পুলিশের বিশেষ অভিযানে দোহার-নবাবগঞ্জে গ্রেপ্তার ১৫

পুলিশের বিশেষ অভিযানে গত তিন দিনে ঢাকার নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ কয়েকটি স্থান থেকে বিভিন্ন মামলার পরোয়ানাভুক্ত ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। এছাড়া বিএনপি নেতাকর্মীদের বাসায় পুলিশী তল্লাশী অব্যাহত রয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানায়, গত কয়েকদিন যাবত সারাদেশে বিএনপি নেতাকর্মীদের ধরপাকর শুরু হলে তার ধারাবাহিতায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে ঢাকা জেলা পুলিশ। দোহার সার্কেলের সিনিয়র এএসপি মাহবুবুর রহমান ও নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তফা কামালের নেতৃত্বে পুলিশ গভীর রাতে প্রতিদিন অভিযান চালাচ্ছে। এতে বিভিন্ন মামলার ১৫ আসামীকে গ্রেপ্তার করেছে। বিএনপি নেতাকর্মীদের বাসায়ও অভিযান চালিয়ে তাদেরকে খুঁজছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক ও নবাবগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান খন্দকার আবু আশফাক বলেন, পুলিশ তার বাসা ও নেতাকর্মীদের বাড়িতে গিয়ে হয়রানি করছে। তিনি অহেতুক পুলিশী হয়রানি বন্ধ করার আহবান জানান।

জানা গেছে, পুলিশের অভিযানের কারণে  ভয় ও আতংকে বিএনপি নেতাকর্মীরা গা ঢাকা দিয়েছে।

নবাবগঞ্জ থানার ওসি মোস্তফা কামাল বলেন, ঢাকা জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশে বিশেষ অভিযান চলছে। সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ীসহ ওয়ারেন্টভুক্ত ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিএনপি নেতাকর্মীদের বাসায় তল্লাশীর বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন,  নাশকতা রোধে পুলিশ শান্তি শৃংখলা বজায় রাখতে টহল অব্যাহত রেখেছে।

দোহারের নারিশায় নতুন করে নদীভাঙ্গন শুরু

দোহারে আবার শুরু হয়েছে নদীভাঙন। শীতের এই মৌসুমে হটাত করেই শুরু হয়েছে নদী ভাঙ্গন। দোহার উপজেলায় প্রতিবছর নদীতে হারিয়ে যায় জনপদ, স্কুল, বাড়িঘর। ভিটেমাটি হারা হয় উপজেলার হাজারো দরিদ্র পরিবার। নিঃস্ব হয় হাজারো মানুষ।

দোহার উপজেলার নারিশা গ্রামে নতুন করে পদ্মা নদীর ভাঙন শুরু হয়েছে। সম্প্রতি ঐ এলাকায় ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলনের ফলে শুরু হয় নদীর পার ভাঙন। নতুন করে এই এলাকায় ভাঙনের ফলে ফসলি জমির পাশাপাশি বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার পথে।

নারিশা এলাকার বাসিন্দা মো: মাহিম হোসেন বলেন, প্রতিবছর পদ্মার স্রোতে ভেঙ্গে যায় শতশত বসতবাড়ি। উপজেলা প্রশাসন থেকে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে চলমান ভাঙ্গনের ফলে এলাকার মানুষ বড় ধরনের হুমকির মুখে পড়বে। এসময় তিনি আরো বলেন, গতবছর থেকে কয়েকবার নদী তীরবর্তী এলাকা বাধের কার্যক্রমের কথা থাকলেও এই এলাকায় তা লক্ষ করা যায়নি। মেঘুলা পর্যন্ত বাধ দেওয়া হলেও নারিশা পর্যন্ত কাজ এখনো শুরু করা হয়নি।

গত শুক্রবার সকালে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নারিশা বাজার ট্রলারঘাট, খালপাড় গোডাউন সংলগ্ন পদ্মা পাড়ে নতুন করে ভাঙ্গা শুরু হয়েছে। নদীপাড় থেকে ভাঙ্গন বসতবাড়ির কাছে চলে এসেছে। দ্রুত ভাঙ্গনরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে বিস্তৃত হবে ভাঙ্গন এলাকা। এমতাবস্থায় দোহার উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে নারিশাবাসী।

নবাবগঞ্জে খন্দকার আবু আশফাকের বাড়ীতে পুলিশি অভিযান

ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক ও নবাবগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান খন্দকার আবু আশফাকের বাড়িতে অভিযান চালিয়েছে নবাবগঞ্জ থানা। শনিবার রাতে নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তফা কামালের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে এই অভিযান পরিচালনা করে।

ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক খন্দকার আবু আশফাকের বাড়িতে পুলিশি অভিযানের নিন্দা জানিয়েছে ঢাকা জেলা বিএনপি। ঢাকা জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক এডভোকেট মনির হোসেন রানা তার ফেসবুক একাউন্টে ঢাকা জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে এই প্রতিবাদ লিপি প্রকাশ করেন। প্রতিবাদ লিপিতে বলা হয়, শুধুমাত্র আসন্ন আন্দোলনকে কেন্দ্র করে এই গ্রেফতার ও পুলিশি অভিযান চালানো হয়েছে। যাতে জাতীয়তাবাদী কর্মীদের মাঝে ভয় ভীতি তৈরি করতেই এই অভিযান। তবে সব বাধা দূর করে বিএনপির আন্দোলন বাধাগ্রস্থ করা যাবে না।

পরীক্ষার্থীদের অভিভাবকদের জন্য যুবলীগের বিশ্রামস্থল

দোহার উপজেলা যুবলীগ এসএসসি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। গত বছরের মতো এবারো পরীক্ষার্থীদের সাথে আসা অভিভাবকদের আরামদায়কভাবে বসার সুনির্দিষ্ট স্থান করে দিয়েছে সংগঠনটি।

শনিবার দোহার উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত জয়পাড়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ও বেগম আয়েশা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের সামনে গিয়ে ঠিক এমনই চিত্র দেখা যায়। দুই পরীক্ষা কেন্দ্রের ঠিক মাঝে বড় পরিসরে প্যান্ডেল করে সেখানে চেয়ার দিয়ে অভিভাবকদের বসার জন্য আরামদায়ক ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্যান্ডেলের সামনে ‘পরীক্ষার্থীদের অভিভাবকগনের বসার স্থান’ লিখে ব্যানারও সাঁটানো রয়েছে। যে কারনে বুঝতেও সুবিধা হচ্ছে অভিভাবকদের।

বাহ্রা হাবিলউদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক মরিয়ম আক্তার নিউজ৩৯ বলেন, মহিলাদের টানা তিনঘন্টা রাস্তার মধ্যে থাকা বেশ বিব্রতকর। আমরা বিভিন্ন হোটেল বা দোকানে বসতাম। আমরা নিজেরাও বিব্রত হোতাম, সেই সাথে দোকানদাররাও বিব্রতবোধ করতো। সেটা থেকে এখন রক্ষা পেয়েছি। আমরা চাই শুধু এবছর নয় প্রতিবছরই এসএসসি বা এইচএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রের সামনে এমন ব্যবস্থা করা হোক। কারন অনেকেই দুর-দুরান্ত থেকে ছেলে-মেয়েকে নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে আসেন।

নবাবগঞ্জে কৃষি জমির বিপর্জয় কৃষকের জীবন-জীবিকা হুমকির মূখে

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় অপরিকল্পিতভাবে কৃষি জমিতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, জনবসতি স্থাপনের ফলে কৃষি জমির বিপর্জয় দেখা দিচ্ছে। ফসল উৎপাদন কমতে থাকায় কৃষকের জীবন-জীবিকাও এখন হুমকির মূখে। কৃষক উদ্বিগ্ন ও শংকায় দিন রাত পার করছেন।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ দপ্তর সূত্র মতে, বাংলাদেশের চাষযোগ্য জমি রয়েছে মাত্র ৮০ লাখ ৩০ হাজার হেক্টর আর ২,৫৬,১৭৫ জন ভোটার অধ্যুষিত নবাবগঞ্জের ১৪টি ইউনিয়নে কৃষি জমির পরিমাণ মাত্র ১৭,৭৮৪, হেক্টর। অধিকাংশ কৃষকের দাবী, অপরিকল্পিত জমির ব্যবহার ও জনবসতির ভয়াল গ্রাসে আবাদী কৃষি জমির বিপর্জয়ের কারন বলে মনে করছেন এই অঞ্চলের কৃষক সমাজ। বর্তমান সময়ে উপজেলার অধিকাংশ এলাকায় আবাদি কৃষি জমির পাশেই আধুনিক দালান কোঠা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, মোবাইল টাওয়ার, ইটভাটা, বসতবাড়ি ও পুকুর খনন করার মাধ্যমে কৃষিতে বিপর্জয় তৈরী করা হচ্ছে। যার ফলে কৃষি জমির পাশাপাশি ফসল উৎপাদনও কমতে শুরু করেছে।

আগলা টিকরপুর এলাকার বাসিন্দা জাতীয় কৃষক সমিতির নেতা কমরেড মো. আসলাম খাঁন বলেন, এমনিতেই ভেজাল বীজ ও সারের কারনে ফসল উৎপাদন বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। কিছু কিছু অঞ্চলে কৃষি জমির ফয়েল কেটে বিক্রি করা হচ্ছে। অন্যদিকে নদীর তীরবর্তী জমির মাটি বিক্রি করা এখন দোহার ও নবাবগঞ্জে সংস্কৃতিতে পরিণত হয়েছে। যার ফলে কৃষিতে বিপর্জয় দেখা দিচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার অধিকাংশ মানুষ সরাসরি কৃষি কাজের সাথে সঙ্গে জড়িত। এ তিন-চতুর্থাংশ মানুষের জীবন-জীবিকা চলে কৃষি উৎপাদন ও কৃষি বিপণন প্রক্রিয়ায়।

কালীগংঙ্গা ও ইছামতির পারে গড়ে উঠা কৃষিভিত্তিক এই অঞ্চলের প্রাণ নদী দুইটির ও বেহাল দশা চলছে বহু দিন। নদী থেকে বালু ও মাটি উত্তোলনের ফলে বহু কৃষি জমি ইতিমধ্যে নদী চলে গেছে। বিলিন হয়েছে বসত বাড়ি। উপজেলার কৈলাইল ও শোল্লার জনসাধারণ সবচেয়ে বেশী জমি হারিয়েছেন নদীর ভাঙনে। অপরিকল্পিতভাবে মাটি ও বালু উত্তোলন ও প্রাকৃতিক বির্পযয়ের কারনে পাড়াগ্রাম, কোন্ডা, চর সিংজোর, খতিয়াসহ বেশ কয়েকটি গ্রাম ও হাট বাজার এখন হুমকির মূখে সম্প্রতি নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে নতুন নতুন কৃষি জমি।

কৃষি জমি সুরক্ষা আইনের বলা হয়েছে কৃষি জমিতে আবাসন, শিল্পকারখানা, ইটভাটা বা অন্য কোনো রকম অকৃষি স্থাপনা নির্মাণ করা যাবে না। জমি যে ধরনেরই হোক না কেন, তা কৃষি জমি হিসেবেই ব্যবহার করতে হবে। দেশের যে কোনো স্থানের কৃষি জমি এ আইনের মাধ্যমে সুরক্ষিত হবে এবং কোনোভাবেই তা ব্যবহারে পরিবর্তন আনা যাবে না। কোনো অবস্থাতে কৃষি জমিতে স্থাপনা নির্মাণের অনুমতি দেয়া যাবে না। যে কোনো ধরনের জমির শ্রেণী পরিবর্তন করা যাবে না। আইন লঙ্ঘনকারী বা সহায়তাকারীর অনূর্ধ্ব দুই বছরের সাজা, সর্বনিম্ন ৫০ হাজার টাকা থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। এ আইনের অধীনে অপরাধ আমলযোগ্য, জামিনযোগ্য ও আপসযোগ্য হবে এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাজস্ব কর্মকর্তা বা বন ও মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তা মামলা করতে পারবেন।

প্রশাসনের ধীর গতিতে পথ চলা নীতিকে এলাকাবাসী দায়ী বলে মনে করছেন। অতিরিক্ত জেলা প্রসাসক সার্বিক(ঢাকা) মো. মজিবর রহমান বলেন, বর্তমান সরকার কৃষি জমি রক্ষায় আইন তৈরী করেছে যা দ্রুত কার্যকর করা হবে।

দোহারে পিনু খানের উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ সম্পন্ন

ঢাকার দোহার উপজেলার নারিশা এলাকার শীতার্ত অসহায় মানুষদের সাথে উষ্ণতা ভাগ করে নিতে মাননীয় সংসদ সদস্য পিনু খানের উদ্যোগে ও বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে দরিদ্র শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। গত ২ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার সকালে নারিশা যুবক সমিতি মাঠ প্রাঙ্গনে নারিশা ইউনিয়নের প্রায় একশত পরিবারের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।

ঢাকা জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জয়নব বেগম জলি খানের সভাপতিত্বে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় সংসদ সদস্য পিনু খান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে পিনু খান বলেন, অসহায় শীতার্ত মানুষের শীতের কষ্ট লাঘব করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে এই রকম উদ্যোগ দোহার-নবাবগঞ্জের প্রতিটি এলাকায় গ্রহণ করা হবে। সমাজের সুবিধা বঞ্চিত মানুষদের জন্য আমাদের সবার উচিত তাদের পাশে দাঁড়ানো।

ঢাকা জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তাসলিমা শেখ লিমার সঞ্চালনায় এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, দোহার উপজেলা প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন, উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক জনাব মঞ্জু মোল্লা, ইমরান হোসেন খান, যুবলীগ নেতা কাওছার খালাসি, সিরাজুল মৃধা, রফিকুল ইসলাম, বাবু বেপারি প্রমুখ।

জনগণের সমীপে বই জনসমীপেষু

0

বইয়ের নাম: জনসমীপেষু
লেখকের নাম: সাজ্জাদ হোসেন রিজু
প্রকাশক: বাংলালিপি
প্রচ্ছদ: পারভেজ রবিন

সাজ্জাদ হোসেন রিজু পেশায় একজন ব্যাংক কর্মকর্তা। ব্যবস্থাপনায় স্নাতক ও স্নাতকোত্তর করেছেন ঝিনাইদহের সরকারী কেশবচন্দ্র মহাবিদ্যালয় (সরকারী কে সি কলেজ) থেকে। ছাত্রজীবনেই তার লেখালেখির শুরু। কবিতা, গল্প বা উপন্যাস নয়। সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয়, আলোচিত ঘটনা, সমাজভাবনা, সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড বা ধারণা, পরিবেশভাবনা, শিক্ষাজীবন, কর্মজীবনের বিভিন্ন খুটিনাটি বিষয়সমূহই তার লেখার মূল বিষয়বস্তু। এসকল বিষয় নিয়ে লেখা তার বিশ্লেষণ বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকার পাঠকের কলাম বা মতামত বিভাগে প্রকাশিত হয়েছে। এসকল লেখা থেকে বাছাইকৃত কিছু লেখা নিয়েই প্রকাশিত হয়েছে সংকলন গ্রন্থ জনসমীপেষু।

বইটি প্রকাশ করেছে বাংলালিপি। পারভেজ রবিনের প্রচ্ছদে প্রকাশক বইটিকে একটি নতুন মাত্রা প্রদান করেছেন। বইটি খুললেই দৈনিক পত্রিকার ছাপ স্পষ্ট হয়ে উঠবে। মনে হবে হাতে রয়েছে বিভিন্ন দিনের দৈনিক পত্রিকা। বইটির প্রতিটি পৃষ্ঠায় সংবাদপত্রের ছাপ রাখতে লেখাগুলোকে দুই কলামে বিন্যস্ত করা হয়েছে।

লেখাগুলো পড়ার সময় লেখা প্রকাশের তারিখে ফিরে গেলে পাঠক বাস্তবতার ছোয়া পাবেন। সমাজভাবনায় আপনাকে প্রলুব্ধ করবে লেখাগুলো। কথ্য রীতিতে সহজ ও সাবলীলভাবে লেখাগুলো উপস্থাপিত হয়েছে। দৈনিক পত্রিকার পাঠকের কলামে প্রকাশিত লেখাগুলো যে কম গুরুত্বপূর্ণ নয় তা এই বইটি পড়লেই বোঝা যায়।

ঢাকার অমর একুশে গ্রন্থমেলায় আদী প্রকাশনী’র ১৫৫-নম্বর স্টলে পাওয়া যাচ্ছে বইটি। এছাড়া অনলাইনে রকমারি ডটকম থেকেও বইটি সংগ্রহ করতে পারেন। বইটির মূল্য রাখা হয়েছে ১৬০/- টাকা মাত্র।

দোহারে হেরোইন ও ইয়াবাসহ ২ জন আটক

বৃহস্পতিবার দোহারের মুকসুদপুর ইউনিয়নের মৌড়া গ্রাম থেকে হেরোইনসহ ২ জনকে আটক করেছে দোহার থানা পুলিশ। জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতে মৌড়ায় দোহার থানা পুলিশ এবং শাইনপুকুর তদন্ত কেন্দ্রের ফোর্সের সমন্বয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে মো: জার্মান (২৬), এবং মো: সিকিম আলী দেওয়ান (২৭) নামের দুই যুবককে হেরোইনসহ আটক করা হয়। আটককৃত জার্মান পূর্ব-মৌড়া এলাকার মো: মনু মোড়লের ছেলে এবং সিকিম আলী মৌড়া খালপাড় এলাকার মৃত ইদ্রিস দেওয়ান এর ছেলে। তাদেরকে তল্লাশি করে প্রায় ৫০ গ্রাম এবং ১৬ (ষোল) পিছ ইয়াবা ট্যাবলেট হেরোইন পাওয়া যায়।

দোহার থানা অফিসার ইন-চার্জ মো: সিরাজুল ইসলাম শেখ নিউজ৩৯কে জানান, দীর্ঘদিন যাবৎ এরা মাদক ব্যবসার সাথে সরাসরি যুক্ত ছিলো। তাদেরকে আটকের পর মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়।

HSC পরিক্ষার্থীদের জন্য দোহার-নবাবগঞ্জের কেন্দ্র তালিকাঃ বাতিল বেগম আয়েশা ভেন্যু কেন্দ্র

২রা এপ্রিল হতে শুরু হতে যাওয়া HSC পরিক্ষার্থীদের জন্য দোহার নবাবগঞ্জে কেন্দ্র তালিকা প্রকাশ করেছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। সেক্ষেত্রে দোহারের বেগম আয়েশা বালিকা ভেন্যু কেন্দ্র বাতিল করেছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ড ১৪১ নং কেন্দ্র দোহারে জয়পাড়া কলেজ। এখানে পরীক্ষা দিবে পদ্মা কলেজ, মালিকান্দা ও মেঘুলা কলেজ ও বেগম আয়েশা কলেজ। আর ভেন্যু কেন্দ্র মালিকান্দা কলেজে পরীক্ষা দিবে জয়পাড়া কলেজ।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ড ১৪০ নং কেন্দ্র নবাবগঞ্জ কলেজ কেন্দ্র। এখানে পরীক্ষা দিবে শোল্লা কলেজ, নবাবগঞ্জ গার্লস কলেজ, নবাবগঞ্জ পাইলট স্কুল এন্ড কলেজ, ইছামতি কলেজ ও পিকেবি স্কুল এন্ড কলেজ, ভেন্যু কেন্দ্র নবাবগঞ্জ মডেল স্কুলে পরীক্ষা দিবে নবাবগঞ্জ কলেজ।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ড ৪৭৪ নং কেন্দ্র তোফাজ্জল হোসেন কলেজে পরীক্ষা দিবে সেণ্ট ইউফ্রেজিস গার্লস কলেজ ও বান্দুরা হলিক্রশ স্কুল এন্ড কলেজ আর ভেন্যু কেন্দ্র নিকটবর্তী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা দিবে তোফাজ্জল হোসেন কলেজ।

নবাবগঞ্জে স্বামীর ঘুষিতে স্ত্রীর মৃত্যু

বুধবার সন্ধ্যায় ঢাকার নবাবগঞ্জের কৈলাইল ইউপির পশ্চিম পাড়াগ্রাম এলাকায় স্বামীর ঘুষির আঘাতে লাইলী বেগম (৩০) নামে এক মহিলার মৃত্যু হয়েছে বলে স্বজনরা অভিযোগ করেছেন। তারা দুজনেই নির্মাণ শ্রমিক হিসাবে কাজ করতো নবাবগঞ্জে। দুজনেই গাইবান্ধা জেলার  বাসিন্দা।

জানা যায়, বুধবার সন্ধ্যায় স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে হঠাৎ ঝগড়া শুরু হয়। একপর্যায়ে ফিরোজ লাইলীর মাথায় এলোপাতাড়িভাবে ঘুষি ও লাথি মারলে সে মাটিতে নুয়ে পড়ে। প্রতিবেশীরা বিষয়টি জানতে পেরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।

এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ থানার ওসি মো. মোস্তফা কামাল বলেন, এ ঘটনায় মৃত লাইলী বেগমের ভাই মো. তাজু বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার আসামি ফিরোজকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সে দোষ স্বীকার করেছে, লাশ ময়নাতদন্তের পর স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।