সালমান এফ রহমান ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে বন্ধ যাত্রা

0

অবশেষে অনেক আলোচনা ও সমালোচনার পর অবশেষে বন্ধ হলো নারিশার যাত্রার নামে অশ্লীল নৃত্য প্রদর্শনী।  নারিশা ইউনিয়নে গত কয়েক দিন ধরেই মিছিল, মিটিং ও অভিযানে সাময়িক বন্ধ হওয়ার পর অবশেষে স্থায়ী ভাবে বন্ধ হলো যাত্রার নামে অশ্লীল নৃত্য প্রদর্শনী। সালমান এফ রহমান ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের প্রত্যক্ষ হস্তক্ষেপে বন্ধ হলো এই যাত্রার নামে এই অশ্লীল নৃত্য প্রদর্শনী।

গত কয়েকদিন ধরেই যাত্রা বন্ধের দাবিতে উত্তাল দোহারের সচেতন সমাজ। দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে এম আল আমিন ৫ জানুয়ারী যাত্রা বন্ধে অভিযান পরিচালনা করলেও দুই দিন পর থেকেই আবার শুরু হয় যাত্রা। যুব সমাজকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাওয়া এই যাত্রা বন্ধে উদ্যোগ নেন দোহার উপজেলা চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন ও দোহার উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহবায়ক আলমগীর হোসেন। দুই জনে উদ্যোগ নিয়ে একই সাথে তৈরি করেছেন জন সচেতনতা এবং যোগাযোগ করেছেন সালমান এফ রহমানের সাথে। সালমান এফ রহমান ঘটনা জানতে পেরে সেই সময়েই ফোন দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে। আসাদুজ্জামান খান কামাল দ্রুত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন দোহার থানা পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনকে।

সেই নির্দেশ অনুযায়ী গত বুধবার রাতে দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে যাত্রা বন্ধের লিখিত ঘোষনা দেন যাত্রার অন্যতম প্রধান উদ্যোক্তা আবুল কালাম হাওলাদার। এই সময় দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিসে কে এম আল আমিন ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান, দোহার উপজেলা চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন, দোহার থানা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ সিরাজুল ইসলামসহ প্রশাসন ও আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ।

প্রশাসনের চাপে ও বৃহস্পতিবারের জনরোষের ভয়ে অশ্লীল যাত্রা বন্ধের ঘোষণা

0

বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় উপজেলা প্রশাসন কার্যালয়ে জনসাধারণের বিক্ষোভ মিছিল, মানব বন্ধন ও গণরোষ থেকে বাঁচতে ; একই সাথে প্রশাসনের নিয়মিত কার্যকর চাপে দোহার উপজেলার নারিশা ইউনিয়নের জোয়ার নারিশা গ্রামের অশ্লীল যাত্রাপালা বন্ধের ঘোষণা  দিয়েছে যাত্রা কমিটির সভাপতি আবুল কালাম হাওলাদার। জানা যায়, তাঁর এহেন কার্যকলাপে দলীয় ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হওয়ায় তিনি নিজ দল থেকেও চাপে ছিলেন। তাই সকল চাপ্ন এড়াতে বুধবার উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তার কাছে লিখিত ভাবে আবেদন করেছেন যে তিনি এই যাত্রাপালা বন্ধ করে দিবেন।

এক্ষেত্রে উপজেলা নিরবাহি কর্মকর্তা কে এম আল – আমিনের ভূমিকা ও উপজেলা চেয়ারম্যান আলমগির হোসেনের ভূমিকা সকল মহলে প্রশংসা কূরিয়েছে।একই সাথে অফিসার ইন চার্জ শেখ সিরাজুল ইসলামের ভূমিকাও ছিল প্রশংসিত। বার বার তাদের সময়োচিত এবং সংঘাতহীন এই উদ্যোগ সরকারে ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে বলেই জন সাধারণ মনে করে।

এই যাত্রাপালার ব্যাপারে দোহারের বিভিন্ন গণ মাধ্যম সহ জাতীয় গণ মাধ্যম ধারাবাহিক সংবাদ পরিবেশন করে আসছিলো, যার ফলশ্রুতিতে এই যাত্রাপালা বন্ধ হলো বলে মনে করেন সকলে।

দিগন্ত জোড়া সরিষার অপরুপ রুপঃ কৃষকের মুখে হাসি

0

শরিফ হাসান ও গাজী নাদিমঃ দিগন্ত মাঠ জুড়ে হলদে সরিষা ফুলের/নয়ন প্রসন্ন করা যে রূপ দেখিয়াছি,/মুহূমুহূ মাতাল করা সেই গন্ধেরমিঠালী সমীরণে/পলেপলে আমি যেন তার প্রেমে পড়িয়াছি।দিগন্ত জোড়া যতদূর চোখ যায় শুধুই হলুদ রংয়ের সমাহার। এ বছর সরিষার বাম্পার ফলনের আশায় কৃষকরা রাতদিন পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। আর এ কারনে দোহার-নবাবগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকা জুড়ে সরিষার ক্ষেত হলুদ ফুলে একাকার হয়ে গেছে। কৃষকেরা আশা করছেন এবার সরিষার বাম্পার ফলন হবে।


এখানকার চাষীরা এবার বিভিন্ন উন্নতমানের সরিষার বীজ ব্যবহার করেছেন। আর এ কারনে এই বছর এই দুই উপজেলার প্রতিটি গ্রামাঞ্চলের মাঠে ইতিমধ্যে আগাম জাতের সরিষার হলুদ ফুলে ছেয়ে গেছে।

অন্য বছরের তুলনায় এ বছর সরিষার আবাদে কোস পোঁকার আক্রমন তেমন হয় নি। তাছাড়া সময় মত সার, কীটনাশকের ব্যবহারের কারনে সরিষার আবাদ করতে কৃষকের কোন বেগ পেতে হয় নি। সব মিলিয়ে এবার সরিষার বাম্পার ফলন হবে এটাই কৃষকদের আশা।

দোহারের কোঠাবাড়ী চকের কৃষক শামসু মোল্লা সাথে কথা বলে জানা যায়, তিনি তিন এবার বিঘা জমিতে সরিষার চাষ করেছেন, সব কিছু ঠিক থাকলে তিনি বিঘা প্রতি প্রায় চার থেকে পাঁচ মন সরিষা তুলতে পারবেন।

তাছাড়া এবার অনেক সুলভে সরিষা চাষ করতে পারছে কৃষকেরা। প্রতি বিঘা সরিষা চাষ করতে কৃষকদের খরচ হচ্ছে প্রায় ১৩০০-১৫০০ টাকা।

আত্মসমর্পণ করতে হচ্ছে নাজমুল হুদাকে

স্টাফ রিপোর্টারঃ অবশেষে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করতে হচ্ছে সাবেক যোগাযোগ মন্ত্রী ও ঢাকা-১ আসনের সাবেক এমপি ব্যারিস্টার নাজমুল হুদাকে। সাবেক মন্ত্রী নাজমুল হুদা বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ না করেই আপিল বিভাগে যে আবেদন করেছিলেন তাতে সাড়া দেননি সর্বোচ্চ আদালত। দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে গঠিত আপিল বিভাগ গতকাল নাজমুল হুদার আবেদনটি ‘উত্থাপিত হয়নি’ মর্মে তা খারিজ করে দেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে নাজমুল হুদা নিজেই শুনানি করেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। আপিল বিভাগের এ আদেশের ফলে নাজমুল হুদাকে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করতেই হবে বলে জানান খুরশিদ আলম খান। তিনি জানান, এই মামলায় গত ৮ই নভেম্বর হাইকোর্ট এক রায়ে নাজমুল হুদাকে বিচারিক আদালতের দেয়া সাত বছরের কারাদণ্ড কমিয়ে চার বছরের কারাদণ্ডের রায় দেন।
একই সঙ্গে হাইকোর্টের রায়ের অনুলিপি পাওয়ার ৪৫ দিনের মধ্যে তাকে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। কিন্তু নাজমুল হুদা আত্মসমর্পণ না করেই আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন করেন। খুরশিদ আলম খান বলেন, আজ (গতকাল) নাজমুল হুদার আবেদনটি উত্থাপিত হয়নি মর্মে তা খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ। এখন হাইকোর্টের রায়ের অনুলিপি পাওয়ার ৪৫ দিনের মধ্যে নাজমুল হুদাকে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করতেই হবে। মামলার বিবরণে জানা যায়, একটি সাপ্তাহিক পত্রিকার জন্য এক ব্যক্তির কাছ থেকে ২ কোটি ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নেয়ার অভিযোগে ২০০৭ সালের ২১শে মার্চ রাজধানীর ধানমন্ডি থানায় নাজমুল হুদা দম্পতির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে দুদক। পরে ২০০৭ সালের ২৭শে আগস্ট বিশেষ জজ আদালত এক রায়ে নাজমুল হুদাকে সাত বছরের কারাদণ্ড এবং আড়াই কোটি টাকা জরিমানা করেন। আর তার স্ত্রী সিগমা হুদাকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। ওই রায়ের বিরুদ্ধে নাজমুল হুদা ও সিগমা হুদা হাইকোর্টে আপিল করলে শুনানি শেষে ২০১১ সালের ২০শে মার্চ হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ এক রায়ে হুদা দম্পতিকে খালাস দেয়। পরে রাষ্ট্রপক্ষ ও দুদক ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করলে শুনানি নিয়ে ২০১৪ সালের ১লা ডিসেম্বর এক রায়ে নাজমুল হুদার খালাসের রায় বাতিল করে মামলাটির পুনঃশুনানির নির্দেশ দেয় আপিল বিভাগ।

আমি মাটি ও মানুষ ধরে রাজনীতি করেছিঃ গ্যাড এর প্রোগ্রামে মাহবুবুর রহমান

 

 

ঢাকা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান বলেছেন, আমি অনেক ধৈর্য্য ধরে রাজনীতি করেছি। আমি খালিহাতে মানব কল্যাণে নেমেছি। আমি মানুষ ও এই মাটিকে ধরে আর পড়ে থেকে রাজনীতি করেছি। আজ আমি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হয়েছি। আজ জননেত্রী বংগবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা আমাকে প্রতিদান দিয়েছেন, আমার স্বপ্ন স্বার্থক হয়েছে। আমি ঢাকা জেলার সামগ্রিক উন্নয়নে কাজ করতে চাই। আগামী চার বছর নিরলস কাজ করে, ঢাকা জেলায় যে উন্নয়নের জোয়ার বইছে, সে মহাসড়কে আমি ঢাকা জেলাকে অগ্রভাবে রাখতে চাই।

শনিবার গ্রাজ্যুয়েট এ্যাসোসিয়েশন অব দোহার (GAD) এর ১৪তম মেধাবৃত্তি ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ১৩০জন কৃতি শিক্ষার্থীদের ক্রেস্ট প্রদান উপলক্ষে এই কথা বলেন।

গ্যাড

মাহবুবুর রহমান বলেন, আজ তোমরা এই কৃতি শিক্ষার্থীরা দোহারের সন্তান ডাঃ এ আর খান এর মতো হও। তোমরা হও জজ মান্নানের মতো। তোমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে স্বপ্ন দেখো। আমি স্কুল কলেজে সহায়তা দিচ্ছি, আরো কি কি লাগবে বলুন, আমি দিব।

তিনি গ্যাডের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা আমাকে জমি দিন, আমি আপনাদেরকে ১কোটি টাকার মধ্যে বিল্ডিং করে দিব। আমি দোহার – নবাবগঞ্জকে তথা ঢাকা জেলা কে জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের শিখরে পৌছে দিতে চাই।

অনুষ্ঠান উদ্বোধক মহাহিসাব রক্ষক ও সাবেক দায়রা ও জেলা জজ ডঃ খান মোঃ আব্দুল মান্নান বলেন, তোমরা আলোকিত মানুষ হও। আমরা যখন পড়ালেখা করেছি, তখন সুবিধা কিছুই ছিল না। আমরা অনেক কষ্ট করে পড়ে, ঢাকায় পড়ে মানুষ হয়েছি, এখন তোমাদের পালা। তোমরা দোহারকে, নিজ পরিবারকে এগিয়ে নিবে। পড়ালেখা করতে হবে, বাবা মা’র কথা শুনতে হবে। মুরুব্বীদের কথা শুনতে ও মানতে হবে। মাদক থেকে দূরে থাকবে, না হলে ধ্বংস হয়ে যাবে, আর জীবনে উঠে দাড়াতে পারবে না।

গ্যাড

গ্যাডের সভাপতি এম এ রহিম বলেন, আমরা আলোকিত মানুষ চাই। আজ এই মেধাবৃত্তি প্রদান তোমাদেরকে ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে। আমাদেরকে এগিয়ে নিবে বংগবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার কাংখিত লক্ষ্যে।

গ্যাড

সাধারণ সম্পাদক রোকেয়া পারভিন জুই বলেন, আজ যাদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেয়া হচ্ছে, তারাই একদিন গ্যাড ও দোহারের হাল ধরবে।এই প্রজন্মই বিশ্ব এ সমাদৃত করবে আমাদের। গ্যাড সারা বিশ্বে ছড়িয়ে থাকা দোহারের মেধাবী দের উতসাহমূলক সম্মাননা দেয়।আজ যেমন এখানে পুরস্কার নিতে রিয়াদ ইণ্টারন্যাশনাল স্কুলের ছাত্র আছে।আসুন সবাই মিলে শিক্ষিত, মেধাবী ও উন্নত দোহার গড়ি

গ্যাড

অনুষ্ঠান সঞ্চালক ও গ্যাডের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান জুয়েল বলেন, আজ দোহারের সকল আলোকিত মানুষ এখানে। আমরা চাই এইভাবেই সুকল ছাত্র ছাত্রী মেধাবী হয়ে উঠুক। দোহার নবাবগঞ্জ তথা সমগ্র বাংলাদেশ হয়ে উঠুক দক্ষ, সমৃদ্ধ অ দেশ প্রেমিক নাগরিকের সম্মিলন।

গ্যাডের কার্যনির্বাহী সদস্য ও সাবেক ছাত্রনেতা সুরুজ আলম সুরুজ বলেন,man can be defeated but not destroyed. তাই সুনীতি, মূল্যবোধ, আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় নিজকে গড়ে, এগিয়ে যেতে হবে।

এরপর সকল কৃতি শিক্ষার্থীর মাঝে ক্রেস্ট প্রদান করা হয় ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়।

দোহারের নারিশা’য় যাত্রাপালাঃ মুখোমুখি প্রশাসন, বিক্ষুব্ধ জনগণঃ সরব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম  

0

ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার নারিশা ইউনিয়নের নারিশা জোয়ার এলাকায় যাত্রার অনুমতি দেয়ায় সংকটে পড়েছে প্রশাসন। যাত্রা্য় অশ্লীল নৃত্য ও অভিনয় হচ্ছে অভিযোগ করে স্থানীয় মুসল্লীরা স্মারকলিপি দিয়েছে, মিছিল করেছে, একই সাথে ২৪ ঘণ্টা তথা ১দিনের আল্টিমেটাম দিয়েছে যাত্রা উচ্ছেদে।শুক্রবার নারিশা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে নারিশা গার্লস স্কুল প্রদক্ষিণ করে, আবার নারিশা ইউনিয়ন পরিষদের মাঠে ঘুরে আসে।

চিত্রঃ বিক্ষোভ মিছিল।

চিত্রঃ আবুল কালাম হাওলাদার, সভাপতি – একতা সংঘ; যার বিরুদ্ধে অভিযোগ।

শুক্রবার বিকালে নারিশা ইউনিয়ন পরিষদের মাঠে আয়োজিত এক সাধারন সমাবেশে সাবেক ছাত্রনেতা আলমগির হোসেন বলেন, প্রশাসনকে অনুরোধ করছি, যাত্রা উচ্ছ্বেদ করতে। প্রশাসনকে আহবান করছি জনসাধারণের সেণ্টিমেণ্ট অনুধাবন করতে। তিনি বলেন, ২৪ঘণটা সময় দেয়া হলো উচ্ছ্বেদ করতে, যাত্রাপালা নামের এই অশ্লীলতা, মাদক বিক্রি উচ্ছ্বেদ না করে আমরা ঘরে ফিরে যাবো না।

https://www.facebook.com/shazu.biswas07/videos/1970064893007760/

(আলমগির হোসেনের বক্তব্যের ভিডিও লিংক)

নারিশা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা ডাঃ আবু কালাম বলেন, আজ এই সামাজিক দাবীর প্রতি প্রশাসনকে অনুরোধ করছি, সমাজকে এও অবক্ষয় থেকে রক্ষা করুন। যাত্রাপালা বন্ধ করুন। যুব সমাজকে রক্ষা করুন। এই দেশের তৌহিদি ইসলামী জনতাসহ এটা আজ সমগ্র দোহারবাসীর সম্মিলিত দাবী। আপনারা অতি দ্রুত পদক্ষেপ নিন, তা না হলে সাধারণ জনতা বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠতে পারে; এই যাত্রাপালাকে কেন্দ্র করে সামাজিক ও ধর্মীয় অবক্ষয়সহ আইন শৃংখলা পরিস্থিতি’র অবনতির আশংকা করছি। তাই প্রশাসনের কাছে আমাদের বিনীত অনুরোধ করছি, আপনারা এই অবৈধ যাত্রাপালা বন্ধ করুন।

এদিকে নারিশা ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান ও ঢাকা জেলা যুবলীগের সিনিয়ির সহ-সভাপতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক থেকে জানতে পারলাম, ডিসী মহোদয় নারিশা ইউনিয়নের আবুল হাওলাদার গং এর নামে আনন্দ মেলার নামে যাত্রাপালার অনুমতি দিয়াছেন। কিন্তু এই কুচক্রী মহল অশ্লীল যাত্রাপালা, বেহায়াপানা, উচ্ছৃংখলা, নষ্টামী, জুয়া, মাদক, ইত্যাদির জমজমাট বাজার বসিয়েছে। নারিশা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান হিসাবে এই অপকর্মের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এই অপকর্ম উচ্ছ্বেদের জন্য সর্ব মহলের সহযোগিতা কামনা করছি।

চিত্রঃসালাহ উদ্দিন দরানীর প্রেস বিজ্ঞপ্তি 

এলাকাবাসীর অভিযোগ, শর্ত সাপেক্ষে যে অনুমতি দেয়া হয়েছে, সেসব শর্তের উল্লেখিত শর্ত সমূহের ৫,৬,৭ নাম্বার শর্ত লঙ্ঘনের দায়ে অভিযুক্তদের বিরদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

জানা যায়, ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে নদীভাংগন কবলিত ক্ষতিগ্রস্থদের সহায়তায় মাসব্যাপী আনন্দমেলা ও ঐতিহ্যবাহী যাত্রাপালা আয়োজনের জন্য আবেদন করেন “একতা সমিতির” সভাপতি, মেঘুলা ওয়ার্ড আওয়ামিলীগের সভাপতি আবুল কালাম হাওলাদার। এই আবেদনের প্রেক্ষিতে ২৭/১২/২০১৭ তারিখে অফিসার ইনচার্জ, দোহার থানা, ঢাকা এর উত্থাপিত শর্ত ও প্রদত্ত মতামতের উপর ভিত্তি করে প্রস্তাবিত মেলা আয়োজন করাযেতে পারে বলে মতামত দেন পুলিশ সুপার, ঢাকা জেলা বিশেষ শাখা। এমতাবস্থায়, পরিস্থিতি বিবেচনা করে, ২রা জানুয়ারি-২০১৮ ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ব্যবসা বাণিজ্য শাখা থেকে সিনিয়র সহকারি কমিশনার কাজী হাফিজুল আমিন ৫জানুয়ারি,২০১৮ থেকে ৪ঠা ফেব্রুয়ারি,২০১৮ পর্যন্ত আনন্দ মেলা ও যাত্রাপালা আয়োজনের অনুমতি প্রদান করেন।

এদিকে ডাঃ আবু কালামের নেতৃত্বে ৪ঠা জানুয়ারি এলাকাবাসী দোহার উপজেলা চেয়ারম্যান আলমগির হোসেনের সাথে দেখা করে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা চেয়ারম্যান ও দোহার উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগাঠনিক সম্পাদক আলমগির হোসেন – আনন্দমেলা ও যাত্রাপালা বন্ধে ঢাকা জেলা প্রশাসকের নিকট আবেদন করেছেন। আর এই আবেদনের সদয় অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য অনুলিপি প্রেরণ করা হয়েছে, পুলিশ সুপার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, দোহার উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (দোহার সার্কেল), অফিসার ইনচার্জ দোহার থানা, ডিআইও- ডিএসবি।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরব হয়ে উঠেছে ব্যাপারটি। একদিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের অনুমতি প্রদান আবার অন্যদিকে উপজেলা চেয়ারম্যানের যাত্রাবন্ধের আবেদন,মুসল্লীসহ এলাকাবাসীর বিক্ষোভে এক ধরনের চাপা উত্তেজনা রয়েছে । ঘটতে পারে যে কোন প্রকার অনাকাংখিত ঘটনা।

চিত্রঃঅনুমতি প্রদান প্রসংগে মতামত।

চিত্রঃ অনুমতি পত্র।

চিত্রঃ উপজেলা চেয়ারম্যান আলমগির হোসেনের পত্র।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যেমনটি লিখেছেন – নিয়মিত লেখক সাহাবুদ্দিন বিশ্বাস। তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার মত প্রকাশ করে লিখেছেন, ফাত্রাদের যাত্রাপালার মূল হুতা “একতা সমিতির”সভাপতি,মেঘুলা ওয়ার্ড আওয়ামিলীগের সভাপতি আবুল কালাম হাওলাদারের নামে “আনন্দ মেলা এবং যাত্রাপালা”র অনুমতি প্রদান করেন ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়। উল্লেখিত শর্ত সমূহের ৫,৬,৭ নাম্বার শর্ত লঙ্ঘনের দায়ে একতা সমিতির সভাপতির বিরদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যায়।দোহার উপজেলা প্রশাসন ও দোহার থানা পুলিশের উচিত ছিলো উল্লেখিত শর্ত সমূহের লঙ্ঘনের দায়ে কালাম হাওলাদারের বিরদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করা।

মেঘুলা ওয়ার্ড আওয়ামিলীগের সভাপতির নাম ব্যবহার করে যারা অন্তরালে থেকে দোহার থানায় উলঙ্গপনাকে স্থায়ী রুপ দিতে চাইতাছেন তাদেরকে সবাই চিনে এবং ঘৃনা করে।নেতার ছত্রছায়ায় থেকে সামাজিক মূল্যবোধকে ধ্বংশের এই পায়তারা ধর্মপ্রীয় মানুষরা মেনে নিবেনা এবং তারা প্রতিবাদী হয়ে উঠবে।প্রশাসন যদি যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করতে ব্যর্থ হয় তাহলে এর প্রতিবাদে সাধারন জনগনকে রাস্তায় নেমে আসতে হবে।ভেঙে দিতে হবে নষ্টামীর আখরা।

ধন্যবাদ জানাই দোহার উপজেলা চেয়ারম্যান আলমগির হোসেন কে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ বরাবর স্বারক লিপি দেওয়ার জন্য ,যাতে যাত্রাপালা নামের নষ্টামী বন্ধ করা যায়।আওয়ামিলীগের নাম ব্যবহার করে ক্ষমতার অপব্যবহারের জন্য মেঘুলা ওয়ার্ড আওয়ামিলীগের সভাপতি আবুল কালাম হাওলাদারকে দল থেকে বহিস্কার করার দাবী জানাই দোহার উপজেলা আওয়ামিলীগের কাছে।

শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান নবাবগঞ্জের আক্কাস আলী মোল্লা

শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন নবাবগঞ্জের কৃতি সন্তান আক্কাছ আলী মোল্লা।  বান্দুরা হলিক্রশ হাই স্কুলের প্রাক্তন এই ছাত্র একই সাথে বান্দুরা হলিক্রশ হাই স্কুল অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সম্মানিত সিনিয়র সহ-সভাপতি।

শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান আক্কাচ আলী মোল্লা একই সাথে দেশের অন্যতম ব্যবসায়ীক গ্রুপ ওসমান গ্রুপের কর্ণধার।

এর আগে শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকে তার আগে চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন একে আজাদ। একে আজাদের পর শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিলেন আক্কাচ আলী মোল্লা। এর আগে তিনি  শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেছেন।

আক্কাচ আলী মোল্লা

আক্কাচ উদ্দিন মোল্লাহ শাহ্‌জালাল ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় তাকে অভিনন্দন জানিয়েছে বান্দুরা হলিক্রশ হাই স্কুলের সকল প্রাক্তন ছাত্রদের সংগঠন।

দোহার-নবাবগঞ্জের ষোল বছরের পুরোনো ছবি

0

পরিবর্তনের জন্য ষোল বছর নেহাত কম সময় নয়, আজকে যেখানে খাল কাল সেখানে ভরাট করে দালান উঠে যাচ্ছে, মাঠ ঘাট হয়ে যাচ্ছে গ্রাম নয়তো বাজার। এই সময়ের মধ্যে দোহার-নবাবগঞ্জে দৃশ্যমান অনেক পরিবর্তন এসেছে। ২০০৭ থেকে ২০০৯ সালে তোলা ঢাকা জেলার দোহার ও নবাবগঞ্জের পুরোনো ছবি নিয়ে এই ছবিঘর:

১# মৈনট : জুলাই, ২০০৮

পদ্মার বুক পর্যন্ত চলে যাওয়া মৈনটের প্রথম সড়কের স্মৃতিচিহ্ন এটি। ভরা বর্ষায় পদ্মার পানি দুই পাড় ছাপিয়ে চলে আসে বহু কাছে, সেই পানির তোড়েই ভেসে যায় এই সড়ক, সড়াকের একাধিক সেতু।

২# নবাবগঞ্জের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার তখন তৈরি হচ্ছিল: নভেম্বর ২০০৭

৩# জয়পড়া-গালিমপুর সড়ক : আগস্ট ২০০৮

তখন সংস্কার কাজ চলছিল। তৈরি হওয়ার বহু বছর পর পর্যন্ত যান চলাচলের জন্য আরামদায়ক ছিল না রাস্তাটি।

৪# কলাকোপা বিবিরচর সাধু মেলা: জানুয়ারি ২০০৮

৫# জয়পাড়া কলেজ পুকুর, এই নাড়িকেল গাছগুলির বেশিরভাগ এখন আর নেই: আগস্ট ২০০৭

৬# অবকাশ সিনেমা হল: মার্চ ২০০৯

এই সিনেমে হলের কথা মনে পড়লে দোহারের মানুষ নস্টালজিক না হয়ে পারে না। আশি-নব্বইর দশকে মানুষের বিনোদনের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র ছিল এটা। এখানে জড়িয়ে আছে এলাকাবাসীর বহু স্মৃতি।

৭# এখন “আদনান প্যালেস”, এর সামনে থেকে এক সময় মেলা বসত: জানুয়ারি ২০০৮

৮#  নবকুটির, এখন “আদনান প্যালেসে”র অংশ: জানুয়ারি ২০০৮

এটা প্রথমে ছিল একটা ব্যাংক অফিস।

৯# এই ডোবার উপরে এখন মুক্তিযোদ্ধা মার্কেট: ফেব্রুয়ারি ২০০৯

তখন আরামের কাউন্টার ছিল এখানে, তারও অনেক আগে সোনার হরিন নামে একটা বাস ছাড়ত এখান থেকেই।

১০# এখানে এখন রতন স্বাধীনতা ভাস্কর্য: ফেব্রুয়ারি ২০০৯

১১# আলগিচরের এই মসজিদটি এখন দো’তলা: আগস্ট ২০০৭

১২# জয়পাড়া চৌরাস্তা, এখনো জঞ্জালপূর্ণ: আগস্ট ২০০৭

কিছুটা পরিবর্তন হয়েছে, তবু এখনো জঞ্জালপূর্ণ

বি.দ্র: এই পোস্টের কোনো ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা, সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা ও প্রিন্ট করা যাবে না।

মুক্তিযুদ্ধকালীন এরিয়া কমান্ডার কর্তৃক দোহার থানায় আমিই একমাত্র বৈধ কমান্ডার: রজ্জব আলী মোল্লা

এক প্রতিবাদলিপিতে দোহার উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডার রজ্জব আলী বলেছেন, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৭ সালে দোহারের সাপ্তাহিক জাগ্রত জনতা পত্রিকায় ১ম পৃষ্ঠায় প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ করেছেন দোহার উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার রজ্জব আলী কমান্ডার। তিনি বলেন ১৯৭১ সালে দোহার থানায় আমিই একমাত্র বৈধ যুদ্ধকালিন কমান্ডার ছিলাম। সাইদুর রহমান আমার অধিনস্ত একটি গ্রুপ কমান্ডার ছিলেন। এই অঞ্চলের এরিয়া কমান্ডার ক্যাপ্টেন আব্দুল হালিম চৌধুরী আমাকে সার্টিফিকেট দিয়েছেন।নিয়মিত যে গার্ড অব অনার হতো, সে সম্মানও আমিই নিতাম। সাপ্তাহিক জাগ্রত জনতা আমার নামে অর্থ বানিজ্য নিয়ে যে সংবাদ প্রকাশ করেছে তা সম্পুর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। আসন্ন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে একটি মহল আমার নামে অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমি কাউকে টাকা দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা বানাই নি, কেউ যদি তা প্রমান করতে পারে তাহলে আমি তা মাথা পেতে নিব।

বরংচ মুক্তিযোদ্ধাদের অর্থের কারচুপি করিয়াছে বোরহান গং এবং সোরহাব মুন্সি গং। উল্লেখ্য দোহার থানা মুক্তিযোদ্ধা মার্কেট করতে গিয়ে তারা ১ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন এবং সোরহাব গং পালামগঞ্জের মুক্তিযুদ্ধের জাদুঘরের টিনসেট এবং ওয়ালে ৩ লক্ষ টাকার কাজ বেশি দেখিয়ে ৯ লক্ষ টাকা প্রকাশ করেছেন।

এছাড়া তিনি আরো বলেন ক্যাপ্টেন হালিম চৌধুরী ঢাকা পশ্চিম, মানিকগঞ্জ এবং মুন্সিগঞ্জ এরিয়ার কমান্ডার ছিলেন। দোহার থানায় ৬ এপ্রিল ১৯৭১ সালে সিরাজ মিয়া, আব্দুর রঊফ মোল্লা, এডভোকেট আব্দুল মান্নান খান, ডাঃ আবুল কালাম আজাদ, রজ্জব আলী মোল্লা, আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাইদুর রহমান খোকা প্রথম এই অঞ্চলের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করেন এবং এই অঞ্চলের মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠিত করেন।

পরবর্তীতে বায়েজিদ, খন্দকার রুহুল আমিন, বাশার মৃধা, আনিস মাস্টার, আব্দুল হাই যুদ্ধে অংশ গ্রহন করেন। এরপর দোহার থানাসহ বিভিন্ন মহাকুমার থানায় মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠিত করেন। নবাবগঞ্জের সাখাওয়াত হোসেন আঙ্গুর, বদিউজ্জামানের গ্রুপ আসার পর তাদের উপর কমান্ড ছাড়া হয়। দোহার থানার কমান্ড আমার উপর ছাড়া হয়। দোহার থানায় গ্রুপ কমান্ডার ছিলেন ছাইদ, মজিবুর রহমান, বায়েজিদ মীর, রুহুল আমিন ও বাশার মৃধা। এইভাবে দোহার থানায় মুক্তিযুদ্ধ সংগঠিত হয়। এইভাবেই ২৯ নভেম্বর ১৯৭১ সালে দোহার থানা মুক্ত হয়।

ক্যাপ্টেন এটিএম আব্দুল হালিম চৌধুরী , এরিয়া কমান্ডার, ঢাকা পশ্চিম স্বাক্ষরিত সনদে লিখিত আছে,

This is to certify that Md. Rajab Ali S/O Abdul Haque Mollah vill. Narisha Khalpar P.S. Dohar Dist. Dacca of the People’s Republic of Bangladesh participated in Freedom fight/associate with/assisted the Freedom Fighter from 6-04-71 to 30-1-1972.

He was honest and sincere and was the thana commander of Dohar.

ফ্রান্স আওয়ামীলীগের নতুন কমিটিঃ সাধারণ সম্পাদক ও দপ্তর সম্পাদক দোহারের

সম্প্রতি ফ্রান্স আওয়ামী লীগের নতুন কমিটি গঠিত হয়েছে। ফ্রান্স আওয়ামী লীগের এই কমিটিতে সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পেয়েছেন বেনজির আহমেদ সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পেয়েছেন মহসিন উদ্দিন খান লিটন। এই কমিটিতে সাধারন সম্পাদক ও দপ্তর সম্পাদক দুইজনই ঢাকার দোহারের সন্তান।

সাধারণ সম্পাদক পদে দোহারের মহসিন উদ্দিন খান লিটন ঢাকার দোহারের লটাখোলার আওয়ামী পরিবারের সন্তান। ছাত্রজীবন থেকেই ছাত্রলীগের রাজনীতিতে হাতেখড়ি দোহারের এই কৃতি সন্তানের।

অপর দিকে ফ্রান্স আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক পদে আসাদুজজামান সুমন দোহারের নারিশা ইউনিয়নের মেঘুলা গ্রামের সন্তান। তার পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হক তার রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকেই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত। সেই হিসাবে পিতার পদাঙ্ক অনুসরন করে আসাদুজ্জামান সুমন ছাত্রজীবন থেকেই ছাত্রলীগের রাজনীতিতে যুক্ত। মালিকান্দা স্কুল এন্ড কলেজ থেকে ১৯৯৯ সালে এসএসসি পাশ করেন এবং  ২০০১ সালে ধানমন্ডি আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন। সেই সময় থেকেই ছাত্রলীগের বিভিন্ন প্রোগ্রামে তার ছিল সরব উপস্থিতি।

২০০২ সালে নারিশা ইউনিয়নের ছাত্রলীগের কমিটিতে তিনি কার্যকরি সদস্য হিসাবে নির্বাচিত হন। ২০০৫ সালে ফ্রান্সে পারি জমান এই আওয়ামী লীগ নেতা। সেই সময় থেকেই ফ্রান্স আওয়ামী লীগের বিভিন্ন কার্যক্রমে সক্রিয় উপস্থিতি ছিল এই আওয়ামী লীগ নেতার।