দোহারে ২ দিন ব্যাপী বিজ্ঞান মেলা শুরু

‘‘মেধাই সম্পদ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিই ভবিষ্যত’’ এ স্লোগান কে সামনে রেখে দোহার উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ২  দিন ব্যাপী ৩৯ তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা ২০১৮ এর শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। রবিবার সকাল ১০ টায় বেগম আয়েশা পাইলট উচ্চ বালিকা  বিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে এই মেলা উদ্ভোধন করা হয়। চলবে। এই মেলার শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেণ উপজেলার শিক্ষা অফিসার হিন্দোল বারী। এই সময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন দোহার থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম ও বেগম আয়েশা পাইলট উচ্চ বালিকা  বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষিকা কুলছুম এবং এসময় আরো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক বৃন্দ সহ শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। এসময়  তারা শিক্ষার্থীদের সমস্ত  স্টলগুলো ঘুরে দেখেন।  মেলায় স্কুল, কলেজ এর ১২টি স্টল রয়েছে।  এইমালায় যে সমস্ত স্কুল ও কলেজ প্রজেক্ট উপাস্থাপন করে পদ্মা কলেজ, জয়পাড়া কলেজ, মালিকান্দা স্কুল ও কলেজ, জয়পাড়া মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, বেগম আয়েশা পাইলট উচ্চ বালিকা  বিদ্যালয় ও কলেজ, কার্তিক পুর উচ্চ বিদ্যালয়, জয়পাড়া টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ, নারিশা উচ্চ বিদ্যালয়, কাটাখালি মেছের খান উচ্চ বিদ্যালয়, লটাখেলা আজাহার আলী মেমোরিয়াল হাই স্কুল।

দোহারে ২ দিন ব্যাপী বিজ্ঞান মেলা শুরু

সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে এই মেলা আনুষ্ঠিত হয় এই মেলাটি সোমবার দুপর ৩টা পর্যন্ত চলবে।

অবশেষে উদ্ধার হলো পদ্মা নদীতে নিখোঁজ মাদ্রাসা ছাত্রের লাশ

0

নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে দোহারের নারিশার মধুরচরে পদ্মায় নিখোঁজ হয়েছিল ঢাকার গেন্ডেরিয়ার মাদ্রাসার ছাত্র ইমাম হোসেন। শুক্রবার দুপুর একটার দিকে মধুরচর পদ্মা নদীতে গোসল করতে নামে সে। এরপর থেকে সে নিখোঁজ। অবশেষে খুজে পাওয়া গেছে তার লাশ। শনিবার বিকালে তার লাশ উদ্ধার করে স্থানীয় বাসিন্দারা।
ইমাম ঢাকার গেন্ডারিয়ার নজরুল ইসলামের ছেলে এবং ওই এলাকার একটি মাদ্রাসার শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে। ইমাম হোসেন বৃহস্পতিবার ঢাকার গেন্ডারিয়া থেকে দোহারের মধুরচরে নানা খলিল কাজীর বাড়িতে বেড়াতে আসে।

আজ মহাকবি কায়কোবাদের জন্মদিন

0

কায়কোবাদ (১৮৫৭-১৯৫১)  আধুনিক বাংলা মহাকাব্য ধারার শেষ কবি। তাঁর প্রকৃত নাম মোহাম্মদ কাজেম আল কোরেশী, ‘কায়কোবাদ’ তাঁর সাহিত্যিক ছদ্মনাম। ১৮৫৭ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারী  ঢাকা অদুরে  নবাবগঞ্জ উপজেলার আগলা গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা শাহামতউল্লাহ আল কোরেশী ছিলেন ঢাকার জেলা-জজ আদালতের উকিল।

“মীর মশাররফ, কায়কোবাদ, মোজাম্মেল হকের মধ্যে কায়কোবাদই হচ্ছেন সর্বতোভাবে একজন কবি। কাব্যের আদর্শ ও প্রেরণা তাঁর মধ্যেই লীলাময় হয়ে ওঠে। সেজন্য একথা বেশ জোরের সঙ্গে বলা যায় যে কবি কায়কোবাদই হচ্ছেন আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলমান কবি” তিনি বাঙালি মুসলমান কবিদের মধ্যে প্রথম সনেট রচয়িতা।

কায়কোবাদ ঢাকার পোগোজ স্কুল এবং সেন্ট গ্রেগরি স্কুলে প্রাথমিক শিক্ষা লাভের পর ঢাকা মাদ্রাসায় এন্ট্রান্স পর্যন্ত অধ্যয়ন করেন, কিন্তু পরীক্ষার আগেই পোস্ট-মাস্টারের চাকরি নিয়ে তিনি স্বগ্রাম আগলায় চলে যান। সমগ্র চাকরি জীবনে তিনি এ পদেই বহাল ছিলেন এবং এখান থেকেই অবসর গ্রহণ করেন।

অতি অল্পবয়স থেকে কায়কোবাদের সাহিত্য-প্রতিভার স্ফুরণ ঘটে। মাত্র তেরো বছর বয়সে তাঁর প্রথম কাব্য বিরহবিলাপ (১৮৭০) প্রকাশিত হয়। তাঁর অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ হচ্ছে: কুসুম কানন (১৮৭৩), অশ্রুমালা (১৮৯৫),  মহাশ্মশান (১৯০৪), শিব-মন্দির (১৯২২), অমিয়ধারা (১৯২৩), শ্মশান-ভস্ম (১৯২৪) ও মহরম শরীফ (১৯৩২)। কবির মৃত্যুর বহুদিন পরে প্রেমের ফুল (১৯৭০), প্রেমের বাণী (১৯৭০), প্রেম-পারিজাত (১৯৭০), মন্দাকিনী-ধারা (১৯৭১) ও গওছ পাকের প্রেমের কুঞ্জ (১৯৭৯) প্রকাশিত হয়। সম্প্রতি  বাংলা একাডেমী কায়কোবাদ রচনাবলী (৪ খন্ড, ১৯৯৪-৯৭) প্রকাশ করেছে।

মুসলমান কবি রচিত জাতীয় আখ্যান কাব্যগুলোর মধ্যে সুপরিচিত মহাকবি কায়কোবাদ রচিত ‘মহাশ্মশান’ কাব্যটি। কায়কোবাদের মহাকবি নামের খ্যাতি এই মহাশ্মশান কাব্যের জন্যই। কাব্যটি তিন খন্ডে বিভক্ত। প্রথম খন্ডে ঊনত্রিশ সর্গ,দ্বিতীয় খন্ডে চব্বিশ সর্গ, এবং তৃতীয় খন্ডে সাত সর্গ। মোট ষাট সর্গে প্রায় নয়শ’ পৃষ্ঠার এই কাব্য বাংলা ১৩৩১, ইংরেজি ১৯০৪ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়; যদিও গ্রন্থাকারে প্রকাশ হতে আরো ক’বছর দেরী হয়েছিল। পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধযজ্ঞকে রূপায়িত করতে গিয়ে কবি বিশাল কাহিনী,ভয়াবহ সংঘর্ষ, গগনস্পর্শী দম্ভ,এবং মর্মভেদী বেদনাকে নানাভাবে চিত্রিত করেছেন। বিশালতার যে মহিমা রয়েছে তাকেই রূপ দিতে চেয়েছিলেন এই কাব্যে।

“… সেদিন কায়কোবাদ এক নির্জিত সমাজের প্রতিনিধি-প্রতিভূ কিংবা মুখপাত্র হিসেবে অতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। …তাঁর স্বসমাজের লোক পেয়েছিল প্রাণের প্রেরণা ও পথের দিশা। এই ঐতিহাসিক দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করেছিলেন বলেই আমরা এই মুহূর্তেও শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করছি মহাশ্মশানের কবিকে।”

কায়কোবাদ বাংলার অপর দুই মহাকবি  হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় ও নবীনচন্দ্র সেনের ধারায় মহাকাব্য রচনা করেন। তবে নবীনচন্দ্রই ছিলেন তাঁর প্রধান আদর্শ। কায়কোবাদের মহাশ্মশান হচ্ছে মহাকাব্য। তৃতীয় পানিপথের যুদ্ধ অবলম্বনে রচিত এ কাব্যে জয়-পরাজয় অপেক্ষা ধ্বংসের ভয়াবহতা প্রকট হওয়ায় এর নাম হয়েছে ‘মহাশ্মশান’। এটি তাঁর শ্রেষ্ঠ রচনা এবং এর দ্বারাই তিনি মহাকবিরূপে খ্যাতি অর্জন করেন। তাঁর গীতিকবিতায় প্রেম, প্রকৃতি, স্বদেশ ও আধ্যাত্মিকতা প্রকাশ পেয়েছে।

বাংলা মহাকাব্যের অস্তোন্মুখ এবং গীতিকবিতার স্বর্ণযুগে মহাকবি কায়কোবাদ মুসলমানদের গৌরবময় ইতিহাস থেকে কাহিনী নিয়ে ‘মহাশ্মশান’ মহাকাব্য রচনা করে যে দুঃসাহসিকতা দেখিয়েছেন তা তাঁকে বাংলা সাহিত্যের গৌরবময় আসনে স্থান করে দিয়েছে। সেই গৌরবের প্রকাশে ১৯৩২ সালে বঙ্গীয় মুসলিম সাহিত্য সম্মেলনের মূল অধিবেশনে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন কবি কায়কোবাদ। তিনি আধুনিক বাংলাসাহিত্যের প্রথম মুসলিম কবি। বাংলা কাব্য সাহিত্যে অবদানের জন্য ১৯২৫ সালে নিখিল ভারত সাহিত্য সংঘ তাকে ‘কাব্যভূষণ’, ‘বিদ্যাভূষণ’ ও ‘সাহিত্যরত্ন’ উপাধিতে ভূষিত করেন।[

এই মহাকবি ১৯৫১ সালের ২১ জুলাই ঢাকায় মৃত্যু বরন করেন।

কেন দোহার – নবাবগঞ্জ আসন আলাদা হবে? সাক্ষাৎকারে নির্বাচন কমিশনের ২ আবেদন প্রার্থী

0

নিউজ৩৯: নবাবগঞ্জের সাবেক এমপি হারুনুর অর রশিদ এবং গ্রাজ্যুয়েট এসোসিয়েশন অব দোহারের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি মোঃ আইয়ুব আলী গত ৬ই ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনে ঢাকা – ০১ সংসদীয় আসন পূণার্বিন্যাস শিরোনামে আবেদন করেছেন। ডাইরী নং – ১৭২৬। কেন দোহার – নবাবগঞ্জ আসন আলাদা হবে? সাক্ষাৎকারে নির্বাচন কমিশনের ২ আবেদন প্রার্থী বিস্তারিত জানান নিউজ৩৯কে।

এ বিষয়ে সাবেক এমপি হারুন অর রশিদ নিউজ৩৯কে বলেন, ২০০৮ সালে নির্বাচনের পূর্বে তৎকালীন শামসুল হুদা নির্বাচন কমিশন যে মতবিনিময় সভায় আমি বলি নবাবগঞ্জের আছে ১৪টি ইউনিয়ন, দোহার পৌরসভাসহ আছে ৮টি ইউনিয়ন। এখানে রয়েছে বিশাল জনগোষ্ঠী । এটি ভৌগলিক, প্রশাসনিকভাবেই  আলাদা হওয়া প্রয়োজন। কেরানীগঞ্জে একটি প্রশাসনিক ইউনিট থেকে যদি ২টি সংসদীয় আসন হয়, তবে দোহার নবাবগঞ্জ আলাদা হওয়া তো একান্ত আবশ্যক।

তখন ব্রিগেডিয়ার সাখাওয়াত বলেন, ৯০,০০০ হাজার ভোটে দোহার থেকে একজন নির্বাচিত হবে; কিন্তু অন্য স্থানে লক্ষাধিক ভোটের নির্বাচন হবে, তা তো ঠিক না।

এই ব্যাপারে হারুন অর রশিদ আরও বলেন, অথচ ২০১৪ সালে ভোটার ছিল প্রায় ৩ লক্ষ ৭৯ হাজার। এখন তা প্রায় ৪ (চার) লক্ষের উপর। দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলা ২টি আলাদা আসন হওয়া একান্ত বাঞ্চনীয় এই জন্যে যে দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলা দুইটি আড়িয়াল বিল ও কোঠা বাড়ীর বিশাল বিল দিয়ে বিভক্ত। এই বিল দিয়ে বিভক্ত হওয়ার জন্য দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলার জনসাধারণ সহজে চলাচল করতে তো পারেই না উপরন্তু চরম ভোগান্তিতে তাদের এক উপজেলা হতে অন্য উপজেলায় প্রশাসনের বা এমপির সঙ্গে কাজ কর্মে ও প্রয়োজনে অনেক ঘুরে কষ্ট করে প্রয়োজনীয় কাজ করতে হয়।

তিনি নিউজ৩৯কে আরও বলেন, বাস্তবে সত্য কথাটি বলতে গেলে একথা অবশ্যই বলতে হয়, যে উপজেলা থেকে যিনিই সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি নিজ উপজেলার উন্নয়ন ও জনগণের সুবিধার জন্য অন্য উপজেলার প্রতি প্রায়শই বিমাতাসূলভ আচরণ করে থাকেন। বিগত ২০০৮ এবং ২০১৪ সালের ২টি জাতীয় সংসদ নির্বাচনই তার প্রকৃষ্ট প্রমান। এতে করে দোহার ও নবাবগঞ্জ উভয় উপজেলার মানুষের সমস্যা বেড়ে গেছে এবং দোহার ও নবাবগঞ্জের উন্নয়নে আনুপাতিক বরাদ্দ কমে গেছে।

গ্রাজ্যুয়েট এসোসিয়েশন অব দোহারের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি আইয়ুব আলি নিউজ৩৯কে নির্বাচন কমিশনে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বলেন, বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী সংসদ বহাল রেখে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠান হলে ২০১৮ সালের ৩১ অক্টোবর থেকে ২০১৯ সালের ২৮ জানুয়ারীর মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই ভৌগলিক অখন্ডতাকে প্রাধান্য দিয়ে সংসদীয় আসন পুনর্বিন্যাসের লক্ষ্যে কাজ শুরু করছেন। নির্বাচন কমিশন সচিবালয় তরফে জানা গেছে ভৌগলিক অবস্থা বিবেচনা করে ঢাকা-২ ও ৩ আসনকে (কেরানীগঞ্জ উপজেলা) একত্রিত করার প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর থেকেই ঢাকা-১ আসনটি দোহারের ৭/৮টি ইউনিয়ন এবং নবাবগঞ্জের ৩টি (জয়কৃষ্টপুর, বারুয়াখালী এবং শিকারী পাড়া) ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত ছিলো। ২০০১ এর ০১ অক্টোবর অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রশাসনিক এবং ভৌগলিক অবস্থা বিবেচনা করে নবাবগঞ্জের ৩টি ইউনিয়ন বাদ দিয়ে দোহারের ৮টি ইউনিয়ন এবং ১টি পৌরসভার সমন্বয়ে ঢাকা-১ আসনটি পুনর্বিন্যাস করে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু অপ্রত্যাশিতভাবে ২০০৮ এর জাতীয় নির্বাচনের পূর্বে নির্বাচন কমিশন প্রশাসনিক ও ভৌগলিক অবস্থানের পরিবর্তে শুধুমাত্র জনসংখ্যার বিবেচনায় দোহারের ৮টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা এবং নবাবগঞ্জের ১৪টি ইউনিয়ন একত্রিত করে ঢাকা-১ আসন পুনর্বিন্যাস করে।

এতে করে দোহার ও নবাবগঞ্জের উন্নয়নে আনুপাতিক বরাদ্দ কমে গেছে। এই দুই অঞ্চলে ভাগ হয়ে যাচ্ছে টাকা। অথচ আলাদা আসন হলে, মসৃণ গতিতে চলবে এই উন্নয়ন।

তিনি নিউজ৩৯কে আরও বলেন, শুধুমাত্র জনসংখ্যার বিবেচনা না করে ভৌগলিক অখন্ডতা এবং প্রশাসনিক দিক বিবেচনা করে ঢাকা-১ সংসদীয় আসনটি দোহারের ৮টি ইউনিয়ন এবং ১টি পৌরসভার সমন্বয়ে ২০০১ এর অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশনের নিকট জোর দাবী জানাচ্ছি পপাশাপাশি নবাবগঞ্জের ১৪ টি ইউনিয়ন নিয়ে ঢাকা ২ করার জন্য দোহার-নবাবগঞ্জের কৃষক, শ্রমিক, ছাত্র-জনতা তথা সুশীল সমাজ সহ সকল রাজনৈতিক নেতৃত্বকে  নিজ নিজ অবস্থান থেকে দাবী আদায়ে সোচ্চার ভূমিকা নেয়ার জন্য বিনীত আহ্বান জানাচ্ছি।

দোহারে ৭টি উন্নয়ন কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপণ

0

ঢাকা জেলা পরিষদের সরাসরি অর্থায়নে দোহার উপজেলার নয়াবাড়ি ও রাইপাড়া ইউনিয়নের সাতটি উন্নয়ন কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপণ করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে ঢাকা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মাহবুবুর রহমান কাজগুলোর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপণ করেন। দোহারের এই সাতটি উন্নয়ন কাজের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় চার কোটি টাকা।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা পরিষদের সদস্য শাহজাহান মোল্লা, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বজলুর রহমান কামাল, দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আলী আহসান খোকন, ঢাকা জেলা পরিষদের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. মোতালেব, সাবেক ছাত্রনেতা ও কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য সুরুজ আলম সুরুজ, জয়নাল আবেদীন সহ আরও অনেকে।

ঢাকা – ১ সংসদীয় আসন পুনর্বিন্যাস চেয়ে সাবেক এমপি’র নির্বাচন কমিশনে আবেদন

0

তারেক রাজীব;নিউজ৩৯:নবাবগঞ্জের সাবেক এমপি হারুনুর অর রশিদ এবং গ্রাজ্যুয়েট এসোসিয়েশন অব দোহারের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি মোঃ আইয়ুব আলী গত ৬ই ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনে ঢাকা – ০১ সংসদীয় আসন পূণার্বিন্যাস শিরোনামে আবেদন করেছেন। ডাইরী নং – ১৭২৬।

আবেদনে তারা বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশে দোহার উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন ও নবাবগঞ্জ উপজেলার ৩টি ইউনিয়ন ( জয়কৃষনপুর, শিকারিপাড়া ও বারুয়াখালী) মিলে ছিল ঢাকা – ০১ সংসদীয় আসন। আর নবাবগঞ্জের ১১টি আসন নিয়ে ছিল সংসদীয় আসন ঢাকা – ০২ । এদিকে, বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী সংসদ বহাল রেখে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠান হলে ২০১৮ সালের ৩১ অক্টোবর থেকে ২০১৯ সালের ২৮ জানুয়ারীর মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই ভৌগলিক অখন্ডতাকে প্রাধান্য দিয়ে সংসদীয় আসন পুনর্বিন্যাসের লক্ষ্যে কাজ শুরু করছেন। নির্বাচন কমিশন সচিবালয় তরফে জানা গেছে ভৌগলিক অবস্থা বিবেচনা করে ঢাকা-২ ও ৩ আসনকে (কেরানীগঞ্জ উপজেলা) একত্রিত করার প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই নেওয়া হয়েছে। স্বাধীনতার পর থেকেই ঢাকা-১ আসনটি দোহারের ৭/৮টি ইউনিয়ন এবং নবাবগঞ্জের ৩টি (জয়কৃষ্টপুর, বারুয়াখালী এবং শিকারী পাড়া) ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত ছিলো। ২০০১ এর ০১ অক্টোবর অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রশাসনিক এবং ভৌগলিক অবস্থা বিবেচনা করে নবাবগঞ্জের ৩টি ইউনিয়ন বাদ দিয়ে দোহারের ৮টি ইউনিয়ন এবং ১টি পৌরসভার সমন্বয়ে ঢাকা-১ আসনটি পুনর্বিন্যাস করে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

কিন্তু অপ্রত্যাশিতভাবে ২০০৮ এর জাতীয় নির্বাচনের পূর্বে নির্বাচন কমিশন প্রশাসনিক ও ভৌগলিক অবস্থানের পরিবর্তে শুধুমাত্র জনসংখ্যার বিবেচনায় দোহারের ৮টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা এবং নবাবগঞ্জের ১৪টি ইউনিয়ন একত্রিত করে ঢাকা-১ আসন পুনর্বিন্যাস করে।

ভৌগলিক ও প্রশাসনিক সহ যাবতীয় বিষয় চরমভাবে উপেক্ষা করে শুধুমাত্র জনসংখ্যাকে বিবেচনায় নিয়ে অপ্রত্যাশিত ভাবে ২০০৮ সনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যেখানে নবাবগঞ্জ ও দোহার উপজেলা নিয়ে ২টি আসন ছিল সেখানে ২টি উপজেলাকে ১টি আসনে রূপান্তরিত করা হয়।

আমরা নবাবগঞ্জ ও দোহার উপজেলার জনগণ আরও অবাক বিস্ময়ে অবলোকন করলাম যে আমাদের ২টি আসনকে ১টিতে পক্ষান্তরে কেরানীগঞ্জ থানার ১টি আসনকে ২টি আসনে রূপান্তর করা হল।

দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলা ২টি আলাদা আসন হওয়া একান্ত বাঞ্চনীয় এই জন্যে যে দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলা দুইটি আড়িয়াল বিল ও কোঠা বাড়ীর বিশাল বিল দিয়ে বিভক্ত। এই বিল দিয়ে বিভক্ত হওয়ার জন্য দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলার জনসাধারণ সহজে চলাচল করতে তো পারেই না উপরন্তু চরম ভোগান্তিতে তাদের এক উপজেলা হতে অন্য উপজেলায় প্রশাসনের বা এমপির সঙ্গে কাজ কর্মে ও প্রয়োজনে অনেক ঘুরে কষ্ট করে প্রয়োজনীয় কাজ করতে হয়।

বাস্তবে সত্য কথাটি বলতে গেলে একথা অবশ্যই বলতে হয়, যে উপজেলা থেকে যিনিই সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি নিজ উপজেলার উন্নয়ন ও জনগণের সুবিধার জন্য অন্য উপজেলার প্রতি প্রায়শই বিমাতাসূলভ আচরণ করে থাকেন। বিগত ২০০৮ এবং ২০১৪ সালের ২টি জাতীয় সংসদ নির্বাচনই তার প্রকৃষ্ট প্রমান।

এতে করে দোহার ও নবাবগঞ্জ উভয় উপজেলার মানুষের সমস্যা বেড়ে গেছে এবং দোহার ও নবাবগঞ্জের উন্নয়নে আনুপাতিক বরাদ্দ কমে গেছে।

এমতাবস্থায়, মহোদয়ের প্রতি নবাবগঞ্জ ও দোহার থানার জনগণের স্বর্নিবন্ধ মিনতি দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলাকে ২০০১ইং সনের নির্বাচনের সময়কার অবস্থায় ফিরিয়ে এনে যথাক্রমে দোহার উপজেলাকে নিয়ে ঢাকা-১ আসন ও নবাবগঞ্জ উপজেলাকে নিয়ে ঢাকা-২ আসনে পুনর্বিন্যাস করতে আপনার আজ্ঞা হয়।

ধন্যবাদান্তে
দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলার জনগণের পক্ষে

১। খন্দকার হারুন উর রশিদ
(বীর মুক্তিযোদ্ধা)
সাবেক সংসদ সদস্য

২। মোঃ আইয়ুব আলী
প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি
গ্রাজুয়েটস্ এসোসিয়েশন অব দোহার

অনুলিপিঃ
১। জেলা প্রশাসক, ঢাকা।
২। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলা।

নারিশায় পদ্মা নদীতে মাদ্রাসা ছাত্র নিখোঁজ

0

ঢাকার দোহারের নারিশায় পদ্মা নদীতে গোসল করতে নেমে ইমাম হোসেন নামে (১৪) এক মাদ্রাসা ছাত্র নিখোঁজ রয়েছে। শুক্রবার দুপুর একটার দিকে নারিশার মধুরচর পদ্মা নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হয় সে। ইমাম ঢাকার গেন্ডারিয়ার একটি মাদ্রাসার শিক্ষার্থী এবং গেন্ডারিয়া এলাকার নজরুল ইসলামের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইমাম হোসেন বৃহস্পতিবার ঢাকার গেন্ডারিয়া থেকে দোহারের মধুরচরে নানা খলিল কাজীর বাড়িতে বেড়াতে আসে।  শুক্রবার দুপুর একটার দিকে মধুরচর পদ্মা নদীতে গোসল করতে নামে। নিমিষেই পানিতে তলিয়ে যায় ইমাম। দুপুর ৩টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিসের কোন উদ্ধার কর্মী বা স্থানীয়দের তৎপরতা লক্ষ্য করা যায়নি।

মেঘুলায় বছরের পর বছর জ্যাম: নেই যেন কোন সমাধান!

0

এক সময় দোহার থানা ছিল মেঘুলায়, এখনো দেখা যায় সেই জরাজীর্ণ স্থাপনা। আদি এই বাজার প্রায় শতাব্দী পুরানো। ভৌগলিকভাবে মালিকান্দা মেঘুলা হচ্ছে দোহার উপজেলার মধ্যাঞ্চল। অথচ কর্মচঞ্চল মেঘুলা বাজার রোডের নিত্যদিনের ভোগান্তির নাম “অসহ্য যানজট”। ব্যাপারটি এতোটাই নিত্তনৈমিত্তিক যে এই অসহ্য ব্যাপারটি হয়ে গেছে গাঁ সওয়া, তাই দেখার কেউ নেই, নেই কোন সমাধান। আছে শুধু দীর্ঘশ্বাস।

সরেজমিনে দেখা যায়, মেঘুলা বাজারের দুপাশ হতে মূল সড়কের তিন ভাগের দুই ভাগ দখল করে রাখে অবৈধ ফুটপাতের দোকান আর অনিয়মতান্ত্রিক পার্কিং, বাকী একভাগ রাস্তা থাকে গাড়ী-ঘোড়া ও পথচারী চলাচলের জন্য।

মেঘুলায় বছরের পর বছর জ্যাম: নেই যেন কোন সমাধান!

এছাড়াও মেঘুলা বাজারের রাস্তার দুই পাশের দোকানপাঠ গুলু এতটাই কাছাকাছি যে রাস্তার দুই পাশ দিয়ে পায়ে হেটে চলাচল অথবা ফুটপাত নেমে কোন জাইগা নেই বললেই চলে। আর যানবাহন সমস্যাতো রয়েছেই।

আর যানবাহন প্রসঙ্গে, প্রথম সমস্যাই হলো অবৈধভাবে পার্কিং আর তার অব্যবস্থাপনা। ঠিক মেঘুলা বাজারের প্রবেশদ্বারে আর কর্মব্যাস্ত রাস্তায় অটো ও রিক্সার পার্কিং। এছাড়া একই পার্কিং রয়েছে শিমুলিয়া যাবার চৌরাস্তায়। অথচ এ সড়কই হল দোহার থেকে ঢাকা যাতায়াতের মূল সড়ক, যানজটের মূল কারন হল ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা বা ইজিবাইক,ছোটছোট বালি ভর্তি ট্রাক,ট্রলি মাহিন্দ্রা।

মেঘুলায় বছরের পর বছর জ্যাম: নেই যেন কোন সমাধান!

এসব ড্রাইভারদের মধ্যে বেশির ভাগই অপ্রশিক্ষিত আর তারা তাদের নিজ নিজ ইচ্ছেমতই গাড়ী চালায় এবং হটাৎ হটাৎ ব্রেক করে যত্র তত্র যাত্রী উঠা নামানোর কাজ করে থাকে। ভারসাম্যহীন ইজিবাইকের ড্রাইভারগন অথবা এক গাড়ি থেকে অন্য গাড়িতে যাত্রী স্থানান্তর। আর এরইসাথে যোগ হয় নগর-আরামের টম এন্ড জেরীর লড়াই (পরবর্তী পর্বে নগর আরাম নিয়ে লিখা হবে)। এ অবস্থায় যাত্রীগন ড্রাইভারদের কথা মতই তাদের সাথে এ ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে চলাচল করতে বাধ্য, কেননা তারা যতটানা সচেতন তার থেকে বেশি আধুনিক,আর এই আধুনিকতাকে কেন্দ্র করেই তারা নিরব ভূমিকা পালন করছে।

মেঘুলায় বছরের পর বছর জ্যাম: নেই যেন কোন সমাধান!

মানব সেবাই রাজনীতিবিদদের প্রধান কর্মঃ ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা

সাবেক যোগাযোগ ও তথ্যমন্ত্রী, বিএনএ জোট চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা বলেছেন, মানব সেবাই রাজনীতিবিদদের প্রধান কর্ম। দেশ ও মানবতার কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত করতে পারাটাই রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের সফলতা। মহান ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে কৃষক শ্রমিক পার্টি- কেএসপি আয়োজিত ফ্রি মেডিকেল ও ডেন্টাল ক্যাম্প এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলন।

কৃষক শ্রমিক পার্টি- কেএসপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ৮৯/১, কাকরাইল সুপার মার্কেট চত্ত্বরে আয়োজিত ফ্রি মেডিকেল ও ডেন্টাল ক্যাম্প উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কেএসপি’র সভাপতি লায়ন সালাম মাহমুদের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন কেএসপি মহাসচিব ড. মোজাহেদুল ইসলাম মুজাহিদ, সেন্টার ফর হিউম্যান রাইটস মুভমেন্টের চেয়ারম্যান ড. জিয়াউর রহমান, বরেণ্য সাংবাদিক সৈয়দ তোশাররফ আলী, জাগো বাঙালির সভাপতি কবি মেজর ডা. শেখ হাবিবুর রহমান, মানবাধিকার পার্টির চেয়ারম্যান লায়ন আফরোজা বেগম হ্যাপী, গণতান্ত্রিক মুক্তি আন্দোলনের সভাপতি আশরাফ আলী হাওলাদার, কেএসপি মহিলা ফ্রন্টের সভাপতি আঞ্জুমান আরা তন্নী, কেএসপি যুব ফ্রন্টের সভাপতি কবি মায়ারাজ, সাধারণ সম্পাদক নীলাঞ্জনা চম্পা, কেএসপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক লায়ন মো. জহিরুল হক বশির, দপ্তর সম্পাদক মো. আনোয়ার হোসেন, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক মো. আসাদউল্লাহ ও মিরাজুল ইসলাম কমারী প্রমুখ।

কৃষক শ্রমিক পার্টি- কেএসপি সভাপতি লায়ন সালাম মাহমুদ বলেন, শেরে বাংলা একে ফজলুল হক প্রতিষ্ঠিত ১০৩ বছরের ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল কেএসপি কেবল ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য কাজ করে না বরং মানুষের কল্যাণে এবং দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখার জন্য কাজ করে। আজ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ফ্রি মেডিকেল ও ডেন্টাল ক্যাম্প করলাম। ২৬ মার্চ আরো বড় পরিসরে মেডিকেল ক্যাম্প করবো। দেশকে মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ মুক্ত করে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে কাজ করে যাবে কেএসপি। সভা শেষে ভাষা শহীদদের স্মরণে দোয়া মোনাজাত করা হয়।

দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ও ডেন্টাল ক্যাম্প পরিচালনায় সহযোগিতায় ছিলেন ওরাল হেলথ এন্ড নিউট্রিশন এইড, পাবলিক হেলথ ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ, সেন্টার ফর হিউম্যান রাইটস মুভমেন্ট সিএইচআরএম।

দেশ আজ পথ হারিয়েছেঃ শামীমা রাহিম শীলা

0

১৯৫২ সালে যাদের রক্তে এই দেশের মানুষ একটি ভাষা পেয়েছিল তাদের স্মরনে একুশে ফেব্রুয়ারীর প্রথম প্রহরে জাতীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পন করেছেন দোহার উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামীমা রাহিম শীলা। জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সাথে একুশে ফেব্রুয়ারী জাতীয় শহিদ মিনারে তিনি এই পুস্পক স্তবক অর্পন করেন। এই সময় নিউজ৩৯কে তিনি বলেন, যাদের আত্মত্যাগে আজ এই ভাষায় আমরা কথা বলছি। যাদের আত্মত্যাগের ভিতরে লুকায়িত ছিল নতুন একটি দেশের স্বপ্ন, একটি জাতির মাথা তুলে দাড়াবার স্বপ্ন। তাদের এই আত্মত্যাগ আজ সারা দেশবাসীর মতো আমরাও স্মরন করছি। দেশ আজ একটি সংকটময় পরিস্থিতির দিকে ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছে।  গনতন্ত্রের নামে স্বৈরাচারী শাষন ব্যবস্থার কবলে পড়ে আজ দেশ পথ হারিয়েছে। দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়া আজ স্বৈরাচারের জেলে। তাকে মুক্ত করেই দেশকে আমরা নতুন করে শান্তির ও সুশাষনের পথ দেখাবো ইনশায়াল্লাহ।