দোহার-নবাবগঞ্জের ইটভাটাগুলোতে বাড়ছে শিশুশ্রম

ঢাকার নবাবগঞ্জের সাহেবগঞ্জ এলাকার ইটভাটায় কাজ করছে আট বছর বয়সী পলাশ। প্রতিদিন এক হাজার ইট বহনের কাজ করে সে মজুরি পায় মাত্র ১০০ টাকা। শুধু পলাশ নয়, পেটের দায়ে প্রতিদিন তার মতো অন্তত কয়েকশ শিশু দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ইটভাটায় কাজ করছে। অথচ আইন অনুযায়ী ১২ বছরের কম বয়সের শিশুদের এ রকম কাজে নেওয়া নিষিদ্ধ।

স্থানীয় সূত্রমতে, দোহার-নবাবগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে গড়ে উঠেছে অন্তত ২০টি ইটের ভাটা। সেসব ভাটায় কাজ করছে ১২ বছর বয়সের নিচের কয়েকশ মেয়ে ও ছেলে শিশু। কয়েকজন ভাটা মালিকের দাবি, বাবা-মায়ের সঙ্গেই এসব শিশু ভাটায় কাজ করতে আসে। তবে শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা মজুরি নিয়েই সেখানে কাজ করছে।

দোহার উপজেলার ইসলামপুর ইটভাটায় কাজ করে ৬ বছর শিশু মিরাজ। পেটের দায়ে বরিশাল থেকে মায়ের সঙ্গে এসেছে সে ইটের ভাটায় কাজ করতে। মিরাজ জানাল, এই ভাটার মালিক তাদের বাড়িতে গিয়ে তার মাকে ৩০ হাজার টাকা দাদন দিয়েছেন। দাদনের টাকা শোধ করতেই সে মায়ের সঙ্গে কাজ করতে চলে এসেছে। তার একটাই কথা ‘কাম না করলে খামু কি?’

মিরাজ আরও জানাল, মাথায় করে শুকনো ইট খোলায় তুলে সে। পোড়া শেষ হলে ইট সাজিয়ে রাখে। কাজ বড় কষ্টের। অনেক সময়ে ইট মাথা থেকে পড়ে পায়ে ব্যথা পায়। কিন্তু শ্রমিক সরদার এগুলো দেখে না।

একই রকম কষ্টের কথা জানায় নবাবগঞ্জ উপজেলার নয়নশ্রী ইউনিয়নের সাহেবগঞ্জ এলাকায় ইটভাটার এগার বছরের শ্রমিক শান্ত। তার বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলায়। সেও মায়ের সঙ্গে ইটভাটায় কাজ করতে এসেছে।

এমন দৃশ্য দোহার ও নবাবগঞ্জের বেশিরভাগ ইটভাটার। ইট তৈরি ও টানার কাজ করছে শিশুরা। কোনো কোনো শিশু ২০ কেজি ওজনের সমান ছয়টা কাঁচা ইট মাথায় করে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিয়ে যায়।

অনুসন্ধানে জানা যায়, দোহার ও নবাবগঞ্জের ইটভাটাগুলোয় কর্মরত শিশুদের বেশিরভাগই এসেছে কিশোরগঞ্জ, জামালপুর, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর, বরিশাল, সাতক্ষীরা, সিলেট, হবিগঞ্জ, চাঁদপুর ও শরীয়তপুর থেকে। তাদের অভিভাবকদের অনেককে ভাটা-মালিকরা দাদন দিয়েছেন। এই টাকা পরিশোধ করতেই বাবা-মায়ের সঙ্গে তাদের শিশু সন্তানরাও কাজ করছে। কাজ শেষে এসব শিশু ভাটাতেই ঘুমায়। খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠেই শুরু হয় তাদের কাজ। মাঝে কিছু সময় বিরতির পর টানা কাজ করে বিকাল চারটা পর্যন্ত।

নবাবগঞ্জের সাহেবগঞ্জ এলাকার ন্যাশনাল ব্রিক ইন্ডাস্ট্রিজের মালিক নাসির উদ্দিন পান্নু জানান, মা-বাবার সঙ্গে সন্তানরাও ইটভাটায় আসে। তার ভাটায় শিশুদের দিয়ে কোনো কাজ করানো হয় না। তবে ওরা মাঝে-মাঝে ইট নিয়ে খেলে থাকে।

নবাবগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহনাজ মিথুন মুন্নী বলেন, ইটভাটায় শিশুদের কাজ করানোর বিষয়ে সরেজমিন পরিদর্শন করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কেএম আল-আমীন বলেন, বিষয়টি তার জানা ছিল না। খোঁজ নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।

দোহার নবাবগঞ্জের বেকারিগুলোতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি হচ্ছে খাদ্যদ্রব্য

উপরের ছবির মতো দোহার নবাবগঞ্জের বেকারিগুলোতে এভাবেই অস্বাস্থ্যকর নোংরা পরিবেশে তৈরি হচ্ছে নানারকম খাদ্যদ্রব্য। বেকারিগুলোর পরিবেশ দেখলে আঁতকে ওঠবেন যে কেউ । ভয়ানক নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে দোহার নবাবগঞ্জের বিভিন্ন বেকারিতে তৈরি করা হচ্ছে বিস্কুট, কেক, পাউরুটি,ফার্ষ্টফুড,শিশুখাদ্যসহ রকমারি খাদ্যদ্রব্য । আর এসব পণ্য প্রতিদিন ছড়িয়ে পড়ছে দোহার-নবাবগঞ্জের বিভিন্ন কনফেকশনারি,ফার্ষ্টফুড চা ও মুদি দোকানে। অস্বাস্থ্যকর এসব পণ্য হাত ঘুরে চলে যাচ্ছে মানুষের পেটে।

দোহারের জয়পাড়া, থানার মোর, লটাখোলা নতুন বাজার, রায়পাড়া, কার্তিকপুর, মেঘুলা, উত্তর শিমুলিয়া, নবাবগঞ্জের বান্দুরা, বারুয়াখালী, শোল্লা, গালিমপুরসহ বিভিন্নস্থানে গড়ে ওঠা এসব বেকারিগুলোর বেশিরভাগেরই নেই বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন (বিএসটিআই) এর অনুমোদন, কোন কোন বেকারির নেই টিন সার্টিফিকেট,ফায়ার সার্ভিসের ছাড়পত্র। এমনকি সাধারণ ট্রেড লাইসেন্স ও নেই কিছু বেকারির। নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মানহীন উপাদান দিয়ে দিনের পর দিন রকমারি খাদ্যদ্রব্য তৈরি হচ্ছে এসব বেকারিগুলোতে । গত পনের দিনের অনুসন্ধানে দোহার নবাবগঞ্জের বিভিন্ন বেকারি ঘুরে এমন তথ্যই জানা গেছে।

বেকারিগুলোতে নোংরা আসবাবপত্রে রাখা হয় বাহারি রকমের মুখরোচক বিস্কুট, কেক। পাশেই থাকে মেয়াদোত্তীর্ণ কিছু খাদ্যদ্রব্য । ফেরত আসা বাসি খাবারগুলো চুল্লিতে দিয়ে গরম করে নতুন মোড়কে আবার সেগুলো বিক্রি করা হয় । দোহারের একটি বেকারিতে দেখা গেল ময়দা প্রক্রিয়াজাত করার মেশিনে মরিচা পড়ে আছে তবু সেটি দিয়েই চলছে খাদ্য প্রস্তুতের কাজ । বিস্কুট ও কেক তৈরি করার বিশাল চুল্লির আশপাশে রয়েছে ময়লা-আবর্জনার স্তূপ, স্যাঁতসেঁতে মেঝের মধ্যে রাখা হচ্ছে নোংরা ড্রাম। যার মধ্যে রয়েছে দীর্ঘদিনের পোড়া তেল। মেঝেতে পড়ে আছে ডিমের খোসা আর তার ওপর মশা-মাছির উপদ্রব। শুধু তাই নয়,খাদ্যদ্রব্য প্রস্তুতের সময় তাতে মেশানো হচ্ছে কৃতিম রং,ক্ষতিকারক এমোনিয়া, মেয়াদ উত্তীর্ণ বেকিং পাউডার ,খোলা ময়দা, চিনি, ডালডাসহ নারা রকম ক্ষতিকারক রাসায়নিক দ্রব্য এমনকি বেকারির কারিগরদের হাতে থাকেনা গ্লাবস, ঢাকা থাকেনা মাথার চুল। সরেজমিনে দোহার নবাবগঞ্জের বিভিন্ন বেকারি ঘুরে প্রায় একই চিত্র দেখা গেছে।

এসব বেকারির তৈরি পণ্য দোহার-নবাবগঞ্জের ছোট-বড় দোকানে এবং বিভিন্ন ফার্ষ্টফুডে প্রতিদিন সকালে তাদের নিজস্ব ভ্যানগাড়িতে করে পৌঁছে দেওয়া হয়। আর এভাবেই মানহীন এসব খাদ্যদ্রব্য পৌচ্ছে যাচ্ছে সবার হাতে। যা খেয়ে পেটের পিড়াসহ নানারকম অসুখে পড়ছেন সাধারণ মানুষ।

এসব বেকারি ও তাদের নোংরা কর্মকান্ড বন্ধ করতে মাঝে মাঝেই দেখা যায় দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে মানহীন খাদ্য প্রস্তুত করায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে আর্থিক জরিমানা করতে। কিন্তু তাতে কাজের কাজ কিছুই হয়না। কিছুদিন উৎপাদন বন্ধ রেখে তারা আবার আগের মতোই মানবদেহের জন্য ক্ষতিকারক বিভিন্ন রাসায়নিক দ্রব্য মিশিয়ে খাদ্যদ্রব্য উৎপাদনে নেমে পড়েন। সচেতন মহল মনে করেন, শুধু জরিমানা করেই নয়,এসব বেকারিগুলোকে নিয়মিত তদারকি করার মাধ্যমে এই সমম্যার সমাধান সম্ভব।

এ বিষয়ে দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম.আল-আমীন নিউজ ৩৯ কে বলেন, ”আমরা নিয়মিত এদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছি ভবিষতেও তা অব্যাহত থাকবে। তবে সবার আগে ভোক্তাদের সচেতন হতে হবে। তবেই এ সমস্যার সমাধান সম্ভব”।

একদিনে ৩৬ কোটি বই বিতরণ আ.লীগ সরকারের পক্ষেই সম্ভবঃ মান্নান খান

 

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আবদুল মান্নান খান বলেছেন, একদিনে সারাদেশে ৩৬ কোটি বই বিতরণ করা কেবল মাত্র আওয়ামী লীগ সরকারের পক্ষেই সম্ভব। আর এটা সম্ভব হয়েছে বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারণে। শনিবার বিকালে ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার জয়কৃষ্ণপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতা ও পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন।

নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাসির উদ্দিন আহমেদ ঝিলু অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি রতন চন্দ্র বসাক এতে সভাপতিত্ব করেন।

মান্নান খান বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর স্বাধীনতা বিরোধীরা বার বার তার কন্যাকে হত্যা করতে চেয়েছিল। এদেশকে পিছিয়ে দিতে করেছে নানা ষড়যন্ত্র। তাদের বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে শেখ হাসিনার সরকার অভূতপূর্ব উন্নয়ন করছেন।

তিনি আরো বলেন, এখন আর সার নিতে গিয়ে কৃষকদের জীবন দিতে হয় না। এদেশের কৃষি, শিক্ষাসহ প্রতিটি ক্ষেত্রের উন্নয়ন চোখে পড়ার মতো। তাই বর্তমান সরকারের উন্নয়নের মডেল।

এর আগে তিনি পিইউএস, জাপান কর্তৃক প্রদত্ত নতুন ভবন উদ্বোধন করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কাজী শওকত শাহীন, ঢাকা জেলা যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক মো. আকমল হোসেন, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মোতালেব হোসেন।

উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. হুমায়ুন কবির, নবাবগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পত্তনদার মো. রাকিব, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কথিলডা গমেজ প্রমুখ।

দোহারে ৬০ পিচ ইয়াবাসহ ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

 

ঢাকার দোহারে ৬০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মোঃ ফয়সাল বিশ্বাস (২৫) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে দোহার থানা পুলিশ। ফয়সাল বিশ্বাস উপজেলার কুসুমহাটি ইউনিয়নের সুন্দুরী পাড়া গ্রামের বাসিন্দা।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঢাকার দোহার উপজেলার কুসুমহাটি ইউনিয়নের সুন্দুরী পাড়া এলাকায় শুক্রবার রাতে দোহার থানা অফিসার ইনচার্য শেখ সোহেল রানার নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনার সময় মোঃ ফয়সাল বিশ্বাস কে আটক করে। পরে ফসালের দেহ তল্লাশি করে ষাট পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে এবং ফয়সালকে আটক করে দোহার থানা পুলিশ।

এই ব্যাপারে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে দোহার থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম জানায়, ফয়সালের নামে মাদক আইনে মামলা রুজু করে তাকে শনিবার সকালে কোর্টে প্রেরণ করা হয়েছে।

চরভদ্রাসনে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে দোহারের বৃদ্ধার মৃত্যু

 

চরভদ্রাসন উপজেলার খালাসীডাঙ্গী গ্রামের পাইচেরবাড়ী মোড় নামক স্থানে গত শুক্রবার বিকেলে রানু আক্তার (৭০) নামের এক অটোযাত্রী গলায় ওড়না পেঁচিয়ে মারা গেছেন। দুর্ঘটনার পর ওই বৃদ্ধাকে চরভদ্রাসন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনলে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আবুল কালাম তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত বৃদ্ধা দোহার উপজেলার সিরাজ মোল্যার স্ত্রী।

গত দুই দিন আগে তিনি উপজেলার নয়াডাঙ্গী গ্রামে নাতনির বিয়েতে বেড়াতে এসেছিলেন। নাতনির বিয়ে শেষে বাড়ি ফেরার পথে পরনের ওড়না অটোবাইকের চাকায় পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে তার মৃত্যু হয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্র জানান। নিহত বৃদ্ধার লাশ তার স্বজনরা বাড়িতে নিয়ে গেছেন।

এ ব্যপারে থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রামপ্রসাদ ভক্ত জানান, হাসপাতাল থেকে থানায় কোনো সংবাদই জানানো হয়নি। জানা যায়, গত দুই দিন আগে নয়াডাঙ্গী গ্রামে বৃদ্ধার মেয়ে জামাই ফরহাদ বেপারির বাড়িতে ছোট নাতনি মিথিলার বিয়েতে নানি বেড়াতে এসেছিলেন।

শুক্রবার বিকেলে বাড়ি ফেরার পথে তালতলা মোড় নামক অটোস্ট্যান্ড থেকে তিনি গোপালপুর পদ্মা নদীর ঘাটের উদ্দেশে সেক বাচ্চুর গাড়িতে ওঠেন এবং অটোর বাম পাশের সিটে বসেছিলেন। প্রায় ৪ কি.মি. রাস্তা পার হওয়ার পর গোপালপুর ঘাটের কাছাকাছি পাইচেরবাড়ী মোড় এলাকায় পৌঁছলে পরনের ওড়না অটোর চাকায় পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস লেগে চাকায় পিষ্ট হয়। পরে চরভদ্রাসন হাসপাতালে আনলে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পদ্মার বাঁধ দেখভালের দায়িত্ব এলাকাবাসীর: সালমা

 

ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য সালমা ইসলাম এমপি বলেছেন, ‘জনগণের জানমাল রক্ষায় পদ্মার ভাঙন রোধে বাঁধ নির্মিত হচ্ছে। এটা দেখভালের দায়িত্ব এলাকাবাসীর। আমি নির্বাচনের সময় ওয়াদা করেছিলাম- দোহারের নয়াবাড়ী ইউনিয়নের মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে নদীর ভাঙন রক্ষায় কাজ করব। আল্লাহর রহমতে এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সদিচ্ছায় সেটা শুরু করতে পেরেছি।’

শুক্রবার দুপুরে দোহারের নয়াবাড়ী ইউনিয়নের বাহ্রাঘাট এলাকায় ২১৭ কোটি টাকা ব্যয়ে পদ্মার ভাঙন রক্ষাবাঁধ নির্মাণ প্রকল্প পরিদর্শনকালে এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় সালমা ইসলাম এমপি দুস্থ মানুষের মাঝে বস্ত্র বিতরণ করেন।

অনুষ্ঠানে সালমা ইসলাম বলেন বলেন, ‘আপনাদের পাশে থেকে কাজ করতে চাই। অনেকে আপনাদের ভুল বোঝাতে পারে। পদ্মার ভাঙন রক্ষাবাঁধ নির্মাণ ছিল আমার প্রধান প্রতিশ্র“তি। আপনাদের দোয়ায় সেটা হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে অরঙ্গাবাদ থেকে বাহ্রাঘাট পর্যন্ত সাড়ে ৩ কিমি. পরে মাহমুদপুর, বিলাশপুর ও নারিশা পর্যন্ত আরও ১৬ কিমি. কাজ হবে। এটাও প্রক্রিয়াধীন। বর্তমান সরকারের সহযোগিতায় ও আমার প্রচেষ্টায় দোহারের নদীভাঙন রোধে বাকি কাজও শেষ করতে চাই। যাতে দোহারের চরাঞ্চলের সাধারণ মানুষ নদীভাঙন দুর্ভোগ থেকে রক্ষা পায়। সে বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও চিন্তা করছেন। আশা করি, উনার চিন্তার প্রতিফলন ঘটলে দোহারবাসী এ দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেতে পারেন।’

সালমা ইসলাম এমপি আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে সি-বোটে ঘুরে ভাঙন এলাকা পরিদর্শন ও চলমান প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি দেখেন।

ঐতিহ্যবাহী প্রতিযোগিতা গরুর কাছি ছেঁড়া

 

 

 

আবহমানকাল থেকে আমাদের দেশে অঞ্চলভেদে গৃহপালিত বিভিন্ন ধরনের পশুপাখি দিয়ে নানা ধরনের খেলাধুলা বা বিনোদন দেয়ার আয়োজন করে থাকে। এতে অন্য যেকোনো বিনোদন ব্যবস্থার চেয়ে কয়েক গুণ বেশি বাড়তি আনন্দ পেয়ে থাকে। এ জন্য নারী পুরুষ থেকে শুরু করে সব ধরনের বয়সের দেখা মেলে এ ধরনের আয়োজনকে কেন্দ্র করে। আমাদের দেশে সাধারণত পশুপাখি দিয়ে যে বিনোদনের আয়োজন করা হয় এর মধ্যে রয়েছে ঘোরদৌড়, ষাঁড়ের লড়াই, গরুর গাড়ি প্রতিযোগিতা, মোরগ-মুরগির লড়াই ও গরুর কাছি ছেঁড়া প্রতিযোগিতা অন্যতম। ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় ঐতিহ্যবাহী পশুর প্রতিযোগিতা হিসেবে গরুর কাছি ছেঁড়া প্রতিযোগিতা এ অঞ্চলের মানুষের কাছে অত্যন্ত একটি জনপ্রিয় খেলা। দেশের অন্য কোনো অঞ্চলে এ খেলাটি চোখে না পড়লেও প্রায় ২০০ বছর ধরে গরুর কাছি ছেঁড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করে আসছে এলাকাবাসী। বিশেষ করে জাতি ধর্ম নির্বিশেষে সবাই একাত্মতা প্রকাশ করে এ আয়োজন করে থাকে। বাংলা ক্যালেন্ডারকে অনুসরণ করেই বছরে একবার এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

পৌষসংক্রান্তি উপলক্ষে এ বছর ১৪ জানুয়ারি, শনিবার ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার যন্ত্রাইল ইউনিয়নের চন্দ্রখোলা গ্রামে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। উৎসুক জনতা গরুর কাছি ছেঁড়া প্রতিযোগিতা দেখতে ওই দিন দুপুরের পর থেকে আয়োজন স্থলে আসতে শুরু করে। হাজার হাজার দর্শনার্থীর উপস্থিতিতে এ প্রতিযোগিতা শুরু হয়।

অনুষ্ঠানস্থল ঘিরে বাঙালি সংস্কৃতির বিভিন্ন আয়োজন চোখে পড়ে। আয়োজন করা হয় গ্রাম্য মেলার। এ ছাড়া নিমকি, চানাচুর, মদনমুরালী, বাদামি ও মিষ্টিসহ মুখরোচক বিভিন্ন খাবারের লোভ সামলাতে পারে না দর্শনার্থীরা। সেই সাথে শিশু-কিশোরদের খেলাধুলার বিভিন্ন উপকরণের দেখা মেলে।

গরুর কাছি ছেঁড়া খেলায় গরু বা ষাঁড়কে মোটা কাছি অথবা রশি দিয়ে একটি খুঁটির সাথে বেঁধে দেয়া হয়। একদল ঢোলক ঢোল পেটানো শুরু করলে গরু লাফালাফি শুরু করে, একপর্যায়ে গরু দৌড় দেয়। দৌড় দিয়ে যদি গরুর গলায় বাঁধা কাছি ছিঁড়তে পারে তবে তাকে প্রাথমিকভাবে বিজয়ী হিসেবে ধরে নেয়া হয়। কাছি ছিঁড়তে না পারলে প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে পড়ে। এভাবে যে গরু সব চেয়ে বেশীবার কাছি ছিঁড়তে পারবে সেই গরুকে বিজয়ী করা হয়। তবে প্রতিযোগিতার সময় গরু কাছি ছিঁড়ে দৌড় দেয়ার সময় গরুর পায়ের নিচে পড়ে অনেকে আহত হয়। তাই এ খেলাটি যেমন ঝুঁকিপূর্ণ তেমনি খুবই উপভোগ্য। অনেক সময় গরুর আঘাতে জীবনাশের মতো ঘটনা ঘটে থাকে। এ জন্য দর্শনার্থীদের সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়। তবু গরুর কাছি ছেঁড়া খেলা দেখার জন্য হাজারো মানুষের ঢল নামে পরন্ত বিকেলে। স্থানীয় বাসিন্দা পীযূষ মণ্ডল জানান, প্রায় ৪০০ বছর আগে থেকে এ প্রথা পালন করে আসছে এলাকার সবস্তরের মানুষ। প্রতি বছর পৌষ মাসের শেষ দিনে এ উৎসব পালন করা হয়। এলাকায় মানুষজন প্রতি বছরই এ প্রতিযোগিতা দেখার জন্য অধীর অপেক্ষায় থাকে।

হরিস্কুল গ্রামের স্কুলশিক্ষক আব্দুর রশিদ জানান, মেলা উপলক্ষে কয়েক দিন আগে থেকে আশপাশের বাড়িগুলোতে বাড়তে থাকে অতিথির সংখ্যা। আপ্যায়নের জন্য রকমারি পিঠাপুলির আয়োজন করা হয়।

যন্ত্রাইল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নন্দলাল সিং জানান, এ মেলা এ অঞ্চলের মানুষের প্রাণের উৎসব। পৌষসংক্রান্তি উৎসব উপলক্ষে এই আয়োজন এ অঞ্চলের মানুষের মাঝে অনেক আনন্দ বয়ে আনে। বাড়ি বাড়ি চলে অতিথি আপ্যায়ন।

ভাইরাসের কারনে পেনড্রাইভে ঢুকতে পারছেন না ?

0

অনেক সময় ভাইরাসের প্রভাবে পেনড্রাইভে ঢোকা যায় না। Pendrive is Write Protected বার্তা আসে, ফলে পেনড্রাইভ ফরম্যাট হয় না। চাইলে সহজেই এর সমাধান করা যাবে। এ জন্য ইউএসবি পোর্টে পেনড্রাইভ লাগিয়ে নিয়ে CTRL+R বোতাম একসঙ্গে চেপে রান চালু করতে হবে। এরপর regedit লিখে এন্টার চাপুন। এবার HKEY_LOCAL_MACHINE > SYSTEM > CurrentControlSet > Control > StorageDevicePolicies পর্যন্ত যান।

কোনো কোনো কম্পিউটারে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে StorageDevicePolicies নামের কি থাকে না। না থাকলে Control পর্যন্ত গিয়ে Control-এর ওপর মাউসের ডান বোতামে ক্লিক করুন। New থেকে Key নির্বাচন করুন। এখানে StorageDevicePolicies লিখে এন্টার চাপলে সেটি তৈরি হয়ে যাবে। এবার ডান দিকে রাইট ক্লিক করে New থেকে ৩২-বিট উইন্ডোজের জন্য DWORD (32-bit) value এবং ৬৪-বিটের জন্য DWORD (64-bit) value-তে ক্লিক করে এটির নাম WriteProtect লিখে দিন। WriteProtect-এ দুই ক্লিক করে Value Data Box-এ 0 (শূন্য) লিখে ওকে চাপুন। এবার স্টার্ট মেনুতে cmd লিখুন। cmd এলে সেটির ওপর মাউসের ডান বোতামে ক্লিক করে Run as administrator চেপে খুলুন।

এবার এখানে diskpart লিখে এন্টার চাপুন। আবার list disk লিখে এন্টার চাপুন। তালিকায় আপনার পেনড্রাইভ দেখালে select disk K: লিখুন। এখানে K: হচ্ছে পেনড্রাইভের ড্রাইভ লেটার, আপনার পেনড্রাইভের ড্রাইভ লেটার জেনে নিয়ে K: এর স্থানে সেটি লিখে এন্টার চাপুন। এবার attributes disk clear readonly লিখে এন্টার চাপুন। আবার clean লিখে এন্টার চাপুন। পরের বার create partition primary লিখে আবার এন্টার চাপুন। শেষে format fs=fat 32 লিখে এন্টার চাপুন। কম্পিউটার রিস্টার্ট করে নিয়ে পেনড্রাইভ ফরম্যাট করে নিন।

ওপরের নিয়মে কাজ না হলে আপনার পেনড্রাইভের ড্রাইভ লেটার জেনে নিন। পেনড্রাইভ কম্পিউটারে লাগিয়ে শাটডাউন করুন। আবার কম্পিউটার চালুর বোতাম চেপে দ্রুত কি-বোর্ড থেকে (F8) কি চেপে ধরুন। Advanced Boot Options দেখাবে। এখানে কি-বোর্ডের ওপর-নিচ কি ব্যবহার করে Safe Mode with Command Prompt নির্বাচন করে এন্টার বোতাম চাপুন। ফাইল লোড সম্পন্ন হলে কমান্ড প্রম্পট চালু হবে। এখানে পেনড্রাইভের ড্রাইভ লেটার K: লিখে এন্টার চাপুন। পরেরবার আবারও format K: লিখে এন্টার চাপুন। পেনড্রাইভ ফরম্যাট করতে চান কি না, সেটি জানতে Y/N কি চাপতে বলবে। তাই এখানে Y লিখে আবারও এন্টার চাপলে পেনড্রাইভ ফরম্যাট হওয়া শুরু করবে।

সালাহউদ্দীন মোল্লা পুনরায় জাসাসের সহ-সভাপতি মনোনীত

ছয় বছর পর জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস)নতুন কমিটির অনুমোদন দিয়েছে বিএনপি। কমিটির সভাপতি হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ড. মামুন আহমেদ এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন চিত্রনায়ক হেলাল খান। দোহার উপজেলা চেয়ারম্যান পদে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ছিলেন সালাহ উদ্দীন মোল্লা। নতুন কমিটিতে তিনি পুনরায় সহ-সভাপতি মনোনীত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ কথা জানানো হয়। এতে বলা হয় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদার পরামর্শে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জাসাসের ৩০ সদস্য বিশিষ্ট (আংশিক) জাতীয় নির্বাহী কমিটি অনুমোদন দিয়েছেন।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- বাবুল আহমেদ-সিনিয়র সহ-সভাপতি, রাহিজা খানম ঝুনু-সহ-সভাপতি, মনিরুজ্জামান মনির-সহ-সভাপতি, নুর উদ্দিন আহমেদ নুরু-সহ-সভাপতি, আনিসুল ইসলাম সানি-সহ-সভাপতি,ইথুন বাবু-সহ-সভাপতি, শায়রুল কবির খান-সহ-সভাপতি, সালাউদ্দিন মোল্লা-সহ-সভাপতি, জাহাঙ্গীর আলম রিপন-সহ-সভাপতি, রিজিয়া পারভীন-সহ-সভাপতি, সালাহ উদ্দিন ভূঁইয়া শিশির-সহ-সভাপতি, ওবায়দুর রহমান চন্দন-সহ-সভাপতি, লিয়াকত আলী-সহ-সভাপতি, রফিকুল ইসলাম-সহ-সভাপতি, আহসান উল্লাহ চৌধুরী-সহ-সভাপতি, মীর সানাউল হক-সহ-সভাপতি, শাহরিয়ার ইসলাম শায়লা-সহ-সভাপতি,হাসান চৌধুরী-সহ-সভাপতি,বাদশা বুলবুল-সহ-সভাপতি, হান্নান শেলী-সহ-সভাপতিজাহিদুল আলম হিটু-সহ-সভাপতি,আবুল হাশেম রানা-সহ-সভাপতি, জাকির হোসেন রোকন-সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক,আব্দুল হান্নান মাসুম-যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক,মাকসুদুর রহমান টিপু-যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, রফিকুল ইসলাম স্বপন-যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, দ্বীন মোহাম্মদ মন্টু-যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, চৌধুরী মাজাহার আলী (শিবা সানু)-সাংগঠনিক সম্পাদক।

২০১০ সালে এমএ মালেককে সভাপতি ও মনির খানকে সাধারণ সম্পাদক করে ৩৪৫ সদস্যবিশিষ্ট জাসাসের সর্বশেষ কমিটি ঘোষণা করেছিলেন খালেদা জিয়া।

নবাবগঞ্জে চার মাস পর কবর থেকে লাশ উত্তোলন

নবাবগঞ্জে এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু ও দাফনের চার মাস পর কোর্টের নির্দেশে কবর থেকে পুনরায় ময়নাতদন্তের জন্য লাশ উত্তোলন করা হয়েছে। নিহত গৃহবধূ সোনিয়া আক্তার চূড়াইন শংকরখালী গ্রামের প্রবাসী মো. রাসেলের স্ত্রী। ঘটনার চার মাস পর বৃহস্পতিবার দুপুরে স্থানীয় কবরস্থান থেকে কোর্টের নির্দেশে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহনাজ মিথুন মুন্নীর উপস্থিতিতে লাশটি তোলা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চূড়াইনের শংকরখালী নিবাসী রাসেলের সঙ্গে প্রতিবেশী সোনিয়া আক্তারের পারিবারিক সম্মতিতে বিয়ে হয়। বিয়ের পর তাদের সংসার ভালোই চলছিল। সোনিয়ার মা লাকী আক্তার অভিযোগ করে বলেন, সোনিয়ার স্বামী রাসেল চাকরির জন্য তার কর্মস্থল কাতার চলে গেলে তার ওপর শ্বশুর, শাশুড়ি ও ননদের নির্যাতন শুরু হয়। গত বছরের ১৬ই সেপ্টেম্বর রাতেও সোনিয়ার ওপর তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন নির্যাতন করেন। সকালে সোনিয়ার শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাদের জানান, সোনিয়া আত্মহত্যা করেছে। তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে সোনিয়ার ঝুলন্ত লাশ দেখতে পায়। শশুরবাড়ির লোকজনের দাবি, সে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে অপমৃত্যু মামলা দিয়ে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করে। এ ঘটনায় নিহতের মা লাকী আক্তার তার মেয়েকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করা হয়েছে মর্মে আদালতে মামলা করেন। মামলার তদন্তের ভার দেয়া হয় ডিবি পুলিশকে। সেই সঙ্গে আদালত লাশ পুনরায় উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশ পেয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহনাজ মিথুন মুন্নী, ডিবি পুলিশের কর্মকর্তা ও নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ উপস্থিতিতে লাশ উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
নবাবগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহনাজ মিথুন মুন্নী বলেন, কোর্টের নির্দেশে লাশটি কবর থেকে ময়নাতদন্তের জন্য এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতে তুলে ঢাকা পাঠানো হয়েছে।