আজ মওলানা ভাসানীর ৩৯তম মৃত্যুবার্ষিকী

0

আজ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ৩৯তম মৃত্যুবাষিকী। ১৯৭৬ সালের এ দিনে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মওলানা ভাসানী পাকিস্তান ও বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। দেশের খেটে খাওয়া মেহনতি মানুষের কাছে তিনি মজলুম জননেতা হিসেবে পরিচিত।

ভাসানী ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট গঠনের অন্যতম উদ্যোক্তা ছিলেন। আর ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের বিপুল বিজয়ের মাধ্যমে মুসলিম লীগের রাজনীতির কবর রচিত হয়েছিল। দেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে মওলানা ভাসানী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

এ উপলক্ষে বাংলাদেশের ওয়াকার্স পাটি, মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী পরিষদ, বাংলাদেশ ন্যাপ এবং শহীদ আসাদ পরিষদ ও বাংলাদেশ গরীব মুক্তি আন্দোলনসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন নানা কর্মসূচী গ্রহন করেছে।

দেশের বরেণ্য মুক্তিযোদ্ধা, গবেষক, রাজনীতিক, কবি, সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠক এ কর্মসূচীতে অংশ গ্রহন করবেন।

এ উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ ন্যাপ তিনদিন ব্যাপী বিস্তারিত কর্মসূচী গ্রহন করেছে। কর্মসূচীর মধ্যে রয়েছে ঢাকা মহানগর সহ দেশের সকল মহানগরে আলোচনা সভা, মওলানা ভাসানীর মাজার জিয়ারত, রাজধানীর ফটোজার্নালিস্ট এসোসিয়েশন মিলনায়তনে ভাসানীর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন ও স্মরণসভা এবং প্রত্যেক জেলায় জেলায় আলোচনা সভা।

চর লটাখোলায় নসিমন খাদে

0

দোহারের চর লটাখোলায় মৈনট ঘাট থেকে পেয়াজ বোঝাই করে লটাখোলা নতুন বাজারে আসার সময় একটি নসিমন নিয়ন্ত্রন হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। এ সময় আহত হয় নসিমনের চালক রফিকুল ইসলাম (২৫)। সকাল ৭ টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।

এসময় নসিমন চালক রফিকুলের চিৎকার শুনে আশেপাশের লোকজন রফিকুলকে পানি থেকে উদ্ধার করে। এ ঘটনায় তেমন কোন হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও নসিমনে থাকা প্রায় ৫০ হাজার টাকার পেয়াজ নস্ট হয়ে যায়।

দোহারে জামাত শিবিরের ২ নেতাকর্মী গ্রেফতার

0

দোহার থানা পুলিশ ১৬ নভেম্বর রাত ১২ টার দিকে বিশেষ অভিযানে ২ জামাতশিবির নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতরারা হলেন মাগুরা জেলার মাহামুদপুর থানার বক্তাসর গ্রামের আব্দুল বাড়ি মোল্লার ছেলে মো:খলিলুর রহমান (৪৫) এবং অপরজন মাগুরা জেলার মাহামুদপুর থানার খলিলুর রহমানের ছেলে নাজমুল হাসান সাকিব(২১)।

তারা বেশ কিছুদিন যাবত দোহারের মেঘুলা গ্রামের জাহানগিরের বাড়িতে ভাড়া থাকতো। তাদের বিরুদ্ধে দোহার থানায় মামলা করা হয়েছে,মামলা নং ০২ ১৯/১১/১৫ইং, ধারা নং ১৪৩/১৪৭/১৪৯/৪২৭/৩৫৩/৩৩২/১৮৬।

তোফাজ্জল হোসেন কলেজে নবীনবরণ অনুষ্ঠিত

শনিবার দোহার-নবাবগঞ্জ সফর করেন। তিনি সেখানে তোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের আমন্ত্রণে নবীনবরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে  অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির দফতর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সহ সম্পাদক পনিরুজ্জামান তরুণ, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা বেনজীর আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাহবুবুর রহমান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ কৃষকলীগ সভাপতি মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি নাসির উদ্দিন আহমেদ (ঝিলু), সাধারণ সম্পাদক মোঃ জালাল উদ্দিন, নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রাজিবুল আহসান, শিকারীপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আলীমোর রহমান খান পিয়ারা, ডিপিডিসি শ্রমিক লীগ সভাপতি মুজিবুর রহমানসহ অন্যান্যরা।

নবাবগঞ্জের বান্দুরা থেকে শুরু করে শিকারীপাড়া পর্যন্ত প্রায় ৩ থেকে ৪ কিলোমিটার রাস্তার দু’পাশে উক্ত বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা এবং শত শত স্থানীয় লোকজন ফুলের পাপড়ি ছিটিয়ে প্রধান অতিথি ড. আবদুস সোবহান গোলাপকে অভিবাদন জানাতে থাকেন।

আব্দুস সোবহান গোলাম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ মাঠ প্রাঙ্গণে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মাধ্যমে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এরপর কলেজের স্কাউট দল বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে প্রধান অতিথিকে অভিবাদন জানায়। বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের গর্ভণিং বডির পক্ষ থেকে প্রধান অতিথি ড. আবদুস সোবহান গোলাপকে ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

গভর্নিং বডির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা তোজাম্মেল হোসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ মাঠ প্রাঙ্গণে হাজার হাজার লোকজনের সমাগমে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয় এবং অতিথিদের আলোচনা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে নবীনবরণ অনুষ্ঠানটি সমাপ্ত হয়।

নবাবগঞ্জ ও দোহারকে মডেল উপজেলায় উন্নীত করা হবে: সালমা ইসলাম

নবাবগঞ্জ ও দোহারকে মডেল উপজেলায় রূপান্তরিত করা হবে। কোনো ষড়যন্ত্রই উন্নয়ন থামাতে পারবে না। সোমবার দৈনিক যুগান্তর কার্যালয় হলরুমে আয়োজিত জাতীয় পার্টির এক যোগদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি এ কথা বলেন।

সালমা ইসলাম বলেন, জাতীয় পার্টি সন্ত্রাসীদের প্রশ্রয় দেয় না। জাতীয় পার্টি হল মেহনতি মানুষের একমাত্র ভরসা। তাই শান্তির ঠিকানা মানেই জাতীয় পার্টি। সে কারণেই প্রতিনিয়ত বিভিন্ন সংগঠন থেকে হাজার হাজার নেতাকর্মী জাতীয় পার্টির হাতকে শক্তিশালী করতে যোগ দিচ্ছেন। পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এদেশের উন্নয়নের স্থপতি। স্বাধীনতার পর এ দেশের উন্নয়নের একমাত্র দাবিদার জাতীয় পার্টির সরকার।

এতদিন যারা ক্ষমতায় ছিল, তারা জনগণের জন্য কিছু করতে না পারলেও নিজের জন্য অনেক কিছু করতে পেরেছেন। ভাঙা ঘর থেকে অত্যাধুনিক বিলাসবহুল বাড়ি-গাড়ি সবই হয়েছে তাদের। শুধু জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটেনি। আমি যতদিন বেঁচে আছি ততদিন মানুষের সেবা করে যেতে চাই।

নবাবগঞ্জ উপজেলা বিএনপি অর্থবিষয়ক সম্পাদক রিপন মোল্লা শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপির হাতে ফুল দিয়ে জাতীয় পার্টিতে যোগদান করেন। এ সময় জাতীয় পার্টির নয়নশ্রী ইউনিয়নের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।

যোগদানকারী রিপন মোল্লা বলেন, সামনে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন, তার দলের সমর্থন পেলে এবং নয়নশ্রীর জনগণ চাইলে তিনি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। পরে যোগদানকারী নেতাকর্মীরা যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে বিশিষ্ট শিল্পপতি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

আদালত অমান্য করে লটাখোলায় জমি দখলের চেষ্টা

আদালতের নির্দেশকে অমান্য করে দোহারের লটাখোলায় মো: আলী নামের এক ব্যক্তির জমি দখলের চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এব্যাপারে মোঃ আলীর পরিবার দোহার থানায় অভিযোগ করেও কোন প্রতিকার পায় নি বলে অভিযোগ জানিয়েছে। উল্টো পুলিশকে জানানোর পরও দখলকারীরা বিভিন্নভাবে দখলের কাজ চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

মামলার এজাহার সুত্রে জানা যায়, নালিশী সম্পত্তিতে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বসতবাড়িটি যেন জোর পূর্বক কেউ দখল করতে না পারে সেই লক্ষে আদালতে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন মোঃ আলী। আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত গত ৮ অক্টোবর দোহার থানা পুলিশকে একটি প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ প্রদান করেন এবং প্রতিবেদনটি আগামী ১১ জানুয়ারি ২০১৬ এর মাঝে দাখিল করতে বলেন। ফলে এরই মাঝে বিবাদী পক্ষ এলাকার প্রভাবশালীদের নিয়ে জমিটি দখল করার পায়তারা করছে।

গোপালপুরে প্রবাসীর স্ত্রী অপহরণ নাটকের অবসান

অবশেষে গোপালপুরের কুয়েত প্রবাসীর স্ত্রী খাদিজা বেগম অপহরণ নাটকের অবসান ঘটেছে। বেরিয়ে এসেছে পরকীয়া কাহিনী। পুলিশ মোবাইল ‘কল লিস্ট’ এর সূত্র ধরে ঘটনার রহস্য উদঘাটন করে। গত ১১ নভেম্বর ঢাকার নবাবগঞ্জের ‘দেওয়ান ক্লিনিক’ থেকে ঘটনার নায়ক ফারুখ হোসেনকে আটক করে পুলিশ। ফারুককে গ্রেফতারের অভিযানে নেতৃত্ব দেন গোপালপুর থানার ওসি(তদন্ত) তোফাজ্জল হোসেন। মামলার সার্বিক তত্বাবধানে ছিলেন সহকারি পুলিশ সুপার (শিক্ষানবীশ) জিন্না আল মামুন। গোপালপুর থানার ওসি জহিরুল ইসলাম জানান, প্রেমিক ফারুখের বাড়ি বিলডগা গ্রামে। তার বাবার নাম আব্দুল জলিল।

বান্দুরার দেওয়ান ক্লিনিকে চাকরি করা চাকরি করে ফারুকের আটক হওয়ার খবর শুনে উদ্বিগ্ন খাদিজা গত বৃহস্পতিবার ভোরে ঢাকার নবাবগঞ্জের বান্দুরা বাজারের ভাড়াটে বাসা থেকে গোপালপুরের উদ্দেশে রওনা হয়।

বিকেলে সোজা থানায় গিয়ে পুলিশের নিকট আত্ম সমর্পণ করে। এরপর পুলিশের নিকট খাদিজা জানায়, ‘আমি ফারুককে ভালোবাসি। ওকে পাওয়ার জন্য ঘর ছেড়েছি। আমাকে কেউ অপহরণ করে নি’।

এমনকি জিজ্ঞাসাবাদের সময় খাদিজা পুলিশকে বারংবার বলছিলো প্রবাসি স্বামী মফিজকে তালাক দিয়ে সে ফারুককে সে বিয়ে করবে। কাজেই রিমান্ডে এনে ফারুখকে যেন নির্যাতন না করা হয়।

এর আগে পুলিশ ফারুককে গ্রেফতার দেখিয়ে গত বৃহস্পতিবার ১২ নভেম্বর সকালে টাঙ্গাইল আদালতে হাজির করে রিমান্ড প্রার্থনা করে। বিজ্ঞ আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে।

গত শুক্রবার ১৩ নভেম্বর খাদিজাকে আটক দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে ডাক্তারি পরীক্ষা করানো হয়। গত শনিবার আদালতে হাজির করা হলে বিজ্ঞ বিচারক তাকে বাবার হেফাজতে জামিন মঞ্জুর করেন। বাবার দেয়া তথ্য অনুযায়ী খাদিজার বয়স ১৬ এর বেশি নয়।

ওসি জানান, অর্ন্তধানের পর খাদিজা ঢাকার নবাবগঞ্জের বান্দুরা বাজারে একটি ভাড়া বাসায় থাকতো।

খাদিজা নিষিদ্ধ প্রেমের টানের ঘর ছাড়লেও আইনের দৃষ্টিতে অনুকম্পা পাওয়ার সুযোগ পাবে না। মেডিক্যাল পরীক্ষায় ভিক্টিমের বয়স ১৮ এর নিচে হলে অপহরণ ও ধর্ষনের অভিযোগ পোক্ত হতে পারে। এর আগে গত ৩ অক্টোবর খাদিজা হাদিরা গ্রামের বাসিন্দা কুয়েত প্রবাসি স্বামী মফিজ ফকিরের বাড়ি থেকে রহস্যজনকভাবে উধাও হয়।

৫ অক্টোবর তার শ্বাশুড়ি মলিদা বেওয়া পুত্র বধূ নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় গোপালপুর থানায় জিডি দায়ের করেন। খাদিজার বাবা বিলডগা গ্রামের ইউসুফ আলী জ্যাষ্ঠ পুত্র গোলাফ হোসেনের মোবাইলে আসা একটি রহস্যজনক কলের প্রসঙ্গ টেনে অভিযোগ করেন তার কন্যাকে অপহরণ করা হয়েছে।

গত ২৩ অক্টোবর ইউসুফ আলী গোপালপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় হাদিরা পশ্চিম পাড়া গ্রামের মৃত মোজাফফর হোসেনের পুত্র আব্দুল হামিদ, বাজার হাদিরা গ্রামের জামাল হোসেনের পুত্র সুমন হোসেনসহ অজ্ঞাতনামা আরো তিনজনকে আাসামী করা হয়। অভিযোগে বলা হয়, আসামীরা বিবাহের প্রলোভন দেখিযে় ফুঁসলিযে় খাদিজাকে অপহরণ করেছে। এদিকে পুলিশ মোবাইল কল লিস্টের সূত্র ধরে অনুসন্ধানে নামে। মোবাইল কোম্পানির সরবরাহ করা কল লিস্ট যাচাই বাছাই করে ওই নাম্বারে প্রেমিক ফারুকের যোগাযোগ করার সূত্র খুঁজে পায়।

তদন্তকারি দারোগা জানান, ফারুক ও খাদিজা উভয়েই পরকীয়ার টানে এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে স্বেচ্ছায় স্বীকারুক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে।

দোহারে সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার

0

দোহারে সাজাপ্রাপ্ত আসামী ও সিআর মামলার আসামীসহ ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে দোহার থানা পুলিশ।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন দোহারের হরিচন্ডী গ্রামের যুবদল নেতা খলিলুর রহমান, ফুলছড়ি গ্রামের ইব্রাহিম তালুকদার, মধুরখোলা গ্রামের আলমগীর হোসেন, নারিশা খালপাড়ের জামাইয়াত কর্মী নুর ইসলাম, চৈতাপাথর গ্রামের মোজাহার ও দক্ষিন শিমুলিয়ার রফিকুল ইসলাম।

সোমবার দুপুরে তাদের আদালতে চালান করা হয়।

নবাবগঞ্জে খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ

নবাবগঞ্জ উপজেলার বাহ্রা গ্রামে এক প্রীতি ফুটবল ম্যাচকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় ৩ যুবক আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন মো. ফারুক, মো. আলামিন মোল্লা ও মো. রানা।

স্থানীয়রা জানান, শনিবার দুপুরে বাহ্রা গ্রামের মিঠু, মো. আবু বকর, মো. হেলাল রবিউল ও সালামের নেতৃত্বে ৫-৭ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আহতদের ওপর হামলা চালায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

আহতরা জানান, শুক্রবার বিকালে বাহ্রা গ্রামে এক প্রীতি ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করা হয়। খেলার এক পর্যায়ে মনির নামে এক খেলোয়াড়কে কমিটি খেলা থেকে বিরত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। পরবর্তী সময়ে মনির এ সিদ্ধান্ত সঠিক হয়নি বলে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়। পরে মনির তার স্ট্যাটাস ফেসবুক থেকে মুছে ফেলে। মুলত এই খেলোয়ারকে খেলা থেকে বিরত রাখা নিয়েই কথা কাটাকাটি এবং এর পর সংঘর্ষে জড়িয়ে পরে।

এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক মো. বাছির উদ্দিন জানান, আহতদের পক্ষ থেকে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মুকসুদপুরে জমি নিয়ে বিরোধ; দুইভাইকে পিটিয়ে জখম

দোহারের মুকসুদপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে দুই ভাইকে বেধরক পিটিয়েছে প্রতিপক্ষ। বুধবার জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে সাইফুল ইসলাম(৩০) ও তার ছোট ভাই ওয়াহেদুজ্জামানকে(২৪) বেধরক পিটিয়েছে একই গ্রামের আব্দুল মোতালেব(৫৭) ও তার মেয়ের জামাই ব্যবসায়ী আব্দুল আজিজ হিরু মোল্লা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন আহত সাইফুল।

জানা যায়, ঘটনার দিন সাইফুল তার বাড়ির দরজার সামনে একটা সিঁড়ি তৈরি করার কাজ শুরু করে। এতে বাধা প্রদান করে পাশের বাড়ির আব্দুল মোতালেব। সাইফুল তাকে বাধা প্রদানের কারন জানতে চাইলে সেই জায়গাটা নিজের বলে দাবি করেন আব্দুল মোতালেব। এ নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায় আব্দুল মোতালেব ও তার জামাতা আব্দুল আজিজ সাইফুলের পিছন থেকে ইট দিয়ে আঘাত করে। এরপর সাইফুল মাটিতে পরে গেলে তার মাথায় ইট দিয়ে আঘাত করে আব্দুল মোতালেব। এতে সাইফুলের ছোট ভাইকে তাকে বাচাতে এগিয়ে আসলে তাকেও আক্রমন করে আব্দুল মোতালেব ও আব্দুল আজিজ।

গুরুতর অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে তাদের দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায় তাদের স্বজনরা। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ফুলতলা পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।

এদিকে মোতালেবের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করলেও এখনও গ্রেফতার হয় নি কেউ। এদিকে আহত সাইফুল নিউজ৩৯কে বলেন, দুই দিন ধরে তার মা হাজেরা খাতুনকে প্রান নাশের হুমকি দেয়া হচ্ছে। এঘটনায় সাইফুলের পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।