দোহার-নবাবগঞ্জকে মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলবো: সালমান এফ রহমান

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বলেছেন, দোহার নবাবগঞ্জের মানুষ নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আমাকে নির্বাচিত করলে অসমাপ্ত কাজগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে দোহার-নবাবগঞ্জকে মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

শনিবার সকাল থেকে নবাবগঞ্জ উপজেলার চুড়াইন ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে উঠান বৈঠকে বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সালমান এফ রহমান জানান, দোহার নবাবগঞ্জ উপজেলার হাসপাতাল একশ বেডে উন্নতি করা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি লক্ষ্যে ট্রেনিং ইনস্টিটিউট, নাসিং ইনস্টিটিউট, কালিগঙ্গা নদীর দক্ষিণ তীর রক্ষা বাঁধ প্রকল্প, শেখ কামাল আইসিটি পার্ক চলমান রয়েছে। দোহার নবাবগঞ্জ ঢাকা আঞ্চলিক মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্প এবং দোহার নবাবগঞ্জ উপজেলার জন্য আলাদা গ্যাস লাইন স্থাপনের কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এই প্রকল্প গুলো বাস্তবায়ন হলে পাল্টে যাবে দোহার নবাবগঞ্জ।

বিএনপি এখন অসহযোগ আন্দোলন করছে যা হাস্যকর। দ্বাদশ নির্বাচনকে সামনে রেখে দোহার নবাবগঞ্জের ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা ও ঢাকা-১ আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী সালমান এফ রহমান। আওয়ামী লীগ টানা ক্ষমতায় থাকায় দেশের অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে। আর বিএনপি এটা সহ্য করতে না পেরে দেশের মানুষ পোড়াচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

তিনি আরো বলেন দোহার নবাবগঞ্জকে আধুনিক মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে যে সকল পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে এবং চলমান রয়েছে তা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।  তাই আগামী ৭ জানুয়ারি নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করে এই অসমাপ্ত কাজ বাস্তবায়নের সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান।

বিনয় জান্নাতি মানুষের স্বভাব

আল্লাহর প্রকৃত বান্দা হতে চাইলে জীবনের সর্বক্ষেত্রে প্রয়োজন বিনয়। ইবাদত-বন্দেগি থেকে শুরু করে ঘরে-বাইরে সবার সঙ্গে আচরণে বিনয়ী হওয়া অপরিহার্য। বিনয়ী ব্যক্তির ওঠাবসা, কথাবার্তা, এমনকি হাঁটাচলায়ও তা প্রকাশ পায়। আল্লাহ তাআলার বিধিবিধানের সামনে নিজেকে সঁপে দেওয়ার জন্য বিনয়ী হওয়া দরকার। বাহ্যত নিজের শ্রমে-ঘামে কিংবা অর্থ-মেধায় অর্জিত সফলতাকেও তখন সে আল্লাহর দান বলে বিশ্বাস করবে। পবিত্র কোরআনে প্রকৃত বান্দাদের গুণাগুণ উল্লেখ করে আল্লাহ তাআলা বলেছেন, ‘দয়াময়ের বান্দা তারাই, যারা পৃথিবীতে নম্রভাবে চলাফেরা করে।…’ (সুরা ফুরকান: ৬৩)

নবীজি (সা.) খুব বিনয়ী ছিলেন। খুব সাধারণভাবে মানুষের সঙ্গে মিলিত হতেন। যেকেউ যখন-তখন তাঁর সঙ্গে কথা বলতে পারত। কেউ কথা বলতে গিয়ে ভয় পেলে তিনি অভয় দিতেন। আবু মাসউদ (রা.) বলেন, ‘এক ব্যক্তি নবীজির সঙ্গে কথা বলতে এল। তখন সে ভয়ে কাঁপছিল। নবী (সা.) বললেন, ‘শান্ত হও। আমি কোনো রাজা-বাদশা নই। আমি একজন সাধারণ নারীর সন্তান।’ (ইবনে মাজাহ: ৩৩১২)

জান্নাতি ও জাহান্নামিদের বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করে নবী (সা.) বলেছেন, ‘আমি কি তোমাদের জান্নাতবাসীদের ব্যাপারে বলব না? তারা হচ্ছে দুর্বল, নরম স্বভাবের লোক, তাদের কেউ যদি আল্লাহর নামে কসম করে কিছু বলে, আল্লাহ অবশ্যই তার কসম রক্ষা করেন। আমি কি তোমাদের জাহান্নামিদের সম্পর্কে বলব না? তারা রূঢ় ও কর্কশ স্বভাবের, উদ্ধত, আত্মম্ভরি লোক।’ (বুখারি: ৪৯১৮; মুসলিম: ২৮৫৩)

বিনয়ের বিপরীত হলো অহংকার। যারা উগ্র, অহংকারী, বদমেজাজি, তারা নিজেরা নিজেদের বড় ভাবলেও পরিবার-পরিজন, আত্মীয় ও বন্ধুবান্ধব—কারও প্রিয়পাত্র হতে পারে না। সবাই তাদের আড়চোখে দেখে; যথাসম্ভব এড়িয়ে চলার চেষ্টা করে।

লেখকইসলামবিষয়ক গবেষক 

 

আমার স্বপ্ন দারিদ্র্যমুক্ত আধুনিক দোহার-নবাবগঞ্জ: সালমা ইসলাম এমপি

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী, জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান এবং সাবেক মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি বলেছেন, আমার নিজের কোনো চাওয়া-পাওয়া নেই। আমার স্বপ্ন দোহার-নবাবগঞ্জকে দারিদ্র্যমুক্ত একটি আধুনিক অঞ্চলে রূপান্তর করা। একজন জনপ্রতিনিধির সদিচ্ছায় তা সম্ভব; যদি আপনারা আমার পাশে থাকেন।

শুক্রবার নবাবগঞ্জের বারুয়াখালী ইউনিয়নের কুমার বারিল্লা এলাকায় আতাহার মেম্বারের বাড়িতে লাঙ্গল প্রতীকের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, শ্রমিক, কৃষকসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছাবিনিময় ও গণসংযোগকালে তিনি এ কথা বলেন।

সালমা ইসলাম বলেন, বিগত সময়ে আমি আপনাদের প্রতিনিধি হিসেবে এই অঞ্চলের উন্নয়নে কাজ করেছি। আমি আপনাদের ভোটে আবারও নির্বাচিত হলে আপনাদের দাবি মোতাবেক সব উন্নয়নকাজ পর্যায়ক্রমে সমাপ্ত করব ইনশাআল্লাহ।

জনসাধারণের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, বিগত সময়ে আমি আপনাদের কথা দিয়েছিলাম— দোহার- নবাবগঞ্জকে পদ্মার ভাঙন থেকে রক্ষায় কাজ করব। জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীকে আমি বলেছিলাম। আমার কথায় তিনি পদ্মার ভাঙন প্রতিরোধে ব্যবস্থা নিয়েছেন। ভাঙনরোধে এখনো কাজ চলমান রয়েছে দোহারে। অবহেলিত এই অঞ্চলের উন্নয়নে নিজের অর্থ খরচ করে কাজ করেছি। আপনাদের যে কোনো উন্নয়নকাজে পাশে পাবেন।

সালমা ইসলাম বলেন, কোনো মার্কা নয়, নবাবগঞ্জবাসীর উন্নয়নের কথা বিবেচনা করুন। সমাজচেতনা ও রাজনৈতিক সংহতির তীব্র অভাব, সীমাহীন অনৈতিক কর্মকাণ্ড ও ভয় আমাদের ভবিষ্যৎকে ধোঁয়াশা করে তুলেছে। স্বজনপ্রীতি, আত্মীয়করণ, ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্বলের প্রতি সবলের অত্যাচার ভয়ে আমাদের আবেগ-অনুভূতিকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে দেয়নি। তাই এখন সুযোগ এসেছে দিনবদলের। নবাবগঞ্জের উন্নয়নের সিদ্ধান্তে আসুন একসঙ্গে কাজ করি।

অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম বলেন, কোনো নির্দিষ্ট এলাকা নয়, দোহার ও নবাবগঞ্জের প্রতিটি মানুষ যেন সমান সুযোগ ভোগ করতে পারে। সারা দেশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে পারে। সেই সুযোগ গ্রহণ করুন। তা না হলে আবারও পিছিয়ে পড়বেন। আপনারা জানেন, আমার স্বামী বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম আপনাদের সব সময় পাশে ছিলেন। আমার পরিবারের কোনো লোকজনের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি এই অঞ্চলের কোনো মানুষ। আপনাদের সুখে-দুঃখে পাশে ছিলাম; থাকব। যখন প্রয়োজন হবে আমি আপনাদের পাশে থাকব। ভয় পাবেন  না, আতঙ্কের সৃষ্টি করলে একসঙ্গে প্রতিবাদ করবেন; জয় অনিবার্য।

অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এ সময় বলেন, আপনাদের বলতে চাই— শিল্পায়ন ছাড়া কোনো জাতি ও এলাকার দ্রুত উন্নয়ন হয়নি।  দোহার ও নবাবগঞ্জে তেমন কোনো শিল্প-কারখানা নেই বললেই চলে। আপনারা আমার পাশে থাকলে আগামী দিনে দোহার-নবাবগঞ্জে নতুন নতুন শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়তে সব ধরনের সহায়তা করা হবে। এর ফলে এই অঞ্চলের মানুষ প্রবাসে নয়; দেশেই চাকরি করতে পারবে। দূর হবে বেকারত্ব ও দারিদ্র্যতা। গ্যাসলাইন স্থাপনে অগ্রাধিকার পাবে নবাবগঞ্জবাসী। প্রয়োজনে ব্যক্তিগত অর্থ বিনিয়োগ করা হবে।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার মান উন্নয়নে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে দলীয়মুক্ত করে গুণীজনদের নিয়ে কাজ করব। নারীদের ক্ষমতায়নে সরকারি সুযোগ-সুবিধার পাশাপাশি আমি নিজেও সহায়তা করব তাদের জন্য। সেতু, সড়ক, কালভার্ট ও গ্রামীণ অবকাঠামোর উন্নয়নের জন্য আমি আপনাদের কাছে এসেছি লাঙ্গল প্রতীকের পক্ষে ভোট চাইতে। প্রিয় নবাবগঞ্জবাসী, আমি আপনাদের মুখে হাসি ফোটাতে বারবার  ছুটে আসি। একবার ভাবুন, যারা বিগত সময়ে মন্ত্রী, এমপি হয়েছেন, তারা কতটুকু সময় দিয়েছে এই নবাবগঞ্জের উন্নয়নে। তাই সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করুন; লাঙ্গল প্রতীকে ভোট দিয়ে আমাকে নির্বাচিত করুন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন নবাবগঞ্জ উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি জুয়েল আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক খলিলুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক বোরহান হোসেনসহ মহিলা পার্টি, যুবসংহতি, ছাত্রসমাজ, কৃষক পার্টির  জেলা-উপজেলা  ও বারুয়াখলী  ইউনিয়নের বিভিন্ন  পর্যাযের নেতৃবৃন্দ।

 

কোরআন ছুঁয়ে মিথ্যা বললে কি ইমান চলে যায়?

0

পবিত্র কোরআন মুসলমানদের কাছে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ গ্রন্থ। এর পবিত্রতা রক্ষা করা প্রত্যেকের কর্তব্য। কোরআন নিয়ে হাসি-তামাশা করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। একইভাবে কোরআনকে গুনাহের মাধ্যম বানানোও সম্পূর্ণ নিষেধ।

মানুষের কাছে নিজের কথা বিশ্বাসযোগ্য করে তোলার জন্য অনেকে কোরআনের আশ্রয় নেয়। কোরআন ছুঁয়ে মিথ্যা কথা বলে। এটা ইসলামের দৃষ্টিতে জঘন্যতম গুনাহের কাজ।

মিথ্যা বলা কবিরা গুনাহ। এটি মুনাফিকের স্বভাব।

 

আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘চারটি স্বভাব যার মধ্যে থাকবে, সে খাঁটি মুনাফিক গণ্য হবে। আর যার মধ্যে ওই চার স্বভাবের একটি থাকবে, তা ত্যাগ না করা পর্যন্ত তার মধ্যে মুনাফিকি থেকে যাবে। চার স্বভাব হলো এক. আমানতের খিয়ানত করে; দুই. কথা বললে মিথ্যা বলে; তিন. ওয়াদা করলে তা ভঙ্গ করে এবং চার. ঝগড়া-বিবাদে লিপ্ত হলে গালাগালি করে।’ (বুখারি ও মুসলিম)

মিথ্যা বলা যেখানে বড় গুনাহ, সেখানে কোরআন ছুঁয়ে, কোরআন অবমাননা করে মিথ্যা বলা কত বড় গুনাহ হবে? নিঃসন্দেহে এটি আরও জঘন্য অপরাধ। সাহল ইবনে মিনজাব থেকে বর্ণিত, ‘যে ব্যক্তি কোরআনের কোনো একটি সুরার কসম করবে, সে ওই সুরার প্রতিটি আয়াতের বিনিময়ে একটি করে গুনাহ নিয়ে আল্লাহর সামনে হাজির হবে।’ (ইবনে আবি শাইবা)

তবে কোরআন ছুঁয়ে মিথ্যা বলার কারণে ইমান চলে যাবে না। কারণ আল্লাহ ও তাঁর নবীকে অস্বীকার না করলে অথবা আল্লাহর সঙ্গে অন্য কাউকে অংশীদার না করলে কেউ কাফির হয় না; বরং এমন ব্যক্তিও মুমিন। তবে তার ইমান অসম্পূর্ণ। তার জন্য তওবা করা আবশ্যক। তওবা ছাড়া এই গুনাহ থেকে মুক্তির কোনো পথ নেই।

 

সেরা করদাতা সম্মাননা পেলেন সালমান এফ রহমান ও এ এস এফ রহমান

সেরা করদাতা সম্মাননা ও ট্যাক্স কার্ড পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ও তাঁর ভাই এ এস এফ রহমান।  গত বুধবার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আয়োজিত করদাতা সম্মাননা অনুষ্ঠানে তাঁদের প্রতিনিধিরা সম্মাননা গ্রহণ করেন।

বৃহৎ করদাতা ইউনিট (এলটিইউ) ট্যাক্সে নিবন্ধিত সালমান এফ রহমান বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান ও ঢাকা-১ আসনের (নবাবগঞ্জ- দোহার) সংসদ সদস্য।  এ এস এফ রহমান বেক্সিমকো গ্রুপের চেয়ারম্যান।  তাঁরা দুজনই ২০২২-২৩ কর বর্ষে ঢাকা সিটি করপোরেশন শ্রেণিতে সর্বোচ্চ করদাতা নির্বাচিত হয়েছেন।

বেক্সিমকো গ্রুপ দেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্প গ্রুপ।  তৈরি পোশাক, ওষুধ, জ্বালানি, সিরামিক, প্রযুক্তি, গণমাধ্যম, ব্যাংকসহ নানা খাতে বিনিয়োগ আছে বেক্সিমকোর। দেশের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বিদেশে পণ্য রপ্তানি করে। ৬০ হাজারের বেশি কর্মসংস্থান করেছে বেক্সিমকো।

সম্মাননা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থ সচিব ডক্টর খায়েরুজ্জামান মজুমদার ও এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম।  এবার সর্বোচ্চ কর দেওয়ায় সারা দেশের ১৪১ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা দিয়েছে এনবিআর। আয়কর প্রদানে নাগরিকদের উৎসাহিত করতে এ সম্মাননা দিচ্ছে সংস্থাটি।

দোহারে বিকাশ হাউজের পৌষপিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত

শরীফ হাসান: ঢাকার দোহার উপজেলায় মোবাইল ফিনানশিয়াল সার্ভিস বিকাশের ডিস্ট্রিবিউশন হাউজ মেসার্স প্রতিভা এন্টারপ্রাইজের আয়োজনে বুধবার বিকালে থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে শীতকালীন পৌষ পিঠা উৎসব। আবহমান গ্রাম বাংলার ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে ধরে রাখতেই এমন আয়োজন বলে জানান ডিস্ট্রিবিউশন ম্যানেজার আবু বকর। পৌষ পিঠা উৎসবকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন পিঠাপুলিতে সমৃদ্ধ ছিল স্থানটি। একসঙ্গে সবাই এক সাথে পিঠা উৎসব পালন করায় মেসার্স প্রতিভা এন্টারপ্রাইজের কর্মকর্তা ও কর্মচারী, বাজারসংশ্লিষ্টগন খুশি হন।

লোভনীয় নানা রকমের পিঠার স্বাদ নিতে ভুল করেননি অনুষ্ঠানের অতিথিগন। চিতই, মোরগ সংসা, ভাপা পিঠা, পাটিসাপটাসহ নানা নামের বাহারী সব পিঠা যেন হাজেরা ম্যানশনের মেসার্স প্রতিভা এন্টারপ্রাইজের কার্যালয়ের হাউজকে করে তুলেছিল ভোজনরসিক পিঠাপ্রেমীদের রসনা বিলাসের একটি দিন।

মেসার্স প্রতিভা এন্টারপ্রাইজ (বিকাশ) এর মেনেজার আবু বকর রন্টির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত, বিকাশের রিজিয়নাল সেলস ম্যানেজার সাইফুর রহমান, এরিয়া ম্যানেজার মো: নাজমুল হক খান, টেরিটোরির ম্যানেজার শরিফ বিন আবু শাহরিয়ারসহ প্রতিভা এন্টারপ্রাইজ এর চেয়ারম্যান মেহেদী আরিফ সহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ।

দোহারে সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের ৮ ডাকাত গ্রেপ্তার

দোহার (ঢাকা) প্রতিনিধি: ঢাকার দোহার উপজেলায় সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের সক্রিয় ৮ ডাকাতকে গ্রেপ্তার করেছে দোহার থানা পুলিশ। মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার (২০ ডিসেম্বর) বিকেলে এক প্রেস রিলিজের মাধ্যমে দোহার সার্কেল এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আশরাফুল আলম এ তথ্য জানান।

গ্রেপ্তারকৃত আসামীরা হলেন, দোহার উপজেলার দক্ষিণ দেবীনগর এলাকার হানিফ চোকদারের ছেলে সুজন চোকদার (২০), একই এলাকার মোঃ জাহান আলী বেপারীর ছেলে পরশ ওরফে জাহিদ বেপারী (২৮), উত্তর দেবীনগর এলাকার মধু বেপারীর ছেলে সুরুজ মিয় ওরফে সরু (৩৪), কুলছুড়ি এলাকার দাদন চোকদারের ছেলে রাকিব চোকদার (২০), দক্ষিণ রাধানগর এলাকার শেখ লিটন এর ছেলে ইমন শেখ (২০), একই এলাকার শেখ লাল মিয়ার ছেলে বাচ্চু মিয়া (৩২), একই এলাকার বজলু বেপারীর ছেলে শাকিল বেপারী (২০), চরকুশাই এলাকার ছামছু চোকদারের ছেলে নাজমুল চোকদার (২৫)।

প্রেস রিলিজ সূত্রে জানা যায়, সোমবার (১৮ ডিসেম্বর) উপজেলার দক্ষিণ রাধানগর এলাকার মোঃ ছন্দু মোল্লার বাড়িতে প্রতিদিনের ন্যায় রাতের খাবার খেয়ে বাড়ির সকল সদস্য ঘুমিয়ে পড়েন। পরে ওই দিন দিবাগত রাত ২টা ৪৫ মিনিটের দিকে ঘরের কাঠের দরজা ভেঙ্গে সংঘবদ্ধ দুর্ধর্ষ ডাকাত দলের ৭/৮ সদস্য দেশীয় অস্ত্র নিয়ে প্রবেশ করে। পরে মোঃ ছন্দু মোল্লার ছেলে রেজাউল করিম রমজানের বাম হাতে ধারালো চাপাতি দিয়ে কোপিয় জখম করে সবাইকে অস্ত্রের মুখে খুন করার ভয়-ভীতি দেখিয়ে জিম্মি করে। এ সময় ঘরের আলমিরার তালা ভেঙ্গে ৫ আনা ওজনের ১টি স্বর্ণের চেন, সাড়ে ৫ আনা ওজনের স্বর্ণের ১ জোড়া কানের দুল, সাড়ে ৩ আনা ওজনের ১ জোড়া কানের দুল, ২টি সামস্যাং ও ১টি অপ্পো মোবাইল সেট এবং ২টি টর্চ লাইট লুট করে নিয়ে পালিয়ে যায় ডাতাক দল। যার আনুমানিক বাজার মূল্য রয়েছে ১ লক্ষ ৪৪ হাজার টাকা। পরে এই ঘটনায় মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) মোঃ ছন্দু মোল্লার ছেলে রেজাউল করিম রমজান বাদী হয়ে দোহার থানায় অজ্ঞাতনামা ৭/৮ জনের বিরুদ্ধে একটি ডাকাতি মামলা দায়ের করেন।

প্রেস রিলিজ সূত্রে আরও জানা যায়, উক্ত মামলার আলোকে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার মোঃ আসাদুজ্জামন এর নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ আমিনুল ইসলামের দিক নির্দেশনায় দোহার সার্কেল এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ আশরাফল আলম এর তত্বাবধানে ও অপারেশন পরিকল্পনায় দোহার থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ হারুন-অর রশিদ এর নের্তৃত্বে দোহার থানা পুলিশের একটি চৌকস দল তথ্য প্রযুক্তির সহযোগিতায় ডাকাতি ঘটনার সাথে জড়িত ৮ জন ডাকাতকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।

দোহার সার্কেল এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ আশরাফুল আলম বলেন, গ্রেপ্তারকৃত আসামীরা সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য। এ ডাকাতির ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা তারা স্বীকার করে। আসামীরা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন সময় রেকিং করে ডাকাতি করে আসছিল। এরা মূলত মাদকের টাকা জোগার করতে ডাকাতি করে। আসামীদের বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক ডাকাতি মামলা রয়েছে। আসামীদের সাথে আরও কারা কারা জড়িত রয়েছে সে বিষয়ে তদন্ত অব্যহত রয়েছে বলেও জানান এ পুলিশ কর্মকর্তা।

বেড়েছে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা

0

বুধবার সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে তেঁতুলিয়ায়। মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) এ জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়।

আরও পড়ুন

পৌষের প্রথম দিনে তাপমাত্রা নামল . ডিগ্রিতে

ঢাকায় একদিনে তাপমাত্রা কমেছে . ডিগ্রি

গত কয়েকদিন ধরে রাজধানী ঢাকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রাও বাড়ছে। বুধবার ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১৬.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যদিও গত ১৪ ডিসেম্বর ঢাকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আগের দিনের তুলনায় ২.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমে ১৪.২ ডিগ্রিতে নেমেছিল।

অন্যদিকে চলতি পৌষ মাসের প্রথম দিন গত ১৬ ডিসেম্বর দেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রার পারদ নেমেছিল ৯.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা চলতি মৌসুমে সর্বনিম্ন।

বর্ধিত পাঁচ দিনের আবহাওয়ার অবস্থায় বলা হয়েছে, সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে এবং দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

জয়ী হলে অসমাপ্ত কাজ শেষ করার প্রতিশ্রুতি সালমা ইসলামের

শুরু হয়েছে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা। ঢাকার বিভিন্ন আসনেও বিরাজ করছে নির্বাচনী আমেজ। ঢাকা-১ আসনে এবার জাতীয় পার্টির প্রার্থী সাবেক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম। দোহার-নবাবগঞ্জের সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিতে লাঙ্গল প্রতীকে ভোট দিতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৮ ডিসেম্বর) সকালে নবাবগঞ্জের টিকরপুর বাজার থেকে গণসংযোগ শুরু করেন অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম। নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের সাথে কুশল বিনিময় করেন তিনি। ভোটারদের কথা মন দিয়ে শোনেন, সংকট সমাধানের আশ্বাসও দেন।

এ সময় নির্ভয়ে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে পছন্দের প্রার্থী বাছাই করার আহ্বান জানান তিনি। সালমা ইসলাম বলেন, অতীতেও এলাকার উন্নয়নে কাজ করেছেন তিনি।  জয়ী হলে অসমাপ্ত কাজ শেষ করার প্রতিশ্রুতি দেন ভোটারদের। বিশেষভাবে পদ্মার ভাঙনরোধ, স্কুল-কলেজ সরকারিকরণ, গ্যাস সংযোগ প্রদানসহ দোহার-নবাবগঞ্জের সংকট সমাধানের আশ্বাস দেন।

প্রতীক নিয়ে জনগনের দ্বারে দ্বারে সালমান এফ রহমান

মোঃ আশিক শেখ:  দোহার নবাবগঞ্জে এবারো নৌকার হাল ধরলেন সালমান এফ রহমান। ৭ই জানুয়ারি ২০২৪ সালের আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন- কে সামনে রেখে দোহার-নবাবগঞ্জে চলছে নির্বাচনী ব্যস্ততা।

আজ ১৮ই ডিসেম্বর রোজ সোমবার নবাবগঞ্জ উপজেলায় দৌলতপুর বাজার থেকে সকাল ১০ টা থেকে প্রচারণা শুরু করে। এরপর মালিকান্দা বাজার প্রচারণা করেন। পর্যায়ক্রমে মিলিং বাজার, সিনজুর বাজার, শুললা বাজার, যন্ত্রাইল বাজার, নবাবগঞ্জ বাজার, বাগমারা বাজার, বক্সনগর বাজার, কোমারগঞ্জ বাজার, আগলা বাজার সহ সর্বশেষে টিকরপুর বাস ইস্টার্ন পর্যন্তু নৌকার পদপার্থী হিসেবে সালমান এফ রহমান নৌকা মার্কায় জনগনের কাছে ও প্রতি বাজারের দোকানে দোকানে নিজ প্রতীক নিয়ে ঘুরে ঘুরে নৌকা মার্কায় ভোট চায়।

নবাবগঞ্জ উপজেলা শহিদ মিনারে সাংবাদিকদের প্রশ্নে সালমান এফ রহমান বলেন, “আমি দোহার নবাবগঞ্জের মানুষের জন্য কথা দিয়েছিলাম গ্যাস এর ব্যবস্থা করবো এইটি প্রসেসিং করা হয়ে উঠেনি। তিনি বলেন তবে এবার কথা দিলাম সর্বপ্রথম আমি দোহার নবাবগঞ্জের মানুষের জন্য গ্যাস ব্যবস্থা করবো।”

এসময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক পনিরুজ্জামান তরুন, দোহার উপজেলা চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক লাবণ্য ভূইয়া, নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মিজানুর রহমান কিসমত,সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান শিকদার, নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা মো: পলাশ। ঢাকা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি গিয়াস উদ্দিন সোহাগ। আরো উপস্থিত ছিলেন নবাবগঞ্জ উপজেলার ইউনিয়ন চেয়ারম্যানগন সহ উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ছাত্রলীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ সহ নবাবগঞ্জ উপজেলার আওয়ামী সকল নেতৃবৃন্দ।

নবাবগঞ্জ উপজেলায় দৌলতপুর বাজার থেকে সকাল ১০ টায় সালমান এফ রহমান তার নিজ প্রচারণা কার্যক্রম শুরু করেন; বিকেল ৪ টায় টিকিটপুর বাস স্ট্যান্ডে সমাপ্তি ঘটায়।