বান্দুরায় দুই মাদকসেবীর কারাদন্ড

ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার বান্দুরাতে ইয়াবা বিক্রি ও সেবনের অপরাধে দুই যুবককে কারাদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এই দুই মাদক ব্যবসায়ীকে কারাদন্ড দেয় ভ্রাম্যমান আদালত। সাজাপ্রাপ্তরা হলেন, উপজেলার বান্দুরা ইউনিয়নের নতুন বান্দুরা গ্রামের গিয়াস উদ্দিন গাবু’র ছেলে মো. শাহিন মোল্লা (২১) ও দেওতলা গ্রামের মাহবুব আলমের ছেলে মো. বাশরী (৪০)।

জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক মো. উসমান কবির,  নবাবগঞ্জের সার্কেলের পরিদর্শক মো. ইউনুস হাওলাদার ও এএসআই মো. রফিকুল ইসলাম নতুন বান্দুরা গ্রামে মাদক বিরোধী অভিযান চালান। এই সময় তারা শাহিন ও বাশরীকে আটক করে। এসময় শাহীনের কাছ থেকে ২ পিস ইয়াবা ও বাশরীর কাছ থেকে ৫০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

পরে তাদের উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মো. তোফাজ্জল হোসেনের ভ্রাম্যমান আদালতে হাজির করা হলে তিনি শাহীনকে ১৫ দিন ও বাশরী কে ৩০ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন।

নারিশায় শিক্ষার্থীদের নদী পারাপার করবে “শিক্ষা তরী”

0

দোহার উপজেলার পদ্মাপাড়ের ইউনিয়ন নারিশা, এর অন্তর্গত রয়েছে বেশ কিছু চরাঞ্চল, যা আজও দুর্গম। নদী পাড়ি দিয়ে এই দুর্গমতা ভেঙে নারিশার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেতে পারে না নারিশা চর, নারিকেল বাড়িয়া, মধুর চর, বিলাশপুর এলাকার শিক্ষার্থীরা।

নদী পাড়ি দিতে না পারায় জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষা দিতে না পারার ঘটনাও ঘটেছে সেখানে। এই সমস্যা দূর করার প্রয়োজনীয়তা থেকে শুধু শিক্ষার্থীদের জন্য এলজিএসপি-৩ ‘র অর্থায়নে “এম ভি শিক্ষাতরী” নামে একটি ইঞ্জিন চালিত নৌযান (বোট) চালু হয়েছে। নারিশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন দরানী’র উদ্যোগে চালু হওয়া এই সেবার উদ্বোধন হয় ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ বৃহস্পতিবার, উদ্বোধন করেন জিয়াউল হক, ডিডিএলসি, ঢাকা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে. এম. আল-আমিন।

নবাবগঞ্জে বাসচাপায় শ্রমিক নিহত

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় বাসচাপায় আব্দুল হক (৫০) নামে এক শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন তিনজন। সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে ঢাকা বান্দুরা সড়কের নবাবগঞ্জ উপজেলার টিকরপুর মোড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত আব্দুল হক উপজেলার গালিমপুর ইউনিয়নের নোয়াদ্দা গ্রামে বাসিন্দা।

আহতরা হলেন- উপজেলার টিকরপুর গ্রামের বাদল মিয়া, নোয়াদ্দা গ্রামের তাজেল ফকির ও মোহনপুর গ্রামের রতন মিয়া।

নবাবগঞ্জ থানাধীন গালিমপুর তদন্ত কেন্দ্রের উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল রাশিদ জানান, রাত ৮টার দিকে পায়ে হেটে ছয় শ্রমিক কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমথ্যে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা দোহার উপজেলাগামী ডিএনপি পরিবহন নামের যাত্রীবাহী একটি বাস আব্দুল হক, তাজেল ফকির, বাদল মিয়া ও রতন মিয়া নামে চার শ্রমিককে চাপা দেয়।

স্থানীয় লোকজন তাৎক্ষণিক তাদের নবাবগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। পরে তাদের মিটফোর্ট হাসপাতালে নিয়ে গেলে আব্দুল হককে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরো জানান, গাড়িসহ চালককে আটকের চেষ্টা চলছে।

একুশে’তে পদ্মা কলেজ কর্তৃপক্ষের দোহারের প্রথম শহীদের কবর জিয়ারত

0

তৌহিদ/রাহুল/নাদিম নিউজ৩৯: ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা সংগ্রামে দোহারের প্রথম শহীদ মাহফুজুর রহমান। একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে পদ্মা কলেজ জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান এই শহীদের কবর জিয়ারত ও পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন । এরপর তারা প্রভাত ফেরি করে পদ্মা কলেজ শহীদ মিনারেও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এই সময় শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন। এরপর কলেজ শহীদ মিনারে আবারো ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয় ৫২র সকল বীর শহীদদের। এরপর কলেজ অডিটোরিয়ামে শুরু হয় আলোচনা সভা ও সাংষ্কৃতিক অনুষ্ঠান।

উক্ত আলোচনা সভায় পদ্মা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জনাব জালাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন মুকসুদপুর ইউনিয়ন পরিষদের সম্মানিত চেয়ারম্যান জনাব এম এ হান্নান।এরপর শুরু হয় ছাত্র-ছাত্রীদের অংশগ্রহনে সাংষ্কৃতিক অনুষ্ঠান। সকল শহীদদের জন্য দোয়া ও মোনাজাত করে তোবারক বিতরনের মধ্য শেষ হয় দিনের কার্যক্রম।

এদিকে একুশের প্রথম প্রহরে পদ্মা কলেজের শহীদ মিনারে শাইনপুকুর তদন্তকেন্দ্রের পক্ষ থেকে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলী ও পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন জনাব এমারৎ হোসেন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাইনপুকুর তদন্তকেন্দ্র। সাথে উপস্থিত ছিলেন তার ইউনিটের সকল ফোর্স।

নাজিম হিকমত: জেলখানার কবি

0

জেলখানার কবি তিনি। সারাটা জীবন তিনি সাধারণ মানুষের জন্য লড়াই করে গেছেন, জ্বালাময়ী সব কবিতা লিখেছেন, আন্দোলন করেছেন। মানুষের অধিকার আদায় আর শ্রেণি বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়তে গিয়ে জীবনের বেশিরভাগ সময় তাঁকে কাটাতে হয়েছে জেলে।

এই জেলখানার কবির নাম নাজিম হিকমত, জন্ম তুরস্কে। কিন্তু তিনি শুধু তুরস্কের কবি নন। তিনি পৃথিবীর সমস্ত শোষিত, বঞ্চিত মানুষের কবি। তার কবিতা অনূদিত হয়েছে পৃথিবীর নানা দেশে, নানান ভাষায়। বাংলাদেশে নাজিম হিকমতের জনপ্রিয়তা ঈর্ষণীয়। কবিতা ভক্তদের কাছে অসম্ভব প্রিয় তিনি। তাঁর ‘জেলখানার চিঠি’ কবিতাটি তো মনে হয় অনেক কবিতা প্রেমীরই মুখস্থ। প্রায় সব আবৃত্তিকারই তাঁর কবিতা আবৃত্তি করার জন্য রীতিমত মুখিয়ে থাকেন।


ছোট বেলায় নাজিম হিকমত

বাংলাতে নাজিমের শ্রেষ্ঠ কিছু কবিতার অনুবাদ করেছেন কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়। সাহিত্যের যে কোন শাখার অনুবাদই অসম্ভব রকমের দুরূহ এক কাজ। এক ভাষায় যে জিনিষ অসম্ভব আকর্ষণীয়, উপভোগ্য, অন্য ভাষায় রূপান্তরের পরেই তা প্রায়শই হয়ে পড়ে একেবারে পানসে ধরনের। সাহিত্যের অন্য যে কোন শাখার চেয়ে কবিতার ক্ষেত্রে এই অবনমন হয় সবচেয়ে বেশি। অনুবাদ দিয়ে আসল কবিতার আসল রূপরস ছন্দের সামান্য একটু অংশই পাওয়া যেতে পারে মাত্র। তার বেশি আশা করাটা একেবারে বাতুলতা মাত্র। বিভিন্ন লেখকের করা হিকমতের কবিতার ইংরেজি অনুবাদ পড়ে দেখেছি। বড়ই বিবর্ণ সেগুলো। সেই তুলনায় নাজিমের কবিতা অনুবাদের ক্ষেত্রে সুভাষ মুখোপাধ্যায় সকল আশা প্রত্যাশাকে ছাড়িয়ে গিয়েছেন। নিজে বাংলা ভাষার অন্যতম শ্রেষ্ঠ একজন কবি হবার কারণে তার অনুবাদ মৌলিক কবিতার অসামান্য শৈল্পিক স্বাদ, গন্ধ, বর্ণ নিয়ে পাঠকের সামনে উপস্থাপিত হয়েছে। এরকম উচ্চ মানের অনুবাদ করতে শুধুমাত্র একজন শ্রেষ্ঠ কবিই পারেন আরেকজন শ্রেষ্ঠ কবির কবিতার ক্ষেত্রে। আশ্চর্য হতে হয় যখন কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায় বলেন যে, ‘নাজিমের কবিতা দিয়েই শুরু হয়েছিল আমার কবিতার অনুবাদের হাতে খড়ি’।


কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়

১৯০২ সালে তুরস্কের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে নাজিম হিকমতের জন্ম। অল্প বয়স থেকেই কবিতার দিকে ঝুঁকে পড়েন। মাত্র সতের বছর বয়সে তাঁর লেখা কবিতা প্রকাশিত হয়। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরে মিত্রবাহিনী অধ্যুষিত তুরস্ক ছেড়ে মস্কো চলে যান তিনি। এ সময়ে রুশ কবি ভ্লাদিমির মায়াকোভস্কির সাথে তার বন্ধুত্ব গড়ে উঠে। হিকমত কমিউনিস্ট পার্টির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে পড়েন। তার কবিতা আরও জোরালো ও প্রতিবাদী হয়ে উঠে। ১৯২৪ সালে তুরস্কের স্বাধীনতার পর তিনি ফিরে আসেন। একটি বামপন্থী পত্রিকায় কাজ করার অপরাধে তিনি গ্রেপ্তার হন। কিন্তু হিকমত মস্কোয় পালিয়ে যেতে সক্ষম হন এবং সেখানে কবিতা এবং নাটক লিখতে থাকেন। ১৯২৮ সালের এক সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার কারণে দেশে ফিরে আসতে সক্ষম হন। কম্যুনিস্ট পার্টি ততদিনে নিষিদ্ধ ঘোষিত হয়ে গিয়েছে। সারাক্ষণই সাদা পোশাকের পুলিশের লোকজন তাকে নজরদারিতে রাখতো। পরের দশ বছরের পাঁচ বছরই তিনি নানান ধরনের বিচিত্র সব হাস্যকর অপরাধের অভিযোগে জেলখানায় কাটান। কিন্তু এই দশ বছরেই তিনি সুদীর্ঘ কবিতাসমৃদ্ধ চারটি বইসহ সর্বমোট নয়টি কবিতার বই প্রকাশ করেন। এই সমস্ত কবিতা তুরস্কের কবিতায় বিপ্লব সাধিত করে। তুরস্কের প্রধানতম কবি হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়ে যান তিনি।


জেলখানাতেই জীবনের বহু সময় পার করেছেন

১৯৩৮ সালে আবার তাকে যেতে হয় জেলে। এবার অভিযোগ তুরস্কের সামরিক বাহিনীকে বিপ্লবে উস্কানি দেয়ার। তার অপরাধ ছিল তার দীর্ঘ কবিতা গুলো মিলিটারি ক্যাডেটরা পড়ছে এবং এতে করে তাদের মধ্যে বিপ্লবী চেতনা জন্ম নিচ্ছে।এ দফায় ২৮ বছরের সাজা দেয়া হয় তাকে।

১৯৪৯ সালে পাবলো নেরুদা, পল রবসন এবং জ্যা পল সার্ত্রে প্যারিসে একটি আন্তর্জাতিক কমিটি গঠন করেন। উদ্দেশ্য ছিল হিকমতের মুক্তির জন্য আন্দোলন গড়ে তোলা। ১৯৫০ সালে পাবলো নেরুদার সাথে যৌথভাবে বিশ্ব শান্তি পুরস্কার জিতে নেন। এই বছরেই আঠারো দিনের আমরণ অনশনে যান তিনি। তুরস্কে গণতান্ত্রিক সরকার ক্ষমতায় আসায় মুক্তি পান।

দুই কালজয়ী নাযিম হিকমত ও পাবলো নেরুদা

এতো বার জেলে যেয়েও যন্ত্রণার অবসান ঘটে না তার। দুই দুইবার তাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়। পঞ্চাশ বছর বয়সে রাশিয়ান সীমান্তে সামরিক দায়িত্ব পালন করানোর চেষ্টা করা হয় তাকে দিয়ে। এই সব যন্ত্রণা থেকে রক্ষা পাবার জন্য ছোট্ট একটা মোটর বোটে করে বসফরাস প্রণালী পাড়ি দিয়ে বুলগেরিয়া হয়ে রাশিয়াতে পালিয়ে যান তিনি। পরের বছরই তুরস্ক সরকার তার নাগরিকত্ব বাতিল করে দেয়। ১৯৬৩ সালে ৬১ বছর বয়সে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মস্কোয় মৃত্যুবরণ করেন এই মহান কবি।

ইতিহাসের কী চরম লীলাখেলা। পঞ্চাশ বছর আগে যাকে বিশ্বাসঘাতক বলে রায় দিয়ে নাগরিকত্ব ছিনিয়ে নিয়েছিল তুরস্ক সরকার তাকেই আবার সসম্মানে মরণোত্তর নাগরিকত্ব ফিরিয়ে দিতে হয়েছে। ২০০০ সালে পাঁচ লাখ তুর্কী নাগরিক সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছিল নাজিম হিকমতের নাগরিকত্ব পুনর্বহালের জন্য এবং তার দেহাবশেষ মস্কো থেকে তুরস্কে ফিরিয়ে আনার জন্য। আর সে আবেদনে সাড়া দেয়া ছাড়া তুরস্ক সরকারের কিছু করারও ছিল না। নাজিম হিকমতের তুরস্ককে কোন প্রয়োজন নেই, কিন্তু তুরস্কের নাজিম হিকমতকে যে বড়ই প্রয়োজন।

নাগরিকত্ব ফিরিয়ে দেয়ার প্রতিক্রিয়া হিসাবে তুরস্কের ডেপুটি মিনিস্টার কেমিল সিচেক বার্তা সংস্থা এপিকে জানান যে, নাজিম হিকমতের বিষয়ে সরকারের মনোভাব পরিবর্তনের এটাই সময়। যে অপরাধের জন্য সরকার তার নাগরিকত্ব সেই সময়ে বাতিল করেছিল, সেই অপরাধ এখনকার যুগে আর কোন ধরনের অপরাধের পর্যায়েই পড়ে না।

এই দুনিয়া ছেড়ে চলে গেছেন, কিন্তু রেখে গেছেন অমর সব কাব্য। যা আজও শোষিত মানুষের মুক্তির গান গায়।

ছবি: নিয়নআলোয়

দোহারে বিনম্র শ্রদ্ধায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিতঃ বিভিন্ন সংগঠনের শ্রদ্ধাঞ্জলী

0

২১ মানে মাথা নত না করা। এমনই ফাল্গুনে ঝরেছিল তাজা প্রাণ। যাদের দাবি ছিল মায়ের ভাষার অধিকার; যারা পথে নেমেছিল রাষ্ট্রভাষার অধিকারের কথা জানাতে। অধিকার আদায়ের সেই লড়াইয়ে ঘাতকের গুলিতে ঝরে পড়েছিলেন সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার ও শফিউরসহ নাম না-জানা আরও অনেক শহীদ। তাদের স্মরণে আজ অমর একুশে। একুশের চেতনা বাঙালির হৃদয়ে ধারণ করে দোহার-নবাবগঞ্জে পালিত হলো একুশে ফেব্রুয়ারি।

উপজেলা পরিষদের পুস্পস্তবক অর্পণ।

দোহার উপজেলা ছাত্রদলের পুস্পস্তব অর্পণ

দোহার প্রেস ক্লাবের পুস্প স্তবক অর্পণ

ইডিয়টের আত্মকথা’র মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান

0

আসছে ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮, বৃহস্পতিবার  বেলা ৩ টায় বাংলা একাডেমী প্রাঙ্গনে মোড়ক উন্মোচন হতে যাচ্ছে নতুন লেখক ও সাংবাদিক হীরক রানার প্রথম বই ‘ইডিয়টের আত্মকথা’র। বিশিষ্টজনের উপস্থিতিতে বইটির মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।

লেখক বইটিতে সমাজে ঘটে চলা সত্য ঘটনাবলী তুলে এনেছেন তত্ত্ব আর তথ্যের সাথে নিজের রসবোধ মিশিয়ে।

চারপাশের ঘটনাপ্রবাহ কখনও গল্পে, কখনওবা গদ্যে তুলে ধরা হয়েছে। বইটি প্রকাশ করেছে “আদী প্রকাশনী“, স্টল নং-১৫৫, আর পরিবেশক, নব বই, স্টল নং -৬৫।

বইটির  ‘শুভেচ্ছা-কথা’য় প্রফেসর ইমেরিটাস সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী লিখেছেন :

হীরক রানার লেখাগুলো গল্পের মতো। একটানা পড়া যায়। লেখকের নিজস্ব একটা স্টাইল আছে, যা মৌলিক ও নতুন। তার সব লেখার ভেতরেই গল্প পাওয়া যাবে, যদিও ‘ইডিয়টের আত্মকথা’ গল্পের বই নয়। এ বইতে গভীর কথা আছে, কিন্তু বলা হয়েছে হাল্কাভাবে, যে কাজটা মোটেই সহজ নয়।

তিনি আরও লিখেছেন, অনেক কথা বলেছে সে, অল্পকথায় এবং কথা না-বাড়িয়ে। বইটি পড়লে আনন্দ পাওয়া যাবে, যেমন আমি পেয়েছি। এবং ভাবতেও হবে, যেমন আমাকে ভাবতে হয়েছে। লেখককে আমার অভিনন্দন।

জনগনকে সম্পৃক্ত করে, ঐক্যবদ্ধভাবে মাকে বের করে নিয়ে আসব: শামিমা রাহিম শীলা

0

জনগনকে সম্পৃক্ত করে, ঐক্যবদ্ধভাবে মাকে বের করে নিয়ে আসবো বলে মন্তব্য করেছেন দোহার উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামিমা রাহিম শীলা। সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের আয়োজিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে নিউজ৩৯কে তিনি এই কথা বলেন। জাতীয়তাবাদী মহিলাদলের আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

দোহার উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামিমা রাহিম শীলা বলেন, বিএনপি জনগনের দল, আমি একজন নির্বাচিত জন প্রতিনিধি হিসাবে জনগনকে সাথে নিয়েই আমরা আমাদের নেত্রীকে, আমাদের মাকে কারাগার থেকে মুক্ত করবো ইনশায়াল্লাহ। দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ এই ধরনের শান্তিপূর্ন কর্মসূচির পাশাপাশি আরও বিভিন্ন রাজনৈতিক সক্রিয় কর্মসূচির সিদ্ধান্ত নিবে। আমাদের পার্টির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আমাদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। জনগনের ভালবাসা ও অন্যায়ের প্রতি জনগনের তীব্র দ্রোহ দিয়ে আগামী নির্বাচনে দেশমাতার নেতৃত্বে বিএনপি ক্ষমতায় আসবে।

 শামিমা রাহিম শীলা

ফোরজি চালু হচ্ছে আজ

0

বহুল প্রতীক্ষিত চতুর্থ প্রজন্মের নেটওয়ার্ক তথা ফোরজি আজ সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) চালু হচ্ছে। এদিন সন্ধ্যা ৭টায় রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে ফোর-জি চালুর অনুমোদন পাওয়া গ্রামীণফোন, রবি, বাংলালিংক ও টেলিটকের শীর্ষ নির্বাহীদের হাতে লাইসেন্স তুলে দেওয়া হবে। লাইসেন্স পাওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই ফোরজি চালু হবে বলে জানা গেছে। লাইসেন্স হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদও এ সময় উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে।

লাইসেন্স পাওয়ার পরপরই মোবাইল ফোন অপারেটরগুলো ফোরজি সেবা চালু করবে বলে ঘোষণা দিয়েছে।