দোহারে ঘুরতে এসে পদ্মায় নিখোঁজ মিঠুন

দোহারে বন্ধুর নানা বাড়ীতে ঘুরতে এসে পদ্মায় ডুবে মারা গেলো মাহাদি হাসান মিঠুন। জানা যায়, ঢাকা সিটি কলেজের ১০ বন্ধুকে নিজের বাড়ীতে আমন্ত্রণ জানায় দোহার উপজেলার নারিশা পশ্চিমচর গ্রামের সিটি কলেজ পড়ুয়া বন্ধু।

ঘুরতে এসে সবাই নারিশা ডাকবাংলো সংলগ্ন আম্বুর দোকানের উলটো পাশের মাঠে ফুটবল খেলার পর পদ্মায় গোসলে নামে, তখন বিকাল ৩টায়।সেখানে তীব্র স্রোতে মিঠুনসহ আরেক বন্ধু ভেসে যায়। নদীতে চলমান একটি ট্রলার মিঠুনের বন্ধুকে উদ্ধার করতে পারলেও ভেসে যায় মিঠুন। দোহার থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অনেক খোজাখুজির পরও তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয় নি।

নিহত মিঠুনের গ্রামের বাড়ী বরগুনা জেলায়। সে বাবা মায়ের ছোট সন্তান, বয়স ১৭। পড়ালেখা- বাণিজ্য বিভাগ, ২য় বর্ষ,ঢাকা সিটি কলেজ। তারা ঢাকার বংশালের মহটুলীর ৬২/৬৪ বাসায় থাকতো।

ফুটপাতে জমে উঠেছে ঈদের বাজার

মোরাদ ঈদকে সামনে রেখে দোহারের অভিজাত শপিং মলগুলোতে জমে উঠেছে ঈদের বেচাকেনা। প্রধানত উচ্চ বিত্তদের প্রধান পছন্দ এই বিপনীবিতান গুলো দরিদ্রদের ধরা ছোয়ার বাইরে। আর তাই দরিদ্রদের ঈদের বাজার হয়ে পড়েছে ফুটপাথ নির্ভর। আর তাদের জন্য এবারের ঈদে দোহার উপজেলা মার্কেটের সামনে অস্থায়ী ভাবে গড়ে উঠেছে জামা-কাপড়ের দোকান। এখানে অত্যন্ত কম মুল্য বিক্রি করা হচ্ছে ঈদের জামা-কাপড়। ঈদকে সামনে রেখে দশ রোজা থেকে এই ফুটপাথে বিক্রি শুরু হয়। এ জন্য উপজেলা থেকে অনুমতি নেয়া হয়েছে বলে ফুটপাথের এক দোকানদার জানান। এই স্থানে দোকানের জন্য তারা কোন চাঁদাবাজির শিকার হচ্ছে না বলে তিনি জানান। আর স্থানটা নিয়মিত ঝাড়ু দেবার জন্য ঝাড়ুদার কে প্রতিদিন  ৫০টাকা ও পাহাড়াদারকে ৫০ টাকা দিতে হয়।

দোহারে যাকাতের কাপড় নিতে গিয়ে আঙ্গুল কাটা পড়লো ভিক্ষুকের

ঢাকার ফকিরাপুলে যাকাতের কাপড় আনতে গিয়ে চার জনের মৃত্যুর রেশ কাটতে না কাটতেই এবার যাকাতের কাপড় নিতে গিয়ে এক মর্মান্তিক দূর্ঘটনায় ডান হাতের মধ্যমা আঙ্গুল কাটা পড়লো দোহারের এক ভিক্ষুকের।

প্রত্যক্ষদর্শীদের থেকে জানা যায়, বাংলাদেশ বস্ত্রালয়ের মালিক পক্ষের (আব্দুর রব ও আইয়ুব আলী) বাড়ীতে শুক্রবার জুম্মার পর থেকে জাকাতের কাপড় বিলির ব্যবস্থা করা হয়।

প্রায় শতাধিক কাপড় বন্টনের পর উপস্থিত জনসাধারনের মাঝে হট্টগোল শুরু হলে বাড়ীর সদর দরজা বন্ধ হয়ে যায়। এই সময় দরজায় এক মহিলার আঙ্গুল আটকে যায়।

সেই সময় তার চিৎকারে আব্দুর রবের বাড়ির লোকজন এসে দরজা থেকে তার আঙ্গুল বের করে তাকে দ্রুত জয়পাড়া হাসপাতালে নিয়ে আসে। এই অবস্থার তার আঙ্গুলের অবস্থা দেখে তাকে দ্রুত ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলে। সেখানে ডাক্তার তার হাতের আঙ্গুল কেটে ফেলতে পরামর্শ দেয়।

গরু বেচা টাকা হারিয়ে ঈদের আনন্দ মাটি আবুল হোসেনের

দোহার থানার বটিয়া গ্রামের আবুল হোসেন নামের এক গরু ব্যবসায়ীর বাসা থেকে ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা চুরি গিয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ১:৩০ টার দিকে  সিঁদ কেটে চোর টাকাগুলো নিয়ে যায়।

ক্ষতিগ্রস্থ আবুল হোসেন জানান সেদিন চারটি গরু বিক্রি করে সেই টাকা কম্বল দিয়ে পেচিয়ে রেখেছিলেন। পরিশ্রান্ত আবুল হোসেন সেরাতে তারাতারি ঘুমিয়ে পড়েন। তার ধারণা পরিচিত কেউ এই কাজ করেছে।

তিনি কথা বলার সময় বার বার অজ্ঞান হয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি জানান টাকা ধার করে গরু কিনেছিলেন, এখন সেই ধারের টাকা কিভাবে শোধ করবেন? চোর তার ঈদের আনন্দ মাটি করে দিয়ে গেল।

এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় কোনো জিডি করা হয় নি।

তিন থান লুঙ্গি সহ এক চোর আটক

গত দশ আগষ্ট দোহার উপজেলার রাইপাড়া (ছনটেক) গ্রামে লুঙ্গি চুড়ি করার সময় তিন থান লুঙ্গির কাপড় সহ এক লুঙ্গি চোর ধরা পরেছে। আটককৃত চোরের নাম আবুল হালিম। স্থানীয় লোকদের জেরার সময় সে জানায়, স্থানীয় কিছু চোরের যোগসাজসে সে এই এলাকায় চুরি করতে এসেছে।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, পেশাদার চোর আব্দুল হালিম ঈদের বাজারকে সামনে রেখে স্থানীয় এক চোরের দলের সাথে কথা বলে সে এখানে এসেছে। তার গ্রামের বাড়ি কুমিল্লা জেলার পাঞ্চা নগর থানায়। এই চোরের সাথে আরো দু’জন স্থানীয় চোর ছিল যাদের ধরা সম্ভব হয়নি। তারা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে। রাইপাড়া (ছনটেক) গ্রামে যাদের বাড়িতে এই চুরি হয় তারা হলো আজিজ, আলাউদ্দিন ও বাশার সাহেব। তাদের কাছ থেকে জানা যায় তিন থান লুঙ্গির বাজার মূল্য প্রায় ত্রিশ হাজার টাকা।

দোহারে ১২০ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার

দোহারে সোমবার রাত ১১টার দিকে উপজেলার চর কুসুমহাটি  গ্রামে ফারুক নামে এক মাদক ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে ১২০ লিটার চোলাই মদসহ  ৪ মদ্যপায়ীকে আটক করেছে পুলিশ।

আটকৃতরা হলেন- সাদ্দাম হোসেন (২১), আহম্মদ (২৪), নুরজামাল (১৮) ও ফিরোজ মোল্লা (১৯)। প্রত্যেকেই একই গ্রামের বাসিন্দা। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক ব্যবসায়ী ফারুক পালিয়ে যায়।

দোহার থানার তদন্ত কর্মকর্তা নিউজ৩৯-কে জানান, সোমবার রাত ১১টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার চর কুসুমহাটি গ্রামের মাদক ব্যবসায়ী ফারুকের বাড়িতে তল্লাশি চালায় পুলিশ। এ সময় ওই বাড়ি থেকে ১২০ লিটার চোলাই মদসহ তাদের আটক করা হয়।

আর্থিক সংকটে বেদেরা: হয়রানির শিকার নবাবগঞ্জ দোহারবাসী

ঈদ উপলক্ষ্যে জমে উঠেছে নবাবগঞ্জ ও দোহারের বাজার। কিন্তু একই সাথে হয়রানির শিকার হচ্ছে পথচারীরা। বাজারের প্রবেশ পথে নিয়মিত দেখা যাচ্ছে বেদে মহিলাদের চাদাবাজির দৃশ্য। তারা হাতে ছোট বাটিতে সাপ নিয়ে লোকজনকে ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। আর্থিক সংকটে বেদেরা।

তারা ৩/৪ জনের একটি গ্রুপ হয়ে চলাচল করে। প্রায় ১২/১৫টি গ্রুপ নবাবগঞ্জ ও দোহারে সক্রিয়। এদের সবাই তরুণী। প্রসাশন এ ব্যাপারে জ্ঞাত হলেও তাদের কোনো পদক্ষেপ নেই। এক্ষেত্রে অসহায় হয়ে পড়েছে পথচারীরা। এছাড়া তারা এভাবে সৃষ্টি করছে বিব্রতকর পরিস্থিতি। বিশেষ করে স্ত্রী’র সামনে স্বামীকে বা মায়ের সামনে ছেলেকে নিয়ে টানাটানি ফেলে দিচ্ছে অস্বস্তিতে।

কেন তারা এমন করে, এ প্রশ্নের জবাবে শারমিন নামে এক বেদে নিউজ৩৯-কে জানান, বছরের এ সময়টা শুধু তারা একটু বাড়তি আয়ের আশায় এখানে আসেন। এটা হচ্ছে সবার কাছ থেকে ঈদের সেলামি নেয়া। তাদের দিকে তো কেউ তাকায় না, সরকারের কোনো সাহায্য তারা পান না।

তবে পথচারীদের প্রত্যাশা এ ব্যাপারে প্রশাসন তাদের ব্যাপারে যথাযথ আন্তরিক পদক্ষেপ নিবে এবং এ ধরনের নাজেহাল অবস্থা থেকে তাদের উদ্ধার করবে।

ঈদ উপলক্ষ্যে দোহার-নবাবগঞ্জে মাদক আসছে অবাধে

আসন্ন ঈদ উপলক্ষে দোহারে মাদকের মজুদ বাড়ছে। ফেনসিডিল, গাঁজা ও হেরোইন, বিদেশী মদসহ প্রচুর পরিমানের মাদক দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে দোহারে এসে মুজুদ করা হচ্ছে। আসন্ন ঈদ উপলক্ষে দোহারে মাদকের চাহিদা বৃদ্ধি পাবে এই ধারণাতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মাদক আসছে দোহারে।

এইসব মাদক ব্যবসায়ীদের প্রধান লক্ষ্য দোহার-নবাবগঞ্জের বিভিন্ন কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা।  এই মাদক দ্রব্যগুলো দোহার-নবাবগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় মজুদ হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে। দোহার নবাবগঞ্জে প্রচুর প্রবাসী থাকার কারনে মাদক দ্রব্য বিশেষ করে বিদেশী মদ ও ইয়াবার প্রচুর চাহিদা এই এলাকায় রয়েছে। আর সেই সুযোগকে কাজে লাগাতে মাঠে নেমেছে দোহার-নবাবগঞ্জের মাদক ব্যবসায়ীরা।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দেওয়া তথ্য মতে, দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদক কেনাবেচা হলেও এর মূল বাজার হলো রাজধানী ঢাকা। সীমান্ত পেরিয়ে দেশে প্রবেশের পর এসব মাদক ৬টি রুট দিয়ে ঢাকায় আনা হচ্ছে। সীমান্তবর্তী দেশ থেকে ফেনসিডিল, গাঁজা ও হেরোইনসহ প্রায় ২৫ প্রকার মাদক বাংলাদেশে আসে। এর মধ্যে ইয়াবা, ম্যান্ডেলা মদ, ম্যান্ডেলা বিয়ার, হিরো হুইস্কি, গ্রান্ড রয়েল হুইস্কি, লন্ডন রাম, টাইগার রাম, ম্যান্ডেলা রাম, আন্দামান গোল্ড বিয়ার, রয়েল ডিস্টিলারি, বস আপ, রেড হর্স ডিস্টিলারি, জিনস মদ, অরেঞ্জ মদ ও বাংলা মদ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। আর এই সব মাদকের একটা উল্ল্যেখ যোগ্য অংশ প্রবেশ করে দোহার-নবাবগঞ্জে।

দোহারে বিদেশী মদ খুবই জনপ্রিয় হওয়ায় ইতিমধ্য দোহারের মদ ব্যবসায়ীরা মদের অর্ডার রাখতে শুরু করেছেন। আর স্থানীয় বাংলামদের জন্য বিখ্যাত ধূলশুরা আর অরঙ্গাবাদতো আছেই। তাছাড়া বিদেশী মদের সাথে গাঁজা, ইয়াবা, হিরোইনও মজুদ করছেন মাদক ব্যবসায়ীরা। আর ফেনসেডিল ব্যবসায় অনেকটা উন্মুক্ত হয়ে পড়েছে দোহারের বাজারে। বিশেষ বিশেষ দোকানে বিশেষ বিশেষ কোড ওর্য়াড বললেই বিভিন্ন এনার্জি ড্রিঙ্কের বোতলে পাওয়া যাচ্ছে ফেনসেডিল।

তথ্য মতে, ভারত ও মায়ানমার সীমান্তের ১৫৩টি এলাকা দিয়ে বাংলাদেশে মাদকদ্রব্য ঢুকছে। সংঘবদ্ধ মাদক ব্যবসায়ীদের একাধিক হাত ঘুরে এই মাদক সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে রাজধানীতে আসে। দেশের সীমান্তবর্তী জেলাগুলো থেকে ৬টি রুট দিয়ে রাজধানীতে মাদকদ্রব্য আনা হচ্ছে। ইয়াবা আসছে টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে।

রোহিঙ্গারা টেকনাফের সীমান্ত অঞ্চল দিয়ে মায়ানমার থেকে ইয়াবার চালান কক্সবাজার নিয়ে আসে। এরপর সড়ক পথে তা ঢাকায় নিয়ে আসা হয়। এছাড়া দোহারে কাজ করতে আসা উত্তর বঙ্গ থেকে আসা শ্রমিকরাও নিয়ে আসছে প্রচুর পরিমানের গাঁজা।

এছাড়া ভারত থেকে বিপুল পরিমাণ ফেনসিডিল আসছে। ভারত থেকে সাতক্ষীরা সীমান্ত দিয়ে পণ্যবাহী ট্রাকে করে গাঁজা ও ফেনসিডিল বাংলাদেশে ঢুকছে। তারপর দোহার হয়ে সেগুলো যাচ্ছে ঢাকাতে।  হেরোইন আসছে যশোর সীমান্ত দিয়ে পণ্যবাহী যানে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ফেনসিডিল আসছে পণ্যবাহী ট্রাকে, কুমিল্লা ও আখাউড়া সীমান্ত থেকে গাঁজা আসছে প্রাইভেটকার ও যাত্রীবাহী বাসে। রাজশাহী সীমান্ত থেকে বাস, পণ্যবাহী ট্রাক ও রেলপথে মাদকদ্রব্য আনা হচ্ছে ঢাকায়।

দোহারে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ২ সদস্য গ্রেফতার

রোববার বেলা ১১টার দিকে দোহারে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ২ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।গ্রেফতাররা হলেন- মাহমুদপুর ইউনিয়নের হরিচণ্ডি গ্রামের শেখ আলী আহম্মদের ছেলে ফারুক ও একই ইউনিয়নের ওই গ্রামের আরশ পত্তনদারের ছেলে শামিম পত্তনদার।

দোহারের মাহমুদপুর ইউনিয়নের হরিচণ্ডি এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন জানান, রোববার বেলা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ উপজেলার মাহমুদপর ইউনিয়নের হরিচণ্ডি এলাকা থেকে তাদের আটক করে। এদের বিরুদ্ধে ডাকাতি মামলা রয়েছে।

দোহার নবাবগঞ্জে ঈদ হাতি !

দোহার নবাবগঞ্জের বাজারে ঈদ উপলক্ষ্যে দেখা মিলছে বড় বড় হাতির। হাতিগুলো মুলতঃ প্রদর্শনীর জন্য হলেও; হাতির মালিকেরা বাজার থেকে হাতির মাধ্যমে সালামি তুলছেন। আর এই হাতিগুলো মুলতঃ নবাবগঞ্জের সাদাপুরের।

হাতির মালিকেরা জানান, হাতিগুলো আগে সার্কাসের জন্য বা মেলায় প্রদর্শনীর জন্য নিয়ে যাওয়া হতো। কিন্ত বর্তমানে সে রকম মেলা বা সার্কাসের আয়োজন কমে যাওয়ায় এতো বিশাল প্রাণীর ব্যায়ভার বহন করাও অত্যন্ত কষ্টের। তাই তারা হাতির সালামি তুলছেন।