দোহারের নতুন ইউএনও আফরোজা আক্তার রিবা

সোমবার দোহার উপজেলা দায়িত্ব থেকে বিদায় নিয়েছেন কে এম আল আমিন। আজ সকালে দায়িত্ব যোগ দিয়েছেন আফরোজা আক্তার রিবা। দোহার উপজেলায় প্রথম কোন নারী কর্মকর্তা এই পদে যোগদান করলেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী ২০০০ সালে এসএসসি ও ২০০২ সালে এইচএসসি পরীক্ষা শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগে ভর্তি হন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করে ২৯তম বিসিএস-এর মাধ্যমে সরকারি চাকরিতে যোগদান করেন। দোহারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে যোগদানের পূর্বে তিনি ভূমি কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসনে সহকারি কমিশনার সহ নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট হিসেবে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন।

উল্লেখ্য যে, সম্প্রতি দোহার উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) হিসেবে যোগদান করেছেন আরেক নারী কর্মকর্তা সালমা খাতুন।

আইনের অধীনে থেকেই খালেদা জিয়াকে মুক্ত করবো: শামীমা রাহিম শীলা

আইনের অধীনে থেকেই বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন দোহার উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামীমা রাহিম শীলা। আজ মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ জাতীয়তানবাদী দল বিএনপি আয়োজিত এক মানব বন্ধনে নিউজ৩৯ এর কাছে তিনি এই কথা বলেন।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দূর্নীতি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বাংলাদেশের তিন বারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে অন্তরিন অবস্থায় আছেন। তাঁর মুক্তির দাবিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি চালিয়ে যাচ্ছে নিয়ম তান্ত্রীক আন্দোলন। এরই ধারাবাহিকতায় আজ জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজন করা হয় মানব বন্ধনের। এই মানব বন্ধনে বিএনপি কেন্দ্রীয় নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা কর্মীসহ স্থানীয় জনসাধারন। এই সময় মানব বন্ধনে উপস্থিত শামীমা রাহিম শীলা বলেন, এই দেশের জন্য শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার অবদান মুছে ফেলা যাবে না। যে অন্যায় ও অবিচারের মাধ্যমে খালেদা জিয়াকে বন্দি রাখা হয়েছে তাঁর বদলে নিয়ম তান্ত্রীক আন্দোলনের মাধ্যমে বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে জনগনের কাছে পৌছে দেয়া হবে।

আইনের অধীনে থেকেই খালেদা জিয়াকে মুক্ত করবো: শামীমা রাহিম শীলা

এই সময় দোহার উপজেলা বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

কে এম আল আমিনকে আনারকলি পুতুলের বিদায় শুভেচ্ছা

সদ্য বাংলাদেশ জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়ে সংযুক্তের আদেশ পাওয়া দোহার উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা কে এম আল আমিনকে বিদায়ী শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামী মহিলা লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আনারকলি পুতুল। রবিবার দুপুরে কে এম আল আমিনের অফিসে আনারকলি পুতুল এই বিদায়ী শুভেচ্ছা জানান। এই সময় আরো উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলা ছাত্রলীগ ও জয়পাড়া কলেজ ছাত্রলীগ।

উদ্বোধন করা হলো নারিশা ইউনিয়ন পরিষদের কম্পিউটার ল্যাব

ডিজিটাল বাংলাদেশ  গড়ার প্রত্যয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী  শেখ হাসিনা ২০০৮ এর  নির্বাচনে যে ইশতিহার দিয়েছিলেন সে অনুযায়ী দেশ এখন পুরোপুরি ডিজিটাল হওয়ার দোরগোড়ায়। বর্তমানে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার যে মহাযজ্ঞ চলছে তা আরো একধাপ এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে নারিশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ঢাকা জেলা যুবলীগ এর সিনিয়র সহ-সভাপতি জনাব সালাউদ্দিন দরানি এর উদ্যোগে যাত্রা শুরু করল  নারিশা ইউনিয়ন কম্পিউটার ল্যাব। যেখান থেকে  শিক্ষার্থী ও বেকার যুবকদের  বিনামূল্য কম্পিউটার প্রশিক্ষন দেওয়া হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব কে এম আল-আমীন বলেন, আজ থেকে এক দশক আগে অর্থাৎ ২০০৮ সালে যখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাদেরকে নির্দেশ দেন যে আপনারা প্রতিটি ইউনিয়নে যান এবং মানুষ কে ডিজিটাল বাংলাদেশ এর ধারণা দেন। তখন মানুষককে ডিজিটাল বাংলাদেশ সম্পর্কে ধারনা দেওয়াটা ছিল কষ্টসাধ্য। কারন তখন আজকের মত স্মার্ট ফোন বা কম্পিউটার এতটা সহজলভ্য ছিল না।

তিনি আরো বলেন , নারিশা ইউনিয়ন পরিষদের সালাউদ্দিন দ্বরানী চেয়ারম্যান তাকে বলেন যে তার কাছে একটা ফান্ড আছে এবং তিনি এটার সর্বোত্তম ব্যবহার করতে চান। তখন তিনি সম্মানিত চেয়ারম্যানকে পরামর্শ দেন। পরামর্শ মোতাবেক কাজটা বাস্তবায়ন করার জন্য তাকে ধন্যবাদ জানান।

সর্বশেষ তার বক্তব্যে ওঠে আসে তার দোহার থেকে বিদায় নেওয়ার বিষয়টি। এ প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন  “আগামীকাল (৫ ই মার্চ)  আমার দোহারে শেষ কার্যদিবস। এখানে আমি সবথেকে বেশি ভালোবেসেছি শিক্ষার্থীদের আর সবথেকে বেশি সম্মান করেছি শিক্ষকদের”। সবশেষে তিনি সকলের কাছে তার জন্য দোয়া চান।

সালাউদ্দিন দরানির সভাপতিত্বে আরো উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মালিকান্দা মেঘুলা স্কুল ও কলেজের প্রধান শিক্ষক অজয় কুমার রায়, কবি নজরুল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শরীফ উদ্দিন, ইসলামাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নূরে আলম সিদ্দিকী, নারিশা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজম খান, নারিশা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দুলাল চন্দ্র বিশ্বাস, দোহার উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মুহাম্মদ আলমাস উদ্দিন(ভিপি আলমাস) সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।

উপস্থিত সকলে জনাব সালাউদ্দিন দরানির মহতী এ সৃজনশীল উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক উপকমিটিতে দোহারের আতিক

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির বন ও পরিবেশ বিষয়ক উপকমিটির সদস্য করা হয়েছে দোহারের লটাখোলার আতিকুর রহমান আতিককে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আতিকুর রহমান আতিক ১৯৯৫ সালে জয়পাড়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ম্যাট্রিক পরিক্ষায় পাস করেন। এরপর তিনি ভর্তি হন নটরডেম কলেজে। সেখান থেকে উচ্চ মাধ্যমিকের চৌকাঠ পেরিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিবিএ এবং এমবিএ  অধ্যয়নের সাথে সাথে  গঠনমুলক ও সুস্থধারার ছাত্র রাজনীতির চর্চা শুরু করে। ছাত্ররাজনীতির হাতে খড়ি শুরু মাস্টারদা সূর্যসেন হল থেকে। দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেণ বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সহ-সম্পাদক পদে। তাছাড়া দোহার উপজেলা স্টুডেন্টস ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের সভাপতি হিসেবে (ঢাকাস্থ) এলাকার ছাত্রদের জন্য কাজ করা, নটরডেম কলেজ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের আজীবন সদস্য হিসেবে যেকোন ভাল কাজে এগিয়ে যুক্ত আছেন আতিকুর রহমান আতিক। শিক্ষাজীবনে প্রথম বিভাগ মিলেছে প্রত্যেকটি পর্যায়ে।

প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা শেষে জীবিকা নির্বাহে প্রথমে শিক্ষানবিস হিসেবে কাজ শুরু করেন বেক্সিমকো টেক্সটাইলে। এরপর গ্রামীণফোন এবং বর্তমানে বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশন্স লিমিটেডে সিনিয়র ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পাশাপাশি গ্রিন ক্লাইমেট মুভমেন্ট (সবুজ জলবায়ু আন্দোলন)-এর ঢাকা জেলার প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

দোহার উপজেলা পরিষদের স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য মেধা বৃত্তি আহবান

দোহার উপজেলা পরিষদের স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য মেধা বৃত্তি আহবান করেছে। এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, দোহার উপজেলাধীন প্রতিটি মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া মেধাবী দরিদ্র ছাত্র/ছাত্রী দের শিক্ষা বৃত্তি প্রদান করা হবে। মেধাবী ও দরিদ্র ছাত্র/ছাত্রীদের নিকট হইতে “চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদ, দোহার, ঢাকা” এর বরাবর স্ব-হস্তে লিখিত ও নিজের স্বাক্ষরিত এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানের সুপারিশে দরখাস্ত আগামী ১৫/০৩/২০১৮ইং তারিখের মধ্যে অফিস চলাকালীন স্ব-শরীরে উপস্থিত হয়ে আবেদন জমা দেয়ার জন্য অনুরোধ করা হলো।

উল্লেখ্য যে, প্রতিটি আবেদন যাচাই বাছাই পূর্বক সঠিক মেধাবী ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের শিক্ষা বৃত্তি প্রদান করা হবে। অর্থায়নে উপজেলা পরিষদ, দোহার, ঢাকা।

ঢাকা জেলার শ্রেষ্ঠ সেবা প্রদানকারী ইউনিয়ন শিকারীপাড়া

ঢাকা জেলা সেরা সেবা প্রদানকারী ইউনিয়ন পরিষদ ক্যাটাগরীতে ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার শিকারীপাড়া ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারকে পুরুস্কৃত করা হয়েছে। ঢাকা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে তিনদিন ব্যাপী আয়োজিত মেলার সমাপনী দিনে এ ঘোষণা দেয়া হয়।

ঢাকা জেলার ৫টি উপজেলার ৬২টি ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল সেন্টার মেলায় অংশগ্রহণ করে। শ্রেষ্ঠ সেবা প্রদানকারী ইউনিয়ন হিসেবে শিকারীপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তা সজল কুমার দাস ও কাজী জসিম উদ্দিনের হাতে সনদ ও ক্রেস্ট তুলে দেন ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার এম বজলুল করিম চৌধুরী। এই সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার শাহ মিজান শাফিউর রহমান পিপিএম (বার) বিপিএম।

দেশে উন্নয়েনের ধারা অব্যাহত রাখতে শেখ হাসিনার সরকারের বিকল্প কিছু নেইঃ মাহবুবুর রহমান

“আমি এই স্কুল এর কাছে  সাত বছর যাবৎ ঋনি তাই, স্বয়ং সম্পূর্ণ  স্কুল হিসেবে তুলবো বলে ঘোষনা দিয়েছেন ঢাকা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মাহবুবুর রহমান। উদয়ন প্রিপ্যারেটরী এন্ড হাই স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরুষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি এই কথা বলেন।

মোঃ আনোয়ার হোসেনের  সভাপতিত্বে  উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা পরিষদের সভাপতি জনাব মাহবুবুর রহমানের।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, দোহার হবে বাংলাদেশের উন্নয়নের রোল মডেল। তিনি অত্র বিদ্যালয়ের নির্মাণাধীন দুই তালা ভবনকে পাচতালা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন এবং বিদ্যালয় সংস্কারের জন্য দুই লক্ষ টাকা দিয়ে বিদ্যালয়টিকে  একটি মডেল স্কুলে রুপান্তরিত করে দেবো। তিনি আরও বলেন,  দেশে উন্নয়েনের ধারা অব্যাহত রাখতে শেখ হাসিনার সরকারের বিকল্প কিছু নেই।

উদ্বোধকের বক্তব্যে মহাপরিদর্শক নিবন্ধন-আই.জি.আর. বীর মুক্তিযোদ্ধা ডক্টর খান মোঃ আব্দুল মান্নান বলেন,আজকে মাহবুবুর রহমান, আমাদের আশির্বাদ, আমাদের যেখানে যা প্রয়োজন তারা দিয়ে যাচ্ছেন। মুকসুদপুর থেকে নয়াবাড়িসহ সমগ্র ঢাকা জেলায় আজ তারা ব্যাপক উন্নয়ন করে যাচ্ছে। মাহবুবুর রহমান যাইকরেন না কেনো তাতেই রয়েছে বঙ্গবন্ধু ও  শেখ হাছিনার ছোয়া।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন,জনাব শাহজাহান মোল্লা প্যানেল চেয়ারম্যান,ঢাকা জেলা পরিষদ,অত্র ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান এম. এ হান্নান, জনাব এমারৎ হোসেন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাইনপুকুর তদন্তকেন্দ্র,  জনাব মোঃ আরমানুর রহমান ভূঁইয়া সাধারণ সম্পাদক, মুকসুদপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ।

এ সময় অত্র বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা ডিসপ্লে প্রদর্শন করেন এবং কৃতি ছাত্র-ছাত্রী ও প্রতিযোগিদের মাঝে পুুরষ্কার বিতরন করা হয়।

শ্রেষ্ঠ ইউএনওঃ সারা দেশে ডঃ উর্মি, ঢাকায় নবাবগঞ্জের তোফাজ্জল হোসেন

0

জিসান মাহমুদঃ প্রাথমিক শিক্ষায় বিশেষ অবদানের জন্য কিশোরগঞ্জ জেলার কুলিয়ারচর  উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা  (ইউএনও)  ড. ঊর্মি বিনতে সালাম সারা দেশের মধ্যে শ্রেষ্ঠ ইউএনও নির্বাচিত হয়েছেন।

এদিকে সামাজিক সুরক্ষার কারণে ঢাকা জেলার শ্রেষ্ঠ ইউএনও নির্বাচিত হয়েছেন বর্তমান নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মো. তোফাজ্জল হোসেন। ১৯৮৪ সালে জন্মগ্রহণকারী  ২৯তম বিসিএস ক্যাডারভূক্ত এই সরকারি কর্মকর্তা ২৯শে সেপ্টেম্বর,২০১৭ নবাবগঞ্জ উপজেলায় নির্বাহি কর্মকর্তা হিসাবে যোগদান করেন। তার পৈত্রিক নিবাস টাংগাইলে।

HSC পরীক্ষা: জয়পাড়া কলেজ ও পদ্মা কলেজের দ্বন্দ্বে বিপাকে শিক্ষার্থীরা – কেউ ভাবে না ওদের কথা

0

এপ্রিলের ২ তারিখ থেকে শুরু হচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা। আর এতে যেন দুশ্চিন্তায় হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়ছে জয়পাড়া ও পদ্মা কলেজের শিক্ষার্থীরা। সাথে আছে মালিকান্দা কলেজের শিক্ষার্থীরাও। ওদের কথা কেউ ভাবে না, কে কত রুঢ় আচরণ করতে পারবে সেই প্রতিযোগীতায় শিক্ষক ও প্রশাসনের কাছে নাকাল হতে হয় শিক্ষার্থীদের। এমনিতেই অন্য কলেজ হয় এদের পরীক্ষা ভেন্যু। মানসিকভাবে এরা বিপর্যস্থ হয়ে পড়ে।

ঘটনাটি হয় মূলত কলেজের শিক্ষকদের মাঝে রেষারেষির জের ধরেই ঘটে চলছে, প্রায় ৫ বছর ধরে বোর্ড পরীক্ষার সময় পরীক্ষা কেন্দ্রে দুই কলেজের শিক্ষার্থীদের জন্যই অনুকুল পরিবেশের পরিবর্তে তৈরী হয় এক ভয়ানক প্রতিকূল পরিবেশ যা কখনোই আশা করা যায় না। শিক্ষকগণ তাদের এই আন্তঃকলেজ দ্বন্ধ বা সমস্যা কে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদেরকে বিভিন্ন ভাবে হয়রানী করে। জয়পাড়া কলেজ বলছে পদ্মা কলেজের শিক্ষকরা খারাপ আচারণ করছে, অন্যদিকে পদ্মা কলেজ বলছে জয়পাড়া কলেজের শিক্ষকরা খারাপ আচরণ করছে শিক্ষার্থীদের সাথে, আর এ কারণেই পরীক্ষার কেন্দ্রে তৈরী হচ্ছে এক প্রতিকূল পরিবেশে যা কোন কলেজের শিক্ষার্থী বা তাদের অভিবাবকরা কখনোই চায় না।

আশংকা করা হচ্ছে, এ বছর এর ভয়াবহতা আরও বেশি বৃদ্ধি পাবে কেননা, দুই কলেজের মাঝে সরকারীকরণ বা কলেজ জাতীয়করণ নিয়ে চলছে এক ব্যপক সংঘাতময় পরিস্থিতি। ইতোমধ্যে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করেছে জয়পাড়া কলেজ, রাজপথে আন্দোলন করেছে। অন্যদিকে সরকার পক্ষকে তথ্য, কাগজপত্র দিয়ে সহায়তা করছে পদ্মা কলেজ। এছাড়া পদ্মা কলেজের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি উন্নয়ন বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, আইজিআর ড. খান মুহাম্মদ আব্দুল মান্নান ও  জয়পাড়া কলেজের সাথে আদ্যপান্ত জড়িত বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম মেম্বার সাবেক গৃহায়ন ও গনপূর্ত প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান খান। সালমান এফ রহমান আর মান্নান খান ২ জনেই আগামী নির্বাচনের প্রার্থী। এছাড়া জয়পাড়া কলেজের বর্তমান সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন জাতীয় পার্টির এমপি সালমা ইসলাম। তাই দ্বন্দ্ব এবার নিয়েছে চরম মাত্রা। আর দ্বন্দ্বের বলী হচ্ছে দোহারের ভবিষ্যৎ কান্ডারী এই শিক্ষার্থীরা।

আবার কোন কলেজ সরকারি হল আর কোন কলেজ সরকারি হল না তা নিয়ে কেনই বা চলবে শিক্ষার্থীদের মাঝে চলবে এমন আচরণ! প্রত্যেক কলেজ কাছেইতো অন্য কলেজের শিক্ষার্থীরা অতিথির মত। তাহলে কেনই বা তাদের সাথে এমন আচারণ করবে তাদের শিক্ষকগণ। এক কলেজের শিক্ষার্থীর সাথে অন্য কলেজের শিক্ষকের কি এমন সংঘাত, যারা একে অপরকে হয়তো কোনদিন দেখেই নি। তাহলে শিক্ষকবৃন্দ কেনই বা এমন আচরণ করবে এই সকল শিক্ষার্থীদের সাথে।

কলেজ দুইটি থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করে যাওয়া অনেক শিক্ষার্থী বলেছে, তারা একই শিক্ষাবোর্ড এর অধিনে আরও দুইটি পরীক্ষা (JSC ও SSC) দিয়েই কলেজে উঠেছে। বিগত দিনের পরীক্ষার হলের অভিজ্ঞতার সাথে কলেজ জীবনের অভিজ্ঞতা পুরপুরি ভিন্ন। তারা কখনোই ভাবতে পারেনি এমন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে তাদেরকে পরিক্ষা দিতে হবে,অনেকে আবার হলকে জেলখানা সাথে তুলনা করে বলছে মনেহয় আমরা জেল খানার কয়েদি। পকেট থেকে রুমাল বের করে নাক পরিষ্কার করাটাও জেনো এক বিরাট অপরাধ।

শিক্ষার্থীরাও কিছু বলতে পারে না বা সাহস করে না কারণ কিছু বলতে গেলে যদি খাতা বাতিল হয়ে যায় বা কথা বাড়ালেই তো সময় নষ্ট হবে যা আর পাওয়া যাবে না,প্রশাসনের নীরব ভূমিকা তাদেরকে আরও বেশি দূর্বল করে তুলছে।

কথা এখানেই শেষ নয় কিন্তু শেষ করতে হচ্ছে কিছু প্রশ্ন করে, এ প্রশ্ন সকলের জন্য।

১. সংশ্লিষ্ট প্রশাসন কি একটু সজাগ হবে?

২. শিক্ষার্থীদের উপর এ অবিচার আর কতদিন চলবে???