দোহার-নবাবগঞ্জের মানুষ সালমান এফ রহমানের দিকে তাকিয়ে আছেঃ আনারকলি পুতুল

দোহার-নবাবগঞ্জের মানুষ আজ সালমান এফ রহমানের দিকে তাকিয়ে আছে, তিনি দায়িত্ব নিবেন ও দোহার-নবাবগঞ্জকে উন্নয়নের মহাসড়কের দিকে নিয়ে যাবেন বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী মহিলা লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আনারকলি পুতুল।

জয়পাড়া কলেজ ছাত্রলীগের উদ্যোগে আয়োজিত ঢাকা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মাহবুবুর রহমানকে দেয়া এক ছাত্র সংবর্ধনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আনারকলি পুতুল বলেন, শেখ হাসিনার দক্ষ দেশ পরিচালনায় আজ দেশ উন্নয়নের মহাসড়কে। এই উন্নয়নের মহাসড়কে আজ দেশ উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আর এই উন্নয়নের মহাসড়কের অন্যতম একটা পার্ট ঢাকা জেলা। আর ঢাকা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আজ সারা দেশের মতো ঢাকা জেলায় যে উন্নয়নের জোয়ার বয়িয়ে দিয়েছেন, তাতে আগামী নির্বাচনে ঢাকার সবগুলো আসন আমরা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে উপহার দিতে পারবো ইনশায়াল্লাহ। তিনি ২০০০ সালে দোহারে সালমান এফ রহমানের আর্সেনিক মুক্ত টিউবওয়েলের কথা স্মরন করিয়ে বলেন, দোহারের মানুষকে স্বাস্থ্য সচেতন করেছেন সালমান এফ রহমান। আজ দোহার-নবাবগঞ্জের মানুষ সালমান এফ রহমানের দিকে তাকিয়ে আছে যে তার নেতৃত্বে দোহার-নবাবগঞ্জে উন্নয়নের জোয়ার বইবে।

জিন্দাবাদ আর অতীত ভুলে যান, থাকতে হবে শেখ হাসিনার সঙ্গে’: নাজমুল হুদাকে মোঃ নাসিম

0

নাজমুল হুদার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ জাতীয় জোট (বিএনএ) ও তৃণমূল বিএনপির তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় সাবেক বিএনপি নেতা চারদলীয় জোট সরকারের সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদাকে ‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’ ভুলে যেতে বলেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। তৃণমূল বিএনপির তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন প্রবীণ ওই রাজনৈতিক নেতা।

তিনি বলেন, ‘অতীত ভুলে যান। ওইখানে আর ফিরে যাওয়া যাবে না। থাকতে হবে শেখ হাসিনার সঙ্গে।’ এদিকে ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা মোহাম্মদ নাসিমের কাছে আগামী নির্বাচনে নিজ জোটের প্রার্থীদের জন্য নৌকা প্রতীক চেয়েছেন। তিনি বলেন, ‘যেখানে ১৪ দলের প্রার্থী থাকবে না, সেখানে আমাদের প্রার্থীকে নৌকা প্রতীক দেয়ার অনুরোধ রাখছি।’

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি ভবন মিলনায়তনে সোমবার সন্ধ্যায় নাজমুল হুদার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম।বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি খাতবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। এছাড়া বিএনএ কো-চেয়ারম্যান এম. নাজিমউদ্দীন আল-আজাদ, মহাসচিব মেজর (অব.) ডা. এম হাবিবুর রহমান, বিএনএ মুখপাত্র শেখ সহীদুজ্জামান।

বিএনএ ও তৃণমূল বিএনপির চেয়ারম্যান নাজমুল হুদার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও ১৪ দলীয় জোটের সমন্বয়ক মোহাম্মদ নাসিম।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যের আগে নাজমুল হুদা সভাপতির বক্তব্যে বলেন, ‘বস্তা পচা রাজনীতি থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য আমরা ৩১টি দল সংঘবদ্ধ হয়েছি। এটি একটি নির্বাচনমুখী জোট।তবে কথা আছে, আমাদের আজকের প্রধান অতিথি (মোহাম্মদ নাসিম) যিনি আজকে ১৪ দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। আমরা এই কথা বলতে পারি যে, আমরা সব ক’টি আসনে প্রার্থী দিলেও যেখানে নিশ্চিতভাবে ১৪ দলীয় প্রার্থী রয়েছে সেই সমস্ত আসন থেকে আমরা আমাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করবো। ঠিক একইভাবে আমরা এ দাবি করবো, যেখানে নিশ্চিতভাবে আওয়ামী লীগের কোনো প্রার্থী নেই, কিংবা ১৪ দলীয় জোটের প্রার্থী নেই, সেখানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদের প্রার্থীর যোগ্যতা বিবেচনা করে তাকে প্রার্থী দিতে হবে নৌকা প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য। আজকে আমি আমাদের প্রধান অতিথির কাছে এই অনুরোধটি করবো।’

আগামী সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিয়ে ১৪ দলের সঙ্গে বৈঠকের আগ্রহ প্রকাশ করে নাজমুল হুদা বলেন, ‘প্রধান অতিথিকে অনুরোধ করবো আপনি দয়া করে বাংলাদেশ জাতীয় জোটের ১০ জন শীর্ষ নেতাকে অনতিবিলম্বে আহ্বান করেন আপনাদের সঙ্গে মতবিনিময় করার জন্য। যাতে করে আমরা প্রতিটি আসনের একটি নির্ভুল সমীকরণের মাধ্যমে যোগ্য প্রার্থী বাছাই করতে পারি।’

এরপর প্রধান অতিথির ব্ক্তব্যে মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ‘মনে রাখবেন পেছনে ফেরার কোনো সুযোগ সম্ভাবনা আমাদের নাই। আপনারা ছেড়ে এসছেন। আমাদের সঙ্গে এসছেন। তাই না! পেছনে ফেরার কোনো সুযোগ নেই। নাজমুল ভাইকে আগেও বলেছি এখনও বলছি কিভাবে নির্বাচন করবো আপনারা ১০ জন নিয়ে বসেন। আলোচনা করে দেখবো। অবশ্যই বসবো। তাড়াতাড়ি বসবো। নির্বাচন হবে বাংলাদেশে সংবিধান অনুযায়ী। বিজয়ের মাসেই নির্বাচন হবে। কেউ যদি চক্রান্ত করে তাহলে জনগণ প্রতিরোধ করবে।’

নাজমুল হুদাকে উদ্দেশ্যে করে মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ‘আপনার জোটকে সংগঠিত করেন। আপনার সঙ্গে বসবো। আমাদের মূল নেত্রী শেখ হাসিনা। তার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে। আপনি সম্মান করেন শ্রদ্ধা করেন বিফলে যাবে না। শুধু একটি কথা বলতে চাই ওইখানে আর ফিরে যাওয়া যাবে না। থাকতে হবে শেখ হাসিনার সঙ্গে। আগামী নির্বাচন হবে। বিজয় ছাড়া আমাদের কোনো বিকল্প নাই। বসে সিদ্ধান্ত নেবো কিভাবে নির্বাচন করতে পারি। খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে কিভাবে লড়াই করতে হয় সিদ্ধান্ত নেবো।’

জয়পাড়া কলেজকে সরকারিকরণে আমরা পিছপা হবো না, সর্ব শক্তি প্রয়োগ করবো – জয়পাড়া কলেজ রিটকারীগণ

জয়পাড়া কলেজ সরকারিকরণ বিষয়ে রবিবার সকাল সাড়ে ১১টায় কলেজ ক্যাম্পাসে সংবাদ সম্মেলন করেছে রিটকারীগণ। এ সময় তারা হাইকোর্টে চলমান মামলার বিষয়ে সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে অবহিত করেন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন রিটকারী ও জয়পাড়া কলেজের সর্বশেষ নির্বাচিত ভিপি ও  দোহার উপজেলা যুবলীগ  সভাপতি আলমাস উদ্দিন, যুবলীগ সেক্রেটারি আব্দুর রহমান আকন্দ, উপজেলা ছাত্রলীগ সেক্রেটারি রাজীব শরিফ, পৌরছাত্রলীগ সভাপতি কামরুল ইসলাম সহ আরো অনেকে।

ভিপি আলমাস বলেন, আমরা মামলার সর্বশেষ অবস্থায় রয়েছি, আশা রাখছি খুব দ্রুত রায় হবে এবং সে রায়ে জয়পাড়া কলেজ সরকারিকরণে চূড়ান্ত রায় দেয়া হবে।আর এই মামলাটি দোহারবাসীর পক্ষ থেকে আমরা করেছি, আমরা দোহারবাসীর সহযোগীতা ও দোয়া চাই।আগামী ১৬ই জানুয়ারি মামলার তারিখ আছে, সেদিন চূড়ান্ত রায়ও হতে পারে।

যুবলীগ সেক্রেটারি আব্দুর রহমান আকন্দ বলেন, একটি মহল বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। মামলা চলমান রয়েছে। এখন সর্বশেষ ধাপে রয়েছে; যে কোন সময় রায় হবে। এই মামলা নিয়ে যারা ফায়দা লুটতে চায়, তারাই বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। আমরা আশা করছি মহামান্য আদালত রায়ে জয়পাড়া কলেজ সরকারিকরণে নির্দেশনা দিবেন।

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান খান ও ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য জয়পাড়া কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি এ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম ছাড়া এ অঞ্চলেরর শীর্ষ পর্যায়ের আর কোন নেতার বিন্দুমাত্র সহযোগিতা আমরা পাইনি। তবে স্বেচ্ছাসেবক লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম বাবুল, সাধারন সম্পাদক আলী আহসান খোকন ও প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পরিষদের সদস্য সহ আরও অনেকে আমাদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করেছেন।

দোহার উপজেলা ছাত্রলীগ সেক্রেটারি রাজীব শরিফ বলেন, কলেজে সংবর্ধনা হবে। তারা বরেণ্য রাজনীতিবীদ তারা অবশ্যই সংবর্ধনা নিবেন। কিন্তু তারা নয়টি ইউনিয়নবাসীকে সরকারিকরণ বিষয়ে যে কষ্ট দিয়েছেন সেটা ভুলে যদি তারা এই মামলার অবস্থা বিবেচনা করে কোন বিভ্রান্তি করতে চান, ফায়দা লুটতে চান; তাহলে তারা বোকার স্বর্গে বাস করছেন। এই মামলা আমরা করেছি, আমরা আশা করছি মহামান্য হাইকোর্ট খুব দ্রুতই এই বিষয় বিবেচনা করে আমাদের পক্ষে রায় দিবেন।

নিউজ৩৯কে উদ্দেশ্য করে বলা বক্তব্য বিষয়ে নিউজ৩৯ এর মতামতঃ

সত্য, সুন্দর ও শ্বাশত সংবাদ পরিবেশনে কাউকে খুশী করা সম্ভব নয়। আমাদের বিচার আমাদের পাঠকেরা করেন। আজ ৭বছর অতিক্রান্ত করে আমাদের পাঠক ৭২,০০০ জন। আমরা কোন তথ্য বিভ্রান্ত বা গোপন করি না। আমাদের সাধ্যে আমরা চেষ্টা করি সঠিক তথ্য সম্বলিত সংবাদ পাঠকের কাছে পৌছে দিতে।

নিউজ৩৯ কাউকে লেজুড় বৃত্তি করে না। আমাদের পবিত্র সংবিধানের ৩৯ ধারা মত প্রকাশের স্বাধীনতা। আমরা সকলের মত একত্রিত করে পৌছে দেই পাঠকের হাতে। ১৬ই জানুয়ারি জয়পাড়া কলেজে ঢাকা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমানকে সংবর্ধনা দেয়া নিয়ে ও রাজণৈতিক মেরুকরণ বিষয়ে যে নিউজ প্রকাশ করেছে, তা সর্ব মহলে প্রশংসিত হয়েছে, সবাই চেয়েছে দল এক হোক। আমরা যাদের বক্তব্য পেয়েছি, তাদের বক্তব্যই প্রকাশ করেছি। সংবাদ পরিবেশনের মৌলিক নীতি অনুসরণ করে, আমরা নিজেদের কোন মতামত দেই না। নিজস্ব মতামত দেয়ার জন্য নিউজ৩৯ এর রয়েছে নিজস্ব ব্লগ সাইট। সেখানে যে কেউ সাংবিধানিক রীতি অনুসরণ করে লিখতে পারেন।

নবাবগঞ্জে এড. মান্নান খানের বিশাল মহড়াঃ মুহুর্মুহু শ্লোগানে মুখরিত নবাবগঞ্জ

সাইফুল ইসলামঃ প্রায় ৬০০ শত মোটর সাইকেলের বিশাল বহর নিয়ে মঞ্চে তিনি এলেন, এলেন বীরদর্পে। এলেন সেই পুরোনো তিনি নতুন রুপে। চারিদিকে তখন চলছে মুহুর্মুহু শ্লোগান – “দোহার – নবাবগঞ্জের মাটি, মান্নান খানের ঘাটি।” নবাবগঞ্জে বংগমাতা ফজিলাতুন্নেসা মুজিব গোল্ডকাপ ফুটবলের বিশেষ অতিথি হিসাবে আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম মেম্বার ও সাবেক মন্ত্রী আব্দুল মান্নান খানের মঞ্চে আগমনের সময় এরকম ঘটনা ঘটে। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদ্বেষ্টা এইচ টি ইমাম বলেন, আজ তো শ্লোগান দেখে মনে হচ্ছে সবই মান্নান ভাইয়ের কর্মি সমর্থক। যাই হোক সবইতো নৌকার সমর্থক।

এরপর বিশেষ অতিথি হিসাবে তিনি বিজয়ী দলের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন। তিনি বলেন, শান্তিতে বসবাস করার জন্য আমরা সব করেছি। সারাদেশে আমাদের সরকার কাজ করছে। খরা, অভাব, মঙ্গা, সন্ত্রাসের দেশকে বিশ্বের কাছে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে তুলে ধরেছে সরকার। বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশ প্রশংসিত হয়েছে। সরকার বিভিন্ন সেক্টরে উন্নয়ন করে দেশকে এগিয়ে নিচ্ছে। তাই আবার আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়ে উন্নয়ন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।৪০ লাখ মেট্রিকটন খাদ্য ঘাটতির বাংলাদেশে এখন কোনো খাদ্য ঘাটতি নেই। আগে না খেয়ে মানুষ মারা যেত। এখন আমরা খাদ্যে উদ্বৃত্ত উৎপাদনকারী দেশ। এটা বর্তমান সরকারের অবদান। আপনারা আবার নৌকাকে এবং তাঁর যোগ্য প্রতিনিধিকে পুনরায় নির্বাচিত করুন ”

মাহবুবুর রহমানকে সংবর্ধনা; অতিথিদের বিরুদ্ধে পোস্টার; মেরুকরণের দিকে দোহার আওয়ামীলীগ

নিউজ৩৯, রাজনৈতিক প্রতিবেদক: ঢাকা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারনণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমানের ছাত্র সংবর্ধনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে জয়পাড়া কলেজ ক্যাম্পাস। মূলত সালমান এফ রহমান ও আইজিআর কে এম আব্দুল মান্নানকে অতিথি করায় সংক্ষুব্ধ হয়ে জয়পাড়া কলেজের রাজনৈতিক একটি পক্ষ এই পোস্টার লাগিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। একই সাথে এই ছাত্র সংবর্ধনায় সাবেক গৃহায়ন ও গনপূর্ত প্রতিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আব্দুল মান্নান খানকে অতিথি না করাটাকেও অগ্রহণযোগ্য মনে করছে সেই পক্ষটি। ফলে রাজনৈতিক ভাবে উত্তপ্ত হয়ে পড়েছে জয়পাড়া কলেজ ক্যাম্পাস। এতে সুস্পষ্ট মেরুকরণ হয়ে পড়ছে দোহার উপজেলা আওয়ামীলীগ।

এরই মাঝে ১৪ই জানুয়ারি জয়পাড়া কলেজ ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের সংবাদ সম্মেলন ও জয়পাড়া কলেজ ছাত্রলীগের ছাত্রসংবর্ধনা সফল করার জন্য প্রাক-প্রস্তুতি মিছিলকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে নতুন উত্তেজনা। যদিও কোন পক্ষই এটাকে পাল্টাপাল্টি প্রোগ্রাম বলছে না।

অতিথির তালিকায় মান্নান খানের নাম থাকা না থাকা কে কেন্দ্র করে দোহারের রাজনীতিতে একটা চোরা স্রোত কয়েকদিন ধরেই বয়ে আসছিল। কিন্তু শুক্রবার সকালে সেটা পরিস্কার হয় কলেজ জুড়ে সকল ছাত্র-ছাত্রীর নামে একটি পোস্টার সাটানোকে কেন্দ্র করে।

মাহবুবুর রহমানকে সংবর্ধনা; অতিথিদের বিরুদ্ধে পোস্টার; মেরুকরণের দিকে দোহার আওয়ামীলীগ

জয়পাড়া কলেজের সাধারণ ছাত্রছাত্রী নামে তৈরি করা এই পোস্টারে বলা হয়েছে, সংবর্ধনার অতিথিদের প্রতিরোধ করা হবে, কারণ তারা জয়পাড়া কলেজ সরকারীকরণের ব্যাপারে বাধা দিয়েছে এবং অতিথিদেরকে মীর জাফর উল্লেখ করে পোস্টারে বলা হয়েছে, মীর জাফরদের পতন হবে, জয়পাড়া কলেজ সরকারি হবে।

একই সাথে জয়পাড়া কলেজে তাদের যারা অতিথি করে এনেছে তাদেরকে ধিক্কার জানানো হয়।

এই দিকে জয়পাড়া কলেজকে সরকারীকরণের অগ্রগতি নিয়ে ১৪ জানুয়ারী রবিবার সকাল সাড়ে ১১টায় এক সংবাদ সম্মেলনের আহবান করেছেন জয়পাড়া কলেজকে সরকারীকরণের দাবিতে রিটকারী জয়পাড়া কলেজের সাবেক ভিপি ও দোহার উপজেলা যুবলীগের সভাপতি  আলমাস উদ্দিন ও সাবেক জিএস এবং দোহার উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান আকন্দ।

আব্দুর রহমান আকন্দ নিউজ৩৯-কে ১৪ই জানুয়ারির প্রোগ্রামে থাকার আমন্ত্রণ জানিয়ে বলেন, রবিবার সরকারীকরণ বিষয়ে রিট মামলার অগ্রগতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন হবে।

কিন্তু একই সাথে একই সময়ে একইদিন “ছাত্র সংবর্ধনা”কে কেন্দ্র করে সংবর্ধনা সফল করার জন্য জয়পাড়া কলেজ ছাত্রলীগের উদ্যোগে এক প্রস্তুতি মিছিলের আয়োজন করা হয়েছে। একই সময় দুইটি অনুষ্ঠান কি পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি কিনা এই ব্যাপারে প্রশ্ন করা হয় জয়পাড়া কলেজ ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক আওলাদ হোসেন রিয়াদকে।

আওলাদ হোসেন রিয়াদ নিউজ৩৯কে বলেন, এখন অনেকেই জয়পাড়া কলেজ যখন উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, সরকারী করণের দিকে ধাপে ধাপে এগোচ্ছে তখন অনেকেই এটাতে গাত্রদাহ হয়ে উল্টাপাল্টা অনেক কিছু করছে বা বলছে; যা একই সাথে জয়পাড়া কলেজের সরকারীকরণ প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্থ করছে।

তিনি আরও বলেন, “আমাদের জননেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সরকারের নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের এটা ২য় টার্ম, ১ম টার্মে এই ঢাকা-১ আসন থেকে মন্ত্রী হয়েছিলেন বর্তমান প্রেসিডিয়াম মেম্বার আব্দুল মান্নান খান। তখন তিনি ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক। এক সময় বাম রাজনীতি করার সুবাধে শিক্ষা মন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের সাথে তার ছিল খুবই ভাল সম্পর্ক, তাকে বললেই স্পেশাল পাওয়ারে জয়পাড়া কলেজকে তখন সরকারি করা যেতো। এমনকি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত যখন দোহার ঘুরে গেছেন তখনও দাবি জানানো যেত জয়পাড়া কলেজকে সরকারী করার জন্য। কিন্তু করা হয় নি। অথচ এখন যারা গলা ফাটাচ্ছে, তারা তো মন্ত্রীর আশেপাশেই ছিল, তারাই মন্ত্রীকে কখনও এই কাজ করতে চাপ দেয়নি বা অনুরোধ জানায়নি। কেন?”

ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের ডাকা সংবাদ সম্মেলনের পাল্টা প্রোগ্রাম সংবর্ধনা প্রস্তুতি মিছিল কিনা এই ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে, আওলাদ হোসেন রিয়াদ বলেন, উপজেলা ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক রাজীব শরীফ ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহবায়ক, আমি আওলাদ হোসেন রিয়াদ যুগ্ম আহবায়ক, কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি মোশারফ হোসেন শান্ত যুগ্ম আহবায়ক, কই আমরা তো জানি না সংবাদ সম্মেলনের কথা। আব্দুর রহমান ভাই সংবাদ সম্মেলনের ডাক দিয়েছেন তার ব্যক্তিগত স্থান থেকে। এইখানে ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের কোন সম্পর্ক নেই। উনারা রিটকারী। উনারা বর্তমান পরিস্থিতি জানানোর জন্য সংবাদ সম্মেলন করতেই পারেন, এটার সাথে ছাত্রসংবর্ধনার  কোন সম্পর্ক নেই।

এই ব্যাপারে আই জি আর ড. খান মো: আব্দুল মান্নান নিউজ৩৯ কে বলেন, “যারা প্রতিহত করতে চেয়েছে করুক। এই ব্যাপারে কিছু বলবো না। তবে আমরা বিভিন্ন সময়ে বলেছি, দোহারের সন্তান হিসাবে জয়পাড়া কলেজ সরকারি করণেও আমরা কাজ করতে চাই। এটা ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ তাপস কুমার নন্দী ভালোভাবেই জানেন।”

অতিথিদের প্রতিহত করার পোস্টার নিয়ে নিউজ৩৯ কথা বলে দোহার উপজেলা চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেনের সাথে। আলমগীর হোসেন বলেন, “দোহারে সালমান এফ রহমানকে প্রতিহত করার মতো কেউ নেই। যারা এখন রাজনৈতিক পরিমন্ডলে গুরুত্ব হারিয়ে, হারিয়ে যাওয়ার অপেক্ষায় আছে, এটা তাদের এক ধরনের বালখিল্ল্যতা। কোন কিছুই ছাত্র সংবর্ধনায় বাধা হয়ে দাড়াতে পারবে না।”

উল্লেখ্য এদিন প্রধানমন্ত্রীর বিনিয়োগ বিষয়ক উপদ্বেষ্টা সালমান এফ রহমান জয়পাড়া কলেজ সরকারীকরণ বিষয়ে ঘোষণা দিতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ঠান্ডায় দোহার-নবাবগঞ্জের জনজীবন বিপর্যস্ত

পৌষ মাসের শুরুতেই কনকনে ঠান্ডায় কেঁপে ওঠেছে দেশ, স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন। বাদ পড়ে নি দোহার-নবাবগঞ্জের জনজীবনও। একদিকে কনকনে বাতাস এবং অপর দিকে ঘন কুয়াশার কারণে সূর্যের দেখাই মিলছে না।

মাঝে মধ্যে সূর্য্য উঁকি দেয়ার চেষ্টা করলেও তার তেজ একেবারে নেই বললেই চলে। দিনের অধিকাংশ সময় কুয়াশার চাদরে মোড়ানো থাকছে আকাশ। দিনেও হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করে দোহার- নবাবগঞ্জ এর যানবাহন ।

এছাড়া কুয়াশার জন্য দোহার- নবাবগঞ্জ এর বাজার গুলোতেও তেমন কোনো ভীর দেখা যায় নি। যাদের অতি প্রয়োজন তারাই শুধু ঘর থেকে বের হয়েছে। তাছাড়া দোহারের জয়পাড়া বাজার ও নবাবগঞ্জের দোকান গুলোও তেমন সকালে খুলে নাই। বেশীর ভাগ দোকান গুলো ১০:৩০ এর পরে খোলা হয়েছে । এই কুয়াশার কারনে বিপর্যস্ত পড়েছে জন জীবন।

এদিকে প্রয়োজনীয় শীতবস্ত্রের পরে রিক্সা চালকেরা রিক্সা চালায় আর অটো রিক্সা চালকেরাও দাড়িয়ে থাকে যাত্রীর জন্য কিন্তু তাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী তেমন কোনো যাত্রী পায় নি এই ঘন কুয়াশার কারনে।

সালমান এফ রহমানকে প্রধানমন্ত্রীর সবুজ সংকেত; ঢাকা-১৭ তে নাজমুল হুদা

কোন ধরনের বড় কোন পরিবর্তন না আসলে আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১ আসন থেকে নির্বাচন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা ও বেক্সিমকোর ভাইস প্রেসিডেন্ট সালমান এফ রহমান। আওয়ামী লীগের উচ্চ পর্যায়ের সূত্রের বরাত দিয়ে কালের কন্ঠ এই সংবাদ প্রকাশ করেছে। সালমান এফ রহমান সহ ১০০ প্রার্থীকে মাঠে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।  জোটগত ভাবে নির্বাচন করলে ঢাকা-১৭ থেকে প্রার্থী হতে পারেন বিএনপির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক যোগাযোগ মন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা।

তবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসবে নির্বাচনের আগে প্রয়োজনীয় দলীয় আনুষ্ঠানিকতার পর। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী মনোনয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগের সংসদীয় বোর্ডের বৈঠকে চূড়ান্ত করে চিঠি দেওয়া হবে প্রার্থীদের।

দলের সম্ভাব্য প্রার্থীদের সবুজ সংকেত দেওয়া হচ্ছে কি না জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, নিশ্চয়ই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যদি মনে করেন এঁদের দিয়ে ভালো ফল পাবেন তাই তাঁদের ইঙ্গিত বা গ্রিন সিগন্যাল দিচ্ছেন। যাঁর সম্ভাবনা বেশি আছে, অনেক ক্ষেত্রে তাঁকে ইঙ্গিত দিয়েছেন।

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফর উল্যাহ বলেন, ‘এটি আন-অফিশিয়ালি করা হচ্ছে। যাঁদের আসনে ভালো ফল ছিল, যাঁদের আসন নিয়ে আমরা আশাবাদী, তাঁদের একটা সিগন্যাল দেওয়া হয়েছে। এই সিগন্যাল নেত্রী দিচ্ছেন। বেশ কিছু আসনে নেতাদের নির্বাচনের কাজে ব্যস্ত হওয়ার জন্য বলা হয়েছে।’ সবুজ সংকেত দেওয়া হয়েছে এমন আসনের সংখ্যা কত জানতে চাইলে তিনি বলেন, আনুমানিক ১০০ হবে।

আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা দলের সর্বশেষ অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকে সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী মনোনয়নের লক্ষ্যে জরিপ কার্যক্রম অব্যাহত আছে বলে জানিয়েছেন। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনের আগেও এ ধরনের জরিপ করা হয়েছিল। সরকারি সংস্থার বাইরে বেসরকারি একাধিক প্রতিষ্ঠান এ ধরনের জরিপকাজে অংশ নেয়। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে অনেক আগে থেকেই জরিপ চালানো হচ্ছে। এটি নির্বাচনের আগ মুহূর্ত পর্যন্ত চলবে বলে জানা গেছে।

গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী চূড়ান্ত করে থাকে দলের মনোনয়ন বোর্ড। পদাধিকার বলে ওই বোর্ডের প্রধান দলের সভাপতি শেখ হাসিনা। তবে মনোনয়নের ক্ষেত্রে তৃণমূল আওয়ামী লীগের সুপারিশের বিষয়টিও আমলে নেয় দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। প্রার্থিতা চূড়ান্ত হওয়ার আগে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের দলীয় ফরম কিনে মনোনয়ন বোর্ডের মুখোমুখি হতে হয়। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বোর্ডের সদস্যরা তাঁদের সাক্ষাৎকার নেন। এরপর মনোনয়ন বোর্ড প্রার্থী চূড়ান্ত করলে শেখ হাসিনার সই করা চিঠি চূড়ান্তভাবে মনোনীত প্রার্থীদের হাতে দেওয়া হয়।

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ে দলীয় প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছিলেন দলের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। সেখানে তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল শেখ হাসিনার সই করা আওয়ামী লীগের মনোনয়নের চিঠি।

বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফাইনালে আসছেন মান্নান খান, এইচ টি ইমাম ও সালমান রহমান

নবাবগঞ্জে বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেসা গোল্ড কাপ টুর্নামেন্টের অতিথি হয়ে আসছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা এইচটি ইমাম ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। বঙ্গমাতা  গোল্ডকাপ টূর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় প্রধান অতিথি হিসাবে বিজয়ী দলকে ট্রফি প্রদান করবেন খেলার প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম। এছারা প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন সালমান এফ রহমান। বিকাল ৩টায় নবাবগঞ্জে এই ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হবে। এই সময় আরো উপস্থিত থাকবেন দোহার উপজেলা চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন, নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ দোহার-নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।

যাত্রাপালা বন্ধের দাবীতে আগামীকালের প্রতিবাদ সভা স্থগিত

অবশেষে বন্ধ হয়েছে যাত্রার নামে অশ্লীল নৃত্য প্রদর্শনী। ফলে যাত্রাপালা বন্ধের দাবিতে আগামী কালের প্রতিবাদ সভা স্থগিত করা হয়েছে।

যাত্রাপালার নামে অশ্লীল নৃত্য প্রদর্শনীকে কেন্দ্র করে উদ্ভূত পরিস্থিতি অবগত হয়ে জনাব সালমান এফ রহমান ডিসি মহদয়কে যাত্রাপালা বন্ধের অনুরোধ করেন এবং সম্মানিত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে এই বিষয়ে অবহিত করেন। ডিসি সাহেব দোহার উপজেলা আওয়ামিলীগের সাধারন সম্পাদক আলি আহসান খোকন শিকদারের জ্ঞাত স্বরে দোহার উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা কেএম আল-আমিন ও দোহার উপজেলার চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেনের সহযোগিতায় যাত্রাপালার সাথে যুক্ত সংশ্লিষ্ট পক্ষ সমূহের সাথে যোগাযোগ করে যাত্রাপালা বন্ধের নির্দেশ দেন এবং দোহার উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহবায়ক আলমগীর হোসেনের সাথে যোগাযোগ করে জনাব সালমান এফ রহমান আগামি কালকের বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সভা স্থগিত রাখার আহবান করেন।

ধর্ম প্রান দোহারবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়ে আগামি কালকের প্রতিবাদ সভা স্থগিত করে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।

১৬ জানুয়ারী জয়পাড়া কলেজ ছাত্রলীগের উদ্যোগে মাহবুবকে ছাত্রসংবর্ধনা

ঢাকা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মাহবুবুর রহমানকে ছাত্র সংবর্ধনা দিবে জয়পাড়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রলীগ। এই ছাত্র সংবর্ধনায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান।

ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ও ঢাকা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমানের এই ছাত্র সংবর্ধনার উদ্যোগ নিয়েছে জয়পাড়া কলেজ ছাত্রলীগ। সংবর্ধনায় জয়পাড়া কলেজ ছাত্রলীগ ছাড়াও দোহার উপজেলা ছাত্রলীগ, দোহার পৌরসভা ছাত্রলীগও অংশ গ্রহন করেছে। এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন নিবন্ধন পরিদপ্তরের মহা-পরিদর্শক বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. কে এম আব্দুল মান্নান, আমিন মোহাম্মদ গ্রুপের চেয়ারম্যান এনামুল হক, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি বজলুর রহমান কামাল, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পনিরুজ্জামান তরুন,  ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রিয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি বাবু নির্মল রঞ্জন গুহ, দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন, বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আনারকলি পুতুল।

সভায় বিশেষ বক্তা হিসাবে বক্তব্য দিবেন ঢাকা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহবায়ক সুরুজ আলম সুরুজ, দোহার উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শহিদৌল্লা কায়সার, দোহার উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক আবুল বাশার মৃধা, জয়নাল মৃধা, জয়পাড়া কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি রমজান হোসেন পীরু, জয়পাড়া কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক মিজানুর রহমান, দোহার উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহবায়ক আলমগীর হোসেন।

এছাড়া আরো বক্তব্য দিবেন দোহার উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান হাবীব, সাধারন সম্পাদক রাজীব শরিফ, দোহার পৌরসভা ছাত্রলীগের সভাপতি দীন ইসলাম, সাধারন সম্পাদক কামরুল ইসলাম।

এই ছাত্র সংবর্ধনায় সভাপতিত্ব করবেন জয়পাড়া কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি মোশারফ হোসেন শান্ত,  ছাত্র সংবর্ধনায় সঞ্চালনা করবেন আওলাদ হোসেন রিয়াদ।

ছাত্র সংবর্ধনার শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে।