নবাবগঞ্জে কবি কায়কোবাদের জন্ম জয়ন্তী পালিত

নবাবগঞ্জ উপজেলায় মহাকবি কায়কোবাদের ১৫৮তম জন্ম জয়ন্তী উদযাপিত হয়েছে।  বৃহস্পতিবার মহাকবি কায়কোবাদ সাহিত্য সংঘের উদ্যোগে উপজেলা চত্তরে আলোচনা অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে কবির জন্ম জয়ন্তী উদযাপিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কায়কোবাদ সাহিত্য সংঘের সভাপতি আব্দুল মুহিত দুলু। এছাড়া বাংলাদেশ লেখক পরিষদ জানিয়েছে তাঁর কর্মের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি ও তাঁর রুহের মাগফেরাত কামনা করেছে।

‘মহাশশ্মান’ প্রণেতা মহাকবি কায়কোবাদের ১৫৯তম জন্ম বার্ষিকী ছিল গতকাল বৃহস্পতিবার। ১৮৫৭ খ্রি: ২৫ ফেব্রুয়ারি আজকের এই দিনে ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার আগলা পূর্বপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৫১ সালে ২১ জুলাই বার্ধক্য জনিত কারণে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন। পুরাতন আজিমপুর কবরস্থানে তাঁর সমাধি হয়।

কবি কায়কোবাদ ১৯০৪ সালে অমর কাব্য গ্রন্থ মহাশশ্মান লিখে মহাকবি উপাধিতে ভূষিত হয়েছিলেন।

‘কে ঐ শোনালো মোরে আযানের ধ্বনি, মর্মে মর্মে সেই সুর, বাজিলো কি সুমধুৃর, আকুল হইলো প্রাণ, নাচিলো ধ্বমনি। কি-মধুর আযানের ধ্বণি’। এই রূপ অসংখ্য কবিতাসহ আধুনিক শুদ্ধ বাংলায় গীতিকাব্য, কাহিনী কাব্য, কাব্য উপন্যাস রচনা করে গেছেন তিনি।

তিনি ছিলেন খাঁটি বাঙালি এবং মুসলমান। ১৮৫৭ থেকে ১৯৫১ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ৯৪ বৎসর পর্যন্ত তিনি এই পৃথিবীর মাঝে বেঁচে থাকেন। জীবনের সুদীর্ঘ ৮২ বছরই তিনি বাংলা সাহিত্য নিয়ে চর্চা করেছেন।

কবির প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ গুলো, মাত্র ১২ বৎসর বয়সে প্রথম কাব্যগ্রন্থ বিরহ বিলাপ প্রকাশিত হয় ১৮৭০ সালে। দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ কুসুম কাননে, প্রকাশিত হয় ১৮৭৩ সালে। এ দুটি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশের পর পরই তিনি কবি হিসেবে সুপরিচিতি লাভ করেন। ১৮৯৬ সালে প্রকাশিত হয় তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ অশ্রুমালা। এ অশ্রুমালা প্রকাশের পর থেকেই কায়কোবাদ সাহিত্য সমাজে প্রতিষ্ঠিত হন। কবি নবীন চন্দ্র সেন, সম্পাদক বঙ্গবাসী, ঢাকা গেজেট ও কলকাতা গেজেট অশ্রুমালায় ভূয়সী প্রশংসা করেন।

১৯০৪ সালে প্রকাশিত হয় কবির অমর কাব্য মহাকাব্যগ্রন্থ মহাশ্মশন, যা পানি পথের তৃতীয় যুদ্ধের ঐতিহাসিক ঘটনা অবলম্বনে রচিত। তার শ্রেষ্ঠ রচনায় মহাকাব্য মহাশশ্মান। এ কাব্যগ্রন্থ মহাশশ্মান রচনার মধ্য দিয়ে কবি তার অসাধারণ, নিষ্ঠা, সাধনা ও বড় মনের পরিচয় দিয়েছেন। পানি পথের এ যুদ্ধে মারাঠা শক্তি যদিও মুসলমানদের হাতে পরাজয় ঘটে কিন্তু প্রকৃত পে ভারতে হিন্দু-মুসলিম উভয় শক্তি দু’টিই দুর্বল হয়ে পড়ে। ফলে ভারত বর্ষে ইংরেজদের আগমন ও আধিপত্য বিস্তার হয়। পুনঃরায় কিভাবে ভারতের স্বাধীনতা ফিরে আসতে পারে তারই বৈশিষ্ট বহন করে কবির মহাকাব্য মহাশশ্মানে।

এরপর তিনি শিব মন্দির, অমিয় ধারা, মহরম শরীফ বা আত্ম বিসর্জন কাব্য, শশ্মান ভষ্ম তার জীবদ্দশায় এ সকল গ্রন্থ প্রকাশ হয়ে থাকে। কবির মৃত্যুর পর প্রকাশ হয় প্রেমের ফুল, প্রেমের রানী, প্রেম পারিজাত, মন্দাকিনি ধারা ও গাউছ পাকের প্রেমের কুঞ্জ। এমনিভাবে কবির মোট ১৩টি কাব্যগ্রন্থ বাংলা সাহিত্যে উপহার রেখে গেছেন।

কথিত আছে, ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধের পর কবির বেশ কিছু পান্ডুলিপি তার বংশধরদের মধ্য থেকে হাতছাড়া হয়ে যায়। তা আর ফিরে পাওয়া সম্ভব হয়নি। ফিরে পাওয়া গেলে হয়তো বা নিশ্চয়ই বাংলা সাহিত্যের জন্য বাংলা ভাষাভাষী বাঙালী জাতির জন্য অনেক উপকারে আসত।

“কলাকোপা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছে আওয়ামীলীগ”

নবাবগঞ্জ থানার অধীনে কলাকোপা ইউনিয়ন একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ সমৃদ্ধ ইউনিয়ন। নবাবগঞ্জের সকল প্রসাশনিক ভবন, সরকারি কার্যালয়সহ সকল উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এই কলাকোপা ইউনিয়নের আওতায়।
বিগত ২৫ বছর যাবত কলাকোপা ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী জনাব তৈয়ব আহমেদ। স্থানীয় সুত্রে জানা যায় বিগত সময়গুলোতে কলাকোপা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে যোগ্য প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার মত প্রার্থী ছিলোনা, ফলে সহজ ভাবেই জয়লাভ করে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন তৈয়ব আহমেদ। তবে গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কলাকোপা ইউনিয়নের জনসাধারণের সমর্থনে আওয়ামীলীগ থেকে প্রথমবার নির্বাচনে অংশগ্রহন করেন নবাবগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি জনাব ইব্রাহিম খলিল। স্থানীয়দের মুখে জানা যায়, আওয়ামীলীগ সমর্থিত সুযোগ্য প্রার্থী ইব্রাহীম খলিল ও বিএনপি সমর্থিত তৈয়ব আহমেদের মধ্যে তুমুল ভোটযুদ্ধ হয় এবং দুর্ভাগ্যবশত খুব সামান্য ভোটের ব্যবধানে ইব্রাহীম খলিল পরাজিত হয়। তবে এবছর বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান তৈয়ব আহমেদ আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশগ্রহন না করার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান।

নবাবগঞ্জে বালিকার আত্মহত্যা

0

আবারও আস্বাভাবিক মৃত্যু। ঝরে গেলো একটি মানব সম্পদ।  ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় মিম আক্তার (১০) নামের তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার সকালে উপজেলার বান্দুরা ইউনিয়নের পুরাতন বান্দুরা গ্রামের আলাউদ্দিনের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মিম আক্তার জয়পুরহাট জেলার জয়পুরহাট উপজেলার ভাদশা গ্রামের আতাহার আলীর মেয়ে। তারা ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার পুরাতন বান্দুরা গ্রামে আলাউদ্দিনের বাড়িতে ভাড়া থাকেন।

নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকালে মিমের বাড়ির লোকজন সকালের কাজকর্মে ব্যস্ত থাকায় মিম আক্তার বাড়ির কাউকে কিছু না জানিয়ে ঘরের আড়ার সঙ্গে ওরনা পেঁচিয়ে ফাঁসি দেয়। মিমের বড় বোন ঘরে ফিরে আড়ার সঙ্গে মিমকে ঝুলতে দেখে চিৎকার করে। পরে চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে মিমকে উদ্ধার করে উপজেলার বান্দুরা দেউয়ান ক্লিনিকে নিয়ে গেলে সেখানকার চিকিৎসক তার অবস্থা গুরুত্বর দেখে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পাঠান। পরে সেখানকার চিকিৎসক মিমকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পরে নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মিমের মৃতদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে নিহতের বাবা আতাহার আলী নিউজ৩৯কে  বলেন, ‘আমার মেয়ের সঙ্গে কারো কোনো রকমের অভিমান বা ঝগড়া ছিল না। কী কারণে এ ঘটনা ঘটল তা আমরা কেউ বলতে পারছি না।’

নবাবগঞ্জ থানার তদন্ত কর্মকর্তা লাশ উদ্ধারের কথা স্বীকার করে বলেন, ‘লাশের গলায় ওড়না পেচানোর কালো দাগ রয়েছে। বুধবার দুপুরে ময়না তদন্তের জন্য স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’

মানুষ কেন আত্মহত্যা করে? এ বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানের শিক্ষার্থী আসিফ সজল নিউজ৩৯কে বলেন, মানুষের আত্মহত্যার কারন ও বড় অদ্ভূত। যেমন একটা সময় যখন আমি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তাম, কোন অবসন্ন দুপুরে ঘুম থেকে উঠার পর এতটাই নস্টালজিক অনুভূতি লাগত, ইচ্ছা করত সুইসাইডকরি বা সারারাত জেগে থাকার পর ভোর বেলা মনে হত আত্মহত্যা করি। এই অনুভূতি কেন হতআজো ও খুঁজে পেলাম না।

কেউ স্মৃতিকাতরতায় আত্মুহত্যা করে, কেউ প্রতারিত হয়ে করে, কেউ বা অনেক ঐশ্বর্য আর বিলাস বহুল জীবনে থেকে ও করে, অনেকে ইনসোমনিয়ায় ভুগে করে, সম্পর্ক ভেঙ্গে গেলে আত্মহত্যার প্রবনতা অহরহ, কেউ মরে যাওয়াটাকে অধিকার ও মনে করে কি অদ্ভূত মানসিক অনুভূতি, কেউ দেশের জন্য-কেউ ধর্মের জন্য জীবন উৎস্বর্গ করে আত্মহত্যা করে, কেউ সাইকোল্লজিক্যাল ডিসঅর্ডার থেকে করে, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র থেকে করে, সামাজিক সংহতি কমে বিচ্ছিনতা বেড়ে গেলে করে, আর্থ-সামাজিক কারনে করে, নিজেরসম্মান-সম্ভ্রমের ভয়ে করে। আত্মহত্যার এই বিচিত্র অনুভুতির মত আরেকটা আইডেন্টিকালব্যাপার হল-আত্মহত্যার নানাবিধ উপায়। কেউ রেল লাইনে শরীরটা বিলিয়ে দেয়, কেউ গলায় দড়ি ঝুলায়, কেউ হারপিক খায়, ঘমের ওষুধ খায়, হাতের শিরা-উপশিরা ব্লেড দিয়ে কেটে ফেলে, ছাদ থেকে লাফ দেয়, বন্দুকের গুলি ঠেকিয়ে আত্মহত্যা করে, আগুনে ঝাঁপ দেয়, এই সবই মানুষ করতে পারে কারণ বেঁচে থাকার অনুভূতি হারিয়ে গেলে কার্যত সেই মানুষ মরেই যায়,আত্মহত্যা করে সে তার জীবনাবসানের আনুষ্টানিকতা সম্পন্ন করে মাত্র। বিখ্যাত মানুষদের মধ্যে এই প্রবনতা আরো বেশী। সাধারন মানুষের তুলনায় চিন্তাশীল মানুষ যেমন-কবি, সাহিত্যিক, অভিনেতা, দার্শনিক, রাজনীতিবিদ এই শ্রেনীর মানুষেরা সবচেয়ে বেশী আত্মহত্যা করে। এই সপ্তাহেই দেশে জনৈক গায়িকা আর বিদেশে বিখ্যাত কমেডিয়ান রবিন ঊইলিয়ামসের আত্মহত্যাই তার বড় প্রমাণ। কাকে পাবেন না আপনি এই তালিকায়- জীবনানন্দ, ভ্যানগঘ, আর্নেস্ট হেমিঙ্গওয়ে, ক্লিওপেট্রা, ভার্জিনিয়া উলফ, মেরিলিন মনেরো, সিল্ভিয়া প্লাথ, ইউকো মিশিমা, ভ্লাদিমির মায়াকোভস্কি, এ্যাডলফ হিটলার, টনি স্কট, কার্ট কোবেই, কত প্রিয় মানুষজন এই তালিকায় আছেন ভাবলেই অবাক লাগে।

আত্মহত্যা নিয়ে সবচেয়ে ভাল লেগেছে ফরাসী দার্শনিক ও সমাজতাত্বিক এমিল ডুর্কাইমের ‘দ্যসুইসাইড’ (১৮৯৭) বইটি। এই বইয়ে ডুর্কাইম প্রায় ১৭,০০০ আত্মহত্যা নিয়ে গবেষণা করে একটা বিষয় প্রতিষ্টা করতে চেয়েছেন সেটা হল-‘আত্মহত্যা কোন মানসিক ঘটনা নয় এটা একটা সামাজিক ঘটনা’।আত্মহত্যার কারণ আগে সামাজিক পরে মানসিক। তিনি আত্মহত্যাকে চিহ্নিত করেছেন একটা সামাজিক ফ্যাক্ট হিসাবে।

আসন্ন ইউপি নির্বাচনঃ নবাবগঞ্জে প্রচারণায় ব্যস্ত সম্ভাব্য প্রার্থীরা

0

সংসদীয় আসন ঢাকা-১ বলে পরিচিত নবাবগঞ্জে নির্বাচনের দিনক্ষণ ঠিক না হলেও নবাবগঞ্জ উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সম্ভাব্য প্রার্থীরা প্রচারণায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। বসে নেই সংরক্ষিত আসনে মহিলা প্রার্থীরাও। বর্তমান ও সাবেক চেয়ারম্যান প্রার্থীদের পাশাপাশি প্রার্থী তালিকায় রয়েছে এক ঝাঁক নতুন মুখ। সবচেয়ে বেশি সক্রিয় রয়েছে তরুণ প্রার্থীরা।

নির্বাচনে নবাবগঞ্জ সদর কলাকোপা ইউনিয়ন থেকেই সম্ভাব্য ৬ প্রার্থীকে মাঠে প্রচারণা চালাতে দেখা যাচ্ছে। তবে ৪০ বছরের পুরনো চেয়ারম্যান  তৈয়ব আহম্মেদ এবার এই ইউনিয়নে প্রার্থিতা না করায় গতবার মাত্র ২১২ ভোটে ফেল করা প্রার্থী আলহাজ্ব মো. ইব্রাহীম খলিল এবার আলোচনায় অনেকটাই এগিয়ে থাকছেন ভোটারদের কাছে। এছাড়াও মাঠে রয়েছে আ’লীগ সমর্থিত আরো দুই প্রার্থী। তারা হলেন সাবেক ঢাকা জেলা ছাত্রলীগ নেতা মীর আরিফ হোসেন, তরুণ প্রার্থী সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নেতা ও দোহার-নবাবগঞ্জ কলেজের সাবেক ভিপি ওয়াহিদুজ্জামান রনি।

কলাকোপায় বিএনপিতেও রয়েছেন একাধিক প্রার্থী। তারা হলেন সাবেক ছাত্রদল নেতা বর্তমান বিএনপি নেতা মহসিন আহেমদ তুষার। সাবেক যুবদল নেতা এবং বর্তমান বিএনপি নেতা মহসিন উদ্দিন পলাশ এবং মামুন খানকে মাঠে দেখা যাচ্ছে।

শিকারীপাড়া ইউপিতে নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসাবে বর্তমান চেয়ারম্যান ও আ’লীগ সমর্থিত প্রার্থী হিসাবে আলীমোর রহমান খান পিয়ারা, মোজাম্মেল হক টিপু এবং আব্দুস সালামের নাম শোনা যাচ্ছে।

অপরদিকে বিএনপি’র একক প্রার্থী হিসাবে প্রচারণায় রয়েছেন আব্দুল জব্বার। জয়কৃষ্ণপুর ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান ও আ’লীগ সমর্থিত প্রার্থী মো. মোতাহার হোসেন, আবুল হোসেন, আকমল হোসেন এবং ফরিদ হোসেনকে মাঠে দেখা যাচ্ছে তবে এই ইউনিয়নে বিএনপি’র কোনো প্রার্থীকে এখনো প্রচারণায় দেখা যাচ্ছে না।

বারুয়াখালীতে আ’লীগের মো. রওশন আলী, মোশারফ মোল্লা ও ইঞ্জিনিয়ার আরিফ শিকদার এবং বিএনপি’র বর্তমান চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল-মামুন এবং আলহাজ্ব রজ্জব মোল্লা। অপরদিকে জাতীয় পার্টিতে রয়েছেন একজন প্রার্থী রুবেল মোল্লা।

বান্দুরা ইউনিয়নে আ’লীগের নাছির উদ্দিন পান্নু, দেওয়ান মুসলেম, শামসুল হক ও নাছির উদ্দিন। তবে এখানে বর্তমান চেয়ারম্যান এবং বিএনপি’র সমর্থিত হিল্লাল মিয়া ছাড়া অন্য কাউকে প্রচার-প্রচারণায় দেখা যাচ্ছে না।

নয়নশ্রীতে আ’লীগ থেকে বর্তমান চেয়ারম্যান পলাশ চৌধুরী, হাবিবুর রহমান হাবিব, অ্যাডভোকেট নান্নু ও ড. অমল চন্দ্র শীল। বিএনপি’র হাবিবুর রহমান খান পান্নু এবং মো. হাবিব। জাতীয় পার্টির রিপন মোল্লা, মাসুদ মোল্লা এবং তরুণ প্রার্থী সোহেল তালুকদার।

পার্শ্ববর্তী যন্ত্রাইল ইউনিয়নে আ’লীগ থেকে বর্তমান চেয়ারম্যান নন্দ লাল সিং, নবাবগঞ্জ উপজেলার আ’লীগের সভাপতি নাছির উদ্দিন আহম্মেদ ঝিলুর ভাগ্নে মনিরুজ্জামান (তুহিন), আশিকুজ্জামান হিরন, সাবেক চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান মনির এবং আবুল কালাম আজাদ। এ ইউনিয়নে বিএনপি’র কোনো প্রার্থীকে এখনো প্রচারণায় দেখা যায়নি।

শোল্লা ইউনিয়নে আ’লীগ থেকে বর্তমান চেয়ারম্যান ফজলুল হক ফজল, মো. দেলোয়ার হোসেন খান, মিজানুর রহমান কিসমন, তরুণ প্রার্থী দেওয়ান তুহিন রহমান, দেওয়ান আব্দুল আওয়াল, কুতুব উদ্দিন চুন্নু, মো. আব্দুল কায়েম, বিএনপি থেকে নাসির আহসান পলাশ এবং পবন মাহমুদ।

কৈলাইল ইউনিয়নেও আ’লীগ থেকে নাছির উদ্দিন আহম্মেদ, আজাহার আহম্মেদ বাবুল, আব্দুল হক, মো. পান্নু, হুমায়ুন কবির এবং বশির মিয়া। বিএনপি’র এম রশিদ ও হুমায়ুন মোল্লা।

বক্সনগর ইউনিয়নে আ’লীগের প্রার্থী হিসাবে মাঠে প্রচারণায় রয়েছেন আব্দুল ওয়াদুদ মিয়া, জাহাঙ্গীর সিকদার, মো. শের আলী, বিএনপি প্রার্থী হিসাবে বর্তমান চেয়ারম্যান এরশাদ আল-মামুন ছাড়া আর কাউকে মাঠে দেখা যাচ্ছে না। তবে জাতীয় পার্টির মো. মোরাদ মিয়া এবং আবুল হোসেন প্রচারণায় রয়েছেন। আগলা ইউনিয়নে আ’লীগ ও বিএনপি’র রয়েছে একজন করে প্রার্থী তারা হলেন আ’লীগের সুরুজ খান এবং বিএনপি’র সমর্থিত এবং বর্তমান চেয়ারম্যান আবেদ হোসেন।

গালিমপুর ইউনিয়নে আবার আ’লীগের রেজাউর রহমান রেজা, আজিজুর রহমান ভুঁইয়া, লুত্ফর বেপারী। তবে বিএনপি’র একক প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান তপন মোল্লা।

চূড়াইন ইউনিয়নে আ’লীগের আব্দুল জব্বার ভুঁইয়া, আব্দুল বাসেত মিয়া, হাজী মো. জাহাঙ্গীর মোল্লা এবং উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এসএম সাইফুল ইসলাম। অপরদিকে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা হলেন বর্তমান চেয়ারম্যান আবু সাঈদ, হাজী ইউসুফ আলী খান এবং আব্দুল আলীম সিকদার।

দোহার-নবাবগঞ্জে ২০১৬ সালে ব্যাপক উন্নয়ন কার্যক্রম

স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, বাংলাদেশের ৩০০টি নির্বাচনী আসনে পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশনের জন্য একটি প্রকল্প প্রণয়ন করা হয়েছে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে ঢাকা জেলার দোহার-নবাবগঞ্জ উপজেলায় গভীর নলকূপ সরবরাহ করা হবে।
বেগম পিনু খানের (মহিলা আসন-২৩) সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, স্থানীয় সরকার বিভাগের এলজিইডি’র বিভিন্ন পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের চলতি অর্থ বছরে ঢাকা জেলা দোহার-নবাবগঞ্জ উপজেলায় ২ দশমিক ৬৯ কিলোমিটার সড়ক উন্নয়ন ২৩ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ এবং ১টি বাজার উন্নয়ন কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।
এছাড়া নবাবগঞ্জ উপজেলায় ২৬ কিলোমিটার সড়ক উন্নয়ন ২৯ দশমিক ১৩ কিলোমিটার সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ ১৩৫ দশমিক ১৫ মিটার ব্রিজ/কালভার্ট নির্মাণ এবং ১টি বাজার উন্নয়ন কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে বলেও মন্ত্রী জানান।

যুব সমাজের উদ্যোগে মুকসুদপুরে ওয়াজ অনুষ্ঠিত

“ধর্মীয় অনুশাসন মানলে হবে সুখী জীবন” এই স্লোগানকে সামনে রেখে সমাজসেবা মূলক যুব সংগঠন  “মহামানিকা যুব উন্নয়ন কমিটি” এর উদ্যোগে মুকসুদপুরে অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো “বিশাল ওয়াজ ও দোয়া মাহফিল-২০১৬”।  মাহফিলের শুরুতে কোর’আন তেলাওয়াত এবং ইসলামিক সংগীত প্রতিযোগিতার আয়োজন ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

কমিটির সভাপতি প্রধান অতিথিকে ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদান করেন এবং কমিটির অন্যন্য সদস্যগণ বিশেষ অতিথিদেরকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে দোহার উপজেলা চেয়ারম্যান জনাব আলমগীর হোসেন বলেন- মানুষ আজ ইসলাম থেকে দূরে সরে গেছে, ধর্মীয় রীতিনীতি ভুলে গিয়ে যুব সমাজ আজ মাদকের পিছনে ছুটছে এবং নেশাগ্রস্থ হয়ে পড়ছে, এদেরকে রক্ষা করার দায়িত্ব শুধু প্রশাসনের নয়, আপনাদের সকলের। এসময় দোহারের উন্নয়নে তার গৃহীত পরিকল্পনা গুলো উপস্থিতির সামনে তুলে ধরেন এবং মাহফিলের আয়োজন করার জন্য মহামানিকা যুব উন্নয়ন কমিটির সকল সদস্যকে ধন্যবাদ দেন।

মাহফিলের অন্যতম আকর্ষণ ছিল শিল্পী আবু বকর সিদ্দিকের ইসলামিক সংগীতের সুমধুর পরিবেশনা, এছাড়াও ফ্রি ব্লাড গ্রুপ পরীক্ষা সবার মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে। মাহফিলে প্রধান বক্তা মাওলানা শিহাবুল ইসলাম (নোমানী) সহ অন্যান্য উলামায়ে কেরামগণ তাশরিফ আনেন। সভাপতিত্ত্ব করেন মাওলানা মোহাম্মদ আলী, উপস্থাপনায় ছিলেন শুভাকাঙ্খী জসিমউদ্দিন হাওলাদার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অত্র ইউয়িন পরিষদের চেয়্যারম্যান হাজী আব্দুল হালিম, অত্র এলাকার সমাজ সেবক জনাব তৈয়ব আলী (মানিক) খান, অন্যান্য অতিথিবৃন্দসহ কমিটির উপদেষ্টাগণ।

সাভারে গৃহবধূ খুন, নবাবগঞ্জের কৃষি অফিসার আটক

সাভারে রিমা আক্তার নামে এক (২৩) গৃহবধূকে হত্যার করেছে পাষণ্ড স্বামী। ঘটনার পর থেকে ওই গৃহবধূর স্বামী পলাতক রয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাড়ির মালিক ও ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার উপ-সহকারী কৃষি অফিসার আব্দুল মান্নানকে আটক করেছে পুলিশ।

শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে সাভারের কলমা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।এ বিষয়ে সাভার মডেল থানার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রাসেল শেখ জানান, পোশাক শ্রমিক রিমা আক্তার ও তার স্বামী আনিসুজ্জামান স্বামী গত ১ জানুয়ারি উপ-সহকারী কৃষি অফিসার আব্দুল মান্নানের কলমা এলাকার চারতলা বাড়ির একটি কক্ষ ভাড়া নেয়। এর কয়েকদিন পাষণ্ড স্বামী তার স্ত্রীকে হত্যার পর ওই কক্ষের বাথরুমের উপরে সানসেটের মধ্যে লাশটি রেখে ফ্লাটের মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে পালিয়ে যায়।

এদিকে শুক্রবার সন্ধ্যায় ওই ফ্লাটের চারতলার খালি থাকা অপর একটি কক্ষ ভাড়া নেন এক ব্যক্তি। এসময় ওই কক্ষের ভেতর থেকে প্রচণ্ড দুর্গন্ধ বের হতে থাকলে তারা থানায় খবর দেয়। পরে সাভার থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে কক্ষের তালা ভেঙ্গে বাথরুমের সানসেটের উপর থেকে ওই গৃহবধূর মৃতদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

এছাড়াও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নবাবগঞ্জ উপজেলার উপ-সহকারী কৃষি অফিসার ও বাড়ির মালিক আব্দুল মান্নানকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

তবে নিহত রিমা আক্তার ও স্বামী আনিজুজ্জামানের নাম ছাড়া আর কোন বিস্তারিত কোন পরিচয় জানাতে পারেনি পুলিশ।

এব্যাপারে সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুজ্জামান মিয়া জানান, নিহতের লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এঘটনায় সাভার মডেল থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তিনি।

দোহারে দুস্থদের মাঝে সোনালী ব্যাংকের কম্বল বিতরণ

ঢাকার দোহার উপজেলায় শতাধিক অসহায় ও দুস্থ শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করে সোনালী ব্যাংক জয়পাড়া শাখা। সোমবার সকাল ১১টায় উপজেলার সোনালী ব্যাংক জয়পাড়া শাখায় এ কম্বল বিতরণ করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেনারেল ম্যানেজারস অফিস, ঢাকা-১ এর জেনারেল ম্যানেজার আমিন উদ্দিন আহম্মদ, প্রিন্সিপাল অফিস সদরঘাট ঢাকা এর ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. নুরুল ইসলাম, ব্যাংকের জয়পাড়া শাখা ব্যাবস্থাপক সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, পালামগঞ্জ শাখা ব্যাবস্থাপক মো. শামসুল আলম, ব্যাংকের কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম, মো. মফিজুর রহমান, মো. শফিউর রহমান তোতা, মো. জাকির হোসেন প্রমূখ।

শিক্ষক গোবিন্দ এর জন্য ৩ দিনের শোক কর্মসূচী পালন

ঢাকার দোহারে ট্রাক-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে পিষ্ট হয়ে মোটরসাইকেল আরোহী গোবিন্দ পাল নামে এক স্কুল শিক্ষক নিহতের  ঘটনায় ৩ দিনের শোক কর্মসূচী পালন করছে সুন্দরীপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার সুন্দরীপাড়া হাই স্কুলের মাঠে এ মেধাবী শিক্ষক ও জনপ্রিয় বিএসসি শিক্ষককে হারিয়ে শোকবিহবল বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষার্থী পরিচালনা পরিষদ। এসময় মাঠে উপস্থিত বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কালো ব্যাচ ধারন করে এ শিক্ষককে স্মরণ করে ও শোক সন্তুপ্ত পরিবারের কল্যান কামনা করে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

উল্লেখ্য সোমবার সকালে জয়পাড়া থেকে মোটরসাইকেল যোগে নিজ কর্মস্থলে সুন্দরীপাড়া হাই স্কুলে যাওয়ার পথে ঢাকা দোহার আন্তজেলা সড়কের বাঁশতলা মোড় এলাকায় পৌঁছলে বিপরীতমুখী একটি ট্রাকের সাথে পিষ্ট হয়ে এ গণিত (বিএসসি) শিক্ষক আহত হয়। পরে দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।

সাতক্ষীরায় স্কেবেটর মেশিনের চাপায় দোহারের শ্রমিক নিহত

0

সাতক্ষীরার তালা উপজেলাধিন জালালপুর ইউনিয়নের জেঠুয়া বাজার সংলগ্ন কপোতাক্ষ নদ খননের সময় স্কেবেটর মেশিনের মাটির তলায় চাপা পড়ে মিজানুর রহমান (২৪) নামে এক শ্রমিক নিহত হয়েছে। সোমবার রাত ৮টায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মিজানুর রহমান দোহার গ্রামের আসাদুল শেখের ছেলে।

তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিহতের খবর নিশ্চিত করে জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশকে পাঠানো হয়েছে। লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হবে বলে তিনি জানান।