স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাপনায় চলছে নবাবগঞ্জের রাস্তাঘাটে মেরামত উন্নয়ন

0

আশিক হোসেন : ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় চলছে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাপনায় উন্নয়ন সংস্থার করন। নবাবগঞ্জ উপজেলা প্রতিটি ইউনিয়ন জুড়েই চলছে রাস্তা মেরামতের কাজ।

১৮ ই ডিসেম্বর রোজ শনিবার গলিমপুর ইউনিয়নে চলমান স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাপনায় উন্নয়ন সংস্থার এক গুরুপ কাজ চলমান সময় জনায় নবাবগঞ্জ উপজেলায় সব ইউনিয়ন জুড়ে চলছে মেরামত কাজ।

এইসময় স্থানীয় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য ও নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা হাবিবুর রহমান ফয়সাল। জানায় জননেতা সালমান এফ রহমান দেহার নবাবগঞ্জের রোল মডেল নেতা বর্তমানে সরকার উন্নয়ন প্রকল্পের কোন অবকাশ নেই।

অস্থানিয় এলাকা বাসি জনাব হারুন মোল্লা জানায় কিছু কিছু ভাংঙ্গা চুড়া রাস্তার কারনে সমস্যা পহাতে হয় আমাদের। তবে এখন অনেক সুবিধা হবে আমাদের এলাকার জন্য তিনি আরো বলেন কিছু রাস্তা এখনো সংস্কারের দরকার আমাদের সেই গুলির দিকে একটু নজর দেতে।

চলছে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারনা

আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন- কে সামনে রেখে দোহার-নবাবগঞ্জে চলছে নির্বাচনী মুখর পরিবেশ। ১৭ই ডিসেম্বর রাত্রি দেখা মিলেছে নির্বাচনী বেনার ফেস্টুনের ছাপ ফুটে উঠেছে আগামী দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন।

ঢাকার-১ আসন দোহার -নবাবগঞ্জে আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগ এর জাঁকজমক পূর্ণ চলছে বেনার ফেস্টুন লাগানো হচ্ছে । প্রতিটি বাজার হাট পাড়া মহল্লা এলাকার আনাচে-কানাচে ভোরে উঠেছে নৌকার পোস্টার ফেস্টুন ও বেনার দিয়ে।

১৭ তারিখ রাত্রি দেখা মিলেছে ছাত্রলীগ এর কর্মীদের নির্বাচনী মাঠ প্রাঙ্গণে সকল ছাত্রলীগ মিলেই আগামী নির্বাচনকে সফল করার জন্য বেনার ফেস্টুন লাগানোর কার্যক্রম শুরু করেছে।প্রচার প্রচারণার দায়িত্ব পেয়েছে প্রতিটি ইউনিয়ন ছাত্রলীগ, ওয়ার্ড ছাত্রলীগ সহ ছাত্র লীগের নেতাকর্মী।

 

শীতকাল নিয়ে হাদিসে যা বলা হয়েছে

গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত, বসন্ত ঋতুর এই পরিবর্তনের মূলে রয়েছে আল্লাহ তায়ালা কুদরত আশ্চর্য নিদর্শন। আল্লাহ তায়ালার নির্দেশেই ঘটে থাকে ঋতুর এই পরিবর্তন। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা রাতদিন ঋতুর এই পরিবর্তনের বিষয়ে বলেছেন

اِنَّ فِی اخۡتِلَافِ الَّیۡلِ وَ النَّهَارِ وَ مَا خَلَقَ اللّٰهُ فِی السَّمٰوٰتِ وَ الۡاَرۡضِ لَاٰیٰتٍ لِّقَوۡمٍ یَّتَّقُوۡنَ

নিশ্চয় দিন ও রাতের পরিবর্তনে এবং আল্লাহ আসমানসমূহ ও যমীনে যা সৃষ্টি করেছেন তাতে নিদর্শন রয়েছে এমন সম্প্রদায়ের জন্য যারা তাকওয়া অবলম্বন করে। (সূরা ইউনুস, (১০), আয়াত, ৬)

অপর এক আয়াতে বর্ণিত হয়েছে,

اِنَّ رَبَّکُمُ اللّٰهُ الَّذِیۡ خَلَقَ السَّمٰوٰتِ وَ الۡاَرۡضَ فِیۡ سِتَّۃِ اَیَّامٍ ثُمَّ اسۡتَوٰی عَلَی الۡعَرۡشِ ۟ یُغۡشِی الَّیۡلَ النَّهَارَ یَطۡلُبُهٗ حَثِیۡثًا ۙ وَّ الشَّمۡسَ وَ الۡقَمَرَ وَ النُّجُوۡمَ مُسَخَّرٰتٍۭ بِاَمۡرِهٖ ؕ اَلَا لَهُ الۡخَلۡقُ وَ الۡاَمۡرُ ؕ تَبٰرَکَ اللّٰهُ رَبُّ الۡعٰلَمِیۡنَ

তোমাদের প্রতিপালক আল্লাহ যিনি ছয় দিনে আকাশমন্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর আরশে সমুন্নত হয়েছেন। দিনকে তিনি রাতের পর্দা দিয়ে ঢেকে দেন, তারা একে অন্যকে দ্রুতগতিতে অনুসরণ করে এবং সূর্য, চন্দ্র, তারকারাজি তাঁরই আজ্ঞাবহ। জেনে রেখ, সৃষ্টি তাঁর, হুকুমও (চলবে) তাঁর, বরকতময় আল্লাহ বিশ্বজগতের প্রতিপালক।  (সূরা আরাফ,(৭), আয়াত, ৫৪)

কোরআনের এই আয়াতগুলোর মাধ্যমে একথা স্পষ্ট যে দিন-রাত, শীত, গ্রীষ্ম, ঋতুর এই পরিবর্তন আল্লাহ তায়ালার নিদর্শন। ঋতুর পরিবর্তন এবং শীতকালের আগমন নিয়ে আধুনিক সায়েন্সে অনেক কারণই বর্ণনা করা হয়েছে।

শীতকাল নিয়ে হাদিসে যা বলা হয়েছে

বিখ্যাত সাহাবি হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত এক হাদিসে প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, জাহান্নাম আল্লাহ তায়ালার কাছে আবেদন করল, হে আমার প্রতিপালক! আমার এক অংশ অপর অংশকে খেয়ে ফেলছে, আমাকে শ্বাস-প্রশ্বাস নেওয়ার অনুমতি দিন। তখন আল্লাহ তায়ালা জাহান্নামকে দুইবার শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণ ও ত্যাগের অনুমতি দিলেন। একটি শীতকালে এবং অপরটি গ্রীষ্মকালে। অতএব তোমরা শীতকালে যে হিমঋতু অনুভব করো তা জাহান্নামের শ্বাস-প্রশ্বাসের কারণে এবং গ্রীষ্মকালে যে প্রচণ্ড উষ্ঞতা অনুভব করো তা এই কারণেই। ( বুখারি, হাদিস, ৬১৭, ৩২৬০

এই হাদিসের মাধ্যম বুঝা গেলে শীত ও গ্রীষ্মের এই পরিবর্তন হয়ে থাকে মূলত জাহান্নামের শ্বাস-প্রশ্বাস ত্যাগ ও গ্রহণের কারণে। ঋতুর এই পরিবর্তনের সময় আমরা যেভাবে শীত থেকে এবং তীব্র গরম থেকে বাঁচতে চেষ্টা করি, এর থেকে রক্ষা পেতে বিভিন্ন উপকরণ গ্রহণ করি, নিজের নিরাপত্তা ও আরাম নিশ্চিত করতে টাকা-পয়সা খরচ করি, ঠিক তেমনি পরকালে জাহান্নামের প্রচণ্ড ঠাণ্ডা ও গরম থেকে রক্ষা পেতে আল্লাহর আদেশ মেনে পাপাচার থেকে বেঁচে থাকতে হবে।

 

দোহারে “প্রশ্নবোধক”নাটক মঞ্চায়ন

ঢাকার দোহারে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে দোহার শিল্পকলা একাডেমির নাট্য শিল্পীদের পরিবেশনায় নাটক” প্রশ্নবোধক ” মঞ্চস্থ হয়েছে।

১৬ ডিসেম্বর (শনিবার) রাতে উপজেলার জয়পাড়া সরকারি পাইলট হাইস্কুল মাঠে এ নাটিকা টি মঞ্চস্থ হয়। নাটক টি তে ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতা নিষ্টুরতা ও হত্যা কান্ডে জরিত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কার্যক্রম তুলে ধরা হয়েছিল।

দোহার উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে নাটক টি তে অভিনয় করেছিলেন দোহার প্রেসক্লাবের সদস্য, দৈনিক সকালের সময় এর দোহার উপজেলা প্রতিনিধি মো: আল- আমিন হোসাইন, দৈনিক আমার সময় পএিকার দোহার-নবাবগন্জ উপজেলা প্রতিনিধি মাকসুমুল মুকিম,মো: লাবিব,সজল, পুলক, পারভেজ,আল রাজিব, মিতু,রানিয়া,ভাবনা,মোবারক, আল-আমিন।

নাটক টি উপস্থাপন করেন দোহার উপজেলা ছাএলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক,শিল্পকলা একাডেমির সদস্য রাজিব শরীফ নাটকটির নির্দেশনায় ছিলেন জয়পাড়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় এর সহকারী শিক্ষক নজরুল ইসলাম খান।

নাটক টি উপভোগ করেন দোহার উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মো: মামুন খান, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক সুরুজ আলম সুরুজ, দোহার শিল্পকলার সাধারণ সম্পাদক ডাঃ মো জালাল উদ্দীন, সহ আরো অনেকে।

আমি বৃত্তি প্রদান শুরু করেছি: মাহবুবুর রহমান

ঢাকা জেলা পরিষদের অর্থায়নে ২ শতাধিক শিক্ষার্থীদের মাঝে বৃত্তি প্রদান সহ ঢাকা দোহার, নবাবগঞ্জ, কেরানীগঞ্জ উপজেলার ২০২২ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।

ঢাকার দোহার উপজেলা নারিশা ইউনিয়নের মেঘুলা কবি নজরুল উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের মাঠে রবিবার (১৭ ডিসেম্বর) দুপুরে ঢাকা জেলা পরিষদের অর্থায়নে এ সংবর্ধনা ও বৃত্তি প্রদান করা হয়। এসময় ঢাকা জেলা পরিষদের অর্থায়নে পর্যায়ক্রমে ২ শতাধিক শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে বৃত্তি প্রদান করা হয়।

উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন,ঢাকা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মাহবুবুর রহমান।

বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মাহবুবুর রহমান বক্তব্যে বলেন, ৫২ বছর আগে আমরা এই দিনে স্বাধীনতা অর্জন করেছি। আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে এই বিজয়ের অধিনায়ক যার নেতৃত্বে ৭ মার্চের পরে এ দেশকে স্বাধীন করার জন্য আমরা অস্ত্র হাতে নিয়েছিলাম, সেই স্বাধীনতার স্থাপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি।

তিনি আরো বলেন, আমি রাজনীতি করি, আমি মানুষের সেবা করি। আমি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হওয়ার পর এই বৃত্তি প্রদান শুরু করেছি। যারা লেখাপড়ায় ভালো, তাদের উৎসাহ, উদ্দীপণা, অনুপ্রেরণা বাড়াতে আমি এই সুযোগটি করে দিয়েছি।
এসময় তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, যেসকল শিক্ষার্থী মেধাবী কিন্তু আর্থিক অবস্থা খারাপ হওয়ায় পড়াশোনার সুযোগ পাচ্ছে না। সেসকল শিক্ষার্থীরা আমার সাথে যোগাযোগ করবে। ইনশাআল্লাহ আমি তাদের পড়াশোনা থেকে ঝরে পড়তে দিব না।

জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসানের সভাপতিত্বে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা জেলা পরিষদের সাধারণ ওর্য়াড সদস্য, মালিকান্দা মেঘুলা স্কুল ও কলেজের সিনিয়র প্রভাষক মিজানুর রহমান, কবি নজরুল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শরীফ উদ্দিনসহ শিক্ষার্থী ও শিক্ষকবৃন্দ।

একটি বিকেল: নাসির উদ্দিন ঝিলু ও সুবিধা বঞ্চিত শিশুরা

শেখ আশিক: মহান বিজয় দিবসে একটি ব্যাতিক্রমী বিকেল উপভোগ করলেন নবাবগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন আহমেদ ঝিলু বিজয়ের বিকেল উদযাপন করেন এবং সুবিধাবঞ্চিত অসহায় শিশুদের সাথে। এটি ছিলো ইছামতী পাঠশালার উদ্যোগে একটি অন্যরকম বিকেল।

১৬ ই ডিসেম্বর বিকেল ৩:৩০টায় নবাবগঞ্জের ভাওয়ালিয়া ইটভাটায় ইছামতি নবাবগঞ্জ উপজেলা ছাত্র সংগঠন কর্তৃক আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে শিক্ষা বঞ্চিত শিশুদের জন্য উপজেলা চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন আহমেদ ঝিলু নিজ অর্থায়নে সকলের জন্য উপহারস্বরূপ একটি করে কম্বল ও খাবারের ব্যবস্থা করেন।

এ সময় নবাবগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন আহমেদ ঝিলু বলেন, শিশুশ্রম একটি বড় অপরাধ যে ভাবে এই শিশু শ্রম থেকে শিশুদের বের করে শিক্ষামুখী করা। এটি অত্যন্ত একটি ভালো কাজ। যারা ইট ভাটায় কাজ করে, তারা কিছুদিন ভাটায় কাজ করতে পারে আবার চলে যেতে হয় নিজ গ্রামে। এ সময় তাদের ছেলে মেয়ে গুলি শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়ে পড়ে। তাই ইছামতি নবাবগঞ্জ উপজেলা ছাত্র সংগঠনের পাঠশালা দেখে আমি খুবই খুশি।

উপজেলা চেয়ারম্যানের সাথে সফর সঙ্গে হিসেবে থাকেন উপজেলা শিক্ষা অফিসার শাহ জালাল তিনি বলেন ইছামতি পাঠশালা শিক্ষার্থীদের জন্য তিনি খাতা-কলম সহ বই খাতা দিয়ে সাহায্য করবে এবং থেকে যেন কেউ বঞ্চিত না পড়ে এ বিষয়ে কথা বলেছেন তিনি বলেন শিক্ষা ছাড়া জাতি বস্তুর মত এটা দেশের বোঝা হয়ে থাকে তবে উচ্চ শিক্ষা না করলেও যাতে প্রতিটি মানুষ নিজে চলার জন্য মোটামুটি একটা শিক্ষা নিয়ে থাকে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন (যন্ট্রাইল) ইউনিয়ন চেয়ারম্যান এ কে তুহিন , সাবেক সভাপতি মো:ফয়সাল, সাবেক সেক্রেটারি ইমন হোসেন সিনিয়র সদস্য মো: রতন সহ উপস্থিত ছিলেন নবাবগঞ্জ উপজেলা ছাত্র সংগঠনের কর্মকর্তা ও সদস্য বৃন্দ। উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় মুরুব্বী গন।

ইছামতি নবাবগঞ্জ উপজেলা ছাত্র সংগঠন নবাবগঞ্জের বুকে এক নক্ষত্র, অসহায় মানুষের পাশে থাকা থেকে শুরু করে শিক্ষা বঞ্চিত শিশু কিশোর অবহেলিত অসহায় মানুষের পাশে পর্যন্ত সবখানে রয়েছে এই ইছামতিয়ানরা রক্তদান কর্মসূচি এবং করুনাকালীন সময় যারা সবসময় মানুষের পাশে ছিল। ২০১৩ সাল থেকেই ইছামতি নবাবগঞ্জ উপজেলা ছাত্রসংগঠন টি নবাবগঞ্জের বুকে চলমান রয়েছে । এটি একটি অরাজনৈতিক সংগঠন। এছাড়াও তাদের আরো অনেক কার্যক্রম চোখে পড়ে নবাবগঞ্জ উপজেলায়।

পরিবারের জন্য খরচ করলে যে সওয়াব দেন আল্লাহ

নিজের পরিবারের ভরণপোষণ খরচ বহনের বিষয়টি খালি চোখে পার্থিব বিষয় মনে হয় আমাদের কাছে। তবে এটি একটি মহান দ্বিনি দায়িত্ব কর্তব্য। এর বিনিময়ে আল্লাহ আখেরাতে পুরস্কৃত করবেন। তাই পরিবারের সদস্যদের প্রতি ভরণপোষণ খরচ করার ক্ষেত্রে কোনও ধরনের কৃপণতা করা উচিত নয়।

কোরআনে পরিবারের জন্য খরচের আদেশ

অন্যান্য ইবাদত-বন্দেগির মতো কোরআন ও হাদিসে পরিবারের জন্য ব্যয়ের বিষয়টিকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। নিজের ও পরিবারের জন্য বৈধ রিজিকের সন্ধান করা একজন মুসলিমের ফরজ বা অত্যাবশক দায়িত্ব।

আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনে বলেছেন, ‘সন্তানের পিতার ওপর সন্তানের মায়ের জন্য অন্ন-বস্ত্রের উত্তম পন্থায় ব্যবস্থা করা একান্ত দায়িত্ব।’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ২৩৩)

রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক হাদিসে বলেন, ‘মানুষের সর্বোত্তম মুদ্রা সেটি, যা সে তার পরিবারের খরচে ব্যয় করে।’ (মুসলিম,  হাদিস ৯৯৪)

সদকার সওয়াব

অন্য একটি হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, ‘কোনো ব্যক্তি তার পরিবারে যে খরচ করে তা-ও সদকাস্বরূপ, অর্থাৎ এতেও সে সদকার সওয়াব পাবে।’ (বুখারি, হাদিস, ৪০০৬)

আরেক হাদিসে হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মহান আল্লাহ বলেন, খরচ কর, হে, আদম সন্তান আমিও খরচ করবো তোমার প্রতি। (বুখারি, হাদিস, ৪৯৬১)

পরিবারের লোকজনকে কারো মুখাপেক্ষী না করা

হজরত সাদ রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি মক্কায় রোগগ্রস্ত হলে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার পরিচর্যার জন্য আসতেন। আমি বললাম, আমার তো সম্পদ আছে। সেগুলো সব আমি ওসিয়্যাত করে যাই? তিনি বললেন, না। আমি বললাম, তাহলে অর্ধেক? তিনি বললেন, না। আমি বললাম, তবে এক-তৃতীয়াংশ?

তিনি বললেন, এক-তূতীয়াংশ করতে পার। এক-তৃতীয়াংশই বেশী। তোমার সন্তান-সন্ততি মানুষের কাছে হাত পেতে ফিরবে এমন দরিদ্র অবস্থায় ছেড়ে যাওয়ার তুলনায় তাদেরকে ধনী অবস্থায় রেখে যাওয়া উত্তম। আর যাই তুমি খরচ করবে, তা-ই তোমার জন্য সদকা হবে। এমনকি যে লোকমাটি তুমি তোমার স্ত্রীর মুখে তুলে দিবে তাও। আল্লাহ তোমাকে দীর্ঘজীবী করবেন এই আশা। তোমার মাধ্যমে অনেক লোক উপকৃত হবে, আবার অন্যেরা (কাফির সম্প্রদায়) ক্ষতিগ্রস্ত হবে। (বুখারি, হাদিস, ৪৯৬৩)

 

ব্যয়ের ক্ষেত্রে পরিবারের অগ্রাধিকার

আবু হুরায়রা রা. থেকে আরেক হাদিসে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, উত্তম সদকা হল যা দান করার পরেও মানুষ অমুখাপেক্ষী থাকে। উপরের হাত নীচের হাতের চাইতে শ্রেষ্ঠ। যাদের ভরন-পোষণ তোমার জিম্মায় তাদের আগে দাও। (কেননা) স্ত্রী বলবে, হয় আমাকে খাবার দাও, নয়তো তালাক দাও। গোলাম বলবে, খাবার দাও এবং কাজ করাও। ছেলে বলবে, আমাকে খাবার দাও, আমাকে তুমি কার কাছে রেখে যাচ্ছ?  (বুখারি, হাদিস, ৪৯৬৪)

আরেক হাদিসে শিহাব যুহরী রহ. মালিক ইবনু আওসের সূত্রে উমর রা. থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বনূ নাযীরের খেজুর বিক্রি করে ফেলতেন এবং পরিবারের জন্য এক বছরের খাদ্য সঞ্চয় করে রাখতেন। ( বুখারি, হাদিস, ৪৯৬৬)

দোহারে নানা আয়োজনে মহান বিজয় দিবস পালিত

দোহার (ঢাকা) প্রতিনিধি: ঢাকার দোহার উপজেলায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস পালন করা হয়েছে ৷

শনিবার ১৬ ডিসেম্বর সূর্য উদয়ের সাথে সাথে দোহার উপজেলা পরিষদ চত্বরে একত্রিশ বার তোপধ্বনি শুরু করা হয় বিজয় দিবসের দিনটি। পরে সকাল সাড়ে সাত টায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহিদদের স্মরণে বঙ্গবন্ধু ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অর্পনের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন দোহার উপজেলায় পরিষদ ও দোহার উপজেলার প্রসাশন। এরপর বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

দোহার উপজেলার জয়পাড়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে জাতীয় পতাকা উত্তোলন,কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে, পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

পুরুষ্কার বিতরণ পরে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহিদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যগণের সংবর্ধনা ও আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

নবনিযুক্ত দোহার উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও দোহার উপজেলার আওয়ামী লীগের সভাপতি আলমগীর হোসেন, দোহার উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো: মামুন খান, ঢাকা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান, দোহার পৌরসভার মেয়র আলমাছ উদ্দিন, দোহার থানায় যোগদানকৃত নবাগত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ হারুন অর রশিদ, বিলাশপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রাশেদ চোকদারসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও দোহার উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি প্রেশার মানুষ।

 

দোহারে নানা আয়োজনে মহান বিজয় দিবস পালিত

দোহার (ঢাকা) প্রতিনিধি: ঢাকার দোহার উপজেলায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস পালন করা হয়েছে ৷

শনিবার ১৬ ডিসেম্বর সূর্য উদয়ের সাথে সাথে দোহার উপজেলা পরিষদ চত্বরে একত্রিশ বার তোপধ্বনি শুরু করা হয় বিজয় দিবসের দিনটি। পরে সকাল সাড়ে সাত টায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহিদদের স্মরণে বঙ্গবন্ধু ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অর্পনের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন দোহার উপজেলায় পরিষদ ও দোহার উপজেলার প্রসাশন। এরপর বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

দোহার উপজেলার জয়পাড়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে জাতীয় পতাকা উত্তোলন,কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে, পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

পুরুষ্কার বিতরণ পরে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহিদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যগণের সংবর্ধনা ও আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

নবনিযুক্ত দোহার উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও দোহার উপজেলার আওয়ামী লীগের সভাপতি আলমগীর হোসেন, দোহার উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো: মামুন খান, ঢাকা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান, দোহার পৌরসভার মেয়র আলমাছ উদ্দিন, দোহার থানায় যোগদানকৃত নবাগত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ হারুন অর রশিদ, বিলাশপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রাশেদ চোকদারসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও দোহার উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি প্রেশার মানুষ।

ইসলামে জুলুম-অত্যাচার জঘন্য অপরাধ

ইসলামের দৃষ্টিতে জুলুম-অত্যাচার খুবই জঘন্য অপরাধ। জুলুমকারীকে ঘৃণা করে সবাই। এর কারণে ইহকালে মানুষ হবে লাঞ্ছিত এবং পরকালে ভোগ করবে কঠিন শাস্তি।

এ সম্পর্কে আল্লাহ বলেন, ‘জালিমদের জন্য পরকালে কোনো দরদি বন্ধু থাকবে না এবং তাদের জন্য কোনো সুপারিশকারীও হবে না, যার কথা মান্য করা হবে।’ (মুমিন, ১৮)।

অন্যত্র তিনি আরও বলেন, ‘জালিমদের জন্য কোনো সাহায্যকারী থাকবে না।’ (হজ, ৭১)

উপরোক্ত আয়াত দু’টিতে আল্লাহ একে অপরের উপর অত্যাচার করা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। কারণ অত্যাচারীর জন্য কেয়ামতের দিন কোনো সাহায্যকারী থাকবে না। সেদিন তার অত্যাচারের সমপরিমাণ নেকি অত্যাচারিত ব্যক্তিকে প্রদান করতে হবে। যা হবে তার জাহান্নামে যাওয়ার কারণ। এ জন্য জুলুম-অত্যাচার থেকে বিরত থাকতে হবে।

তিনি অন্যত্র বলেন, ‘কিন্তু তারা ব্যতীত যারা ইমান আনে ও সৎকর্ম করে এবং আল্লাহকে বারবার স্মরণ করে ও অত্যাচারিত হওয়ার পর প্রতিশোধ গ্রহণ করে। অত্যাচারীরা শিগগিরই জানবে তাদের গন্তব্যস্থল কোথায়।’ (শু’আরা ২২৭)

তিনি অন্যত্র আরও বলেন, ‘আর এরূপেই তিনি কোনো জনপদের অধিবাসীদের পাকড়াও করেন যখন তারা অত্যাচার করে; নিঃসন্দেহে তাঁর পাকড়াও হচ্ছে অত্যন্ত কঠিন।’ (হুদ ১০২)

এ সম্পর্কে হাদিসে এসেছে- হজরত জাবির (রাজি.) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, ‘রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেলেন : তোমরা অত্যাচার করা হতে সাবধান থাক। নিশ্চয়ই অত্যাচারীর জন্য কেয়ামতের দিন হবে অন্ধকার। তোমরা কৃপণতা থেকে বেঁচে থাক। কৃপণতা তোমাদের আগের জনগণকে ধ্বংস করেছে। কৃপণতা তাদের অন্যায়ভাবে মানুষকে হত্যা করার প্রতি এবং হারামকে হালাল করার প্রতি উৎসাহিত করেছিল।’ (মুসলিম, মিশকাত হা/১৮৬৫; বাংলা মিশকাত, চতুর্থ খন্ড, হা/১৭৭১ জাকাত অধ্যায়)

উপরোক্ত হাদিস দ্বারা বোঝা যায়, অত্যাচারী ব্যক্তি কেয়ামতের কঠিন অন্ধকারে নিমজ্জিত হবে। আর সেই অত্যাচার যে কোনো ব্যাপারে হোক না কেন। আচার-আচরণ, কথাবার্তা, লেনদেন ইত্যাদি যে কোনো বিষয়ে হোক না কেন। জুলুম হয়ে গেলে ক্ষমা চেয়ে নিতে হবে নইলে পরকালে নেকির মাধ্যমে তার প্রায়শ্চিত্ত করতে হবে। আর নেকি না থাকলে অত্যাচারিত ব্যক্তির গোনাহ তার ওপর চাপিয়ে দেওয়া হবে। পাপের বোঝা নিয়ে অত্যাচারীকে জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হতে হবে।

সহিহ বুখারির অন্য বর্ণনায় আছে, রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুআজকে বললেন : ‘হে মুআজ! মজলুমের অভিশাপকে ভয় করবে। কেননা তার মাঝে ও আল্লাহর মাঝে কোনো পর্দা থাকে না।’ (বুখারি, হা/২২৬৮; মুসলিম, তিরমিজি হা/১৯৩৭)

হজরত আবু হুরাইরা (রাজি.) বলেন, রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : ‘তোমরা বলতে পার সবচেয়ে নিঃস্ব কে? সাহাবিগণ বললেন, আমাদের মাঝে সবচেয়ে দরিদ্র সেই যার কোনো অর্থ ও উপকারী বস্তু নেই।’ রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন : ‘আমার উম্মতের সবচেয়ে গরিব এমন ব্যক্তি যে সালাত, সিয়াম ও জাকাতের নেকি নিয়ে কেয়ামতের মাঠে উপস্থিত হবে।’

অন্যদিকে অন্যায়ভাবে হত্যা করা, অন্যায়ভাবে সম্পদ ভক্ষণ করা, অপবাদ দেওয়া ও গালি করার অভিযোগ নিয়ে উপস্থিত হবে। তখন তার নেকি থেকে তাদের পরিশোধ করা হবে। তার নেকি শেষ হয়ে গেলে তাদের পাপ নিয়ে তার ওপর চাপানো হবে এবং তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। (মুসলিম, হা/৪৬৭৮; মিশকাত হা/৫১২৮)

ওই হাদিস দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, অন্য মানুষের ওপর অত্যাচারে হক নষ্ট করা হয়, যা পাপের অন্তর্ভুক্ত। এটার দায়  কেয়ামতের দিন নেকি দিয়ে পরিশোধ করতে হবে।

হজরত আবু মুসা (রা) বলেন, রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন : ‘আল্লাহ তায়ালা অত্যাচারীকে এক নির্দিষ্ট সময়সীমা পর্যন্ত অবকাশ দিয়ে থাকেন। অবশেষে তাকে যখন পাকড়াও করেন, তখন তাকে আর ছাড়েন না। অতঃপর তিনি এই আয়াতটি পাঠ করলেন তোমার প্রতিপালকের ধরা এইরূপ যে যখন তিনি অত্যাচারী জনপদকে পাকড়াও করেন, তাঁর ধরা কঠিন।’ (মুত্তাফাক আলাইহ্, বুখারি হা/৪৩১৮; বঙ্গানুবাদ মিশকাত হা/৪৮৯৭)