দোহারে চরম লোডশেডিং; বিদ্যুৎ যাচ্ছে নবাবগঞ্জে

দোহারের জন্য বরাদ্দকৃত বিদ্যুৎ ট্রান্সফার করে দেওয়া হচ্ছে পাশের উপজেলা নবাবগঞ্জে। এমনই তথ্য জানা গেছে নিউজ থার্টিনাইনের অনুসন্ধানে। জানা যায়,নবাগঞ্জের পাওয়ার প্ল্যান্টে সমস্যা দেখা দেওয়ায় দোহারে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রেখে নবাবগঞ্জে সঞ্চালন করা হচ্ছে। আজ উপজেলার মুকসদপুরের কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ লাইনের উপর গাছ কাটা হলে ও সংযোগ বন্ধ রাখা হয় সম্পূর্ণ দোহার উপজেলায়।

দোহারে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ থাকার ফলে নানাবিধ সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে দোহার উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অবস্থিত নানা ধরনের অফিস আদালত ব্যাংক,বীমাসহ সেবাদান কারী সকল প্রতিষ্ঠানগুলোকে। গতকাল রবিবার দিবাগত রাত ১০ টা ৪০ মিনিট থেকে আজ দুপুর ১২ টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ ছিলনা দোহার উপজেলার কোন গ্রামে। অথচ দোহারে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রেখে নবাবগঞ্জে ।

সরজমিনে আজ সোমবার দোহারের জয়পাড়ায় অবস্থিত বিভিন্ন ব্যাংকের শাখাগুলোতে গিয়ে দেখা গেছে গ্রাহকদের দীর্ঘ লাইন। কারন হিসেবে ব্যাংকগুলো থেকে একই উত্তর মিলল বিদ্যুৎ নেই ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ থাকায় করা যাচ্ছেনা।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে ঢাকা পল্লী সমিতি-২ এর বিদ্যুৎ দোহার জোনাল অফিস শাখার এজিএম রাশেদুজ্জামান নিউজ থার্টিনাইনকে বলেন,”গতকাল ঝড়ের কারনে কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় কয়েকটি গাছ সঞ্চালন লাইনের বৈদ্যুতিক খুঁটির উপর পড়ে গেলে দোহার বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। আজ দুপুর নাগাদ দোহারে কিছু সময়ের জন্য বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হলেও নবাগঞ্জের পাওয়ার প্ল্যান্টে সমস্যা দেখা দেওয়ায় দোহারে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রেখে নবাবগঞ্জে সঞ্চালন করা হচ্ছে। অতি দ্রুতই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে ।

নিজেই তৈরি করুন রসমালাই

নতুন বছরের প্রথম দিন হাতে বানানো রসমালাই দিয়ে মিষ্টিমুখ করলে কেমন হয়? খুব সহজেই তৈরি করে ফেলতে পারবেন সুস্বাদু রসমালাই। বছরের প্রথম দিন অতিথি আপ্যায়নেও পরিবেশন করতে পারবেন মজার এই মিষ্টি। জেনে নিন কীভাবে তৈরি করবেন রসমালাই-

উপকরণ
দুধ- ১ লিটার
চিনি- ৩/৪ কাপ
আমন্ড কুচি- ১ চা চামচ
দারুচিনি গুঁড়া- সামান্য
পনির- ১০০ গ্রাম
এলাচ গুঁড়া- সামান্য
জাফরান- ১ চিমটি
পেস্তা বাদাম কুচি- সামান্য
ময়দা- ২ চা চামচ
বেকিং পাউডার- ১ চা চামচ
ডিম- ১টি

প্রস্তুত প্রণালি
ময়দার সঙ্গে পনির, ডিম ও বেকিং পাউডার মিশিয়ে ডো তৈরি করুন। ডো থেকে ছোট ছোট বল তৈরি করে প্লেটে রাখুন।
প্যানে ১ কাপ পানি গরম করুন। ১/৪ কাপ চিনি দিয়ে চুলার আঁচ বাড়িয়ে দিন। চিনি পুরোপুরি গলে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। প্যান নামিয়ে গরম থাকা অবস্থায় ময়দার বলগুলো দিয়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন পাত্র। কয়েক ঘণ্টা রাখুন এভাবে।
দুধ জ্বাল দিয়ে অর্ধেক করুন। ১/২ কাপ চিনি দিয়ে ফুটিয়ে নিন। এলাচ গুঁড়া, দারুচিনি গুঁড়া ও জাফরান দিন দুধে। চিনির সিরাপ থেকে ময়দার বল উঠিয়ে গরম দুধের মধ্যে ছেড়ে দিন। আমন্ড কুচি ও পেস্তা বাদাম ছিটিয়ে ঠাণ্ডা করুন। ফ্রিজে রাখতে পারেন চাইলে। মজাদার রসমালাই পরিবেশন করুন নতুন বছরের প্রথম দিনে!

 

আজ ৫ মার্চ, ৭১ এর এই দিনে

১৯৭১ সালের ৫ মার্চ ৫ম দিনের মত হরতাল পালনকালে সশস্ত্রবাহিনী সদস্যদের গুলিতে টঙ্গী শিল্প এলাকায় ৪ জন শ্রমিক শহীদ হন এবং ২৫ জন শ্রমিক আহত হন। এ সংবাদে ঢাকায় জনসাধারণের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।

সন্ধ্যায় সরকারিভাবে ঘোষণা করা হয়, আজ ঢাকায় সেনাবাহিনীকে ব্যারাকে ফিরিয়ে নেয়া হয়েছে।

বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে হরতালের পর ব্যাংক খোলা থাকে। মসজিদে মসজিদে জুমার নামাজের পর শহীদদের আত্মার শান্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকাসহ সারাদেশে প্রতিবাদ সভা ও শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়।

লাহোরে দেশের পূর্বাঞ্চলে সাম্প্রতিক আন্দোলনে নিহত শহীদদের গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয় এবং সঙ্কটময় মুহূর্তে দেশের সংহতির জন্য বিভিন্ন মসজিদে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

চর চেয়ারম্যান জেড. এ. ভুট্টো রাওয়ালপিন্ডির প্রেসিডেন্ট ভবনে প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়ার সাথে ৫ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে আলোচনা করেন।

অবসরপ্রাপ্ত এয়ার মার্শাল আসগর খান বিকেলে করাচী থেকে ঢাকায় পৌঁছোন। তিনি রাতে বঙ্গবন্ধুর সাথে ধানমন্ডিস্থ বাসভবনে সাক্ষাৎ করেন।

রাতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিদেশী বেতারে প্রচারিত ‘শেখ মুজিব জনাব ভুট্টোর সঙ্গে ক্ষমতা ভাগ ভাটোয়ারা করতে রাজি আছেন’ সংক্রান্ত সংবাদকে ‘অসদুদ্দেশ্যমূলক’ ও ‘কল্পনার ফানুস’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

বঙ্গবন্ধুর স্বাধিকার আন্দোলনের আহবানে সাড়া দিয়ে বিকেলে কবি সাহিত্যিক ও শিক্ষকবৃন্দ মিছিল নিয়ে রাজপথে নেমে আসেন। ছাত্রলীগ ও ডাকসুর উদ্যোগে বায়তুল মোকাররম থেকে মিছিল বের হয়।

এগার দফা আন্দোলনের অন্যতম নেতা তোফায়েল আহমদ ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দান থেকে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ সরাসরি রিলে করার জন্য ঢাকা বেতার কেন্দ্রের প্রতি আহবান জানান।

রাতে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তাজউদ্দিন আহমদ এক বিবৃতিতে বলেন, ঢাকা চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, রংপুর সিলেটসহ বাংলাদেশের অন্যান্য স্থানে মিলিটারির বুলেটে নিরীহ-নিরস্ত্র মানুষ, শ্রমিক, কৃষক ও ছাত্রদের হত্যা করা হচ্ছে। নির্বিচারে নিরস্ত্র মানুষকে এভাবে হত্যা করা মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ ছাড়া আর কিছুই নয়।

রাওয়ালপিন্ডিতে প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়ার সাথে পিপলস পার্টির প্রধান জেড. এ. ভুট্টোর আলোচনা বৈঠক শেষে পার্টির মুখপাত্র আবদুল হাফিজ পীরজাদা মন্তব্য করেন, জাতীয় পরিষদ অধিবেশন স্থগিত রাখার প্রেক্ষিতে আওয়ামী লীগের প্রতিক্রিয়া যেভাই বিচার করা হোক না কেন, তা অত্যন্ত অবাঞ্ছিত এবং আদৌ যুক্তিযুক্ত নয়।

 

ডাকাতের দখলে ঢাকা-নবাবগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়ক

রাজধানী ঢাকার পাশেই নবাবগঞ্জ উপজেলা। গুলিস্তান থেকে যযার দূরত্ব মাত্র ৩২ কিমি.। প্রতিদিনই শত শত যাত্রী ঢাকা যাতায়াত করছে। ব্যবসা, বাণিজ্য, চাকরি, অফিস-আদালতের পাশাপাশি অনেক শিক্ষার্থীও এ পথে যাতায়াত করে। কোনো নৈশকোচ বা বাস না থাকলেও ২৪ ঘণ্টাই যান চলাচল রয়েছে। তবে হাইওয়ে পুলিশ নেই। নেই কোনো পুলিশ চেকপোস্ট। এ অবস্থায় ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত প্রতিনিয়তই এ সড়কে ডাকাতের কবলে পড়ে সর্বস্ব হারাচ্ছে যাত্রী সাধারণ। এক কথায় বলা যায়, ডাকাতের দখলেই রয়েছে এ সড়ক।

স্থানীয় ও ভুক্তভোগীরা নিউজ থার্টিনাইনকে জানান, সন্ধ্যা থেকে সারা রাতেই ডাকাতের ভয়ে মানুষকে সতর্ক থাকতে হয়। এ সড়কপথে রাতে কেউ জরুরি প্রয়োজনে ঢাকা যেতে চাইলেও ডাকাত আতংক তার সব প্রয়োজনকে থমকে দেয়। গত বছর ৪ জুন শনিবার সন্ধ্যার পর ঢাকা থেকে ফিরছিলেন তৎকালীন নবাবগঞ্জ থানার ওসি সাইদুর রহমান । মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান পয়েন্টের মরিচায় সড়কে গাছ ফেলে ডাকাতির প্রস্তুতি দেখে তিনি আঁতকে উঠেন। তিনি কোনো রকমে রেহাই পেলেও অনেকেই সর্বস্ব হারিয়েছেন ডাকাতের হাতে। এমনিই একজন নবাবগঞ্জের বলমন্তর চর এলাকার টিটু জানান, গত বছর তিনি এক আত্মীয়ের লাশ নিয়েঢাকা থেকে নবাবগঞ্জ ফিরছিলেন। পথে ডাকাতের কবলে পড়েন। ঐ সময় ডাকাতরা কয়েকজনকে কুপিয়ে আহতও করে বলে জানান তিনি। অথচ ২শ গজ দূরেই পুলিশের একটি গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেন। কিন্তু পুলিশ তাদের কোন সাহায্য করেনি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

নবাবগঞ্জ উপজেলার টিকরপুর থেকে তুলসীখালি সেতু পর্যন্ত দুর্গম এলাকায় ডাকাতরা প্রায়ই সুযোগ বুঝেই হানা দেয়। এছাড়া কেরানীগঞ্জের শাক্তা ও কোনাখোলা সড়কেও একই অবস্থা। ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন বলেন, তাদের সামনেই গত বছর শাক্তা এলাকায় ডাকাতরা গাড়ি থামিয়ে লুটে নেয় মালামাল। অসহায় দৃষ্টিতে দেখা ছাড়া কোনো উপায় নেই। প্রতিরোধ করতে গেলেই জীবনের হুমকি।

কয়েক বছর আগে এ সড়কের বেনুখালী এলাকায় নবাবগঞ্জ থানার তৎকালীন ওসি নাসির চৌধুরীর মোবাইল ও ওয়ারলেস সেট ছিনিয়ে নেয় ডাকাতরা। এ সড়কের টিকরপুর চক, বেনুখালী, খারসুর ও মরিচায় নির্মিত সেতুর ঢালে এপ্রোচের নিচে বসেই ডাকাতির পরিকল্পনা হয় এমন দাবি এলাকাবাসীর। নবাবগঞ্জ অংশে রাতে পুলিশি টহল থাকলেও ডাকাতি সংঘটিত হওয়ার সময় তাদের সারা পাওয়া যায় না বলে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ রয়েছে।

এ সড়কের দুপাশে জঙ্গল আর একটু দূরেই বিশাল বিল এলাকা। ডাকাতি সংঘটিত করেই নিরাপদে চলে যায় ডাকাতদল। থানা পুলিশের কাছে মৌখিক অভিযোগ থাকলেও এসব ঘটনার অধিকাংশেরই মামলা রেকর্ড নেই। ফলে দায় এড়াতে সুযোগ পাচ্ছে নবাবগঞ্জ, কেরানীগঞ্জ ও সিরাজদিখান থানার কর্মকর্তারা।

এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কমর্ককর্তা (ওসি) মোস্তফা কামাল নিউজ থার্টিনাইনকে বলেন,” আমি দায়িত্ব গ্রহনের পর নবাবগঞ্জ থানার কোন অংশে ডাকাতির ঘটনা ঘটেনি। আশা করি ঘটবেওনা। আমাদের পুলিশ প্রতিটি রাস্তায় নিয়মিত টহল দিচ্ছে। ডাকাতি হয় নবাবগঞ্জের পরে সিরাদিখান থানার অংশে”।

নবাবগঞ্জের বান্দুরায় নদীতে ডুবে মাদরাসা ছাত্রের মৃত্যু

 

নবাবগঞ্জ উপজেলায় ইছামতি নদীতে ডুবে মাদরাসার এক ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে।  মৃত জাকারিয়া আহমেদ সাগর (১৫) উপজেলার নতুন বান্দুরা গ্রামের আ. রহিমের ছেলে এবং পুরাতন বান্দুরা আল-আমিন এতিমখানা ও মাদরাসার ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্র ছিল। গতকাল ৪ মার্চ শনিবার বিকালে উপজেলার পুরাতন বান্দুরা কাঠখোলা সংলগ্ন ওই নদীতে বন্ধুদের সঙ্গে গোসল করতে যায়। কিছুক্ষণ পর এলাকাবাসী অচেতন অবস্থায় তাকে নদীতে ভাসতে দেখে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আল-আমিন এতিমখানা ও মাদরাসার প্রধান শিক্ষক মুফতি মো. আল-আমিন বলেন, ‘জাকারিয়া সাগর অত্যন্ত শান্ত স্বভাবের ছেলে ছিল। তার অকাল মৃত্যু মাদরাসায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।’

এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক আলমগীর কবির জানান, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এ ব্যাপারে কেউ কোনো অভিযোগ না করায় পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে।

 

অনুবাদ কার্যক্রম বন্ধ বাংলাদেশ পর্তুগাল দূতাবাসের

ইতালী আগামী ১৭ ই মার্চ ২০১৭ হতে দূতাবাস কর্তৃক সকল ধরনের অনুবাদ সেবা কার্যক্রম বন্ধ করার সিধ্বান্ত নিয়েছে পর্তুগালের লিসবনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস। আইনগত জটিলতার কারণে এই সেবা কার্যক্রম বন্ধের জরুরী এক বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে বাংলাদেশ দূতাবাস লিসবন।

গত ২৮ শে ফেব্রুয়ারি লিসবনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস কর্তৃপক্ষের স্বাক্ষরিত জরুরী এক বিজ্ঞপ্তিতে অনুবাদ সেবা বন্ধের ব্যাপারে জানানো হয়। তবে কবে নাগাদ আবার অনুবাদ সেবা কার্যক্রম চালু হবে সেব্যাপারে নির্দিষ্ট কোনও তথ্য বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ্য করেনি দূতাবাস কর্তৃপক্ষ।

দূতাবাসের অনুবাদ সেবা কার্যক্রম বন্ধ হবার বিজ্ঞপ্তি দূতাবাসের ফেইসবুক পাতায় দেখতে পেয়ে পর্তুগালের বাঙলীপাড়া বলে খ্যাতি মাতৃ মনিজের রুয়া দো বেনফোরমোসোর বসবাসরত অনেক প্রবাসী বাংলাদেশী হতাশা প্রকাশ করেন, এ নিয়ে ভবিষ্যতে অভিবাসীদের ভিন্ন ভিন্ন অনুবাদ প্রত্যয়নের জন্য বিপাকে পড়তে হবে বলে অনেকেই শঙ্কা প্রকাশ করেন।

 

বাহরাইনে বাংলাদেশ দূতাবাসে নিষেধাজ্ঞা

বাহরাইনের বাংলাদেশি দূতাবাস বাহরাইনের সরকারি কর্তৃপক্ষ দ্বারা কিছু সমস্যার সুরাহা না করে দেয়া পর্যন্ত বাংলাদেশিদের কাজ করার অনুমতি প্রদানের বিষয়ে একটি সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। বাংলাদেশি শ্রমিকদের যথাসময়ে বেতন না দেয়া সংক্রান্ত মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই নিষেধাজ্ঞা জারির ঘটনা ঘটে।গত শনিবার আরব দৈনিক আল ওয়াসাতের বরাত দিয়ে চীনা বার্তা সংস্থা সিনহুয়া এ খবর দিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের ওই সিদ্ধান্ত ১লা মার্চ থেকে কার্যকর করা হয়েছে। মানামার কর্মকর্তারা ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, বাহরাইন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা ও সমঝোতায় পৌঁছানোর পরেই বাংলাদেশি কর্মকর্তারা ওই নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে পারেন। দূতাবাসের একজন কর্মকর্তা আল ওয়াসাতকে বলেছেন, দূতাবাস বাংলাদেশি শ্রমিকদের কাছ থেকে দৈনন্দিন ভিত্তিতে যে অভিযোগ পাচ্ছেন তা গড়ে ৫০টির কম হবে না। আর এদের অধিকাংশই বলছেন যে, তারা ঠিকমতো বেতন পাচ্ছেন না।
গতকাল সিনহুয়ার বরাত দিয়ে এশিয়া নিউজ ইন্টারন্যাশনাল বলেছে, দূতাবাসের মতে বাহরাইনে ১ লাখ ৮০ হাজার শ্রমিক কাজ করেন। এরমধ্যে প্রায় ৫০ হাজার অবৈধ শ্রমিক রয়েছেন। কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন যে, বিপুল সংখ্যক শ্রমিকই গৃহহীন এবং তারা রাস্তার ধারসহ বিভিন্ন উš§ুক্ত স্থানে রাতযাপন করে থাকে।
নিষেধাজ্ঞা এই প্রথম নয়। ২০১৫ সাালেও একই ধরনের নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছিল। ২০০৮ সালে অবশ্য বাহরাইন সরকার এক বাংলাদেশির দ্বারা শ্রমিক বিরোধের ঘটনায় এক বাহরাইন নাগরিককে হত্যার ঘটনায় বাংলাদেশি শ্রমিকদের ওয়ার্ক পারমিট দেয়ায়  নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল।

 

নবাবগঞ্জে অগ্নিকান্ডে চার দোকান ছাই

নবাবগঞ্জ উপজেলার জয়কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের ঘোষাইল বাজারে অগ্নিকাণ্ডে ৪টি দোকান পুড়ে গেছে। গত ৩ মার্চ শুক্রবার রাত ৯টায় উপজেলার ঘোষাইল বাজারে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাত পৌনে ৯টায় ঘোষাইল বাজারে বিদ্যুতের শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। মুহূর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা বাজারের আশপাশে ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় বাজারের একটি হার্ডওয়ারের দোকান, ইলেকট্রুনিকের দোকান, ফলের দোকান ও স্বর্ণের দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এতে প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্ত মালিকদের দাবি। ঢাকা পল্লীবিদ্যুৎ-২ এর জেনারেল ম্যানেজার আলমগীর মুঠোফোনে জানান, বিদ্যুতের শর্টসার্কিট থেকে নয়, ভিন্ন কোনো কারণে আগুন লেগেছে। আমরা জানতে পেরে সঙ্গে সঙ্গে সংযোগ বন্ধ করে দিই।

 

দোহারে পদ্মা নদীর তীরে বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ

দোহারের নয়াবাড়ী ইউনিয়নের পদ্মা নদীর সাড়ে তিন কিলোমিটার এলাকায় বাঁধ নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। ২১৭ কোটি টাকা ব্যয়ে এ বাঁধ নির্মাণকাজ চলছে কচ্ছপ গতিতে। এর আগে দফায় দফায় বন্ধ ছিল প্রকল্পের কার্যক্রম। ফের কাজ শুরু হলেও এখন বাঁধের ব্লক তৈরিতে ব্যবহার হচ্ছে নিম্নমানের পাথর ও বালু। জানা যায়, এ বাঁধের কাজ শেষ করতে সময় লাগবে তিন বছর। এ তিন বছরের মধ্যে দুই বছর সময় লাগবে ব্লক তৈরিতে। বাকি এক বছর সময় লাগবে পদ্মাপাড়ে ব্লকগুলো স্থাপনে। গত ১৬ অক্টোবর থেকে শুরু হয়েছে ব্লক তৈরির কাজ।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ব্লক তৈরিতে ব্যবহার করা হচ্ছে নিম্নমানের সামগ্রী। ব্লক তৈরিতে যেখানে ব্যবহার করার কথা উন্নতমানের কালো পাথর, সাদা বালু, সিলিকন বালু ও সিমেন্ট—সেখানে ব্যবহার হচ্ছে পদ্মা থেকে তোলা বালু। পাথর হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে লাল পাথর (মরা পাথর)। মিশ্রণে সিমেন্টের পরিমাণও অনেক কম দেওয়া হচ্ছে। যে কারণে ব্লকগুলোর স্থায়িত্ব কম হবে বলে জানান নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রকল্পে কাজ করার কয়েকজন শ্রমিক। উপকরণ মিশ্রণে সাদা বালু (পদ্মা নদী থেকে তোলা) বেশি পরিমাণে দেওয়া হচ্ছে। যে কারণে ব্লক তৈরির পরপরই অনেকটা ফেটে যাচ্ছে।

এলাকাবাসী আব্দুর রাজ্জাক অভিযোগ করেন, এ কাজে আমার কমবেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে। এ প্রকল্পে যে ব্লক তৈরি করা হচ্ছে তা খুবই নিম্নমানের। সিমেন্টের পরিমাণ কম ব্যবহার করায় অনেক ব্লকেই ফাটল দেখা যাচ্ছে, ব্যবহূত পাথরগুলো মরা পাথর। তিনি বলেন, ‘এখনই যদি ব্লকে ফাটল ধরে তাহলে ভবিষ্যতে কি হবে, তা ভেবে আমরা হতাশ। সরকারের কোটি কোটি টাকার প্রকল্প পানিতে যাবে। ’

কৌশলে কথা হয় ব্লক তৈরির মিক্সার মেশিন পরিচালনাকারী মো. শফিকুল ইসলামের সঙ্গে। তিনি বলেন, যে পাথর দিয়ে ব্লক তৈরি করা হচ্ছে এটা লাল পাথর। এটাকে সবাই মরা পাথরও বলে। এই মরা পাথর দিয়ে চীনা কোনো কম্পানি হলে কাজই করত না। ওরা (চীনারা) যে পাথর ব্যবহার করে ওটা চার পয়েন্টের কালো পাথর। ওই পাথরে কোনো গুঁড়া ও মরা পাথর থাকে না। এ পাথর দিয়ে তৈরি করা ব্লক অনেক মজবুত হয়।

প্রকল্পে কর্মরত ঠিকাদার মো. লিয়াকত আলী বলেন, ‘আমাদের বড় ঠিকাদার যেভাবে নির্দেশনা দিয়েছে আমরা সেভাবেই ব্লক তৈরি করছি। ভালোমন্দ আমাদের ওই ঠিকাদার জানেন। ব্লক তৈরিতে ব্লকের ভেতরে কোনো নেট বা খাঁচা ব্যবহার করা হচ্ছে কি না, তা জানতে চাইলে তিনি বলেন, না ভেতরে কোনো নেট বা খাঁচা ব্যবহার হচ্ছে না। শুধু পাথর, বালু ও সিমেন্ট দিয়ে ব্লক তৈরি করা হচ্ছে। ’ প্রকল্পের ব্যবস্থাপক আব্দুল কুদ্দুস বলেন, বাংলাদেশের কোথাও ব্লকের ভেতরে কোনো নেট বা খাঁচা ব্যবহার করা হয় না। ব্লক তৈরিতে কালো পাথর ব্যবহার করার কথা থাকলেও সেখানে লাল বা মরা পাথর ব্যবহার করা হচ্ছে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘পাথর কোথা থেকে আসে আর সেটা কেমন পাথর এটা আমার জানা নাই। এ ব্যাপারে আমার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাই ভালো বলতে পারবেন। ’

ব্লক তৈরিতে নিম্নমানের পাথর ও বালুর ব্যবহার প্রসঙ্গে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্য সহকারী মো. বাবুল বলেন, ‘লাল পাথরটা ভুলে এসে গেছে, এটা নিয়ে আমাদের অফিসে অনেক কিছু হয়ে গেছে। ’ ব্লক তৈরিতে পাথর ও বালুর পরিমাণের হেরফের বিষয়ে তিনি বলেন, এটা শ্রমিকরা গরমিল করেছে।

 

কুয়েতে সবচেয়ে বড় জুমার জামাত বাংলাদেশিদের

কুয়েতে সবচেয়ে বড় যে নামাজের জামাতটি অনুষ্ঠিত হয় সেটি বাংলাদেশি মুসল্লিদের। কুয়েতের জিলিব আল সুয়েখে অবস্থিত হাসাবিয়া বড় মসজিদ খ্যাত ওই মসজিদে খুতবাও পাঠ করা হয় বাংলাতে। মসজিদটিতে প্রতিদিন দশ হাজারের মতো মুসল্লি সমবেত হয়ে নামাজ আদায় করেন। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পাশাপাশি প্রতি শুক্রবার জুমার নামাজ ও দুই ঈদের নামাজ জামাতে আদায় করার জন্য এই মসজিদে বাংলাদেশিদের পাশাপাশি ভারত, পাকিস্তান, মিশরসহ অন্যান্য দেশের নাগরিকরাও শরীক হন। কুয়েতের মাহবুল্লা, মুরগাবসহ একাধিক মসজিদে বাংলায় খুতবা পড়া হলেও হাসাবিয়ার মুসল্লি সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।