নবাবগঞ্জের কলাকোপায় শিক্ষার্থীদের স্কুল ব্যাগ প্রদান

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার কলাকোপা ইউপির রাজপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ব্যাগ বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার দুপুর ২টায় রাজপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি জুয়েল আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তোফাজ্জল হোসেন।

উল্লেখ্য, এলজিএসপি-৩ প্রকল্পের অর্থায়নে এবং কলাকোপা ইউনিয়ন পরিষদের বাস্তবায়নে এসব স্কুল ব্যাগ দরিদ্র ও কৃতী শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন নবাবগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জেসমিন আহম্মেদ, কলাকোপা ইউপি চেয়ারম্যান ইব্রাহীম খলিল, প্রধান শিক্ষিকা শামীমা আক্তার, পরিচালনা কমিটির নুরুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম স্বপন প্রমুখ।

আজ থেকে নিউজ৩৯ এ শুরু সাংবাদিকতার বুনিয়াদি কোর্স

0

শুক্রবার বিকেল থেকে নিউজ৩৯ তার নিজস্ব ও আগ্রহী সাংবাদিকদের জন্য শুরু করেছে  সাংবাদিকতার বুনিয়াদি কোর্স। এখানে সাংবাদিকতা, অনলাইন সাংবাদিকতা, টেলিভিশন সাংবাদিকতা সম্পর্কে মৌলিক জ্ঞানসহ ব্যবহারিক ক্লাস রয়েছে, হাতে কলমে একজন শিক্ষার্থীকে এই কোর্সে দক্ষ করে গড়ে তোলা হবে।

এছাড়া শুদ্ধ উচ্চারণ, বাচনিকভঙ্গি, গণ যোগাযোগ, আইন, বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতি বিষয়েও আধুনিক ও সময়োপযোযোগী পাঠদান করা হবে।

এখানে দোহার নবাবগঞ্জের সাংবাদিকরা সহ জাতীয় গণমাধ্যম এবং বাংলাদেশ প্রেস ইন্সটিটিউটের প্রশিক্ষকরা ক্লাশ নিবেন। চার মাস মেয়াদি বুনিয়াদি এই কোর্সের ক্লাশ শুরু শুক্রবার, ১৯ জানুয়ারি ২০১৮ থেকে । স্থান দোহারের জয়পাড়ায়। আগ্রহীরা ও বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন, এই নাম্বার গুলোতে, ০১৯৭৪ – ০৩৯ ০৩৯, ০১৯৭৯ – ৮০০০০৮, ০১৯৭৭ – ০৩৯ ০৩৯, ০১৮৩৯-৮৫৫৮৮৫

আমার মত সৎ রাজনীতিবিদ খুব কম আছে: মাহবুবুর রহমান

আমার মত সৎ রাজনীতিবিদ খুব কম আছে, ৫ বছর দোহার উপজেলা প্রশাসনের চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছি এখন ১ বছর ধরে ঢাকা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছি। দূর্নীতির কোন কেশ অগ্রও আমাকে স্পর্শ করতে পারে নি। ১৮ জানুয়ারি ঐতিহ্যবাহী মালিকান্দা মেঘুলা স্কুল ও কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরুষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাকা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মাহবুবুর রহমান এই কথা বলেন।

মালিকান্দা মেঘুলা স্কুল ও কলেজের গভর্ণিং বডির সম্মানিত সভাপতি জনাব ইঞ্জিনিয়ার মেহবুব কবিরের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা পরিষদের সম্মানিত চেয়ারম্যান ও ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: মাহবুবুর রহমান। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, আমি চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি আমার মত সৎ রাজনীতিবিদ খুব কম আছে, তিনি বলেন দেশে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে শেখ হাসিনার সরকারের কোনো বিকল্প নেই। তিনি আরো বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা মন্ত্রীসভায় বলেছিলেন, দেশে কিভাবে উন্নয়ন করতে হয় সেটা শেখ হাসিনার কাছ থেকে শেখো। তিনি প্রতি বছর এই প্রতিষ্ঠানে একটি করে উন্নয়নের স্বাক্ষর রেখে যাবে এবং একটি একাডেমিক ভবন ও শিক্ষকদের থাকার জন্য একটি ভবন করে দেওয়ার আশ্বাস দেন। এছাড়াও তার নিজস্ব তহবিল থেকে ২ লক্ষ টাকা অনুদান দেওয়ার ঘোষনা দেন। ছাত্র-ছাত্রীদেরকে মাদক ও ফেসবুক থেকে সরে এসে পড়ালেখায় মনোযোগ দেওয়ার আহবান জানান। ১৯ জানুয়ারি সকাল ১১ ঘটিকায় তার উক্ত প্রতিষ্ঠানের সকল উন্নয়নমূলক কাজের ফলক উন্মোচন করার কথা রয়েছে।

আমার মত সৎ রাজনীতিবিদ খুব কম আছে: মাহবুবুর রহমান

উক্ত অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন নারিশা ইউনিয়নের সম্মানিত চেয়ারম্যান জনাব সালাউদ্দিন দরানি। এছাড়াও অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ মজিদ, দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের  যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো: গিয়াসউদ্দিন আল মামুন, ঢাকা জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো: শাহজাহান মোল্লা, দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো: আওলাদ হোসেন সহ আরও অনেকে।

বক্তৃতা পর্ব শেষে কৃতি শিক্ষার্থী ও প্রতিযোগীদের মাঝে পুরুষ্কার বিতরণ করা হয়।

দোহার ও নবাবগঞ্জের দুই নেতা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ কমিটিতে

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটিতে স্থান পেলেন দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলার দুই আওয়ামী লীগ নেতা। দোহার উপজেলার সাবেক ছাত্রলীগ নেতা জয়নাল আবেদিন ও নবাবগঞ্জের ব্যারিস্টার এনায়েত বাতেন রাসেল স্থান পেয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটিতে। সাবেক ছাত্রলীগ নেতা জয়নাল আবেদিনকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটিতে। জয়নাল আবেদিনকে শ্রম ও জনশক্তি বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য ও এনায়েন বাতেন রাসেলকে আইন বিষয়ক কমিটির সদস্য করা হয়েছে।

দোহার-নবাবগঞ্জের এই দুই নেতা পদ পাওয়ায় তাদেরকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন দুই উপজেলার নেতাকর্মীরা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে অনেকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন তাদের।

বাহ্রা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতির বাড়ি থেকে ফেনসিডিল উদ্ধার

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার বাহ্রা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি মোবারক হোসেনের বাড়ি থেকে ৩৬ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মোবারক হোসেনের ছেলে মো. সজিব (৩২) পালিয়ে যায় বলে জানা যায়। এ ঘটনায় ফেরদৌস শেখ (২৫)  নামে এক যুবককে  আটক করেছে থানা পুলিশ। আটককৃত ফেরদৌস শেখ উপজেলার বাহ্রা ইউনিয়নের পশ্চিমপাড়া গ্রামের হিটলু শেখের ছেলে।

নিজের বাড়ি থেকে নিষিদ্ধ মাদক ফেনসিডিল পাওয়ার ঘোতনা নিয়ে বাহ্রা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোবারক হোসেন বলেন, আমি এই বিষয়ে কিছু জানিনা। আমি আজ সারাদিন ব্যক্তিগত কাজে নবগ্রামে ছিলাম।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার উপজেলার কোমরগঞ্জ হাট সংলগ্ন এলাকায় থানার পুলিশ চেকপোষ্ট বসিয়ে বিভিন্ন যানবাহনে অভিযান চালায়। এসময় একটি সিএনজি পুলিশ দেখে দ্রুতগতিতে চলে যায়।

এসময় পুলিশের সন্দেহ হলে নবাবগঞ্জ থানার সেকেন্ড অফিসার সফিকুল ইসলাম সুমন এর নেতৃত্বে  উপ- পরিদর্শক মো: কামরুল হাসান, মো: আশিকুর রহমান ও সহকারী উপ- পরিদর্শক  মো. সুজন গাড়ির পিছু নেয়। মূহুর্তেই গাড়িটি চোখের আড়াল হয়ে যায়। অনেক খোঁজাখুজির পর গাড়ির চালক ফেরদৌসকে আটক করে পুলিশ।

আটককৃত যুবকের তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ বাহ্রা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোবারক হোসেনের বাড়িতে তল্লাশী চালিয়ে ৩৬ পিস ফেনসিডিলেরর বোতল উদ্ধার করে। এসময় মোবারক হোসেনের ছেলে সজিব পালিয়ে যায়।

নবাবগঞ্জ থানার উপ- পরিদর্শক সফিকুল ইসলাম সুমন বলেন, সজিব ও ফেরদৌস অনেকদিন যাবত এই ব্যবসা করে আসছে। এই চক্রটিকে ধরার জন্য অনেকদিন ধরে চেষ্টা করছিলাম। তাদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা হয়েছে এবং পলাতক সজীবকে ধরার জন্য অভিযান চালানো হচ্ছে।

দোহার-নবাবগঞ্জে নির্মল রঞ্জন গুহের কম্বল বিতরন

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার কৈলাইল ইউনিয়ন, দোহারের নয়াবাড়ি, কুসুমহাটি, মাহমুদপুর ইউনিয়নের শীতার্ত মানুষের মাঝে ১০০০ কম্বল বিতরন করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি বাবু নির্মল রঞ্জন গুহ। নিজস্ব তহবিল থেকে বিতরন করা এই শীত বস্ত্র বিতরন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এডভোকেট মোল্লা মোহাম্মদ আবু কাউছার।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্য বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এডভোকেট মোল্লা মোহাম্মদ আবু কাউছার বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ সব সময় এই দেশের অসহায়-দরিদ্রদের পাশে ছিল। বাবু নির্মল রঞ্জন গুহ সব সময় আপনাদের পাশে ছিলেন। তিনি যেরকম আপনাদের পাশে সব সময় থাকেন ঠিক তেমনি ভাবে আপনারাও সব সময় তার পাশে থাকবেন বলে আমি আশা করি। এই সময় এডভোকেট মোল্লা মোহাম্মদ আবু কাউছার একজন শীতার্ত মানুষের হাতে কম্বল তুলে দিয়ে কম্বল বিতরন শুরু করেন।

 

এই সময় বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি বাবু নির্মল রঞ্জন গুহ কম্বল বিতরনের অনুষ্ঠানে বলেন, দরিদ্র ও অসহায় মানুষদের মাঝে আমি সব সময় থাকতে চাই। এই সময় তিনি সবার কাছে দোয়া আন তিনি যেন সব সময় গরিব ও অসহায় মানুষদের মাঝে থাকতে পারেন। এই কম্বল বিতরন অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন  ঢাকা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি মাহবুব বেপারী, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক কামরুজ্জামান,  নবাবগঞ্জ থানা নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তফা কামালসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা।

সব শঙ্কা দূর করে জয়পাড়া কলেজের ছাত্র সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

সব ধরনের শঙ্কাকে দূর করে জয়পাড়া কলেজে সফল ভাবে অনুষ্ঠিত হলো ঢাকা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মাহবুবুর রহমানের সংবর্ধনা।  সকাল সাড়ে দশটা থেকে শুরু হওয়া এই সংবর্ধনা উপলক্ষে ফুলেফুলে ছেয়ে গেছিলো জয়পাড়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের ক্যাম্পাস। অতিথিদের আগমনে মুখরিত হয়ে পড়েছিল জয়পাড়া কলেজে ক্যাম্পাস। জয়পাড়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের সভাপতি মোশারফ হোসেন শান্তর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। এই ছাত্র সংবর্ধনায় সভার সঞ্চালন করেন জয়পাড়া কলেজ ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক আওলাদ হোসেন রিয়াদ।

ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ও ঢাকা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমানের ছাত্র সংবর্ধনা নিয়ে জয়পাড়া কলেজে কিছুটা উত্তেজনা পূর্ব থেকেই ছিল। ছাত্র সংবর্ধনা প্রতিরোধের ঘোষনা দিয়ে শুক্রবার পোস্টার সাটানো হয়েছিল জয়পাড়া কলেজে। কিন্তু সব শঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে সফলভাবেই অনুষ্ঠিত হলো এই ছাত্র সংবর্ধনায়।

সভার প্রধান অতিথি সালমান এফ রহমান দুপুর সাড়ে বারোটায় ঢাকা থেকে ঢাকা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান, বেনজির আহমেদ, আই জি আর আব্দুল মান্নানকে সাথে নিয়ে দোহারে হেলিকপ্টার দিয়ে অবতরন করেন সালমান এফ রহমান। তারপর সালমান এফ রহমান, মাহবুবুর রহমানকে নিয়ে জয়পাড়া কলেজে প্রবেশ করেন।

সব শঙ্কা দূর করে জয়পাড়া কলেজের ছাত্র সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে সালমান এফ রহমানকে স্বাগত জানান জয়পাড়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রলীগ ও দোহার উপজেলা ছাত্রলীগ। এই সময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বেনজির আহমেদ, মহা-পরিদর্শক আই জি আর কে এম আব্দুল মান্নান, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পনিরুজ্জামান তরুন, দোহার উপজেলা চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন, বাংলাদেশ আওয়ামী মহিলা লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আনারকলী পুতুল, দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম বাবুল,  দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আলী আহসান খোকনসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ।

সব শঙ্কা দূর করে জয়পাড়া কলেজের ছাত্র সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

এই সংবর্ধনায় বিশেষ বক্তা হিসাবে আওয়ামী লীগ নেতা সাজ্জাদ হোসেন সুরুজ বলেন, আগামী বছরের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীকে আমাদের জয়লাভ করাতে হবে। এবং সারা দেশে যখন প্রতিটি উপজেলায় একটি করে কলেজ ও স্কুল সরকারি করনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল তখন আমরা যখন সালমান এফ রহমানের সাথে দেখা করতে যাই তখন তিনি জয়পাড়া পাইলট স্কুলের সরকারি করনের ব্যাপারে ব্যাপক সহযোগীতা করেছেন, আমরা আসা করবো জয়পাড়া কলেজও এক বছরের মধ্যে সালমান এফ রহমান সরকারি করবেন।

সব শঙ্কা দূর করে জয়পাড়া কলেজের ছাত্র সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

এই সময় সালমান এফ রহমানও জয়পাড়া কলেজ সরকারি করনের ঘোষনা দেন এবং যতদিন জয়পাড়া কলেজ সরকারি না হবে ততদিন জয়পাড়া কলেজের যেকোন সমস্যা ও চাহিদা নিজের ব্যাক্তিগত তহবিল থেকে পুরনের ঘোষনা দেন।

সব শঙ্কা দূর করে জয়পাড়া কলেজের ছাত্র সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

সংবর্ধনা সভায় ঢাকা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মাহবুবুর রহমান জয়পাড়া কলেজের জন্য একটি একাডেমিক ভবন, একটি ছাত্রসংসদ ভবন ও জয়পাড়া কলেজের রাস্তা সংস্কার করার ঘোষনা দেন।

সব শঙ্কা দূর করে জয়পাড়া কলেজের ছাত্র সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

 

 

সব শঙ্কা দূর করে জয়পাড়া কলেজের ছাত্র সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

 

 

সব শঙ্কা দূর করে জয়পাড়া কলেজের ছাত্র সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

জয়পাড়া কলেজ সরকারি হবে, শুধু সময়ের ব্যাপার মাত্রঃ সালমান এফ রহমান

জয়পাড়া কলেজ সরকারি হবে, শুধু সময়ের ব্যবধান মাত্র। আমি ওবায়দুল কাদেরকে প্রধান অতিথি করে দোহারে নিয়ে আসার সময় কথা দিয়েছিলাম জয়পাড়া কলেজ সরকারি করন করা হবে। আমি ভুলি নাই। শুধু সময়ের ব্যবধান মাত্র। আমি ঘোষনা দিয়ে যাচ্ছি, যতদিন জয়পাড়া কলেজ সরকারি করন না হবে ততদিন আমি জয়পাড়া কলেজের যেকোন চাহিদা নিজের তহবিল থেকে হলেও পুরন করবো। জয়পাড়া কলেজ ছাত্রলীগের উদ্যোগে আয়োজিত ঢাকা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মাহবুবুর রহমানকে দেয়া এক ছাত্র সংবর্ধনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সালমান এফ রহমান এই কথা বলেন।

সংবর্ধনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সালমান এফ রহমান বলেন, যদি ৯ বছর আগে যখন আমি জেল থেকে বের হই, তখন কেউ যদি বলতো আজ বাংলাদেশ এই জায়গায় আসবে, আমি বিশ্বাস করতাম না। কিন্তু জননেত্রী শেখ হাসিনার জন্য আজ দেশ এই স্থানে এসে পৌছেছে। দেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়কে। এই মহাসড়কে দেশকে রাখতে শেখ হাসিনার বিকল্প নেই। তাই যেই আসুক আগামী নির্বাচনে নৌকাকে বিজয়ী করা ছাড়া আর কোন উপায় নেই। মাহবুবুর রহমান আজ ঢাকা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, তারও যদি কাজ করতে হয় তাহলে শেখ হাসিনার সরকারকে প্রয়োজন। কারন অন্য কোন সরকার আসলে মাহবুব কোন কাজই করতে পারবে না। তাই উন্নয়নের স্বার্থে, নৌকার মাঝিকেই নির্বাচিত করতে হবে।

দোহারে আজ অনেক কাজের ক্ষেত্র তৈরি হয়ে আছে, পদ্মা বাঁধের কাজ চলছে। ঢাকা বাইপাসের কাজ চলছে। দোহার-নবাবগঞ্জ বাংলাদেশের মডেল উপজেলা হিসাবে তৈরি হবে। সে জন্য প্রয়োজন আওয়ামী লীগ সরকার ও আওয়ামী লীগের জন প্রতিনিধি। অনেকেই বলেন আমি মনোনয়ন পাব, আল্লাহ আমাকে যথেষ্ঠ সম্মান দিয়েছেন, আমি একজন পূর্ন মন্ত্রীর সুবিধা পাই। তাই আল্লাহ যদি চান, শেখ হাসিনা যদি চায় তাহলে আমি নির্বাচন করবো। নাহলে যেই আসুক, তাকে নৌকায় চড়িয়ে আমরাই সংসদে নিয়ে যাব।

দোহারে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে যে টানাপোড়ন তৈরি হয়েছে তা সাময়িক। এটাতে নেতৃত্বের কোন সংকট তৈরি হবে না। সংসদ নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধ আওয়ামী লীগই একসাথে নির্বাচন করবে।

জয়পাড়া কলেজের সরকারী করনের প্রক্রিয়া নিয়ে সালমান এফ রহমান বলেন, মামলা-মোকাদ্দমা করে জয়পাড়া কলেজকে সরকারী করন করা যাবে না। আপনারা মামলা করেছেন কার বিরুদ্ধে। শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে। এটা আপনারা ভুল করেছেন। আমি মামলার ব্যাপারে কিছুই জানতাম না। তবে এখন আমি জেনেছি, আমি নেত্রীর সাথে কথা বলবো। তবে মামলা নিয়ে আমি কলেজ কতৃপক্ষের সাথে কথা বলবো। তারপর জয়পাড়া কলেজকে সরকারী করনের জন্য আমি নেত্রীর সাথে কথা বলবো। আমি কথা দিয়ে যাচ্ছি, জয়পাড়া কলেজও সরকারি হবে। শুধু কিছুদিন অপেক্ষা করুন। যতদিন জয়পাড়া কলেজ সরকারি না হচ্ছে, ততদিন আপনাদের যেকোন প্রয়োজনে আমার কাছে আসবেন। আমি জয়পাড়া কলেজের সব উন্নয়ন কর্মকান্ডে যা যা লাগবে আমি আমার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে দিব। আপনারা শুধু জানাবেন। আর মাহবুবুর রহমান তো বলেছেনই জয়পাড়া কলেজের একাডেমিক ভবন করে দিবে। আমরা সবাই মিলেই দোহার-নবাবগঞ্জকে এগিয়ে নিয়ে যাব।

এই সময় জয়পাড়া কলেজের শিক্ষার্থীরা সালমান এফ রহমানকে করতালি দিয়ে অভিনন্দন জানায়।

সালমান এফ রহমানই ঢাকা-১ এর আওয়ামী লীগের প্রার্থীঃ মাহবুবুর রহমান

সালমান এফ রহমান আমার নেতা। আসন্ন একাদশ জাতীয় নির্বাচনে সালমান এফ রহমানই ঢাকা-১ আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী। ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক হিসাবে আমি আজ জয়পাড়া কলেজের মাঠে এই ঘোষনা দিয়ে গেলাম। সালমান এফ রহমানই এই আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী। বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মাহবুবুর রহমান। জয়পাড়া কলেজ ছাত্রলীগের আয়োজিত এক ছাত্র সংবর্ধনায় তিনি এই কথা বলেন।

জয়পাড়া কলেজ ছাত্রলীগের আয়োজিত এক ছাত্র সংবর্ধনায় মাহবুবুর রহমান বলেন, আজ সালমান এফ রহমানের কারনে দোহারে পদ্মা শাষনের কাজ হচ্ছে। সেই ২০০১ সালে সালমান এফ রহমানের কারনে দোহারের মানুষ আর্সেনিক মুক্ত হয়েছে। আর আমি যে ঢাকা জেলা চেয়ারম্যান হয়েছি তাতে সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছেন সালমান এফ রহমান।

আজ সালমান এফ রহমানের প্রত্যক্ষ তত্তাবধানে আজ কেরানীগঞ্জ থেকে দোহারে চার লেনের রাস্তার কাজ অচিরেই শুরু হচ্ছে এবং পদ্মা ব্রীজ থেকে পদ্মা বাধ দিয়ে ৪ লেনের ঢাকা বাইপাসের কাজও অতি দ্রুত শুরু হচ্ছে দোহারের পদ্মা তীর দিয়ে। এই কাজ গুলো শুরু হলে দোহারের চেহারা অচিরেই বদলে যাবে।

আর আমি ঢাকা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিয়েছি সেদিন সাদা পোশাকে দায়িত্ব নিয়েছি। জেলা পরিষদকেও আমি দুর্নীতি স্থান দিবো না। এই বছর ঢাকা জেলা পরিষদে ১০০ কোটি টাকার কাজ হবে, দোহার-নবাবগঞ্জ এ ৩০ কোটি টাকার কাজ অতি দ্রুত শুরু হচ্ছে। এক মাস পর থেকেই যেদিকে যাবেন সেই দিকেই ঢাকা জেলা পরিষদের কাজের নমুনা দেখবেন। দোহার নবাবগঞ্জে কোন  রাস্তাই আর কাঁচা থাকবে না। সব পাকা হয়ে যাবে অতি দ্রুত ইনশায়াল্লাহ।

দোহার-নবাবগঞ্জের আওয়ামী লীগের প্রার্থীতা নিয়ে সালমান এফ রহমানই আসছেন সেই নিশ্চয়তা দিয়ে মাহবুবুর রহমান বলেন, শেখ কামালের ঘনিষ্ট বন্ধু, শেখ হাসিনার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ ও আস্থাভাজন সালমান এফ রহমানই নৌকা প্রতিক নিয়ে আসছেন, তিনিই আওয়ামী লীগের একক প্রার্থী। সবাইকে নিয়েই আমরা নির্বাচন করবো।

জয়পাড়া কলেজের ছাত্র সংবর্ধনা প্রতিরোধকারীরা কোথায় সে প্রশ্ন তুলে মাহবুবুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগে কোন ষড়যন্ত্রকারীর স্থান নেই। যারা আজ ছাত্র সংবর্ধনা প্রতিরোধকরার ঘোষনা দিয়েছেন তারা এক সময় দোহারের রাজনীতির ইতিহাস থেকে মুছে যাবে।

এই সময় মাহবুবুর রহমান জয়পাড়া কলেজের জন্য একটি একাডেমিক ভবন, একটি ছাত্র সংসদের জন্য একটি ভবন, জয়পাড়া কলেজের রাস্তাটি পাকা করার ঘোষনা দেন।

সত্য কথা বলাই উত্তম জিহাদঃ আই জি আর আব্দুল মান্নান

সত্য কথা বলাই সবচেয়ে বড় জিহাদ। আজ পদ্মা কলেজ সরকারি করন নিয়ে অনেক কথাই বলা হচ্ছে। অনেকেই আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ ছড়াচ্ছে। কিন্তু আমরা জয়পাড়া কলেজের বিরুদ্ধে কোন পদক্ষেপ নেই নি, বরং আমরা সব সময় চেয়েছি পদ্মা কলেজ ও জয়পাড়া কলেজ দুইটাই সরকারি হোক।  জয়পাড়া কলেজ ছাত্রলীগের উদ্যোগে আয়োজিত ঢাকা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মাহবুবুর রহমানকে দেয়া এক ছাত্র সংবর্ধনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আই জি আর কে এম আব্দুল মান্নান এই কথা বলেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আই জি আর কে এম আব্দুল মান্নান আরো বলেন, যখন দোহারের কলেজগুলো সরকারি করনের ব্যাপারে কথা বলতে আমি ও এ আর খান সাহেব সালমান এফ রহমানের কাছে গেলাম, তখন উনি বলেছিলেন, পদ্মা কলেজ কেন সরকারি হবে, এটা তো আমাদের কলেজ, আমি এখানে কোটি কোটি টাকা দিব, এটা মডেল কলেজ পরিনত হোক। তারপরও যেভাবে হোক পদ্মা কলেজ সরকারি হয়েছে, এটা কিন্তু সালমান এফ রহমান চাননি, তিনি চেয়েছেন জয়পাড়া কলেজ সরকারি করতে।

আমরা চাই দোহারের সব কলেজই সরকারি হোক। আমরা তো দোহারেরই সন্তান। জয়পাড়া কলেজও পদ্মা কলেজের মতো সরকারি হবে।

তিনি ছাত্রলীগের নেতা কর্মীদের উদ্দেশ্য করে বলেন আমি ক্লাস এইট থেকে ছাত্রলীগ করি, আজ আমি আইজিআর, তোমরাও আমার মতো হও। তাহলেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে পারবে। আমরা তোমাদের জন্য সুপারিশ করবো, তোমরা বিসিএস ক্যাডার হও, জাজ হও, প্রশাসনে আসো, পুলিশে আসো। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা তোমরাই গড়বে।