দীর্ঘ ২ বছরেও হয় নি লটাখোলা নতুন ব্রীজ

তানজিম ইসলাম, নিউজ৩৯.নেট ♦ লটাখোলা করম আলীর মোড় থেকে চরের দিকে যেতেই পাড় হতে হয় একটি সেতু। অনেক পুরনো হয়ে যাওয়ায় গত ২ বছর আগে ভেঙ্গে পড়ে সেতুটি। কিন্তু ভেঙ্গে পড়ার দুই বছর পার হয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত কোন অগ্রগতি নেই নতুন সেতু নির্মানের।

এই সেতুর উপর দিয়ে চর লটাখোলা, হরিচন্ডি, বিলাশপুর সহ বিভিন্ন এলাকায় যাতায়াত করত। সেতুটি ভেঙ্গে পড়ায় চরম দূর্ভোগ পোহাচ্ছে এসব এলাকায় বসবাসকারী কয়েক হাজার মানুষ, বিশেষ করে গর্ভবতী মহিলা এবং মুমূর্ষু রোগীরা।

সেতুটি দোহার পৌরসভার অধীনে থাকলে ও এ বিষয়ে কোন মাথা ব্যাথা নেই পৌরসভার। তাই বাধ্য হয়েই নতুন সেতু তৈরির দায়িত্ব নিয়েছে উপজেলা এল.জি.ই.ডি। 

এ বিষয়ে দোহার উপজেলা এল.জি.ই.ডি কর্মকর্তা সুশীল চন্দ্র সরকারের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি নিউজ৩৯-কে জানান, “নতুন সেতু নির্মানের কাজ প্রকল্পভুক্ত করা হয়েছে, এরপর একনেকের সভায় বিল পাশ হবে, তারপর টেন্ডার হবে তারপর কাজ শুরু হবে। তাতে কম হলেও ২ বছর লেগে যাবে নতুন সেতুর কাজ শুরু হতে”।

কেরানীগঞ্জে ৫ মণ গাঁজাসহ আটক ২

নিউজ৩৯♦ ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলায় ৫ মণ গাঁজা ও ট্রাকসহ দুই যুবককে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার জনি টাওয়ার সংলগ্ন বন্ধ ছাটগাঁও এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটককৃত মেহেদী হাসান (৩০) সুমন কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার আব্দুল্লাহপুর গ্রামের বাচ্চু মিয়া ছেলে ও মমিন মিয়া (২৮) চাঁদপুর জেলার সদর উপজেলার ঝাকনা গ্রামের তাজুল ইসলামের ছেলে।

কেরানীগঞ্জ মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মনোয়ার হোসেন জানান, বুধবার ভোরে বরিশাল ট ০২-০০-৩৫ নম্বর প্লেটের একটি ট্রাক জনি টাওয়ারের বন্ধ ছাটগাঁও এলাকা দিয়ে দোহার-নবাবগঞ্জের দিকে যাচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পুলিশ ট্রাকসহ দুই ‍যুবককে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এ সময় পাঁচ মণ গাঁজা উদ্ধার করা হয় এবং ট্রাকটি জব্দ করা হয়।

তিনি আরও জানান, এ ব্যবসায় জড়িতদের ধরতে আটকদের প্রাথমিক জিঞ্জাসাবাদ চলছে এবং মামলা প্রক্রিয়াধীন।

দোহার ও নবাবগঞ্জে ৩ মাদক কারবারী আটক

নিউজ৩৯♦ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় ৪২ বোতল ফেন্সিডিলসহ মো. জিয়া (২৫) নামে এক যুবককে আটক করেছে র‌্যাব-১১ এর একটি দল। গতকাল শুক্রবার রাতে উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রাম থেকে তাকে আটক করা হয়। আটককৃত জিয়া গোবিন্দপুর গ্রামের মঞ্জুর আলমের ছেলে।

র‌্যাব-১১ সূত্রে জানা যায়, জিয়ার বাড়িতে ফেন্সিডিলসহ বিভিন্ন মাদক মজুদ রয়েছে শুক্রবার রাতে গোপন সংবাদ পায় র‌্যাব। পরে র‌্যাব-১১ এর সিনিয়র এএসপি মো. মাসুদ আনোয়ারের নেতৃত্বে র‌্যাব শুক্রবার রাতে জিয়ার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৪২ বোতল ফেন্সিডিল এবং ১ ক্যান বিয়ারসহ তাকে আটক করা হয়।

র‌্যাব আরো জানায়, শুক্রবার রাতেই তাকে নবাবগঞ্জ থানায় সোর্পদ করা হয়েছে। এ বিষয়ে মামলা হয়েছে।

অপরদিকে, দোহার উপজেলার নূরপুর গ্রামে শুক্রবার রাতে অভিযান চালিয়ে মো. সুমন (২৬) ও মো. শামীম হাসান (২৯) নামে দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে র‌্যাব-১১। এ সময় তাদের শরীর তল্লাশী করে ১৯৬ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

আটককৃত সুমন নুরপুরের গিয়াসউদ্দিন মাস্টারের এবং শামীম হাসান বানাঘাটার মৃত আ. রাজ্জাকের ছেলে।

র‌্যাব-১১ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১১ মুন্সিগঞ্জ ক্যাম্পের সিনিয়র এএসপি মো. মাসুদ আনোয়ারের নেতৃত্বে র‌্যাব নুরপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৯৬ পিস ইয়াবাসহ এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী সুমন ও শামীম হাসানকে আটক করে।

পরে তাদেরকে আইনানুগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দোহার থানায় সোর্পদ করা হয়।

কেরানীগঞ্জে বাসচাপায় দুই পুলিশ নিহত

নিউজ৩৯ ♦ কেরানীগঞ্জে বাসচাপায় পুলিশের এক সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) ও এক কনস্টেবল নিহত হয়েছেন। শনিবার রাত ১০টার দিকে ঢাকা-মাওয়া সড়কের মোল্লারপুল এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। থানার উপ-পরিদর্শক মো. মনিরুজ্জামান জানান, নিহত এএসআই মো. মহিসন (৪০) ও কনস্টেবল কামরুল (৩০) দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় কর্মরত ছিলেন। 

তিনি বলেন, এএসআই মহসিন ও কয়েকজন কনস্টেবল সিএনজিচালিত অটোরিকশা নিয়ে মহাসড়কে টহলে থাকার সময় দুর্ঘটনার শিকার হন। দুর্ঘটনায় পড়া একটি প্রাইভেটকার দেখে তারা অটোরিকশা থেকে নেমে সড়কের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। এ সময় ইলিশ পরিবহনের একটি বাস তাদের চাপা দেয়। আহত মহসিনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও কামরুলকে পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হলে রাত ১২টার পর তারা মারা যান।

নবাবগঞ্জে রক্তাক্ত অবস্থায় অজ্ঞাত ব্যক্তি উদ্ধার

নিউজ৩৯♦ ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার ঢাকা-দোহার সড়কের চালনাই ব্রিজ এলাকা থেকে মুমূর্ষু অবস্থায় অজ্ঞাত (৪৫) এক ব্যক্তিকে উদ্ধার করেছে নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ। তাকে নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তার শরীর রক্তাক্ত ও ক্ষতবিক্ষত। শনিবার সকালে উদ্ধার করা ওই ব্যক্তি কথা বলতে পারছেন না। দুপুর পর্যন্ত কেউ তার খোঁজ নিতেও আসে নি।

নবাবগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক মো. জামাল জানান, অজ্ঞাত ওই ব্যক্তির মুখ ও ডান পাসহ শরীরের কয়েকটি স্থানে মারাত্মক জখমের চিহ্ন রয়েছে। উদ্ধারের সময় তার শরীরে কোনো পোশাক ছিল না। তিনি আরও জানান, ধারণা করা হচ্ছে সড়কে কোনো গাড়ি তাকে চাপা দিয়ে পালিয়ে গেছে।

গ্রামে হিন্দু নেই, কাল্পনিক মন্দির দেখিয়ে জেলা পরিষদের টাকা আত্মসাৎ

নিউজ৩৯♦ শংকরখালী গ্রাম। ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জের গালিমপুর ইউনিয়নের একটি অজপাড়া এলাকা। এ গ্রামে মুসলিম ব্যতীত অন্য কোনো সম্প্রদায়ের লোকের বসবাস নেই। হিন্দু বা অন্য কোনো ধর্মের লোকের বসবাস কখনোই ছিল না। কিন্তু অবাক হলেও সত্য যে, ঢাকা জেলা পরিষদ এ গ্রামে ‘শ্রীশ্রী পাগলনাথ মন্দির এবং ওই দেবীর মন্দির’ নামে দুটি মন্দিরের উন্নয়ন কাজ বাবদ ৪ লাখ টাকা খরচ করেছে।

জানা গেছে, একই ইউনিয়নে পাইকশা গ্রামেও কোনো হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের বসবাস নেই। অথচ এ গ্রামের মন্দির সংস্কারের নামেও প্রকল্প নিয়ে টাকা তুলে নেয়া হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে গালিমপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তপন মোল্লা বলেন, ‘আমার জীবনে এ রকম জালিয়াতি দেখেনি। হিন্দু সম্প্রদারের বসবাস থাকলেও কিছুটা মেনে নেয়া যেত। কিন্তু যেখানে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন ও মন্দিরের অস্তিত্ব নেই, সেখানে এভাবে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নামে টাকা তুলে খেয়ে ফেলার ঘটনা নজিরবিহীন।’

সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড মেম্বর মো. তাজুল ইসলাম এ ব্যাপারে বলেন, ‘বিগত একশ’ বছরেও এ গ্রামে কোনো হিন্দু লোকের বসবাসের কথা তার জানা নেই। কিন্তু জেলা পরিষদ কোথায় মন্দির পেল তা আমাদের বোধগম্য নয়। আর যেখানে কোনো মন্দিরই নেই সেখানে তারা কোন মন্দির সংস্কারে অর্থ ব্যয় করেছেন তা এখন জানার বিষয়।’

এ জনপ্রতিনিধি আরও বলেন, ‘আসলে কিছু দুর্নীতিপরায়ণ সরকারি কর্মকর্তাদের লুটপাটের এটি একটি জঘন্য কৌশল। এভাবে ভুয়া মন্দিরের সংস্কার কাজ দেখিয়ে তারা টাকা উঠিয়ে আত্মসাৎ করেছেন। তিনি এসব দুর্নীতিবাজদের দৃষ্টান্তমূলক কঠোর শাস্তি দাবি করেন।’

মিজানুর রহমান শমশেরীর কবিতা

শেষ কবিতা


শত বেদনার অঙ্কুর বুকে চলিনু বন্ধুগণ

যে কথা কখনো বলিতে পারি নি, বলি তা কিছুক্ষণ।

সেই শুভদিনে লুটাবো ধুলায়- শুনে রাখো মোর বাণী,

যারা ছিলে মোর বন্ধু সুদিনে- ফেলো না চোখের পানি।

অশ্রুতে নয়, ক্রন্দনে নয়, ভালোবাসা দিয়ে মোরে

সুজন বন্ধু তোমরা আমারে বেঁধে রেখো প্রেম-ডোরে।

যেখানে নরম ঘাসের সবুজে নিশীথে জোনাক জ্বলে

বিটপীর শাখে যেখানে পাখিরা অনন্ত কথা বলে,

যেখানে বাতাস ধীরে বহে ধীরে- সন্ধ্যা যেখানে আনে

বন্ধু আমার সুখের বাসর বেঁধে দিও সেইখানে।

যে রাতে চলিব সুদূরের পথে জ্বালিয়ে আগরবাতি

বন্ধু আমার বিদায়-শ্রাদ্ধ করে দিও রাতারাতি।

দিনের আলোকে যন্ত্রণা আনে, রাতের আঁধারে ঘুম,

জোছনার সাথে মঞ্জরীগুলো যখন খাইবে চুম,

গোসল করাতে হবে না বন্ধু, হবে না কাফন দিতে

কখনো তো আর আসিব না এই মানুষের পৃথিবীতে।

আতর-গোলাপ মাখিলে কী হবে, কবরে ঢাকিবে দেহ,

তোমরা যে মোর বন্ধু স্বজন যাইবে না সাথে কেহ।

 

বাসর শয়নে ঘুমুবো যখন, ঘুমুবো অহর্নিশি,

সে ঘুম ভাঙাতে যাবে না কখনো আজিকার প্রতিবেশী।

রাখি-বন্ধন খুলিবে বন্ধু, আর কিছু আনিবে না,

কী সুখে প্রহর কাটাবো সেখানে কেউ তাহা জানিবে না।

আকাশ মাটিতে ক্লান্ত বালক খেলেছি কত না খেলা,

সবকিছু তার ভুলে যাবো আমি- ভুলে যাবো এই বেলা।

আমি যে ঘুমুবো কবরের দেশে তবু তো আমার লাগি

তারকা ফুটিবে, চন্দ্র উঠিবে আকাশ রহিবে জাগি।

আমাকে খুঁজিয়া ক্লান্ত বাতাস ধানক্ষেতে দিবে নাড়া,

শিয়াল ডাকিবে কবরের পাশে, তবু তো দেবো না সাড়া।

 

পাষাণ গ্রথিতে বেঁধো না বন্ধু আমার কবরখানা,

শ্রাবণ-মেঘেরা ঢালে যদি জল, আহা কী যে সান্ত্বনা!

জোছনার সাথে ফোটে যদি কভু হাসনাহেনার দল,

নরম ঘাসের সবুজে সবুজে ভরিবে কবরতল।

ঝিঁঝির মেয়েরা কবরের পাশে গাহে যদি কভু গান,

ইঁদুর বেজিরা বুঝে নিবে তবু এখানে কবরস্থান।

আঁধার নিশীথে জ্বেলো না বন্ধু মোম কী মাটির দীপ,

আমি যে কখনো জাগিব না আর ঘুমিয়ে রহিব ক্লীব।

আসিব না আর তোমাদের সাথে কহিতে অনেক কথা

আমি যে বন্ধু বুকে টেনে নিব চিরন্তন নীরবতা।

 

রাতের আঁধারে ফুটিবে যখন আকাশে অনেক তারা

তারই সাথে মোর জেগে রবে কিছু ছোটো-খাটো বেদনারা।

মৌসুমি বায়ু আনে যদি কভু ফসলের কিছু তান,

তারই সাথে মোর শুনিবে বন্ধু জীবনের কিছু গান।

যে কথা শুনিতে জেগে রবে তুমি রাতের পরেতে রাত

ফাগুনের বনে পাখির কণ্ঠে শুনিবে অকস্মাৎ।

কেউ বুঝে নিবে, কেউ না বুঝে কাঁদিবে সেদিন জানি

তবু অনুরোধ কেঁদো না বন্ধু পুরোনো সে ব্যথা টানি।

যে ব্যথা ভুলিতে চলে গেছি আমি দূর হতে দূর দেশে

তোমরা সে কথা ভুলে যেও ভাই আমাকেই ভালোবেসে।

দোহারে ওয়ার্কার্স পার্টির কমিটি গঠন

নিউজ৩৯♦ বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি ঢাকার দোহার উপজেলা কমিটি গঠন করা হয়েছে। সোমবার বিকালে উপজেলার লটাখোলায় করম আলীর মোড়ের করম প্লাজায় জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির কার্যালয়ে এ কমিটি গঠন করা হয়। ঢাকা জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি আঃ বারেক এতে সভাপতিত্ব করেন। 

প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য করম আলী। কমিটিতে নাসির উদ্দিন পল্লবকে দোহার উপজেলার সম্পাদকমণ্ডলীর সম্পাদক ও শেখ সামাদ মাদবর, জয়নাল আবেদীন পাহাড়, হানিফ মোল্লা, শেখ সোহেল রানা (সাংবাদিক), সাহেদুজ্জামান খন্দকার, সামছু মাস্টার, আসলাম শেখ, বোরহান আহম্মেদ, সুনিল মাদবর, খলিলুর রহমান, মোক্তার হোসেন বয়াতী ও কামরুল হাসানকে সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য করে মোট ১৩ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়।

নবাবগঞ্জে পুলিশ-সন্ত্রাসী সংঘর্ষে ৮ পুলিশসহ আহত ৯

নিউজ৩৯♦ ঢাকার নবাবগঞ্জে পুলিশ-সন্ত্রাসী সংঘর্ষে মো. আজিম (৩২) নামে এক সন্ত্রাসী গুলিবিদ্ধ ও ৮ পুলিশ আহত হয়েছেন। আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন এসআই কায়সার আহমেদ, মোজাম্মেল হক, তাজউদ্দিন, এএসআই জয়নাল আবেদীন ও কনস্টেবল মো. রাজ্জাক, মাসুদ, মামুন, জয়নাল আহত হয়েছেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ আজিম ও উজ্জল নামে ২ জনকে আটক করেছে। গতকাল শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার ভাঙ্গাভিটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আটকৃত মো. আজিম মুন্সীগঞ্জ জেলার চিত্রকোট ইউনিয়নের মরিচা গ্রামের মৃত আইয়ূব আলীর ছেলে। সে চিত্রকোট ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার এবং উজ্জল একই গ্রামের আনোয়ার দেওয়ানের ছেলে বলে জানা গেছে।

আহত এসআই কায়সার আহমেদ জানান, স্থানীয় বালু ব্যবসায়ীরা ইছামতি নদীর ভাঙ্গাভিটা এলাকায় অবৈধভাবে ড্রেজার দিয়ে বালু কাটছিল। এ সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে চালু ড্রেজার বন্ধ করে ড্রেজারের ব্যাটারি খুলে নিয়ে আসছিল। এ সময় বালু ব্যবসায়ীদের ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী মো. আজিমসহ ১৪-১৫ জন পুলিশকে ঘেরাও করে ব্যাটারি ছিনিয়ে নেয়। এ সময় পুলিশ বাধা দিলে সন্ত্রাসীরা পুলিশের বন্দুক ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে এবং ৮ পুলিশকে মারধর করে। একপর্যায়ে পুলিশ জীবনরক্ষায় তাদের ওপর গুলি করলে আজিম গুলিবিদ্ধ হয়। এ সময় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ আজিম ও উজ্জল নামে একজনকে আটক করে। অন্যরা পালিয়ে যায়। তিনি আরো জানান, আহত আজিম ও আহত পুলিশদের নবাবগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

নবাবগঞ্জ থানার ওসি মো. সাইদুর রহমান জানান, অবৈধ বালু ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সম্পৃক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

দোহারে কামরুল হুদার জানাজা অনুষ্ঠিত

তানজিম ইসলাম♦ দোহার উপজেলায় বাদ জহোর নামাযের পরে উপজেলার রতন স্বাধীনতা ভাস্কার্যের সামনে দোহার উপজেলার চেয়ারম্যান মরহুম কামরুল হুদার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত জানাজায় উপস্থিত ছিলেন নাজমুল হুদা, খন্দকার আবু আশফাক, আব্দুল মান্নান,  জজ মান্নান, মাহাবুবুর রহমান,  আলী আহসান খোকান শিকদার, আলাউদ্দিন মোল্লা, দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুরুল করিম ভূঁইয়া সহ বি,এন,পির সকল পর্যায়ের নেতার্কমী এবং আওয়ামীলীগ এর নেতার্কমীরা।

জানাযার নামাজ পড়ান, কুসুমহাটী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল ওহাব দোহারী,এ সময়ে নাজমুল হুদা তার ছোট ভাইয়ের জন্য সকালের কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন এবং বলেন “আমার ভাই অকালে চলে গেলেন, তার খুব ইচ্ছা ছিল দোহারকে সারা বাংলাদেশের মধ্যে একটি মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলা,তিনি তার কাজ সমাপ্ত করে যেতে পারেননি, কিন্তু আমাদের সকলের উচিত তার ইচ্ছা পূরন করা।