দোহারের শিমুলিয়ায় চলছে খাল দখল উৎসব

নদী, খাল, জলাশয় দখল আইনত অপরাধ হলেও তা ঘটছে আইন, প্রশাসন ও জনসাধারণের চোখের সামনেই। এভাবে চলতে থাকলে দোহারে মানুষের অস্তিত্ব বিরাট সংকটের মুখে পড়বে আর কিছুদিনের মধ্যেই। প্রকৃতি ধ্বংসের পরিণাম ভয়াবহ। নিয়মত নদী ভাঙ্গনের অন্যতম কারণ এই জলাশয় দখল ও বালু উত্তোলন। মানুষের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে হলে প্রকৃতির এই ধ্বংসযজ্ঞ বন্ধ করতে হবে। প্রকৃতির সাথে মানুষের বন্ধুত্বই টিকিয়ে রাখবে মানবসভ্যতা।

সম্প্রতী দোহার উপজেলায় খাল দখল করে পাকা মার্কেট নির্মান করছে স্থানীয় চিহ্নিত প্রভাবশালী ব্যাক্তি। স্থানীয় সুত্রে জানা যায় উপজেলা মেঘুলা বাজার সংলগ্ন পদ্মার শাখা উত্তর শিমুলিয়া খালের ভিতর পাকা স্হাপনা করে মার্কেট নির্মান করছে স্থানীয় প্রভাবশালীরা।

এ ব্যাপারে স্থানীয় শহিদ নিউজ৩৯ কে বলেন, এক সময় সরাসরি পদ্মার নদীর শাখা খাল হিসাবে উত্তর শিমুলিয়া খালটি খুবই পরচিত ছিল এই খাল দিয়ে বড় বড় গয়নার নৌকা আড়িয়াল বিল পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার সদরঘাট, ফতুল্লা,ও নারায়নগঞ্জ হাট বাজারে বিভিন্ন কৃষিপন্য ও খাদ্য সামগ্রী বহন করতো। আর ড্রেজিং এর অভাবে এবং দখল দারিয়্বের কারণে তা আজ ছোট একটি খালে পরিণত হয়েছে।

খাল দখল হয়ে যাওয়ার কারনে এদিকে পরিবেশের ভারসাম্যের ক্ষতি হচ্ছে, অন্যদিকে খালের পানিতে টয়লেটসহ ময়লা আবর্জনার বর্জ ফেলে খালটিকে দূষিত করে ফেলছে।  আরো দেখা যায়, খালের অনেক জায়গা দখল করে অনেকে আধা পাকা প্রায় ৩০ টির উর্ধে দোকান নির্মান করেছে।

এই বিষয়ে নারিশা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ সালাউদ্দিন দরানী নিউজ৩৯কে জানান, দীর্ঘদিন যাবৎ খালের পাড়ে বিভিন্ন স্থাপনা দেখছি।  তাছাড়া কাগজপত্র না দেখ কিছুই বলতে পারবো না।

দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে,এম, আল-আমীন এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন দখলের বিষয়টি আমার জানা ছিলনা আমি দ্রত সম্ভব প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবো। আর দখল দারিত্ব থাকলে তা অবশ্যই মুক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। দোষীদের আইনের আওতায় আনা হবে।

স্মৃতিকথা: বন্ধুর শূন্যতায় – হামিদুর রহমান পলাশ

0

মন আজ ‘বিয়োগান্ত’ বেদনায় মলিন।
হারিয়েছে ছন্দ, হারিয়ে সুর, তাল লয়
হারিয়েছে হৃদয়ের যত ভাব ভালবাসা
হারিয়েছে সুখ স্বপ্ন, হারিয়েছে আশা।
আজ কোন সুসংবাদ নেই
আছে দুঃসংবাদ।
প্রেম কিছুটা মধুর, কিছুটা বেদনা বিধুর।
কিছুটা কাল্পনিক,কিছুটা বাস্তব।
কিছুটা হতাশার, কিছুটা আশার।
এগুলো নিয়েই তো জীবন।

তারপরও বন্ধুর শূন্যতা মাঝে মাঝে মনকে-
নাড়া দেয় অব্যক্ত বেদনায়……………….।

সেদিন আকাশে শ্রাবণের মেঘ ছিল, ছিল নাকো চাঁদ! জীবনের প্রথম প্রবাস গমন, সাময়িক কিছু আনন্দ থাকলেও বেদনার যেন কোনও কমতি ছিল না। তখন শীতকাল। প্রচণ্ড শীত কুয়াশার চাদর দিয়ে ডেকে রেখেছিল গোটা পৃথিবীটাকে। আকাশের সূর্যের সঙ্গে সেদিন পৃথিবীর কোনও মিলন ঘটেনি। ঠিক ওদের মানসিক অবস্থা আর আমার মানসিক অবস্থার মধ্যে কোনও দূরত্ব ছিল না। বিদায় যে বড় কঠিন, বড় নির্মম সেদিন তা অনুভব করেছিলাম হাড়ে হাড়ে। দেশপ্রেম কি, বন্ধুত্ব কি, আত্মার সম্পর্ক কি? ভালবাসা কি? ভালবাসার রূপ, রঙ, গন্ধ, বর্ণ সবকিছু সেদিন মন অনুভব করেছিল একান্ত করে। সেদিন অনেকেই বোবা কান্নায় কেঁদেছিল। সবচেয়ে বড় একা হয়ে গিয়েছিল আমার সন্তান আমার দ্বিতীয় আত্মা। সে আমার কোলে আমার গলা ধরে সবার দিকে ফেলফেল করে তাকিয়ে থেকে মাঝে মাঝে আমার গালে চুমু দিচ্ছিল। আর আমি যেন অনেকটা বোবা পাথর হয়ে গিয়েছিলাম। সেদিন বিদায়ের বাঁশির সকরুণ সুর আজও আমাকে নীরবে কাঁদায়। আমি হারিয়ে যেতে থাকি ভাবনার অতল গভীরে। আমার স্মৃতিমাখা সে দিনগুলো যেন আজও স্মৃতি হয়ে ভেসে বেড়ায় মনের জানালায়। তবে সেদিন সাময়িক সময়ের জন্য হলেও আনন্দ পেয়েছিলাম এই ভেবে যে, একটু সুখের আশায়, একটু শান্তির অন্মেষনে মা-বাবা ভাই-বোন, স্ত্রী-সন্তানের মুখে হাসি ফোটাতে পারব।

আমার ঢাকার কর্মব্যস্ত জীবন কেটেছে বেশিটা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মহসীন হলে। ছুটি কাটাতে যখন গ্রামের বাড়ীতে আসতাম তখন গ্রামের পুরনো বন্ধুদের নিয়ে চলে যেতাম পদ্মার তীরে। সেখানে আড্ডা চলত মাঝ রাত পর্যন্ত। জানি না আজ আর সে আড্ডা জমে কিনা, আমার জানা নেই হয়তোবা জমে নয়তোবা নয়। হয়তোবা বন্ধুরা আমার শূন্যতা অনুভব করে, নয়তো নয়! কিন্তু আমি আজও অতীতের সেই সোনাঝরা দিনগুলো হৃদয়ের ক্যানভাস থেকে কিছুতেই মুছতে পারিনি। সবাই হয়তো ভুলে গেছে, কেননা বড় বড় আনন্দ উৎসবের দিনগুলোতে তারা কেউ একটা এসএমএস দিয়েও মনে করে না। প্রথম প্রথম দেশের বন্ধুদের প্রচুর চিঠি লিখতাম। কিন্তু কখনো উত্তর পায়নি। এখন অনেকটা কমিয়ে দিয়েছি তাদের কাজ থেকে সাড়া না পেয়ে। তারপরও অতীত স্বপ্নকে লালন করি সযতনে বুকের গভীরে।

স্বপ্নই সবাইকে বাঁচিয়ে রাখে প্রবাসের আত্মীয় পরিজনহীন একাকী পরিবেশে। স্বপ্ন! স্বপ্ন সবাই দেখে,কেউ জেগে কেউবা ঘুমিয়ে। ঘুমের মাঝে স্বপ্ন সবার কাছেই আসে। আমার কাছে প্রতি রাতেই আসে। বিচ্ছিন্ন খন্ড খন্ড স্বপ্ন। স্বপ্নতো আর সাজিয়ে গুছিয়ে ধারাবাহিক ভাবে আসে না। যে রাতে আমি স্বপ্ন দেখিনা, সে রাতটা আমি ধরে নেই আমার বিনিদ্র রজনী কেটেছে । ঘুমিয়ে স্বপ্ন দেখিনি সে আমার জীবনে কখনো ঘটেনি। ঘুম বিশেষজ্ঞদের মতে, স্বপ্নের একটা সময় সীমা আছে সেটা কখনো দীর্ঘ সময় ধরে চলতে পারে না। কিন্তু আমার স্বপ্ন গুলি অনেক দীর্ঘ হয়, অন্তত আমার কাছে সেটা মনে হয়।আমার স্বপ্ন আমার বাস্তব চিত্রের সাথে মিলে মিশে আমাকে কঠিন ভাবে ফিরিয়ে নিয়ে যায় ফেলে আসা অতীতে।

কর্মব্যস্ততার এই প্রবাসে মানুষের জীবনে অবসরের বড় অভাব। তবুও প্রতিদিন জীবনের এই পথ চলতে গিয়ে ২৪ ঘন্টার মধ্যে কোনো না কোনো সময় মন ছুটে যায় কোনো স্মৃতির পাতায়, যা সীমাবদ্ধ থাকে না কোনো একটি মধুর বা বেদনাবিধুর স্মৃতিতে। কোন দিবস এলে সেটা আরো ভারাক্রান্ত করে এ হৃদয়কে। আসলে আমাদের জীবনে এমন পূর্ণ অবসর নেই তাই চিন্তাধারাগুলো এখন আর একটি জায়গায় সীমাবদ্ধ থাকে না। এক বর্ষণমুখর দিনে সোনার হরিনের আশায় দেশ ত্যাগ করি। এই প্রবাসে যখন কোন দিবসের অবসরের স্বাদ নিতে চাই তখনই ফেলে আসা অতীতের কিছু মুখ ভেসে ওঠে স্মৃতির আয়নায়। একদিন যার কথা শুনতে চাইনি, আজ তাদের মধুর স্মৃতি বেশী মনে পড়ে। পড়ন্ত বিকেলে যখন আরব সাগরের তীরে গিয়ে দাঁড়াই, রাতের আঁধারে যখন ছোটখাটো অবসরগুলো কাটে তখন সেই সুখস্মৃতিগুলোই যেন স্থান করে নেয় সমস্ত মনজুড়ে। মনেপড়ে, সেই অগোছালো জীবনে ছিলো না কোন স্থিরতা। পরিচিত হলো দুটো মন সময়ের পথ ধরে এগিয়ে চললো তারই ধারাবাহিকতা। ওই মধুর স্মৃতি, সে আসবে বলে কত স্বপ্ন এঁকেছি জীবনের বাঁকে বাঁকে। এখনও যেন সেই স্বপ্নের রাজ্যে আছি।

মাঝে মাঝে ভিড় করে স্কুল কলেজের ফেলে আসা সেই দিনগুলো এবং আরও কতস্মৃতি। কিন্তু সব স্মৃতিকে ভাসিয়ে সামনে চলে আসে বন্ধু দিবসের আনন্দের স্মৃতি। প্রবাস জীবনের কর্মব্যস্তার মাঝে শুরু হল নতুন এক পথচলা। এখনও যেন স্বাপ্নিক চোখে ভেসে আসে নানা রঙের রাঙ্গায়িত স্বপ্নের সেই দিনগুলো যা কোন দিবস আসলে দিয়ে যায় মৃদু আনন্দের ছোঁয়া। অবসরের মুহূর্তে ভেসে চলি ফেলে আসা সেই দিনগুলোতে।

প্রবাস জীবনের অনেকগুলো বছর পেরিয়ে যখন দেখি পেছনের দিনগুলো ধূসর ধূসর, আর সেই ধূসরতার শরীর থেকে হঠাৎ হঠাৎ কোনও ভুলে যাওয়া অতীত স্বপ্ন আচমকা সামনে এসে দাঁড়ায় বা কোনও স্মৃতি টুপ করে ঢুকে পড়ে আমার প্রবাসী একাকী নির্জন ঘরে, আমাকে কাঁপায়, আমাকে কাঁদায়। যে স্বপ্নগুলো অনেককাল মৃত, যে স্বপ্নগুলোকে এখন আর স্বপ্ন বলে চেনা যায় না, মাকড়শার জাল সরিয়ে ধুলোর আস্তর ভেঙ্গে কি লাভ সেগুলোকে নরম আঙুলে তুলে এনে। জানি সব, তবুও আমার প্রবাসের জীবন আমাকে বারবার পেছনে ফিরিয়ে নিয়ে যায়, আমি আমার অতীত জুড়ে মোহগ্রস্থের মতো এখনো হাঁটি। দুঃস্বপ্নের রাতের মতো এক একটি রাত আমাকে ঘোর বিষাদে আচ্ছন্ন করে রাখে এখনও। সন্ধ্যা রাতের তারা হয়তো আর আলো জ্বালবে না হৃদয় নিকুঞ্জে। পাল তোলা নৌকা আর বয়ে চলবে না জীবন গঙ্গায় ।আস্তে আস্তে জীবন ধাবিত হচ্ছে অজানা গন্তব্যের দিকে। তারপরও বন্ধত্বের উশূন্যতা ভুলে থাকা যায় না।

(চলবে)

রবিবার নবাবগঞ্জ কলেজ সরকারি ঘোষিত হলো

0

দোহার – নবাবগঞ্জ কলেজ অবশেষে সরকারি ঘোষিত তালিকায় ঠাই পেল। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা আন্দোলন অবশেষে স্বার্থক হলো। নবাবগঞ্জবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হলো। দীর্ঘদিন ঝুলে থাকার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের দেয়া ডিও লেটারের পর সরকার এই সিদ্ধান্ত নিল। তালিকা প্রকাশের পর ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক-কর্মচারী, এলাকাবাসী সংবাদ শোনার পর আনন্দে উদ্বেলিত হয়ে ওথে, তারা মিষ্টি বিতরণ করেন। এছাড়া আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ায় তারা প্রধানম্মন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।
এছাড়া অগাস্ট ১৮ তারিখে আরও ৬৪ কলেজকে জাতীয়করণের ঘোষণা দেয়া হয়। সেই তালিকায় দোহারের পদ্মা কলেজ ছিল। ইত”মধ্যে পদ্মা কলেজে সরকারীভাবে ইন্সপেকশন সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে বলে নিউজ৩৯কে নিশ্চিত করা হয়েছে।
এছাড়া ঘোষিত সারা দেশে আরও ২৩টি বেসরকারি কলেজ জাতীয়করণ (সরকারি) করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। কয়েক দিন আগে এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্মতি দিয়েছেন। এরপর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে কলেজগুলোর তালিকা দিয়ে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ রবিবার এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) কাছে পাঠানো হয়েছে। এর আগে গত জুন মাসে সারা দেশের আরও ১৯৯টি বেসরকারি কলেজ সরকারি করার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যেসব উপজেলায় সরকারি কলেজ নেই, সেগুলোতে একটি করে কলেজ সরকারি করার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
যে ২৩ কলেজ সরকারি হচ্ছে : ঢাকার নবাবগঞ্জের দোহার নবাবগঞ্জ কলেজ, মানিকগঞ্জের হরিরামপুরের বিচারপতি নূরুল ইসলাম মহাবিদ্যালয়, দৌলতপুরের মতিলাল ডিগ্রি কলেজ, ফরিদপুরের সালথা কলেজ, শরীয়তপুরের জাজিরার বি. কে নগর বঙ্গবন্ধু কলেজ, ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ার বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মহিলা মহাবিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া কলেজ, শেরপুরের ঝিনাইগাতীর আদর্শ মহাবিদ্যালয়, চট্টগ্রামের হাটহাজারি কলেজ, কুমিল্লার হোমনা ডিগ্রি কলেজ, সিলেটের বিশ্বনাথ কলেজ, রাজশাহী তানোরের আব্দুল করিম সরকার কলেজ, দুর্গাপুরের দাওকান্দি ডিগ্রি কলেজ, নওগাঁর মান্দা মমিন-শাহানা ডিগ্রি কলেজ, সিরাজগঞ্জের কামারখন্দের কাজী কোরাপ আলী মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজ, বগুড়ার নন্দীগ্রাম মহিলা ডিগ্রি কলেজ, শিবগঞ্জ এম এইচ মহাবিদ্যালয়, রংপুরের তারাগঞ্জ ওয়াকফ এস্টেট কলেজ, দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট ডিগ্রি কলেজ, চিরিরবন্দর ডিগ্রি কলেজ, খুলনার তেরখাদার নর্থ খুলনা কলেজ, দিঘলিয়া এম এ মজিদ ডিগ্রি কলেজ এবং কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা মহিলা কলেজ

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

আমি রাহীম কমিশনার, ওয়ার্ড – ০৮, দোহার পৌরসভা, ঢাকা, সাবেক আহ্ববায়ক – দোহার উপজেলা যুবলীগ, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা, সাবেক সদস্য ঢাকা জেলা যুবলীগ, নিউজ৩৯ এ প্রকাশিত “‘ভন্ড পীরের আস্তানা উচ্ছেদের পর জয়পাড়ায় আতংক” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদে আমাকে জড়িয়ে যে প্রতিবেদন ছাপা হয়েছে আমি তার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। আমার সাথে কোন সাংবাদিকের এ বিষয়ে কোন কথা হয়নি। তাই এই ধরনের বক্তব্য আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করেছে এবং এটি রাজনৈতিক কুট কৌশল বলে মনে করি। আমার দীর্ঘ তিন (০৩) দশকেরও বেশি সময় রাজনৈতিক জীবন চলছে। এছাড়া আমি শতভাগ ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসী একজন মুসলমান।  কিন্তু এই ধরনের বক্তব্য আমাকে দারুণভাবে হেয় প্রতিপন্ন করেছে, করেছে মর্মাহত ও বিক্ষুব্ধ। তাই আমি দোহার নবাবগঞ্জের স্বনামধন্য নিউজ৩৯ কতৃপক্ষের নিকট আমার প্রতিবাদলিপি প্রকাশ করে যথার্থ সংবাদ প্রকাশ করতে আহবান জানাচ্ছি।

দোহারে মা ইলিশ ধরায় ৪ জেলের কারাদণ্ড

ঢাকার দোহারে মা ইলিশ শিকার বন্ধে পদ্মা নদীতে শুক্রবার রাতে অভিযান চালিয়েছে প্রশাসন। সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ শিকার করায় চার জেলেকে আটক করে প্রত্যেককে এক বছর করে জেল দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

জানা যায়, মা ইলিশ শিকার বন্ধে টানা অভিযানের অংশ হিসেবেগত ১৪ ই অক্টোবর শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত দোহারের পদ্মা নদীতে অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা মৎম্য অফিসের কর্মকর্তারা। অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এবিএম জাকারিয়া, এ সময় উপস্থিত থেকে সহযোগিতা করেন নারিশা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. সালাউদ্দিন দরানী। পদ্মা নদীতে মাছ শিকারের সময় উপজেলার বিলাসপুর ইউনিয়নের রাধানগর গ্রামের শুকুর আলী ও মিলন বেপারী, দেবীনগর গ্রামের মিয়া চান এবং ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার নন্দলালপুর গ্রামের দুদু মিয়া শেখকে আটক করা হয়।

একই সঙ্গে ইলিশ শিকারে ব্যবহৃত ইঞ্জিনচালিত তিনটি ট্রলার জব্দ করা হয়। পরে আটককৃতদের ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে তাদের প্রত্যেককে এক বছর করে কারাদন্ড প্রদান এবং জব্দকৃত তিনটি ট্রলার বাজেয়াপ্ত করে তা নিলামের মাধ্যমে বিক্রির নির্দেশ দেয়া হয়।

দোহারে ২৫ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ

সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ঢাকার দোহারের পদ্মা নদীতে ইলিশ নিধনের সময় ২৫ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ ও একজনকে আটক করেছে উপজেলা প্রশাসন।

জানা যায়, আজ বুধবার বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট কেএম আল-আমীনের নেতৃত্বে উপজেলা মৎস্য অফিস দোহারের পদ্মা নদীতে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ নিধনের সময় ২৫ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ ও তোতা মিয়া নামে এক জেলেকে আটক করে প্রশাসন। জব্দকৃত কারেন্ট জালগুলো তাৎক্ষণিকভাবে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। আটককৃত তোতা মিয়া ফরিদপুর জেলার নন্দলালপুর এলাকার জাহাঙ্গীর চোকদারের ছেলে।

অভিযান পরিচালনার সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন, দোহার থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এবিএম জাকারিয়া, নারিশা ইউপি চেয়ারম্যান সালাহউদ্দিন দরানী ও মুকসুদপুর ইউপি চেয়ারম্যান এম.এ. হান্নান।

উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিষ্টেট কেএম আল-আমীন বলেন, জাতীয় সম্পদ ইলিশ নিধনে সরকারি নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন সময়ে প্রতিদিনই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

নবাবগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে এক দিন মজুরের মৃত্যু

ঢাকার নবাবগঞ্জে কলাবাগানে কলা কাটতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে এক দিন মজুর নিহত হয়েছেন।গত ১২ই অক্টোবর বুধবার বিকালে উপজেলার দিঘীরপাড় এলাকার একটি প্রজেক্টে এ ঘটনা ঘটে বলে। নিহত মো. রবিউল ইসলাম (৩৮) উপজেলার শুরগঞ্জ এলাকায় পরিবার নিয়ে ভাড়া থেকে দিন মজুরের কাজ করতেন।

থানা সুত্রে জানা যায়, বুধবার বিকেলে রবিউল ওই প্রজেক্টের কলাবাগানে কলা কাটতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। সংবাদ পেয়ে সন্ধ্যায় লাশ উদ্ধার করে থানায় এনে সুরতহাল করা হয়েছে। নবাবগঞ্জ থানার ওসি মো. মোস্তফা কামাল বলেন, নিহতের পরিবার এখনও থানায় কোন অভিযোগ করেনি।

দোহারে পদ্মায় অবৈধভাবে বালু তোলায় পাঁচ ব্যবসায়ী আটক

ঢাকা জেলার দোহার উপজেলায় পদ্মা নদীতে অভিযান চালিয়ে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের সময় পাঁচ বালু ব্যবসায়ীকে আটক করেছে উপজেলা প্রশাসন।

জানা গেছে, বুধবার বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট কেএম আল-আমীনের নেতৃত্বে দোহারের পদ্মা নদীতে অভিযান চালানো হয়। অভিযানকালে অবৈধ ড্রেজারের মাধ্যমে বালু উত্তোলনের সময় পাঁচ বালু ব্যবসায়ীকে আটক করে পুলিশ।

আটককৃতরা হলেন- পটুয়াখালী জেলার মধ্যমধরান্দী এলাকার সেকেন্দার হাওলাদের ছেলে জামাল হাওলাদার ও সোনালী সিকদারের ছেলে আশরাফ সিকাদার, একই জেলার গলাচিপা উপজেলার বকুলবাড়িয়া গ্রামের হাতেম ফকিরের ছেলে ফারুক ফকির, দৌলতপুর উপজেলার চরখলিফা গ্রামের সৈয়দ আহম্মেদের ছেলে মো. আলাউদ্দিন ও ওই জেলারই বাঁশবাড়িয়া এলাকার চাঁন মিয়া ফকিরের ছেলে দুলাল ফকির।

অভিযান পরিচালনার সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন,  দোহার থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম,  উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এবিএম জাকারিয়া,  নারিশা ইউপি চেয়ারম্যান সালাহউদ্দিন দরানী ও মুকসুদপুর ইউপি চেয়ারম্যান এম.এ. হান্নান।

সব ধর্মের মর্মবাণী শান্তি ও মানব কল্যাণ- ব্যাঃ নাজমুল হুদা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: বাংলাদেশ ধর্মীয় সম্প্রীতির দেশ। যেকোনো ধরনের অশুভ তৎপরতা সম্পর্কে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী ও ‘তৃণমূল বিএনপি’র চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা।

সোমবার সন্ধ্যায় মহানবমী উপলক্ষে রাজধানীর দয়াগঞ্জ শ্রী শ্রী শিবমন্দিরে এক আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় তিনি বলেন, মুসলমান সম্প্রদায়ের জন্য যেমন দুটি ঈদ সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব, তেমনি ‘যুগ যুগ ধরে শারদীয় দুর্গাপূজা উপমহাদেশ এবং বাংলাদেশসহ অন্যান্য জনগোষ্ঠীর হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব। এই উৎসব শুধু মাত্র যে হিন্দু সম্প্রদায় পালন করে এমনটি নয়। মুসলমানরাও এই উৎসব অংশগ্রহণ করে থাকে। এটাই হল বাংলাদেশের সম্প্রীতির বন্ধন।এ উৎসবে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই অংশগ্রহণ করে বলে এটা শুধু ধর্মীয় উৎসবের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, হয়ে উঠেছে সার্বজনীন উৎসবে।

তিনি বলেন, ‘যেকোনো ধর্মীয় উৎসবই মানুষে মানুষে নিবিড় বন্ধন রচনা করে ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগরিত হয়। সব ধর্মের মর্মবাণী শান্তি ও মানব কল্যাণ। মানুষ হিসেবে হিংসা-বিদ্বেষ ও রক্তারক্তি পরিহার করে সমাজে শান্তি ও সাম্য প্রতিষ্ঠা আমাদের সবার কর্তব্য।

নাজমুল হুদা বলেন, ‘ধর্ম যার যার উৎসব সবার’ এ মূলমন্ত্রকে ধারণ করে সুখী-বৈষম্যহীন, অসাম্প্রদায়িক সমাজ গড়ার প্রেরণা হোক এবারের শারদীয় দুর্গাপূজার মূল চেতনা।

এসময় শিবমন্দিরের পরিচালনা কমিটির সভাপতি বিচারপতি গৌরগোপাল সাহা সহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়।

নবাবগঞ্জে পূজামণ্ডপের সামনে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক নারীর মৃত্যু

ঢাকার নবাবগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। নিহত নূরজাহান বেগম (৬০) ভাওয়াডুবি এলাকার মো. দুখাই মিয়ার স্ত্রী।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সোমবার রাতে নূরজাহান ওই এলাকার পূজামণ্ডপের সামনের একটি দোকানে চটপটি খেতে যায়। এ সময় ওই দোকানের বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে তার মৃত্যু হয়।
সোমবার রাতে উপজেলার নয়নশ্রী ইউনিয়নের ভাওয়াডুবি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নবাবগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জানায়, নিহতের পরিবার এ ঘটনায় কোনো অভিযোগ না করায় লাশ বিনা ময়নাতদন্তে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।