জয়পাড়ায় দোকান থেকে কর্মচারীকে তুলে নিয়ে নির্যাতন, আটক ২

ঢাকার দোহারে এক দোকান কর্মচারীকে দোকান থেকে তুলে নিয়ে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগে দুই যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার জয়পাড়া বাজারের কলেজ মার্কেটে অবস্থিত ‘দোহার লাইব্রেরি’ নামের একটি বইয়ের দোকান থেকে খোকন নামে এক কর্মচারীকে তুলে নিয়ে মারধর করে সামীর হোসেন (২২) ও জিহাদ হোসেন। অভিযুক্ত সামীর বানাঘাটা এলাকার আনোয়ার হোসেনের ছেলে এবং জিহাদ মো. আশরাফ হোসেনের ছেলে।

এদিকে, খোকনকে মারধরের সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি স্থানীয় সংসদ সদস্য খন্দকার আবু আশফাকের নজরে আসে। পরে তাঁর তাৎক্ষণিক নির্দেশনায় বৃহস্পতিবার বিকেলে দোহার থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত দুই যুবককে আটক করে। ভিডিওতে দেখা যায় দুই জন ব্যক্তি দোকানের ভেতর থেকে মারধর করে খোকনকে তুলে নিয়ে যায়।

দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, “ঘটনার ভিডিওটি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর মাননীয় এমপি খন্দকার আবু আশফাক এবং ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার শামীমা পারভীনের নির্দেশে আমরা দ্রুত অভিযান চালাই। অভিযুক্ত দুইজনকে ইতিমধ্যেই আটক করা হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

এই ঘটনায় সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে। কমেন্ট থেকে দেখা যায় সবাই সন্দেহ করছেন পূর্ব ঘটনা আছে।

গাজায় ইসরাইলি হামলায় নিহত ৯

ফিলিস্তিনের গাজা নগরীতে বিমান হামলা চালিয়েছে দখলদার ইসরাইলি বাহিনী। এই হামলায় অন্তত ৯ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে চার শিশু রয়েছে।

বুধবার (৩ জুন) দিবাগত রাতে গাজা নগরীজুড়ে চারটি আবাসিক অ্যাপার্টমেন্টে ওই বিমান হামলার ঘটনা ঘটে। খবর আলজাজিরার।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় লোকজনের জন্য কোনো ধরনের আগাম সতর্কতা জারি করা ছাড়াই এসব হামলা চালানো হয়। উদ্ধার তৎপরতা চলছে।

এর আগে স্থানীয় আল-শিফা হাসপাতাল সূত্রের বরাতে আলজাজিরা জানিয়েছিল, এসব হামলায় ছয়জন নিহত হয়েছেন। পরে সংখ্যাটি বাড়ানো হয়েছে। শিশু ও নারীসহ আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

ইসরাইল ও ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চলছে। এর মধ্যে গাজায় হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরাইলি সামরিক বাহিনী।

হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজার সরকারি গণমাধ্যম দপ্তর জানিয়েছে, গত বছরের ১ অক্টোবর থেকে যুদ্ধবিরতি শুরু হয়। এর পর থেকে এখন পর্যন্ত তিন হাজারেরও বেশিবার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে ইসরাইল।

দপ্তর আরও জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের এসব ঘটনায় অন্তত ৯০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন দুই হাজারেরও বেশি।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের অক্টোবরে ইসরাইলের গণহত্যামূলক যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় সাড়ে ৯ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিখোঁজ হয়েছেন। নিখোঁজদের মধ্যে প্রায় ৪৭০০ নারী ও শিশু রয়েছেন।

বিদ্যুতের নতুন মূল্যহার পুনর্বিবেচনা করতে বিইআরসিকে অনুরোধ মন্ত্রণালয়ের

প্রান্তিক গ্রাহকদের ভোগান্তির কথা বিবেচনা করে বিদ্যুতের নতুন মূল্যহার পুনর্বিবেচনার জন্য বিইআরসিকে অনুরোধ করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ। বৃহস্পতিবার বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা (উপপ্রধান তথ্য কর্মকর্তা) প্রেরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, সম্প্রতি বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থা/কোম্পানির বিভিন্ন গ্রাহকশ্রেণির বিদ্যুতের খুচরা মূল্যহার পরিবর্তনের প্রস্তাব প্রাপ্ত হয়ে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন কর্তৃক ২০-২১শে মে গণশুনানি গ্রহণপূর্বক বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন আইন, ২০০৩ এর ধারা ২২(খ) ও ৩৪ এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বিদ্যুতের পাইকারি (বাল্ক), সঞ্চালন এবং খুচরা মূল্যহার পুনর্নির্ধারণ করা হয়।

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) এর পুনর্নির্ধারিত ট্যারিফে বিদ্যুৎ বিভাগের অনুমোদনক্রমে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক প্রেরিত প্রান্তিক (লাইফ লাইন) গ্রাহকদের জন্য প্রস্তাবিত ট্যারিফের প্রতিফলন ঘটেনি-যা বিদ্যুৎ বিভাগের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। বিদ্যুৎ বিভাগ মনে করে, এতে প্রান্তিক গ্রাহকগণ বিশেষ করে নিম্নবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর বিদ্যুৎ খাতে ব্যয় অনেক বেড়ে যাবে। ফলে তাদের জীবনযাত্রার উপর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে।

উল্লেখ্য, দেশের নিম্নবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি করার জন্য বর্তমান সরকার সম্ভাব্য সকল পদক্ষেপ নিয়েছে। ফলে প্রান্তিক গ্রাহকদের জন্য পুননির্ধারিত ট্যারিফ সরকারের গৃহীত নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এ পরিপ্রেক্ষিতে পুননির্ধারিত ট্যারিফ পর্যালোচনা করে প্রান্তিক গ্রাহকের (লাইফ লাইন) এর জন্য বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক ৩রা মে প্রেরিত প্রস্তাবের আলোকে পুননির্ধারণের জন্য বিদ্যুৎ বিভাগ হতে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনকে (বিইআরসি) অনুরোধ করে পত্র প্রেরণ করা হয়। বিইআরসি এই বিষয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এমন আশা ব্যক্ত করেছে মন্ত্রণালয়।

সারা দেশে ৯৩ লাখ ৬৭ হাজার ৪১৮টি গবাদিপশু কোরবানি হয়েছে

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের আওতাধীন ৮টি বিভাগ থেকে প্রাপ্ত প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, পবিত্র ঈদুল আজহা ২০২৬ উপলক্ষ্যে সারাদেশে মোট ৯৩ লাখ ৬৭ হাজার ৪১৮টি গবাদিপশু কোরবানি হয়েছে।

এর মধ্যে গরু ও মহিষ ৪৮ লাখ ৬৪ হাজার ১৫৮টি, ছাগল ও ভেড়া ৪৫ লাখ ২ হাজার ২৩৩টি। এ ছাড়া অন্যান্য পশু রয়েছে ১ হাজার ২৭টি।

আজ (বৃহস্পতিবার) সচিবালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

দেশব্যাপী কোরবানি হওয়া গবাদিপশুর প্রাথমিক হিসাব এবং সরকারের গৃহীত কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের আওতাধীন ৮টি বিভাগ থেকে প্রাপ্ত প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, এ বছর মোট জবাইকৃত বা কোরবানিকৃত পশুর সংখ্যা ৯৩ লাখ ৬৭ হাজার ৪১৮টি। এর মধ্যে গরু ও মহিষের সংখ্যা ৪৮ লাখ ৬৪ হাজার ১৫৮টি, ছাগল ও ভেড়ার সংখ্যা ৪৫ লাখ ২ হাজার ২৩৩টি এবং অন্যান্য পশু ১ হাজার ২৭টি।

বিভাগভিত্তিক কোরবানির চিত্র পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ঢাকা বিভাগে এবার সর্বাধিক ২৩ লাখ ৫১ হাজার ৬৬৬টি পশু কোরবানি হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ১৩ লাখ ৬৯ হাজার ৫টি গরু ও মহিষ, ৯ লাখ ৮২ হাজার ১০৭টি ছাগল ও ভেড়া এবং ৫৫৪টি অন্যান্য পশু। গরু ও মহিষ কোরবানির ক্ষেত্রে ঢাকা বিভাগ দেশের শীর্ষে রয়েছে।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ কোরবানি হয়েছে রাজশাহী বিভাগে, যার সংখ্যা ২৩ লাখ ৪২ হাজার ৮৬৯টি। এর মধ্যে গরু ও মহিষ ৭ লাখ ৯৬ হাজার ১২১টি, ছাগল ও ভেড়া ১৫ লাখ ৪৬ হাজার ৭০৬টি এবং অন্যান্য পশু ৪২টি। ছাগল ও ভেড়া কোরবানির ক্ষেত্রে রাজশাহী বিভাগ দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছে।
তৃতীয় অবস্থানে থাকা চট্টগ্রাম বিভাগে কোরবানি হয়েছে ১৭ লাখ ৩৪ হাজার ২৫টি পশু। যার মধ্যে গরু ও মহিষ ১২ লাখ ১৮ হাজার ৬৭২টি, ছাগল ও ভেড়া ৫ লাখ ১৪ হাজার ১৯২টি এবং অন্যান্য পশু ১৬১টি।

অন্যান্য বিভাগের মধ্যে খুলনায় ৮ লাখ ৪৬ হাজার ৫টি, রংপুরে ১০ লাখ ৫০ হাজার ৫৫৪টি, বরিশালে ৪ লাখ ১৬০টি, ময়মনসিংহে ৩ লাখ ৬৭ হাজার ৮১৮টি এবং সিলেট বিভাগে ২ লাখ ৭৪ হাজার ৩২১টি পশু কোরবানি হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, এ বছর পবিত্র ঈদুল আজহায় কোরবানির যোগ্য পশুর মোট চাহিদা ছিল ১ কোটি ১ লাখ ৬ হাজার ৩৩৪টি। এর বিপরীতে দেশে কোরবানির যোগ্য পশুর প্রাপ্যতা বা জোগান ছিল ১ কোটি ২৩ লাখ ৩৩ হাজার ৮৪০টি। ফলে কোরবানি শেষে দেশে এবার ২৯ লাখ ৬৬ হাজার ৪২২টি পশু উদ্বৃত্ত রয়েছে।

গত বছর (২০২৫ সাল) কোরবানির পশুর সম্ভাব্য চাহিদা ছিল ১ কোটি ৩ লাখ ৭৯ হাজার ২০টি এবং প্রাপ্যতা ছিল ১ কোটি ২৪ লাখ ৪৭ হাজার ৩৩৭টি। গত বছর দেশে মোট ৯১ লাখ ৩৬ হাজারটি পশু কোরবানি হয়েছিল এবং উদ্বৃত্ত ছিল ৩৩ লাখ ১১ হাজার ৩৩৭টি পশু। সেই তুলনায় গত বছরের চেয়ে এবার ২ লাখ ৩১ হাজার ৪১৮টি বেশি পশু কোরবানি হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, দেশীয় খামারিদের উৎপাদিত পশুর মাধ্যমেই এ বছরও কোরবানির শতভাগ চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হয়েছে। সরকারের সময়োপযোগী নীতি সহায়তা, খামারিদের কঠোর পরিশ্রম ও উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগের কারণে প্রাণিসম্পদ খাত আজ স্বয়ংসম্পূর্ণ। গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী করতে ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সরকার আধুনিক প্রযুক্তি ও খামারি বান্ধব নীতি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি সফলভাবে কোরবানি ব্যবস্থাপনা সম্পন্ন করার জন্য দেশের সকল খামারি, ব্যবসায়ী, ভোক্তা, স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং গণমাধ্যমকর্মীদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় রোববার

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় রায় ঘোষণার জন্য আগামী রোববার (জুন) ধার্য করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ মামলায় রাষ্ট্র ও আসামি পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য এদিন ধার্য করেন।

এর আগে গত সোমবার (১ জুন) আদালত আসামি সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। পরদিন চার্জশিটভুক্ত ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য নিয়ে সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ করেন। গতকাল আত্মপক্ষ সমর্থন শুনানিতে আসামিরা নিজেরদের নির্দোষ দাবি করেন।

গত ২৪ মে ট্রাইব্যুনাল দুই আসামির বিরুদ্ধে দাখিল করা অভিযোগপত্র আমলে নেয়। এর আগে একই দিনে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হকের আদালতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান অভিযোগপত্র জমা দেন। পরে মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে মোট ১৭ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

মামলার সূত্রে জানা যায়, রামিসা পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘর থেকে বের হলে স্বপ্না তাকে কৌশলে রুমের ভেতরে নেয়। ওইদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন তার মা। একপর্যায়ে আসামির রুমের সামনে শিশুটির জুতা দেখতে পান তিনি। ডাকাডাকির পর কোনও সাড়াশব্দ না পেয়ে রামিসার বাবা-মা এবং অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে আসামির শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং মাথা রুমের ভেতরে একটি বড় বালতির মধ্যে দেখতে পান। জাতীয় জরুরী সেবা ৯৯৯ এর মাধ্যমে কল পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়নগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তারে সক্ষম হয় পুলিশ।

এ ঘটনায় ২০ মে ভিকটিমের বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন।

নবাবগঞ্জে নিখোঁজের ৮ দিন পর নারায়ণের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার

প্রতিবেদক আশিক হোসেন: ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় নিখোঁজ হওয়ার আট দিন পর নারায়ণ সরকার (৫৫) নামে এক ব্যক্তির অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার গালিমপুর এলাকার আড়িয়াল বিলের চক থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত নারায়ণ সরকার উপজেলার বড় বক্সনগর চৌরাহাটি গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।

পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত পবিত্র ঈদের দিন সকালে নারায়ণ সরকার গালিমপুর আড়িয়াল বিলের চকের ডেঙ্গায় মাছ ধরতে যান। এরপর আর তিনি বাড়িতে ফিরে আসেননি। স্বজনরা সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। নিখোঁজের এক সপ্তাহ পর আজ বৃহস্পতিবার সকালে বক্সনগর চকের একটি ডাঙার পাশে তার অর্ধগলিত মরদেহ দেখতে পান স্বজনরা। পরে বিষয়টি নবাবগঞ্জ থানা পুলিশকে জানানো হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে।

নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ জানায়, লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ বিষয়ে একটি অপমৃত্যু মামলা বা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।

প্রচণ্ড গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন, ৪৯ জেলায় তাপপ্রবাহ

মধ্য মে থেকে টানা তাপপ্রবাহ বইছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। এর দাপট বেড়েই চলেছে। গতকাল বুধবার ৪৯টি জেলা ছিল তাপপ্রবাহের কবলে। এর প্রভাবে প্রচণ্ড গরমে অতিষ্ঠ দেশের জনজীবন।

গতকাল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল দিনাজপুরে ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, রাজধানী ঢাকায় ছিল ৩৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চাঁদপুর, নোয়াখালী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাসহ রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।

তবে আজ বৃহস্পতিবার রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে।

তবে বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক দিয়ে ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো বাতাস বয়ে যেতে পারে। এর সঙ্গে বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এসব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে হবে।

বৃষ্টি হলেও আজ সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

এদিকে রাজধানী ঢাকায় আজ সকাল ৬টায় তাপমাত্রা ছিল ২৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত ৬টা ৪৩ মিনিটে, আগামীকাল সূর্যোদয় ৫টা ১১ মিনিটে।

ঈদুল আজহার ১৩ দিনে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২৮১ জন

২১ মে থেকে ২ জুন পর্যন্ত, ঈদুল আজহার আগে ও পরে ১৩ দিনে দেশে ২৯২ টি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ২৮১ জন, আহত হয়েছেন ৮৩৭ জন। অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় ২২ জন। ঈদযাত্রা শেষে সড়ক দুর্ঘটনার এই প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মোট প্রাণহানির প্রায় অর্ধেকই মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায়। ১৪১টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ১২৪ জন, যা মোট নিহতের ৪৪ শতাংশেরও বেশি। এছাড়া নিহতদের মধ্যে ৩৪ জন নারী, ৪৮ জন শিশু এবং ৩৭ জন পথচারী রয়েছেন।

বিভাগভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি ঘটেছে ঢাকা বিভাগে। ৯৫টি দুর্ঘটনায় সেখানে নিহত হয়েছেন ১০১ জন। অন্যদিকে সবচেয়ে কম প্রাণহানি হয়েছে সিলেট বিভাগে। রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের মতে, বেপরোয়া গতি, ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন, চালকদের অদক্ষতা, দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং কিশোর-তরুণদের ঝুঁকিপূর্ণ মোটরসাইকেল চালানো দুর্ঘটনার প্রধান কারণ।

একই সময়ে ১৩টি নৌ-পথ দুর্ঘটনায় ৮ জন নিহত ও ১৫ জন আহত হয়েছেন। এই সাথে ২৪টি কোরবানির গরু মারা গেছে। ২২টি রেলপথ দুর্ঘটনায় ১৭ জন নিহত এবং ৯ জন আহত হয়েছেন।

প্রতিবেদনের সুপারিশে জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা কাউন্সিল (এনআরএসসি) শক্তিশালীকরণ, বিআরটিএ, বিআরটিসি ও ডিটিসিএ-এর সংস্কার, আধুনিক নিরাপত্তা প্রযুক্তির ব্যবহার, মেয়াদোত্তীর্ণ যানবাহন প্রত্যাহার, গণপরিবহন উন্নয়ন, দক্ষ চালক তৈরি, নিরাপদ সড়ক ও রেলক্রসিং ব্যবস্থা, জনসচেতনতা বৃদ্ধি, প্রশাসনিক দক্ষতা উন্নয়ন এবং সড়ক, রেল ও নৌ-পরিবহন সমন্বয়ে একটি অভিন্ন যোগাযোগ মন্ত্রণালয় গঠনের সুপারিশ করা হয়েছে।

দোহার ও নবাবগঞ্জে আওয়ামীলীগের ১২ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার, কারাগারে প্রেরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক: দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলায় রাতভর বিশেষ অভিযান চালিয়ে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের ১২ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া নাশকতা মামলায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার (৩ জুন) দুপুরে গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার অংশ হিসেবে দোহার ও নবাবগঞ্জ থানার একাধিক দল মঙ্গলবার গভীর রাত থেকে বুধবার ভোর পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় যৌথ অভিযান চালায়। অভিযানে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মামলায় এজাহারভুক্ত ১২ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

দোহার থানায় গ্রেপ্তার ৭ জন: দোহার থানা পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—

আব্দুল কুদ্দুস (৫৭): সক্রিয় সদস্য, দোহার থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগ।

রিপন ভূঁইয়া (৫০): সাবেক সাধারণ সম্পাদক, মুকসুদপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ।

মো. খলিল শিকদার (৩৬): সক্রিয় সদস্য, বিলাসপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগ।

মো. সারোয়ার আলম হানিফ (৩৫): সাবেক পাঠাগারবিষয়ক সম্পাদক, দোহার উপজেলা ছাত্রলীগ।

আব্দুল খালেক মোল্লা (৫০): সভাপতি, বিলাসপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগ।

মো. বিশা মাতবর (৬০): সক্রিয় সদস্য, বিলাসপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ।

মো. বায়েজিদ হোসেন বাদল চৌকিদার (৫৯): সক্রিয় সদস্য, দোহার উপজেলা যুবলীগ।

পুলিশ জানায়, সকালে তাদের দোহার থানা থেকে আদালতে প্রেরণ করার সময় আসামিরা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেন।

গ্রেফতার সারোয়ার হানিফের ভাই শাহীন জানান, ভাই ২০১৪ সালের পর থেকে কোন প্রকার রাজনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িত নয়। তিনি বাড়ীতে থাকেন, পারিবারিক বিষয়াদি দেখাশোনা করেন। স্থানীয় উঠতি চাদাবাজ ও দালালদের কারণে আমাদের এই ভোগান্তি।

নবাবগঞ্জে গ্রেপ্তার ৫ জন: নবাবগঞ্জ থানা এলাকায় পরিচালিত পৃথক অভিযানে গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—

নজির চৌধুরী (৪৫): সভাপতি, ২ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগ, কৈলাইল ইউনিয়ন।

এস এম আক্তার হোসেন (৫৫): সহসভাপতি, ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের, আগলা ইউনিয়ন।

মো. নুরুল ইসলাম (৬০): আহ্বায়ক, বক্সনগর ইউনিয়ন তাঁতীলীগ।

মীর খোকন (৪০): সাধারণ সম্পাদক, বান্দুরা ইউনিয়ন যুবলীগ।

লিটন মাদবর (৪৯): সদস্য, কৈলাইল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ।

নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টা থেকে বুধবার সকাল ৬টা পর্যন্ত এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে এসআই মোস্তাফিজুর রহমান, এসআই শুভ আহমেদ, এসআই দেলোয়ার, এসআই মনিরুজ্জামান ও এএসআই তোফাজ্জল হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের একাধিক দল অংশ নেয়।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় সংঘটিত নাশকতা, সহিংসতা ও হামলার অভিযোগে মামলা রয়েছে। মামলার তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতেই এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

দোহার সার্কেলের জ্যেষ্ঠ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শামীম হোসেন জানান, এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং সুনির্দিষ্ট মামলার পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের এই বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

পুলিশের ঊর্ধ্বতন ৯ কর্মকর্তা বদলি

বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সহকারী পুলিশ সুপার পদমর্যাদার ৯ কর্মকর্তাকে বদলি ও পদায়ন করা হয়েছে। ‎মঙ্গলবার অ্যাডিশনাল ডিআইজি রায়হান উদ্দিন খান স্বাক্ষরিত এক আদেশে তাদের বদলি ও পদায়ন করা হয়।

‎বদলীকৃত কর্মকর্তারা হলেন—খাগড়াছড়ির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শাহাদাৎ হোসেনকে ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার, গোপালগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জিয়াউল হককে গাজীপুরের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

এ ছাড়া পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে কর্মরত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহমুদুল হাসানকে গাজীপুর ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে বদলি করা হয়েছে। খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে কর্মরত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসিফ ইকবালকে বদলি করা হয়েছে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স (টিআর পদে)।

হবিগঞ্জ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শহিদুল হক মুন্সীকে নৌ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

গাজীপুর মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার রবিউল ইসলামকে বদলি করা হয়েছে এপিবিএনে। গাজীপুর মহানগর পুলিশের আরেক অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার অমৃত সূত্রধরকে এপিবিএন ও বিশেষায়িত ট্রেনিং সেন্টার খাগড়াছড়িতে বদলি করা হয়েছে।

‎এ ছাড়া র‍্যাবে কর্মরত সহকারী পুলিশ সুপার মো. আমিরুজ্জামানকে স্পেশাল ব্রাঞ্চে (এসবি) বদলি করা হয়েছে। পাশাপাশি গাজীপুর মহানগর পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. দ্বীন-ই-আলমকে রেলওয়ে পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

আদেশে বলা হয়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত জনস্বার্থে তাদের নামের পাশে উল্লেখকৃত পদে/স্থানে বদলি/পদায়ন করা হলো। তাদের আগামী ১৫ জুনের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থলের দায়িত্বভার অর্পণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।