মুক্তিযোদ্ধা সংসদ নির্বাচন স্থগিত

নিউজ৩৯.নেট ♦ দোহার – নবাবগঞ্জের মুক্তিযুদ্ধ কমান্ডিং কাউন্সিল সহ সারা দেশের মুক্তিযোদ্ধাদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের কার্য নির্বাহী কমিটির ৪ জুনের নির্বাচন স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট।

বিষয়টি দোহার ও নবাবগঞ্জে নির্বাচন নিয়ে যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল তা দমিয়ে ফেলেছে। রোববার এক রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারপতি এম.মোয়াজ্জাম হোসেইন ও বিচারপতি মো. বদরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ ছয় মাসের এ স্থগিতাদেশ দেন। একইসঙ্গে ওই নির্বাচনের তফসিল এবং মুক্তিযোদ্ধা কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলে প্রশাসক নিয়োগ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়েছে।

আগামী ৪ সপ্তাহের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব,যুগ্ম সচিব, উপ-সচিব, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নির্বাচন কমিশন ও মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের মহাপরিচালককে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সাবেক চেয়ারম্যান কবির আহম্মেদ খানের দায়ের করা ওই রিটের পক্ষে আদালতে শুনানি করেন এডভোকেট এ এম আমিনউদ্দিন।

গত বছর ৮ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধা কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলে প্রশাসক নিয়োগ দেয় সরকার। রিটে প্রশাসক নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়। নির্বাচিত প্রতিনিধির হাতে দায়িত্ব হস্তান্তরের লক্ষ্যে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের নির্বাচনের জন্য চলতি বছরের ১৪ এপ্রিল তফসিল ঘোষণা করা হয়। তবে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হলেও ভোটার তালিকা হালনাগাদ করার অভিযোগে নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট দায়ের কর‍া হয়। একইসঙ্গে ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, সারাদেশে একইদিনে জেলা, উপজেলা ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন হওয়ার বৈধতাও চ্যালেঞ্জ করা হয়।

গঠনতন্ত্রের ১৯(ক) অনুসারে একই দিনে জেলা ও উপজেলায় কেন্দ্রীয় কমান্ডের নির্বাচন হতে পারে না বলে রিটে যুক্তি দেখানো হয়। উল্লেখ্য মুক্তিযোদ্ধা সংসদ নির্বাচনে লড়ছ আওয়ামীলীগ সমর্থিত ২টি গ্রুপ।

আর দ্বিধা-বিভক্ত হয়ে পড়েছেন জাতির সূর্য সন্তান এই বীরেরা। আগামী ৪ জুন এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন প্রার্থীরা। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত তারা ভোট পেতে প্রতিটি ভোটারের বাড়ী বাড়ী যাচ্ছেন। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতাকারী প্যানেল হচ্ছে মো. রজ্জব মোল্লা – মো. শাহজাহান এবং শেখ মহিউদ্দীন – ডা. বোরহান উদ্দীন প্যানেল। নির্বাচনে ১১টি পদের বিপরীতে দু’প্যানেলের ২২জন লড়ছেন। মোট ৩৬৪ জন নিবন্ধিত মুক্তিযোদ্ধা ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। নির্বাচন কমিশনার হিসাবে দায়িত্ব পালন করবেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুরুল করিম ভূঁইয়া। ১২ই মে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ, ১৪ ই মে প্রতীক বরাদ্দ হবে।

দোহার-নবাবগঞ্জে প্রাথমিক শিক্ষায় বৈষম্য দূর হবে কবে

আসিফ শেখ, নিউজ৩৯.নেট ♦ দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলায় বিনামূল্যে বই প্রদানসহ শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি প্রদান করেও প্রাথমিক শিক্ষায় বৈষম্য দূর করা যাচ্ছে না। বিষয়টি নিয়ে সরেজমিনে উপজেলায় অবস্থিত বেশ কয়েকটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ঘুরে দেখা গেছে, দরিদ্র পরিবারের শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে আসার আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে, এবং দরিদ্র শিক্ষার্থীরা পিছিয়ে পড়ছে।

এ বিষয়ে ২১০ জন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, প্রাইভেট না পড়লে শিক্ষার্থীদের ব্যাপারে ও লেখাপড়ার বিষয়ে শিক্ষক-শিক্ষিাকাগণ গুরুত্ব দেয় না। ফলে গরীব ছাত্র-ছাত্রীরা কে স্কুলে এল কে এল না এ বিষয়ে অধিকাংশ শিক্ষক-শিক্ষিাকাদের কোন মাথা ব্যাথা নেই। ধনী অভিভাবকদের মধ্যে চলছে বাচ্চাদের নিয়ে প্রাইভেট পড়ানোর প্রতিযোগিতা। ১ থেকে ১০ পযর্ন্ত রোল তাদের সন্তানদের দখলে রাখতে হবে।

আর এ বিষয়টি নিয়ে শিক্ষক-শিক্ষিকারাও পিছিয়ে নেই। তারা সরকারী আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুল প্রদশন করে, রাষ্ট্র নির্ধারিত লক্ষ্য ২০১৫ সালের মধ্যে দেশকে নিরক্ষর মুক্ত করণের অঙ্গিকারকে জলাঞ্জলি দিয়ে নিজেদের পকেট ভরায় ব্যাস্ত।

দুই উপজেলার অধীকাংশ প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলোতে সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ৯টা পযর্ন্ত চলে প্রাইভেট পড়ানোর ধুম। কিছু কিছু শিক্ষাক-শিক্ষিকা বিদ্যালয় থেকে একটু দূরে বাসা ভাড়া নিয়ে ২০ থেকে ৫০ জন ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে চুক্তি করে প্রাইভেট পড়াচ্ছে নিয়মিত। এ ব্যাপারে এসএমসি ও স্থাণীয় প্রভাবশালী ব্যাক্তিদের ভূমিকা হতাশজনক মনে করেছেন অনেক অভিবাবক।

এসএমসির সভাও হয়না নিয়মিত কাগজ-কলমে মিটিং দেখিয়ে থাকেন অধিকাংশ কমিটিগুলো। এ বাপারে সার্বিক সহায়তায় করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা। যার ফলে দরিদ্র অভিবাবকরা জানতেও পারে না কার কাছে অভিযোগ করবে। এর ফলে দরিদ্র ঘরের ছেলে মেয়েরা বিদ্যালয় গুলোতে টিকতে না পেরে লেখা পড়া বন্ধ করে মা-বাবার কাজে সহায়তাসহ বিভিন্ন কাজে যোগ দিচ্ছে।

এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সাথে কথা বললে তিনি জানান, কিছু কিছু এলাকা থেকে আমি অভিয়োগ পেয়েছি খুব তাড়াতাড়ি উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলো পবিদর্শনে বের হব। অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিভাগীয়ভাবে শাস্তি প্রদানের জন্য শুপারিশ করব।

নবাবগঞ্জে বিদ্যুৎ শ্রমিকের মৃত্যু

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর সার্ভিসলাইনে কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মো. মাসুদ (২৫) নামে এক বিদ্যুৎ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।

২১ মে বুধবার বিকালে উপজেলার বকচর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত মাসুদ পাবনা জেলার চাটমোহর উপজেলার বাটিখালী গ্রামের মো. আশরাফুলের ছেলে।

ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর জেনারেল ম্যানেজার রবিউল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার বিকালে নয়নশ্রী ইউনিয়নের বকচর এলাকায় বিদ্যুতের সংযোগ বন্ধ করে মূল লাইনে সংস্কার কাজ চলছিল। কাজ শেষ করে মাসুদ খুঁটি থেকে নামতে ছিলেন। হঠাৎ বিদ্যুতের সংযোগ দেওয়া হলে লোহার খুঁটি থেকে তার শরীরে বিদ্যুৎ সঞ্চারিত হলে সে মাটিতে পড়ে যায়। অন্য শ্রমিকরা তাকে দ্রুত নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মাসুদকে মৃত ঘোষণা করেন।

নবাবগঞ্জে মাদকাসেবীর কারাদণ্ড

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার কাশিমপুর গ্রামের মো. শাহ্জাহান (২৫) নামে এক মাদকবিক্রেতা  সেবনকারীকে ৬ মাসের কারাদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। ২২ মে বৃহস্পতিবার সকালে তাকে উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শহিদ উল্লাহর ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হয়। আদালত তাকে ৬ মাসের কারাদন্ড প্রদান করে।

নবাবগঞ্জ থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক মো. আনিছ জানান, উপজেলা সদর কাশিমপুর গ্রামের মো. শাহ্জাহান ৪-৫ বছর যাবৎ মাদক বিক্রি ও সেবন করে আসছিল। সম্প্রতি মাদক ব্যবসা বৃদ্ধি করতে তার বাবা মো. ইউনূছ আলী ও মা নূর জাহান বেগমের কাছে টাকা দাবী করেন। বাবা-মা টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় অনেক বার বাড়ি-ঘর ভাঙচুর করেছে। মাদকাসক্ত ছেলের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে বাবা-মা নবাবগঞ্জ থানায় পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন।

অভিযোগ পেয়ে সকালে নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শহিদ উল্লাহর ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করে। আদালত তাকে ৬ মাসের কারাদন্ড প্রদান করে জেলে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

মেঘুলায় কিশোরী অপহরণ: গ্রেফতার ২

বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা জেলার দোহারের মেঘুলায় এক কিশোরীকে অপহরণ করেছে একই গ্রামের আব্দুল বারেকের পুত্র মামুন(২০)। অপহরনের শিকার কিশোরী রাবেয়া (১৪) একই গ্রামের আব্দুল জলিল ব্যাপারীর মেয়ে। মামুন বেশ কিছু দিন ধরেই রাবেয়াকে উক্ত্যাক্ত করত।

এই ব্যাপারে দোহার থানায় মামলা করেছেন মেয়ের পিতা জলিল ব্যাপারী। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দুপুরে হঠাৎ করেই খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না রাবেয়ার।

উক্ত্যাক্তের সূত্র ধরে রাবেয়ার পিতা দোহার থানায় মামুনকে আসামী করে মামলা করে। তার অভিযোগের উপর ভিত্তি করে মামুনের বোন রাহেমিয়া(২৪) ও মা নুসরত(৬০)কে আটক করে দোহার থানা পুলিশ।

রাহেমিয়া দাবি করেন মামুনের সাথে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এই মামলার তদন্তে আছেন এস আই সিকেন্দার। মামলা নাম্বার ১৪।

দোহারে সড়ক দুর্ঘটনায় গৃহবধুর মৃত্যু

দোহারের কাজিরচর মোড়ে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় বিথী আক্তার (২২) নামে এক গৃহবধু নিহত হয়েছে। একই দুর্ঘটনায় তার ভাই মিজান(২৮) ও ৪ বছরের সন্তান আহত হয়েছে।

মিজার তার স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে সন্ধ্যার দিকে মোটর সাইকেলে করে জয়পাড়া আসার পথে কাজির চর মোড়ে এই ঘটনা ঘটে।

কাজির চর মোড়ে আসার পর রাস্তার উপর ছড়িয়ে থাকা পাথরে পিছলে নিয়ন্ত্রণ পড়ে যায় মোটর সাইকেলটি। ছিটকে পড়ে মিজান, স্ত্রী বীথি ও তাদের সন্তান। আর এ সময়ই তার পেছনে ঢাকা থেকে আসছিল নগর পরিবহনের ৯৪৩ সিরিয়ালের বাসটি। দ্রুত আসতে থাকা বাসটি গতি নিয়ন্ত্রণ না করে উঠে যায় বীথির উপর, ও ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তার।
স্থানীয় লোকজন মিজান ও তার সন্তানকে উদ্ধার করে এবং বাসটি ভাংচুর করে। পরে পুলিশ  বাস চালক জিল্লুর রহমানকে আটক করে ও বাসটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এস আই কাদেরের তত্বাবধানে মামলার প্রক্রিয়া চলছে।

নিহত বীথির স্বামী সৌদী প্রবাসী মো. মিরাজ হোসেন, বাড়ী নারিশা পশ্চিম চর স্লুইস গেটের পাশে, ও পিতার বাড়ি উত্তর শিমুলিয়া।

বাড়ির নির্মান কাজের জন্য আনা পাথর রাস্তার পাশে স্তুপ করে রাখা ছিল, আর সেখান থেকে তা ছড়িয়ে পড়েছে রাস্তার উপর। অসচেতনার কারণে প্রাণ দিতে হল বীথিকে।

নবাবগঞ্জে বিয়ে বাড়িতে হামলা

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় বিয়ে বাড়িতে হামলা চালিয়ে কনেকে উঠিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে কনের সাবেক প্রেমিক। এসময় হামলায় কনেসহ ১২ জন আহত হয়।

১৫ মে বৃহস্পতিবার রাতে নবাবগঞ্জ উপজেলার শোল্লা ইউনিয়নের আবদানি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এর পরে শুক্রবার পুলিশ পাহারায় বিয়ে সম্পন্ন হয়।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে আবদানি গ্রামের আনছের আলীর মেয়ে শিরিন আক্তারের গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান চলছিলো। এ সময় স্থানীয় খোকন ভূইয়ার নেত্বতে কিরণ ভূইয়া, শাহিন মন্ডল, হান্নান, বাবুল, আলমগীরসহ ১৫/২০ জনের একটি সন্ত্রাসী দল আনছের আলীর বাড়িতে হামলা করে কনেকে উঠিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে। বাড়ির লোকজন বাধা দিলে সন্ত্রাসীরা কনেসহ ১২ জনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করে।

আহতদের মধ্যে  ৪ জনকে নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে ও গুরুতর আরো ৩ জনকে ঢাকায় প্রেরণ করা হয়।

সংবাদ পেয়ে নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়।

এ ব্যাপারে হামলাকারী খোকন ভূইয়ার সাথে ফেনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, ওই মেয়ের সাথে তার সম্পর্ক ছিলো। হলুদের রাতে মেয়ের বাবা তাকে ডেকে নেয়। তবে তারা কোন হামলা করে নি বলে দাবী করে।

আনছের আলী অভিযোগ করেন, সন্ত্রাসীরা তার বাসায় হামলা করে লুটপাটও চালায়। এসময় নগদ টাকা স্বর্ণলংকারসহ প্রায় ৫ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে যায়।

নবাবগঞ্জ থানার ওসি সায়েদুর রহমান জানায়, ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়েছিলো। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দোহারে ভূমিহীনদের মাঝে খাস জমি বরাদ্দ

নিউজ৩৯.নেট ♦ দোহারে ভূমিহীন ও পদ্মা ভাঙ্গন কবলিত দুস্থদের মাঝে খাস জমি বিতরণ করলেন দোহার নবাবগঞ্জের বর্তমান সংসদ সদস্য সালমা ইসলাম।

রবিবার সকালে দোহার উপজেলা কার্যালয়ে এই জমি বরাদ্দ করা হয়। এসময় ১২০ জন ভূমিহীনদের মাঝে ভূমির কাগজপত্র বুঝিয়ে দেয়া হয়। এছাড়া ১৬০ জন মহিলাকে সরকার প্রদত্ত মাতৃত্বকালীন ভাতা প্রদান করেন সালমা ইসলাম। এ সময় তিনি বলেন যে তিনি দোহার নবাবগঞ্জের দুঃখী মানুষের সাথে তিনি সব সময় আছেন এবং সুখে দুখে সব সময় তাদের পাশে থাকবেন।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলা চেয়ারম্যান কামরুল হুদা, ভাইস চেয়ারম্যান মাসুদ পারভেজ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুরুল করিম ভুঁইয়া, উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা সহ স্থানীয় জাতীয় পার্টির নেতৃবৃন্দ।

দোহারে এসএসসি ফলাফল বিপর্যয়

নিউজ ৩৯.নেট ♦ এসএসসি পরীক্ষায় দোহারে উত্তীর্ণের হার ছিল ৮৯.৪৬%। ১৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে এবার মোট ১৯৬৪ জন পরীক্ষায় অংশ নেয়, এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১৭৫৭ জন।

জিপিএ ৫ পেয়েছে মাত্র ৬১ জন। সব্বোর্চ্চ ১৪টি জিপিএ ৫ পেয়েছে জয়পাড়ার বেগম আয়েশা পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্রীরা কিন্তু পাশের হারের দিক থাকে পিছিয়ে পরেছে স্কুলটি। স্কুলে পাশের হার ৭৭.৮২%।

পাশের হারের দিক থেকে সবচেয়ে উপরে আছে মুকসুদপুর শামসুদ্দিন শিকদার উচ্চ বিদ্যালয়। বিদ্যালয়টির ১৫৩ জন শিক্ষার্থীরর মাঝে ১৫২ জন উত্তীর্ণ হয়েছে, জিপিএ ৫ পেয়েছে ১০ জন। এছাড়া মালিকান্দা উচ্চ বিদ্যালয়ের ১২৪ জন শিক্ষার্থীর মাঝে ১২৩ জন উত্তীর্ণ হয়েছে, জিপিএ ৫ পেয়েছে ১১ জন। দোহারের ৪টি স্কুল থেকে কোন জিপিএ ৫ ফল আসে নি।

দোহারে মাত্র ৬১টি জিপিএ ৫

নিউজ৩৯.নেট ♦ সারা দেশে জিপিএ ৫ এর বন্যা বয়ে গেলেও দোহারে জিপিএ ৫ পেয়েছে মাত্র ৬১ জন। ১ লাখ ৪২ হাজার ২৭৬ জন A+  এর স্রোতে সামিল হতে পারে নি দোহার উপজেলার শিক্ষার্থীরা।

দিনে দিনে পিছিয়ে পরছে এই উপজেলার শিক্ষার মান। এই পরিক্ষার রেজাল্টের মাধ্যমে তা আরেকবার সামনে আসলো।

প্রবাসী অধ্যুসিত দোহারে শিক্ষার বিষয়ে বরাবরই পিছনের সারিতে অবস্থান। তরুণ সমাজের বিদেশমুখিতার কারনে পিছিয়ে পরছে শিক্ষার হার। সেই দিক থেকে বিশেষ উন্নতি হয়েছে মেয়েদের। দোহারের সব্বোর্চ্চ ১৪টি জিপিএ ৫ জয়পাড়ার বেগম আয়েশা পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের, যা মেয়েদের শিক্ষার হার কিছুটা ভাল বলেই ইংগিত করছে।

শিক্ষার এই পতনের মুল কারন হিসাবে বিভিন্ন সমস্যা সামনে আসছে। স্কুলে রাজনীতির প্রবেশ এবং শিক্ষকদের প্রাইভেটমুখীতাকে শিক্ষার এই পতনের মুল কারন হিসাবে ধরা হচ্ছে।