আসন্ন দোহার উপজেলা চেয়ারম্যান পদে উপ-নির্বাচনে হেভিয়েট ৩ প্রার্থী’র মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। শুক্রবার ঢাকা জেলা রিটার্নিং কার্যালয়ে এই প্রতীক বরাদ্দ করা হয়। এ সময় আওয়ামীলীগ সমর্থিত আলমগীর হোসেন পেয়েছেন আনারস প্রতীক, বিএনপি ও বিএনএ সমর্থিত সিরাজুল ইসলাম ভুলু পেয়েছেন দোয়াত-কলম প্রতীক এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মেহবুব পেয়েছেন মোটর সাইকেল প্রতীক । নির্বাচনী প্রতীক পাওয়ার পর পরই প্রার্থীরা বৃষ্টির মাঝে এলাকায় সীমিত পরিসরে মতবিনিময় ও জন-সংযোগ করেন।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে সালমান এফ রহমান ও ব্যারিস্টার হুদার আত্মীয়রা
ভারতের নেহেরু এবং শাস্ত্রী সরকারের শিক্ষামন্ত্রী প্রয়াত হুমায়ুন কবির। হুমায়ুন কবিরের মেয়ে লায়লা কবিরের স্বামী হচ্ছেন ভারতের প্রখ্যাত রাজনীতিক, বাজপেয়ী সরকারের সাবেক প্রতিরক্ষা, শিল্প ও রেলওয়ে মন্ত্রী জর্জ ফার্নান্দেজ। হুমায়ুন কবিরের এক ভাই হলেন ভারতের প্রখ্যাত শ্রমিক নেতা জাহাঙ্গীর কবির। তার ছেলে আলমাস কবির ছিলেন ভারতের ৩৯তম প্রধান বিচারপতি।
হুমায়ুন কবিরের আরেক ভাই আকবর কবির ছিলেন জিয়াউর রহমান সরকারের তথ্য উপদেষ্টা। আকবর কবিরের মেয়ে হলেন সিগমা হুদা ও খুশী কবির। সিগমা হুদার স্বামী বিএনএ’র সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা।
আবার নাজমুল হুদার সম্পর্কে চাচা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য সালমান এফ রহমান। সালমান এফ রহমান খুব কাছের আত্মীয় বিএনপি’র সালাহউদ্দীন কাদের চৌধুরী এবং আওয়ামীলীগের সাবের হোসেন চৌধুরী। এছাড়া সালমান এফ রহমানের বাবা ফজলুর রহমান ছিলেন কেন্দ্রীয় পাকিস্তানের শিক্ষা ও শিল্প মন্ত্রী।
অপরদিকে কবির পরিবারের আরেক সন্তান ফিরোজ কবির বিয়ে করেছেন রাঙ্গামাটির রাজপরিবারে। রাজা ত্রিদিব রায়ের প্রথম স্ত্রী কালাসোনা চাকমাকে। রাজা ত্রিদিব রায়ের দ্বিতীয় স্ত্রীর সন্তান হলেন ওয়ান ইলেভেন সরকারের উপদেষ্টা চাকমা রাজা ব্যারিস্টার দেবাশীষ রায়।
রাজা দেবাশীষ রায়ের বাবা রাজা ত্রিবিদ রায় মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানের পক্ষ নিয়ে পরে পাকিস্তানে চলে যান। সেখানে আজীবনের সংখ্যালঘুবিষয়ক মন্ত্রী ঘোষিত হন। আর রাজা দেবাশীষ রায়ের দাদি বিনীতা রায় জিয়া সরকারের আমলে উপদেষ্টা ছিলেন।
কবির পরিবারের সন্তান আলমগীর কবির ছিলেন আইজিপি ও কেয়ারটেকার সরকারের উপদেষ্টা। কবির পরিবারের সন্তান দারা কবিরের স্ত্রী হলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আত্মীয়। অন্যদিকে নওগাঁর কবির পরিবারের সন্তান বিএনপি সরকারের প্রতিমন্ত্রী ও বর্তমান এলডিপি নেতা আলমগীর কবির। তার বোন জামাই হলেন একদা বাম নেতা ও পরে আওয়ামী লীগ সরকারের এমপি ওহিদুর রহমান। আলমগীর কবিরের ছোট ভাই আনোয়ার হোসেন বুলু ২০০৮ সালের নির্বাচনে লড়েছেন বিএনপির সমর্থনে।
দোহারের রাজনীতিতে আবারো চাচা – ভাতিজা লড়াই
সারা বাংলাদেশ আবার একটি চাচা – ভাতিজা অর্থাৎ সালমান এফ রহমান ও ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা’র লড়াই দেখার অপেক্ষায়। আসন্ন দোহার উপজেলা নির্বাচনে লড়াইটা জমে উঠেছে বিএনপি – আওয়ামীলিগ ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর মাঝে। খুব কমই এমন প্রতিদ্বন্দিতা পূর্ণ নির্বাচন দেখা যায়।
২০০১ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদীয় আসন ১৭৩ তথা ঢাকা -১ থেকে নির্বাচন করেছিলেন সে সময় বিএনপি প্রার্থী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা ও আওয়ামীলিগ প্রার্থী সালমান এফ রহমান। পুরো দেশের নজর ছিল এই আসনের দিকে।
দোহারের মুকসুদপুর ইউনিয়নের শাইনপুকুরের বেথুয়া গ্রামে পাশাপাশি দুই বাড়িতে বিরোধপূর্ণ এই দুই রাজনৈতিক দলের দুই হেভিয়েট প্রার্থী’র নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সে নির্বাচনে চাচা সালমান এফ রহমানকে ২৭৭১ ভোটের সামান্য ব্যবধানে পরাজিত করেছিলেন ভাতিজা ব্যা. নাজমুল হুদা।
ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ব্যা. নাজমুল হুদা পেয়েছিলেন ৪৮৩৪৭ ভোট এবং নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নৌকা প্রতীকে সালমান এফ রহমান পেয়েছিলেন ৪৫৫৭৬ ভোট । অপর প্রার্থী হারুন–অর–রশীদ লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছিলেন ১১০ ভোট।
কাকরাইলে বাসচাপায় দোহারের দুই যুবক নিহত
নিউজ৩৯♦ রাজধানীর কাকরাইলে রাজমনি ঈশা খাঁ হোটেলের সামনে বাসচাপায় দুই অটোরিকশা আরোহীর মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর আহত হয়েছেন আরেকজন। বৃহস্পতিবার ভোর ৪ টার দিকে রাজমনি ঈশা খাঁ হোটেলের পূর্ব পাশের রাস্তায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত দুই যুবকের বাড়ি দোহারে।
রমনা থানার এস আই তাপস পাল জানান, নিহত রুবেল হোসেন (২৮) তেলের লরি চালাতেন। এই দুর্ঘটনায় তার সহকারী আশিক হোসেনও (২৫) নিহত হয়েছেন। এছাড়া গুরুতর আহত অবস্থায় অটোরিকশা চালক ফিরোজ মিয়াকে (৪০) ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মেডিক্যাল পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মোজাম্মেল হক বলেন, একটি মামলায় সাক্ষ্য দিয়ে কুষ্টিয়া থেকে ফিরছিলেন রুবেল ও আশিক। গাবতলীতে বাস থেকে নেমে তারা অটোরিকশায় করে যাত্রাবাড়ী যাওয়ার পথে কাকরাইলে দুর্ঘটনায় পড়েন। পল্টনের দিক থেকে আসা ইকোনো পরিবহনের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারালে অটোরিকশাটি তার নিচে চাপা পড়ে। এরপর বাসটি পাশের জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো ভবনের দেয়াল ভেঙে ঢুকে পড়ে।
নতুন লোগোতে গুগল
বিরাট এক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে অনলাইনে তথ্য অনুসন্ধানের সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠান গুগল। এরই ধারাবাহিকতায় পরিবর্তন এসেছে গুগলের লোগোতেও। গুগলের ইতিহাসের সন্ধিক্ষণ চলছে এখন।
পরিবর্তনের প্রথমেই গুগল তাদের প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন করে ‘অ্যালফাবেট’ রাখে। এই অ্যালফাবেটের অধীনেই গুগলসহ অন্যান্য উদ্যোগগুলো একেকটি কোম্পানি হিসেবে পরিচালিত হবে বলে গত মাসে ঘোষণা দেন গুগলের প্রধান নির্বাহী ল্যারি পেজ। নাম পরিবর্তনের পর গতকাল মঙ্গলবার লোগো পরিবর্তনের ঘোষণাও দিয়েছে গুগল।
গুগলের হোমপেজ বা নীড় পাতায় গেলে লোগো পরিবর্তনের বিষয়টি চোখে পড়বে। একটি অ্যানিমেটেড ডুডলের মাধ্যমে লোগো পরিবর্তনের বিষয়টি তুলে ধরা হচ্ছে সেখানে। পুরোনো লোগোটি মুছে নতুন লোগোটি ফুটে ওঠার বিষয়টি ডুডলে তুলে ধরা হয়েছে।
১৯৯৯ সালের পর গুগলের লোগোতে এই প্রথম বড় ধরনের পরিবর্তন এল। গুগল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শিগগিরই গুগলের সব সেবা ও পণ্যে নতুন নকশার লোগোটির ব্যবহার দেখা যাবে।
গুগলের এক ব্লগ পোস্টে এই লোগো পরিবর্তন সম্পর্কে বলা হয়েছে, গত ১৭ বছরে গুগলে অনেক পরিবর্তন এসেছে। গুগলের বিভিন্ন পণ্য ও সেবার ক্ষেত্রে সে পরিবর্তন দৃশ্যমান। আজ আবার নতুন করে পরিবর্তন আনা হচ্ছে। গুগলের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম, অ্যাপ ও ডিভাইসের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক যেভাবে গড়ে উঠেছে নতুন নকশার এই লোগোটি সে বিষয়টির প্রতিফলন ঘটেছে। মানুষ যেভাবে গুগল ব্যবহার করে নতুন লোগোটি শুধু সে কথাই বলে না; বরং গুগল মানুষের জন্য যেভাবে কাজ করছে সে বিষয়টিকেও ফুটিয়ে তুলছে।
গুগলের নতুন লোগোটিকে চারটি রঙে রঙিন করে তোলা হয়েছে। এর মধ্যে শুরুর ‘জি’ অক্ষরটিকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে নীল রঙে।
দোহার-নবাবগঞ্জের চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, দুভোর্গে মানুষ
নিউজ৩৯.নেট ♦ দোহার-নবাবগঞ্জের চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, দুভোর্গে মানুষটানা বর্ষণে পদ্মা নদীর অব্যাহত পানি বৃদ্ধিতে ঢাকার দোহারের ৬ ইউনিয়ন ও নবাবগঞ্জ উপজেলার ২ ইউনিয়নের চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছে এ অঞ্চলের অর্ধলক্ষাধিক নিম্ন আয়ের মানুষ। অন্যদিকে, বিশুদ্ধ পানির সংকটে নানান পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে বন্যা কবলিত মানুষ। পানিবন্দী এলাকায় সরকারি-বেসরকারি কোন ত্রাণ আসে নি বলে এলাকাবাসী জানান।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র শ্রীনগরের ভাগ্যকুল রেঞ্জ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘন্টায় পদ্মা নদীর পানিবৃদ্ধি পেয়ে আজ বুধবার সকাল পর্যন্ত বিপদ সীমার ১০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের পূর্বাভাসে দেখা গেছে আগামীকাল বৃহস্পতিবারের পর থেকে পানি আরো ১০-১১ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেতে পারে।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, পদ্মানদীর অব্যাহত পানি বৃদ্ধিতে দোহার-নবাবগঞ্জ-মানিকগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধের বিপরীত অংশের প্রায় ১৩ গ্রামের মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। দোহারের নারিশা জোয়ার, চর বিলাশপুর, কৃষ্ণদেবপুর, কুতুবপুর, কুলছুরি, দেবীনগর, বায়রাচর, চর মাহমুদপুর, চর নারায়ণপুর, হোসেনপুর, সুখদেবপুর, চর কুসুমহাটির কিছু অংশ পানিতে তলিয়ে গেছে। এছাড়া দোহার ও চরভদ্রাসন উপজেলার বিরোধপূর্ণ উত্তর নবাবগঞ্জ এলাকাসহ ৩০ গ্রামের প্রায় সহস্রাধিক পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। পানিবন্দী পরিবার গুলো ঘরের ভিতর মাচান বানিয়ে বসবাস করছে। খরের গাদা ও কচুরিপানার ডিবি বানিয়ে তাতে গবাদিপশু ঠাঁই দিয়েছে।
নবাবগঞ্জ উপজেলার জয়কৃষ্ণপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন জানিয়েছেন, ইউনিয়নের দোহার-নবাবগঞ্জ-মানিকগঞ্জ শহর রক্ষাবাঁধের বিপরীত অংশের কঠুরী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঘোষাইল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, রাজাপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পানিতে ডুবে যাওয়ায় স্কুল বন্ধ রয়েছে। দুর্গত এলাকায় সরকারি-বেসরকারি কোন রকমের ত্রাণ আসে নি।
দোহার উপজেলার নারিশা ইউপি চেয়ারম্যান ডা. আবুল কালাম জানান, ইউনিয়নের ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। আজ বুধবার পর্যন্ত নারিশা পশ্চিমচর ২টি পাঁকা রাস্তা ও একটি ব্রিজসহ শতাধিক বসতভিটা নদীতে বিলীন হয়ে গেছে।
কুসুমহাটি ইউপি চেয়ারম্যান হাফেজ আব্দুল ওয়াহাব দোহারী জানান, তার ইউনিয়নের দেওভোগ, চরকুসুমহাটি, চরপুরুলিয়া, সুন্দরীপাড়া, কার্তিকপুর, চরকুসাই গ্রামের বেড়ীবাঁধের অপর অংশসহ নিমাঞ্চল চরাঞ্চল পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছে সাধারণ মানুষ। এ পর্যন্ত সরকারি কোন সহায়তা আসে নি।
চরকুসুমহাটি গ্রামের কৃষক আব্দুর রাজ্জাক জানান, বাড়ি ঘর ও ক্ষেতের ফসল তলিয়ে গেছে। বিশুদ্ধ পানি ও খাবারের অভাবে স্ত্রী, সন্তান নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছি। তাই বাধ্য হয়ে দুদিন আগে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে স্থানীয় একটি বাড়িতে উঠেছি।
দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের (আরএমও) ডা. জসীম উদ্দিন বলেন, পানিবাহিত রোগী যেমন- ডায়রিয়া বা গোটা, ঘা, পাঁচরা জাতীয় রোগী আসছে তবে নিয়মিত যেমন আসে। তবে প্রতি বছর পানি চলে যাওয়া সাথে সাথে এসব রোগী বৃদ্ধি পায়।
দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুরুল করিম ভূইয়া বলেন, বন্যা দুর্গতদের জন্য ত্রাণ বরাদ্ধ চেয়ে কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
বকুল হত্যা মামলার মুল আসামী গ্রেফতার
দোহারের রাইপাড়া ইউনিয়নে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে খুন হওয়া বকুল হত্যা কান্ডের মূল আসামী রাসেলকে গ্রেফতার করেছে দোহার থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার নিম্ন আদালতে জামিন আবেদন করতে গেলে তাকে গ্রেফতার করে দোহার থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে আদালত। তবে মামলার অন্যতম আসামী রাকিব এখনও পলাতক আছে।
মামলার বর্তমান তদন্তকারী কর্মকর্তা দোহার থানা এস আই শফিকুল ইসলাম সুমন জানান, আসামী নিম্ন আদালতে জামিন আবেদন করলে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করলেও আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে। রিমান্ডে আসামী বকুল প্রত্যক্ষভাবে খুনের সাথে জড়িত থাকার কথা আদালতের কাছে স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে।
যাত্রাবাড়ীতে দোহারের গৃহবধূ খুন: গ্রেপ্তার ১
নিউজ৩৯.নেট ♦ রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে গৃহকর্ত্রী ও গৃহকর্মীকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার দাবি করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো মুঠোফোনের খুদেবার্তায় এ দাবি করা হয়।
দোহারের সুতারপাড়ার কৃতি সন্তান সাবেক পুলিশ সুপার প্রয়াত আবদুল কুদ্দুসের স্ত্রীকে গত মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে অজ্ঞাত দুষ্কৃতকারীরা যাত্রাবাড়ীর কলাপট্টির বাড়িতে ঢুকে রওশন আরা (৬৫) ও তাঁর গৃহকর্মী মোসাম্মৎ কল্পনাকে (১২) গলা কেটে হত্যা করে। এই জোড়া খুনের ঘটনায় গতকাল যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা করেন নিহত গৃহকর্ত্রী রওশন আরার ভাই মোজাম্মেল হোসেন।
পুলিশের খুদেবার্তায় জানানো হয়, যাত্রাবাড়ী থানার পুলিশ ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তির নাম-পরিচয় জানায়নি পুলিশ। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে আজ দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে প্রেস ব্রিফিং করার কথা।
পুলিশের ধারণা, খুনিরা পূর্বপরিচিত। একই ধারণা স্বজনদেরও। স্বজনদের ধারণা, টাকা ও মালামাল লুট করতেই এ হত্যাকাণ্ড।
স্বজনেরা জানান, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে গতকাল দুপুরে রওশন আরার মরদেহ সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের (সিএমএইচ) হিমঘরে রাখা হয়েছে। আজ যুক্তরাষ্ট্র থেকে তার ছেলে আরিফুজ্জামান ও মেয়ে রুবি দেশে ফিরবেন। তারা আসার পর রওশন আরার মরদেহ গ্রামের বাড়ি ঢাকার দোহারে স্বামীর কবরের পাশে দাফন করা হবে। কল্পনার মরদেহ জুরাইন কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
