দোহারে চায়না জালে ধরা পরলো রাসেলস ভাইপার

ঢাকার দোহার উপজেলার নারিশা ইউনিয়নের পদ্মাচর এলাকা থেকে জেলেদের চায়না জালে ধরা পড়েছে রাসেলস ভাইপার। আজ বুধবার সকালে এ ঘটনা ঘটে। পরে খবির জেলে সাপটি না মেরে দোহার উপজেলা প্রশাসনের কাছে নিয়ে আসে।

খবির সরকার নামের এক ব্যক্তির জালে সাপটি ধরা পড়ে। খবির সরকার জানান, প্রতিদিনের মতো আজ সকালে চর এলাকায় তিনি জাল পেতেছিলেন মাছ ধরার জন্য । জাল টেনে ওঠানোর সময় দেখেন, একটি সাপ আটকা পড়েছে। পরে স্থানীয় লোকজন রাসেলস ভাইপার ভেবে উপজেলা প্রশাসনকে জানায়। পরে তিনি জীবিত সাপটি নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে যান। এই সাপটি প্রায় ৪৫ ইঞ্চি লম্বা।

উপজেলা প্রশাসন সাপ উদ্ধারকারী দলকে সংবাদ দেয়। দলটির সদস্যরা বেলা দুইটায় ইউএনও জাকির হোসেনের সঙ্গে দেখা করেন এবং জালে আটকা পড়া সাপটি নিয়ে যান। এদিকে ইউএনও কার্যালয়ে সাপটি দেখার জন্য উৎসুক জনতা ভিড় করে। পরে উপজেলার দ্বিতীয় তালায় সাপটি হেফাজতে রাখা হয়।

ইউএনও জাকির হোসেন বলেন, পদ্মা নদীর তীরে চরাঞ্চলে জেলেদের জালে রাসেলস ভাইপার সাপটি ধরা পড়েছে। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁর কার্যালয়ে সাপটি নিয়ে আসেন।

তিনি আরো বলেন, উদ্ধারকৃত রাসেল ভাইপারটি স্নেক রেসকিউ টিম বাংলাদেশের সদস্য রকিবুলের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়েছে।
গবেষণার কাজে উদ্ধারকৃত রাসেল ভাইপারের পরবর্তী সম্ভাব্য গন্তব্য ভেনম রিসার্চ সেন্টার, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।

ফরিদপুরের ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে বাস উল্টে সুপারভাইজার নিহত

ফরিদপুরের নগরকান্দায় ঢাকাখুলনা মহাসড়কে চলন্ত বাস উল্টে বাসের সুপারভাইজার রাজন ব্যাপারী (৩২) নিহত হয়েছেন। ঘটনায় আরও কয়েকজন আহত হয়। আহতদের ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

বুধবার (২৬ জুন) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার চরযশোরদি ইউনিয়নের গজারিয়া স্ট্যান্ডের কাছে এ ঘটনা ঘটে।

রাজন ব্যাপারী মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার বড় পাউলদিয়া গ্রামের বাসিন্দা।

জানা গেছে, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরগামী স্বাধীন পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস গজারিয়া স্ট্যান্ডের কাছে চলন্ত অবস্থায় মহাসড়কে উল্টে যায়। এ সময় বাসের সুপারভাইজার রাজন ব্যাপারী বাসের নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল্লাহেল বাকী বলেন, বাসটি উদ্ধার করে ভাঙ্গা হাইওয়ে থানায় এনে রাখা হয়েছে। বাসচালক পালিয়ে গেছেন। নিহতের মরদেহ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

দেশে মাদকাসক্ত অন্তত ১ কোটি, বেড়েছে নারী মাদকসেবীর সংখ্যা: পরিসংখ্যান

বেসরকারি সংস্থা মাদকদ্রব্য ও নেশা নিরোধ সংস্থার (মানস) হিসেবে দেশে মাদকাসক্ত অন্তত এক কোটি। ৫ বছরে এই সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ৩০ লাখ। গবেষকরা জানিয়েছেন, জিরো টলারেন্সের কথা বলা হলেও আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে মাদকাসক্তের সংখ্যা। অভিযোগ আছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যোগসাজশেই চলছে মাদক ব্যবসা। খুব সহজেই পাওয়া যাচ্ছে ইয়াবা, কোকেন ও ক্রিস্টালের মতো ভয়ংকর মাদক।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বার্ষিক প্রতিবেদন বলছে, ২০২২ থেকে ২০২৩-এর জুলাই পর্যন্ত মাদকাসক্ত হয়ে মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে (রিহ্যাব) গেছেন অন্তত ৫০ হাজার মাদকসেবী। ৫ বছরে রিহ্যাবে চিকিৎসা নেওয়া নারী মাদকাসক্ত বেড়েছে ৫ গুণ। আর ১৫ ও তার কম বয়সী মাদকাসক্ত বেড়ে হয়েছে তিনগুণ, সংখ্যায় যা ৪৭ হাজার ৩৭৬ জন।

মানসের চেয়ারম্যান ও জাতীয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের উপদেষ্টা সদস্য ডা. অরূপরতন চৌধুরী বলেন, ‘করোনার সময় যখন সবকিছু বন্ধ ছিল, তখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মাদকের কেনা-বেচা প্রচুর হারে বেড়েছে। এখন এক কোটি মাদকসেবী। একেকজন বছরে ৫৬ হাজার টাকা খরচ করে। সব মিলিয়ে ৮০ হাজার কোটি টাকা খরচ মাদকের পেছনে।’

মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সের ঘোষণার ভেতরেই আশংকাজনক হারে বাড়ছে মাদকসেবীর সংখ্যা।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খোন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘হেরোইন, প্যাথেডিন, মরফিন আরও যেগুলো আছে সেগুলোর কোনোটাই আমাদের দেশের না। আমরা তো মাদক বানাই না। মিয়ানমার, ভারত থেকে আসে। আর চাহিদা বেশি বলেই আটকানো কঠিন। আমরা চেষ্টা করছি।’

চলো যাই যুদ্ধে, মাদকের বিরুদ্ধে—এমন স্লোগানে র‍্যাব কর্মতৎপরতা বাড়ালেও কমেনি মাদক চোরাচালান। র‍্যাব বলছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একার পক্ষে সম্ভব নয় এ যুদ্ধ করা।

র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার আরাফাত ইসলাম বলেন, ‘মাদক নিয়ন্ত্রণে সমাজ ও পরিবারের দায়িত্বও রয়েছে। সবাই এক প্লাটফর্মে এসে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলি তখনই বাংলাদেশের মতো ঘনবসতিপূর্ণ দেশে মাদকের বিস্তার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। দেশে ডিমান্ড এত বেশি বলেই বেশি বেশি মাদক আসে। মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান চলছে।’

কক্সবাজারের ইয়াবা ব্যবসার উদাহরণ টেনে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন জরুরি।

নবাবগঞ্জে অটোর চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে এইচএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু 

শেখ ফয়সাল /শেখ মো আল-আমিন,নিউজ৩৯: মংগলবার নবাবগঞ্জে অটোরিকশায় ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাস লেগে এইচএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। নিহত রুহি উপজেলার শোল্লা ইউনিয়নের উলাইল গ্রামের বাসিন্দা রুহুল বেপারীর একমাত্র মেয়ে। তিন ভাইবোনের মধ্যে সে মেজো।

রুহি আক্তার সরকারি দোহার নবাবগঞ্জ কলেজের এবারের এইচএসসি পরীক্ষার্থী।  নবাবগঞ্জ উপজেলা সদর থেকে প্রাইভেট শেষ করে বাসায় ফেরার পথে অটোতে করে আসছিলো। হায়াতকান্দা নামক স্থানে অটোর সিটের নিচে তার উড়না পেঁচিয়ে গেলে অটোরিকশা থেকে সে ছিটকে পড়ে যায়। 

দ্রুত তাকে নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার মৃত্যুতে কলেজ, পরিবার এবং এলাকায় শোকাবহ পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

১০ দেশে অল্প খরচে পড়তে পারেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা

উন্নত ক্যারিয়ার গড়ার আশা থাকে সব শিক্ষার্থীরই। এ ক্ষেত্রে অনেকের ভাবনায় থাকে কম খরচে বিদেশে পড়াশোনা। বিশ্বমানের শিক্ষাব্যবস্থা ও উন্নত জীবনের সঙ্গে খরচের হিসাব মিলে গেলেই উচ্চশিক্ষার জন্য অন্য দেশে পাড়ি জমানো যায়। ইউরোপ, মধ্য-এশিয়া, আমেরিকার বিভিন্ন দেশগুলোর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় কম খরচে অধ্যয়নের সুযোগ আছে। বড় অংশ ছাড়ের পরও আর্থিক সংকুলান না হলে আছে স্কলারশিপের ব্যবস্থা। এতে টিউশন ফিসহ থাকা-খাওয়ার খরচ অনেকটাই পুষিয়ে নেওয়া যায়। স্বল্প খরচে দেশের বাইরে পড়ার জন্য বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের গন্তব্য হতে পারে ১০টি দেশ।

তুরস্ক
এশিয়া এবং ইউরোপ, দুই মহাদেশকে স্পর্শ করেই গড়ে ওঠা তুরস্ক স্থাপত্য বিস্ময় এবং হট-এয়ার বেলুন ট্রিপের জন্য বিখ্যাত। তবে এখানকার যে বিষয়টি বিশ্বে নানা প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা শিক্ষার্থীদের সবচেয়ে বেশি নজর কাড়ে, তা হলো দেশটির মানসম্পন্ন শিক্ষাব্যবস্থা। দেশটি ইউরোপীয় উচ্চশিক্ষা অঞ্চলের অংশ, যা বোলোগনা প্রক্রিয়ার অন্তর্ভুক্ত। এতে করে তুর্কি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রাপ্ত ডিপ্লোমা বা ডিগ্রি সব ইউরোপে স্বীকৃতি পায়। তুরস্কে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো খুব সাশ্রয়ী মূল্যের। সাধারণত প্রতি শিক্ষাবর্ষে ১০০ থেকে ৪ হাজার ইউরোর মতো খরচ করতে হয় শিক্ষার্থীকে। বিশ্বের অন্যান্য অধ্যয়নের গন্তব্যের তুলনায় এটি অনেক বেশি সাশ্রয়ী। একজন বিদেশি শিক্ষার্থী প্রতি মাসে ৪০০ থেকে ৬৫০ ইউরো বাজেটের মধ্যে তুরস্কে থাকতে পারেন।

ফ্রান্স
বিশ্বসেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বর্গ বলা যেতে পারে ফ্রান্সকে। শুধু পড়াশোনার জন্যই নয়, বৈশ্বিক অর্থনীতি এবং সমগ্র ইউরোপীয় বাজারে তাদের রয়েছে অভিজাত পদচারণ। স্নাতক করার পর আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা এখানে বিভিন্ন ব্যবসায়িক খাতে আকর্ষণীয় কর্মসংস্থানের সুযোগ পাওয়ার আশা করতে পারেন। সুস্বাদু খাবার থেকে শুরু করে ঐতিহাসিক ল্যান্ডমার্ক, ফ্যাশন, শিল্প-সাহিত্য এবং জীবনধারা-জীবনের প্রায় সবকিছুর একটি আনন্দদায়ক মিশ্রণের নাম ফ্রান্স। এখানে লাইসেন্স (স্নাতক) স্তরে প্রতিবছর খরচ হতে পারে ২ হাজার ৭৭০ ইউরো। মাস্টার লেভেলে খরচ আছে বছরপ্রতি ৩ হাজার ৭৭০ ইউরো। জীবনযাত্রার জন্য প্যারিস, নিস, লিয়ন, ন্যান্টেস, বোর্দো বা টুলুজের মতো অভিজাত শহরগুলো বাদ দিয়ে বাকি অন্যান্য শহরগুলোকে বাছাই করলে ৬৫০ ইউরোর নিচেই দিন যাপন করা যাবে।

জার্মানি
বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য এখন শিক্ষার্থীদের শীর্ষ পছন্দের দেশ জার্মানি। এখানকার অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান রাষ্ট্রের অর্থায়নে পরিচালিত। এগুলোর ব্যাচেলর কোর্স এবং বেশিরভাগ মাস্টার্স কোর্সের জন্য সাধারণত কোনো ফি নেই। কিছু মাস্টার্স প্রোগ্রামে টিউশন ফি থাকলেও তা অন্যান্য দেশের তুলনায় তেমন বেশি নয়। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে খরচ বলতে আছে সেমিস্টার কন্ট্রিবিউশন ফি, যার সঙ্গে টিউশন ফির কোনো সম্পর্ক নেই। এটি শিক্ষার্থীদের কল্যাণেই পাবলিক পরিবহণ, ক্রীড়া, অনুষদ/বিভাগীয় ছাত্রসংগঠন এবং প্রশাসনিক ফি’র ব্যয়ভার বহন করে। এই ফি প্রতিষ্ঠানভেদে পরিবর্তিত হয় এবং সাধারণত ১০০ থেকে ৩৫০ ইউরোর (১ ইউরো সমান বাংলাদেশি টাকা ১১৮ টাকা ৯১ পয়সা) মধ্যে থাকে। আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জীবনযাত্রার খরচ সাধারণত প্রতি মাসে ৭২৫ ইউরোর মতো হয়ে থাকে, যেখানে বাসস্থান, খাবার, পোশাক এবং বিনোদনমূলক কার্যক্রম সবই অন্তর্ভুক্ত।

অস্ট্রিয়া
ইউরোপের প্রাণকেন্দ্র অস্ট্রিয়া। ইউ (ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন)/ইইএ(ইউরোপিয়ান ইকোনমিক এরিয়া) দেশগুলোর শিক্ষার্থীদের জন্য এখানকার পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর টিউশন ফি একদম ফ্রি। কিন্তু নন-ইউ/ইইএ দেশগুলোর ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য এখানকার পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে প্রতি সেমিস্টারে ২০ ইউরো ছাড়াও টিউশন ফি বাবদ গড়ে ৭২৬ দশমিক ৭২ ইউরোর মতো খরচ হয়। তবে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য অস্ট্রিয়ার অনেক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় টিউশন ফি মুক্ত শিক্ষা প্রদান করছে। এগুলোর মধ্যে ভিয়েনা বিশ্ববিদ্যালয়, ভিয়েনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ইনসব্রুক বিশ্ববিদ্যালয়, জোহানেস কেপলার ইউনিভার্সিটি লিঞ্জ, গ্রাজ বিশ্ববিদ্যালয় এবং লিওবেন বিশ্ববিদ্যালয় অন্যতম। জীবনযাত্রার খরচ ইউরোপের অন্যান্য দেশের তুলনায় বেশ কম। প্রতি মাসে ৯০০ থেকে ১ হাজার ৩০০ ইউরোর বাজেট ভিয়েনা এবং সালজবার্গে আবাসন, খাবার, সামাজিক কার্যকলাপ এবং পাবলিক পরিবহণসহ সব খরচ মেটাতে পারে। অন্যান্য জনপ্রিয় স্টুডেন্ট লোকেশনের মধ্যে লিনজ বা গ্রাজ ৯০০ থেকে ১ হাজার ইউরোর মধ্যে মাসিক জীবনযাত্রার খরচ হয়ে যায়।

নরওয়ে
এখানেও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সব আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য টিউশন ফি মুক্ত। প্রতি সেমিস্টারে শুধু শিক্ষার্থীকে ইউনিয়ন ফি দিতে হবে, যা ৩০ থেকে ৬০ ইউরোর মধ্যে। এর মাধ্যমে পাবলিক পরিবহণ, জাদুঘর এবং সাংস্কৃতিক ইভেন্ট, স্বাস্থ্যসেবাতে বিশেষ ছাড় এবং ক্রীড়া সুবিধাগুলোসহ বেশকিছু সুবিধা পাওয়া যাবে। নরওয়েতে জীবনযাত্রার জন্য প্রতি মাসে গড়ে ৮০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ ইউরোর মতো খরচের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। বড় শহরগুলোয় স্বাভাবিকভাবেই খরচ অনেক বেশি কিন্তু ছোট শহরগুলোয় গড়পড়তায় ৮০০ থেকে ১ হাজার ইউরোর মধ্যেই থাকা-খাওয়া, চলাফেরার যাবতীয় খরচ হয়ে যায়।

তাইওয়ান
আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য প্রযুক্তিগত, ঐতিহাসিক, রন্ধনসম্পর্কীয়, সাংস্কৃতিক, ভাষাগত, প্রাকৃতিক সম্পদসহ যাবতীয় অভিজ্ঞতার সুযোগে ভরপুর এশিয়ার এ দেশটি। এখানে ইংরেজি ভাষায় অধ্যয়নের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় প্রচুর আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা ভর্তি হয়। বহু সাংস্কৃতিক এবং সমৃদ্ধ পুরোনো ইতিহাস পরিদর্শনে তাইওয়ান বিদেশি শিক্ষার্থীদের আন্তরিকভাবে স্বাগত জানায়। ফলে খুব সহজেই সাবলীল হয়ে ওঠা যায় অপরিচিত এই দেশেও। বেশ কয়েক বছর ধরেই তাইওয়ানের উচ্চ শিক্ষাব্যবস্থা বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এবং দারুণ স্বীকৃতিও পেয়েছে। দেশটির বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় অধ্যয়ন খরচ প্রতিবছর ৬৭৫ থেকে ১২ হাজার ৭০০ ইউরো। এখানে ন্যূনতম জীবনধারণের জন্য  প্রতি মাসে প্রায় ৬৮০ থেকে ৮৮০ ইউরো খরচ করতে হবে।

পোল্যান্ড
৪৫০টিরও বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দেশ পোল্যান্ড ইউরোপের দ্বিতীয় প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয়কে বক্ষে ধারণ করে আছে। পোলিশ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় অ্যাডমিশন পরীক্ষা না থাকার কারণে এই অধ্যয়নের গন্তব্য দেশের বাইরের ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে অনেক বেশি গ্রহণযোগ্য। আন্ডারগ্র্যাজুয়েশনের জন্য সর্বসাকুল্যে প্রয়োজন হবে শুধু মাধ্যমিক শিক্ষার একটি প্রশংসাপত্র, একটি আর্থিক কার্যকারিতা প্রশংসাপত্র এবং ইংরেজি বা পোলিশ ভাষার দক্ষতা। প্রথম, দ্বিতীয় এবং দীর্ঘ-চক্র অধ্যয়নের জন্য টিউশন ফি ২ হাজার ৩৬৮ ইউরো। পোল্যান্ড বেশ স্থিতিশীল অর্থনীতির ইউরোপীয় দেশ। তাই বাইরের শিক্ষার্থীদের জীবনযাত্রার খরচ এখানে প্রতি মাসে ৩৫০ থেকে ৫৫০ ইউরোর মধ্যে পরিবর্তিত হয়। শহরের সীমারেখা ও নগরায়ণের অবস্থার ওপর নির্ভর করে এই বাজেটের তারতম্য ঘটে থাকে।

মালয়েশিয়া
মালয়েশিয়ার সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ পাবলিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিবেচিত ইউনিভার্সিটি মালয়া। এখানকার পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যাচেলর ডিগ্রিতে খরচ পড়ে গড়ে প্রতিবছর ২ হাজার থেকে ৪ হাজার ৫০০ ইউরো। স্নাতকোত্তর ডিগ্রিতে প্রতিবছর ৫০০ থেকে ৪ হাজার ইউরো খরচ যায়। জীবনযাত্রার ব্যয়ভার বহন করার জন্য প্রতি মাসে ৪৫০ থেকে ৮০০ ইউরোর মতো বাজেটের ব্যাপারে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত থাকা উচিত।

হাঙ্গেরি
বৈচিত্র্যতা ও বহুসংস্কৃতির এক চমৎকার মেলবন্ধন চোখের পড়বে হাঙ্গেরিতে ঘুরতে গেলে। পাশাপাশি এর বিশ্ববিদ্যালয়গুলো দেশের বাইরে থেকে আসা শিক্ষার্থীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম। পাবলিক হাঙ্গেরিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়গুলো টিউশন ফির দিক থেকে তাদের পশ্চিমা সমকক্ষদের তুলনায় অনেক বেশি সাশ্রয়ী। একজন বিদেশি শিক্ষার্থীকে অধিকাংশ ডিগ্রির জন্য প্রতিবছর ১ হাজার ২০০ থেকে ৫ হাজার ইউরোর মতো খরচের প্রস্তুতি নিতে হয়। আর বসবাসের জন্য ব্যয় হয় ৩৭৫ থেকে ৭০০ ইউরোর মধ্যে। তবে তা অবশ্যই শহরের ধরনের ওপর নির্ভর করে। আবাসন, খাবার, পরিবহণসহ আনুষঙ্গিক বিষয় বিবেচনা করে রাজধানী বুদাপেস্টে প্রতি মাসে ৬০০ ইউরো যথেষ্ট। আর ছোট শহরগুলোয় প্রতি মাসে ৬০০ ইউরোর নিচে জীবনযাত্রার ব্যবস্থা করা যেতে পারে। বিদেশে স্নাতক অধ্যয়নের জন্য আর্থিক সহায়তার মধ্যে আছে ফেডারেল অনুদান, ফেডারেল এবং ব্যক্তিগত ঋণ। এর বাইরে আছে বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা কর্তৃক প্রদত্ত বৃত্তি, যেগুলো এই দেশগুলোয় জীবনযাত্রার খরচের ঘাটতি অনেকটাই পূরণ করতে পারে।

গ্রিস
ঈশ্বরের দেশ নামে খ্যাত অধ্যয়নের এই গন্তব্য শুধু তাদের সাংস্কৃতিক এবং ঐতিহাসিক উত্তরাধিকার নিয়েই গর্ব করে না, তারা তাদের শিক্ষার মাধ্যমে সে ঐতিহ্যকে উন্নতও করে। দেশজুড়ে প্রচুর গ্রিক বিশ্ববিদ্যালয় ইংরেজি ভাষায় অধ্যয়ন করে ডিগ্রি লাভের সুবিধা রেখেছে। ইইউ-দেশ হিসেবে গ্রিস বোলোগনা প্রক্রিয়ার সদস্য, তাই এখানকার শিক্ষার্থীরা ইউরোপের যেকোনো বোলোগনা সদস্য, দেশের যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্রেডিট স্থানান্তর করতে পারেন। নন-ইউ/ইইএ শিক্ষার্থীদের জন্য বেশিরভাগ ব্যাচেলর এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রির জন্য প্রতি শিক্ষাবর্ষে ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার ইউরোর মতো অর্থ খরচ করতে হয়। গ্রিসের সাশ্রয়ী পরিবেশে বেশির ভাগ শিক্ষার্থীর বাজেট  প্রতি মাসে ৪৫০ থেকে ৭৫০ ইউরো হয়ে থাকে।

ইসরায়েলি হামলায় পরিবারের ১০ সদস্য হারালেন ইসমাইল হানিয়া

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে অবিরাম হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। টানা আট মাসেরও বেশি সময় ধরে চালানো এই হামলায় এখন পর্যন্ত নিহত হয়েছেন ৩৭ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি।

এর মধ্যেই ইসরায়েলি হামলায় পরিবারের ১০ সদস্য হারিয়েছেন ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরো প্রধান ইসমাইল হানিয়া। গাজায় তার পরিবারের বাড়িতে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী বোমা হামলা চালালে প্রাণহানির এই ঘটনা ঘটে।

নিহতদের মধ্যে ইসমাইল হানিয়ার বোনও রয়েছেন। মঙ্গলবার (২৫ জুন) এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

সংবাদমাধ্যমটি বলছে, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী উত্তর গাজায় হামাসের রাজনৈতিক নেতা ইসমাইল হানিয়ার পরিবারের বাড়িতে বোমা হামলা চালিয়েছে এবং এতে তার বোনসহ অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন বলে আল জাজিরা আরবি জানিয়েছে।

এর আগে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী গাজা শহরের কাছে শাতি ক্যাম্প এলাকায় হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছিল সংবাদমাধ্যমটি। স্থানীয় গণমাধ্যম বলছে, হামলায় নিহতরা সবাই হানিয়ার পরিবারের সদস্য।

এর আগে গত এপ্রিলে ইসরায়েলের বিমান হামলায় ইসমাইল হানিয়ার তিন ছেলে ও তিন নাতি-নাতনি নিহত হয়েছিলেন। গত ১০ এপ্রিল ঈদুল ফিতরের দিন গাজার আল শাতি শরণার্থী ক্যাম্পে হানিয়ার ছেলেদের বহনকারী গাড়িতে চালানো হামলায় তারা প্রাণ হারান।

মূলত ঈদ উপলক্ষ্যে হানিয়ার ছেলেরা আল শাতি ক্যাম্পে তাদের আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন বলে সেসময় জানিয়েছিল ফিলিস্তিনি সংবাদমাধ্যমগুলো।

এদিকে ছেলে ও নাতি-নাতনিদের মৃত্যুর খবরে (শহীদ হওয়ায়) আল্লাহর কাছে সেসময় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছিলেন হামাস প্রধান। তিনি বলেছিলেন, ‘তাদের শহীদ হওয়ার মর্যাদা প্রদান করায় আল্লাহকে ধন্যবাদ।’

গাজায় অন্তত ২১ হাজার শিশু নিখোঁজ: সেভ দ্য চিলড্রেন

গত বছরের অক্টোবর গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যামূলক হামলা শুরুর পর অন্তত ২১ হাজার শিশু নিখোঁজ হয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাজ্য ভিত্তিক অধিকার সংস্থা সেভ দ্য চিলড্রেন।

আজ সোমবার আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।

অধিকার সংস্থাটি অবিলম্বে গাজায় যুদ্ধবিরতি চালুর এবং নিখোঁজ শিশুদের নিয়ে তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের জেরে এই ২১ হাজার শিশু হারিয়ে গেছে, উধাও হয়েছে, আটক হয়েছে, ভাঙা পাথরের নিচে চাপা পড়েছে অথবা গণকবরে শায়িত রয়েছে।

সেভ দ্য চিলড্রেনের এই দাবির সূত্রে শিশু অধিকার সংস্থা ডিফেন্স ফর চিলড্রেন ইন্টারন্যাশনাল প্যালেস্টাইনের মহাপরিচালক খালেদ কুজমার আল জাজিরাকে জানান, ‘গাজায় শিশুদের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন সহিংসতা দেখানো হয়েছে।’

‘এটা শিশুদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ। গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যার সবচেয়ে চরম মূল্য দিতে হয়েছে গাজার শিশুদের’, যোগ করেন তিনি।

উত্তর গাজার জাবালিয়া ক্যাম্পে শিশুরা খাবার সংগ্রহ করছে। ছবি: এএফপি

অধিকৃত পশ্চিম তীরের রামাল্লা শহর থেকে তিনি আল জাজিরাকে আরও বলেন, ‘শিশুদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। এটা মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ।’

‘গাজায়  ইসরায়েলি সেনাবাহিনী নিয়মতান্ত্রিকভাবে শিশুদের মৌলিক অধিকার হরণ করেছে এবং করেই যাচ্ছে’, যোগ করেন তিনি।

দোহারে আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

দোহার (ঢাকা) প্রতিনিধি: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকার দোহার উপজেলায় আলোচনা সভা করেছে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন। রবিবার সকালে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পতিকৃতিতে পুষ্প অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানানো হয়। পরে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত এবং সকল শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় এক মিনিট নিরবতা পালনের মধ্য দিয়ে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

সভার সভাপতিত্ব করেন দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. আলমগীর হোসেন। এসময় তিনি বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর দল, এই দল হাসেমের দল, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দল। আমরা এই দলের সদস্য হতে পেরে গর্ববোধ করি।

সে সময় উপস্থিত ছিলেন, দোহার পৌর মেয়র আলমাছ উদ্দিনসহ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন পৌর কাউন্সিলগন।

মালয়েশিয়ায় শপিং মল থেকে ১০ বাংলাদেশি আটক

মালয়েশিয়ার একটি শপিং মল থেকে ১০ বাংলাদেশি আটক হয়েছেন। অবৈধ অভিবাসনের অভিযোগে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ তাঁদের আটক করেছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম নিউ স্ট্রেইট টাইমস এ তথ্য জানিয়েছে।

নিউ স্ট্রেইট টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, গতকাল শুক্রবার (২১ জুন) রাজধানী কুয়ালালামপুরের তামান মেলাটি এলাকায় ওই অভিযানে ১৬ বিদেশিসহ ১৮ জনকে আটক করা হয়। তাঁদের মধ্যে স্থানীয় দুজন নিয়োগকর্তা আছেন।

কুয়ালালামপুর ইমিগ্রেশনের পরিচালক ওয়ান মোহাম্মদ সাউপি ওয়ান ইউসুফ সাংবাদিকদের জানান, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ১০ বাংলাদেশি ছাড়াও ইন্দোনেশিয়ার ৪ এবং ভারত ও পাকিস্তানের ২ জন নাগরিক রয়েছেন। সবার বয়স ২২ থেকে ৪৫-এর মধ্যে।

ওয়ান মোহাম্মদ সাউপি ওয়ান ইউসুফ বলেন, অভিযানের সময় ২৩ বিদেশি এবং ৭ জন স্থানীয় ব্যক্তির কাগজপত্র যাচাই করা হয়। তাতে দেখা যায়, ওই শপিং মলের ফুড কোর্টের প্রায় সব স্টলে অবৈধ অভিবাসীদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, আটক ব্যক্তিদের কুয়ালালামপুর ইমিগ্রেশন কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে ইমিগ্রেশন অ্যাক্ট ১৯৫৯/৬৩, পাসপোর্ট অ্যাক্ট ১৯৬৬ এবং ইমিগ্রেশন রেগুলেশনস ১৯৬৩-এর অধীনে অভিযোগের তদন্ত হবে।

মুন্সীগঞ্জ-নবাবগঞ্জ সীমান্তবর্তী বাস-অটোরিকশা মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২

মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলায় যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন। সময় আহত হয়েছেন আরও জন।

শনিবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার মুন্সীগঞ্জ-নবাবগঞ্জ সীমান্তবর্তী এলাকার খারশুর নামকস্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- অটোরিকশার যাত্রী শেখ আব্দুর রহমান ও মোহাম্মদ শাহীন মিয়া। তাদের বাড়ি ঢাকা জেলার দোহারে ।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নবাবগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা যাত্রীবাহী বাসটি ঢাকার উদ্দেশে যাচ্ছিল। এ সময় সিরাজদিখান উপজেলার খারশুর এলাকায় পৌঁছালে নবাবগঞ্জগামী একটি অটোরিকশার সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়৷ এতে অটোরিকশার দুই যাত্রীসহ জন আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে নবাবগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে  দুইজনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। আহতদের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

সিরাজদিখান থানার শেখেন নগর তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক জসিম উদ্দিন জানান, দুর্ঘটনার দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ হেফাজতে রয়েছে দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও অটোরিকশা।