেতু কি শুধুই কংক্রিট, ইস্পাত এবং নানা ধরনের যন্ত্র সামগ্রীর সমন্বয়ে নির্মিত একটি অবকাঠামো ! না, পদ্মা সেতু স্বাধীন বাংলাদেশের গণমানুষের এবং বাংলাদেশ সরকারের আত্মমর্যাদা, সক্ষমতা, সম্মান ও কালজয়ী সিদ্ধান্তের এক মূর্তপ্রতীক। আজকের পদ্মা সেতু, যে সেতু যুক্ত করেছে দক্ষিণ বাংলাকে রাজধানী ও সমগ্র বাংলাদেশের সঙ্গে, বাংলাদেশর অর্থনীতির চাকা’কে করছে বহুলাংশে গতিময়, সে সেতু নির্মাণ বন্ধ করতে চলেছিল বিভিন্ন ষড়যন্ত্র ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যা অপপ্রচার, শত প্রতিকূলতাকে উপেক্ষা করে পদ্মা সেতু নির্মিত হয়েছে। পদ্মা সেতু এখন আর স্বপ্ন নয় এটি এখন বাস্তব এবং দৃশ্যমান অবকাঠামো।

বাঙালি জাতি, জাতি হিসেবে লজ্জিত হয়েছিল সেইসময়ে , যখন আমাদের এই সেতু নির্মাণে এই দেশেরই কিছু সংখ্যক ব্যক্তি ষড়যন্ত্র করেছিল, যেন এই সেতু নির্মিত না হয়। একটি ব্যাংকের এমডি পদে থাকতে না পারার আফসোসে একজন ব্যক্তি, আমি পরিষ্কারভাবেই নামটি বলে দিচ্ছি সেই মুখোশধারী “আন্তর্জাতিক সুশীল” ডক্টর ইউনুস, তিনি ষড়যন্ত্র করেছিল সরকারকে বিপাকে ফেলতে, যেন এই পদ্মা সেতু প্রকল্পে বিশ্ব ব্যাংক অর্থায়ন না করে, ডক্টর ইউনুসের চক্রান্তে দুর্নীতির মিথ্যা অপবাদ ও অভিযোগ দিয়ে বিশ্ব ব্যাংক পদ্মা সেতু নির্মান প্রকল্পে তাদের অর্থায়ন করার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে। আর এই ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রের পরেই বঙ্গবন্ধুকন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা পদ্মা সেতু নির্মাণের চ্যালেঞ্জ হাতে নিয়ে সেইসময়ে ঘোষণা করেছিলেন, নিজেদের অর্থেই তৈরি করবেন বাঙালির স্বপ্নের সেতু; পদ্মা বহুমুখী সেতু।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পরেই দ্রুত গতিতে শুরু হয়ে যায় পদ্মা সেতু নির্মানের সার্বিক কর্ম পরিকল্পনা। আনুষ্ঠানিক ভাবে সেতুর নির্মান কাজ শুরু হয় ২০১৪ সালের ২৬ নভেম্বর,

দেশি বিদেশি হাজারো দক্ষ শ্রমিক এবং বিচক্ষণ প্রকৌশলী ও পদ্মা সেতু প্রকল্প বাস্তবায়নের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানের কয়েক বছরের কর্মযজ্ঞের পরিপূর্ণ রূপ আজকের পদ্মা সেতু।

জাতি হিসেবে আমরা কতই না দুর্ভাগা পদ্মা সেতু নির্মাণের পূর্বে, নির্মাণকালে এবং নির্মাণের পরে কতই’না অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের সম্মুখীন হতে হয়েছে সরকারকে এবং এই সেতু প্রকল্প ও সংশ্লিষ্টদের। বাংলাদেশের তথাকথিত বৃহৎ একটি রাজনৈতিক দল বিএনপি এবং বিএনপি’র শীর্ষ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ পদ্মা সেতু নির্মাণ নিয়ে কত ধরনের বক্তব্য ও মিথ্যাচার এবং গুজব সৃষ্টি করেছিল সেটি দেশবাসী বিভিন্ন সময়ে লক্ষ্য করেছেন, এমনকি বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া এই পদ্মা সেতু নির্মাণ নিয়ে তার ঐতিহাসিক বেশ কয়েকটি ভবিষ্যৎবাণীও করেছিলেন, যেমন “আওয়ামী লীগের আমলে পদ্মা সেতু হবে না!” “বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দুটো পদ্মা সেতু করবে!” “আর আওয়ামী লীগ সরকার যদি জোড়াতালি দিয়ে পদ্মা সেতু নির্মাণ করেও ফেলে সে সেতুতে কেউ উঠবেন না! অনেক রিস্ক আছে!” ইত্যাদি। এখন একটু হেসে নিন কেননা বাংলাদেশের একটি বৃহৎ রাজনৈতিক দল হিসেবে দাবি করা বিএনপি’র চেয়ারপার্সন হয়ে এবং বাংলাদেশের একসময়ে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি হিসেবে তিনি কি ধরনের ঠাট্টা মশকরাটাই না ঐসময়ে করেছেন এবং কি ধরনের বক্তব্য জাতির উদ্দেশ্যে তিনি দিয়েছিলেন, সেটি স্মরণ করুন একবার। অন্যদিকে যে দুর্নীতির অসত্য অভিযোগ এনে বিশ্ব ব্যাংক পদ্মা সেতু নির্মান প্রকল্পে অর্থায়ন বন্ধ করেছিল, এই প্রকল্পে যে কোন দুর্নীতি হয়নি সেটা কিন্তু, বাংলাদেশের আদালতে না, কানাডার আদালত প্রমাণিত হয়েছে। পদ্মা সেতু প্রকল্পে কোন দুর্নীতি হয়নি সেটি আজ প্রমাণিত সত্য বিশ্ব দরবারে, সেইসঙ্গে সেতুও নির্মিত হয়ে গেছে। কিন্তু দেখুন দুর্নীতির অপপ্রচার, অপবাদ ও অভিযোগে তৎকালীন যোগাযোগ মন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনকে পদত্যাগ করতে হয়েছিল, এই দেশপ্রেমিক গুণী মানুষটি এখন আর পৃথিবীতে নেই কিন্তু পদ্মা সেতু আজ স্বমহিমায় দাঁড়িয়ে আছে প্রমত্তা পদ্মার বুকে, পদ্মা সেতু যত দিন থাকবে সৈয়দ আবুল হোসেনের ত্যাগ ও সেতু নির্মানে তাঁর প্রচেষ্টা এ জাতি সব সময় স্মরণ করবে শ্রদ্ধার সঙ্গে।

এরপরে আসুন পত্র-পত্রিকা এবং মিডিয়াতে যেসমস্ত ব্যক্তি, জ্ঞানীগুণী, রথীমহারথীদের এ দেশের সুশীল সমাজ মনে করা হয় সেই সুশীলেরা নানাবিধ কাণ্ডজ্ঞানহীন মন্তব্য দিয়ে পদ্মা সেতু প্রকল্পকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত ছিলেন, যেমন “সুজন”এর বদিউল আলম মজুমদার বলেছিলেন “লাগামহীন দুর্নীতির বড় উদাহরণ পদ্মা সেতু ”। আবার যখন বাংলাদেশ আওয়ামী সরকার পরিষ্কার ভাষায় বলেছিলেন পদ্মা সেতু প্রকল্পে কোন দুর্নীতি হয়নি সেজন্য ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের মতো লোক খুবই বেজার হয়েছিলেন এবং মনে দুঃখও পেয়েছিলেন। টিআইবি মতো প্রতিষ্ঠানের নানা ধরনের উদ্ভট প্রশ্ন তুলে সংবাদ সম্মেলন তো থাকতোই। আর এতসব ষড়যন্ত্র চক্রান্ত ও প্রতিবন্ধকতা এবং বাধাবিঘ্নকে জয় করে যখন ২০২২ সালের ২৩ জুন পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হলো তখনই বিএনপি এবং ঐসব ষড়যন্ত্রকারীদের গালে চপেটাঘাত পড়লো।

অবশেষে ২৫ জুন ২০২২ সালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা যখন পদ্মা সেতু, যাতায়াতের জন্য উদ্বোধন করলেন তখনই বিশ্বের বুকে প্রমাণিত হয়ে গেল বাঙালি পারে, বাঙালি পেড়েছে এবং বাঙালি জাতি সেটা করে দেখিয়েছে। আর নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মানের এই কালজয়ী সিদ্ধান্ত নিয়ে যিনি স্বপ্ন জয়ের মহান স্বপ্ন সারথি, আলোর পথযাত্রী হয়েছেন তিনি হচ্ছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা।

তাই কবি সুকান্তের ভাষায় বলতে হয়

“সাবাশ বাংলাদেশ,

এ পৃথিবী অবাক তাকিয়ে রয়

জ্বলে পুড়ে মরে ছারখার

তবু মাথা নোয়াবার নয়।।”

বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রগতি অব্যাহত রাখতে এবং বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে চলতে, অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রায় এগিয়ে যাওয়া বাংলাদেশকে আরো এগিয়ে নিতে বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা’তেই আস্থা রাখুন।

”শেখ হাসিনার সালাম নিন

নৌকা মার্কায় ভোট দিন ”।।

শিহাব-উর-রহমান শিকদার

সহ-সভাপতি

বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, ঢাকা জেলা দক্ষিণ শাখা।

তৃণমূল বিএনপি চায় ১৪টি, পেতে আরে ২/৩ টি

news39.net, online desk: বিরোধীদের বর্জনের মুখে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আসন বণ্টন নিয়ে বিপাকে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। তাছাড়া ভোটারের উপস্থিত নিয়ে সংশয়ে রয়েছে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সব পক্ষই। মহাজোটের শীর্ষ একাধিক নেতার ভাষ্য, আসন ভাগাভাগি নিয়ে কেবল জোট বা মহাজোট নয়, কথিত কিংস পার্টিগুলোও গণভবনের দিকে তাকিয়ে রয়েছে। তৃণমূল বিএনপি দলকষাকষি করছে ১৪টি আসনের জন্য। তারা অন্তত ২টি, বড়জোড় ৩টি আসনে ছাড় পেতে পারে জানিয়ে একটি সূত্র দাবি করে, যার মধ্যে সিলেট-৬, নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসন রয়েছে। ওই দলের মূল নেত্রী অর্থাৎ প্রয়াত বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার নাজমূল হুদার মেয়ে অন্তরা হুদা মুন্সীগঞ্জে প্রার্থী হয়েছেন। তিনি এ আসনে ছাড় পেতে জোর চেষ্টা চালাচ্ছেন। শেষপর্যন্ত তিনি সফলও হতে পারেন। তাছাড়া বিএনএম একটি, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি একটি এবং কল্যাণ পার্টি একটি আসনে ছাড় পেতে পারে বলে আলোচনা রয়েছে।

সড়ক দুর্ঘটনায় নুর আলীর মেয়ের মৃত্যু

আবু বকর, news39.net: যুক্তরাষ্ট্রে সড়ক দুর্ঘটনায় ইউনিক গ্রুপ ও নতুন ভিশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নবাবগঞ্জের মোহা. নূর আলীর মেয়ে নাদিহা আলী মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
বুধবার শিকাগো বিমানবন্দরের কাছে এক দুর্ঘটনায় তিনি মারা যান। নাদিহা আলী মো. নূর আলী ও সেলিনা আলী দম্পতির মেজ মেয়ে ছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রেই জানাজার পর তার দাফন সম্পন্ন হবে বলে জানা গেছে।

ঢাকা-১ আসনে সালমা ইসলামের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র যাচাইবাছাইয়ে ঢাকা-১ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী অ্যাডভোকেট সালমা ইসলামের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। সোমবার (৪ ডিসেম্বর) সকালে নিজ কার্যালয়ে ঢাকা জেলা প্রশাসক এবং জেলার পাঁচটি আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা আনিসুর রহমান জাপার এ কো-চেয়ারম্যানের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন।

এ সময় রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন, অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম মনোনয়নপত্র যথাযথভাবে পূরণ করে দাখিল করায় তার মনোনয়নটি বৈধ হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে।

মনোনয়নপত্র যাচাইবাছাইয়ের শেষ দিনে প্রত্যেক প্রার্থীর প্রতিনিধি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ব্যাংক ও বিভিন্ন সেবা সংস্থার প্রতিনিধিরা।

ঢাকা-১ আসনে এবারের ভোটে লড়তে ৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে সালমা ইসলামসহ ৭ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। আর নথিপত্র ইস্যুতে ২ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র স্থগিত রেখেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

উল্লেখ্য, চব্বিশের ভোটে অংশ নিতে অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম গত বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে রির্টানিং কর্মকর্তার অফিসে মনোনয়নপত্র জমা দেন। তিনি ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১ আসন থেকে লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করে জয়ী হন। দশম জাতীয় সংসদে সালমা ইসলাম মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেন বেশ কিছুদিন।

 

দোহারে চোর সিন্ডিকেটের ২ জন গ্রেফতার

ঢাকার দোহার উপজেলার উত্তর শিমুলিয়া এলাকায় দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনায় সংঘবদ্ধ চোরচক্রকে দুইজনকে স্বর্ণ ও মোবাইলসহ লুণ্ঠিত মালামালসহ গ্রেফতার করেছে দোহার থানা পুলিশ। পরে তাদের কাছে থেকে পাঁচ ভরি ওজনের একটি সীতাহার,দুটি এন্ড্রয়েড মোবাইল ও একটি টিনকাটার যন্ত্র উদ্ধার করা হয়।

প্রেস কনফারেন্সে দোহার সার্কেল এর সিনিয়ার সহকারী পুলিশ সুপার আশরাফুল আলম জানান, গত ১১ই নভেম্বর উপজেলার উত্তর শিমুলিয়া প্রবাসী হাসিবুর রহমানের বাড়িতে একটি সংঘবদ্ধ চোরচক্র ঘরের টিন কেটে পাঁচ ভরি ওজনের একটি সীতাহার, কানের দুল, দুটি এন্ড্রয়েড মোবাইল ও নগদ ১০ হাজার টাকা নিয়ে যায়। যার বাজার মূল্য আনুমানিক প্রায় ৬ লাখ টাকা। এবিষয়ে দোহার থানায় মামলা রুজু হলে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান এর নির্দেশনায় ও দোহার থানা (ওসি) মোস্তাফা কামালের নেতৃত্বে ফুলতলা ফাড়িঁর ইনচার্জ শফিকুল ইসলাম সুমন, এসআই জসীম উদ্দিন ও দেলোয়ার হোসেন তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে একটি চৌকস দল অভিযান পরিচালনা করে বেথুয়া ও মালিকান্দা এলাকা হতে ঘটনার সাথে জরিত আন্তজেলা চোরচক্রের সদস্য মিলন চোকদার (২৯) ও নাজির (৩৪) নামে দুইজনকে গ্রেফতার করে তাদের কাছ থেকে চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত মিলন উপজেলার বেথুয়া এলাকার সেলিম চোকদারের ছেলে। অপর আসামী নাজির একই এলাকার মৃত সোনা মিয়ার ছেলে। ঘটনার সাথে জড়িত বাকি আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে বলে জানায় পুলিশ। গ্রেফতারকৃতদের আদালতে পাঠানো হবে বলে জানান আশরাফুল আলম।

রাশিম মোল্লা বিজয়ী

News39.net : নবাবগঞ্জের কৃতি সন্তান, মানবজমিন পত্রিকার আদালত প্রতিবেদক, সাবেক মফস্বল সম্পাদক, news39.net এর সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য, রাশিম মোল্লা ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি ( ডিআরইউ) নির্বাচনে ৭৯৪ ভোট পেয়ে বিশাল ব্যবধানে তথ্যপ্রযুক্তি ও প্রশিক্ষন পদে জয়লাভ করেছে।

এক প্রতিক্রিয়ায় রাশিম মোল্লা জানান, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে যারা তাদের মূল্যবান ভোট প্রদান করেছেন, নির্বাচনে জয়ের মুগ্ধতা ছড়িয়েছেন, তাদের সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ। মহান আল্লাহর নিকট লাখ লাখ শুকরিয়া। দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলার সাংবাদিক এবং রিপোর্টার ভাইদেরকে ধন্যবাদ, আমার জন্য প্রতিনিয়ত দোয়া ও চেষ্টা করায়।
news39 পরিবার থেকে আমরা রাশিম মোল্লা ভাইয়ের উত্তোরত্তর সফলতা কামনা করছি এবং আগামী দিনগুলোতে তিনি সাংবাদিক সমাজের নেতৃত্বে আসীন হবেন বলে প্রত্যাশা করি।

দোহার-নবাবগঞ্জে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন সালমান এফ রহমান

আল আমিন, স্টাফ রিপোর্টার, news39.net: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ঢাকা-১ আসনে তথা নবাবগঞ্জ-দোহার নির্বাচনী আসনে আওয়ামীলীগের দলীয় প্রার্থী হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উন্নয়ন বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

বুধবার (নভেম্বর) বেলা ১১টার দিকে ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে এবং সাড়ে ১২টায় দোহার উপজেলার সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে তিনি মনোনয়নপত্র জমা দেন।

এই সময় সালমান এফ রহমান বলেন, আমি মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি। ইনশাআল্লাহ, নবাবগঞ্জ ও দোহার উপজেলার জনগণ যে উন্নয়ন দেখেছে, বিশেষ করে সবার ব্যাক্তিজীবনে এই উন্নয়নের ছোয়া লেগেছে। বড় বড় যেসব প্রকল্প চলমান আছে আমার সময় থেকে, সেসব বাস্তবায়ন করে আমি মডেল উপজেলা করতে চাই এই দুই উপজেলাকে। এছাড়াও, দ্রুত গ্যাস আসবে; সেটাও প্রকল্প অনেকদূর এগিয়েছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামীলীগের জাতীয় কমিটির সদস্য আব্দুল বাতেন মিয়া, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পনিরুজ্জামান তরুন, আসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্সের (অ্যাটকো) পরিচালক ও সহসভাপতি এবং ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের পরিচালক আহমেদ সায়ান এফ রহমান, নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মিজানুর রহমান কিসমত, সাধারণ সম্পাদক আরিফ সিকদার, নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন আহমেদ ঝিলু, দোহার উপজেলা চেয়ারম্যান ও দোহার উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলমগীর হোসেন, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক লাবন্য ভূইয়া, কলাকোপা ইউপি চেয়ারম্যান ইব্রাহীম খলীল প্রমুখ।