দোহারে নদী থেকে অবধৈভাবে মাটি বিক্রির মহা-উৎসব;নিরব প্রশাসন

দোহারের চর লটাখোলা গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া পদ্মা নদীর শাখা খাল থেকে ড্রেজার দিয়ে অবধৈভাবে মাটি তুলে বিক্রি করছে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল।

সরজমিনে দোহারের চর লটাখোলা এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, নদীর ঠিক মাঝখানে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে দিন রাত অবধৈভাবে কাটা হচ্ছে মাটি। লটাখোলা নতুন বাজার ব্রিজ থেকে যার দূরত্ব মাত্র কয়েক গজ । ফলে হুমকিতে পড়েছে দোহারের সবচেয়ে বড় এ ব্রিজটি । পরিবেশের বিপর্যয় ঘটিয়ে এভাবে মাটি কাটার ফলে বর্ষা মৌসুমে ভাঙ্গনের শঙ্গা রয়েছে ব্রিজটির পিলারের মাটি। ফলে চরম হুমকিতে রয়েছে সরকারের কোটি কোটি টাকায় খরচে ঢাকা-দোহার সড়কের উপর নির্মিত ব্রিজটি। এছাড়া ড্রেজার মেশিনের কালো ধোঁয়ায় ভারী হয়ে উঠেছে স্থানীয় এলাকার পরিবেশ। নদীরবর্তী বাড়ির লোকজন অভিযোগ করে বলেন, দিনরাত মেশিনের প্রচন্ড শব্দে তাদের ছেলেমেয়েদের পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটছে। বাতাসে মাঝে মাঝেই কালো ধোঁয়ায় ভরে যায় তাদের ঘরবাড়ী। ফলে প্রতিনিয়ত অনেক সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন তারা।

স্থানীয়রা নিউজ থার্টিনাইনকে জানান, চর লটাখোলা গ্রামের আজাদ, মো. আক্তার, সুজন ও নামে কতিপয় ব্যক্তি দীর্ঘ ৩ মাস যাবত নদীতে অবৈধভাবে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে মাটি ও বালু বিক্রি করছে। বালু উত্তোলন ও মাটি কাটার কারণে বাড়ি, মসজিদ, মন্দির, কাঁচা-পাকা সড়কসহ বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক ব্যাক্তি নিউজ থার্টিনাইনকে অভিযোগ করে বলেন, মাটি কাটার সঙ্গে জরিত রয়েছেন দোহারের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রভাবশালী অনেক নেতাকর্মীরা। এমনকি প্রশাসনের কিছু অসাধু র্কমর্কতরাও জরিত।

এলাকাবাসী জানান, দীর্ঘদিন যাবত এভাবেই প্রকাশ্যে দোহার উপজেলা প্রশাসনের নাকের ডগায় নদী থেকে অবধৈভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। তারা আরো বলেন, একটি প্রভাবশালী চক্র নদী থেকে দিনের পর দিন এভাবেই নদী থেকে মাটি কেটে নিলেও দেখার কেউ নেই। আর এভাবইে প্রতি বছর প্রশাসনের সাথে সখ্যতা গড়ে অবধৈ ভাবে মাটি ও বালু ব্যবস্যা করে পকেট ভারী করছেন ভুমিদস্যুরা । উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশের মাত্র ৫শত গজ দূরেই চলছে এ অবস্থা ।প্রতি বছরই তারা নদী থেকে ড্রেজার বসিয়ে মাটি কাটেন বলেও অভিযোগ তাদের।

মাটি কাটার সাথে জরিত আক্তার হোসেন এবং নজরুল ইসলাম নিউজ থার্টনাইনকে বলেন, আমরা নদী থেকে নয়,ক্রয়কৃত জমি থেকে মাটি কাটছি। জমিটি নদীর পাশে থাকায় মনে হচ্ছে নদী থেকে মাটি কাটা হচ্ছে । তাদের কাছে জমির কাগজপত্র আছে বলেও জোর দাবি করেন তারা।

এ বিষয়ে দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম.আল-আমীন নিউজ থার্টিনাইনকে বলেন, আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। অতি শীঘ্রই জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নদী থেকে মাটি কাটার বিষয়ে দোহার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম শেখ নিউজ থার্টিনাইনকে বলেন, কিছু দিন আগে মাটি কাটা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এবার এগুলো পুড়িয়ে দেওয়া হবে”।

উল্লেখ্য,২০১৫ সালের ৩ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে বারোটায় তৎকালীন দোহার উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নূরুল করিম ভূঁইয়া ভ্রাম্যমান আদালতে বালু মহাল ও মাটি রক্ষা আইন ২০১০/১৫(১) ধারা মোতাবেক চর লটাখোলা গ্রামের আক্তার হোসেন(৪০)নজরুল ইসলাম(৩৮) সহ ৪ জনকে ৫ দিন করে কারাদন্ড প্রদান করেন।

আল-কোরআনে বিজ্ঞানের ব্যাখ্যা

কোরআন ১৪০০ বছর আগে পৃথিবীতে মানুষের উপর হেদায়াতের বানীতে নিয়ে আরশেআজিম থেকে নাজিল হয়েছে। ১৪০০ বছর অতিক্রান্ত হলেও কোরআন পুরোনো হয় নি, বরং প্রতি শতাব্দীতে কোরআন আবিষ্কৃত হয়েছে নতুন ভাবে।
সুরা আন নাজম, কোরআনের ৫৩ নাম্বার সুরা। কোরআনের এই সুরার নামের অর্থ নক্ষত্র। এই সুরার ৪৯ নাম্বারের আয়াতে বলা হয়েছে “…… তিনি শিরা নক্ষত্রেরও মালিক।” এখানে শিরা নক্ষত্র বলতে ১৪০০ বছর আগে কাকে নির্দেশ করা হয়েছে। আসুন আধুনিক বিজ্ঞানের দিকে তাকাই।
আরবি শব্দ শিরা বলতে আসলে বোঝানো হয়েছে আকাশের উজ্জ্বলতম নক্ষত্র সিরিউসকে। এখন আসি এই সিরিয়াস নক্ষত্র নিয়ে। সিরিউস নক্ষত্র মুলত একটি বাইনারি স্টার সিস্টেমের তারকা। বাইনারি স্টার সিস্টেম মুলত বোঝায় জোড়া নক্ষত্রকে। যারা একটি নির্দিষ্ট গ্রাভিটি সিস্টেমকে কেন্দ্র করে পরস্পরের দিকে আবর্তন করে। তাই সিরিউস মুলত একটি নক্ষত্র না, এটি মুলত দুইটি নক্ষত্র। সিরিউস A এবং সিরিউস B। সিরিউস A মুলত একটি স্বাভাবিক নক্ষত্র, এটি সূর্যের মতো বর্তমান অবস্থায় আছে। কিন্তু সিরিউস B তার স্বাভাবিক জ্বলন ক্ষমতা হারিয়ে বর্তমানে বামন নক্ষত্রে পরিনত হয়েছে। যার আকৃতি চাপতে চাপতে একটি পৃথিবীর সমান আকৃতি ধারন করেছে। যার থেকে কোন আলো আসে না। কিন্তু আকর্ষণ ক্ষমতা দানবীয়। ফলে নিজের থেকে কয়েকশো কোটি গুন বড় সিরিউস A কে ঠিকই বেধে রাখতে পেরেছে সিরিউস B। এখন কথা হচ্ছে সিরিউস A আলো থাকার ফলে এটি দৃশ্যমান ছিল, কিন্তু আলো না থাকার ফলে এটার হদিশ মানুষ পায়নি ১৯ শতক পর্যন্ত। ১৮৬২ সালে আলভিন গ্রাহাম ক্লার্ক এই সিরিউস B তারাটা আবিস্কার করেন। এর আগ পর্যন্ত এই তারাটার অস্বিত্ব কারোই জানা ছিল না।
কিন্তু ১৪০০ বছর আগে সুরা আন নাজমে আল্লাহ বলেন, নক্ষত্রের কসম, যখন অস্তমিত হয়। তোমাদের সংগী পথভ্রষ্ট হননি এবং বিপথগামীও হননি। এবং প্রবৃত্তির তাড়নায় কথা বলেন না। কোরআন ওহী, যা প্রত্যাদেশ হয়। তাঁকে শিক্ষা দান করে এক শক্তিশালী ফেরেশতা, সহজাত শক্তিসম্পন্ন, সে নিজ আকৃতিতে প্রকাশ পেল। উর্ধ্ব দিগন্তে, অতঃপর নিকটবর্তী হল ও ঝুলে গেল। তখন দুই ধনুকের ব্যবধান ছিল অথবা আরও কম। তখন আল্লাহ তাঁর দাসের প্রতি যা প্রত্যাদেশ করবার, তা প্রত্যাদেশ করলেন। সুরা আন নাজম(১-১০) মুলত ৯ নং আয়াতে বলেন, তখন দুই ধনুকের ব্যবধান ছিল অথবা আরও কম। আবার ৪৯ নং আয়াতে বলেন, …… তিনি শিরা নক্ষত্রেরও মালিক। সুরার প্রথম দিকের আয়াতগুলোর দিকে তাকালে বোঝা যায় এখানে এক জোড়া নক্ষত্রের প্রতি নির্দেশ করা হয়েছে। ২য় আয়াতে বলা হয়েছে, তোমাদের সংগী পথভ্রষ্ট হননি এবং বিপথগামীও হননি। আবার ৯ নং আয়াতে বলেছেন, তখন দুই ধনুকের ব্যবধান ছিল অথবা আরও কম। আবার ৪৯ নং আয়াতে বলা হয়েছে, …… তিনি শিরা নক্ষত্রেরও মালিক।
মুলত সবগুলো আয়াতেই একটার দিকে নির্দেশ করছে সেটা হচ্ছে শিরা নক্ষত্র যার ইংরেজি নাম সিরিউস। প্রথমেই বলেছি সিরিউস নক্ষত্র দুইটি তারার সমন্বয়ে গঠিত একটি স্টার সিস্টেম যেখানে একটি তারা আরেকটির পুরোপুরি বিপরীত। কিন্তু আল্লাহ ঘোষনা করেন তোমাদের সংগী পথভ্রষ্ট হননি এবং বিপথগামীও হননি।
আবার ৯ নং আয়াতে বলেছেন, তখন দুই ধনুকের ব্যবধান ছিল অথবা আরও কম। আল্লাহ এখানে মুলত দুইটি তারার আকাশে অবস্থানের কথা বলেছেন যাতে তাদের একটি নির্দিষ্ট অবস্থার কথা বলা হয়েছে যাতে তারা বিচ্ছিন্ন হয় না আবার একভূত হয় না, যা মুলত স্টার গ্রাভেটির কথাই বলে। এবং ৪৯ নং আয়াতে এসে আল্লাহ ঘোষনা দেন, …… তিনি শিরা নক্ষত্রেরও মালিক। যার সবকিছু এই সিরিউস নক্ষত্রের দিকেই ইঙ্গিত করে।
আরেকটি ব্যাপার ৯ নং আয়াতে বলেন, তখন দুই ধনুকের ব্যবধান ছিল অথবা আরও কম।
আবার ৪৯ নং আয়াতে এসে আল্লাহ ঘোষনা দেন,.. তিনি শিরা নক্ষত্রেরও মালিক।
এখন আপনি জানেন দুইটি তারা পরস্পরের দিকে আবর্তন হয়, একটি নির্দিষ্ট সময় পর তারা আগের অবস্থানে ফেরত আসে, আমাদের সৌর বছরের মতো। এখন সিরিউস A ও সিরিউস B পরস্পর আবর্তন হতে কত সময় লাগে জানেন ৪৯.৯ সৌর বছর। আর সুরা নাজমের কত কত আয়াত সিরিউস নক্ষত্রের কথা সরাসরি এসেছে। ৪৯ ও ৯ নং আয়াতে। ৪৯.৯ বছর! পরিচিত মনে হয়

বিশ্ব পাই দিবস আজ

আজ বিশ্ব পাই (π )দিবস। গাণিতিক ধ্রুবক পাই (π) এর সম্মানে প্রতিবছর ১৪ মার্চ দিবসটি পালিত হয়। পাই-এর মান প্রায় ৩.১৪ বলে বিশ্বের গণিতবিদরা  প্রতিবছর ১৪ মার্চকে পাই দিবস হিসেবে পালন করে থাকেন।   বাংলাদেশে পাই দিবস উদযাপিত হচ্ছে ২০০৬ সাল থেকে। বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটির উদ্যোগে দেশে এই দিবস উদযাপন শুরু হয়। দেশের বেশকিছু গণিত ক্লাব ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নানা আয়োজনের মধ্যে দিবসটি পালিত হয়।১৯৮৮ সালে পদার্থবিদ ল্যারি শ’ পাই দিবস এর ধারণার প্রবর্তন করেন। সানফ্রানসিসকোর বিজ্ঞান জাদুঘরের কর্মকর্তা ল্যারি শ’ এই দিবস উদযাপনের উদ্যোক্তা বলে তাকে ‘পাই-এর রাজপুত্র’ বলা হয়। পরবর্তীতে ২০০৯ সালে ১২ মার্চ যুক্তরাষ্ট্র সরকার ১৪ মার্চকে জাতীয় পাই দিবস হিসেবে পালনের অনুমোদন দেয়।

পাই (π) একটি গুরুত্বপূর্ণ গাণিতিক ধ্রুবক। ইউক্লিডিয় সমতলীয় জ্যামিতিতে, বৃত্তের পরিধি ও ব্যাসের অনুপাতকে পাই (π) হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়। উইলিয়াম জোনস সর্বপ্রথম ১৭০৬ সালে পাই (π) প্রতীকটির প্রচলন করেন। তবে এই প্রতীকটিকে জনপ্রিয় করেন সুইস গণিতবিদ লিওনার্দো ইউলার। গণিত, বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিদ্যার অনেক সূত্রে পাইয়ের ব্যবহার দেখা যায়। বর্তমানে কম্পিউটারের সাহায্যে π এর মান দশমিকের পর ১ ট্রিলিয়ন পর্যন্ত বের করা সম্ভব হয়েছে।

 

নবাবগঞ্জে যুবককে পিটিয়ে হত্যা

নবাবগঞ্জে অনৈতিকভাবে ভাতিজির মোবাইল নম্বর চাওয়ার প্রতিবাদ করায় ভক্ত চন্দ্র সরকার (২২) নামে এক যুবককে রড দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেছে বখাটেরা। গতকাল ১৩ মার্চ সোমবার রাত ৮টার দিকে উপজেলার সোনাবাজুর বেড়িবাঁধ এলাকায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। ভক্ত ওই এলাকার মৃত বিরেন চন্দ্র সরকারের ছেলে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র জানায়, উপজেলার সোনাবাজুর গ্রামে বিজয় সরকারের বাড়িতে দু’দিন ধরে অষ্টকালী গান হচ্ছিলো। সোমবার রাত ৮টার দিকে হাসান নামে এক বখাটে তার ৮-১০ জন সহযোগী নিয়ে ওই বাড়িতে যায়। সেখানে ভক্ত সরকারের ভাগনে সাগরের কাছে তার ভাতিজি কোহেলী সরকার আলয়ের মোবাইল নম্বর চায় হাসান। সাগর নম্বর দিতে না চাইলে হাসান তাকে চড়-থাপ্পড় দেয়। তখন সাগর গিয়ে তার মামা ভক্তকে ডেকে এনে এ ঘটনা জানায়। ভক্ত ঘটনাস্থলে এসে বখাটেদের কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তার সঙ্গে বাক-বিতণ্ডা হয় হাসানের। এক পর্যায়ে হাসান রড দিয়ে ভক্ত সরকারের ঘাড়ে আঘাত করে। এতে ভক্ত তখনই মাটিতে লুটে পড়েন। স্বজনরা তাকে নবাবগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তফা কামাল বলেন, “ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অপরাধীদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে”।

 

হট চকলেট কফি তৈরির নিয়ম

সকালে, বিকেলে কিংবা সন্ধ্যায় এক কাপ কফি। সেটা হতে পারে চকলেট মেশানো। হাতে ধোঁয়া ওঠা মগে কফিতে একটু একটু চুমুক, মনটাও যেন চাঙা করে দেয়। বাড়িতেই তৈরি করা যায় কফি।

উপকরণ: দুধ ২ কাপ, ব্রাউন সুগার ২ টেবিল চামচ, কোকো পাউডার ৪ টেবিল চামচ, কফি দেড় চা-চামচ, লবণ সামান্য, চিনি ৪ টেবিল চামচ।

প্রণালি: চিনি ও কফি একসঙ্গে অল্প পানিতে ভালোভাবে বিট করুন। দুধ মাঝারি আঁচে গরম করে চিনি, কোকো, লবণ, ব্রাউন সুগার দিয়ে জ্বাল দিন। মগে কফি ও দুধের মিশ্রণ ঢেলে হুইপ ক্রিম দিয়ে সাজিয়ে ওপরে দারুচিনিগুঁড়া ছিটিয়ে গরম-গরম পরিবেশন করুন।

মোবাইলের লেন্স পরিষ্কারের উপায়

মোবাইল ক্যামেরায় ছবি তোলা এখন ফ্যাশন। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে মোবাইল ব্যবহার করতে করতে অনেক সময়েই মোবাইল ক্যামেরার লেন্সে ধুলা জমে যায় কিংবা স্ক্র্যাচ পড়ে যায়। পরিণামে স্পষ্ট ছবি তোলা সম্ভব হয় না। কীভাবে এই দাগ-ধরা, ধুলা-জমা মোবাইল লেন্সকে নতুনের মতো করে তোলা যায়? বিশেষজ্ঞরা দিচ্ছেন চারটি ঘরোয়া টিপস—

১. আঙুলে সামান্য টুথপেস্ট নিয়ে ক্যামেরার লেন্সে লাগিয়ে দিন। তারপর এক টুকরা পরিষ্কার কাপড়ের টুকরা দিয়ে ক্লকওয়াইজ ঘুরিয়ে কয়েক বার মুছে নিন। তারপর আঙুলে এক ফোঁটা পানি লাগিয়ে লেন্সের উপর ঘষে দিন। ব্যাস, দেখবেন লেন্স একেবারে সাফ হয়ে গেছে।

২. একটি নতুন পেনসিল ইরেজার নিয়ে মোবাইলের ক্যামেরার লেন্সে আলতো করে কয়েক বার বুলিয়ে দিন। খেয়াল রাখবেন, ইরেজারটিকে একটি নির্দিষ্ট দিকেই (ঘড়ির কাঁটার দিকে অথবা বিপরীতে) বোলাবেন। তা হলেই একেবারে পরিষ্কার হয়ে যাবে লেন্স।

৩. আঙুলের ডগায় সামান্য ভেসলিন নিয়ে ক্যামেরার লেন্সে লাগান। তারপর মাইক্রোফাইবার ক্লথ দিয়ে কয়েকবার ঘষে নিলেই একেবারে নতুনের মতো হয়ে যাবে লেন্সটি।

৪. বাজারে স্ক্র্যাচ রিমুভার কিনতে পাওয়া যায়। যে কোন একটি নির্ভরযোগ্য ব্র্যান্ডের স্ক্র্যাচ রিমুভার নিয়ে এসে তাতে তুলো ভিজিয়ে আলতো করে বুলিয়ে নিন ক্যামেরার লেন্সে। একেবারে সাফ হয়ে যাবে লেন্সটি। সূত্র: এবেলা

 

জেনে নিন বজ্রপাত থেকে বাঁচার উপায়

গত বছর ১৪২ জনের মৃত্যুর পর বজ্রপাতকে জাতীয় দুর্যোগ ঘোষণা করেছিল সরকার। এবারও বিস্তৃত এলাকাজুড়ে বজ্রঝড় হওয়ার আশঙ্কার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। আবহাওয়াবিদদের মতে, মধ্য ফেব্রুয়ারি থেকে বাংলাদেশে শুরু হয়েছে কালবৈশাখী, বজ্রপাত আর বজ্রঝড়ের মৌসুম। এর মধ্যে মার্চে উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে ১-২ দিন মাঝারি বা তীব্র কালবৈশাখী অথবা বজ্রঝড় এবং অন্যত্র ২-৩ দিন হালকা অথবা মাঝারি কালবৈশাখী বা বজ্রঝড় হতে পারে। তাৎক্ষণিক পূর্বাভাস (নাউ কাস্টিং), ব্যাপক প্রচারণা আর জনসচেতনতা সৃষ্টি করা গেলে এ ধরনের দুর্যোগ থেকে প্রাণহানির পরিমাণ কমানো সম্ভব বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

বজ্রপাতের সময় বাসা-বাড়ির মধ্যে থাকলে এর প্রভাব থেকে কিছুটা বাঁচা যায়। তবে রাস্তায় কিংবা খোলা মাঠে থাকাকালীন এমন পরিস্থিতি সামনে পড়লে কীভাবে সুরক্ষিত থাকবেন তার কয়েকটি উপায় জেনে নিন।

১. বজ্রপাতের সময় উঁচু গাছপালার কাছাকাছি থাকবেন না। কারণ ফাঁকা জায়গায় কোনো যাত্রী ছাউনি বা বড় গাছ ইত্যাদিতে বজ্রপাত হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে। তাই গাছ থেকে কমপক্ষে ৪ মিটার দূরত্বে অবস্থান করতে হবে।

২. ঘন ঘন বজ্রপাত হতে থাকলে কোনো অবস্থাতেই খোলা, উঁচু জায়গায় কিংবা টিনশেডের বাড়িতে না থাকাই ভালো। সবচেয়ে ভালো হয় যদি কোনো পাকা বাড়িতে আশ্রয় নেওয়া যায়।

৩. বজ্রপাতের সময় রাস্তায় গাড়িতে থাকলে যত দ্রুত সম্ভব গাড়ি থেকে বেরিয়ে পাকা কোনো বাড়ির ছাউনি কিংবা বারান্দায় অবস্থায় নেওয়া।

৪. বজ্রপাতের সময় মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, টিভি, ফ্রিজসহ সকল বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির সুইচ বন্ধ রাখা। বজ্রপাতের আভাস পেলে আগেই এগুলোর প্লাগ খুলে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করুন।

৫. বজ্রপাত ও ঝড়ের সময় বাড়ির ধাতব কল, সিঁড়ির রেলিং, পাইপ ইত্যাদি স্পর্শ করবেন না। এমনকি ল্যান্ড লাইন টেলিফোনও স্পর্শ করবেন না। বজ্রপাতের সময় এগুলোর সংস্পর্শ এসে অনেকে আহত হন।

৬. নদীতে নৌকায় অবস্থান করলেও পানি থেকে সরে আসতে হবে এবং নৌকার ছাউনিতে ঢুকে পড়তে হবে।

৭ বিদ্যুতের খুঁটিতে বজ্রপাতের আশঙ্কা বেশি থাকে। তাই বৈদ্যুতিক খুঁটি বা তার আছে এসব জায়গায় যাবেন না বা কাছাকাছি থাকবেন না।

 

আজ ১৩ মার্চ; ৭১ এর এই দিনে

১৩ মার্চ ১৯৭১ এর এই দিনে অনিবার্য হয়ে ওঠে বাংলাদেশের স্বাধীনতা। লাখো মুক্তিকামী বাঙালির উত্তাল আন্দোলন-সংগ্রাম ও সশস্ত্র প্রস্তুতিতে শঙ্কিত হয়ে পড়ে পাকিস্তানি সামরিক জান্তা। বিরোধী দলের নেতারা পাকিস্তানের অনিবার্য ভাঙন নিশ্চিত বুঝতে পেরে একাত্তরের এ দিন জরুরি বৈঠকে মিলিত হন। বৈঠক শেষে অবিলম্বে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের আহ্বান জানান। কিন্তু সেদিকে তোয়াক্কা না করে হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে স্বাধীনতা সংগ্রাম দমনে নিষ্ঠুর পরিকল্পনা নিতে থাকে হানাদাররা।

একাত্তরের মার্চ মাসের যতদিন গড়াচ্ছিল, স্বাধীনতাকামী বাঙালির ঐক্য ততই সুদৃঢ় হচ্ছিল। বঙ্গবন্ধুর উদাত্ত আহ্বানে তখনকার চলমান অসহযোগ আন্দোলনের সঙ্গে নিবিড়, প্রত্যয়, দৃঢ় একাত্মতা ঘোষণা করছিল স্বাধীনতাকামী বিভিন্ন সংস্থা, সংগঠন। অসহযোগ আন্দোলনের এক সপ্তাহ পর দেশ পুরোপুরি অচল হয়ে পড়ে। দেশের বিভিন্ন স্থানে কৃষক, শ্রমিক, চাকরিজীবী, সাংবাদিক, সাহিত্যিক, লেখক, শিক্ষক সব শ্রেণি-পেশার মানুষ নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ে। পাকিস্তানি সামরিক শাসকরা বাংলার দামাল ছেলেদের এই আন্দোলন দেখে চিন্তিত হয়ে পড়ে।

পাকিস্তানি স্বৈরাচাররা পূর্ব পাকিস্তানের বাস্তব অবস্থা উপলব্ধি করতে পারে। তারা চারদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে থাকে। পূর্ব পাকিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে পাকিস্তানের বাঘা বাঘা নেতাও শঙ্কিত হয়ে পড়েন। একই দিনে জমিয়াতুল ওলেমা ইসলামিয়া সংসদীয় দলের নেতা মাওলানা মুফতি মাহমুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভা থেকে তিনটি আহ্বান জানানো হয়। আহ্বানগুলো হলো পূর্ব পাকিস্তান থেকে সামরিক আইন প্রত্যাহার, ২৫ মার্চের আগে ক্ষমতা হস্তান্তর এবং সেনাবাহিনীকে ব্যারাকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া। একই সঙ্গে প্রতিটি গ্রাম, শহর, বন্দর, নগরে চলতে থাকে তীব্র অসহযোগ আন্দোলন।

 

ফরাক্কা ব্যারেজের ছবি তোলায় দুই বাংলাদেশি আটক

ফরাক্কা ব্যারেজের ছবি তোলা নিষিদ্ধ। এ কথা ব্যারেজের বিভিন্ন জায়গাতেও লেখা রয়েছে। কিন্তু, এর পরও নিরাপত্তা কর্মীদের আড়াল করে ছবি তুলতে গিয়ে গ্রেপ্তার হন দুই বাংলাদেশি। এই নিয়ে ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনী তদন্ত শুরু করেছে। গত ৬ মার্চ সোমবার ফরাক্কা বাঁধের ৫৫-নম্বর গেটের কাছে কর্তব্যরত জওয়ানদের নজর এড়িয়ে দুই বাংলাদেশি গোপনে বাঁধের ছবি তুলছিলেন। সে সময় কর্তব্যরত সিআইএসএফ জওয়ানদের সন্দেহ হওয়ায় দুইজনকে কন্ট্রোল রুমে নিয়ে যাওয়া হয়। সিআইএসএফ-এর উচ্চতর আধিকারিক দুই বাংলাদেশিকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে কথায় একাধিক অসঙ্গতি মেলে বলে জানা যায়।

জানা গিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত দুই বাংলাদেশির নাম মহম্মদ জিয়াউর রহমান ও আব্দুর রজ্জাক। এরা বাংলাদেশের নবাবগঞ্জের বাসিন্দা। কী উদ্দেশে তারা রেলরুটের ভিডিও তুলেছে, তা নিয়ে তারা কোনও সদুত্তর দিতে পারেনি। পরে দুই বাংলাদেশিকে ফরাক্কা থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। কোনও হামলা বা নাশকতা চালানোর জন্যই এই ছবিগুলো তোলা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনী।

দোহারে শিক্ষকদের মাঝে বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী বিতরণ

দোহারের জয়পাড়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে গতকাল ১২ মার্চ রবিবার বিকেলে বঙ্গবন্ধু পরিষদ ও জাপান বাংলাদেশ কালচারাল ফাউন্ডেশন এর পক্ষে আদর্শ সমাজ গঠনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকদের সাথে মতবিনিময় ও বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের সাবেক শিক্ষা সচিব এনআই খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কর্নেল (অব:) সাজ্জাদ জহির (বীর প্রতীক)।

বঙ্গবন্ধু পরিষদ জাপান শাখার সভাপতি ও প্রতিষ্ঠাতা জাপান বাংলাদেশ কালচারাল ফাউন্ডেশন শেখ এমদাদের উদ্যোগে ও দোহার উপজেলার সকল শিক্ষক সমাজের সহযোগিতায় এই অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ফেরদৌস সুলতানা, শিক্ষক হায়াৎ আলী মিয়া, একলাল উদ্দিন আহমেদ, এসএম খালেক, ফারুক-ই আজম, মোঃ এরশাদ হোসেন, কামাল হোসেনসহ উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দ। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন ড্যাফোডিলস্ হাই স্কুলের শিক্ষিকা শারমীন আক্তার।