স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, শিয়া মসজিদে হামলা, পুরোহিত হত্যা, খৃস্টান ধর্মযাজক হত্যার চেষ্টা কারা করেছে। আইএস কোথায়? আমরা দেখতে চাই। আসলে বাংলাদেশে আইএস বলে কিছু নেই, এটি ষড়যন্ত্র। রবিবার বিকালে ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার আগলা ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে গালিমপুর ও বারুয়াখালী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, এক সময়ে সারাদেশে বিশৃঙ্খলা লেগেই থাকতো। থানাগুলোতে মাসে ৩০/৪০টি মামলা রুজু হতো। ইদানিং থানাগুলোতে মামলার হার কমে প্রতিমাসে নেমে এসেছে ৩ থেকে ৪টিতে । এতে বোঝা যাচ্ছে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো রয়েছে। এটি সম্ভব হয়েছে দেশের জনগণের সহযোগিতায়। আপনারা সহায়তা না করলে তা সম্ভব হতো না। তাই এখন পুলিশ বাহিনীর শ্লোগান ‘জনতাই পুলিশ, পুলিশই জনতা’।
তিনি বলেন, দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম সফল রাষ্ট্র পরিচালক তাদের মধ্যে জননেত্রী শেখ হাসিনা এখন বিশ্বের ১৩ জন যোগ্য নেতাদের একজন। তার দক্ষ রাষ্ট্র পরিচালনায় দেশ আজ উন্নতির দিকে এগিয়ে চলছে। এ উন্নতি অব্যাহত থাকলে আমরা আশা করছি ২০২১ সালে নয় ২০১৯ সালেই দেশ উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হবে।
পুলিশ বাহিনীর আরো সক্ষমতা বৃদ্ধিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিকল্পনায় রয়েছে। পুলিশের দক্ষতা বাড়াতে পুলিশকে ঢেলে সাজানো হবে বলে তিনি জানান। এসময় তিনি এ অঞ্চলে বিমানবন্দর নির্মাণে এলাকাবাসীর সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীকে জানানোর আশ্বাস দেন।
ঢাকা জেলা পুলিশ আয়োজনে জেলা পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি ছিলেন- ঢাকা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সালাহ্উদ্দিন, অতিরিক্ত আইজিপি মোহাম্মদ আলী মিয়া।
আরো উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি পিনু খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গোলাম আজাদ খান, আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির সদস্য আব্দুল বাতেন মিয়া, নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাসির উদ্দিন আহমেদ ঝিলু, সাধারন সম্পাদক মো. জালাল উদ্দিন, দপ্তর সম্পাদক ও নবাবগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো. ইব্রাহীম খলিল, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সহ-সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সহ-সম্পাদক অসীম সরকার, নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রাজিবুল আহসান, ভাইস চেয়ারম্যান মরিয়ম জালাল শিমু, নবাবগঞ্জ থানার ওসি সায়েদুর রহমান, দোহার থানার ওসি শেখ সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ।
বাংলাদেশে আইএস বলতে কিছু নেই: নবাবগঞ্জে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
পল্লীকবি জসীমউদদীনের ৪০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত
নানা আয়োজনে ফরিদপুরে পল্লীকবি জসীমউদদীনের ৪০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা হচ্ছে। সোমবার সকাল ৮টায় ফরিদপুর সদর উপজেলার অম্বিকাপুর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামে কবির কবরস্থানে জেলা প্রশাসন, জসীম ফাউন্ডেশন, আনছারউদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন পুষ্পমাল্য অর্পণ করে।
এরপর কবির বাড়ির আঙ্গিনায় জেলা প্রশাসন ও জসীম ফাউন্ডেশনের আয়োজনে আলোচনাসভা ও দোয়া মাহফিলে শরিক হন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ড. আবু নঈম মোহম্মদ আবদুর ছবুর, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক আব্দুর রশিদ, কবির বড় পুত্র ড. জামিল আনোয়ার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ড. কে এম কামরুজ্জামান সেলিম প্রমুখ।
ইসলাম ধর্মে নারীর অধিকার ও পরিবার
নারীর অধিকার এবং পরিবার দু’টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আধুনিক বিশ্বে এ বিষয় দু’টি বেশ আলোচিত। ইতিহাসের কাল পরিক্রমায় বিভিন্ন সমাজে মানবাধিকার বিশেষ করে নারী অধিকার এবং পরিবার বিচিত্র চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। এই অধিকার রক্ষার লক্ষ্যে ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর প্যারিসে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘসাধারণ পরিষদে মানবাধিকার ঘোষণা প্রদান করা হয়। বিশ্বের প্রত্যেক মানুষের মানবাধিকারনিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এই সনদ ঘোষিত হয়েছিল। কিন্তু এ ঘোষণার অনেক দিক ও নীতি বিশ্বের বহু জাতির সংস্কৃতি ও চিন্তাধারার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ ছিল না। বিশেষ করে ইসলামী আদর্শ ও সংস্কৃতির সাথে। এ কারণেই ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা ‘ইসলামী মানবাধিকার ঘোষণা’ প্রবর্তন করে।
প্রচার করা হয় যে মানবাধিকারের প্রতি গুরুত্ব বা দৃষ্টিপাত পাশ্চাত্যেই শুরু হয়েছে। অথচ পবিত্র ইসলাম ধর্ম চৌদ্দ শ বছর আগে আবির্ভাবের শুরু থেকেই মানুষের অধিকারের বিষয়টি তুলে ধরেছে। ইউরোপীয় সমাজে যেহেতু মানুষের বিশেষ করে নারীর অধিকার, স্বাধীনতা এবং সবোর্পরি মানবীয় মর্যাদার তেমন একটা গুরুত্বই ছিল না সে কারণে এই মানবাধিকার ঘোষণা পশ্চিমা সমাজে মূল্যবান একটি পদক্ষেপ হিসেবে মর্যাদা পেয়েছিল। কিন্তু ইসলামের উন্নত শিক্ষাগুলোর প্রতি মনোযোগ না দেওয়ার কারণে এই ধর্মের ব্যাপারে মানাবধিকারের প্রবক্তারা ছিল একেবারেই অনুদার। ‘ইসলামী মানবাধিকার ঘোষণা’ এই অবহেলা বা অনুদার মানসিকতারই প্রতিক্রিয়া। ১৯৯০ সালের ৫ আগস্টে কায়রোতে এই ঘোষণা গৃহীত হয়েছিল।
ইসলামী মানবাধিকার ঘোষণায় নারী এবং পরিবার এই দুটি দিকের ওপর বিভিন্ন ভাবে ইঙ্গিত করা হয়েছে। মানবীয় মর্যাদার দিক থেকে নারী এবং পুরুষ সমান। একইভাবে একজন পুরুষের যতটুকু দায়দায়িত্ব রয়েছে ঠিক ততটুকু দায়িত্ব রয়েছে একজন নারীরও। নারীর অধিকার রয়েছে নিজের নাম এবং সম্পর্কের স্বাধীন সত্ত্বা সংরক্ষণ করা। ইসলামী মানবাধিকার ঘোষণায় এই যে সমানাধিকারের বিষয়টি ঘোষিত হয়েছে তা ইসলামী শিক্ষার আলোকেই হয়েছে। ইসলাম সকল মানুষকেই সমান বলে মনে করে। লিঙ্গভেদে ভাষা, বর্ণ, গোত্র, জাতিভেদে কিংবা বিশেষ কোনো এলাকাভেদে কারো কোনো শ্রেষ্ঠত্ব নেই ইসলামে। পবিত্র কুরআনের বিভিন্ন আয়াতে সমতার মানদণ্ড ঘোষণা করা হয়েছে বেশ কিছু বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে। সেইসাথে মানুষের শ্রেষ্ঠত্বের মানদণ্ড হিসেবে তাকওয়ার উল্লেখ করা হয়েছে যার পুরস্কার থাকবে আখেরাতে।
আসলে বিশেষ কিছু ক্ষেত্র ছাড়া ইসলামে সকল মানুষের অধিকারই সমান। নারী পুরুষের সমতা কেবল উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া সম্পদের ক্ষেত্রে কিছুটা ব্যতিক্রমধর্মী মনে হয়। এর পেছনে সামাজিক, বৈজ্ঞানিক বহু কারণ এবং যুক্তি রয়েছে। মানবীয় মর্যাদা, অধিকার এবং অভিন্নতার বিষয়টি নির্ভর করে মানবীয় পূর্ণতা ও ফযিলত অর্জনের ওপর। কুরআনের ভাষায় যে যতো বেশি তাকওয়া অর্জন করবে সে তত বেশি মর্যাদাবান। এ ক্ষেত্রেই কেবল নারী-পুরুষের মাঝে বিভিন্নতা রয়েছে। আর এই মর্যাদার বিষয়টি বা পুরস্কার-তিরস্কারের বিষয়টি পরকালীন হিসাব নিকাশের সাথে সম্পৃক্ত।
ইসলামী মানবাধিকার ঘোষণায় নারী পুরুষ এক আল্লাহর সৃষ্টি। এদিক থেকে তারা সবাই এক এবং অভিন্ন। কিন্তু যুগে যুগে যেসব মতবাদের সৃষ্টি হয়েছে সেসব মতবাদে এরকমভাবে চিন্তা করা হয় নি। পবিত্র কুরআনে এসেছে: ‘আল্লাহই তোমাদের সৃষ্টি করেছেন একটি মাত্র প্রাণ থেকে এবং তারই প্রজাতি থেকে তার জুড়ি বানিয়েছেন, যাতে করে তার কাছে প্রশান্তি লাভ করতে পারে’।
একইভাবে আধ্যাত্মিক মহিমা অর্জনের ক্ষেত্রেও নারী-পুরুষের মাঝে কোনো তফাৎ নেই। কুরআনে এসেছে: ‘একথা সুনিশ্চিত যে,যে পুরুষ ও নারী মুসলিম মুমিন, হুকুমের অনুগত,সত্যবাদী,সবরকারী,আল্লাহর সামনে বিনত,সাদকাদানকারী, রোযা পালনকারী,নিজেদের লজ্জাস্থানের হেফাজতকারী এবং আল্লাহকে বেশী বেশী স্মরণকারী আল্লাহ তাদের জন্য মাগফিরাত এবং প্রতিদানের ব্যবস্থা করে রেখেছেন’।
ইসলামে নারীকে সম্মানিত করা হয়েছে। রাসূলের একটি হাদিসে এসেছে, নারীকে সম্মান করার পরিমাপের ওপর ব্যক্তির সম্মান ও মর্যাদার বিষয়টি নির্ভর করে। তার মানে হলো একজন পুরুষ নারীকে কতোটা সম্মান দিল তার ওপর নিজের সম্মান নির্ভরশীল। পশ্চিমা সমাজে সম্প্রতি নারী অধিকার নিয়ে কথা বলা হলেও সেখানে আসলে নারীর অধিকার কতোটা রক্ষিত সচেতন যে কোনো মানুষই তা জানেন। কিন্তু ইসলাম বহু আগেই নারীকে যথাযোগ্য সম্মান এবং মর্যাদা দিয়েছে, সেইসাথে পুরুষকে তা যথার্থভাবে পালন করার নির্দেশ দিয়েছে। কিন্তু পাশ্চাত্যে নারী পুরুষকে সমান অধিকার দিয়ে নারীর সত্ত্বাকেই হরণ করা হয়েছে। সমাজে নারীর সত্ত্বাগত পার্থক্যকে অস্বীকার করলে তা নারীর পক্ষে যায় না, নারীর জন্যে তা ক্ষতিকর।
নারী এবং সন্তানদের সুখ শান্তির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করার দায়িত্ব পুরুষের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে এই ঘোষণায়। ছয় নম্বর অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে: ‘পরিবারের ভরণ-পোষণ এবং তাদের তত্ত্বাবধান করার দায়িত্ব পুরুষের। নারী এবং পুরুষ প্রত্যেকেরই আলাদা আলাদা ভৈশিষ্ট্য রয়েছে। নারীকে সৃষ্টিই করা হয়েছে সংবেদনশীল করে, কেননা নারী সন্তান দেবেন তাদের লালন পালন করবেন ইত্যাদি। সেজন্যে নারীর মাঝে পুরুষের স্বভাব বা সত্ত্বাকে খোঁজ করার কোনো মানে হয় না। একই কথা পুরুষের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। ইসলাম তাই ন্যায় এবং ইনসাফের ভিত্তিতে যার যার উপযোগী দায়িত্ব ভাগ করে দিয়েছে। নারীর মনোদৈহিক বৈশিষ্ট্যের সাথে যেসব দায়িত্ব মানানসই সেসব দায়িত্বই তাদেরকে দেওয়া হয়েছে। একইভাবে পুরুষকেও।
কিন্তু প্রজন্মকে শিক্ষিত প্রশিক্ষিত করে তোলা পরিবারের একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। জন্মের পর থেকে শিক্ষাসহ একটি শিশুর মৌলিক প্রয়োজনীয়তাগুলোর সার্বিক ব্যবস্থা করাটা তাই ইসলামী সরকার, সমাজ এবং বাবা-মায়ের দায়িত্ব। ইসলামী মানবাধিকার ঘোষণার সাত নম্বর অনুচ্ছেদে এ বিষয়টি এসেছে। এই দায়িত্ব কিন্তু শরিয়ত এবং ইসলামের নৈতিক মূল্যবোধের ভিত্তিতেই গৃহীত হয়েছে।
ইসলামী মানবাধিকার ঘোষণায় পরিবার গঠন এবং বিয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এই বিয়ের ব্যাপারটা অবশ্য পাশ্চাত্য চিন্তা থেকে একেবারেই আলাদা। ইসলামে বিয়ের বিশেষ উদ্দেশ্য রয়েছে। সেটা হলো উভয়ের অন্তরাত্মা, মনোদৈহিক প্রশান্তি এবং নারী ও স্বামীর মাঝে হৃদ্যতা ও আন্তরিকতা প্রতিষ্ঠা করা। অথচ পাশ্চাত্য সমাজে বিয়ের উদ্দেশ্য হলো যৌন তৃপ্তি মেটানো।
আরো যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি ইসলামী মানবাধিকার ঘোষণায় এসেছে কিন্তু বিশ্ব মানবাধিকার ঘোষণায় উপেক্ষা করা হয়েছে, তাহলো নৈতিক, মানবিক, আধ্যাত্মিক এবং বিশ্বাসগত মূল্যেবোধ। ইসলামী মানবাধিকার ঘোষণায় এইসব মৌলিক মূলবোধের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।*
শিষ্ট্যের সাথে যেসব দায়িত্ব মানানসই সেসব দায়িত্বই তাদেরকে দেওয়া হয়েছে। একইভাবে পুরুষকেও।
কিন্তু প্রজন্মকে শিক্ষিত প্রশিক্ষিত করে তোলা পরিবারের একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। জন্মের পর থেকে শিক্ষাসহ একটি শিশুর মৌলিক প্রয়োজনীয়তাগুলোর সার্বিক ব্যবস্থা করাটা তাই ইসলামী সরকার, সমাজ এবং বাবা-মায়ের দায়িত্ব। ইসলামী মানবাধিকার ঘোষণার সাত নম্বর অনুচ্ছেদে এ বিষয়টি এসেছে। এই দায়িত্ব কিন্তু শরিয়ত এবং ইসলামের নৈতিক মূল্যবোধের ভিত্তিতেই গৃহীত হয়েছে।
ইসলামী মানবাধিকার ঘোষণায় পরিবার গঠন এবং বিয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এই বিয়ের ব্যাপারটা অবশ্য পাশ্চাত্য চিন্তা থেকে একেবারেই আলাদা। ইসলামে বিয়ের বিশেষ উদ্দেশ্য রয়েছে। সেটা হলো উভয়ের অন্তরাত্মা, মনোদৈহিক প্রশান্তি এবং নারী ও স্বামীর মাঝে হৃদ্যতা ও আন্তরিকতা প্রতিষ্ঠা করা। অথচ পাশ্চাত্য সমাজে বিয়ের উদ্দেশ্য হলো যৌন তৃপ্তি মেটানো।
আরো যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি ইসলামী মানবাধিকার ঘোষণায় এসেছে কিন্তু বিশ্ব মানবাধিকার ঘোষণায় উপেক্ষা করা হয়েছে, তাহলো নৈতিক, মানবিক, আধ্যাত্মিক এবং বিশ্বাসগত মূল্যেবোধ। ইসলামী মানবাধিকার ঘোষণায় এইসব মৌলিক মূলবোধের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
নবাবগঞ্জে দলিল লেখক সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত
ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল লেখক এবং স্ট্যাম্প ভেন্ডার সমিতির নির্বাচন বৃহস্পতিবার সম্পন্ন হয়। গোপন ব্যালটের মাধ্যমে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে রিটার্নিং কর্মকর্তা ছিলেন উপজেলা সাব-রেজিস্ট্র্রি কর্মকর্তা রেজাউল করিম বকশি। এতে সভাপতি পদে মো. খালেদ খান, সাধারণ সম্পাদক পদে আব্দুল মালেক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে মো. আসলাম খান, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মো. সোহরাব হোসেন, কার্যকরী সদস্য পদে মো. শহিদুল ইসলাম, মোনায়েম খান, জাহিদুল ইসলাম ও মোকলেছুর রহমান বাদল নির্বাচিত হন।
এ ছাড়া বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন সহসভাপতি পদে মো. সাহেদ আলী ও মো. শাওকাত আলী, কোষাধ্যক্ষ পদে মো. হানিফ আলী, প্রচার সম্পাদক পদে মনিরুল ইসলাম বাদল, দপ্তর সম্পাদক পদে হারুনর রশিদ।
নবাবগঞ্জে বখাটের গুলিতে যুবক আহত
ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার চুড়াইনের কামারখোলা গ্রামের ধান বিক্রির টাকা নিয়ে বিরোধের জের ধরে রুবেল (২৩) নামে এক যুবকের বুকে ও পায়ে গুলি করেছে স্থানীয় বখাটে রাজা ও তার সহযোগীরা। গত ৫ মার্চ শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে তার নিজ বাড়ির সামনে বখাটেরা এ ঘটনা ঘটায়। এমন অভিযোগ করেছেন আহত রুবেলের পরিবার। গুলি করে পালিয়ে যাওয়ার সময় কিরণ (২৬) নামে এক যুবককে আটক করে পুলিশে দিয়েছে জনতা।
জানা যায়, সম্প্রতি ধান বিক্রির টাকা নিয়ে কামারখোলা গ্রামে রুবেলের বাবা মো. হাসানের সঙ্গে প্রতিবেশী বখাটে যুবক রাজার বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত ১৫ দিন আগে দুই পরিবারে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এরই জের ধরে গত গত ৫ মার্চ রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাজা ও তার কয়েকজন সহযোগীসহ রুবেলের ওপর হামলা চালায়। বখাটে রাজা পিস্তল দিয়ে রুবেলের বুকে ও পায়ে গুলি করে পালিয়ে যায়। এ সময় গ্রামবাসী কিরণ নামে এক যুবককে আটক করে পুলিশে দিয়েছে।
মুকসুদপুরে অজ্ঞাত মহিলার লাশ উদ্ধার
মুকসুদপুরের মহামানিকা গ্রামের পূর্বপাড়ের মৃত শেখ জমসের আলীর পুকুরে আজ বৃহঃপতিবার দুপুরে একটি অজ্ঞাত মহিলার (২০) লাশ পাওয়া গেছে। দুপুর ২ টায় এলাকার ছেলেমেয়েরা গোসল করতে পুকুরে নামলে প্রায় ডুবন্ত অবস্থায় একটি লাশ সদৃশ বস্তু দেখতে পায়। খবর পেয়ে অত্র এলাকার বাসিন্দা পদ্মা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের প্রভাষক আলমগীর হোসেন সাথে সাথে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান, মেম্বার এবং ফুলতলা পুলিশ ফাঁড়িতে খবর দেন। খবর পেয়ে ফুলতলা পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বরত কর্মকর্তা নির্মল ছুটে আসেন। এলাকাবাসীর সহায়তায় বস্তুটি টেনে তুললে দেখা যায় সেটি একটি মহিলার লাশ। উপস্থিত কেউ লাশটির পরিচয় সনাক্ত করতে পারেনি। প্রাথমিক সুরতহালে লাশটির কোথাও কোন আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। পরিচয় না পাওয়া গেলেও উপস্থিত অনেকে লাশটি একজন পাগলীর বলে ধারনা করেন। লাশটির পরনে ছিল সেলোয়ার কামিজ এবং কামিজের উপর একটি ফুলহাতা টি র্শাট। পরে লাশটি ফুলতলা পুলিশ ফাঁড়ির কর্মকর্তাগন দোহার থানায় প্রেরণ করেন ।
লটাখোলা টু কার্তিকপুরঃ কেউ কথা রাখেনি
সেতু মন্ত্রীর ১ বছর সফর হলেও আজও ঠিক হয়নি দোহারের লটাখোলা টু কার্তিকপুর সড়কের মেরামত কাজ। অনেকে বাস্তা দিয়ে কার্তিকপুর যাতায়াত করলেও এই সড়কটিও ক্ষতিগ্রস্থের দিকে। কথা দিয়ে কেঊ কথা রাখেনি। অথচ দোহারে উন্নয়নের হাওয়া বইতে শুরু করেছে। তাই ঢাকা-নবাবগঞ্জ-দোহার সড়কে সংস্কার কাজে অবহেলা ও যাত্রী দুর্ভোগ এলাকাবাসীর জন্য যেন নিয়তি হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের গত বছরের ৭ মার্চ তিনি ঝটিকা সফরে যান। কিন্তু সওজের কর্মকর্তা ও ঠিকাদারের গাফিলতির কারণে বিগত ১০ মাসেও দোহারের বাঁশতলা থেকে মৈনট ফেরিঘাট পর্যন্ত ৭ কিলোমিটার রাস্তার গর্ত ও খানাখন্দ-আজও দৃশ্যমান।
জানা যায়, চলতি অর্থবছরে রাস্তাটি সংস্কারের জন্য প্রায় কোটি টাকা বরাদ্দ হয়। দরপত্র প্রক্রিয়াও শেষ। এম আর কনস্ট্রাকশন নামে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ পাওয়ার পর কার্যাদেশ দেয়া হয়েছে। যে কোনো সময় কাজ শুরু হবে।
এলাকাবাসী জানায়, সেতুমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শনে দোহার-নবাবগঞ্জের সাধারণ মানুষের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়। কিন্তু সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রকৌশলীদের অবহেলার কারণে এলাকাবাসীকে সেই আগের দুর্ভোগেই রাস্তা চলতে হচ্ছে। তারা সালমান এফ রহমানের নিয়মিত আগমে স্বপ্ন দেখেছিলেন দ্রুতই শেষ এবং শুরু হবে মেরামত কাজ। কেননা দোহারের এ সড়ক দিয়ে শুধু দোহার-নবাবগঞ্জবাসীই নয়, দেশের দক্ষিণাঞ্চলের ফরিদপুর, রাজবাড়ী, মাগুরা, খুলনা অনেক মানুষ সহজ পথে রাজধানী পৌঁছতে মৈনট ফেরিঘাট হয়ে নবাবগঞ্জ দিয়ে অল্প সময়ে যাতায়াত করে। ফলে প্রতিদিন শত শত যানবাহনে হাজার হাজার যাত্রী এ পথে চলাচল করে।
সড়ক ও জনপথ বিভাগের মুন্সীগঞ্জ রেঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু হেনা মো. তারেক ইকবাল বলেন, সংস্কার কাজের জন্য প্রায় কোটি টাকার দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। ঠিকাদারকে কার্যাদেশও দেয়া হয়েছে। ঠিকাদারকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে কাজ শুরু করতে বলা হয়েছে।
আওয়ামীলীগের সাথে যোগ দিচ্ছেন কি ব্যাঃ হুদা ?
বিএনপির এক সময়ের প্রভাবশালী নেতা নাজমুল হুদার নেতৃত্বাধীন জোট বাংলাদেশ ন্যাশনাল অ্যালায়েন্স (বিএনএ) কি আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটে যোগ দিচ্ছে? রবিবার সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন ভবন মিলনায়তনে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় সরকারের দুই মন্ত্রী যোগ দেয়ার পর এমন আলোচনাই চলছে জোরালোভাবে। আজকের আলোচনা সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন যোগদিয়ে তারা যে বক্তব্য দিয়েছেন সেখানেও বিএনএকে ১৪ দলীয় জোটে যোগ দেয়ার ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ নিয়ে বিএনএ এই আলোচনা সভার আয়োজন করেছে। এই জোটের চেয়ারম্যান হচ্ছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সাবেক সদস্য নাজমুল হুদা। আলোচনা সভায় তিনি বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ নিয়ে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন। গত ১৫ জানুয়ারি নাজমুল হুদার বিএনএর আলোচনা সভায় প্রথম যোগ দিয়েছিলেন মোহাম্মদ নাসিম। এরপরই বিএনএর ১৪ দলে যোগ দেওয়ার বিষয়টি আলোচনায় আসে।
আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলে বিএনএকে নেওয়ার সম্ভাবনার কথা বলেছেন মোহাম্মদ নাসিম। তিনি বিএনএর নেতৃবৃন্দকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘আপনারা বেরিয়ে এসে ভালো করেছেন। বিভ্রান্ত পথ থেকে সঠিক পথে বেরিয়ে এসেছেন। ছোট হোক, বড় হোক, সেটা বড় কথা নয়। একজন মানুষ যদি মনে করে সে বিভ্রান্ত পথে গেছে, তাঁর সঠিক পথে আসা উচিত। আজকে সঠিক পথে, সঠিক জায়গায় এসেছেন। আপনাদের সবাইকে বলব, অবশ্যই আমরা আপনাদের নিয়ে কাজ করব। এক সাথে আছি, এক সাথে থাকব। আপনাদের নিয়ে ১৪ দলের সঙ্গে বৈঠক করব, ইনশা আল্লাহ।’
আলোচনা সভায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের ঘটনাবলির অনেক যোগসূত্র লাগে। একদিনে, একটি ঘটনায়, কয়েকটি আহ্বানের মধ্যে দিয়ে মুক্তিযুদ্ধ হয়নি। এর অনেক ইতিহাস ও পর্যায়ক্রম রয়েছে। ভাষা আন্দোলন, ছয় দফা আন্দোলন, উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান, সত্তরের নির্বাচন। এরপর মুক্তিযুদ্ধ হয়। তবে স্বাধীনতাকে আনুষ্ঠানিক রূপ দেওয়া হয় ৭ মার্চের ভাষণে।’
আলোচনা সভায় বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ নিয়ে মূল বক্তব্য পড়েন নাজমুল হুদা। তিনি সেখানে বলেন, ‘সহস্রাব্দব্যাপী এ জনপদের গণমানুষের শৃঙ্খলমুক্তির এই অমিয় বাণী এমন গর্বদীপ্তভাবে আর কখনো শোনা যায়নি, যা ছিল একটি জাতি রাষ্ট্রের জন্মের ঘোষণা।’
দোহার নবাবগঞ্জ কলেজের সুবর্ণ জয়ন্তী পালিত
১৯৬৫ সালে অনেক সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে যাত্রা শুরু হয় ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার প্রথম মহাবিদ্যালয় দোহার নবাবগঞ্জ কলেজের। ২০১৫ সালে এর অর্ধশতবর্ষ পূর্ণ হয়। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের ৪ ও ৫ তারিখে দুইদিন ব্যাপি এর সুবর্ণ জয়ন্তী পালিত হয়।
অনুষ্ঠান ঘিরে কলেজ প্রাঙ্গন মিলন মেলায় পরিণত হয়। সবাই নেচে-গেয়ে সুবর্ণজয়ন্তীর উৎসব পালন করে। কলেজের প্রথম ব্যাচের ছাত্র তপন কুমার বর্মন, চাষী বাহার, কালিপদ মাস্টার, আলমগীর সামাদ, দিল রওশনারা, স্বপন বকশিসহ অনেকেই কলেজ জীবনের স্মৃতিচারণ করেন। আলোচনা শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করেন প্রখ্যাত শিল্পী মিলাসহ শিল্পকলা একাডেমির শিল্পীরা। এদিন সঙ্গীত পরিবেশন করে দেশের খ্যাতনামা রক ব্যান্ড ওয়াফেজ।
শুক্রবার প্রথম দিন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ.হ.ম. মুস্তফা কামাল। তিনি অনুষ্ঠানে বক্তব্যে বলেন, দেশ গড়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সুদক্ষ ক্যাপ্টেন। দেশের উন্নয়নসহ প্রতিটি কার্যক্রমে সফলতায় বাংলাদেশর নেতৃত্ব দিয়ে যে জয় এনে দিয়েছেন তাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের সু-দক্ষ ক্যাপ্টেনের দ্বায়িত্ব পালন করেছেন।
এলাকাবাসীর দাবির প্রেক্ষিতে মন্ত্রী ঢাকার কেরাণীঞ্জের জানজট নিরসনের জন্য কেরাণীগঞ্জের সৈয়দপুর থেকে মাওয়া মহাসড়কের সঙ্গে সংযুক্ত করে একটি বাইপাস সড়ক তৈরি, ইছামতি নদী খনন ও ঢাকা বান্দুরাসহ মৈনট ঘাট পর্যন্ত আঞ্চলিক মহাসড়কটিকে রাস্তা প্রসস্ত করে মহাসড়কে উন্নিত করার আশ্বাস দেন।
কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, ইউনিক গ্রুপের এমডি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ নুর আলী, শিল্পকলা একাডেমির মহা-পরিচালক লিয়াকত আলী লাকি, আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির সদস্য আব্দুল বাতেন মিয়া, কলেজের প্রতিষ্ঠাতা সাবেক অর্থ প্রতিমন্ত্রী আতা উদ্দিন খানের পুত্র হাসানুজ্জামান খান, সাবেক এডিশনাল আইজিপি মো. নাজমুল হক পিপিএম, শহীদুল্লাহ খান, কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মানবেন্দ্র দত্ত, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আনোয়ার হোসেন অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন আহমেদ ঝিলু এবং শিক্ষক মন্ডলী, বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকি, সাবেক সংসদ সদস্য খন্দকার হারুনুর রশিদ, আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির সদস্য আবদুল বাতেন মিয়া, সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি শহীদুল্লাহ খান, নাজমুল হক, আজিজুর রহমান ফকু, কলেজের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হাসানুজ্জামান খান, অধ্যক্ষ মানবেন্দ্র দত্ত, অতিরিক্তি পুলিশ সুপার গোলাম আজাদ খান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিবুল আহসান, প্রাক্তন ছাত্র চাষী বাহার, সাবেক ভিপি আমজাদ হোসেন, আবদুর রহিম, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সহসম্পাদক পনিরুজ্জামান তরুণ, কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা মোয়াজ্জেম হোসেন, সাইদুর রহমান খান সোহেল, আনার কলি পুতুল, মরিয়ম জালাল শিমু, নার্গিস মল্লিক, উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক নাসির উদ্দন ঝিলু, মো. জালাল উদ্দিন, প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো. ইব্রাহীম খলিল, জাতীয় পার্টি নেতা জুয়েল আহমেদ, জাহাঙ্গীর চোকদার, শাহাজান, খলিলুর, সামসুল ইসলাম, সাবেক ছাত্রনেতা এমএ জামান, আসাদুজ্জামান চৌধুরী রানা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
দোহার-নবাবগঞ্জে ঝড়ে বিপর্যস্থ বৈদ্যুতিক সংযোগ স্বাভাবিক হয়নি
ফাল্গুনের শুরুতেই কাল বৈশাখী ঝড়ে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে ঢাকার দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলার অন্তত ১০টি গ্রাম। এতে ৬ ঘন্টা বিদ্যুৎ বিভ্রাটে পড়ে দোহার নবাবগঞ্জবাসী। আহত হয়েছে অন্তত ১০ ব্যাক্তি।
আহতরা হলেন- কুলসুম বেগম, সাব্বির হোসেন, জালাল পাঠান, শিক্ষক তাইপুর রহমান, সিএনজি চালক আলমগীর। তাদের বাড়ি উপজেলার পশ্চিম চুড়াইন ও বেনুখালী গ্রামে।
বেলা পৌনে ১১টার দিকে আকস্মিক কাল বৈশাখী ঝড় আঘাত হানে। এতে উপজেলার পশ্চিম চুড়াইন, দক্ষিণ চুড়াইন, খাহ্রা, আকারবাগ, চরচরিয়া, বেনুখালী, দৌলতপুর, নিকড়া, সুতারপাড়াসহ ১০ গ্রামে গাছপালা ভেঙে পড়ে দেড় শতাধিক বসত ঘর, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ আবাদি জমির ফসল নষ্ট হয়ে গেছে।
বৈদ্যুতিক খুঁটিতে গাছ পড়ে অন্তত ১৬টি খুঁটি ভেঙ্গে পড়েছে। ছিড়ে গেছে মূল সংযোগ। এতে দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলাসহ আশাপাশের এলাকায় ৬ ঘন্টা বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ থাকে।
ঢাকা পল্লি বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর ডিজিএম মো. আবুল বাসার বলেন, ঝড়ে কেরানীগঞ্জ, নবাবগঞ্জ ও দোহার এলাকার ৩৪টি খুঁটি ভেঙে গেছে। ইতিমধ্যে বেশকিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ স্বাভাবিক হয়েছে। আগামীকালের মাধ্যে পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়ে যাবে।
