নাইট টেম্পোলারদের কথা পর্ব ১

সোলমনের মন্দির এবং খ্রিস্টের দরিদ্র সহযোগী-সৈনিকবৃন্দ (Poor Fellow-Soldiers of Christ and of the Temple of Solomon) সাধারণ মানুষের কাছে নাইট টেম্পলার নামে পরিচিত। এছাড়া একে অর্ডার অফ দ্য টেম্প্ল-ও বলা হয়ে থাকে। খ্রিস্টান সামরিক যাজক সম্প্রদায়গুলোর (অর্ডার) মধ্যে এটিই সবচেয়ে বিখ্যাত এবং পরিচিত। মধ্য যুগে প্রায় দুই শতক ব্যাপী এই সংগঠনের অস্তিত্ব বিরাজমান ছিল। ১০৯৬ খ্রিস্টাব্দে প্রথম ক্রুসেডের পরই এর সৃষ্টি হয় যার উদ্দেশ্যে ছিল জেরুজালেমে আগত বিপুল সংখ্যক ইউরোপীয় তীর্থযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। জেরুজালেম মুসলিমদের দখলে চলে যাওয়ার পরই এই নিরাপত্তার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়।

http://upload.wikimedia.org/wikipedia/commons/thumb/0/03/Seal_of_Templars.jpg/165px-Seal_of_Templars.jpg

টেম্পোলারদের সিলমোহর। একই ঘোড়ায় বসা দুই জন নাইটের ছবিসংবলিত বিখ্যাত চিত্রসহ যা তাদের আদি দারিদ্র্যের চিহ্ন বহন করে।

১১২৯ খ্রিস্টাব্দে চার্চ এই সংগঠনকে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন দান করে। এর পর থেকে যাজক সম্প্রদায়টি গোটা ইউরোপের সবচেয়ে জনপ্রিয় দাতব্য প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়। এর সদস্য সংখ্যা এবং একই সাথে ক্ষমতা বিপুল হারে বাড়তে থাকে। স্বতন্ত্র ধরণের লাল ক্রস সংবলিত আলখাল্লা পরিধান করার কারণে যে কোন টেম্পলার নাইটকে সহজেই চিহ্নিত করা যায়। তারা ছিল ক্রুসেডের সময়কার সর্বোৎকৃষ্ট অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত, সর্বোচ্চ মানের প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত এবং সর্বোচ্চ শৃঙ্খলাবিশিষ্ট যোদ্ধা দল। এই যাজক সম্প্রদায়ের সদস্যদের মধ্যে যারা যোদ্ধা ছিল না তারা সমগ্র খ্রিস্টান রাজত্ব জুড়ে এক সুবৃহৎ অর্থনৈতিক অবকাঠামো নির্মাণ করেছিল। অর্থ উপার্জনের নব্য নতুন সব উপায় উদ্ভাবনের জন্য তারা বিখ্যাত।

http://upload.wikimedia.org/wikipedia/commons/thumb/7/71/Temple_mount.JPG/220px-Temple_mount.JPG

টেম্পোলারদের প্রথম সদর দপ্তর। ফিলিস্তিনির আল আকসা মসজিদ

তাদের এই সব কাজকর্ম ছিল প্রাচীনতম ব্যাংকি ব্যবসার নমুনা। তারা ইউরোপ এবং পবিত্র ভূমি জুড়ে প্রচুর দুর্গ তৈরি করেছিল।
টেম্পলারদের সাফল্য ক্রুসেডের সময় অনেকাংশেই সাধারণ ক্রুসেডারদের সাথে সংশ্লিষ্ট ছিল। খ্রিস্টানরা যখন পবিত্র ভূমির কর্তৃত্ব হারায় এবং ক্রুসেডাররা নির্মমভাবে পরাজিত হয় তখনই এই যোদ্ধা যাজক সম্প্রদায়ের প্রতি সমর্থন অনেকাংশে কমে আসে। টেম্পলারদের গোপন সূচনা অনুষ্ঠান অনেকের মনে সন্দেহের উদ্রেক করে যাদের মধ্যে ফ্রান্সের রাজা ফিলিপ ৪-ও ছিলেন। ফিলিপ ৪ তদানীন্তন পোপ ক্লিমেন্ট ৫-কে টেম্পলারদের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করতে থাকেন। ১৩০৭ খ্রিস্টাব্দের ১৩ অক্টোবর রাজা ফিলিপ ৪ ফ্রান্সের বিপুল সংখ্যক টেম্পলারদের আটক করে তাদের উপর নির্যাতন চালান। অনেককে পুড়িয়ে মারা হয়। ১৩১২ খ্রিস্টাব্দে পোপ ক্লিমেন্ট রাজা ফিলিপের অব্যাহত চাপে পড়ে অবশেষে নাইট টেম্পলার সংগঠনটিকে চিরতরে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন। এর অব্যবহিত পরেই ইউরোপের বিপুল সংখ্যক অবকাঠামো নিরুদ্দেশ হয়ে যায় যা অনেক কিংবদন্তী এবং গল্পের জন্ম দেয়। এ কারণে আধুনিক কল্পকাহিনীতেও টেম্পলারদের সরব উপস্থিতি লক্ষ করা যায়।

ইতিহাস

উত্থান

নাইট টেম্পলারদের প্রথম সদর দফতর, জেরুজালেমের আল আকসা মসজিদ-এর টেম্প্ল মাউন্ট। ক্রুসেডাররা এই মন্দিরকে সোলমনের মন্দির বলত কারণ প্রাচীন সেই মন্দিরের উপরই এটি নির্মিত হয়েছিল। এই টেম্প্ল শব্দ থেকেই তারা তাদের নামের টেম্পলার অংশটি নিয়েছিল।
প্রথম ক্রুসেডের শেষে ১০৯৯ খ্রিস্টাব্দে জেরুজালেম ক্রিস্টানদের অধিকারে আসে। এরপর প্রচুর ইউরোপীয় তীর্থযাত্রী নিয়মিত এই পবিত্র ভূমিতে গিয়ে উপাসনা করত। শহরটিতে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকলেও অবশিষ্ট বহিঃস্থ অংশে তা ছিল না। উপকূল রেখা থেকে পবিত্র ভূমির উদ্দেশ্যে জাফা যাবার পথে প্রচুর তীর্থযাত্রী ডাকাত দলের আক্রমণের শিকার হয়ে মৃত্যুবরণ করত। মাঝে মাঝে এই সংখ্যা একবারে একশ ছাড়িয়ে যেত।
১১১৯ খ্রিস্টাব্দের দিকে দুজন যুদ্ধপ্রবীণ, ফ্রান্সের রাজা নাইট Hugues de Payens এবং তার আত্মীয় Godfrey de Saint-Omer, এই তীর্থযাত্রীদের নিরাপত্তা রক্ষার জন্য একটি যোদ্ধা যাজকসম্প্রদায় গড়ে তোলার প্রস্তাব পেশ করে। জেরুজালেমের তৎকালীন রাজা বাল্ডউইন ২ তাদের এই প্রস্তাব অনুমোদন করে এবং জেরুজালেমের ক্রিস্টানের অধিকৃত আল আকসা মসজিদের অভ্যন্তরে অবস্থিত টেম্পল মাউন্টে তাদের জন্য একটি সদর দফতরের ব্যবস্থা করে দেয়। টেম্পল মাউন্ট তথা মন্দির পর্বতটির এক অতীন্দ্রিয় বিশেষত্ব ছিল, কারণ বিশ্বাসমতে এটি সোলমনের মন্দিরের ধ্বংসস্তূপের উপর অবস্থিত ছিল। ক্রুসেডাররা তাই আল আকসা মসজিদকে সোলমনের মন্দির বলে ডাকতো এবং এই স্থানের নাম হতেই নাইট টেম্পলাররা তাদের নামের সোলমনের মন্দির এবং খ্রিস্টের দরিদ্র সহযোগী-সৈনিকবৃন্দ (টেম্পলার নাইট) অংশটি নিয়েছিল। মাত্র নয়জন নাইটের মাধ্যমে গঠিত এই যাজকসম্প্রদায়কে প্রথমত শুধুমাত্র দানের অর্থের উপর নির্ভর করতে হত। তাদের আর্থিক অবস্থা ছিল খুব খারাপ। তাদের প্রতীকে একই ঘোড়ার উপর দুজন নাইটকে বসে থাকতে দেখা যায় যা তাদের এই দারিদ্র্যের পরিচয় বহন করে।
খুব বেশিদিন নাইট টেম্পলারদেরকে এই হতদরিদ্র অবস্থায় থাকতে হয়নি। অচিরেই তারা একজন প্রভাবশালী ধনী পৃষ্ঠপোষক লাভ করে। তিনি হলেন ক্লেইভক্সের বার্নার্ড  যিনি চার্চ গোষ্ঠীতে বিশেষ প্রভাবের অধিকারী ছিলেন এবং নাইট টেম্পলারের প্রতিষ্ঠাতা একজন নাইটের ভাতিজা ছিলেন। তিনি নাইট টেম্পলারদের পক্ষে শক্তিশালী লেখা লিখতে থাকেন এবং বিভিন্ন মহলে তাদের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে বক্তৃতা করতে থাকেন। তার এসব কার্যক্রমের ফলশ্রুতিতেই ১১২৯ সালে কাউন্সিল অফ ট্রয়েসে খ্রিস্টান চার্চ নাইট টেম্পলারদেরকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি প্রদান করে। চার্চের এই স্বীকৃতি লাভের কারণে টেম্পলাররা সমগ্র ইউরোপ জুড়ে খ্রিস্টান দাতব্য কার্যক্রমের প্রধান লক্ষ্যে পরিণত হয়। যেসব ব্যক্তি ও ধনী পরিবার পবিত্র ভূমি রক্ষার যুদ্ধে শরীক হওয়ার ইচ্ছা পোষণ করত তারা অর্থ, জমি, ব্যবসা এবং মহান রক্ত বহনকারী ছেলেদের সরবরাহ করার মাধ্যমে এই যুদ্ধে অংশ নেয়। টেম্পলারদের পক্ষে আরেকটি প্রধান আনুক্যে প্রদর্শিত হয় ১১৩৯ খ্রিস্টাব্দে। এই বছর পোপ ইনোসেন্ট ২  Omne Datum Optimum  নামক  আজ্ঞাপত্রের  মাধ্যমে এই যাজকসম্প্রদায়কে স্থানীয় আইন ও নিয়মনীতি থেকে অব্যাহতি দেয়। এর অর্থ ছিল, নাইট টেম্পলাররা সীমানা নির্বিশেষে যেকোন স্থানে বা দেশে ভ্রমণ করতে পারবে, তাদের কোন কর প্রদান করতে হবেনা এবং একমাত্র পোপের আইন ব্যাতীত অন্য কারো আইন বা শাসনের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন করতে তারা বাধ্য থাকবে না।

http://upload.wikimedia.org/wikipedia/commons/thumb/7/7d/Templar_Flag_6.svg/170px-Templar_Flag_6.svg.png

টেম্পোলারদের পতাকা
“একজন টেম্পলার নাইট সত্যিকার অর্ধেই ভয়হীন, এবং সকল দিকই নিরাপদ, কারণ তার আত্মা বিশ্বাসের ঢালের মাধ্যমে রক্ষিত, ঠিক যেমন তার দেহ রক্ষিত ইস্পাতের ঢালের মাধ্যমে। এভাবে সে দুই ঢালের মাধ্যমে রক্ষিত হয়, এবং এ কারণে মানুষ বা শয়তান কাওকে ভয় করার কারণ আর অবশিষ্ট থাকেনা।”
বার্নার্ড দ্য ক্লেইভক্স, ১১৩৫ খ্রিস্টাব্দ, De Laude Novae Militae – নতুন নাইটহুডের প্রশংসায়।
পরিষ্কার অভিযান এবং বিপুল পরিমাণ ধন-সম্পত্তি কারণে এই যাজকসম্প্রদায় খুব দ্রুত বিকশিত হয়। ক্রুসেডের অধিকাংশ যুদ্ধেই তখন টেম্পলার নাইটদেরকে অগ্রসর বাহিনী হিসেবে ব্যবহার করা শুরু হয়। কারণ যুদ্ধবাজ উঁচুমানের ঘোড়ায় চড়ে তারা সহজেই প্রতিপক্ষ শক্তির সামনের সারির ব্যুহ ভেদ করতে পারতো এবং প্রথম সারির পতন ঘটাতে তারা ছিল পটু। তাদের অন্যতম প্রধান বিজয় ছিল ১১৭৭ খ্রিস্টাব্দের মন্টগিসার্ডের যুদ্ধে। এই যুদ্ধে মাত্র ৫০০ জন টেম্পলার নাইটের সহযোগিতায় খ্রিস্টান বাহিনী মুসলিম সেনানায়ক সালাদিনের ২৬,০০০ সৈন্যের বাহিনীকে পরাস্ত করতে সক্ষম হয়েছিল।
এই যাজকসম্প্রদায়ের মূল উদ্দেশ্যে সামরিক হলেও খুব কম সংখ্যক নাইটই সামনের কাতারে থেকে যুদ্ধে অংশ নিতো। অবশিষ্ট নাইটরা সমর্থক এবং সহযোগী শক্তি হিসেবে কাজ করত। তাদের কাজ ছিল যোদ্ধা টেম্পলারদেরকে ব্যক্তিগত পর্যায়ে সহায়তা করা এবং আর্থিক অবকাঠামো নির্মাণ করে বাহিনীকে সচল রাখা। ব্যক্তিগতভাবে সব নাইট দরিদ্র হলেও দানের বাইরে তাদেরকে প্রভূত অর্থ-সম্পদের নিয়ন্ত্রণের অধিকার দেয়া হয়েছিল। যেকোন মহৎ ব্যক্তি, যে ক্রুসেডে অংশ নিতে ইচ্ছুক ছিল কিন্তু কোন কারণে সরাসরি যুদ্ধে পারঙ্গম ছিলনা, সে তার সকল সম্পত্তি টেম্পলারদের হাতে তুলে দিয়ে এই যাজকসম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত হতে পারতো। ইউরোপ এবং আশেপাশের এলাকা জুড়ে এভাবে বিপুল সম্পত্তি জড়ো করার পর টেম্পলাররা পবিত্র ভূমির তীর্থযাত্রীদেরকে  ঋণপত্র  প্রদান শুরু করে। তীর্থযাত্রীরা পবিত্র ভূমির উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করার আগে তাদের যাবতীয় অর্থ-সম্পদ স্থানীয় টেম্পলারদের কাছে জমা করতো। স্থানীয় টেম্পলাররা তাকে গুপ্তভাবে সংকেতায়িত একটি দলিল হস্তান্তর করতো যাতে তার জমা করা সম্পদের পরিমাণ লেখা আছে। পবিত্র ভূমিতে পৌঁছে এই দলিল দেখালেই সেখানকার টেম্পলারদের কাছ থেকে সে তার অর্থ ফেরত পেয়ে যেতো। এই নতুন উদ্ভাবনটিই প্রথম চেক তথা  হুণ্ডির  ব্যবহার হিসেবে চিহ্নিত হতে পারে। এই পদ্ধতি তীর্থযাত্রীদেরকে অনেক স্বচ্ছন্দ এবং নিরাপদ করেছিল। কারণ ডাকাতদের হাতে কাগজটি পড়লেও তারা তার মর্ম উদ্ধার করতে না পারায় কোন সম্পত্তি হস্তগত করতে পারতো না। এছাড়া এই কাজ করে টেম্পলারদের আর্থিক অবস্থাও বিশেষ উন্নত হয়েছিল।
এরকম মিশ্র দান এবং ব্যবসায়িক চুক্তির মাধ্যমে টেম্পলাররা সমগ্র খ্রিস্টান রাজত্বে একটি দৃঢ় আর্থিক নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠা করেছিল।  ইউরোপ  এবং  মধ্য প্রাচ্যে  তারা প্রচুর অর্থ ও জমি লাভ করেছিল। এছাড়া তারা খামার ও আঙুরের ক্ষেত ক্রয় ও চাষাবাদ, চার্চ এবং দুর্গ নির্মাণ, বাণিজ্যিক পণ্য উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানী ইত্যাদি নানা ধরণের কাজ করত। তাদের নিজস্ব নৌ বাহিনী ছিল। এমনকি একসময় তারা সমগ্র সাইপ্রাস দ্বীপের মালিকানা অর্জন করেছিল। বিতর্ক থাকা সত্ত্বেও টেম্পলারদেরকেই পৃথিবীর প্রথম  বহুজাতিক বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান  হিসেবে আখ্যায়িত করা যায়।

দোহারে পেটের ব্যাথায় আত্মহত্যা

0

পেটের ব্যাথা সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করলেন মোঃ আলমগীর হোসেন। টার গ্রামের বাড়ী দোহার থানার মালিকান্দা গ্রামে। পিতা- মৃত রশিদ মাঝি। সে পেশায় একজন কাঠ মিস্ত্রী। তার ২ ছেলে রয়েছে।

নিহতের বড় ভাই মোঃ জাহাঙ্গীর নিউজ৩৯ কে জানান, আলমগীর দীর্ঘদিন ধরেই পেটের ব্যাথায় ভুগছিল। এজন্য সে মাঝে মাঝে বিভিন্ন ওষুধ খেয়ে আসছিল কিন্তু কিছুতেই কিছু হচ্ছিল না।  আজ ব্যাথা সহ্য না করতে পেরে সে ধানের কীটনাশক খেয়ে আত্মহত্যা করে।

তাকে মুমূর্ষুজনক অবস্থায় দোহার সদর হাসপাতালে  আনা হলে কর্তব্যরত ডাঃ তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ব্যাপারে রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় কোন মামলা বা জি ডি হয়নি।

দোহারে ইয়াবাসহ এক যুবক গ্রেফতার

0

 

ফারুক আহমেদ সজল♦ ঢাকার দোহার উপজেলার নারিশা পশ্চিমচর এলাকা হতে ইয়াবাসহ রবিন (২৩) নামের এক  যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সে নারিশা গ্রামের মোঃ আবুল কালামের ছেলে। 

পুলিশ সুত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দোহার থানা পুলিশের একটি দল উপজেলার নারিশা পশ্চিমচর লঞ্চঘাট টানা ব্রীজের সংলগ্ন রাস্তার ওপর থেকে ১০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ রবিনকে আটক করে পুলিশ। এ ব্যাপারে  দোহার থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

দোহারে গাঁজাসহ এক গ্রেফতার

0

ফারুক আহমেদ সজল♦ ঢাকার দোহার উপজেলার চরকুসুমহাটি গ্রাম থেকে ৪ কেজিসহ গাজাসহ এক ব্যক্তিকে আটক করেছে দোহার থানা পুলিশ। 

পুলিশ সুত্রে জানা যায়, ১৫ ফেব্রুয়ারি চরকুসুমহাটি গ্রাম হতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মোঃ হালিম (৪০) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে। দোহার থানা উপপরিদর্শক এএসআই মোঃ সিদ্দিকুর রহমানের  নেতৃত্বে  উপজেলার চরকুসুমহাটি গ্রামের মোঃ হালিমের বসত ঘরে অভিযান চালিয়ে ঘরের মাচার নিচে মাটিতে পুঁতে রাখা অবস্থায় ৪ কেজি গাজাসহ মো. হালিমকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে।

এ ব্যাপারে দোহার থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ঢাকা-বান্দুরা সড়কে স্পিড ব্রেকার ভেঙ্গে ফেলা হল

0

ঢাকা বান্দুরা মহাসড়কে অপরিকল্পিত ভাবে গড়ে ওঠা ৩০টি স্পিড ব্রেকার অবশেষে ভেঙ্গে ফেলা হল। ভ্রাম্যমান আদালত ঢাকা-বান্দুরা মহাসড়কের বক্সনগর মহাসড়রেকর অপরিকল্পিত স্পিড ব্রেকার অবশেষে ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে। ভোগান্তির পর সাধারন জনগণের দীর্ঘদিনের দাবি অবশেষে পূরণ হল।

গত ১৩ ফেব্রয়ারি বেলা ১১টা হতে সন্ধ্যা পর্যন্ত স্পিড ব্রেকার অপসারনের কাজ চলে। ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আজীজ হায়দার ভূইয়ার নেতৃত্বে ২ প্লাটুন পুলিশ, সড়ক ও জনপথের কর্মকর্তা উপস্থিত থেকে ৩০টি স্পিড ব্রেকারের অপসারনের কাজ শুরু করে। অপরিকল্পিত ভাবে নির্মিত এ স্পীড ব্রেকারের কারণে যত্রতত্র দূর্ঘটনার শিকার হতো পথচারী ও সাধারন যাত্রীরা।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শেখ হান্নান উদ্দিন, কেরাণীগঞ্জ সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ জাকারিয়া, ওসি (তদন্ত) মোঃ আজিজুর রহমান, বকসনগর ইউপি চেয়ারম্যান এরশাদ আল মামুনসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

দোহারে ২৫ কেজি গাঁজাসহ মহিলা গ্রেফতার

0

 ১২ ই ফেব্রুয়ারী রবিবার মাদকদ্রব নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের পরিচালিত এক বিশেষ অভিযানে দুপুর ১.৩০ মিনিটে দোহার থানার রঘুদেব পুর গ্রামের বেপারী বাড়ী থেকে ২৫ কেজি  গাজা সহ এক মহিলাকে গ্রেফতার করা হয়েছে । গ্রেফতার হওয়া মহিলার নাম আনোয়ারা বেগম, তার স্বামীর নাম নাসিরূদ্দিন বেপারী, গ্রাম:রঘুদেবপুর, চরকুশাই।

এ ব্যাপারে দোহার থানার এস আই আজাদ আমাদেরকে জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের উপ- পরিদর্শক হুমায়ুন কবির ভূঁইয়া পরিচালিত এক বিশেষ অভিযানে ৩ বস্তা গাঁজা উদ্ধার করা হয়। তিনি আরও জানান দীর্ঘদিন ধরেই তারা গাজা ব্যাবসায়ীকে আটকের জন্য একজন সোর্সকে কাজের লোক হিসাবে ঐ মহিলার বাড়ীতে নিযুক্ত করা হয়। আর এই সোর্স মারফত তারা জানতে পারেন যে, রবিবার গাজার একটি বড় চালান আসবে। আর এভাবেই তারা  আনোয়ারা বেগমকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন।

তবে এবার নিয়ে আনোয়ারা বেগম ৫ বার গ্রেফতার হলেন। কিন্তু কোন এক অদৃশ্য কারণে বার বার আইনের ফাঁক গলে তিনি বের হয়ে আসেন বিধায় এলাকাবাসীর আশঙ্কা এবারও হয়তো তাকে আটকানো যাবে না।

নবাবগঞ্জে ৩০ লিটার মদসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

0

নিউজ৩৯, নবাবগঞ্জ প্রতিনিধি♦

 শনিবার দুপুরে ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার নবাবগঞ্জ বাজারের পাশের একটি বাড়ি থেকে ৩০ লিটার দেশি মদসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে  র‍্যাব সদস্যরা।

আটক দিলিপ (২৬)পেশায় সুইপার। নবাবগঞ্জ বাজারের  চন্দনের ছেলে।

র‍্যাব-১১   সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টায়  মুন্সিগঞ্জ ক্যাম্পের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোকছেদ আলীর নেতৃত্বে  একটি দল দিলিপের বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময়  উপস্থিতি বুঝতে পেরে দিলিপ দৌঁড়ে পালানোর চেষ্টা করলে র‍্যাব তাকে ধরে ফেলে। পরে তার স্বীকারোক্তিতে বাড়ির উত্তর পাশে নোংরা জায়গায় মাটিতে পুতে রাখা প্রায় ২৫ লিটার মদসহ ১টি ড্রাম ও তার ঘর থেকে ১টি গ্যালনে ভরা আরও ৫ লিটার মদ উদ্ধার করা হয়।

আটক দিলিপ দীর্ঘদিন ধরে মদ তৈরি করে বিক্রি করে আসছে।

জয়পাড়া বাজারের বর্জ্য হিলসামারি নদীতে

0

স্টাফ রিপোর্টার♦ দোহারের বুক চিরে বয়ে যাওয়া নদীগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো ইছামতির শাখা নদী হিলসামারি। দোহার উপজেলার প্রান কেন্দ্র জয়পাড়া বাজার ঘেষে বয়ে যাওয়া নদীটি দূষিত হচ্ছে প্রতিদিন। ক্রমে ক্রমে হারিয়ে যাচ্ছে এই নদী। জয়পাড়া বাজারের সকল বর্জ্য প্রতিদিন নিক্ষেপিত হচ্ছে হিলসামারির বুকে। নদীতে বর্ষাকাল ছাড়া পানি প্রবাহ না থাকার ফলে নদীর পানি হয়ে যাচ্ছে বিষাক্ত। হয়ে পড়ছে মানুষের ব্যবহারের অনুপযোগী।
দীর্ঘদিন যাবত নদীটির পানি দূষিত হলেও দেখা

https://lh4.googleusercontent.com/-MrGqZqMB8wM/TzYdiVYUs9I/AAAAAAAAA3c/E3-eDV2qTKs/s500/IMG_2517.JPG

যায়নি এর কোন প্রতিকার ব্যবস্থা। সেটা হোক সরকারী বা বেসরকারী। এ ব্যাপারে প্রশাসনকে প্রশ্ন করলে তারা তাদের অপারগতা প্রকাশ করেন। হিলসামারি নদীকে বাঁচাতে অতি শিঘ্রই এই নদীতে বর্জ্য ফেলা বন্ধ করতে হবে। তা নাহলে বাংলাদেশের আরো অনেক শাখা নদীর মতো হিলসামারি নদীও কালের গর্ভে হারিয়ে যাবে।

দোহারে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ২৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি

0

স্টাফ রিপোর্টার♦

ঢাকার দোহার উপজেলার আউলিয়াবাদ গ্রামে শুক্রবার রাত ৮টায় এক তুলা তৈরির কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে প্রায় ২৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

এতে পার্শ্ববর্তী ভাই ভাই রাইস মিল ও সম্পূর্ণরূপে ভস্মীভূত হয়।

এ সময় দুটি তুলা তৈরির মেশিনসহ গোডাউনে রাখা সব তুলা ও সুতা পুড়ে গেছে।

কারখানার মালিক শেখ সোহেল রানার কাছ থেকে জানা যায়, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। এতে কারখানার ১০ লাখ টাকার তুলা ও দুটি তুলা তৈরির মেশিন পুড়ে প্রায় ২৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

রাত ১০টায় পর্যন্ত ঘটনাস্থলে দমকল বাহিনী উপস্থিত হয় বলেজানা যায়। তবে তার পূর্বেই স্থানীয়দের সহযোগিতায় আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।

নবাবগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের কমিটি গঠন

0

নিউজ৩৯♦ অবশেষে দীর্ঘদিন পরে হলেও ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের দুটি  কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিগুলো হলো নবাবগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদল ও দোহার নবাবগঞ্জ কলেজ (ডি এন কলেজ) ছাত্রদলের কমিটি।

দলীয় সূত্র থেকে জানা যায়, মো. রাকিবুজ্জামানকে সভাপতি, জাহাঙ্গীর আলমকে সাধারণ সম্পাদক করে নবাবগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়।

অন্যদিকে দোহার নবাবগঞ্জ কলেজ শাখায় মো. আউয়াল হোসেনকে সভাপতি, অমিত হাসানকে সাধারণ সম্পাদক করে ছাত্রদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়।

দীর্ঘদিন পরে হলেও এই কমিটি গঠন ছাত্র আন্দোলনের সাথে সাথে জাতীয় আন্দোলনেও যুগপৎ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে বলে কমিটি সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।

এদিকে খুব শীঘ্রয় দোহার থানা ছাত্রদল কমিটি ও জয়পাড়া কলেজ ছাত্রদল কমিটির নাম ঘোষনা করা হবে বলে জয়পাড়া কলেজ শাখা ছাত্রদল সভাপতি মোঃ জহিরুল ইসলাম আমাদেরকে জানিয়েছেন।