দোহারের পদ্মা নদীতে চলছে ড্রেজার বসিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন

দোহার উপজেলার বিলাসপুর ইউনিয়নের দেবিনগর গ্রামের পদ্মা নদীতে চলছে অবৈধ ড্রেজোর মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলন। এতে নদী ভাঙ্গনের হুমকির মুখে পড়ছে উপজেলার দেবিনগর, বিলাসপুর, মধুরচর, নারিশা পশ্চিম-চর ও চর-পুরুলিয়া গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ।

আজ বৃহ্স্পতিবার সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পদ্মা নদীর তীরে অবৈধ ড্রেজার মেশিন বসিয়ে চলছে বালু উত্তোলন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় বিলাসপুর ইউনিয়নের লতিফ ও জাহাঙ্গীর আলম নামে দুই প্রভাবশালী ব্যক্তি এ ড্রেজার মেশিন চালাচ্ছে।

এলাকাবাসী জানান, নদী থেকে অবৈধ ভাবে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলনের ফলে নদী ভাঙ্গনের হুমকির মুখে পড়েছি আমরা। যে কোন সময় শুরু হতে পারে নদী ভাঙ্গন। আমরা এর প্রতিকার চাচ্ছি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত লতিফ ও জাহাঙ্গীর আলমের কাছে জানতে চাইলে তারা অভিযোগ অস্বীকার করেন।

এ ব্যাপারে দোহার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম শেখ জানান, কারো বিরুদ্ধে অবৈধ বালু উত্তোলনের প্রামাণ পাওয়া গেলে তাদেরকে আইনের আওতায় এনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কাউকে কোন প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না।

দোহারে ইলিশ ধরার অভিযোগে তিন জেলের কারাদন্ড

সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ঢাকার দোহার উপজেলায় পদ্মা নদীতে ইলিশ ধরার রায়ে তিন জেলেকে সাতদিন করে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বুধবার (০৪ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইমরুল হাসান এ দণ্ড দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- উপজেলার সুতারপাড়া ইউনিয়নের মধুরচর গ্রামের নবাব শেখের ছেলে রাসেল (২৪), মুকসুদপুর গ্রামের ইউনূস শেখের ছেলে আলাউদ্দিন (২৫) ও একই গ্রামের আফতা মিয়ার ছেলে জহির (২৭)।

দোহার থানার কুতুবপুর নৌ ফাঁড়ির ইনচার্জ ফরহাদ আলম জানান, ইলিশের প্রজনন মৌসুমে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বিকালে পদ্মা নদীর নারিশা এলাকায় মাছ ধরছিলেন ওই তিন জেলে। এসময় ১০ কেজি ইলিশ, ৫ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ও একটি নৌকাসহ তাদের আটক করা হয়।

পরে সন্ধ্যায় তাদের ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হয়। এসময় তারা দোষ স্বীকার করায় বিচারক এ দণ্ড দেন।

জব্দকৃত ইলিশ মুকসুদপুর আকন বাড়ি মাদ্রাসা ও এতিমখানায় বিলিয়ে দেয়া হয়েছে এবং কারেন্ট জাল তাৎক্ষণিক পুড়িয়ে ফেলা হয়। এছাড়া মাছ ধরার নৌকা পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।

নবাবগঞ্জে ৫ ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

ঢাকার নবাবগঞ্জ থেকে ১৬৮ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ৫ লাখ টাকাসহ পাঁচ ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তার করেছে সিংগাইর থানা পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ  থেকে একটি ডিএসএলআর ক্যামেরাসহ ৪টি ওয়াকি-টকিও উদ্ধার করা হয়। এ ব্যাপারে  মনির হোসেন বাদী হয়ে সিংগাইর থানায় একটি মামলা করে। আটক ছিনতাইকারীরা হলো।

শরিয়তপুর উপজেলার নড়িয়া উপজেলার মূলফদগঞ্জ গ্রামের তোফাজ্জল হোসেন শান্তর ছেলে সাজ্জাদ হোসেন(২৭), মাইক্রোবাসের চালক কুড়িগ্রাম জেলার বুড়িঙ্গামারী উপজেলার ময়দাশ গ্রামের মৃত তৈজদ্দিনের ছেলে হামিদুল ইসলাম (৩৬), ঢাকার  ২১৮/৫ পশ্চিম আগারগাঁও বাসিন্দা আব্দুর রব সুলতানের ছেলে রহিম সুলতান, ঢাকার হাজারীবাগ এলাকার চর ওয়াশপুরের আফসার উদ্দিনের ছেলে আলামিনকে (২৬) আটক করে। মানিকগঞ্জের পুলিশ সুপার মাহফুজুর রহমান সোমবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ সুপার মাহফুজুর রহমান জানান, গত রবিবার সন্ধ্যার দিকে সিংগাইর উপজেলার চারিগ্রাম বাজারের স্বর্ণ ব্যবসায়ী মো. মনির হোসেনের ম্যানেজার কমল একটি স্কুল ব্যাগে করে ১৬৮ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ ৫ লাখ ৪ হাজার টাকা নিয়ে মোটরসাইকেলে করে তার মালিকের বাড়ি যাচ্ছিলেন। কমল চারিগ্রাম পুরনো বাসস্ট্যান্ড মোড়ে পৌঁছালে সেখানে আগে থেকে অবস্থান করা একটি সাদা রঙের মাইক্রোবাস (ঢাকা মেট্রো-চ-৫১-৪৬৪১) মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে। পরে ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে ৭/৮ জন লোক তাকে মারধর করে টাকা ও স্বর্ণের ব্যাগটি নেয়। এসময় ম্যানেজার কমলের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসলে ছিনতাইকারী চক্রের অন্য সদস্যরা দ্রুত পালিয়ে গেলেও সুমন (৩০)নামে এক ছিনতাইকারীকে আটক করে এলাকাবাসী। সুমন ভোলা লালমোহন উপজেলার চর তিথির গ্রামের কালু ওরফে ইদ্রিসের ছেলে।

এসময় সিংগাইর থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশের দুটি টহল দল ও স্থানীয় লোকজন মোটরসাইকেলে করে ছিনকারীদের বহনকারী মাইক্রোবাসের পিছু নেয়। পরে ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার বালুর মাঠ থেকে মাইক্রোবাসসহ তাদের আটক করা হয়।

চার বছর; একটি সেতু; ৩০ হাজার মানুষের দুর্ভোগ

চার বছর ধরে দেবে আছে ঢাকার দোহার উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ লটাখোলা সেতুটি। তখন থেকেই সামান্য যান চলাচলেই দুলতো সেতুটি। ইতোপূর্বে পুনর্নির্মাণের ঘোষণা দিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘদিনেও সংস্কার না হওয়ায় প্রতিবন্ধকতা উপেক্ষা করে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন স্থানীয়রা। ফলে যেকোনো সময় সেতুটি ধসে বন্ধ হয়ে যেতে চার গ্রামের যোগাযোগ, ঘটতে পারে বড় রকমের দুর্ঘটনা।

স্থানীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সেতুটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় দোহার উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের হরিচন্ডি, রামনাথপুর, বিলাসপুর ও চর-লটাখোলা গ্রামের লক্ষাধিক মানুষ চরম ভোগান্তিত পড়েছেন। ব্রিজটিতে রিকশা-ভ্যান, অটোগাড়িতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন তারা। দুর্ভোগে পড়েছেন ওই এলাকার চরাঞ্চলের দিনমজুর ও খেটে খাওয়া মানুষেরা। মাঝে মাঝে ব্রিজের ওপরই দুর্ঘটনার শিকার হন তারা। দোহার উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় সূত্র জানায়, আশির দশকের প্রথম দিকে ঢাকা জেলা পরিষদের অর্থায়নে দোহার পৌরসভায় সেতুটি নির্মাণ করা হয়। এখন ধসে যাওয়া সেতুটি আকারে বড় হওয়ায় সংস্কার করাও সম্ভব নয়।গতকাল বুধবার সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সেতুটির ছয়টি পিলারের মধ্যে দুটি পিলার দেবে একাংশ উঁচু-নিচু হয়ে আছে। সেতুর দুপাশের নিরাপত্তাবেষ্টনীর বেহালদশা।যান চলাচলের সময় ভয়ঙ্করভাবে দুলে ওঠে সেতুটি।

দোহার উপজেলা প্রকৌশলী সুশীল কুমার সরকার বলেন, ‘সেতুটি জেলা পরিষদ নির্মাণ করলেও এখন এলজিইডির মাধ্যমে পুনর্নির্মাণের জন্য প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। যতদূর জানি, বিষয়টি মন্ত্রণালয়ে বিবেচনাধীন।’ একই কথা বলেন দোহার পৌরসভার মেয়র আব্দুর রহিম মিয়া।

দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে এম আল-আমীন বলেন, ‘সেতুটি অনেক বড়। এটি পুনর্নির্মাণের জন্য জেলা পরিষদে চিঠি পাঠিয়েছি। এখনো চিঠির কোনো জবাব পাইনি। পুনর্নির্মাণের আগ পর্যন্ত সেতুটিতে যান চলাচল বন্ধ করতে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা হয়েছে। আপাতত লোকজন চলাচল করার জন্য একটু ফাঁকা রাখা হয়েছে।’

হাতে বোনা তাঁতের লুঙ্গি নিয়ে অনলাইনে নূর-আবেদিন

0

লুঙ্গি, পুরুষের পোশাক, শত শত বছরের ঐতিহ্য নিয়ে, কিন্তু এখনো আটপৌড়ে ভাবমূর্তিতে আটকে আছে যেন। কিন্তু তাঁতী জানেন লুঙ্গি বুনাতে কত শ্রম, কত দক্ষতা লাগে। তারপরও পুরুষের ঘরে পড়ার পোশাক হিসেবেই রয়ে গেছে, আর এজন্যই যেন শাড়ির মত কদর কখনো পায়নি।

কিন্তু কোনো কোনো সমাজে লুঙ্গি এখনো গর্বের বিষয়। অনেকেই লুঙ্গি পড়ে সাচ্ছন্দ বোধ করেন, ঘরে বাইরেও দিব্বি চলাচল করেন। আবার অনেকের বাইরে থেকে ফিরেই লুঙ্গি না পড়লেই নয়। আর শহুড়ে তরুণদের মধ্যে হালের ক্রেজ, “আমি তো লুঙ্গি পড়ি না, জিন্স আর হাফ প্যান্ট পড়েই চব্বিশ ঘন্টা কাটাই”। এমন অবস্থায় অনলাইনে লুঙ্গি নিয়ে আসার ব্যাপারটা সহজ ছিল না, এমনটাই বলছিলেন নূর-আবেদিনের কর্ণধার আব্দুল জব্বার।

শুধু হাতে বোনা তাঁতের লুঙ্গির ই-কমার্স Nur-Abedin Lungi চালু হয়েছে সম্প্রতি।  ঢাকা জেলার দক্ষিণের তিন উপজেলা কেরাণীগঞ্জ, নবাবগঞ্জ ও দোহারে হাতে বোনা লুঙ্গি তৈরি হয়। সুতো রং করা থেকে লুঙ্গি ভাঁজ করা পর্যন্ত  সকল কাজ হয় হাতে।

এক সময় দেশের চাহিদার বড় অংশটি পূরণ হত এই এলাকার লুঙ্গিতে। কিন্তু পাওয়ার লুম বা মিলের লুঙ্গি আসার পর থেকে উৎপাদন কমা শুরু ঢাকা দক্ষিণের হাতের লুঙ্গির। দাম অনেক কম হওয়ায় বাজার অনেকটাই চলে যায় মিলের লুঙ্গির কাছে। কিন্তু বিশাল বহর, উন্নত মান, স্থায়ীত্ব, আরাম বিবেচনায়  লুঙ্গির সমঝদারের কাছে এখনো আদৃত জয়পাড়ার তাঁতের লুঙ্গি।

বাজারে মিলের লুঙ্গির ভীরে তাঁতের লুঙ্গি খুজেঁ পাওয়া মুশকিল, দোকানীরা লাভ কম বলে তাঁতের লুঙ্গি বেঁচতে চান না, আর প্রায়ই মিলের লুঙ্গিকে তাঁতের লুঙ্গি বলে চালিয়ে দেয়া হয়। বড় ব্র্যান্ডগুলি তাঁতের লুঙ্গির বেশিরভাগই রপ্তানী করে দেন দেশের বাইরে, তাই দেশের বাজারে তাঁতের লুঙ্গি এখন মহার্ঘ বস্তু। এই বাধাকে কাটিয়ে শুধু দোহার ও নবাবগঞ্জের হাতে বোনা তাঁতের লুঙ্গির ব্র্যান্ড চালু করেছে নূর-আবেদিন।

ই-কমার্স সাইটের ঠিকানা: www.nurabedin.com , এবং তাঁদের সবসময় পাওয়া যাবে ফেসবুক পেজে: wwww.facebook.com/nurabedinlungi . ওয়েব সাইটে সরাসরি অর্ডার দেয়া যায়, পাশাপাশি ফেসবুক পেজে এলবাম দেখে পছন্দ করে মেসেজ দিলে বা ফোন নাম্বারে কল করে অর্ডার দেয়া যায়।

অনলাইনে অর্ডার পাওয়ার পর সরাসরি জয়পাড়া থেকে সরবরাহ করে নূর-আবেদিন। বিকাশ, রকেট, ও ক্যাশ অন ডেলিভারিতে মূল্য প্রদান করা যায়।

দোহারে নির্মিত হবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট একাডেমী – ঢাকা ডাইনামাইটস

0

আগামী ৩ (তিন) বছরের মধ্যে ক্রিকেটকে প্রাধান্য দিয়ে ঢাকার দোহারে একটি আন্তর্জাতিক মানের পূর্ণাংগ স্পোর্টিং একাডেমী । এটি হবে বিশ্ব মানের একটি ক্রিকেট একাডেমী। তথ্যটি জানিয়েছেন ঢাকা ডাইনামাইটসের প্রধান নির্বাহি ওবায়েদ আর নিজাম।

আগামী বিপিএল এ বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ঢাকা ডাইনামাইটস এর দল কেমন হবে, সে বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা ডাইনামাইটসের বর্তমান সিইও ওবায়েদ আর নিজাম গণমাধ্যমকে বলেন, চ্যাম্পিয়নের ধারাবাহিকতা ধরে রাখার জন্য এবার ঢাকা ডাইনামাইটস গড়বে বিশ্বমানের দল। আর শুধু খেলা নয়, এদেশের খেলা তথা ক্রিকেটকে প্রাধান্য দিয়ে গড়া হবে আন্তর্জাতিক মানের পূর্ণাংগ স্পোর্টিং একাডেমী ।

তিনি আরও বলেন, এদেশের ক্রীড়া ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে বেক্সিমকো গ্রুপ পৃষ্ঠপোষকতা করে আসছে। আর বেক্সিমকো যা বলে, তা করে বলেই মানুষ বিশ্বাস করে। তাই ঢাকার দোহারে নির্মিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের পূর্ণাংগ ক্রিকেট একাডেমী। সর্বোচ্চ ২ থেকে ৩ বছরের মধ্যে তা নির্মিত হবে। আর এই একাডেমী ক্রিকেট সহ সকল প্রকার খেলা-ধুলায় রাখবে শীর্ষস্থানীয় ভূমিকা। এছাড়া দোহার নবাবগঞ্জ সহ তৃণমূলের খেলোয়াড়রা  উঠে আসবে এই একাডেমীর মাধ্যমে।

 

নবাবগঞ্জে যমুনা বাসের ধাক্কায় নসিমন চালক নিহত

নবাবগঞ্জ উপজেলায় যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় নসিমন উল্টে চালক মিঠুন (২৭) নিহত হয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় দিকে ঢাকা-দোহার সড়কের চালনাই ইটভাটার কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে। মিঠুন দোহার উপজেলার চর লটাখোলা এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানায়, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মিঠুন দোহারের জয়পাড়া বাজার থেকে নসিমন গাড়ীতে ডিলারের মুদি মালামাল নিয়ে নবাবগঞ্জের আসছিলেন। পথিমধ্যে মাঝিরকান্দা চালনাই ইটভাটা কাছে আসলে দোহারের বাহ্রা ঘাট থেকে গুলিস্তানগামী যমুনা পরিবহন নামে একটি যাত্রীবাহী বাস নসিমনকে পিছন দিক থেকে ধাক্কা দেয়। এতে গাড়ী উল্টে গিয়ে নসিমন চালক মিঠুন ঘটনাস্থলেই মারা যান। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা মৃত নিশ্চিত হতে মিঠুনকে নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। এসময় হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক মিঠুনের মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন।

নবাবগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক আলমগীর হোসেন জানান, এখনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মিটফোর্ড হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে।

দোহারের পদ্মায় দিনব্যাপী নৌ-র‍্যালী অনুষ্ঠিত

১ অক্টোবর থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম হওয়ায় ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষে এ সময় পদ্মা নদীতে সকল প্রকার মাছ ধরা নিষেধ করেছে সরকার। এ প্রচারনার অংশ হিসেবে দোহার উপজেলার পদ্মা নদীতে জেলেদের অবহিতকরন এবং সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষে দিনব্যাপী নৌ-র‍্যালী অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ১ অক্টোবর শনিবার সকালে উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের মৈনট ঘাট থেকে শুরু হওয়া এ নৌ-র‍্যালী পদ্মা নদীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট প্রদক্ষিণ করে। এ সময় মাইকিং করে নদী পারের জেলে এবং সাধারণ জনগণকে ইলিশের এ প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ না ধরা বিষয়ে সচেতন করা হয়। উপজেলা মৎস্য দপ্তর এবং দোহার উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে দিনব্যাপী এ নৌ-র‍্যালীতে উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম. আল-আমীন, উপজেলা কমিশনার (ভুমি) ইমরুল হাসান, মৎস কর্মকর্তা (অ.দ.) আব্দুল মান্নান, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার রজ্জব আলী মোল্লা, কুতুবপুর নৌ-পুলিশ ফারির আই.সি. এস আই ফরহাদ হোসেন, বিলাসপুর ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন মোল্লা, মাহমুদপুর ইউপি চেয়ারম্যান তোফাজ্জল মুন্সী, নয়াবাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান শামীম আহমেদ হান্নান, দোহার প্রেস ক্লাবের সভাপতি কামরুল হাসান, সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুর রহমান টিপু প্রমুখ।

দোহারের উত্তর শিমুলিয়ায় নাতনীকে ধর্ষণের দায়ে নানা আটক

দোহারের উত্তর শিমুলিয়ায় নাতনীকে ধর্ষণের দায়ে নানাকে আটক করেছে দোহার থানা পুলিশ। আটককৃত ব্যক্তির নাম কোরবান আলী (৬৫)। তিনি উপজেলার নারিশা ইউনিয়নের উত্তর শিমুলিয়া গ্রামের মৃত আ. গণি মিয়ার ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উত্তর শিমুলিয়া গ্রামের বালুর মাঠ সংলগ্ন বাড়িতে মো.কুরবান আলী তার আপন মেয়ের ঘরের আতনীকে জোর পূর্বক ধর্ষণ করেন। এলাকাবাসীর তৎপরতায় বিষয়টি প্রকাশিত হলে পুলিশ গিয়ে অভিযুক্ত কোরবান আলীকে আটক করে দোহার থানায় নিয়ে আসে।

এ ব্যাপারে দোহার থানা ওসি সিরাজুল ইসলাম শেখ বলেন, অভিযুক্ত কোরবান আলীকে ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের (সংশোধনী ২০০৩) ৯ এর ১ ধারায় ধর্ষণ মামলায় আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

ধর্ম যার যার দেশটি সবার – নির্মল রঞ্জন গুহ

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে গতকাল আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও ঢাকা জেলা পুজা উৎসব কমিটির আহবায়ক নির্মল রঞ্জন গুহ বলেছেন, আগামী নির্বাচনে জননেত্রী শেখ হাসিনার পাশে থেকে আবারো ক্ষমতায় আনতে হবে। তিনি ক্ষমতায় থাকলে দেশে অসাম্প্রদায়িকতা বজায় থাকবে যার যার ধর্ম নিজেরমত করে পালন করতে পারবেন। ধর্ম যার যার দেশটি সবার এই হোক সকলের উন্নয়নের শ্লোগান।

এরপর দোহারে বিভিন্ন পূজা মন্ডপ পরিদর্শন কালে প্রধান অতিথি হিসাবে বিভিন্ন পুজামন্ডপে নগদ অর্থ প্রদান করেন ও গরিব অসহায়দের মাঝে বস্র বিতরণ করেন।

এসময়ে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ এর কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য বিশিষ্ট ব্যবসায়ী বর্তমান আওয়ামীলীগ নেতা,জাফর ইকবাল লাভলু শিকদার। ঢাকা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ এর সভাপতি মাহবুব বেপারী, হুমায়ূন ফাউন্ডেশন এর কর্নধার মোঃ হুমায়ূন কবির প্রমুখ।