আসিফ শেখ::: নবাবগঞ্জ উপজেলার ২০ গ্রামের অর্ধলক্ষাধিক বাসিন্দার দাবী যন্ত্রাইল-কাহুর-কান্দামাত্রা সড়কের মরগাঙ্গে ছোট একটি সেতু। জনপ্রতিনিধিরা বার বার প্রতিশ্রুতি দিলেও সেতু নির্মিত হয়নি আর এতে করে অপূর্ণতাই রয়ে গেল।গ্রামবাসীর অভিযোগ, ভোট আসলে এলাকায় আসেন নেতারা। ভোটারদের দেন প্রতিশ্রতি। ভোট শেষ হলে মন্ত্রী হন, এমপি হন, উপজেলা চেয়ারম্যান হন। পরে আর খোঁজ নেন না। এমনি অভিযোগ যন্ত্রাইল, কাহুর, কান্দামাত্রা, চর বাহ্রা, নাওপাড়া, হায়াতকান্দা, বোয়ালি, তেলেঙ্গা, হরিস্কুলসহ গ্রামের অর্ধলক্ষাধিক বাসিন্দার প্রাণের দাবী এই সেতুটি।গ্রামবাসী জানান, নবাবগঞ্জ উপজেলা সদর থেকে মাত্র ১ কিলোমিটার দুরত্বে যান্ত্রাইল-ভাওয়ালিয়া মূল সড়কের সাথে এটির সংযোগ। সড়কটির সংযোগ পথ থেকে ১’শ ফুট দুরে মরগাঙ নামে খুব সরু একটি নদী রয়েছে। ঐ নদীতে ছোট একটি সেতু হলে উপজেলা সদরের সাথে অন্তত ৪/৫ কিলোমিটার দুরত্ব কমে আসবে। প্রস্তাবিত সড়কটির কিছু অংশ সম্প্রতি মাটি দিয়ে সম্প্রসারণ করা হয়েছে। তাতে এলাকার বিশিষ্ট জনদেরও অর্থ রয়েছে। তারা আরো জানান, উপজেলা সদরের এতো কাছে থেকেও আমরা অবহেলিত। সেতুটি বাস্তবায়ন না হওয়ায় এলাকাবাসী চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। বিশেষ করে প্রসুতি শিশু ও বৃদ্ধদের স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিতে সবচেয়ে বেশি দূর্ভোগ পোহাতে হয়। ১ কিলোমিটারের পথ যেতে ৪/৫ কিলোমিটার ঘুরে সেবা নিতে হয়।কান্দামাত্রা গ্রামের মিনহাজ উদ্দিন বলেন, প্রতিশ্রতি আর প্রতিশ্রুতি এতেই আটকে আছি আমরা। কত বছর কেটে গেল আমাদের প্রত্যাশার সেতু বাস্তবায়ন না হওয়ায় আমরা হতাশ। বাহ্রা ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান শিলু বলেন, কয়েক মাস আগে স্থানীয়দের সহযোগীতায় প্রস্তাবিত সেতু মাপ-ঝোপ করা হয়েছিল। তা ফাইলেই বন্দি রয়ে গেছে।নবাবগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী ধিরেন্দ্র চন্দ্র দেবনাথ বলেন, এলাকাবাসীর দাবী উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।
নবাবগঞ্জে গৃহবধুকে ধর্ষণ: গ্রেফতার এক
নবাবগঞ্জ উপজেলায় ১ বছরের শিশু ও মাকে ধষর্ণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। পুলিশ ধর্ষক মো. আকাশ কে গ্রেফতার করেছে। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ১২ মে সোমবার দুপুরে ধর্ষিতা গৃহবধু তার স্বামী বাড়ী না ফেরায় এক বছরের কন্যা শিশুকে নিয়ে খুঁজতে বের হয়। কলাকোপা বাজারের কাছে পৌছলে স্বামীর বন্ধু পরিচয় দিয়ে আকাশ নামে এক যুবক তাকে স্বামীর সন্ধান দিবে বলে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যায়। রাত বাড়তে থাকায় গৃহবধু বাড়ী ফিরতে চাইলে আকাশ তাকে স্বামীর কাছে নিয়ে যাবে বলে সময় পার করে। রাত ১১টায় সময় কলাকোপা খেলারাম দাতার কুঠি বাড়ীতে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এসময় শিশুটি কান্নাকাটি করলে তার মাকে অজ্ঞান অবস্থায় ফেলে রেখে শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায় বলে গৃহবধূ অভিযোগ করেন।এ ঘটনার ৩দিন পর ১৫ মে বৃহস্পতিবার ওই গৃহবধু তার শিশুকে হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে নবাবগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করে।নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সায়েদুর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, গৃহবধুসহ শিশুটিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
দোহারে-নবাবগঞ্জে চলছে হালনাগাদ ভোটার তালিকা ও নিবন্ধন কার্যক্রম
নিউজ৩৯:p style=”text-align: justify;”><দোহার ও নবাবগঞ্জে ১৫ ই জুন বৃহস্পতিবার থেকে ছবিসহ ভোটার তালিকা হাল নাগাদের লক্ষে তথ্য সংগ্রহ ও নিবন্ধনের কাজ শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশন বলছে তিনটি পর্যায়ে সারা দেশে এ হাল নাগাদের কাজ চলবে। তথ্য সংগ্রহকারীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার হওয়ার যোগ্যদের তথ্য সংগ্রহ করবেন। দোহার – নবাবগঞ্জে ১৫মে – ২৪ মে পর্যন্ত তথ্য সংগ্রহ এবং ২৬মে থেকে ১৫জুলাই পর্যন্ত নিবন্ধন প্রক্রিয়া চলবে বলে নিউজ৩৯কে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন দোহার-নবাবগঞ্জ সূত্র। দোহার নির্বাচন কমিশনার মোঃ জসিম উদ্দীন এ বিষয়ে নিউজ৩৯কে বলেন, আইন অনুযায়ী প্রতিবছর যারা ভোটার হবেন তাদের ডাটাগুলো নেয়া হয়। আগামী জানুয়ারি মাসের ১ তারিখে চূড়ান্তভাবে যাদের ১৮ বছর বয়স হবে তাদেরকে ভোটার তালিকায় নাম উঠানো হবে।হালনাগাদ বলতে আপনারা কি বুঝান ? সংশোধন হবে না কি নতুন করে সংযোজন?এমন প্রশ্নের জবাবে নির্বাচন কমিশনার নিউজ৩৯কে বলেন, হালনাগাদ হলো মূলত যাদের ভোটার হবার জন্য ১৮ বছর পূর্ণ হয়েছে তাদেরকে বোঝানো হয়ে থাকে। তবে যাদের কোনো কোনো ক্ষেত্রে সংশোধনের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে এ বিষয়েও আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের বিভিন্ন টিম করে দেয়া হয়েছে এবং বিভিন্ন ফর্ম তৈরি করে দেয়া হয়েছে। যারা আগামী জানুয়ারি থেকে নতুন ভোটার হবেন, সংশোধন করা প্রয়োজন এবং যারা স্থানান্তরিত হয়েছেন তাদের জন্য ফর্মের ব্যবস্থা করা হয়েছে। মোট কথা আমাদের যে ভোটার তালিকা আছে সেটাকে সময় উপযোগী করে তোলা।কিভাবে এই কাজটি করা হবে ? জানতে চাইলে তিনি নিউজ৩৯কে বলেন, আমাদের বিভিন্ন টিম তৈরি করা হয়েছে। তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার তালিকা পূরণ করবে। যারা বাইরে থাকবে তাদেরকেও একটি নির্দিষ্ট সময় বলে দেবে এবং তারা ওই সময়ে বাড়িতে এসে তালিকাভুক্ত হবে।ভুয়া ভোটার চিহ্নিত করার লক্ষ্যে আপনারা কি পদক্ষে নেয়া হচ্ছে?এ ব্যাপারে তিনি নিউজ৩৯কে বলেন, ভুয়া ভোটার হবার কোনো সুযোগই নেই। কারণ আমাদের দৈত ভোটার চিহ্নিত করার মেশিন রয়েছে। যাদেরকে আমরা ভোটার হিসাবে তালিকায় আনি তাদেরকে আবার চেক করা হয়। যারা দুইবার ভোটা হবে তাদেরকে ভোটার তালিকা থেকে শুধু বাদই দেয়া হবে না পাশাপাশি তাদের বিরুদ্ধে মামলাও করা হবে। তিনি বলেন, গত বছর বেশ কয়েকজনকে দৈত ভোটার হিসাবে পাওয়া গিয়েছিল। তাদেরকে বাদ দেয়া হয়েছিল। আঙ্গুলের ছাপ, ছবি ইত্যাদির মাধ্যমে এবং বালাদেশের যে প্রান্তেই থাকুক না কেন কেউ দৈত ভোটার হলে অবশ্যই তারা আমাদের মেশিনের মাধ্যমে ধরা পড়বে। আর ভোটার তালিকা আমরা যাচাই-বাছাই করে এবং তালিকা থেকে দৈত নাম বাদ দিয়ে তারপর করা হয়।
রাস্তা না খাল? এ গ্রেড পৌরসভার এ কি হাল !!
জুবায়ের রাসেল, নিউজ৩৯.নেট ♦ ছবিটি দেখলে মনে হচ্ছে হয়তো কোন পুকুরের ছবি। কিন্তু না এটি একটি রাস্তায় পানি জমে থাকার দূশ্য। ছবিটি তুলা হয়েছে দোহারের প্রাণকেন্দ্র দোহার পৌরসভা এলাকার থেকে।
এটি ওয়ান ব্যাংক সংলগ্ন পবন বেপারি সড়কের বূষ্টি পরবর্তী অবস্থা, যার ফলে ভোগান্তির শিকার হচ্ছে হাজার হাজার মানুষ। দোহার পৌরসভার প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ১৪০২জন।
এটা শুনলে আরও অবাক লাগে যে, দোহার পৌরসভা বাংলাদেশের ‘ক’ শ্রেণীভুক্ত পৌরসভা। অথচ, পৌরসভার দায়িত্ব ও কার্যাবলী সংক্রান্ত বিধি-বিধানে বলা হচ্ছে, পৌরসভার মূল দায়িত্ব হইবে -(ক) স্ব-স্ব এলাকাভুক্ত নাগরিকগণের এই অধ্যাদেশ ও আইনের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত বিধান অনুসারে সকল প্রকার নাগরিক সুবিধা প্রদান করা; (খ) পৌর প্রশাসন ও সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণের মধ্যে সমন্বয় সাধন এবং সমন্বিত কার্যক্রম গ্রহণ করা; (গ) পৌর এলাকায় নাগরিকগণের পৌরসেবা প্রদানের লক্ষ্যে অবকাঠামোগত উন্নয়ন, ইমারত নিয়ন্ত্রণসহ নগর উন্নয়ন পরিচালনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করা; এবং (ঘ) নাগরিক নিরাপত্তা ও জনশৃঙ্খলা রক্ষা করা৷
সাধারণ জনগন সরেজমিনে পর্যবেক্ষণে থাকা নিউজ৩৯ এর এই প্রতিবেদককে জানান, পৌরসভার ভিতরে থেকে যদি আমরা এইটুকু সুবিধা না পাই, তবে এই পৌরসভা রেখে আমাদের লাভ কি? তাদের দাবি করে যথাযথ কতূপক্ষ যেন অতি দ্রুত রাস্তাটির সংস্কার করে।
বান্দুরায় সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুলছাত্র নিহত
নিউজ৩৯.নেট ♦ ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় মোটরসাইকেল-পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে সমির আহম্মেদ টিটু (১৪) নামে এক স্কুলছাত্র নিহত হয়েছে। আজ সকাল ৯টার দিকে ঢাকা-বান্দুরা আন্ত:সড়কের মহব্বতপুর ব্রিজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত স্কুলছাত্র সমির বান্দুরা ইউনিয়নের নয়ানগর গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে। সে বান্দুরা হলিক্রস উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্র।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে স্কুলছাত্র সমির মাঝিরকান্দার এক শিক্ষকের নিকট প্রাইভেট পড়া শেষে করে। পরে মোটর সাইকেল যোগে বান্দুরা দিকে রওনা হয়। পথে মহব্বতপুর ব্রীজ এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি পিক আপ ভ্যানের (যার নম্বর ঢাকা মেট্টো ন-১৬-৬৮৪০) সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটে। স্থানীয়রা তাকে আহত অবস্থায় নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা প্রেরণ করেন। ঢাকা নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
নবাবগঞ্জ থানার পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে পিকআপ ভ্যান ও মোটর সাইকেলটি জব্দ করে থানায় নিয়ে আসেন।
দোহারে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের ২ গ্রুপ
রুদ্র৩৯ঃ দোহারে আসন্ন মুক্তিযোদ্ধা স্নগসদ নির্বাচনে লড়ছ আওয়ামীলীগ সমর্থিত ২গ্রুপ। আর দ্বিধা-বিভক্ত হয়ে পড়েছেন জাতির সূর্য সন্তান এই বীরেরা। আগামী ৪জুন এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন প্রার্থীরা। প্রতিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত তারা ভোট পেতে প্রতিটি ভোটারের বাড়ী বাড়ী যাচ্ছেন। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতাকারী প্যানেল হচ্ছে মোঃ রজ্জব মোল্লা – মোঃ শাহজাহান এবং শেখ মহিউদ্দীন – ডাঃ বোরহান উদ্দীন প্যানেল। নির্বাচনে ১১টি পদের বিপরীতে দু’প্যানেলের ২২জন লড়ছেন। মোট ৩৬৪ জন নিবন্ধিত মুক্তিযোদ্ধা ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। নির্বাচন কমিশনার হিসাবে দায়িত্ব পালন করবেন উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা নুরুল করিম ভূঁইয়া। ১২ই মে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ, ১৪ ই মে প্রতীক বরাদ্দ এবং ৪ জুন ভোট গ্রহণ।
দোহারে শিক্ষকদের বকেয়া বেতনে কমিশন দাবির অভিযোগ
নাইম : দোহারে শিক্ষকদের বকেয়া বেতনে কমিশন দাবির অভিযোগ করেছেন শিক্ষকেরা। দোহার উপজেলার জাতীয়করণকৃত ৯টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩৬ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা তাদের ২০১৩ সালের জানুয়ারি মাস হতে ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত বকেয়া মূল বেতনসহ, উৎসব ভাতা, চিকিৎসা ভাতা, মহার্ঘ ভাতা প্রভৃতি প্রদানে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণের গড়িমসি এবং প্রাপ্ত বেতন ভাতার উপর ১০% কমিশনের দাবিতে ভূক্তভোগী শিক্ষক-শিক্ষিকাগণ তাদের নিজ নিজ বেতন ভাতা তুলতে পারছেন না। বেতন ভাতা না পাওয়ার কারনে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এ সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা রয়েছেন চরম অসহায় অবস্থায়। তারা না পারছে কোন প্রতিবাদ করতে না, পারছে কারো কাছে অভিযোগ দিতে। অভিযোগ করলে তাদের আছে নানা হয়রানি হওয়ার আশঙ্কা।
২০১৩ সালের ৯ জানুয়ারি জাতীয় প্যারেড স্কোয়ারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঐতিহাসিক মহাসম্মেলনে ২৬ হাজার বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ১লা জানুয়ারি ২০১৩ সাল হতে একযোগে জাতীয়করণ ঘোষনা করেন। সেই সাথে ২৬ হাজার বিদ্যালয়ে কর্মরত সকল শিক্ষক শিক্ষিকাগণকে জাতীয়করণের মাধ্যমে সরকারিকরণ করেন। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষনা অনুযায়ী সরকারিকরণকৃত দোহার উপজেলার ৩৬ জন শিক্ষক শিক্ষিকা তাদের প্রাপ্ত মোট বকেয়া বেতন ভাতার উপর সংশ্লিষ্ট বেতন ভাতা প্রস্তুতকারী কর্মকর্তাগণের ১০% কমিশনের দাবিকৃত অর্থ দিতে রাজি না হওয়ায় বেতন ভাতা পাচ্ছেন না। ফলে ভূক্তভোগী শিক্ষক-শিক্ষিকাগণ বর্তমানে মানবেতর জীবনÑযাপন করছেন।
কমিশন দাবির টাকা প্রদান করতে শিক্ষদের সাথে বকেয়া বেতন প্রস্তুতকারী কর্তৃপক্ষের সাথে দরকষাকষির পর শিক্ষকগণকে জন প্রতি চার হাজার টাকা করে মোট ১,৪৪,০০০/= (এক লক্ষ চুয়াল্লিশ হাজার) টাকা দিতে বাধ্য করা হচ্ছে। শিক্ষকগণ দীর্ঘদিন বেতন ভাতা না পেয়ে দারদেনা করে চলতে চলতে দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ার মতো অবস্থা হওয়ায় ৪ হাজার টাকা করে প্রদান করতে অনিচ্ছা সত্ত্বেও বাধ্য হতে হবে। বেশির ভাগ ভুক্তভোগী শিক্ষক শিক্ষিকা তাদের নাম প্রকাশ করতে ইচ্ছুক নন কারণ তাদেরকে পরবর্তী দাপ্তরিক কাজ করার জন্য বেতন প্রস্তুতকারী কর্তৃপক্ষের নিকট যেতে হবে বিধায়।
এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন শিক্ষিকা জানান, বকেয়া বেতন প্রস্তুতকরনের জন্য প্রস্তুতকারীগণকে আমরা ৩৬ জন শিক্ষকÑশিক্ষিকা জন প্রতি দুই হাজার টাকা করে মোট ৭২ হাজার টাকা খুশি হয়েই প্রদান করতে রাজি হলেও তাদের দাবিকৃত ১০% কমিশন প্রদান করতে রাজি না হওয়ায় বকেয়া সহ বেতন ভাতা তুলতে পারছি না। বেতন না তুলতে পারায় বর্তমানে আমরা নিদারুন আর্থিক সমস্যার মধ্যে আছি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেকজন শিক্ষক জানান, আমাদের পার্শ্ববর্তী নবাবগঞ্জ উপজেলাধীন বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকাগণ খুশিমনে জন প্রতি ২ শত টাকা করে দিয়ে বকেয়া বেতন ভাতা তুলেছেন। অথচ ১০% কমিশন না দেওয়ায় আমরা এখনো বকেয়া বেতন ভাতা তুলতে পারছি না।
আড়িয়ল বিলে মাটির নিচ থেকে অস্ত্র উদ্ধার
নবাবগঞ্জ উপজেলায় এস.এম.জি নামে একটি পরিত্যক্ত অস্ত্র উদ্ধার করেছে নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ। ৩ মে শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার গালিমপুর ইউনিয়নের মোসলেমহাটি গ্রামের আড়িয়ল বিলের একটি জমিতে শ্রমিকরা পুকুর খননের সময় অস্ত্রটি উদ্ধার করা হয়।
নবাবগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক মন্তোষ পাল জানান, শনিবার বিকালে মোসলেমহাটি গ্রামের পাশ্ববর্তী আড়িয়ল বিলে স্থানীয় কবির হোসেনের জমিতে পুকুর তৈরীর জন্য শ্রমিকরা মাটি কাটছিলেন। মাটির উপরি ভাগ থেকে দেড় হাত পরিমান নিচে কুদালের কোপে অস্ত্রটি বের হয়ে আসে। শ্রমিকরা বিষয়টি স্থানীয়দের জানান। তাৎক্ষনিক এলাকাবাসী পুলিশকে জানান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্রটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন।
অস্ত্রটির অনেক পুরানো। এর কিছুটা অংশ ভাঙ্গা। কোন সন্ত্রাসীরা অস্ত্রটি ফেলে পালিয়ে ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বেনুখালীতে প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতি
স্টাফ রিপোর্টার, নিউজ৩৯.নেট ♦ নবাবগঞ্জ উপজেলায় সিঙ্গাপুর প্রবাসী এক ব্যক্তির বাড়িতে ডাকাতি হয়েছে। উপজেলার বেনুখালী গ্রামের ৪ মে রবিবার দিবাগত রাতে এ ঘটনা ঘটে। ডাকাতেরা প্রায় ৩ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে গেছে জানিয়েছে বাড়ীর বাসিন্দারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার রাত ২টার দিকে ৮/১০ জনের একটি সংঘবদ্ধ ডাকাতদল দেশীয় ও আগ্নেয়াস্ত্রে সজ্জিত হয়ে উপজেলার আগলা ইউনিয়নের বেনুখালী চৌরাস্তা সংলগ্ন প্রবাসী ইয়াসেক খানের বাড়িতে হানা দেয়। ডাকাতদল পাকা ভবনের মূল গেইটের তালা কেটে ভিতরে প্রবেশ করে। ঘরে থাকা প্রবাসীর স্ত্রী ও দুই সন্তানকে আগ্নেয়াস্ত্র দ্বারা জিম্মি করে। ঘরে থাকা নগদ ২০ হাজার টাকা ৫ ভরি স্বর্ণালংকার ও অন্যান্য জিনিসপত্র নিয়ে যায়।
প্রতিবেশীরা বুঝতে পেরে এগিয়ে আসার চেষ্টা করলে ডাকাতরা প্রতিবেশি দুই ভাড়াটিয়াকে পিটিয়ে আহত করে। পরে ২/৩ রাউন্ড ফাঁকা গুলি করে পালিয়ে যায় ডাকাতদল।
নবাবগঞ্জ থানার ওসি সায়েদুর রহমান জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
বান্দুরায় স্বর্ণকারের দোকান থেকে লাশ উদ্ধার
নবাবগঞ্জ উপজেলার বান্দুরা বাজার বসন্ত জুয়েলার্সেও দোকান থেকে ৫ মে সোমবার সকাল ৯টায় এক স্বর্ণকারের লাশ উদ্ধার করেছে নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ। নিহতের নাম পলাশ হালদার (২৫)। সে উপজেলার শিকারীপাড়া ইউনিয়নের পাঞ্জীপহরী গ্রামের প্রাণকৃষ্ণ হালদারের ছেলে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রোববার রাতে খাবার খেয়ে দোকানে ঘুমিয়ে পড়ে। সোমবার সকাল সাড়ে ৬টায় দোকানের আরেক কর্মচারী পঙ্কজ হালদার দোকানে গিয়ে পিছনের দরজা খোলা পায় এবং সামনে পলাশের নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখে। পরে আশপাশের লোকজনকে জানালে ঘটনাটি পুলিশকে জানায়।
পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। সুরতহাল শেষে ময়না তদন্তের জন্য লাশটি মিটর্ফোড হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। তার বুকে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। কর্মচারী পঙ্কজ জানান, দোকানের ভেতরের লকার খোলা ১০ ভরি স্বর্ণ ও ১০ ভরি রূপা এবং পলাশের মোবাইল খোয়া গেছে। তার ধারণা রোববার রাতের যে কোন সময় দূবৃর্ত্তরা তাকে হত্যা করে জিনিসপত্র লুটে নিতে পারে।
নবাবগঞ্জ থানার এস আই সোহেল রানা বলেন, ঘটনাটি হত্যা কি না তা এ মূহুর্তে সঠিক বলা যাচ্ছে না। ময়নাতদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
