ছাত্রছাত্রীদেরকেই দেশের দায়িত্ব নিতে হবেঃ আব্দুল মান্নান খান

ছাত্রছাত্রীরাই দেশের জন্য ভবিষ্যৎ, তারাই এই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে, তারাই দেশকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিবে। তারাই একসময় এই দেশকে সোনার বাংলায় পরিনত করবে। তারাই পারবে বংগবন্ধুর স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক গৃহায়ন ও গনপূর্ত প্রতিমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান খান। শনিবার সকালে জয়পাড়া পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন।

ছাত্রছাত্রীদেরকেই দেশের দায়িত্ব নিতে হবেঃ আব্দুল মান্নান খান

দোহারের অন্যতম প্রাচীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জয়পাড়া পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আব্দুল মান্নান খান বলেন, দেশ আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়নের পথে এগিয়ে চলছে। এই ধারা অব্যাহত রাখার জন্য শেখ হাসিনার দক্ষ নেতৃত্ব যেমন প্রয়োজন। ঠিক তেমনি ভাবে এই ছাত্রছাত্রীদের এগিয়ে আসতে হবে দেশ গড়ার জন্য। নিজ নিজ স্থান থেকে দেশকে সেবা করে যেতে হবে।

ছাত্রছাত্রীদেরকেই দেশের দায়িত্ব নিতে হবেঃ আব্দুল মান্নান খান

এই বার্ষিক ক্রীড়া অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার লিয়াকত আলী, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ফজলুল হক, জয়পাড়া পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য সাজ্জাদ হোসেন সুরুজ, দোহার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ সিরাজুল ইসলাম লিটু, জয়পাড়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক হায়াত আলি মিঞা, দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম বাবুল, নুর শিশু একাডেমি এন্ড গার্লস হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ প্রমুখ।

ছাত্রছাত্রীদেরকেই দেশের দায়িত্ব নিতে হবেঃ আব্দুল মান্নান খান

 

 

ছাত্রছাত্রীদেরকেই দেশের দায়িত্ব নিতে হবেঃ আব্দুল মান্নান খান

জঙ্গি তৎপরতা অভিযোগে মহব্বতপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বরখাস্ত

জঙ্গি সম্পৃক্ততার অভিযোগে ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার মহব্বতপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শরাফ উদ্দিনকে বরখাস্ত করা হয়েছে। গত ৬ মার্চ বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ ছাড়া প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে কর্তৃপক্ষের কাছে অনুলিপি পাঠানো হয়েছে। প্রধান শিক্ষক শরাফ উদ্দিনের বাড়ি ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার ধনী খোলা গ্রামের মো. আবদুল মজিদের পুত্র।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, শরাফ উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত ছিলেন। তার বাড়ির ঠিকানায় এ বিষয়ে নোটিশ পাঠালেও কোনো জবাব আসেনি। পরে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ খোঁজ নিয়ে জানতে পারে জঙ্গি তৎপরতার অভিযোগে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে।

বিদ্যালয়ের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মমতাজ উদ্দিন আহমেদ আমাদের সময়কে জানান, শরাফ উদ্দিন গোপনে জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে আসছিলেন। পরে সন্দেহজনকভাবে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। জামিনে বেরিয়ে বর্তমানে তিনি আত্মগোপনে আছেন। বিষয়টি জানার পর শরাফ উদ্দিনকে প্রধান শিক্ষকের পদ হতে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তোফাজ্জল হোসেন বলেন, ‘বিষয়টি আমাকে জানানো হয়েছে। দেশবিরোধী কর্মকাণ্ড ও জঙ্গি তৎপরতার অভিযোগে তাকে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বরখাস্ত করেছে। দ্রুত নতুন প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার কথা বলেছি।’

তরুণরা শিক্ষিত হলে দেশ আলোকিত হবে: সালমা ইসলাম

তরুণরা শিক্ষিত হলে সমাজ ও দেশ আলোকিত হবে। উন্নত সমাজ বিনির্মাণে তরুণদের উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলতে হবে। গুণগত মানের শিক্ষা অর্জন করে দেশকে একদিন নেতৃত্ব দিতে হবে। বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকার নবাবগঞ্জ পাইলট স্কুল অ্যান্ড কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে এসব কথা বলেন। এমপি সালমা ইসলাম এ সময় আন্তর্জাতিক নারী দিবসে নারীদের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের বিভিন্ন দিকও তুলে ধরেন। একইদিন তিনি বাগমারা উচ্চ বিদ্যালয়ের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অংশ নেন। এই দুটি প্রতিষ্ঠানেরই তিনি একসময় সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকরা তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। অনুষ্ঠানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে সাবেক প্রতিমন্ত্রীকে শিক্ষার্থীরা গার্ড অব অনার প্রদান করে। তিনি তাদের সালাম গ্রহণ করেন।

সালমা ইসলাম এমপি আরও বলেন, জাতিকে সুন্দরভাবে গড়তে যেমন শিক্ষার বিকল্প নেই, তেমনি খেলাধুলা শরীর গঠন এবং মানসিক বিকাশে সহায়তা করে। অপরাধ প্রবণতা থেকে তরুণ-তরুণীদের বিরত থাকতে সাহায্য করে। তাদের সামজিক মূল্যবোধ রক্ষায় সচেতন করার পাশাপাশি ধর্মীয় শিক্ষাও দিতে হবে। তিনি আরও বলেন, আমাদের ছেলেমেয়েরা ইংরেজি শিক্ষায় পিছিয়ে থাকে। তাদের মন থেকে আগে ভীতি দূর করতে হবে। তবেই তারা ওই বিষয়ে ভালো করবে। আমি শিক্ষকদের বলব, আপনারা দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলুন। তাহলেই বাংলাদেশ একদিন সারা বিশ্বে নেতৃত্ব দিতে পারবে। সাবেক প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, আমার চাওয়া-পাওয়ার কিছু নেই। দোহার ও নবাবগঞ্জকে একটি উন্নত অঞ্চলে পরিণত করাই আমার জীবনের স্বপ্ন। আপনারা যাতে ভালো থাকেন, আপনাদের সন্তানদের উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত করার অভিপ্রায় পূরণে আমি দুটি কলেজ ও দুটি বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ করেছি। এ সময় তিনি দোহার-নবাবগঞ্জ উপজেলায় গত চার বছরে তার আমলে বর্তমান সরকারের সহযোগিতায় রাস্তাঘাট, স্কুল-কলেজ, ব্রিজ-কালভার্ট, বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণসহ হাসপাতালের স্বাস্থ্যসেবা, বিদ্যুতায়ন ও নদীভাঙন রোধে উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরেন।

এসব অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফারুক আহমেদ, ওসি মোস্তফা কামাল, দোহার-নবাবগঞ্জ কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আনোয়ার হোসেন, প্রধান শিক্ষক নাজমুন নাহার, নজরুল ইসলাম, বাগমারা স্কুলের সভাপতি নজরুল ইসলাম প্রমুখ।

বান্দুরায় দুই ইয়াবা ব্যবসায়ী আটক

নবাবগঞ্জে শেখ ওহাব আলী (৫৫) ও মো. রুবেল (৩১) নামে দুই ইয়াবাক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। বুধবার বান্দুরা থেকে শেখ ওহাব আলী ও মহব্বতপুর থেকে রুবেলকে আটক করা হয়।

জানা যায়, বুধবার নতুন বান্দুরা গ্রামে অভিযান চালিয়ে শেখ ওহাব আলীকে ১৭৫ পিচ ইয়াবাসহ আটক করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রয়ন অধিদপ্তর। সে ওই গ্রামের নোয়াব আলীর ছেলে। একইদিন মো. রুবেল নামে আরেক যুবককে ৫০ পিচ ইয়াবাসহ উপজেলার মহব্বতপুর গ্রাম থেকে আটক করা হয়। আটককৃত মাদক ব্যবসায়ী ওই গ্রামের  হাসমত বেপারীর ছেলে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রয়ন অধিদপ্তর নবাবগঞ্জ সার্কেলের কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওহাব ও রুবেলের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ইয়াবাসহ তাদেরকে আটক করা হয়। পরে তাদের মাদক আইনে মামলা দিয়ে নবাবগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

স্কলারশিপে চীনে পড়াশোনা করবেন যেভাবে

মো. সাহাবুল হক : বিশ্বের সব দেশের শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার জন্য অবারিত সুযোগ করে দিয়েছে চীন। দেশটিতে স্কলারশিপে গেলে শিক্ষার্থীদের জন্য আবাসন খরচ সম্পূর্ণ ফ্রি। চীনের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ২০১৭ সালে চীনে পড়াশোনা করতে গেছে ৪ লাখ ৪২ হাজার শিক্ষার্থী। ২০০০ সালে যা ছিল ৫২ হাজার ১৫০ জন। ২০২০ সাল নাগাদ প্রতি বছর ৫ লাখ বিদেশি শিক্ষার্থী নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।

দেশটিতে বিদেশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৩৩ শতাংশ পড়াশোনা করছে আন্ডারগ্রাজুয়েটে, ১৪ শতাংশ মাস্টার্স ডিগ্রি এবং পিএইচডিতে ও ৩০ শতাংশ রয়েছে প্রাইমারি এবং সেকেন্ডারি লেভেলে। বিদেশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৪০ শতাংশ চায়নিজ ভাষা শিখতে চীনে যায়। আর বাকিদের আগ্রহ শিক্ষা, বিজ্ঞান, ইঞ্জিনিয়ারিং এবং কৃষিতে।

বিদেশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৪০ শতাংশ চীনে যায় স্কলারশিপ নিয়ে পড়তে, বাকি ৬০ শতাংশ যায় ব্যক্তিগত খরচে। চীনের রাজধানী বেইজিং এবং সাংহাই শহর বিদেশি শিক্ষার্থীদের পছন্দের জায়গা। এই দুই জায়গার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সবচেয়ে বেশি ইংলিশ টট প্রোগ্রাম থাকে। বেল্ট অ্যান্ড রোড স্কলারশিপের আওতায় চায়না সরকার প্রতি বছর অতিরিক্ত ১০ হাজার স্কলারশিপ ঘোষণা করেছে। এ সুবিধা পাবে প্রকল্পের অধীন ৬৪টি দেশ। এ তালিকায় বাংলাদেশের নামও রয়েছে। এ দেশগুলো থেকে প্রতি বছর ২ লাখ শিক্ষার্থী চীনে পড়তে যাবে বলে ধারণা করছে চায়না সরকার।

যেভাবে আবেদন করা যাবে : স্কলারশিপের জন্য দুইভাবে আবেদন করা যাবে। সংশ্লিষ্ট দেশের শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও দূতাবাসের মাধ্যমে আবেদন করা যাবে। আবার সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করা যায়। বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করলে স্কলারশিপ পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে বেশি। দূতাবাসের স্কলারশিপ থাকে নির্দিষ্ট এবং প্রতিযোগিতামূলক।

বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য স্কলারশিপগুলো হলো- কাস টাওয়াস স্কলারশিপ, চায়নিজ স্কলারশিপ কাউন্সিল (সিএসসি), রোড অ্যান্ড বেল্ট স্কলারশিপ, মফকম স্কলারশিপ, কনফুসিয়াস স্কলারশিপ, চায়নিজ লোকাল গর্ভনমেন্ট স্কলারশিপ, ফরেন গর্ভনমেন্ট স্কলারশিপ, বিশ্ববিদ্যালয় স্কলারশিপ, ইয়েস চায়না স্কলারশিপ এবং এন্টারপ্রাইজ স্কলারশিপ। তবে সবচেয়ে বেশি স্কলারশীপ দেয় সিএসসি।

আর্থিক দিক দিয়ে কাস টাওয়াস স্কলারশিপ ও ইয়েস চায়না স্কলারশিপ ভালো। তারপরেই সিএসসি এবং মফকম স্কলারশিপ। কাস টাওয়াস শুধু পিএইচডি স্কলারশিপ দেয়। বিজ্ঞান এবং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের জন্যই মূলত এই স্কলারশিপ। কাস টাওয়াসে আগে থেকে শিক্ষকের সম্মতির প্রয়োজন হয়। এই স্কলারশিপ পেতে ন্যূনতম যোগ্যতা মাস্টার্স পাস এবং বয়স হতে হবে সর্বোচ্চ ৩৫ বছর। জাতীয় বা আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রবন্ধ থাকলে এই স্কলারশিপ পাওয়া সহজ হয়। বর্তমানে সিএসসি এবং কাস টাওয়াস স্কলারশিপে আবেদন করার সময় চলছে। মফকম স্কলারশিপ দেওয়া হয় অর্থ মন্ত্রণালয় এবং দূতাবাসের মাধ্যমে।

স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে যা যা প্রয়োজন : অন্তত ছয় মাসের মেয়াদ আছে এমন পাসপোর্ট, নোটারি কর্তৃক সত্যায়িত সব নম্বরপত্র এবং সার্টিফিকেট, পাসপোর্ট সাইজের ছবি, ফরেন মেডিকেল সার্টিফিকেট, স্টাডি প্ল্যান, আইইএলটিএস সার্টিফিকেট থাকলে ভালো না হলে ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশোনা করা হয়েছে এমন সার্টিফিকেট, দুটি রিকমেন্ডেশন লেটার, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আবেদনপত্র, স্কলারশিপের জন্য আবেদনপত্র (পূরণ করা)।

কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে শুধু অনলাইনে আবেদন করলেই হয়, আবার কোথাও অনলাইনের আবেদনের সঙ্গে হার্ডকপিও পাঠাতে হয়। স্কলারশিপের আবেদন সংক্রান্ত সবকিছু ওয়েবপেজে উল্লেখ থাকে। স্কলারশিপে আবেদন করার জন্য ওয়েবপেজগুলো দেখা যেতে পারে।

সিএসসি স্কলারশিপ (www.csc.edu.cn)।

কাস টাওয়াস স্কলারশিপ (www. twas.org)।

মফকম স্কলারশিপ (www.cscscholarship.org/mofcon)।

[লেখক : পিএইচডি গবেষক, বেইজিং নরমাল ইউনিভার্সটি, বেইজিং, চীন এবং সহযোগী অধ্যাপক, পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগ, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট। E-mail: [email protected]]

ঠিক কতো টাকা চুরি করলে একজন নেতার পেট ভরে?

দুর্নীতি, অর্থ আত্মসাৎ, মামলা, সাজা এমন অনেক কিছু শুনতে হচ্ছে গত কয়দিন যাবৎ। আমাদের দেশে যেমন সাজা ভোগ করতে হচ্ছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও তার পরিবারকে। ক্ষমতায় আরোহণ করে অর্থবিত্তের লোভ সামলানো কি এটি কঠিন? “যে যায় লঙ্কায়, সেই হয় রাবণ” এ প্রবাদের সার্থকতা প্রমাণে এই উপমহাদেশের শাসকেরা যেমন রাবণ হয়ে যান, ঠিক তেমনি পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় এমন রাবণের অভাবে নেই।

ইতিহাসে আমরা যেমন অনেক সৎ-নিষ্ঠাবান শাসক দেখেছি, তেমনি অনেক শাসক দেখেছি ক্ষমতার মোহে জনগণ আর দেশের প্রতি নিজ দায়িত্ব ভুলে অঢেল সম্পদের মালিক হতে। আজকে আমরা এমনই কয়জন শাসকের কথা জানবো যারা ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত দুর্নীতিবাজ, যারা দেশ ও জনগণের তোয়াক্কা না করে দেশে-বিদেশে গড়েছেন অবৈধ সম্পদের বিশাল রাজত্ব। শুরু করছি নাম্বার ৫ থেকে।

৫. বেন আলী
আত্মসাৎ করা অর্থের পরিমাণঃ ১ বিলিয়ন- ২.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

যারা সাম্প্রতিক বিশ্বের একটু-আধটু খোঁজ-খবর রাখেন, তাদের সবার কাছে এই নামটি অতি পরিচিত। তিনি তিউনিসিয়ার প্রেসিডেন্ট ছিলেন ১৯৮৭ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত। এরপরেই এই তিউনিসিয়া থেকে শুরু হওয়া আরব বসন্তের হাওয়ায় সর্ব প্রথম নড়ে ওঠে তার ক্ষমতা আর সম্পদের মসনদ ।

দূর্নীতিবাজ নেতা:বেন আলী

তার শাসনামলে তিউনিসিয়ার উন্নয়ন হয়েছে অনেক। মাথাপিছু আয় ১৯৮৬ সালে যেখানে ছিলো ১২০১ মার্কিন ডলার, সেখানে ২০০৯ সালে তিনগুণেরও বেশি বেড়ে হয় ৩৭৮৬ মার্কিন ডলার। দারিদ্রের হার কমে ৭.৪ থেকে হয় ৩.৮। কিন্তু লাগামছাড়া দুর্নীতি আর সম্পদের লোভ সব অর্জনকে ম্লান করে দেয়। বেকারত্ব বাড়তে থাকে দেশটিতে। যার ফল হিসেবে আসে আরব বসন্ত।

ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় বেন আলী ও তার পরিবার প্রায় ২.৬ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ অবৈধ উপায়ে অর্জন করে বলে নানা অভিযোগ আছে। যার মাঝে বহু অভিযোগ প্রমাণ হচ্ছে। বেন আলী, তার পরিবারের সদস্য সহ ১১৪ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির সাথে জড়িত থাকার নানা অভিযোগ পাওয়া যায়। ক্ষমতা থেকে চলে যাবার সময় ছোট বড় ৪০০টি কোম্পানি, ৫৫০টি বাড়ি, ৩৬৭টি ব্যাংক হিসাবের সন্ধান মেলে। তিউনিসিয়া ছাড়ার সময় বেন আলীর স্ত্রী প্রায় দেড় টন স্বর্ণ সাথে করে নিয়ে যান। এই বিশাল সম্পদ ২০১১ সালের তিউনিসিয়ার জিডিপির চার ভাগের এক ভাগ বলে ধারণা করা হয়।

উদ্ধারকৃত সম্পদঃ
ক্ষমতা ছাড়ার পর থেকেই নানা ভাবে রাষ্ট্রের এই সম্পদ উদ্ধারের চেষ্টা শুরু হয়। লেবাননের ব্যাংকে থাকা তার স্ত্রীর নামে ২৪.৪ মিলিয়ন ডলার উদ্ধার করা হয়। সুইজারল্যান্ড থেকে আসে ৪০ মিলিয়ন। আর সুইজারল্যান্ডেই ২৮.৫ মিলিয়ন এবং কানাডাতে ২.৬ মিলিয়ন ডলার নিয়ে মামলা বিচারাধীন।

৪. সানি আবাচা
আত্মসাৎ করা অর্থের পরিমাণঃ ২ বিলিয়ন-৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখিয়ে সানি আবাচা নাইজেরিয়ার ক্ষমতায় আসেন ১৯৯৩ সালে। কিন্তু সেটি স্বপ্নই থেকে যায় নাইজেরিয়ার মানুষের জন্য! ক্ষমতায় বসার ১ বছরের মাথায় ডিক্রি জারি করে সরকারের সব কাজ আদালতের বিচারের বাইরে রাখার ব্যবস্থা করেন। অর্থাৎ সরকারের কোন কাজের বিরুদ্ধে অভিযোগ আসলে বিচার করতে পারবে না আদালত। সাথে সাথে নিষিদ্ধ করেন সকল রাজনৈতিক কর্মকান্ড। কণ্ঠরোধ করেন গণমাধ্যমের। তবে এসময়ে অবিশ্বাস্য ভাবে কিছু অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয়। যেমন- বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ হয় ৯.৬ বিলিয়ন। কিন্তু এই সময়ে মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে কমনওয়েলথ থেকে বহিষ্কার করা হয় নাইজেরিয়াকে। ১৯৯৮ সালের ৮ জুন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান তিনি। কিন্তু মারা যাবার আগেই বিত্তের এক বিশাল ভান্ডার গড়ে তোলেন।

দূর্নীতিবাজ নেতা: সানি আবাচা

বিশ্ব ব্যাংকের মতে, অবৈধ সম্পদের বেশিরভাগ আসে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে। কারণ সে সময় নাইজেরিয়ায় বিনিয়োগ করতে হলে বিশাল অঙ্কের ঘুষ দিতে হতো সানি কে। তার এই সম্পদের আরেকটা অংশ আসে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের টাকা থেকে। ক্ষমতায় থাকাকালীন সরাসরি কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে টাকা তুলে নেন তিনি। আর তার এই সম্পদের বিশাল অংশ তিনি পাচার করেন লুক্সেমর্বাগ, সুইজারল্যান্ড, বাহামার মতো বহু দেশে।

উদ্ধারকৃত সম্পদঃ
দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে নেয়া প্রায় ১.২ মিলিয়ন ডলার ফেরত দেয় তার পরিবার। এছাড়াও সুইজারল্যান্ড থেকে দুই দফায় ফেরত আসে ৫০৫ মিলিয়ন আর ৩০৮ মিলিয়ন ডলার। বাহামা, আয়ারল্যান্ড, ইংল্যান্ড, আমেরিকায় এখনো এই অর্থ উদ্ধারের জন্য বিচার চলছে।

৩. মোবুতো সেসে সেকো
আত্মসাৎ করা অর্থের পরিমাণঃ ৪-৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

১৯৬৫ থেকে ১৯৯৭ এই বিশাল সময় কঙ্গোর ক্ষমতায় ছিলেন তিনি। “তোমরা চুরি করো, কিন্তু অল্প অল্প করে করো। একবারে বেশি করলে পুলিশ ধরবে”। এটি ছিলো তার দলের লোকজনের প্রতি উপদেশ। ক্ষমতা ছাড়ার পর প্রথমে তিনি টোগো, আর তারপর মরক্কো পালিয়ে যান। দুর্নীতির মাধ্যমে গড়া তার সম্পদের হিসাব পাওয়া যায় খুব কম। নানা উপায়ে তিনি পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে পাচার করেন সেগুলো।

দূর্নীতিবাজ নেতা:মোবুতো সেসে সেকো

সুইজারল্যান্ড সরকার ২০০৯ সালে তার ৬.৬৮ মিলিয়ন ডলার, যা সুইস ব্যাংকে ছিলো তা ফেরত দিতে চাইলেও কঙ্গো সরকারের অসহযোগিতার কারণে ফেরত দিতে পারেনি। সে সময় উপ-প্রধানমন্ত্রী ছিলো মোবুতোর ছেলে।

২. ফার্দিনান্দ মার্কোস
আত্মসাৎ করা অর্থের পরিমাণঃ ৫-১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

ফিলিপাইনের দশম প্রেসিডন্ট নির্বাচিত হন ১৯৬৫ সালে। তার ২১ বছরের শাসন আমলে ১৯৭২ সালে কমিউনিস্ট আন্দোলন ঠেকাতে সংসদ ভেঙ্গে দিয়ে জারি করেন সামরিক আইন। সুদীর্ঘ এই সময়ে ফিলিপাইন এশিয়ার সব থেকে ঋণগ্রস্থ দেশে পরিণত হয়। হু হু করে দারিদ্রের হার বেড়ে যায় দেশটিতে। ৩৫ মিলিয়ন মানুষ দারিদ্র্য সীমার নিচে চলে আসে।

দেশের মানুষের অবস্থা যাই হোক, তিনি আর তার পরিবার কিন্তু হাজার হাজার কোটি ডলারের মালিক হয়ে শুরু করেন নবাবী জীবন যাপন। রাজধানী ম্যানিলায় ছিলো বিশাল এক প্রসাদ। ৮৮৮টি হ্যান্ড ব্যাগ, ৭১টি সানগ্লাস, ২১ মিলিয়ন ডলারের সোনার গয়না ছিল তার পত্নীর নিত্য দিনের ব্যবহার করা সামগ্রী।

দূর্নীতিবাজ নেতা:ফার্দিনান্দ মার্কোস

উদ্ধারকৃত সম্পদঃ
ক্ষমতা থেকে চলে যাবার পর পরবর্তী সরকার “The Presidential Commission on Good Government (PCGG)” নামে একটি কমিশন গঠন করে তার অবৈধ সম্পদ উদ্ধারের জন্য। এই কমিশন ৩.৬ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ উদ্ধার করতে পারে। বাকি সম্পদ উদ্ধারের চেষ্টা এখনো চলছে।

১. মোহাম্মদ সুহার্তো
আত্মসাৎ করা অর্থের পরিমাণঃ ১৫-৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

আমাদের তালিকার এক নাম্বারে আছেন ইন্দোনেশিয়াকে ৩১ বছর শাসন করা মহা দুর্নীতিবাজ এক শাসক। তার শাসনামলে তিনি ইন্দোনেশিয়াকে অনেক দিক দিয়ে নানা উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। দারিদ্র্যের হার ৪৫ ভাগ থেকে নেমে হয় ১১। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, জনগণের জীবনমান উন্নয়ন হয় ব্যাপক হারে। ধান উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হবার জন্য FAO-এর কাছ থেকে গোল্ড মেডেল পায়।

দূর্নীতিবাজ নেতা:মোহাম্মদ সুহার্তো

তবে ১৯৯০ সালের দিকে এসে তার ও তার স্বজনদের দুর্নীতি অতিষ্ঠ করে তোলে মানুষকে। ধস নামে জনপ্রিয়তায়। দুর্নীতি ভয়াবহ আকার ধারণ করে। ব্যাংক ঋণ, কর মওকুফের মতো সুবিধা ছিলো শুধু তার সন্তান আর স্বজনদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য। বিনিয়োগের ক্ষেত্রে আমলাতন্ত্রের লাল ফিতার দৌরাত্ম্য দূর করতে ঘুষ দিতে হতো সুহার্তোর পরিবারের লোকজনকে। সুহার্তোর জীবনী নিয়ে কাজ করা রবার্ট এলসন সে সময়ের দুর্নীতি নিয়ে বলেছিলেন, “দুর্নীতি বা ঘুষ সেখানে ম্যাকডোনাল্ড বা সাবওয়ের বার্গারের মতো। সবাই জানতো কোথায়, কখন, কিভাবে দিতে হবে।” ১৯৯৮ সালে অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দিলে তীব্র আন্দোলনের মুখে ক্ষমতা ছাড়েন তিনি।

উদ্ধারকৃত সম্পদঃ
২০০৭ সালে ১.৫ বিলিয়ন ডলার উদ্ধারে তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়, কিন্তু তার কিছুদিন পরেই তিনি মারা যান। ২০১০ সালে তার পরিবারের বিরুদ্ধে মামলা করে ৩০৭.৪ মিলিয়ন ডলার উদ্ধার করে দেশটির সরকার।

যদি পৃথিবীর প্রান্তে প্রান্তে এই রকম দুর্নীতি না হতো, যদি শাসকেরা জনগণ আর দেশের কথা না ভুলে, নিজের ও পরিবারের জন্য সম্পদের অসীম পাহাড় না গড়ে তুলতেন তাহলে হয়তো বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ-এর দরকার হতো না। আসতো না আরব বসন্ত, প্রান দিতে হতো না আয়লান কুর্দিদের।

তথ্যসূত্রঃ ইনটেগ্রিটাস360।

কেরানীগঞ্জেই হতে পারে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর

রাজধানী ঢাকার দক্ষিণ-পশ্চিমে বুড়িগঙ্গার উপকণ্ঠে কেরানীগঞ্জের জাজিরা এলাকায় পরিবেশবান্ধব আধুনিক আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর গড়ে তোলার উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে। জাতির জনকের নামে প্রস্তাবিত বিমানবন্দরটি সরকার সহজে এই এলাকায় করতে পারে। এতে প্রস্তাবিত ওই বিমানবন্দরের জন্য স্থান নির্ধারণ নিয়ে যে জটিলতা রয়েছে তারও অবসান হবে। আন্তর্জাতিক মানের একটি আধুনিক বিমানবন্দর করতে যে বিপুল পরিমাণ জমির প্রয়োজন তাও রয়েছে এই এলাকায়। সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, কেরানীগঞ্জ ও সিরাজদিখান থানার সংশ্লিষ্ট মৌজাগুলোতে রয়েছে শত শত একর খাসজমি। এ ছাড়া ব্যক্তি মালিকানায় যে পরিমাণ জমি রয়েছে তাতেও জনবসতি খুবই কম। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এসব সুবিধার কারণে খুব সহজে জমি অধিগ্রহণ করা সম্ভব হবে। আর এতে সরকারি অর্থও খরচ হবে কম। অন্যদিকে নতুন একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণ হলে এই অঞ্চলে লাগবে আধুনিকতার ছোঁয়া। হবে নগরায়ণ। গতি আসবে এ অঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকায়। পদ্মাপার ও কেরানীগঞ্জের মানুষ প্রত্যাশাও করে তাই।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই অঞ্চলে ব্যাঙের ছাতার মতো ইটভাটা গড়ে ওঠায় পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। অন্যদিকে রয়েছে ধলেশ্বরী নদী ঘিরে একটি অপরাধীচক্রের তৎপরতা। এই অঞ্চলে একটি আধুনিক বিমানবন্দর নির্মাণ হলে এসব নেতিবাচক কর্মতৎপরতার অবসান হবে।

বেসরকারি বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, পদ্মা সেতু ও ঢাকার কাছাকাছি লাগসই কোনো একটি স্থানে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাই করে দেখা হচ্ছে। এর জন্য পদ্মা সেতু প্রকল্প এলাকায় সরেজমিনে পরিদর্শনও করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। ঢাকা থেকে দূরত্ব, ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগব্যবস্থা, জমির পর্যাপ্ততা, আন্তর্জাতিক রুট, সড়ক, রেল ও নদীপথে যোগাযোগব্যবস্থা, ভবিষ্যতে সম্প্রসারণের সম্ভাবনা, পুনর্বাসন, যাতায়াত খরচ ইত্যাদি বিষয়গুলো বিবেচনায় রেখে পরিদর্শন করে স্থানগুলোর সম্ভাব্যতা যাচাই করা হচ্ছে। উল্লিখিত বিষয়গুলো বিবেচনায় নিলে কেরানীগঞ্জই এর জন্য উপযুক্ত বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। কেরানীগঞ্জের সঙ্গে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু, বাবুবাজার ব্রিজ, বুড়িগঙ্গা সেতুর সংযোগ রয়েছে।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, কেরানীগঞ্জ-জাজিরা ও সিরাজদিখানচরসহ বিশাল চরাঞ্চলে গড়ে উঠতে পারে এই আধুনিক বিমানবন্দর। এর জন্য মাওয়া থেকে এই এলাকায় করা যেতে পারে একাধিক সড়ক। জাজিরা, চান্দেরচর, বাউচর, ধলপুরচর, চর পানিয়া, বালুচর, সাপেরচর ও চর সংঘাদি মৌজা এলাকায় আড়াই হাজার একরের বেশি বিস্তীর্ণ খাসজমি পড়ে রয়েছে। এ ছাড়া সিরাজদিখান ও বালুচর ইউনিয়ন এলাকার জমির মূল্য যথেষ্ট কম। খাসকান্দী মৌজায় প্রতি শতাংশ নাল জমি ৭০ হাজার ৬৫২ টাকা, বাড়ির জমি ৭৩ হাজার ৫১২ টাকা, চান্দেরচর মৌজার নাল জমি ৩৪ হাজার ৮০৯ টাকা আর বাড়ির জমি ৭৮ হাজার ৬৮ টাকা, পাইনাচর মৌজায় নাল জমি ৬৫ হাজার ৪৮০ টাকা, আর বাড়ির জমি এক লাখ ৬৯ হাজার ২৮২ টাকা। নদ-নদীর বাইরে এই এলাকার কয়েকটি মৌজায় খাসজমির পরিমাণ এক শ একর। এর অধিকাংশ অস্থায়ী বন্দোবস্তের আওতায় রয়েছে।

সরেজমিনে এসব এলাকা ঘুরে জানা গেছে, পানগাঁও পোর্ট, তেগুরিয়া স্টেডিয়াম, চার লেনের সড়ক, ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্ধিতকরণ ক্যাম্পাস, র‌্যাব সদর দপ্তর ও পাশ দিয়ে নারায়ণগঞ্জ থেকে পদ্মা সেতুতে যুক্ত হওয়া রেলপথ নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া এরই মধ্যে এই এলাকায় রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) আবাসন প্রকল্প ছাড়াও প্রিয়প্রাঙ্গন, বসুন্ধরা, সাউথ টাউন আবাসিক প্রকল্প ও আমিন মোহাম্মদ গ্রুপের আবাসিক প্রকল্প গড়ে উঠেছে। রয়েছে ‘ডিসি প্রকল্প’ নামের আরেকটি প্রতিষ্ঠিত আবাসিক প্রকল্প। সব মিলিয়ে এলাকাটি ঘিরে সৃষ্টি হয়েছে বিশাল সম্ভাবনা। যে স্থানটিতে বিমানবন্দর গড়ে উঠতে পারে ওই এলাকার উত্তর-পশ্চিমে রয়েছে ঢাকা-মাওয়ার চার লেনের সড়ক। দক্ষিণে রয়েছে বালুচর বাজার ও ধলেশ্বরী নদী। পূর্ব পাশে রয়েছে জাজিরা ক্লাব ও বুড়িগঙ্গা এবং ধলেশ্বরী নদীর মোহনা। রাজধানীর জিরো পয়েন্ট থেকে এখানকার দূরত্ব ১৫-২০ কিলোমিটার। আর শান্তিনগর থেকে ঝিলমিল প্রকল্পে রাজউকের পরিকল্পনায় থাকা ফ্লাইওভার নির্মাণ হলে সেখানে পৌঁছাতে সময় লাগবে মাত্র ২০-২৫ মিনিট।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, ওই এলাকার খাসজমিতে বিভিন্ন প্রভাবশালী গড়ে তুলেছেন দেড় শতাধিক ইটভাটা। এতে করে ওই এলাকা ও আশপাশের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। এ ছাড়া ধলেশ্বরী নদী এলাকা রাতের বেলা হয়ে ওঠে অপরাধীদের অভয়ারণ্য। গত কয়েক বছরে বেশ কয়টি লাশ পাওয়া গেছে এই এলাকায়। আর প্রতিদিনই ঘটছে চুরি-ডাকাতির ঘটনা। সংশ্লিষ্টরাসহ এলাকাবাসী আশা করছেন, পরিবেশবান্ধব আধুনিক একটি বিমানবন্দর নির্মাণ করা গেলে এ এলাকায় ব্যাপক উন্নয়নের ছোঁয়া লাগবে। এতে করে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন হবে।

বালুচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, ‘এই অঞ্চলে যদি একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হয়, আমরা অবশ্যই স্বাগত জানাব। কারণ বিমানবন্দর হলে আমাদের এলাকা অনেক উন্নত হবে। একটি পরিবেশবান্ধব বিমানবন্দর করতে সরকার এখানে স্থানও বেছে নিতে পারবে। এর জন্য ভূমি অধিগ্রহণ ঝামেলাও কম হবে। এই এলাকায় সাধারণ মানুষের বসতি খুব কম। অথচ রয়েছে বিপুল পরিমাণ খাসজমি।’

চান্দেরচর বাজারের হার্ডওয়্যার ব্যবসায়ী আবুল হাসেম বলেন, ‘এই এলাকায় বিমানবন্দর হইলে খুব ভালো হয়। আমাদের এলাকা শহর হইয়া যাইব। এলাকার পরিবেশ ভালো হইব।’

বালুচর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড মেম্বার (খাসকান্দি-চান্দেরচর) আলহাজ মো. আমজান হোসেন বলেন, ‘এখানে বিমানবন্দর হলে আমরা অবশ্যই স্বাগত জানাব। এ ব্যাপারে সরকারকে আমরা সব ধরনের সহযোগিতা করব। এতে যাতায়াতব্যবস্থা এবং এলাকাবাসীর সার্বিক কল্যাণ হবে।’

পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের (পবা) চেয়ারম্যান আবু নাসের খান বলেন, ‘কেরানীগঞ্জ অত্যন্ত সুন্দর জায়গা। চাইলে সেটি ইতালির ভেনিসের মতো সাজানো যায়। এখানে বিমানবন্দর করার সুযোগ রয়েছে, যেহেতু এখানে পর্যাপ্ত খাসজমি আছে। বিমানবন্দর নির্মাণ হলে ওই এলাকায় পর্যটক বাড়বে, জমির মূল্যও বাড়বে।’

সূত্র মতে, এর আগে সরকার মুন্সীগঞ্জের আড়িয়াল বিলে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয়। ২৫ হাজার একর জমি নিয়ে বিমানবন্দরটি নির্মাণ করার কথা ছিল। এর মধ্যে ১০ হাজার একর জমিতে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণ এবং বাকি ১৫ হাজার একর জমিতে বঙ্গবন্ধু সিটি গড়ে তোলার পরিকল্পনা ছিল; কিন্তু স্থানীয়রা রাজি না হওয়ায় আড়িয়াল বিলে বিমানবন্দর নির্মাণের পরিকল্পনা বাদ দিয়ে বিকল্প স্থান খোঁজা শুরু হয়। এর জন্য সম্ভাব্য চারটি স্থান নির্ধারণ করা হলেও উপযুক্ততা বিবেচনায় এখনো কোনোটি চূড়ান্ত হয়নি। পদ্মার এই পারে মাওয়া অংশে এবং ওই পারে জাজিরা অংশে। ওই পারে চর জানাজাতে (শিবচর, মাদারীপুর) বিমানবন্দর নির্মাণের সম্ভাব্যতার কথা বলা হয়। তবে নগর পরিকল্পনাবিদরা বলছেন, ঢাকা থেকে অনেক দূরে বিমানবন্দর নির্মাণ করা হলে ভোগান্তিতে পড়বে যাত্রীসাধারণ।

জানতে চাইলে স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন বলেন, ‘সমন্বিত পরিকল্পনায় বিমানবন্দর নির্মাণ করতে হয়। এর সঙ্গে মূল শহরের সহজ যোগাযোগব্যবস্থা থাকা জরুরি। কেরানীগঞ্জে প্রচুর খাসজমি রয়েছে এই বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানে বিমানবন্দর করতে হলে মানুষকে উচ্ছেদ করতে হবে না। আর বিমানবন্দরের পাশ দিয়ে যদি জলযান চলাচলের ব্যবস্থা রাখা যায় সেটি আরো ভালো। এখন যেই পরিস্থিতি তাতে শাহজালাল বিমানবন্দর আর রাখার সুযোগ নেই। কেরানীগঞ্জে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় একটি সুন্দর বিমানবন্দর করা যেতে পারে। এখানে সব ধরনের যোগাযোগব্যবস্থার অপার সম্ভাবনা রয়েছে।’

http://kalerkantho.com/home/printnews/611086/2018-03-09

 

দোহারের সফল জননী নারী “জয়িতা” হলেন সর্বজন শ্রদ্ধেয় নুর হাসনা পারভীন

নিউজ৩৯,তারেক রাজীবঃ আন্তর্জাতিক নারী দিবসে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও দোহার উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে “সফল জননী নারী” ক্যাটাগরিতে দোহার উপজেলা পর্যায়ে “জয়িতা” হলেন সর্বজন শ্রদ্ধেয় নুর হাসনা পারভীন(৬৫)।তিনি একজন রত্নগর্ভা। তিনি দোহার – নবাবগঞ্জের তথা ঢাকা জেলা দক্ষিণের সর্বজন শ্রদ্ধেয় সুপরিচিত শিক্ষাবীদ ও জয়পাড়া মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক, বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়াত আলী মিয়া’র স্ত্রী। তিনি ৬ সন্তানের জননী এবং সবাই সমাজে ও দেশে প্রতিষ্ঠিত।


তার প্রথম সন্তান সায়্যিদা ইয়াসমীন লিনা – সিনিয়র শিক্ষক জয়পাড়া মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, দ্বিতীয় সন্তান তাহমিনা জেসমিন বীথি – সিনিয়র শিক্ষক ইকরাশী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, তৃতীয় সন্তান ডেইজী নীতু – সহকারী শিক্ষক মেছের খান উচ্চ বিদ্যালয়, চতুর্থ সন্তান – তানিয়া লাইজু সুমী- প্রোগ্রাম অফিসার UNICEF Bangladesh, পঞ্চম সন্তান – নুরুল হায়াত টুটুল – সহকারী পরিচালক, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কতৃপক্ষ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, সর্বশেষ সন্তান – রুবায়েত শিপলু, সিনিয়র এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।


বৃহস্পতিবার শ্রদ্ধেয় নুর হাসনা পারভীনের হাতে ক্রেস্ট ও সনদ তুলে দেন দোহার উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা আফরোজা আক্তার রিবা। এসময় দোহার উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলমগির হোসেন, দোহার থানা অফিসার ইন চার্জ শেখ সিরাজুল ইসলাম লিটু সহ গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।


এই ব্যাপারে নিউজ৩৯কে তার বড় ছেলে নুরুল হায়াত টুটুল বলেন, “আমাদের মা”! আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ এবং বেগম রোকেয়া দিবস পালন উপলক্ষ্যে আন্তর্জাতিক নারী দিবসে “সফল জননী নারী” ক্যাটাগরিতে দোহার উপজেলা পর্যায়ে “আমাদের মা”-কে সর্বশ্রেষ্ঠ “জয়িতা”-র সম্মানে ভূষিত করেছে। তোমার সন্তান হিসাবে আমরা গর্বিত “মা”!! আমাদের ভাই-বোনদের বড় হবার পিছনে যিনি একনিষ্ঠভাবে লেগেছিলেন তিনি আমার মা। আমার বাবা সারাদিন স্কুল, সরকারি ও সামাজিক বিভিন্ন প্রোগ্রামে ও কাজে ব্যাস্ত থাকতেন। তিনি আমাদের নিয়মিত খোজ রাখতেন কিন্তু আমাদের সকল দাবি দাওয়া ছিল আমাদের মায়ের কাছে। আমাদের আবদার আমরা আগে করতাম মায়ের কাছে। বাবা-কে কিছু বলতে হলেও আগে মা-কে-ই বলতাম। তবে, আমার মা-বাবা দুজনেরই অবদান অপরিসীম। আজ আমরা ভাই-বোনেরা যে যেখানে দাঁড়িয়ে প্রতিষ্ঠিত তা এই দুজনের অক্লান্ত পরিশ্রমের কারণে। তারা কখনো বিশ্রাম নিয়েছেন বলে মনে হয়নি, সব সময় দুজনেই ঘরে বাইরে ব্যাস্ত ছিলেন। আমাদের বাসায় সব সময় আত্মীয়-স্বজন সহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের ছিল অবাধ যাতায়াত, তাদের আপ্যায়ন, আত্মীয়-স্বজনের দেখভাল, পরিচিতদের খোজ খবর রাখার কাজটা বাবা’র পাশাপাশি মা করেছেন সমান্তরালে। আমি গর্বিত আমি এমন মা পেয়েছি বলে। আমরা গর্বিত আমরা এমন মা-বাবার সন্তান বলে। সবাই আমার বাবা-মা’র জন্য দোয়া করবেন, দোয়া করবেন আমাদের জন্য।
তিনি একই সাথে ধন্যবাদ জানান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সহ তার সরকারের মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়; দোহার উপজেলা প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে।

৬ নারীর নেতৃত্বে দোহার উপজেলা প্রশাসন

0

নারীর ক্ষমতায়নের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছে দোহার উপজেলা পরিষদ। কাকতালীয়ভাবে বর্তমানে দোহারে উপজেলা প্রশাসনে নারী কর্মকর্তা হিসাবে মোট ছয়জন জন কর্মরত রয়েছেন। এরা হলেন দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) আফরোজা আক্তার রিবা, দোহার উপজেলা সহকারি কমিশনার(ভুমি) সালমা আক্তার,দোহার সাব-রেজিষ্টার হাফিজা হাকিম রুমা, দোহার উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মাহমুদা বেগম, দোহার উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুন্নী বেগম ও উপজেলা মহিলা ও শিশুবিষয়ক কর্মকর্তা সাদিয়া আফরিন।

জনগণ একদিন এই সরকারের কাছ থেকে হিসাব বুঝে নিবে – ভিপি কামালের প্রতিবাদ

জিসান,নিউজ৩৯: দোহার নবাবগঞ্জের সন্তান, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ভিপি কামাল ছাত্রদল ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদল সভাপতি মোস্তফা রাজকে আটকের প্রতিবাদ জানিয়ে নিউজ৩৯কে বলেছেন, জনগণ একদিন এই অনির্বাচিত সরকারের কাছ থেকে পাই টু পাই হিসাব নিবে। সেদিন আর বেশি দূরে নয়, যেদিন এদেশে আবার ভোট আর ভাতের, মতের আর দলের স্বাধীনতা ফিরে আসবে। সে বিজয় আসবে দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়ার হাত ধরে। এখন রাজপথে আছে ছাত্রদল, থাকবে সামনের দিনগুলোতেও। আর বাকশালী আওয়ামীলীগকে মনে রাখতে হবে, খালেদা জিয়াকে জেলে রেখে বিএনপিকে পরাজিত করা যাবে না। আগামী নির্বাচনে বিএনপিকে দূরে রাখতে সরকার নানা ধরনের অপকৌশল নিয়েছে। খালেদা জিয়াকে কারাগারে পাঠানো সেই কৌশলেরই অংশ। বিএনপি শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মাধ্যমে বেগম জিয়াকে মুক্ত করে দেশে আবারো গণতন্ত্র পুন:প্রতিষ্ঠা করবে। আর তা না হলে শেষ রক্ত বিন্দু দিয়ে হলেও ছাত্রদল সকল অধিকার প্রতিঠার পাশাপাশি ম্যাডাম জিয়া-কে বের করে আনতে হবে।

https://www.facebook.com/v.p.kamalkhan/videos/1557919437640014/?t=5