বাহ্রা ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি ঘোষণা

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার বাহ্রা ইউনিয়ন যুবলীগের তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। বাহ্রা ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটিতে রাজু আহমেদকে সভাপতি, মিরাজ আহম্মেদকে সাধারণ সম্পাদক ও রুমেল বাবুকে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসাবে নির্বাচিত করা হয়েছে।

ঢাকা জেলা যুবলীগের অধীনে থাকা নবাবগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের সভাপতি সারোয়ার হোসেন খান ও সাধারণ সম্পাদক নূর আলম ৩ মাসের জন্য এই কমিটি অনুমোদন দেন। এই তিন মাসে তারা পূর্নাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করবেন।

নবাবগঞ্জে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

ঢাকার নবাবগঞ্জের জালালপুর  উদয়ন মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের  সামনে থেকে ৫০০ টি ইয়াবা সহ মো. সাদ্দাম নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ। সোমবার দুপুর দুইটায় তাকে আটক করা হয়।  সাদ্দাম নবাবগঞ্জ উপজেলার বাহ্রা ইউনিয়নের উত্তর চৌকিঘাটা গ্রামের মৃত বাহাদী মাতবরের ছেলে।

নবাবগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) কামরুল হাসান জানান, সাদ্দাম দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যাবসার সাথে জড়িত। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয় এবং তার দেহ তল্লাশী করে প্যান্টের পকেট থেকে ৫০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মাদক আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। নবাবগঞ্জ থানা উপ-পরিদর্শক সফিকুল ইসলাম সুমন এই মাদক বিরোধী অভিযানে নেতৃত্বে দেন।

পুলিশ জানায়, এর আগেও তাকে একবার আটক করা হয়েছিল। জেল থেকে বের হয়ে ফের মাদক ব্যবসা শুরু করেছে।

কাতারে আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগীতায় দোহারের বাবা-ছেলে

ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার কুসুমহাটি ইউনিয়নের পূর্ব শিলাকোঠা গ্রামের হাফেজ ক্বারী নজরুল ইসলাম ও তাঁর ছেলে হাফেজ ক্বারী ওসামা বিন নজরুল আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতা অংশ গ্রহণ করার জন্য কাতার পৌঁছেছেন। আজ রাত দেড়টার সময় তাঁদের বহনকারী বিমান কাতারের দোহারের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।

এর আগেও ওসামা বিন নজরুল বাংলাদেশ ইসলামী ফান্ডেশনের প্রতিযোগিতায় ১ম স্থান অধিকার করেছিলেন। এছাড়া ২০১৭ সালের পিএসসি পরীক্ষায় ওসামা বিন নজরুল কৃতিত্বের সাথে জিপিএ ৫ অর্জন করেন। এছাড়া সুললিত কন্ঠে কোরআন তেলোয়াতের কারণে ওসামা বিন নজরুল মসজিদে তারাবীও পড়ান। ১২ বছর বয়সে কোরআনে হাফেজ ওসামা বিন নজরুলের বাবা ক্বারী হাফেজ নজরুল ইসলাম বঙ্গভবন মসজিদের মুয়াজ্জিন। তিনি দোহার উপজেলার কুসুমহাটি ইউনিয়নের পূর্ব শিলাকোঠা গ্রামের ইব্রাহিম মল্লিক এর বড় ছেলে।

কাতার প্রবাসী দোহারের জিন্নতের মৃত্যু

ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার বিলাশপুর ইউনিয়নের কুলছুড়ি গ্রামের জিন্নত আলী বেপারী (৩৫)কাতারের শেখ হামেদ মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরন করেন। ২৫ ফেব্রুয়ারী রাতে স্ট্রক করলে তাকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তিনি মৃত্যুবরন করেন।

চার বছর আগে ভাগ্য বদলের আশায় জিন্নত আলী বেপারী কাতার প্রবাসী হয়। জিন্নত কাতারের একটি গৃহনির্মান কোম্পানীতে নির্মান শ্রমিক হিসাবে কাজ করত।

জিন্নাত যার অধীনে কাজ করত সেই ফ্যোরম্যানের সাথে আলাপ করে জানা যায় সে কাজের ব্যাপারে ছিল খুব যত্নশীল। একারনে কোম্পানীর সবাই তাকে খুব আদর করত।সর্বশেষ এক বছর আগে দেশ থেকে ছুটি কাটিয়ে আসে। জিন্নতের অন্যান্য ভাইয়েরাও বিভিন্ন রাষ্ট্রে প্রবাসী।।

জিন্নতের ১৩ বছর ও ৬ বছরের দুটি মেয়ে রয়েছে। বড় মেয়ে ইয়াসমিন আমার মেয়ের সাথে নবম শ্রেনীতে পড়ে আর ছোট মেয়ে সবে মাত্র স্কুলে যায়। সকালে জিন্নতের মৃত্যুর খবর পেয়ে বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। জিন্নতের বৃদ্ধ বাবা মা ও স্ত্রী সন্তানের কান্নায় আকাশ বাতাস ভারি হয়ে আসে।তাদের শান্তনা দিতে গিয়ে পাশের স্কুলের প্রধান শিক্ষক আমার স্ত্রীর কন্ঠও ভারি হযে আসে।কারন আমিও একজন প্রবাসী।

কাতার প্রবাসী দোহারের জিন্নতের মৃত্যু

জিন্নতের পরিবারের সদস্যদের সাথে আলাপ করে দ্রুত লাশ দেশে পাঠানোর আইনী প্রক্রিয়া চলছে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নির্বাচনে কোষাদক্ষ্য পদে দোহারের কবিরুল বাশার

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি নির্বাচনে কোষাদক্ষ্য পদে নির্বাচন করছেন দোহারের কৃতি সন্তান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালইয়ের প্রানীবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক কবিরুল বাশার। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ’ প্যানেলে নির্বাচন করছেন এই শিক্ষক।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি অব্যাহত রাখতে, এই বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বমানের আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসাবে গড়ে তুলতে, শিক্ষকগণের সার্বিক স্বার্থ সংরক্ষণ ও সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধিকল্পে, জাকসু নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টির স্বার্থে, সেশনজ্যাম-র‌্যাগিং-মাদক-শিক্ষার্থীদের আবাসন সমস্যা-বিশৃঙ্খল বহিরাগত এবং অযাচিত ও অনিরাপদ যানবাহন-পরিবেশ দূষণকারী দোকানপাট-নির্যাতনমুক্ত ক্যাম্পাস গড়ার লক্ষ্যে এই প্যানেল কাজ করবে বলে তারা জানান। প্যানেলে সভাপতি পদে নির্বাচনে করছেন পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ফরিদ আহমেদ, সহ-সভাপতি হিসাবে নির্বাচন করছেন পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক শফি মুহাম্মদ তারেক, সম্পাদক হিসাবে নির্বাচন করছেন দর্শন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ফরিদ আহমেদ, যুগ্ম সম্পাদক হিসাবে নির্বাচন করছেন রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোঃ আওলাদ হোসেন।

খালেদা জিয়ার জন্য মাদ্রাসা ছাত্রদের নিয়ে শামীমা রাহিম শীলার দোয়া

0

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দূর্নীতি মামলায় সাজা প্রাপ্ত ৩ বারের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জন্য মাদ্রাসা ছাত্রদের নিয়ে দোয়া করেছেন দোহার উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামীমা রাহিম শীলা। রবিবার সকালে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে মাদ্রাসা ছাত্রদের নিয়ে খতমে কোরআন করা এবং জেল গেটের সামনে দাঁড়িয়ে দেশ ও জাতির জন্য এবং বিএনপি চেয়ার পারসন বেগম খালেদা জিয়ার আশু মুক্তি কামনা করে দোয়া করা হয়।

খালেদা জিয়ার জন্য মাদ্রাসা ছাত্রদের নিয়ে শামীমা রাহিম শীলার দোয়া

এই সময় জেল গেটের বাইরের রাস্তায় দাঁড়ানো মাদ্রাসার ছাত্রদের কোরআনের সুরে গোটা জেল গেট এড়িয়া মুখরিত হয়ে উঠে। এই সময় নিউজ৩৯ কে দোহার উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামীমা রাহিম শীলা বলেন, খালেদা জিয়ার দিকে আজ সারা দেশের মানুষ। সারা দেশের মানুষের দৃষ্টি আজ বেগম খালেদা জিয়ার উপর। একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে মিথ্যা অভিযোগে, মানুষের কাছ থেকে দূরে সরিয়ে দিতে সরকারের যে অপচেষ্টা, তাকে বাদ দিয়ে নির্বাচন অনুষ্ঠানের যে ষড়যন্ত্র তা এই দেশের সাধারন মানুষ কখনই মেনে নিবে না। একই সাথে সারা দেশের মানুষকে সাথে নিয়ে বিএনপি চেয়ারপার্সনকে মুক্ত করে এই দেশকে স্বৈরাচার মুক্ত করা হবে ইনশায়াল্লাহ।

খালেদা জিয়ার জন্য মাদ্রাসা ছাত্রদের নিয়ে শামীমা রাহিম শীলার দোয়া

ঢাকা – ১ আসনের স্বাধীনতার পর থেকে বর্তমান পর্যন্ত ইতিহাস

0

ঢাকা-১ সংসদীয় আসনের পুনর্বিন্যাস চাওয়ার আগে এই আসনটির সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ধরে রাখা সমীচীন মনে করে নিন্মে অতি সংক্ষেপে উপস্থাপন করা হলো।

আসন ঢাকা-০১-১৯৭০ এর নির্বাচন

* দোহার, নবাবগঞ্জ ও কেরানীগঞ্জ নিয়ে গঠিত জাতীয় পরিষদ MNA (Member of National Assembly)
* বিজয়ী : আশরাফ আলী চৌধুরী, আওয়ামীলীগ, প্রতীক–নৌকা।
* নিকটতম : আতাউল হক খান মুসলিম লীগ, প্রতীক- হারিকেন।
* দোহারে MPA ( Member of Provincial Assembly) এ্যাডভোকেট রফিউদ্দিন আহমেদ, আওয়ামীলীগ, নৌকা প্রতীক।
* নবাবগঞ্জে MPA ( Member of Provincial Assembly) সুবিদ আলী টিপু- আওয়ামীলীগ, নৌকা প্রতীক।
* কেরানীগঞ্জে MPA ( Member of Provincial Assembly) অধ্যাপক হামিদুর রহমান, আওয়ামীলীগ, নৌকা প্রতীক।

বি:দ্র: স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু সকল MNA এবং MPA এর সমন্বয়ে MLA (Member of Legislative Assembly) গঠন করে সংবিধান রচনার দায়িত্ব প্রদান করেন। আশরাফ আলী চৌধুরী সারা পাকিস্তানে সর্বোচ্চ সংখ্যক ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছিলেন।

আসন ঢাকা-০১-১৯৭৩ এর MP (Member of Parliament) নির্বাচন:
দোহার থানার ৭টি এবং নবাবগঞ্জের ৩টি (জয়কৃষ্ণপুর, বারুয়াখালী ও শিকারী পাড়া) ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত।
বিজয়ী : এ্যাডভোকেট রফি উদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, নৌকা প্রতীক।
নিকটতম : আঃ হাই- ন্যাপ, কুড়েঘর প্রতিক।

আসন ঢাকা-০১-১৯৭৯ এর MP (Member of Parliament) নির্বাচন:
দোহার থানার ৭টি এবং নবাবগঞ্জের ৩টি (জয়কৃষ্ণপুর, বারুয়াখালী ও শিকারী পাড়া) ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত।
বিজয়ী : ক্যাপ্টেন নুরুল হক, বিএনপি, ধানের শীষ প্রতীক।
নিকটতম: ইবাদুল ইসলাম, ইউনাইটেড পিপলস্ পার্টি (UPP) গরুর গাড়ী।

আসন ঢাকা-০১-১৯৮৬ এর MP(Member of Parliament) নির্বাচন:
দোহার উপজেলার ৮টি এবং নবাবগঞ্জের ৩টি (জয়কৃষ্ণপুর, বারুয়াখালী ও শিকারী পাড়া) ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত।
বিজয়ী : শহীদ আহমেদ খন্দকার, জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল প্রতীক।
নিকটতম: মাহবুবুর রহমান, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, নৌকা প্রতীক।

আসন ঢাকা-০১-১৯৮৮ এর MP (Member of Parliament) নির্বাচন:
দোহার উপজেলার ৮টি এবং নবাবগঞ্জের ৩টি (জয়কৃষ্ণপুর, বারুয়াখালী ও শিকারী পাড়া) ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত।
বিজয়ী : শহীদ আহমেদ খন্দকার, জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল প্রতীক।
নিকটতম:আবেদ হোসেন, জাসদ , মশাল। 

আসন ঢাকা-০১-১৯৯১ এর MP (Member of parliament) নির্বাচন:
দোহার উপজেলার ৮টি এবং নবাবগঞ্জের ৩টি (জয়কৃষ্ণপুর, বারুয়াখালী ও শিকারী পাড়া) ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত।
বিজয়ী : ব্যারিষ্টার নাজমুল হুদা, বিএনপি, ধানের শীষ প্রতীক।
নিকটতম: মাহবুবুর রহমান, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, নৌকা প্রতীক।

আসন ঢাকা-০১-১৯৯৬ এর MP (Member of Parliament) নির্বাচন:
দোহার উপজেলার ৮টি এবং নবাবগঞ্জের ৩টি (জয়কৃষ্ণপুর, বারুয়াখালী ও শিকারী পাড়া) ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত।
বিজয়ী : ব্যারিষ্টার নাজমুল হুদা, বিএনপি, ধানের শীষ প্রতীক।
নিকটতম: হাসেম আলী, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, নৌকা প্রতীক।

আসন ঢাকা-০১-২০০১ এর MP (Member of Parliament) নির্বাচন:
দোহার উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন এবং ১টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত।
বিজয়ী : ব্যারিষ্টার নাজমুল হুদা, বিএনপি, ধানের শীষ প্রতীক।
নিকটতম: সালমান এফ রহমান, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, নৌকা প্রতীক।

আসন ঢাকা-০১-২০০৮ এর MP (Member of Parliament) নির্বাচন:
দোহার উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন এবং ১টি পৌরসভা ও নবাবগঞ্জের ১৪টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত।
বিজয়ী : এ্যাডভোকেট আবদুল মান্নান খান, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, নৌকা প্রতীক।
নিকটতম: আব্দুল মান্নান, বিএনপি, ধানের শীষ প্রতীক।

আসন ঢাকা-০১-২০১৪ এর MP(Member of Parliament) নির্বাচন:
দোহার উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন এবং ১টি পৌরসভা ও নবাবগঞ্জের ১৪টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত।
বিজয়ী : সালমা ইসলাম, জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল প্রতীক।
নিকটতম: এ্যাড: আব্দুল মান্নান খান, আওয়ামীলীগ, নৌকা প্রতীক।

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে শত বছরের পুরানো খাল দখল চলছে

0

সরকারের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জোরপূর্বক শত বছরের পুরনো খালের উপর পাকা ভবন নির্মাণ করছে দোহারের সুতারপাড়া ইউনিয়নের নিকরা গ্রামের রিপন খান। যার বিরুদ্ধে হত্যা, চাঁদাবাজি, মাদক ও দখলের একাধিক মামলা রয়েছে। ক্ষমতার নেতৃত্ব বদলের সাথে সাথে বদলে যায় তার কর্মকান্ডও। সম্প্রতি তিনি দোহার থানা পুলিশের উপর হামলা করে গ্রেফতার হন। ফলে বেরিয়ে আসে রিপনের অপরাধ কর্মের ফিরিস্তী। গত দু’দিনে মামলা ছাড়া কয়েকটি জিডি হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।  দোহারে যখন যার হাতে ক্ষমতা বেশী সেখানেই তার আনাগোনা লক্ষ্য করা যায়।

রিপনের চাচাতো ভাই আপন খান। যে নিজেকে সুতারপাড়া ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক দাবী করেন। শুক্রবার রিপনের অনিয়ম, সন্ত্রাস ও দখলের বিষয়ে সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে সংবাদকর্মীদের সামনেই এলাকার এক যুবককে প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে তার বাহিনী দিয়ে আটকের চেষ্টা করে। পরে সাংবাদিকদের হস্তক্ষেপে সে যুবক দৌড়ে নিরাপদে চলে যায়। আপন খান দম্ভ উক্তি করে বলে, খান বাড়িতে এসে কেউ কিছুই করতে পারবে না। ওকে (যুবককে) আটকাও। রশি এনে বাধ। ততক্ষণে তার সাথে যোগ হয় আরো ৮/১০ জন তরুণ। তার এহেন কর্মকাণ্ড প্রতিবেশীরা নির্বাক হয়ে দেখলেও প্রতিবাদ করতে পারেনি।

সরেজমিনে স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, রিপন খান ও আপন খানের নিজস্ব একটি বাহিনী আছে। যারা এলাকায় অনিয়মকে নিয়মে পরিণত করে বিচার শালিসী, দখল ও মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করছে। জয়পাড়া নিকরা ঐতিহ্যবাহী খাল দখল করে দালান নির্মান করেছে। তাছাড়া খালের গতিপথ রোধ করে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ করছে।

স্থানীয় জনগণ, রিপনের খাল দখল ও দুর্বৃত্তয়ানের বিরুদ্ধে মুখ খুললেই, আপন ও তাদের ক্যাডার বাহিনী এলাকাবাসীকে প্রতিনিয়ত হামলা, হত্যার হুমকি প্রদান করে। আর এভাবেই ভয়ভীতি প্রদান করে দোহারের নির্ভৃত পল্লী সুতারপাড়া ইউনিয়নে রিপন ও আপন গড়ে তুলেছেন নিজেদের সন্ত্রাসী  রাজত্ব।

নিকরা গ্রামের বাসিন্দা মো. জাহাঙ্গীর আলম বেপারী বলেন, আমার বাবা হাজী আব্দুর রশিদ বেপারীকে রিপন ও তার বাহিনী ২০১৩  সালের ২০ জানুয়ারি মাদরাসার মিটিং থেকে ডেকে নিয়ে গুলিকরে হত্যা করে। দোহার থানার হত্যা মামলা নং- ১০। মামলাটি আদালতে বিচারধীন আছে।

তিনি আরো বলেন, সম্প্রতি রিপন আমাকে ও আমার স্বজনদেরকে হত্যার হুমকি দিয়েছে। আমি বাধ্য হয়ে তার বিরুদ্ধে থানায় জিডি করেছি। জিডি নং-৮৯৪।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সুতারপাড়া এলাকার নিকড়া গ্রামের এক ব্যবসায়ী  জানান, রিপন এলাকার বিভিন্ন সরকারি উন্নয়ন কাজে বাধা প্রদান করে চাঁদা দাবি করে। তা না হলে ঠিকাদারকে বিভিন্ন হুমকি প্রদান করে সে। কিছু দিন আগে রোর্ডস এন্ড হাইওয়ের  উন্নয়ন কাজের গার্ডার পাইপ চুরি করে নিয়ে আসে।  যা দিয়ে নিকরা খালে বাধ দিয়ে মাছ চাষ প্রকল্প তৈরি করছে।

এলাকাবাসী জানান, আপন, রিপন ওই এলাকার খায়ের চৌধুরী নামের এক নিরহ ব্যক্তির বাড়ির গাছ কেটে নিয়ে যায় এবং তার নিজস্ব জমির উপর দিয়ে জোর করে রাস্তা নির্মান করে। দোহার উপজেলা আ’লীগের এক নেতা ও জনপ্রতিনিধি জানান, বর্তমান সরকারের অর্জনকে ধুলোয় মিশিয়ে দিতে ক্ষমতাসীন দলের ব্যানারে রিপন, আপনদের মতো কিছু সন্ত্রাসীই যথেষ্ট। দ্রুত আইন প্রয়োগকারী সংস্থার উচিত এদের মূল উৎপাটন করা।

এ বিষয়ে দোহার থানার ওসি শেখ সিরাজুল ইসলাম বলেন, সরকারী নিষোধাজ্ঞা অমান্য করে রিপন ও তার বাহিনী খাল দখল করে  বসত বাড়ি নির্মান করে। সে ও তার বাহিনী সুতার পাড়া এলাকায় নানা অপরাধের সাথে জড়িত বলে ইতিমধ্যে  আমাদের কাছে তথ্য আসছে। আমরা এলাকায় শান্তি ও আইন শৃংখলা বজায় রাখার স্বার্থে কৌশলে সকল অপরাধীদের  আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করছি।

আমি নিশ্চিত নির্বাচনের তফসিলে বিএনপি নির্যাতনের আলামতগুলো কাজে লাগাবে – ব্যাঃ নাজমুল হুদা

দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে মাঠে থাকা বিএনপির পরিকল্পিত ট্রাপে সরকার পড়ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি আমলের সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী এবং বিএনএ-র চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা।

শনিবার রাতে বেসরকারি টেলিভিশন এটিএন বাংলায় প্রচারিত টকশো ‘ফেস টু ফেস’ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। প্রতি বৃহস্পতিবার ও শনিবার রাত ১২টায় ফেস টু ফেস অনুষ্ঠানটি প্রচারিত হয়।

নবুয়াত রহমানের পরিচালনায় ‘নির্বাচনের রাজনীতি’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে নাজমুল হুদা ছাড়াও অতিথি ছিলেন সিনিয়র সাংবাদিক ড. মাহফুজ উল্লাহ ও প্রতিদিনের সংবাদের সম্পাদক আবু সাঈদ খান।

শনিবার নয়াপল্টনে বেগম খালেদা জিয়ার কারামুক্তির দাবিতে বিএনপির কালো পতাকা প্রদর্শনের অনুষ্ঠানে পুলিশি বাধার বিষয়ের কথা তুলে ধরে উপস্থাপক জানতে চান- রাজনীতি কোন দিকে যাচ্ছে। এমন প্রশ্নে ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা বলেন, ‘বর্তমান সরকার বিএনপির ট্রাপে পড়েছে। নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি যে ট্রাপটি করেছে সরকার ডেফিনেটলি সেই ট্রাপে পড়ে যাচ্ছে। তারা মারমুখী না কিন্তু। তারা শান্তিপূর্ণ ডিফেনসিভ রোল প্লে করছে।’

বিএনএ চেয়ারম্যান বলেন, ‘ইচ এন্ড এভরি ইভেন্ট ইট ইজ ক্যালকুলেটেড এজ এন্ড ইনভেস্টমেন ফর দি থ্রি মান্থস দ্যাট ইউ গেট বিফোর ইলেকশন। ওই তিন মাস তারা যে সম্পূর্ণ উম্মুক্তভাবে রাজনীতি করবে এখন যে আলামত যেগুলো যোগাড় হচ্ছে যেমন পুলিশের নির্যাতন, পেটানো এগুলো তাদের কালেকশন। এটা করার জন্য তারা রীতিমত পরিকল্পনা করে এগুচ্ছে।’

নাজমুল হুদা বলেন, ‘জনগণ জানতে পারছে তারা (বিএনপি) নিয়মতান্ত্রিকভাবে পদ্ধতিতে আন্দোলন করছে। কোনো রকমের উস্কানি দিচ্ছে না। তারপরও পুলিশ বাধা দিচ্ছে, ঝাঁপিয়ে পড়ছে। এটা জনগণের কাছে পরিষ্কার। কিন্তু দেশের মানুষের চোখ খুলে গেছে। কোনটা কি সেটা বুঝতে পারে। একদিকে যেখানে একটি দল প্রকাশ্যে নির্বাচনী অভিযান চালাচ্ছে, ভোট চাইছে। কিন্তু অন্য একটি দলকে দাঁড়াতেই দিচ্ছে না। এই জিনিসগুলো খুব ভালোভাবে প্রতিপাদ্য হচ্ছে। এগুলো কাজে লাগিয়ে আমি বিশ্বাস করি বিএনপি আগামী নির্বাচনে যাবে। সবকিছু অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের আলামত হিসেবে আগামীতে আসবে।’

সরকারকে সংযত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে নাজমুল হুদা বলেন, ‘আমি নিশ্চিতভাবে বলতে পারি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর তারা (বিএনপি) এই আলামতগুলো কাজে লাগাবে।’

বিএনপির কর্মসূচিতে পুলিশি বাধা দেয়ার ঘটনায় রাজনীতির গতিধারা কোন দিকে যাচ্ছে এমন প্রশ্ন করা হলে ড. মাহফুজ উল্লাহ বলেন, ‘আজকে যে চিত্র দেখলাম এটা বর্তমান সরকারের অসহিঞ্চু রাজনীতির এবং মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ। সরকার যেভাবে বিরোধী দল বিশেষ করে বিএনপির উপর যে রকমভাবে দমনপীড়ন চালাচ্ছে, যেভাবে পুরো রাষ্ট্রকে একটি পুলিশি চেহারা দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে, তাতে বিরোধীরা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও সরকারও ক্ষতিগ্রস্ত হবেন এটা ভুলে যাওয়া উচিত না। সবশেষ বাংলাদেশও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। কারণ ইতিমধ্যে প্রতিবেশী দেশগুলোর যে ধরণের উস্কানিমূলক কথাবার্তা আমরা শুনতে পারছি যদিও এগুলো আমরা আমলে নিচ্ছি না।’

বিএনপি তাদের নেতার মুক্তি আশা করবেন এটা অযৌক্তিক না এমন মন্তব্য করে মাহফুজ উল্লাহ বলেন, ‘এটা আওয়ামী লীগের জন্য হলেও হত। এটার গুণগত দিক বিচার করছি না। কিন্তু একটা প্রতিবাদ করতে পারবে না আপনি আমার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়বেন এটা কোন দেশে বাস করছি।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বাধা না দেয়ার বক্তব্য ও নয়াপল্টনে পুলিশের দেয়া বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, প্রতিদিন ঢাকা শহরে কত হাজার মানুষ ফুটপাতে দাঁড়িয়ে থাকে। পুলিশ কি তা কোনো সময় দেখে? জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে শিক্ষকরা অবস্থান করলেন কিসের অনুমতি নিয়েছেন?

মাহফুজ উল্লাহ বলেন, ‘এই সমস্ত কর্মসূচির মাধ্যমে সরকার সাংঘাতিকভাবে চ্যালেঞ্জের মুখে পড় গেছে। তারা এখন কিভাবে এটা ফায়সালা করবে। তারা ভাবছে বিএনপিকে পিটুনি দিলে তারা আক্রমণাত্মক ভূমিকা নেবে। তখন অতীতের মত মারধর, মামলা দিয়ে সবাইকে জেলে পুরে নির্বাচন করবে। কিন্তু এরমধ্যে একটি সম্ভাবনাকে উঁকি দেয়, তাহলো ২০১৮ সালে নির্বাচন হবে। আর আওয়ামী লীগ নেতাদের গোপন অভিলাস আছে তাহলে আবারো আগের মত নির্বাচন করে ক্ষমতায় থাকা।’

নির্বাচনে বিএনপি আসবে এমন ধারণার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তারাতাদের মত করে নির্বাচন করে। তবে আমার যতটুকু মনে হয় বিএনপি নির্বাচনে যাবে। তারা সরাসরি বলেনি নির্বাচনে যাবে না। যদিও তারা তাদের নেত্রীকে নিয়ে নির্বাচনে যাবে।’

বিএনপির বর্তমান কর্মসূচির দিকে ইঙ্গিত করে এই সিনিয়র সাংবাদিক বলেন, ‘আমি নিশ্চিত বিএনপি কোনা হিংসাত্মক কর্মসূচিতে যাবে না। এটা তারা সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছে। কিন্তু তাদের পেটাবেন, সভা সমাবেশ করতে দিবেন না। পুলিশ কমিশনারকে আমি বলতে চাই, আপনারা যেদিন বিএনপির গণঅনশন ছিল তখন তো চারটা পর্যন্ত অনুমতি দিয়েছিলেন। কিন্তু সেটা কেন ভেঙে দিলেন কেন? তারা তো কোনো সমস্যা করেনি।’

নয়াপল্টনের কর্মসূচিতে পুলিশি বাধার সমালোচনা করে মাহফুজ উল্লাহ বলেন, ‘এটা সভ্য বা শালীন ব্যবস্থা না। একটি গণতান্ত্রিক সরকারের সহ্য সীমা থাকতে হয়। বিশেষ করে নির্বাচনী বছরে এসে একটি সরকার যদি তার সহ্য ক্ষমতাকে হারিয়ে ফেলে সেটাই হলো সরকারের দুর্বলতা।’ তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির তালিকা দাবি করেন।

টক শোকে অংশ নেয়া সাংবাদিক আবু সাঈদ খান বলেন, ‘প্রতিবাদের অধিকার গণতান্ত্রিক অধিকার। পুলিশের কাজ হলো এদের নিরাপত্তা দেয়া। তাদের অধিকার সংরক্ষণ করা, হরণ করা না। এদিকে অধিকার হরণ করা হচ্ছে। পুলিশ তো কারো দলের কর্মচারী নয়। পুলিশ প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী। সে হিসেবে তার কাছে আওয়ামী লীগ-বিএনপি হওয়ার কথা না। তাদের তো সবার অধিকার রক্ষা করা উচিত। এখন পুলিশকে যদি দলীয়ভাবে ব্যবহার করা হয় সেটার তো লক্ষণ ভালো না। পুলিশ যখন নিজেই যখন ভায়োলেট করে তাহলে এই পুলিশকে কিভাবে নিয়ন্ত্রণ করবে?’

বিএনপির আন্দোলন কর্মসূচিকে নিরামিষ আন্দোলন অবহিত করে এই সিনিয়র সাংবাদিক বলেন, হয়তো তারা আগামী দিনে ফুল নিয়েও দাঁড়াতে পারে। পুলিশকে ফুল দিয়ে আলিঙ্গন করবে।

আগামী নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ করতে সুযোগের সমতা নিশ্চিত করা দরকার বলেও মনে করেন তিনি।

নবাবগঞ্জে ইটভাটার ধোঁয়ায় নষ্ট হচ্ছে ফসল ও পরিবেশ

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় জনবসতিপূর্ণ এলাকা ও কৃষি জমির পাশেই গড়ে উঠেছে অধিকাংশ ইটেরভাটা। সরকারী নিয়ম না মেনে এসব ব্রিক ইন্ডাস্ট্রিজের মালিকরা বীরদর্পে ইট উৎপাদন করে চলেছে বছরের পর বছর।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, উপজেলা পর্যায়ে প্রাকৃতিক পরিবেশ ও বন সংরক্ষণ আইনের সঠিক বাস্থবায়ন না হওয়া ও সরকার কর্তৃক ঘোষিত উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত মনিটরিং কমিটির  কায্রক্রম না থাকায়  যেখানে সেখানেই ইটভাটা গড়ে উঠছে। যার ফলে এই অঞ্চলে প্রাকৃতিক পরিবেশ বিনষ্টসহ কৃষি ফসল, ফলজ ও বনজ বৃক্ষের উৎপাদন শক্তি কমতে শুরু করেছে বলে জানান কৃষি সংশ্লিষ্ঠ জনসাধারণ। সরেজমিনে দেখা গেছে, আইনে লাইসেন্স ছাড়া ইট তৈরি নিষেধ থাকলেও, সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে উপজেলার অধিকাংশ ইটভাটায় ইট তৈরি হচ্ছে। ছোট ও টিনের চিমনী থেকে বের হওয়া ধোঁয়ায়  ধান, পাট ও বিভিন্ন কৃষি  ফসলের উৎপাদন কমতে শুরু করেছে। আইনে আছে, যথাযথ কতৃপক্ষের অনুমোদন ব্যতীত কৃষি জমি, পুকুর, খালের মাটি দিয়েও ইট তৈরী করা যাবে না। কিন্তু রাতের আধারে প্রশাসনের সামনে দিয়ে প্রতিদিন ট্রাক ও  মাহেদ্র গাড়িতে মাটি যাচ্ছে উপজেলার বিভিন্ন ইট ভাটায়।

এতে করে কাঁচা মাটির সড়ক ও পাকা সড়কের ব্যাপক ক্ষতি হতে চলেছে। ই্টভাটার বৃদ্ধির কারনে  খাদ্য উৎপাদনে  পিছিয়ে পড়ছে দোহার ও নবাবগঞ্জ অঞ্চল। মুঠোফোনে জানান, সেচ্ছাসেবী সংগঠন (প্রাকৃতিক পরিবেশ সুরক্ষা আন্দোলনের) কর্মী এস, হোসেন রানা বলেন, নবাবগঞ্জে   ইটভাটা বৃদ্ধির ফলে জনগণের  স্বাস্থ্য ঝুঁকি বৃদ্ধিসহ  পরিবেশের ভারসাম্য প্রত্যাহ বিনষ্ট হচ্ছে। এতে থেকে মুক্তির পথ জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও অনুমোদনবিহীন ইটভাটা বন্ধে প্রশাসনের ব্যবস্থা গ্রহন যার কোন বিকল্প নেই।

তিনি আরো জানান,বর্তমান মৌসুমে উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে চলছে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ও যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়াই  বিভিন্ন নামের ইটেরভাটা। যারা স্থানীয় প্রভাবশালীদের সাথে যোগসাজসে চালিয়ে যাচ্ছেন তাদের ইট বিক্রির রমরমা বানিজ্য। যা দেখেও না দেখার ভান করছে স্থানীয় জনপ্রশাসনের কর্তা ব্যাক্তিরা। উপজেলা প্রশাসনের তথ্য অনুসারে  প্রায় ১৪ টি ইটাভাটা রয়েছে নবাবগঞ্জ উপজেলায়। কিন্তু সরেজমিনে অধিক ইটভাটার সন্ধান পাওয়া গেছে। যাদের অনেকের প্রাথমিক কোন অনুমোদন নেই। নেই কোন সঠিক মাপের চিমনী।  টিনের চিমনি ব্যাবহার করে ইট তৈরি করছেন তারা।

এ বিষয়ে ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে কর্মরত অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাজী নাহিদ রসুল বলেন, সরকারি আইন অমান্য করে ইটভাটা নির্মান ও ইট তৈরী করা অবশ্যই অপরাধ। বিষয়টি পরিবেশ অধিদপ্তর ও আমরা দ্রুত দেখবো। স্থানীয় প্রশাসকে ব্যবস্থা নিতে বলা হবে।