সরবরাহ সংকটের অজুহাতে এবার বাড়ানো হয়েছে কাঁচামরিচের দাম। খুচরা বাজারে এখন কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে সর্বোচ্চ ৪০০ টাকায়। এছাড়া পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে সর্বোচ্চ ১০০ টাকা। দাম বেড়েছে আদারও। এছাড়া বাজারে সব সবজিই বিক্রি হচ্ছে অতিরিক্ত দামে। ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় এসব পণ্য কিনতে ক্রেতার নাভিশ্বাস উঠে যাচ্ছে। তাদের খরচ করতে হচ্ছে বাড়তি টাকা।
গতকাল খুচরা বাজার ঘুরে ক্রেতা ও বিক্রেতার সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য জানা গেছে।
বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, ঈদের পর বাজারে তদারকি সংস্থার কার্যক্রম একেবারে নেই। যে কারণে বিক্রেতারা কৌশল করে দাম বাড়িয়ে বিক্রি করছেন। আর ভোক্তার পকেট থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে টাকা।
বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শুক্রবার খুচরা বাজারে প্রতি কেজি দেশি মরিচ বিক্রি হচ্ছে সর্বোচ্চ ৪০০ টাকা। আর হাইব্রিড কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ২৯০-৩২০ টাকা। যা এক সপ্তাহ আগেও ২০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। পাশাপাশি খুচরা বাজারে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮৫-৯৫ টাকা। যা এক সপ্তাহ আগে ৮০-৯০ টাকা ছিল। এক মাস আগে বিক্রি হয়েছে ৬৫-৭৫ টাকা। প্রতি কেজি আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে সর্বোচ্চ ১০০ টাকা। যা এক সপ্তাহ আগে ৮৫-৯৫ টাকা ছিল। এক মাস আগে বিক্রি হয়েছে ৭০-৭৫ টাকায়। সঙ্গে প্রতি কেজি আমদানি করা আদা বিক্রি হচ্ছে সর্বোচ্চ ৩২০ টাকা। যা সাত দিন আগেও ৩০০ টাকা ছিল।
বাজারের সবজি বিক্রেতারা জানান, ঈদের পর দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে এখনো সবজির সরবরাহ বাড়েনি। যে কারণে পাইকারি পর্যায়ে দাম একটু বেশি। যার প্রভাব পড়ছে খুচরা বাজারে। তবে দুই একদিন পর সরবরাহ বাড়বে। তখন দাম কিছুটা কমবে।
এবার ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে আর্মেনিয়া। গতকাল শুক্রবার আর্মেনিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
এদিকে এ স্বীকৃতির ঘোষণার পর তেল আবিবে নিযুক্ত আর্মেনীয় রাষ্ট্রদূতকে পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ে তলব করে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে ইসরায়েল।
ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ আর্মেনিয়ার স্বীকৃতিতে স্বাগত জানিয়েছে। ফিলিস্তিনের পশ্চিত তীরের শাসক মাহমুদ আব্বাস এক বিবৃতিতে বলেছেন, আর্মেনিয়ার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই। ফিলিস্তিনি জনগণের জন্য এটি একটি বড় অর্জন।
গত ২৮ মে ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেয় স্পেন, আয়ারল্যান্ড ও নরওয়ে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭ সদস্যদেশের মধ্যে সুইডেন, সাইপ্রাস, হাঙ্গেরি, চেক প্রজাতন্ত্র, পোল্যান্ড, স্লোভাকিয়া ও বুলগেরিয়া আগেই এই স্বীকৃতি দিয়েছে। একই পথ অনুসরণ করার ঘোষণা দিয়েছে মাল্টাও। এদিকে ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দেয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে ফ্রান্স। ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিতে ‘সম্পূর্ণ রূপে প্রস্তুত’ বলে এরইমধ্যে ঘোষণা দিয়েছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ।
এখন পর্যন্ত বিশ্বের ১৪০টি দেশ ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়াসহ আরও অনেক দেশই ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেয়নি।
নিউজ৩৯ প্রতিনিধি, শরীফ হাসান: নবাবগঞ্জ উপজেলার নয়নশ্রী ইউনিয়নের বড় গোল্লায় ডাকাতির ঘটনায় ৫ ডাকাতকে গ্রেফতার করেছে নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকালে নবাবগঞ্জ থানায় দোহার সার্কেলের এএসপি মো: আশরাফুল আলম এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।
গ্রেফতারকৃতরা সবাই ফরিদপুর জেলার বাসিন্দা। তারা নবাবগঞ্জ এবং দোহার উপজেলায় ভাড়া থাকতো। গ্রেফতারকৃতরা হলেন ফরিদপুর জেলার সালথা উপজেলার সরুপদিয়া বড়দিয়া গ্রামের ইউসুফ মাতবরের ছেলে শফিকুল ইসলাম মাতবর (২০), মৃত খলিল শেখের ছেলে সুমন শেখ (২৩), ওহাব শেখের ছেলে বাবলু শেখ (৩৬), মৃত রশিদ মাতবরের ছেলে সৈয়দ আলী মাতবর (২৭) এবং খোরশেদ মাতবরের স্ত্রী কমলা বেগম (৫৫)। এসময় তাদের কাছ থেকে ১টি ভিভো মোবাইল ফোন, ১ টি এয়ারগান, ১ টি সেলাই রেঞ্জ ও ১ টি শাবল উদ্ধার করে।
পুলিশ সুপার আরও জানান, গত ৪/৫/২৪ শনিবার রাত ১ টার দিকে নবাবগঞ্জ উপজেলার নয়নশ্রী ইউনিয়নের বড় গোল্লা গ্রামের চালর্স জনি ডি ক্রুজ এর দোতলা বাড়ীতে ৬/৭ জনের একটি ডাকাত দল গ্রীল কেটে ঘরে প্রবেশ করে ধারালো অস্ত্রের মুখে পরিবারের লোকজনদের জিম্মি করে ৮ ভরি ওজনের বিভিন্ন প্রকার স্বর্ণলংকার লুট করে নিয়ে যায়। যার মোট বাজার মূল্য অনুমানিক আট লক্ষ টাকা। এছাড়াও নগদ এক লক্ষ চল্লিশ হাজার টাকা, ৪ টি মোবাইল ফোন এবং একটি এয়ারগান নিয়া যায়।
এ ঘটনায় চালর্স জনি ডি ক্রুজ বাদি হয়ে ১২/৫/২৪ তারিখ রবিবার নবাবগঞ্জ থানায় মামলা করলে বিষয়টি ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামানের নিদের্শে দোহার সার্কেলের এএসপি মো. আশরাফুল আলম এর তত্বাবধানে নবাবগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ শাহ্ জালালের নেতৃত্বে এসআই মনিরুল ইসলাম ও এসআই মো. আবু তাহেরকে নিয়ে পুলিশের একটি দল তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ডাকাতির সাথে জড়িত সদস্যদের গ্রেফতারের জন্য ঢাকা জেলার বিভিন্ন থানা ও এলাকায়, চাদপুর জেলা এবং ফরিদপুর জেলার সালথা থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ডাকাত দলের ৫ জনকে গ্রেফতার করেন। এ সময় লুণ্ঠিত হওয়া ১ টি মোবাইল ফোন, ১ টি এয়ারগান এবং ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত ১ টি সেলাই রেঞ্জ, ১ টি শাবল উদ্ধার করা হয়।
বাকিদের গ্রেফতারে এবং লুন্ঠিত স্বর্ণালঙ্কার ও মালামাল উদ্ধারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।
ঢাকার পুরোনো দিনের ছবি: ঢাকা বাংলাদেশের রাজধানী, ১৭শ শতকে মুঘল সাম্রাজ্যের একটি প্রাদেশিক রাজধানী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে; এবং অতি সূক্ষ্ম কাপড় মসলিন বাণিজ্যের একটি প্রধান কেন্দ্র ছিল।
শহরটির ইতিহাস প্রাচীন হলেও অনেকাংশে অস্পষ্ট। এটি ১৩শ শতকে দিল্লির সুলতানদের দ্বারা প্রথমে ইসলামিক শাসনের অধীনে আসে। তারপর স্বাধীন বাংলার সুলতানদের অধীনে এবং পরে ১৬০৮ সালে মুঘলদের শাসনে আসে।
১৮শ’ শতকে মুর্শিদাবাদের নওয়াবদের অধীনে ঢাকা কিছুটা ম্লান হয়ে পড়ে এবং এর জনসংখ্যা কমে যায়। যখন নওয়াবদের ভাগ্য হারাতে থাকে, তখন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ক্ষমতা একটি নতুন ফ্যাক্টর হয়ে ওঠে।
১৮৫৮ সালে রানী ভিক্টোরিয়ার ঘোষণার মাধ্যমে কোম্পানির অধীনে থাকা ঢাকা সহ সকল অঞ্চল ব্রিটিশ শাসনের অধীনে আসে।
ঢাকায় মুঘল আমলের অনেক ভবনের অবশেষ রয়েছে।
ছবি: চকবাজার, ১৮৮৫
এই ছবিটি ১৮৮৫ সালের ঢাকার চকবাজারের একটি সাধারণ দৃশ্য। ছবির কেন্দ্রে রয়েছে একটি পুরানো পিতলের তৈরি কামান, যা বুড়িগঙ্গা নদীর তলদেশ থেকে পাওয়া গেছে। বাম দিকে বড় একটি মসজিদ দেখা যাচ্ছে।
‘ছবির কেন্দ্রে থাকা কামানটির নাম “বিবি মরিয়ম”। একই সময় এটির সাথে “কালে খাঁ জম-জম” নামে আরেকটি কামান তৈরি করা হয়েছিল। মুঘল প্রযুক্তিবিদরা ১৭শ শতকের মাঝামাঝি সময়ে কামানগুলো তৈরি করেছিলেন। মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেবের সুবেদার বা বাংলার গভর্নর মীর জুমলার আসাম দখল অভিযানে এই কামানগুলো ব্যবহৃত হয়।
সেই অভিযানের পরে, মীর জুমলা এই কামানগুলো ঢাকার নদীবন্দর বুড়িগঙ্গার তীরে সোয়ারিঘাটে বসিয়েছিলেন মগ ও আরাকান জলদস্যুদের ঠেকাতে। “কালি খান” পরে নদীর ক্ষয়ের কারণে হারিয়ে যায়, এবং ১৮৩২ সালে, একজন ব্রিটিশ সংগ্রাহক মি. ওয়াল্টার “বিবি মরিয়ম” কে সরিয়ে চৌকবাজারে স্থাপন করেন, যেখানে এই ছবিটি তোলা হয়েছে। “বিবি মরিয়ম” রমনা পার্কে অবস্থিত ওসমানী উদ্যানে ছিল কিছুকাল। বর্তমানে ঢাকা গেটের সামনে রাখা হয়েছে।
জনস্টন এবং হফম্যানের ছবির এলবাম ‘আর্কিটেকচারাল ভিউস অব ঢাকা’ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। ছবিটি সাদাকালো থেকে রঙিন করা হয়েছে।
ঢাকার শাহবাগে অবস্থিত ইশরাত মঞ্জিল ছিল ঢাকার নবাবদের একটি উল্লেখযোগ্য স্থাপনা। এটি বেশ আগেই ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে। এটি ব্রিটিশ ম্যাজিস্ট্রেটের একটি বাড়ি ছিল, পরে ঢাকার নবাবরা কিনে বাগানবাড়িতে পরিণত করেন। তখন এটি নবাবদের নাচঘর ও বলরুম ছিল।
যেখানে ইশরাত মঞ্জিল ছিল, সেখানে বর্তমানে জাতীয় জাদুঘর এবং সাবেক হোটেল শাহবাগের একটি অংশ এখন বিএসএমএমইউ (পূর্বের পিজি হাসপাতাল) অবস্থিত।
বুড়িগঙ্গার পাড়ে বাদামতলি ঘাটে আর্মেনিয়ান জমিদার মানুকের বাড়ি, ১৮৮০’র দশকে তোলা। বর্তমানে এটি ললিতকলা একাডেমি। ফটোগ্রাফার অজানা। ছবি রিস্টোর করা হয়েছে।
ছবি: ভুলভুলাইয়া গোলকধাঁধা, দিলকুশা, ঢাকা ১৮৮০’র দশক
এই ভুলভুলাইয়া ছিল ঢাকার নবাবদের দিলকুশা গার্ডেন প্যালেসের অংশ। ১৮৮৬ সালে ঢাকার নবাব খাজা আবদুল গনি এই যায়গা ও বাগানটি কিনে নেন। সেখানে একটি অনন্য বাগান-প্রাসাদ “দিলখুশা” নির্মাণ করেন। প্রাসাদে একটি বলরুম, একটি বড় পানির আধার এবং বাগানের ভিতরে সুন্দর ফোয়ারা ও একটি হরিণ উদ্যান ছিল।
১৯০০ সালের দিকে একটি টর্নেডোর কারণে এই প্রাসাদটি ধ্বংস হয়ে যায়। বর্তমানে এই স্থানটি দিলকুশা বাণিজ্যিক এলাকা হিসেবে পরিচিত। ফটোগ্রাফার অজানা।
ছবি: সেন্ট থমাস গির্জা, ঢাকা, ১৮৭৫
ঢাকার সেন্ট থমাস সেন্ট থমাস গির্জার ফটোগ্রাফ, ১৮৭০-এর দশকে অজ্ঞাত একজন অজ্ঞাত ফটোগ্রাফারের তোলা। লক্ষ্মীবাজারে বাহাদুর শাহ পার্কের কাছে অবস্থিত। ঢাকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সড়ক জনসন রোড, গির্জাটিকে আদালত-কোর্টকাচারি ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পৃথক করেছে। এটি ‘চার্চ অব বাংলাদেশ’ নামেও পরিচিত।
দোহার উপজেলার নারিশা ইউনিয়নে নিজ ঘরে থেকে রাসেল শেখ (৩২) নামে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে দোহার থানা পুলিশ। কিন্তু একইঘরে রাত্রিযাপনকারী রামিম নামে তার এক বন্ধু পলাতক রয়েছে। রাসেল নারিশা ইউনিয়নের মালিকান্দা গ্রামের মৃত আব্দুর রশিদের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ই জুন দিবাগত রাতে রাসেল ও তার বন্ধু রামিম একই ঘরে ঘুমানো ছিলো। পরদিন মঙ্গলবার সকালে রাসেলকে জাগতে না দেখে, তার পরিবারের সদস্যরা ঘরে ঢুকলে রাসেলের মৃতদেহ দেখতে পায়। পরবর্তীতে, তারা দোহার থানা পুলিশে খবর দেয়। পরে বিকেল চারটার দিকে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এ ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছে নিহত রাসেলের বন্ধু রামিম। তার বাড়ি উপজেলার ঝনকি এালাকায়।
ফুলতলা পুলিশ ফাড়ির এসআই মো. জসিম উদ্দিন জানান, খবর পেয়ে আমরা লাশ উদ্ধার করে বুধবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা প্রেরণ করেছি। এটি হত্যা কিনা ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পেলে নিশ্চত হওয়া যাবে। এদিকে রামিমকে ধরার চেষ্টা চলছে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা। এ বিষয়ে নিহতের পরিবারের আইনগত পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান তিনি।
চলতি বছর হজ করতে গিয়ে এ পর্যন্ত বাংলাদেশি ২১ জন হজযাত্রী মারা গেলেন। বুধবার (১৯ জুন) হজ পোর্টালে আইটি হেল্পডেস্কের প্রতিদিনের বুলেটিন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
মঙ্গলবার (১৮ জুন) রাত ৩টা পর্যন্ত বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, সৌদি আরবে মোট ২১ বাংলাদেশি হজযাত্রী মারা গেছেন। সর্বশেষ তোফাজ্জল হক (৭০) নামে একজন হজযাত্রী মারা গেছেন। এর মধ্যে পুরুষ হজযাত্রী ১৮ জন, নারী হজযাত্রী ৩ জন। মক্কায় ১৬ জন, মদিনায় ৪ জন ও জেদ্দায় একজন মারা গেছেন।
শনিবার (১৫ জুন) এবারের হজ অনুষ্ঠিত হয়। ১২ জিলহজ জামারায় পাথর নিক্ষেপ করার মাধ্যদিয়ে শেষ করেন হজের আনুষ্ঠানিকতা।
এবার বাংলাদেশ থেকে সর্বমোট ৮৫ হাজার ২২৫ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে গেছেন।
৯ মে থেকে ১২ জুন পর্যন্ত সৌদি আরব যাওয়ার ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে ২১৮টি। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস পরিচালিত ফ্লাইট সংখ্যা ১০৬টি, সৌদি এয়ারলাইনস পরিচালিত ফ্লাইট ৭৫টি ও ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস পরিচালিত ফ্লাইট ৩৭টি।
রাত পোহালেই ঈদুল আযহা, পশুর হাটগুলো জমে উঠছে। সেই সঙ্গে বেড়ে চলছে ক্রেতা। যারা শেষ মুহূর্তে কুরবানির পশু কিনবেন বলে অপেক্ষা করছিলেন তারাও হাটে ভিড় জমাচ্ছেন। তবে ক্রেতাদের দাবি, পর্যাপ্ত কুরবানির পশু থাকলেও ব্যবসায়ীরা আকাশচুম্বি দাম হাঁকাচ্ছেন। ফলে বাধ্য হয়ে অনেকে বেশি দামেই কিনছেন পছন্দের পশু। তবে বিক্রেতারা বলছেন, গরুর খাবার, পরিবহনসহ অন্যান্য খরচ বেড়ে যাওয়ায় দাম বেড়েছে।
সাধারণত কুরবানির পশু শেষের দিকে কিনে থাকেন। কারণ রাখার জায়গা ও পালনের ঝামেলায় যেতে চান না অনেকে। তাই এখন শেষ মুহূর্তে প্রতিটি হাটেই দেখা গেছে ক্রেতা সমাগম। সেই সঙ্গে বেড়েছে বিক্রিও। ঈদের আগের দিন রাত পর্যন্ত এভাবেই বিক্রি চলবে বলে আশা করছেন ইজারাদার ও ব্যবসায়ীরা। ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দাম যেমনই হোক তাদের গরু কিনতেই হবে। কারণ ঈদ চলে আসছে।
পশুর হাটে ছোট ও মাঝারি গরু বেশি। বড় গরুর সামনে ক্রেতার চেয়ে দর্শনার্থীর ভিড় বেশি। হাটভর্তি বিভিন্ন জাতের দেশীয় ছোট, মাঝারি ও বড় জাতের গরু। তবে হাটে ক্রেতার ভিড় দেখা গেলেও অনেকে মনে করছেন শেষ দিন দাম কমে যাবে।
শিশির নামের এক ক্রেতা বলেন, হাতে সময় কম। তাই চেষ্টা করছি যত দ্রুত সম্ভব পছন্দের গরুটি কেনা যায়। বেশ কিছু সময় ঘুরে মনে হয়েছে এবার গরুর দাম অন্যান্য বছরের তুলনায় একটু বেশি। তবে তারপরও গরু কিনতে হবে।
দেশের ৫ জেলার ওপর দিয়ে সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের আশঙ্কা করছে আবহাওয়া অফিস। রবিবার দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেয়া এক পূর্বাভাসে এ আশঙ্কার কথা জানানো হয়েছে।
আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রংপুর, দিনাজপুর, বগুড়া, ময়মনসিংহ এবং সিলেট জেলার ওপর ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ সময় বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। তাই এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এদিকে আবহাওয়া অফিসের অপর এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।
এ অবস্থায় দেশের সব বিভাগে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। এর মধ্যে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। ঝড়বৃষ্টির এ প্রবণতা সপ্তাহজুড়েই অব্যাহত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সেন্টমার্টিনে মিয়ানমারের গোলাগুলি নিয়ে দেশটির সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা চলছে। যুদ্ধকে পরিহার করে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা চলছে এবং চলবে। তবে আক্রান্ত হলে জবাব দেওয়া হবে। গতকাল শনিবার দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সেন্টমার্টিন সীমান্তের উত্তেজনা প্রসঙ্গে তিনি এসব কথা বলেন।
সেনাবাহিনী প্রধান এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, আমাদের দেশে যদি বহির্শত্রু আক্রমণ করে সেটাকে আমরা প্রতিহত করব। আমরা সেনাবাহিনী প্রস্তুত আছি। বর্ডার ভায়োলেসন হচ্ছে তার জন্য বর্ডারগার্ড, কোস্ট গার্ড আছে, তারা বিষয়টি তদারকি করছে। এর চেয়ে লেভেল অন্যদিকে গেলে সমুচিত ব্যবস্থা আমরা নেব।
মিয়ানমারের জান্তা সরকার ও আরাকান আর্মির মধ্যে কয়েক মাস ধরে সংঘর্ষ চলছে। সীমান্ত এলাকায় ওই সংঘর্ষ চলাকালে ওপারে ছোড়া গুলি বাংলাদেশে চলাচলরত নৌযানে এসে লাগছে। এতে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে পুরো সেন্টমার্টিন ও টেকনাফ এলাকায়। এই পরিস্থিতিতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে একটি বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে পুলিশের রেঞ্জ ডিআইজি ও আরও কয়েকটি ইউনিটকে। এতে যেকোনো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে বলা হয়েছে। পুলিশের পাশাপাশি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশও (বিজিবি) সতর্ক আছে বলে পুলিশের একটি সূত্র জানায়। ইতিমধ্যে পুলিশ সদর দপ্তরে ঊর্ধ্বতনরা বৈঠক করেছেন। আরও বৈঠক করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্র সচিবসহ ঊর্ধ্বতনরা।
মো আল-আমিন, স্টাফ রিপোর্টার: ঢাকার দোহার উপজেলার কৃতি রাজনীতিবীদ ও সাবেক ছাত্রনেতা মোঃ জয়নাল আবেদীনকে তৃতীয়বারের মতো বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের তথ্য ও গবেষনা বিষয়ক কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সদস্য নির্বাচিত হয়েছে ।
গত ০৮ই জুন ২০২৪ইং তারিখে বাংলাদেশ আওয়ামিলীগের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশক্রমে বাংলাদেশ আওয়ামিলীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের উক্ত কমিটির অনুমোদন করেন।
এক নজরে মোঃ জয়নাল আবেদীনের রাজনৈতিক জীবনঃ
সাহসী, নির্ভীক, পরীক্ষিত সাবেক ছাত্রনেতা জয়নাল আবেদীন ১৯৯০ সালে জয়পাড়া কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক হিসেবে রাজনীতিতে শুরু করেন। নানা ঘাত-প্রতিঘাত পেরিয়ে পর্যায়ক্রমে দোহার উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক। এরপর ঢাকা জেলা ছাত্রলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন; সেই কমিটির সভাপতি ছিলেন বর্তমানে ঢাকা জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক পনিরুজ্জামান তরুন। এরপর ছাত্রত্ব এবং ছাত্ররাজনীতির পাঠ চুকিয়ে, ঢাকা জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছা-সেবক লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
জয়পাড়া কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক থাকাকালীন ১৯৯২ সনে, ঘাতক দালাল নির্মুল কমিটির সাথে একাত্বতা পোষণ করেন। ‘৭১ সালের ঘাতক রাজাকার আলবদর আলশামসদের বিচারের দাবীতে শ্লোগান দিতে গিয়ে রাষ্ট্রদ্রোহী মামলার আসামী হন। ১৯৯৩ সালে BNP সরকারের সন্ত্রাসদমন আইনে মামলার আসামী হন এবং কারাবরণ করেন।
২০০১ সালে বর্তমানে ঢাকা -১ সংসদ সদস্য সালমান এফ রহমানের পক্ষে নৌকার নির্বাচন করায় তিনি, পিতা ও ছোট ভাইসহ একাধিক মামলার আসামী হন। এছাড়াও জয়পাড়া কলেজ ছাত্রসংসদ নির্বাচনে, নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান হিসাবে দ্বায়িত্ব পালন করেছেন।
চারদলীয় জোট সরকারের মন্ত্রী নাজমুল হুদার শাসনামলে অ্ত্যাচারে দেশে থাকতে না পেরে ২০০৫ সালের ১১ এপ্রিল লন্ডনে চলে যান। দূর প্রবাসে গিয়েও তিনি বুকের মাঝে মুজিব আদর্শকে লালন করেছেন এবং সক্রিয় রাজনীতি করেছেন,নিষ্ঠা ও কপ্রজ্ঞার সাথে স্কটল্যান্ড আওমীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পদে দ্বায়িত্ব পালন করেন।
বর্তমানে তিনি ঢাকা জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য হিসেবে কাজ করছেন। এক প্রতিক্রিয়ায় জয়নাল আবেদীন দলীয় সভাপতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ও বাংলাদেশ আওয়ামিলীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী জননেতা জনাব ওবায়দুল কাদের ও বাংলাদেশ আওয়ামিলীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক ডঃ জনাব সেলিম মাহমুদকে প্রাণঢালা শুভেচ্ছা, কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।