পনিরুজ্জামান তরুন ঢাকা জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত

সাবেক ছাত্রনেতা ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় উপ কমিটির সহ সম্পাদক পনিরুজ্জামান তরুন ঢাকাজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন । তরুন, উদ্যোমি ও দোহার-নবাবগঞ্জ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনে তুমুল জনপ্রিয় এই নেতাকে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পদে নির্বাচিত করে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে আরো বেগবান হবে বলে ধারনা করছেন স্থানীয় রাজনৈতিব বিশ্লেষকরা।
পনিরুজ্জান তরুন ঢাকা জেলার সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, সেচ্ছাসেবকলীগ সহ সকল অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মীরা ইতিমধ্যে তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

নবাবগঞ্জে মাদকসেবীর কারাদণ্ড

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় দেলোয়ার হোসেন (২৮) নামে এ মাদকসেবীকে আট মাসের কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। মঙ্গলবার (৩০ আগস্ট) বিকেলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাকিল আহমেদ এ আদেশ দেন।
দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত দেলোয়ার হোসেন উপজেলার জয়কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের আশয়পুর গ্রামের মনরুদ্দিনের ছেলে।
বারুয়াখালি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক (এসআই) তাজ উদ্দিন জানান, সকালে উপজেলার আশয়পুর এলাকায় মাদক সেবন করছিলেন দেলোয়ার। খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে অভিযান চালিয়ে ইয়াবাসহ তাকে আটক করে। পরে বিকেলে তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে বিচারক এ আদেশ দেন।

দোহার-নবাবগঞ্জ কলেজ: অর্ধশতাব্দী পেরিয়েও জাতীয়করণবঞ্চিত

‘হে অতীত, তুমি ভুবনে ভুবনে/কাজ করে যাও গোপনে গোপনে’- কবিগুরু রবি ঠাকুরের এ চয়ন দুটি যেমন কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে নীরবে নিভৃতে ভবিষ্যৎ পথপরিক্রমায় অগ্রগামী করে তেমনি এক লড়াই-সংগ্রামের পথ পাড়ি দিয়ে অর্ধশতাব্দী পার করেছে দোহার-নবাবগঞ্জ কলেজ। কিন্তু আজও ঐতিহ্যবাহী এ কলেজ জাতীয়করণের মুখ দেখেনি।
জানা গেছে, ’৬৯’এর গণঅভ্যুত্থান, ’৭১-এর স্বাধীনতা সংগ্রামসহ সব গণতান্ত্রিক ও অসাম্প্রদায়িক আন্দোলনে এ কলেজের ছাত্র-শিক্ষকরা কখনোই পিছপা হননি। ঢাকার দক্ষিণ প্রান্তের জনগোষ্ঠীর জ্ঞান অর্জনের কেন্দ্র এটি। আলোকিত করছে এ অঞ্চলের মানুষকে। এতকিছুর পরও অবহেলা আর অপেক্ষার দিন গুনে এগিয়ে চলেছে প্রাচীন এ প্রতিষ্ঠানটি।
সারা দেশের অনেক কলেজ সরকারিকরণ হলেও কেন উপেক্ষিত দোহার-নবাবগঞ্জ (ডিএন) কলেজ- এমন প্রশ্ন সবার। কিছু দিন ধরে কলেজটি সরকারিকরণের দাবিতে ফুঁসে ওঠেন এ কলেজের ছাত্র-শিক্ষকসহ এলাকার আমজনতা। তাদের একটাই দাবি- যে করেই হোক কলেজটিকে সরকারিকরণ করতে হবে।
সমসাবাদ এলাকার বাসিন্দা আবদুল জলিল বলেন, ঢাকা জেলার দোহার-নবাবগঞ্জ, কেরানীগঞ্জ, সাভার ও ধামরাইয়ের মধ্যে সবচেয়ে পুরনো ও ঐতিহ্যবাহী দোহার-নবাবগঞ্জ কলেজ। এটি সরকারি না হওয়ার কোনো কারণ থাকতে পারে না। লেখাপড়ার মান, সংস্কৃতি ও ফলাফলের দিক থেকেও এ কলেজটি অনেকগুণ এগিয়ে।
দোহার-নবাবগঞ্জ কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মানবেন্দ্র দত্ত বলেন, এ বছরও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় ২৫ জন জিপিএ-৫-সহ ৭৫.১৪ ভাগ পাস করেছে। প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীর কাছে অনুরোধ, কলেজটি সরকারিকরণে দ্রুত পদক্ষেপ নিন। যাতে এ অঞ্চলের কৃষক, শ্রমিক ও মেহনতি মানুষের সন্তানরা সহজে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে পারে।
কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আনোয়ার হোসেন জানান, কলেজে বর্তমানে প্রায় ৫ হাজার ছাত্রছাত্রী, ৫৬ জন শিক্ষক ও ১৯ জন কর্মচারী রয়েছেন। নিজ এলাকায় কলেজ থাকা সত্ত্বেও দোহার, মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর, সিরাজদিখান, মানিকগঞ্জের সিংগাইর, হরিরামপুর ও ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার অনেক ছাত্রছাত্রী এ কলেজে পড়াশোনা করছে। কারণ একটাই- ভালো ফল। প্রতিটি মুহূর্তেই তারা সরকারিকরণের আশায় দিন গুনছে।
জানা যায়, এ কলেজের বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর বিপরীতে মাত্র ১০০ জনের একটি ছাত্রাবাস রয়েছে। শিক্ষক আবাসিক আছে একটি। যেখানে মাত্র ১৪ জন শিক্ষক থাকতে পারেন।
জানা গেছে, ২০০৮ সালের নির্বাচনী জনসভায় পাইলট স্কুল মাঠে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও দোহার-নবাবগঞ্জ কলেজকে সরকারিকরণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। ওয়াদা করেছিলেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদও। তারপরও কলেজটি সরকারিকরণের প্রকাশিত তালিকায় না থাকায় বিস্মিত ও ক্ষুব্ধ নবাবগঞ্জের মানুষ।
দোহার-নবাবগঞ্জ কলেজ একটি নাম, একটি ইতিহাস ও ঐতিহ্য। যার জম্ম হয়েছিল পদ্মা নদী বিধৌত দোহার-নবাবগঞ্জের ইছামতী নদীর তীরে সমসাবাদ নামক স্থানে। এর চারপাশ ঘিরে গড়ে উঠেছে মুসলিম, হিন্দু ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের জনবসতি। এ অঞ্চলে উচ্চশিক্ষা প্রসারের লক্ষ্যে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর দোহারের আশরাফ আলী ওরফে মধু চৌধুরী, নবাবগঞ্জের সেলিম চৌধুরী, খন্দকার আলী আব্বাস, চাষী বাহার, মানবেন্দ্র দত্তসহ তৎকালীন কিছু উদ্যমী তরুণ কলেজ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেন। ১৯৬৫ সালে দোহার-নবাবগঞ্জ কলেজের সূচনা হয়। নবাবগঞ্জের গালিমপুরের বাসিন্দা, সাবেক অর্থ প্রতিমন্ত্রী প্রয়াত আতাউদ্দিন খানের মেধা ও শ্রমের বিনিময়ে কলেজটি পূর্ণাঙ্গ রূপ পায়।
অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে অর্ধশত বছর পার করেছে ইতিহাস ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ নবাবগঞ্জ উপজেলার প্রাচীনতম বিদ্যাপীঠ দোহার-নবাবগঞ্জ কলেজ। কালের সাক্ষী হিসেবে দাঁড়িয়ে রয়েছে কলেজ ক্যাম্পাসের বৃহদাকার বটবৃক্ষটি। নানা ঘটনাপ্রবাহের মধ্য দিয়ে কলেজটি তার নিজস্ব বলয়ে যশ, খ্যাতি আর সুনাম বয়ে এনেছে। এ কলেজে জ্ঞানার্জন করেছেন দেশ-বিদেশে অবস্থান করা অনেক ক্ষণজন্মা।
নবাবগঞ্জের বাসিন্দা ও কলেজ নির্মাণের প্রত্যক্ষদর্শী আবদুল আলীম বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রয়াত জিল্লুর রহমান ২০০১ সালের নির্বাচনের আগে নবাবগঞ্জে এক জনসভায় দোহার-নবাবগঞ্জ কলেজকে সরকারিকরণের কথা বলেছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর কাছে আকুল আবেদন, জিল্লুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে হলেও দোহার-নবাবগঞ্জ কলেজকে জাতীয়করণ করুন।

মেঘুলায় কালভার্ট ধসে নিখোঁজের তিনদিন পর যুবকের লাশ উদ্ধার

ঢাকার দোহার উপজেলায় পদ্মা নদী ঘেঁষা একটি সড়কের কালভার্ট ধসে নিখোঁজের তিনদিন পর এক যুবকের লাশ পাওয়া গেছে। সোমবার দুপুরে পদ্মা নদীতে তার ভাসমান লাশ উদ্ধার করে এলাকাবাসী। মৃত লোকমান (২২) উপজেলার উত্তর শিমুলিয়া গ্রামের মো. কাউছার মোড়লের ছেলে।
পরিবারের সদস্যরা জানায়, শনিবার লোকমানসহ তার তিন বন্ধু নদী ভাঙ্গন দেখতে গিয়ে একটি কালভার্টে বসে গল্প করছিলেন। প্রবল স্রোতের বেগে হঠাৎ কার্লভাটটি ধসে পড়ে। দোহার ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল অভিযান চালিয়ে রাফাত ও নাহিদকে মুমূর্ষূ অবস্থায় উদ্ধার করে। অভিযানে লোকমানকে খুঁজে পায়নি ডুবুরি দল।

নবাবগঞ্জে ইছামতির ভাঙনে দিশাহারা প্রায় ৪শ’ পরিবার

ঢাকার নবাবগঞ্জে ইছামতির শাখা নদীর ভাঙনে দিশেহারা হয়ে পড়েছে প্রায় চারশ’ পরিবার। এরই মধ্যে গত একমাসে ৩০ পরিবার বাসস্থান হারিয়েছে। ভাঙনের কবলে পড়েছে নদীর দু’পাড়ের আরো প্রায় সাড়ে তিনশ’ পরিবার। এলাকাবাসী জানান, পাশের উপজেলা দোহারের পদ্মা নদীর সঙ্গে একমাত্র সংযোগ এই ইছামতির শাখা নদীর।
নদীটি পদ্মা নদী থেকে জয়পাড়া হয়ে সাহেবখালী দিয়ে সাদাপুরে এসে মূল ইছামতি নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে। এবছর বর্ষা মৌসুমের শুরু থেকে নদীতে প্রচণ্ড স্রোত বইছে। তীব্র স্রোতে ভূমিক্ষয় হয়ে তীব্র ভাঙনের সৃষ্টি হয়েছে। গত একমাসের ভাঙনে উপজেলার সৈয়দপুর, হযরতপুর, সাদাপুর, আলহাদিপুর ও সাহেবখালী গ্রামের ৩০ পরিবারের বসতভিটা, মসজিদ, মাদ্রাসাসহ ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত ৩০টি পরিবার এখন খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে। নদীর পানি হ্রাস পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভাঙনের তীব্রতা আরো বৃদ্ধি পাচ্ছে। অব্যাহত ভাঙনে ওই এলাকার সাড়ে তিনশ’ পরিবার এখন আতঙ্কে রয়েছে।
সাদাপুর গ্রামের ভাঙন কবলিত রুমা দেওয়ান বলেন, ‘ভোটের সোম সবাই আহে, ভোটের জন্য, ভোট ফুরাইলে আর কেউ আহে না । আমাগো হগলের বাড়িঘর ভাঙ্গা যাইতাছে. কেউ আমাগো খবর নেয় না।’
হযরতপুর গ্রামের বাসিন্দা ফজল ভূইয়া জানান, ‘বাড়ির পাশে দুই পরিবারের বসতভিটা নদীতে চলে গেছে। আমার বসতভিটাও অর্ধেক নদীতে চলে গেছে। এবছর আমার গ্রামের ১৫ পরিবার বসতভিটা হারিয়েছে। সরকারিভাবে নদীর তীর সংরক্ষণ ব্যবস্থা না নিলে আমরা সর্বস্বান্ত হয়ে পড়বো।’

দোহারে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত জায়েদ বিন কাশেমের মিলাদ ও দোয়া মাহফিল

0

গত ১৮ আগষ্ট বৃহস্পতিবার জয়পড়া টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের ইলেকট্রিক্যাল বিভাগের নবম শ্রেনীর মেধাবী ছাত্র জায়েদ বিন কাশেম(জাহিদ) (১৫)পিতা আবুল কাশেম সাং দক্ষিন জয়পাড়া দোহার ঢাকা দুপুর ১১.৪০ ঘটিকায় দোহারের লটাখোলা মসজিদ মোরে ট্রাক চাপায় মারা যান।
গতকাল ২৪ আগষ্ট রোজ বুধবার সকাল ১১ ঘটিকায় জয়পাড়া টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ প্রাঙ্গনে শিক্ষার্থীদের ব্যাবস্হাপনায় জায়েদ বিন কাশেম এর রুহের মাগফেরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। সিনথীয়া নামক এক ছাত্রী নিহতের জন্য কোরান খতম করেন,বাবা মাওলানা আবুল কাশেম মোনাজাত পরিচালনা করেন। এসময় উপস্হিত ছিলেন জয়পাড়া টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের প্রিন্সিপাল মোঃ সিরাজুল ইসলাম,সিনিয়র শিক্ষিকা রোকেয়া বেগম, জায়েদের পিতা আবুল কাশেম ও শিক্ষক শিক্ষার্থীরা।

জাতীয়করণের দাবিতে জয়পাড়া কলেজের সংবাদ সম্মেলন

ঢাকার দোহার উপজেলার প্রথম উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কলেজ জয়পাড়া কলেজকে জাতীয়করণ করার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে জয়পাড়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ কর্তৃপক্ষ। শনিবার বেলা ১১টায় কলেজ মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ তাপস কুমার নন্দী। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ তাপস কুমার নন্দী সংবাদ সম্মেলনে দোহারের কেন্দ্রে অবস্থিত জয়পাড়া কলেজকে সরকারি করনের জন্য সরকারের প্রতি জোড়ালো দাবি জানান। এই সময় আরো উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম, কলেজের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য শামীম আশরাফ চৌধুরী, জয়পাড়া কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি মো. আলমাছ উদ্দিন প্রমুখ।
এই সময় দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন তার বক্তব্যে বলেন, সারা দেশে বিভিন্ন উপজেলায় ঐতিহ্যবাহী যেসব কলেজ রয়েছে তার মাঝে দোহারের জয়পাড়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ অন্যতম। দোহারে উপজেলার সবচেয়ে পুরোতন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসাবে জয়পাড়া কলেজকে সরকারিকরন করা উচিৎ।
এছাড়া জয়পাড়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের সর্বশেষ নির্বাচিত ভিপি আলমাছ উদ্দিন বলেন, ‘আমরা প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছি।’

ছবিতে দাউদপুরের ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ

0

২৫ অাগস্ট, ২০১৬ তারিখ বৃহস্পতিবার ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার দাউদপুরে ইছামতি নদীতে অনুষ্ঠিত হল বহুবছর ধরে চলে আসা ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ। তার কিছু ছবি:

# প্রতিদ্বন্দ্বীতা

Doudpur-boat-race-03

 

# গতি
Doudpur-boat-race-04

 

# এক ছন্দে এগিয়ে চলা

Doudpur-boat-race-05

# প্রতিদ্বন্দ্বী ডুবে গেছে তাই একাই এগিয়ে যাওয়া

Doudpur-boat-race-01

# ডুবে যাওয়া নৌকা

Doudpur-boat-race-02

 

# এখান থেকে শুরু হয়

Doudpur-boat-race-07

# ঐতিহ্যগত বিশেষ সাজ

Doudpur-boat-race-06

# দর্শকদের উন্মাদনা

Doudpur-boat-race-09

# বাইচের ভেন্যু

Doudpur-boat-race-08

 

ছবি: পারভেজ রবিন

 

নবাবগঞ্জে শতবর্ষী স্কুল, অর্ধশতবর্ষী কলেজ আছে, কিন্তু সরকারি স্কুল বা কলেজ নেই

নবাবগঞ্জ উপজেলায় ৪০টির মতো বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজ রয়েছে। কিন্তু একটিও সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় বা কলেজ নেই। ১০০ ও ৫০ বছরের পুরোনো দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থাকলেও সেগুলো সরকারীকরণ হয়নি।

সরকারের ঘোষিত নীতি অনুযায়ী, যেসব উপজেলায় কোনো সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজ নেই, সেখানে একটি করে বিদ্যালয় ও কলেজ সরকারি করা হবে।

গত ১৩ জুলাই শিক্ষা মন্ত্রণালয় ৭৯টি বিদ্যালয় সরকারি করার জন্য শিক্ষা অধিদপ্তরে তালিকা পাঠিয়েছে। কিন্তু এতে নবাবগঞ্জের কোনো প্রতিষ্ঠান স্থান না পাওয়ায় হতাশ এখানকার শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা।

এদিকে দু’দফায় যথাক্রমে ১৯৯টি ও ৬৪টি কলেজ সরকারি করণের অনুমতি পেলেও এখনো নবাবগঞ্জে কোন কলেজের নাম এই তালিকায় আসেনি। এতে হতাশা বিরাজ করছে নবাবগঞ্জ বাসীর মধ্যে।

নবাবগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. ফারুক আহমদ  বলেন, উপজেলায় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৩২। পাঁচটি স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও তিনটি স্বতন্ত্র কলেজ আছে। স্কুল অ্যান্ড কলেজগুলোর তিনটি এমপিওভুক্ত (বেতন বাবদ সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত)। দোহার-নবাবগঞ্জ কলেজ এবং নবাবগঞ্জ পাইলট উচ্চবিদ্যালয়—এই দুটি প্রতিষ্ঠানকে সরকারীকরণের সুপারিশ করা হয়েছে। দুটি প্রতিষ্ঠানই যেকোনো পর্যায়ে সরকারি হবে বলে তিনি আশা করছেন।

এলাকাবাসী বলছেন, নবাবগঞ্জ পাইলট উচ্চবিদ্যালয়টি ১০৯ বছরের পুরোনো। আর দোহার-নবাবগঞ্জ কলেজটি ৫০ বছর পার করেছে। প্রতিষ্ঠান দুটির শিক্ষার মানও ভালো। এ দুটি প্রতিষ্ঠান সরকারি হলে এলাকার ছাত্রছাত্রীদের অনেক সুবিধা হতো। এখন অনেক বেতনে তাদের বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে পড়তে হচ্ছে।

নবাবগঞ্জ পাইলট স্কুলে প্রায় ২০০০ হাজার শিক্ষার্থী এবং ১৯৬৫ সালে প্রায় সাত একর জায়গা নিয়ে প্রতিষ্ঠিত দোহার-নবাবগঞ্জ কলেযে বর্তমানে  উচ্চমাধ্যমিক, ডিগ্রি ও স্নাতক মিলিয়ে প্রায় চার হাজার শিক্ষার্থী রয়েছে। কিন্তু তবুও তালিকায় নাম না আসায় সকলের মাঝে হতাশা বিরাজ করছে।

 

 

পদ্মা কলেজের পক্ষ থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন

পদ্মা কলেজকে জাতীয়করণের ঘোষণা দেওয়ায় পদ্মা কলেজের পক্ষ থেকে আজ শুক্রবার মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব আসাদুজ্জামান খান কামালের সাথে শুভেচ্ছা সাক্ষাৎ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন । এ সময় অধক্ষ্য মুজিবুল হায়দার, উপাধক্ষ্য জালাল হোসেনসহ সকল শিক্ষক , কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন।