বান্দুরার মাদক ব্যবসায়ীর কারাদণ্ড

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় বান্দুরা ইউনিয়নের মো. পারভেজ নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে ৬ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৃহস্পতিবার উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল কাদির মিয়ার আদালত এ সাজা প্রদান করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত পারভেজ উপজেলার বান্দুরা ইউনিয়নের মুন্সিনগর গ্রামের অধিবাসী।
নবাবগঞ্জ থানার সহকারী উপপরিদর্শক জয়নাল আবেদিন জানান, বৃহস্পতিবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদক বেচাকেনার সময়ে ৬শ গ্রাম গাঁজাসহ তাকে তার নিজ বাড়ি থেকে আটক করা হয়।

দোহার পৌরসভা (১ম পর্ব): উপসম্পাদকীয়- আব্দুর রহমান আকন্দ

1

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্থানীয় সরকার কাঠামোর অন্যতম শক্তিশালী একটা মাধ্যম হচ্ছে পৌরসভা। সাধারনত প্রতিটি জেলা, জেলা সদর অথবা জেলা সদরের অন্তর্গত অগ্রসর ও স্বাবলম্বী এলাকা আছে অথবা যে সকল উপজেলা অপেক্ষাকৃত উন্নত জনপদ সাধারনত সেইসব এলাকাকে সরকার ইউনিয়ন পরিষদ থেকে পৌরসভায় রুপান্তরিত করা হয়ে থাকে।
একটি পৌরসভা গঠনের জন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়কে অনেকগুলা সুনির্দিষ্ট তথ্য সংগ্রহ করতে হয়। যেমন- ক) জনসংখ্যা, খ) জনসংখ্যার ঘনত্ব, গ)স্থানীয় আয়ের উৎস, ঘ)অকৃষি পেশার শতকরা হার, )এলাকার অর্থনৈতিক গুরুত্বসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য তথ্য বিশ্লেষনের পর সরকারি গেজেটে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনের মাধ্যম যে কোন পল্লী এলাকাকে শহর এলাকা ঘোষনা করা যায়।
২০০৯ এর সর্বশেষ গেজেট অনুযায়ী(২) এর উপধারা ঘোষনা অনুযায়ী তিন চতুর্থাংশ অকৃষি পেশায় নিয়জিত। শতকরা ৩৩ ভাগ ভূমি অকৃষি প্রকৃতির, জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ১ হাজার ৫শ এর কম না। জনসংখ্যা ৫০ হাজারের কম না এমন অনেক উপধারার সমন্বয়ে পৌরসভা গঠিত হয়।
এমনই করে ১৯৯৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান খানের উদ্যোগে ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান হাসেম আলীর সহযোগীতায় জয়পাড়া ইউনিয়ন বিলুপ্ত ও আংশিক রায়পাড়া সহ সুতারপাড়া ইউনিয়নের বৃহৎ অংশ নিয়ে দোহার পৌরসভা(অতীত জয়পাড়া পৌরসভা) গঠিত হয়। যার বর্তমান আয়তন ২১.২১ বর্গ কিলোমিটার। এর জনসংখ্যা ৬০ হাজারের উপরে ও ভোটার সংখ্যা ৪৭ হাজার এবং ১০টি মৌজা নিয়ে এই পৌরসভা গঠিত হয়।
যাই হোক আমি আমার লেখার মূল উদ্দ্যেশে যেতে চাই। দোহার পৌরসভা গঠনের পর ২০০০ সালের মার্চ মাসে প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সেই নির্বাচনে আব্দুর রহিম মিয়া দোহার পৌরসভার প্রথম মেয়র নির্বাচিত হয়। এবং যথা নিয়মে প্রতিটি ওয়ার্ডে একজন করে ওয়ার্ড কমিশনার(পরে কাউন্সিলর)ও নির্বাচিত হয়।
এখন আশ্চর্য বলি আর বাস্তবতা যাই বলি ১৫ বছর আগের পরিষদ আর বর্তমান পরিষদ একই পরিষদ। যদি বলি আইনের সহায়তা নিয়ে বা আইনি জটিলতার আশ্রয়ে এই পরিষদ কাজ করে যাচ্ছে। কেউ কেউ রশিকতা করে বলে থাকেন আইনি জটিলতার অজুহাত নিয়ে এই পরিষদ ইনশায়াল্লাহ পেনশনেও যেতে পারবে। একই পরিষদের ১৫ বছর দোহার পৌরসভা পরিচালনা পৌরবাসীর ন্যায্য চাহিদা ও প্রাপ্তি কতটুকু পুরন হয়েছে তা পৌরবাসীই ভাল বলতে পারবে। তবে এই আলোচনাকে আশা করি ১৫ বছরের পৌরপরিষদের সমালোচনা না ভেবে মনের আকুতি বা অথবা পর্যালোচনা হিসাবে গ্রহন করার উদারতা দেখবেন। তবে ইতিমধ্যে এই পৌরসভা কিছু দালিলিক শর্তাদি পূরন করে সাধারন মানের পৌরসভা থেকে প্রথম শ্রেণীর “ক” মানের পৌরসভাতে রুপান্তরিত হয়েছে।
২০০০ সালে এই পৌরসভা গঠিত হবার পর তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পৌরসভার স্বাভাবিক গঠন ও প্রাথমিক কাজগুলো বেশ ভাল ভাবেই সম্পন্ন হয়েছিল। কিন্তু ২০০১ সালে বিএনপি-জামাত জোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর দোহার পৌরসভার ভাগ্যে বিপর্যয় শুরু হয়। বিএনপি সরকারের সাবেক যোগাযোগ মন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা দোহার পৌরসভার সাথে বিমাতা সুলভ আচরন শুরু করেন। এটা শুধু আমার বক্তব্য নয়, বিএনপি নেতা ও বর্তমান পৌরসভা আব্দুর রহিম মিয়াও বিভিন্ন সভা-সমাবেশে এই কথা বলেছেন।
২০০১ সালে জোট সরকারের যোগাযোগ মন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা দোহারের বিভিন্ন জায়গায় অনেক রাস্তাঘাট করলেও দোহার পৌরসভায় নতুন রাস্তাঘাট তেমন করেন নি। বরং তিনি ক্ষমতায় এসে তার পছন্দের লোকদের ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বানানোর জন্য পৌরসভার সীমানায় অদক্ষ হাতে ছুড়ি চালান। সেই থেকে শুরু আইনি জটিলতার পালা, যার বোঝা আজও বয়ে বেড়াচ্ছে দোহার পৌরসভা।
আব্দুর রহমান আকন্দ
সাধারণ সম্পাদক
দোহার উপজেলা যুবলীগ
সর্বশেষ নির্বাচিত জিএস
জয়পাড়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্র সংসদ ১৯৯৬

নয়নশ্রীতে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ

নবাবগঞ্জে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক নারীকে ধর্ষণ করা হয়েছে। উপজেলার নয়নশ্রী ইউনিয়নে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক নারীকে ধর্ষণ করেছে বখাটে রতন সরকার। তার বাবার নাম আনন্দ সরকার।
এ ঘটনায় থানায় ধর্ষকের বাবাসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা হলেও আসামি ধরছে না পুলিশ। স্থানীয় ক্ষমতাসীনদের প্রভাবে ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা চলছে বলে ভিকটিমের পরিবারের অভিযোগ। সোমবার বিকালে বাড়ির পার্শ্ববর্তী একটি ফাঁকা বাড়িতে নিয়ে ওই নারীকে ধর্ষণ করা হয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নবাবগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক আবুল বাসার বলেন, মামলা হয়েছে। আসামি গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

উপজেলা থেকে বিচ্ছিন্ন নয়নশ্রী

মাত্র দুই কিলোমিটার পাকা রাস্তার অভাবে উপজেলা থেকে বিচ্ছিন্ন ঢাকা-১ আসনের নবাবগঞ্জের ৭ গ্রামবাসী। অবহেলিত এসব গ্রাম হলো- নয়নশ্রী ইউনিয়নের খানেপুর, চক খানেপুর, রাহুতহাটি, রাধাকান্তপুর, শৈল্যা, আবজা নগর ও তুইতাল। এসব এলাকায় ৫০,০০০ লোকের বসবাস।
উপজেলার সব স্বনামধন্য স্কুল- কলেজ, চিকিৎসালয় ও ব্যাংক শাখা গড়ে উঠেছে উপজেলার বান্দুরা ও নবাবগঞ্জে। শিক্ষাদীক্ষায় এই এলাকার বাসিন্দারা বেশ আগ্রহী হলেও যোগাযোগ অবকাঠামোর অভাবে উচ্চশিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত তারা। মাধ্যমিক পাশ করেই ইতি টানে পড়াশুনার।
উপজেলার সঙ্গে এই এলাকাবাসীর যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম খানেপুর- বান্দুরা রাস্তাটি। একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তাটি কাদায় ভরে যায়। এ সময় শিক্ষার্থী ও অসুস্থ রোগীদের কষ্টের সীমা থাকে না। তাই এলাকাবাসীর দাবি বান্দুরা টু খানেপুর পাকা রাস্তা নির্মাণের।
এলাকাবাসী জানান, শিক্ষাদীক্ষায় নয়নশ্রী ইউনিয়নের মধ্যে এসব এলাকা অগ্রগামী। খানেপুরের কৃতী সন্তান মরহুম মো. নবু বেপারী ও মো. সিরাজউদ্দিন কাজল দীর্ঘদিন নয়নশ্রী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন। তাদের আমলেই নির্মিত হয়েছে বর্তমান রাস্তাঘাট। নানা কারণে নয়নশ্রী ইউনিয়নের অন্যসব এলাকার রাস্তাঘাটসহ এলাকার অবকাঠামো উন্নয়ন হলেও অবহেলিত থেকে যায় খানেপুর গ্রাম। রাস্তাঘাট ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের অভাবে ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার এসব গ্রাম এখন উপজেলা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
স্থানীয়রা জানান, প্রাথমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষায় এলাকাগুলো উপজেলার অন্যান্য গ্রামের তুলনায় বেশ এগিয়ে। লেখাপড়ায় বেশ মনোযোগী এ এলাকার শিক্ষার্থীরা। এলাকার বেশিরভাগ পরিবারের সদস্য প্রবাসী। তাই ছেলেমেয়েদের শিক্ষার ব্যাপারে তারা বেশ তৎপর। পিতামাতার আগ্রহে এলাকার প্রায় ছেলেমেয়েই উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় অংশ নিয়ে কৃতিত্বের সঙ্গেই পাস করে। কিন্তু এলাকাটি থেকে কলেজটি খানিকটা দূরে অবস্থিত। হাঁটা ছাড়া অন্য কোন মাধ্যম না থাকায় মেয়েদের উচ্চশিক্ষায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়।
সেবা নিতে এই এলাকার বাসিন্দাদের ২ কিলোমিটার রাস্তা হেঁটে যাওয়ার পর মিলে যানবাহন। বৈরী আবহাওয়ার কারণে শিক্ষার্থীরা কলেজে যেতে পারে না। এর মধ্যে রাতে কেউ অসুস্থ হলে ওই পরিবারের বিপদের সীমা থাকে না। অসহায় হয়ে খাটে করে নিয়ে যেতে হয় বান্দুরা হাসপাতালে। এতে ৫ মিনিটের রাস্তা যেতে সময় লাগে ঘণ্টারও বেশি। অনেক সময় নারীর প্রসব বেদনায় যথাসময়ে ডাক্তারের কাছে নিতে না পেরে পড়ে যায় মৃত্যুঝুকিতে। এলাকার এ সমস্যা সমাধানে গত শুক্রবার খানেপুর বাজারে আয়োজন করে এক মতবিনিময় সভা। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় এমপি অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি। এ সময় তিনি এলাকাবাসীর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বলেন, নয়নশ্রী ইউনিয়নের বান্দুরা ব্রিজ থেকে খানেপুর বাজার হয়ে তুইতাল পর্যন্ত নির্মাণ করা হবে পাকা রাস্তা। ইতিমধ্যে পাকা রাস্তা নির্মাণের দরপত্র আহ্বান প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আগামী ৪/৫ মাসের মধ্যেই কাজ সম্পন্ন হবে বলে এলাকাবাসীকে আশ্বাস দেন তিনি।

গালিমপুরে ডাকাতি, ৩ লাখ টাকার মালামাল লুট

ঢাকার নবাবগঞ্জের গালিমপুর ইউনিয়নের আন্ধারকোঠা গ্রামে আব্দুর রাজ্জাকের বসত বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার দিবাগত গভীর রাতে ঘরের দরজার তালা ভেঙ্গে ডাকাতির করে ডাকাতরা। তারা নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার, জরুরি কাগজপত্রসহ প্রায় ৩ লাখ টাকার মালামাল লুট করেছে বলে পরিবারের দাবি।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বাড়িতে কোনো লোকজন না থাকায় ফাঁকা বাড়ি পেয়ে ডাকাতদল ছাদে উঠে গেটকেটে ঘরে প্রবেশ করে। ঘরে থাকা ৪টি আলমারির তালা ভেঙ্গে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার, জরুরি কাগজপত্রসহ প্রায় ৩ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায় বলে পারিবারটি দাবি করে।
বুধবার নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ খবর পেয়ে সকালে উপ-পরির্দশক (এস.আই) আবুল বাসার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।

মুকসুদপুরে পাগলা কুকুরের কামড়ে শিশুসহ আহত ১০

ঢাকার দোহার উপজেলায় পাগলা কুকুরের কামড়ে শিশুসহ ১০ জনকে কামড়িয়ে আহত করেছে। বুধবার দুপুরে উপজেলার মুকসুদপুর ও সাতভিটা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন- উপজেলার মুকসুদপুর গ্রামের মোসলেমের মেয়ে তাসলি (৩০) হিরন চৌকিদারের দুই ছেলে সোহেল (৪) রনি (৯), মাসুদ রানার তিন ছেলে বাবু (১৪) লিমন(১১)ও সোহেল (৯) সাতভিটা গ্রামের ইসহাক(৪৫)সহ তার দুই ছেলে রনি(২০) কামরুল (১৫) মো.মাসুম (২২)।
এলাকাবাসি জানান,বুধবার সকালে একটি পাগল কুকুর মুকসুদপুর গ্রামের তাসলি নামে এক পথচারীকে কামড়িয়ে জখম করে আহত করে। একই দিনে কুকুর পুনরায় বাকিদেরকে কামড়িয়ে আহত করে। আহতদের উদ্ধার করে ঢাকার মহাখালী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় বাজার ব্যবসায়ী ও স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। মুকসুদপুর ইউনিয়নের এলাকাবাসি জানান, পাগলা কুকুরটি নিধনের জন্য স্থানীয় লোকজনকে নিয়ে চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

দোহার উপজেলার নতুন চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন শপথ নিয়েছেন

দোহার উপজেলা উপনির্বাচনে বিজয়ী চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেন শপথ নিয়েছেন। গতকাল সকাল ১০টায় ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেনকে শপথবাক্য পাঠ করান ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার মো. জিল্লার রহমান।

শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান, দোহার থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম বাবুল, সাধারণ সম্পাদক আলী আহসান খোকন শিকদারসহ থানা আওয়ামী লীগ কমিটির নেতৃবৃন্দসহ যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্চাসেবক লীগ, কৃষক লীগ, শ্রমিক লীগসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীবৃন্দ।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন দোহার থানাধীন ৮ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দ।

মো. আলমগীর হোসেন বেক্সিমকো মিডিয়া লিমিটেডের একজন পরিচালক। পাশাপাশি ‘আনন্দভুবন’ পত্রিকার প্রধান সম্পাদক, সাংবাদিক, কলামিস্ট এবং দোহার থানা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ১৯৬২ সালের ৬ই মার্চ দোহার থানার সুতারপাড়া গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৮৩ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভূ-তত্ত্ব বিভাগে অনার্সসহ বিএসসি এবং ১৯৮৪ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন।

উল্লেখ্য, দোহার উপজেলার চেয়ারম্যান কামরুল হুদার মৃত্যুতে আসনটি শূন্য হওয়ায় ঢাকার দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে ২১শে সেপ্টেম্বর উপনির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আলমগীর হোসেন। তিনি ৫২ হাজার ৭৩২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত সিরাজুল ইসলাম ভুলু পান ১৫ হাজার ৩৮৮ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী মেহবুব পান ১০ হাজার ৬৭৬ ভোট।

দোহার-নবাবগঞ্জের উন্নয়ন প্রকল্পে হাসিনা দৌলার বিরুদ্ধে অভিযোগসমূহ

একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগে নাজেহাল ঢাকা জেলা প্রশাসক হাসিনা দৌলা। একের পর এক দুর্নীতির মামলার কারণে দোহার-নবাবগঞ্জের অন্যতম আলোচিত-সমালোচিত ব্যক্তি হাসিনা দৌলা। দোহার-নবাবগঞ্জে তদন্ত করে দুদক যে সব উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতি হয়েছে বলে প্রমান পেয়েছে তা নিউজ৩৯ এর পাঠকদের জন্য প্রকাশ করা হলো।

দোহার-নবাবগঞ্জে  আর্সেনিকমুক্ত নলকূপ স্থাপন প্রকল্প, নবাবগঞ্জ যন্ত্রাইল কবরস্থান প্রকল্প, নবাবগঞ্জ আধুনিক মার্কেট মেরামত প্রকল্প, ঢাকা জেলার বিভিন্ন সংসদীয় এলাকায় ৫০টি কম্পিউটার সরবরাহ, নবাবগঞ্জ মার্কেট নির্মাণ প্রকল্প, দোহার সুতারপাড়া শামসুল হুদার গাজীরচেক মিনা মোল্লার বাড়ি পর্যন্ত উন্নয়ন প্রকল্প, নবাবগঞ্জ উপজেলার আগলা মাঝপাড়া যুব সংঘ উন্নয়ন প্রকল্প, নবাবগঞ্জ উপজেলা চৌকিঘাটা কবরস্থান উন্নয়ন প্রকল্প, নবাবগঞ্জ তুইতাল মেইন রাস্তা থেকে তুইতাল বাজার পর্যন্ত উন্নয়ন প্রকল্প এবং নবাবগঞ্জ নয়নশ্রী ইউ, বাংলাবাজার থেকে ঘোষপাড়া কালীমন্দির হয়ে উত্তর বাহা রাস্তার ইট সলিং প্রকল্প।

দিনের বেলায়ও জ্বলছে পৌরসভার বাতি

‘যে জন দিবসে মনের হরষে জ্বালায় মোমের বাতি
আশু গৃহে তার দেখিবে না আর
নিশিতে প্রদীপ ভাতি।’

কবির এ পঙক্তির যথার্থতা খুঁজে পাওয়া যায় দোহার পৌরসভা এলাকায়। দিনের বেলায়ও জলছে দোহার পৌরসভার ল্যাম্পপোস্টের বাতি। ফলে অপচয় হচ্ছে বিদ্যুৎতের।

অথচ রাতে লোডশেডিং এর কারণে অন্ধকারে থাকছে পৌরসভার বেশীর ভাগ এলাকা। ফলে বিপাকে পড়ছে সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীরা। অন্ধকারে বাড়ছে চুরি, ছিনতাইয়ের মত ঘটনা। এ বিষয়ে দোহার পৌরসভার সচিব নাসরিন জাহান নিউজ ৩৯-কে জানান, “কিছু কিছু লাইনে সমস্যা আছে এ জন্য দিনের বেলা জ্বলে থাকে বাতিগুলো। আমরা অভিযোগ পাওয়ার সাথে সাথে দ্বায়িত্বপ্র্রাপ্ত লোকদেরকে পাঠিয়ে সেগুলো বন্ধ করিয়ে দেই, আগে এমন অভিযোগ বেশি আসতো এখন কম আসে, আমরা চেষ্টা করছি সবকিছু যাতে সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনা করা যায়।”

নবাবগঞ্জে অচেতন যুবক উদ্ধার

নবাবগঞ্জের আলালপুরে অচেতন অবস্থায় অজ্ঞাত এক যুবক (৩০) কে উদ্ধার করেছে স্থানীরা। মঙ্গলবার রাতে আলালপুরের আঞ্চলিক সড়কের পাশ থেকে ওই যুবককে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

হাসপাতালের চিকিৎসক প্রীতম আরও বলেন, ‘মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১১ টার দিকে সড়কে ওই যুবককে অচেতন অবস্থায় হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। এখনো তার জ্ঞান ফিরেনি। জ্ঞান না ফেরা পর্যন্ত কিছুই বলা যাচ্ছে না। তাকে নেশা জাতীয় কোনো কিছু খাওয়ানো হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা  করা হচ্ছে।’

তার খোঁজে কেউ আসেনি বলে জানান ওই চিকিৎসক।