দুই মামলায় কণ্ঠশিল্পী ও সাবেক সংসদ সদস্য মমতাজের  ৬ দিনের রিমান্ড

ডেস্ক রিপোর্টঃ বৃহস্পতিবার (১৬ মে) সকালে তাকে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে মানিকগঞ্জ আদালতে আনা হয়।

মানিকগঞ্জের দুইটি আলাদা মামলায় কণ্ঠশিল্পী ও সাবেক সংসদ সদস্য মমতাজ বেগমকে মোট ৬ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দিয়েছেন আদালত।

সকালে প্রথমে মানিকগঞ্জ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩-এ হরিরামপুর থানায় করা ভাঙচুর ও মারামারির মামলায় পাঁচ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়। শুনানিতে মমতাজের পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না। বিচারক আইভি আক্তার দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

পরে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১-এ ২০১৩ সালে সিঙ্গাইর উপজেলার গোবিন্দল এলাকায় হরতাল-সমর্থিত মিছিলে পুলিশের গুলিতে চারজন নিহতের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। এতে বিচারক মুহম্মদ আব্দুন নূর চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

আদালত এলাকায় এ সময় বিএনপির নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ করেন। মমতাজ বেগমকে প্রিজনভ্যানে তোলার সময় তার দিকে ডিম নিক্ষেপও করা হয়। পুলিশ ও বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কির ঘটনাও ঘটে।

আজ থেকে চালু টিসিবির ট্রাকসেল, তেলের দাম বাড়ল ৩৫ টাকা

সারা দেশে ফ্যামিলি কার্ডধারী নিম্নআয়ের পরিবারের মধ্যে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) ভর্তুকি মূল্যে পণ্য বিক্রি কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এর পাশাপাশি ঈদুল আজহা উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার থেকে ভ্রাম্যমাণ ট্রাকের মাধ্যমে সাধারণ ক্রেতার কাছে পণ্য বিক্রি কার্যক্রম চালু করতে যাচ্ছে সংস্থাটি। তবে এ দফায় তেল, ডাল ও চিনির দাম বাড়ানো হয়েছে। ভোজ্যতেল লিটারে ৩৫ টাকা, মসুর ডাল কেজিতে ২০ টাকা এবং চিনি কেজিতে ১৫ টাকা করে দাম বাড়ানো হয়েছে।

গতকাল বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ট্রাকসেল চালু ও তিন পণ্যের দামের বিষয়ে তথ্য জানানো হয়। এবারের বিক্রয় কার্যক্রমে থাকছে তিনটি পণ্যÑ ভোজ্যতেল, চিনি ও মসুর ডাল। ভোক্তাপ্রতি সর্বোচ্চ ২ লিটার তেল, এক কেজি চিনি ও দুই কেজি মসুর ডাল বিক্রি হবে।

টিসিবির পণ্যমূল্য পর্যালোচনা করে দেখা যাচ্ছে, আগে যেখানে ১০০ টাকা লিটারে তেল বিক্রি করা হতো সেটা এখন বিক্রি হবে ১৩৫ টাকা। অপরদিকে ডালের দাম ৬০ থেকে বাড়িয়ে ৮০ টাকা ও চিনির দাম ৭০ থেকে বাড়িয়ে ৮৫ টাকা করা হয়েছে।

শুক্রবার ও ছুটির দিনসহ এ কার্যক্রম আগামী ৩ জুন পর্যন্ত চলমান থাকবে, জানিয়েছে টিসিবি।

প্রোফাইলে বাংলাদেশি পতাকা, ভারতে গ্রেপ্তার ১

ডেস্ক রিপোর্টঃ ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা ব্যবহার ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দেওয়ার অভিযোগে সামসুদ্দিন মণ্ডল নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২১ মে) বিকেলে হুগলি জেলার তারকেশ্বর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দ বাজার পত্রিকার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

গ্রেপ্তার হওয়া সামসুদ্দিন মণ্ডল তারকেশ্বরের বালিগুড়ি ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের নাজিরপুর এলাকার বাসিন্দা।

পুলিশ জানিয়েছে, মঙ্গলবার রাতে এই ঘটনা ঘটে। বুধবার বিকেলে এলাকার বেশ কয়েকজন বাসিন্দা সামসুদ্দিনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তাকে গ্রেপ্তারের দাবিতে থানার সামনে বিক্ষোভও হয়। অভিযোগে বলা হয়, সামসুদ্দিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভারতবিরোধী এবং বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর পোস্ট দিয়েছেন। তার ভিত্তিতে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে এবং পরে চন্দননগরের মহকুমা আদালতে হাজির করে।

হুগলি গ্রামীণ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কৃষাণু রায় বলেন, ‘একটি অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা একজনকে গ্রেপ্তার করেছি। তিনি কেন এমন পোস্ট করেছেন, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’

দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নতুন শপথ করানোর নির্দেশ

বুধবার (২১মে) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উপসচিব মোসাম্মৎ রহিমা আক্তারের স্বাক্ষর করা এক প্রজ্ঞাপনে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, প্রতিদিন সকালের সমাবেশে শিক্ষার্থীরা এখন থেকে— ‘আমি শপথ করিতেছি যে, মানুষের সেবায় সর্বদা নিজেকে নিয়োজিত রাখিব। দেশের প্রতি অনুগত থাকিব। দেশের একতা ও সংহতি বজায় রাখিবার জন্য সর্বদা সচেষ্ট থাকিব। অন্যায় ও দুর্নীতি করিব না এবং অন্যায় ও দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেব না। হে মহান আল্লাহ/মহান সৃষ্টিকর্তা, আমাকে শক্তি দিন, আমি যেন বাংলাদেশের সেবা করিতে পারি এবং বাংলাদেশকে একটি আদর্শ, বৈষম্যহীন ও শক্তিশালী রাষ্ট্র হিসাবে গড়িয়া তুলিতে পারি। আমিন।’  শপথ পাঠ করবে।

প্রজ্ঞাপনে শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশপ্রেম ও নৈতিক শিক্ষার বিকাশে এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যেন নৈতিকভাবে সমৃদ্ধ, আত্মমর্যাদাসম্পন্ন এবং সামাজিকভাবে দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠে—সেই লক্ষ্যেই এ নির্দেশনা কার্যকর করা হচ্ছে।

এই নির্দেশনা বাস্তবায়নে মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সকল প্রতিষ্ঠান, বিভাগীয় পরিচালক, জেলা প্রশাসক, জেলা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শাইনপুকুরে এক যুবককে হাত পায়ের রগ কেটে হত্যা

১৯ মে ২০২৫ সোমবার দোহারের শাইনপুকুর খড়িয়া গ্রামে ২৫ বছরের এক যুবককে হাত পায়ের রগ কেটে হত্যা করা হয়েছে। সেদিন রাত ১০ টায় রাতের খাবার খেয়ে বাড়ির পাশেই রাস্তায় দোকানে যায় রাফি করিম খান। এরপর সে আর বাসায় ফিরেনি।

রাত ১টায় তাঁর মাকে একটি মোবাইল ফোনে জানায় শাইনপুকুর মাঠে তার নিথর দেহ পড়ে আছে। পরে স্বজনরা গিয়ে দেখে তাঁর হাত পায়ের রগ কাটা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্তাক্ত জখম। এ অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে ফুলতলা আব্দুর রাজ্জাক হাসপাতালে নেয়। অবস্থার অবনিত হলে সেখান থেকে ঢাকা প্রেরণ করে। তাঁকে মুমূর্ষ অবস্থায় রাজধানীর কাটাবন হোম কেয়ারে ভর্তি করে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাফি মঙ্গলবার রাত ২টায় মারা যায়। রাফি ওই গ্রামের মাসুদ করিম খানের এক মাত্র ছেলে।

পুলিশ ও নিহতের পরিবার জানায়, রাফি করিম খান রাতে বের হলে তাঁকে কে বা করা ধরে নিয় হাত পায়ের রগ কেটে ও মাথায় আঘাত করে বাড়ি থেকে একটু দূরে মাঠে ফেলে রাখে। এরপর হাসপাতালে নেয়া হলে ২৪ ঘন্টা পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার একটি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়।

স্থানীয় প্রতিবেশীদের ধারণা, মাদক সংক্রান্ত ঘটনার জের ধরে হয়তো তাঁকে হত্যার উদ্দেশ্যে এ ঘটনা ঘটাতে পারে। এলাকাবাসী এ ধরনের নৃশংস্য হত্যাকান্ডের সঠিক বিচার দাবি করেন।

নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক স্বজন বলেন, বাবা মায়ের এক মাত্র ছেলে রাফি। বাবা অনেক জমি সম্পত্তির মালিক। বাবা মারা যাওয়ার পর সেই সব দেখভাল করে। এ সম্পত্তি গ্রাস করতে কোনো চক্র এ ঘটনা ঘটিয়েছে কি না সে বিষয়েও খতিয়ে দেখা দরকার।

ছেলেকে হারিয়ে শোকে নির্বাক মা আনোয়ারা খানম। তিনি ফ্যাল ফ্যাল তাকিয়ে থাকেন। ছেলের কষ্টে আর্তনাদ করছে। তিনি বলেন, আমার বাবাকে যারা এভাবে মেরেছে তাঁদের বিচার চাই। প্রায় ৭ বছর আগে স্বামী হারিয়ে আনোয়ারা তিন মেয়ে এক ছেলে নিয়ে সংসার জীবন পার করছেন।

ছোট বোন মুন আক্তার একটি কলেজের সম্মান তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী। ভাই হত্যার বিচার চান। তিনি বলেন, ওরা আমার ভাইকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে হাত পায়ের রগ কেটে ফেলে রাখে। কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে এ বিষয়ে রাফি হাসপাতালে একটি অডিও বার্তায় সব বলে গেছে বলে জানান মুন। পুলিশ বলেছে মামলার স্বার্থে তা এখনই প্রকাশ না করতে।

দোহার থানার ওসি রেজাউল করিম বলেন, ময়নাতদন্ত শেষে লাশ হয়তো বিকেলে ফিরবে। দাফন শেষে পরিবারের লোকজন থানায় এসে এজাহার দিবে বলে জানিয়েছে স্বজনরা। তবে এ হত্যাকান্ডের সাথে কে বা কারা জড়িত থাকতে পারে সে বিষয়ে পুলিশ কাজ করছে।

মাহমুদপুরে গৃহবধূর রহস্যজনক আত্মহত্যা: তদন্তে পুলিশ

ঢাকার দোহার উপজেলার মাহমুদপুর গ্রামে হৃদয়বিদারক এক ঘটনার জন্ম দিয়েছে খাদিজা আক্তার (২৪) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যুর খবর। মঙ্গলবার (২০ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নিজ ঘর থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসী এ ঘটনায় গভীর শোক ও হতবাক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।

নিহত খাদিজা মাহমুদপুর গ্রামের শেখ শাহজাহান ও অঞ্জনা বেগমের মেয়ে। ছয় ভাইবোনের মধ্যে সে ছিল তৃতীয়। তার স্বামী নাহিদ দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে থাকেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সময় খাদিজার মা বাড়ির পাশেই গরুর জন্য ঘাস কাটতে গিয়েছিলেন। কিছুক্ষণ পর ফিরে এসে মেয়ের ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ দেখতে পান। অনেক ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে তিনি পাশের লোকজনকে ডেকে এনে পরে দরজা ভেঙে দেখা যায়, খাদিজা ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলে আছেন।

তাকে দ্রুত উদ্ধার করে দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

মেয়ে হারিয়ে দিশেহারা খাদিজার মা। কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “কিছু বুঝে উঠতে পারছি না। সকালেও মেয়েটা আমার সঙ্গে হেসে কথা বলেছে। কী এমন হলো যে সে এমন কঠিন পথ বেছে নিল?”

এ বিষয়ে দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম বলেন, “আমরা অভিযোগ পেয়েছি। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এ ঘটনায় পুরো গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। আত্মহত্যা নাকি এর পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে—সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পরিবার ও এলাকাবাসী।

দেশে যাত্রা শুরু স্টারলিংকের, মাসে ৬ হাজার টাকায় মিলবে ইন্টারনেট

ডেস্ক রিপোর্টঃ উচ্চগতির স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান স্টারলিংক আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু করেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত) ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। মঙ্গলবার (২০ মে) সকালে নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি এ তথ্য জানান।

ফয়েজ আহমদ জানান, সোমবার বিকেলে স্টারলিংকের প্রতিনিধি তাকে ফোনে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এরপর মঙ্গলবার সকালে স্টারলিংক তাদের এক্স (পুরাতন টুইটার) হ্যান্ডেলেও এ ঘোষণা দেয়।

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী আরও বলেন, শুরুতে স্টারলিংক দুটি প্যাকেজ দিয়ে শুরু করছে– স্টারলিংক রেসিডেন্স এবং রেসিডেন্স লাইট। মাসিক খরচ একটি ৬০০০ টাকা, অপরটি ৪২০০। তবে সেটআপ যন্ত্রপাতির জন্য ৪৭ হাজার টাকা এককালীন খরচ হবে। এখানে কোনো স্পিড ও ডাটা লিমিট নেই। ব্যক্তি ৩০০ এমবিপিএস পর্যন্ত গতির আনলিমিটেড ডেটা ব্যবহার করতে পারবেন।

ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, বাংলাদেশের গ্রাহকরা আজ থেকেই অর্ডার করতে পারবেন। এর মাধ্যমে ৯০ দিনের মধ্যে যাত্রা শুরুতে স্যারের (প্রধান উপদেষ্টার) প্রত্যাশাটি বাস্তবায়িত হলো।

তিনি আরও বলেন, খরুচে হলেও এর মাধ্যমে প্রিমিয়াম গ্রাহকদের জন্য উচ্চমান এবং উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবা প্রাপ্তির টেকসই বিকল্প তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি যেসব এলাকায় এখনো ফাইবার কিংবা দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা পৌঁছেনি, সেখানে কোম্পানিগুলো ব্যবসা সম্প্রসারণের সুযোগ পাবেন, এনজিও ফ্রিল্যান্সার এবং উদ্যোক্তারা বছরব্যাপী নিরবচ্ছিন্ন উচ্চগতির ইন্টারনেটের নিশ্চয়তা পাবেন। বিষয়টি নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা সংশ্লিষ্ট সবাইকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশে যাত্রা শুরুর মাধ্যমে স্টারলিংক দক্ষিণ এশিয়ার নতুন একটি বাজারে প্রবেশ করল। এতে করে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হলো।

উত্তর জয়পাড়ায় ধর্ষণ: দোহার থানায় মামলা

দোহারের প্রাণকেন্দ্র উত্তর জয়পাড়ায় ১৫ বছরের এক কিশোরীকে গত বুধবার সংঘবদ্ধ একদল যুবক ধর্ষণ করেছে। এ ঘটনায় ১৬ মে ওই কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে দোহার থানায় ধর্ষণ মামলা করেছে। জানা গেছে, রাতে ওই কিশোরীকে বাড়িতে পৌছে দেয়ার কথা বলে রাস্তায় নিয়ে অজ্ঞতানামাসহ ৪ যুবক জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরে বাড়ি ফিরে বড় বোনকে ঘটনা জানালে, সে তাঁর স্বজনদের মাধ্যমে বাবাকে অবগত করে। পরে শুক্রবার সকালে দোহার থানায় মামলা দায়ের করে। এখন পর্যন্ত কোন আসামী গ্রেফতার হয়নি।

ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে দোহার থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত ২০২০) এর ৯(৩) ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। মামলার এজাহারে ভিক্টিমের পিতা নাইম উল্লেখ করেন, ১৪ মে রাত ৯:০০টায় ভিক্টিম শ্রাবণি আক্তার(১৫) তার খালাতো বোন জারা’র(১৬) সাথে রাতে খাবার খাওয়ার জন্য জয়পাড়া কালেমা চত্বরে যায়। সেখান থেকে খাবার খেয়ে ফেরার পথে জয়পাড়া কলেজের সামনে আসামীগণ তাদের ২জনকে ডাক দেয়। ডেকে কথা বলার এক পর্যায়ে তাদেরকে জুস খেতে দেয়। এরপর বাড়ী পৌছে দেয়ার কথা বলে মোটরসাইকেলে ওঠায়। বাড়ীর সামনে এসে তাদ্রকে না নামিয়ে দ্রুত মোটরসাইকেল দ্রুত বেগে চলে যায়। এসময় শ্রাবণির খালাতো বোন লামিয়া জারা লাফ দিয়ে নেমে পড়ে কিন্ত শ্রাবণি নামতে পড়েনি। জারা বাসায় গিয়ে ঘটনা বর্ণনা করলে, সবাই শ্রাবণিকে খুঁজতে বের হয়। পরে ১৫মে রাত ২:০০টায় শ্রাবণি বাড়ী ফিরে এসে জানায় দোহার পৌরসভার খাড়াকান্দাস্থ পালবাড়ী সন্নিকটে রাব্বেলের (তার বিরুদ্ধে ইয়াবা ব্যবসায়ের অভিযোগ আছে এলাকায়) গ্যারেজে নিয়ে জোরপূর্বক পালাক্রমে ধর্ষণ করে।

ঘটনাটি রাত সাড়ে ১০টা থেকে আনুমানিক রাত দেড়টার মধ্যে সংঘটিত হয়। উল্লেখ্য শ্রাবণি আক্তারের নয় মাস বয়সী একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।

মামলায় অভিযোগ অনুযায়ী, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০(সংশোধিত ২০২০) এর ৯(৩) ধারা অনুযায়ী আসামীগণ হলো মণি (২২); পিতা – খোকা মিয়া; উত্তর জয়পাড়া চৌধুরিপাড়া, মুশফিকুর অপু (২২); পিতা- জুলহাস বেপারী; দক্ষিণ জয়পারা-মাঝিপাড়া, আবির হোসেন (২০); পিতা- জাহাংগীর আলম; দক্ষিণ জয়পাড়া; দোহার। এছাড়াও, অজ্ঞাত রয়েছে একজন। এদিকে ঘটনার সিসি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা যায় ঘটনাস্থলে আরেকজন গ্যারেজ মালিক রাব্বেল এর সাথে মিল রয়েছে।

একই সময় দোহারে আরও একটি ধর্ষণ ও একটি ধর্ষণচেষ্টা হয়। এ বিষয়ে দোহার থানার ওসি রেজাউল করিম বলেন, তিনটি ধষর্ণের ঘটনায় পৃথক মামলা হয়েছে। দুই মামলায় তিন আসামী গ্রেপ্তার আছে। বাকিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ চেষ্টা করছে।

জয়পাড়ায় ধর্ষণ

জয়পাড়ায় ধর্ষণ

দোহারে এক কিশোরী ও গৃহবধু ধর্ষিত এবং এক গৃহবধু ধর্ষণচেষ্টার শিকার: তিন মামলায় আটক ৩

শ্বশুর কর্তৃক পুত্রবধুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগসহ গত ৪৮ ঘটনায় দোহার থানায় তিনটি মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় দুই মামলায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনটি ঘটনার দুটিই সংঘবদ্ধ ধর্ষণ বলে জানা গেছে।

মুকসেদপুর ইউনিয়নে:

পুলিশ ও মামলার বিবরণে জানা গেছে, ১৬ মে শুক্রবার দুপুরে উপজেলার মুকসেদপুর ইউনিয়নে একা বাসায় পেয়ে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষনের চেষ্টা করে শ্বশুর। গৃহবধুকে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে জখমও করে। পরে ওই গৃহবধু চিৎকার দিলে শ্বশুর দৌড়ে ঘরের বাহির হয়ে যায়। গৃহবধু ভয়ে প্রতিবেশী চাচা শ্বশুরের ঘরে গিয়ে তার শাশুড়ীকে ফোনে ঘটনা জানায়। সে বাড়িতে ফিরে পুত্র বধুকে দোহার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা করায়। আজ শনিবার সকালে এঘটনায় দোহার থানায় মামলা করলে পুলিশ ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে।

মাহমুদপুর ইউনিয়নে:

অপরদিকে মাহমুদপুর ইউনিয়নে এক গৃহবধুকে সংঘবদ্ধ কয়েকজন যুবক ধর্ষণ করেছে। এ ঘটনায় ওই গৃহবধু শুক্রবার দোহার থানায় মামলা করলে ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে শাহআলম (২৩) ও রাব্বি(২২) নামে দুই যুবককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। জানা গেছে গত মার্চ মাসের ১০ তারিখে ৪ যুবক ওই গৃহবধুকে একা ঘরে পেয়ে মুখ বেধে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে। গৃহবধু জানায়, এ ঘটনায় এলাকায় শালিসী মীমাংসার চেষ্টা করে কালক্ষেপন করেছে স্থানীয়রা। পরে ভিকটিম দোহার থানায় মামলা করে।

জয়পাড়ায়:

এছাড়া দোহারের প্রাণকেন্দ্র জয়পাড়া এলাকায় ১৫ বছরের এক কিশোরীকে গত বুধবার সংঘবদ্ধ একদল যুবক ধর্ষণ করেছে। এ ঘটনায় ১৬ মে ওই কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে দোহার থানায় ধর্ষণ মামলা করেছে। জানা গেছে, রাতে ওই কিশোরীকে বাড়িতে পৌছে দেয়ার কথা বলে রাস্তায় নিয়ে অজ্ঞতানামাসহ ৪ যুবক জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরে বাড়ি ফিরে বড় বোনকে ঘটনা জানালে, সে তাঁর স্বজনদের মাধ্যমে বাবাকে অবগত করে। পরে শুক্রবার সকালে দোহার থানায় মামলা দায়ের করে। এখন পর্যন্ত কোন আসামী গ্রেফতার হয়নি।

মামলায় অভিযোগ অনুযায়ী, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০(সংশোধিত ২০২০) এর ৯(৩) ধারা অনুযায়ী জয়পাড়ায় সংঘটিত অপরাধের আসামী হলো মণি (২২); পিতা – খোকা মিয়া; উত্তর জয়পাড়া চৌধুরিপাড়া, মুশফিকুর অপু (২২); পিতা- জুলহাস বেপারী; দক্ষিণ জয়পারা -মাঝিপাড়া, আবির হোসেন (২০); পিতা- জাহাংগীর আলম; দক্ষিণ জয়পাড়া; দোহার। এছাড়াও, অজ্ঞাত রয়েছে একজন। এদিকে ঘটনার সিসি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা যায় ঘটনাস্থলে আরেকজন গ্যারেজ মালিক এর সাথে মিল রয়েছে।

এ বিষয়ে দোহার থানার ওসি রেজাউল করিম বলেন, তিনটি ধষর্ণের ঘটনায় পৃথক মামলা হয়েছে। দুই মামলায় তিন আসামী গ্রেপ্তার আছে। বাকিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ চেষ্টা করছে।

হজের সফরে যেসব জায়গায় দোয়া কবুল হয়

হজের সফর দোয়া কবুলের মোক্ষম সময়। হজ বা ওমরাহর জন্য ইহরামের নিয়ত করা থেকে শুরু করে হজ ওমরাহ সম্পন্ন করে বাড়িতে ফিরে আসার পরেও ৪০ দিন পর্যন্ত হাজির দোয়া কবুল হতে থাকে। হজের সফরে এমন কিছু সময় স্থান রয়েছে, যে সময় স্থানে দোয়া কবুল হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। 

দোয়া করার প্রসিদ্ধ কিছু স্থান উল্লেখ করা হলো-

হারাম শরিফ

হারাম শরিফের সীমা বায়তুল্লাহর পশ্চিমে জেদ্দার পথে শুআইদিয়া পর্যন্ত ১০ মাইল, পূর্বে জেরুসালেমের পথে ৯ মাইল, দক্ষিণে তায়েফের পথে ৭ মাইল এবং উত্তরে মদিনা শরিফের পথে ৫ মাইল। এটি ইবাদতের সর্বশ্রেষ্ঠ স্থান এবং দোয়া কবুলের সর্বোত্তম জায়গা।

মসজিদুল হারাম

মসজিদুল হারাম হলো- কাবা শরিফের চারদিকের বৃত্তাকার মসজিদ। এটি পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ মসজিদ। এখানে দোয়া কবুল হয়।

কাবা শরিফ

মসজিদুল হারামের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত কৃষ্ণ বর্ণের চতুষ্কোণ আয়তাকার গৃহটিই হলো কাবা শরিফ। কাবা হলো আল্লাহর ঘর। কাবা মুসলিম জাতির কিবলা বা ঐক্যের কেন্দ্রবিন্দু। ইবাদত ও দোয়া কবুলের জন্য এর চেয়ে শ্রেষ্ঠ আর কোনো স্থান হতেই পারে না। কাবাঘরের ওপর যখন নজর পড়ে, তখন দোয়া কবুল হয়।

মিজাবে রহমত

কাবাঘরের ছাদের পানি পড়ার জন্য উত্তর পাশে হাতিমের ভেতরে মাঝখান বরাবর একটি সোনার পরনালা রয়েছে। একে মিজাবে রহমত বলে। এটি দোয়া কবুলের স্থান।

হাতিম

কাবাঘর–সংলগ্ন উত্তর দিকে অর্ধবৃত্তাকার দেয়ালঘেরা স্থানকে ‘হাতিম’ বা হুজ্জাতু ইসমাইল বলা হয়। এই স্থানটুকু আগে কাবাঘরের অন্তর্ভুক্ত ছিল। তাই এখানে নামাজ পড়া মানে কাবার ভেতরে নামাজ পড়া। এটা দোয়া কবুলের সর্বোত্তম স্থান।

হাজরে আসওয়াদ

কাবাঘরের দক্ষিণ-পূর্ব কোণে দেয়ালে লাগানো জান্নাতি পাথর। এখান থেকে তাওয়াফ শুরু করতে হয় এবং এখানেই শেষ করতে হয়। হাজরে আসওয়াদ চুম্বনে গুনাহ মাফ হয়। ইশারায়ও চুম্বন করা যায়। এটি দোয়া কবুলের স্থান।

কাবা শরিফের রোকনসমূহ

কাবাঘরের প্রতিটি কোণকে রোকন বলা হয়। দক্ষিণ-পূর্ব কোণে হাজরে আসওয়াদ অবস্থিত। কাবাঘরের উত্তর-পূর্ব কোণকে বলা হয় রোকনে ইরাকি, উত্তর-পশ্চিম কোণকে বলা হয় রোকনে শামি এবং দক্ষিণ-পশ্চিম কোণকে বলা হয় রোকনে ইয়ামানি। এর প্রতিটি কোণ দোয়া কবুলের স্থান।

রোকনে ইয়ামানি হাজরে আসওয়াদের মধ্যস্থল

কাবার পশ্চিম-দক্ষিণ কোণ হলো রোকনে ইয়ামানি এবং পূর্ব-দক্ষিণ কোণ হলো রোকনে হাজরে আসওয়াদ। তাওয়াফের প্রতি চক্করে এই স্থানে পড়তে হয়: ‘রাব্বানা আতিনা ফিদ দুনিয়া হাছানা, ওয়া ফিল আখিরাতি হাছানা; ওয়া কি না আযাবান নার।’ হে আল্লাহ, আমাদের দুনিয়াতে কল্যাণ দিন, আখেরাতে কল্যাণ দিন এবং দোজখের আগুন থেকে রক্ষা করুন। (সুরা-২ বাকারা, আয়াত: ২০১)।

মাতাফ

মাতাফ, অর্থাৎ তাওয়াফ করার স্থান। কাবা শরিফের চতুর্দিকে তাওয়াফের জন্য খোলা স্থানটিই হলো মাতাফ। এখানে দোয়া কবুল হয়।

মাকামে ইবরাহিম

কাবা শরিফের পূর্ব দিকে মাতাফ বা তাওয়াফ ভূমিসংলগ্ন মাকামে ইবরাহিমে যে প্রস্তরখণ্ড সংরক্ষিত আছে, তার ওপর দাঁড়িয়ে হজরত ইবরাহিম (আ.) কাবাঘরের প্রাচীর গাঁথতেন। এই পবিত্র স্থানের পেছনে দাঁড়িয়ে প্রতি প্রকার তাওয়াফের পর দুই রাকাত ‘ওয়াজিবুত তাওয়াফ’ নামাজ আদায় করতে হয়। এখানে দোয়া কবুল হয়।

সাফা পাহাড়

 কাবা শরিফের পূর্ব পাশের নিকটতম পাহাড়। সাফা পাহাড়ে উঠে কাবাঘরের দিকে মুখ ফিরিয়ে নিয়ত করে সায়ি শুরু করতে হয়। এটাও দোয়া কবুলের জায়গা।

মারওয়া পাহাড়

মসজিদুল হারাম শরিফ থেকে ৪৫০ মিটার পশ্চিম-উত্তর দিকে মারওয়া পাহাড় অবস্থিত। এটাও দোয়া কবুলের জায়গা। সায়ির সময় প্রতিবার মারওয়া পর্বতে দোয়া করতে হয়।

জমজম

পবিত্র কাবাঘরের পূর্ব দিকে মসজিদুল হারাম শরিফ চত্বরেই জমজম কূপ অবস্থিত। এটি জগতের সবচেয়ে সুপেয় পানির উৎস। এটা দোয়া কবুলের অন্যতম একটি স্থান।

মাসআ

সাফা ও মারওয়া এই দুই পাহাড়ের মধ্যস্থলে বিবি হাজেরা আ: তার শিশুপুত্র ইসমাইল আ:-এর পানীয়ের সন্ধানে ছোটাছুটি করেছিলেন। সেই স্মৃতি রক্ষার্থে হজরত মোহাম্মদ সা:-এর অনুকরণে হাজিদের এই দুই পাহাড়ের মধ্যে সাতবার যাওয়া-আসা করতে হয়, একে সায়ি বলা হয়। এটিও দোয়া কবুলের জায়গা।

আরাফাত

 আরাফাত ময়দানে হজরত আদম আ:-এর সাথে হজরত হাওয়া আ:-এর পুনর্মিলন হয় এবং তাঁরা স্বীয় ভুলের জন্য তথায় আল্লাহ তাআলার দরবারে মোনাজাত করেন এবং ওই মোনাজাত কবুল হয়। সে জন্য হাজিরা এই স্থানে সমবেত হয়ে এই প্রার্থনা করেন: ‘হে আমাদের রব! আমরা আমাদের সত্তার প্রতি জুলুম করেছি, আপনি যদি আমাদের ক্ষমা না করেন ও দয়া না করেন; অবশ্যই আমরা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত হব।’ (সুরা-৭ আরাফ, আয়াত: ২৩)।

জাবালে রহমত

দয়ার পাহাড়, এই পাহাড় আরাফাত ময়দানে অবস্থিত। এর উচ্চতা ৩০০ ফুট। এর উপরিভাগে একটি শুভ্র বর্ণ স্তম্ভ আছে, যেখান থেকে হজরত মুহাম্মদ সা: বিদায় হজের ভাষণ দিয়েছিলেন। এই পাহাড় দৃষ্টিগোচর হওয়ামাত্র লাব্বাইক ও দরুদ শরিফ পড়তে হয়। এখানে বাবা আদম আ: ও মা হাওয়া আ:-এর দোয়া কবুল হয়।

মুজদালিফা

মুজদালিফার ময়দানে বা প্রান্তরে বাবা আদম আ: ও মা হাওয়া আ:-এর প্রথম একত্রে রাত্রিবাস হয়েছিল। আরাফাতের দিবস শেষে সূর্যাস্তের পর এখানে এসে হাজিদের রাতযাপন করতে হয়। এখান থেকে শয়তানকে মারার জন্য ৭০টি কঙ্কর নিতে হয়। এখানে দোয়া কবুল হয়।

মিনা

আল্লাহ তাআলার আদেশে হজরত ইবরাহিম আ: স্বীয় তরুণ পুত্র হজরত ইসমাইলকে আ: যে স্থানে কোরবানির জন্য নিয়ে গিয়েছিলেন, সেই স্থানের নাম মিনা। মক্কা শরিফ থেকে মিনা পাঁচ কিলোমিটার দূরত্বে অবিস্থত। মিনা প্রান্তরে হজের আগের দিন এবং হজের পর তিন দিন, অর্থাৎ চার দিন তাঁবুতে অবস্থান করতে হয়। এখানে দোয়া কবুল হয়।

মসজিদে নামিরা

আরাফাতের দিনে এখান থেকে হজের ভাষণ দেওয়া হয়। এই দিন এখানে জোহর ও আসরের নামাজ একত্রে জোহরের ওয়াক্তে পড়তে হয়। এখানে দোয়া কবুল হয়।