প্রতিদিনের হাদিসঃ সুন্নাহ

হাদিস নং ৪৫২৬: আহমদ ইবন হাম্বল (রহঃ) ……. মুআবিয়া ইবন আবূ সুফিয়ান (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের মাঝে দাঁড়িয়ে বলেনঃ জেনে রাখ! তোমাদের আগের আহলে-কিতাব (ইয়াহূদ ও নাসারাগণ বাহাত্তর ফিরকায় বিভক্ত হয়েছে, আর এ মিল্লাতের লোকগণ অদূর ভবিষ্যতে তিয়াত্তর ফিরকায় বিভক্ত হবে। এক ফিরকা হবে জান্নাতী; আর তারা ঐ জামাআতভূক্ত, যারা আল্লাহ্‌র কিতাব এবং তাঁর রাসূলের সুন্নাতের অনুসারী হবে।রাবী ইবন ইয়াহ্‌ইয়া এবং আমর (রহঃ) তাদের হাদীছে এরূপ অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন যে, আমার উম্মতের মধ্যে অদূর ভবিষ্যতে এমন একদল লোক সৃষ্টি হবে, যাদের মাঝে গুমরাহী এভাবে বিস্তার লাভ করবে, যেমন ক্ষিপ্ত কুকুরের কাঁমড়ানোর ফলে সৃষ্ট রোগ (যা রোগীকে পাগল বানিয়ে দেয়)।রাবী আমার (রহঃ) বলেনঃ ক্ষিপ্ত কুকুরের দংশন জনিত রোগ এমন একটা মারাত্নক ব্যাধি যার বিষাক্ত প্রভাব থেকে রোগীর দেহের রগ ও জোড় কিছুই রক্ষা পায় না।

হাদিসের মানঃ  হাসান (Hasan)

হাদিস নং ৪৫২৭: কা’নাবী (রহঃ) ………. আইশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ আয়াত পাঠ করেনঃ আল্লাহ্‌ তা’আলা আপনার উপর এমন কিতাব নাযিল করেছেন, যার কিছু আয়াত ‘মুহকাম’ বা স্পষ্ট, যা কিতাবের মূল এবং কিছু আয়াত ‘মুতাশাবিহ’ বা দ্ব্যর্থবোধক …… আর জ্ঞানী ব্যক্তিরাই নসীহত কবূল করে থাকে। রাবী আইশা (রাঃ) বলেনঃ এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যখন তোমরা লোকদের ‘মুতাশাবিহ’, আয়াতের অনুসরণ করতে দেখবে ; তখন জানবে যে, এরা তারা  যাদের নাম আল্লাহ্‌ বর্ণনা করেছেন। কাজেই তোমরা এদের থেকে দূরে থাকবে।

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

হাদিস নং ৪৫২৯: ইবন সারহ (রহঃ) …….. আবদুল্লাহ্‌ ইবন কাআব ইবন মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি কাআব (রাঃ)-কে চলাফেরা করাতেন, যখন তিনি অন্ধ হয়ে যান। তিনি বলেনঃ আমি কাআব ইবন মালিক (রাঃ) কে বলতে শুনেছি, রাবী ইবন সারহ (রাঃ) ও তাবূকের যুদ্ধের সময় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে কাআবের পেছনে থেকে যাওয়ার ঘটনা বর্ণনা করেছেন, তিনি (কাআব) বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের তিন জনের সাথে সমস্ত মুসলমানদের কথা বলতে মানা করে দেন। এভাবে অনেক দিন অতিবাহিত হওয়ার পর, আমি আমার চাচাতো ভাই ইবন কাতাদা (রহঃ)-এর বাগানের প্রাচীর টপকিয়ে প্রবেশ করে, তাকে সালাম দেই। কিন্তু আল্লাহ্‌র শপথ! তিনি আমার সালামের জবাব দেননি। এরপর তিনি তার তাওবা কবূল হওয়ার ঘটনা বর্ণনা করেন।

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

হাদিস নং ৪৫৩২: আহমদ ইবন হাম্বল (রহঃ) …….. আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম  বলেছেনঃ কুরআনের মধ্যে নিজের মত ব্যক্ত করে ঝগড়ার সৃষ্টি করা কুফর।

হাদিসের মানঃ  হাসান (Hasan)

হাদিস নং ৪৫৩৩: আবদুল ওয়াহাব (রহঃ) ……….. মিকদাম ইবন মা’দীকরাব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জেনে রাখ! আমাকে কুরয়ান প্রদান করা হয়েছে এবং এর সাথে অনুরূপ (হাদীছ) দেয়া হয়েছ। অদূর ভবিষ্যতে একজন অভাবহীন তৃপ্ত ব্যক্তি তার খাটের উপর অবস্থান করে বলবেঃ তোমরা এ কুরআনকে গ্রহণ কর এবং এতে যা হালাল বলা হয়েছে, তা হালাল হিসাবে গ্রহণ কর; আর যা হারাম বলা হয়েছে তা হারাম হিসাবে গ্রহণ কর। জেনে রাখ! গৃহ-পালিত গাধার গোশত তোমাদের জন্য হালাল নয়, কোন হিংস্র জন্তুর গোশত ও হালাল নয়, কোন যিম্মীর পরিত্যক্ত মাল হালাল নয়, তবে যদি তার মালিক তা থেকে বে-পরওয়া হয়, সে আলাদা ব্যাপার। আর যদি কেউ মেহমান হিসারে কোন কাওমের কাছে যায়, তবে তাদের উচিত তার মেহমানদারী করা। তারা যদি সে ব্যক্তি মেহমানদারী না করে, তবে তাদের নিকট থেকে মেহমানের হক গ্রহণ করার অধিকার তার থাকবে।

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

গ্রন্থঃ সূনান আবু দাউদ

অধ্যায়ঃ সুন্নাহ

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন

প্রতিদিনের হাদিসঃ খুতবা

হাদিস নং ১৪০০: আহমদ ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু হাকাম (রহঃ) … কা’ব ইবনু উজরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, তিনি একদা মসজিদে প্রবেশ করলেন, তখন আব্দুর রহমান ইবনু উম্মি হাকাম (রাঃ) বসে খুতবা দিচ্ছিলেন। তিনি (উপস্থিত মূসল্লিদের লক্ষ্য করে) বললেন, আপনারা এর দিকে তাকান, ইনি বসে খুতবা দিচ্ছেন। অখচ আল্লাহ তা’আলা বলেছেন, وَإِذَا رَأَوْا تِجَارَةً أَوْ لَهْوًا انْفَضُّوا إِلَيْهَا وَتَرَكُوكَ قَائِمًا অর্থঃ যখন তারা দেখল ব্যবসা ও কৌতুক, তখন তারা আপনাকে দাড় করিয়ে ছুটে তার দিকে গেল। (৬২: ১১)।

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

হাদিস নং ১৪০১: মাহমুদ ইবনু খালিদ (রহঃ) … আওস ইবনু আওস সাকাফী (রাঃ) সুত্রে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে ব্যক্তি শরীর ও মাথা ধৌত করত উত্তম রূপে গোসল করে ও জুমু’আর সময়ের প্রথম সময়েই মসজিদে গিয়ে খুতবা প্রথম থেকে শুনতে পায় আর নিরব হয়ে ইমামের নিকটে বসে এবং কোন অনর্থক কাজ না করে, তার জন্য প্রত্যেক পদক্ষেপে এক বছর আমল করার, এক বছর সালাত আদায় করার এবং সিয়াম পালন করার ন্যায় সওয়াব হরে।

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

হাদিস নং ১৪০২: ওয়াহব ইবনু বায়ান (রহঃ) … আব্দুল্লাহ ইবনু বুসর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি শুক্রবারে তার পাশে বসা ছিলাম, তারপর তিনি বলেন, এক ব্যক্তি মানুষের ঘাড় ডিঙিয়ে আসছিল, তখন রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁকে বললেন, বসে পড়, তুমি মানুষকে কষ্ট দিচ্ছ।

[সহীহ। তা’লীকুর রাগীব হাঃ ১/২৫৬, সহীহ আবু দাউদ হাঃ ১০২৪]

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

হাদিস নং ১৪০৩: ইবরাহীম ইবনু হাসান ও ইউসুফ ইবনু সায়ীদ (রহঃ) … জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। এক ব্যক্তি আসল, তখন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শুক্রবারে মিম্বরের উপর ছিলেন, তিনি তাঁকে বললেন, তুমি কি দু’রাক’আত সালাত আদায় করেছ? সে বলল না, তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি সালাত আদায় করে নাও।

[সহীহ। ইবন মাজাহ হাঃ ১১১২]

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

হাদিস নং ১৪০৪: কুতায়বা (রহঃ) … আবূ হুরায়রা (রাঃ) সুত্রে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে ব্যক্তি জুমু’আর দিন ইমামের খুতবা দেওয়ার সময় তার সাথীকে বলল ‘চুপ থাক’ সে একটি অনর্থক কাজ করল

[সহীহ। ইবন মাজাহ হাঃ ১১১০, বুখারী হাঃ ৯৩৪, মুসলিম (ইসলামিক সেন্টার) হাঃ ১৮৪৫]

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ

অধ্যায়ঃ জুমু’আ

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন

জয়পাড়া বাজার ব্যবসায়ীদের সাথে শামীমা রাহিমের সৌজন্য সাক্ষাৎ

 

আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সরগরম দোহারের প্রানকেন্দ্র জয়পাড়া বাজার। এরই পরিপ্রেক্ষিতে জমে উঠেছে জয়পাড়া বাজারের বিভিন্ন দোকানের কেনাবেচা। এই সরগরম কেনাবেচার মৌসুমে জয়পাড়া বাজারের ব্যবসায়ীদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন দোহার উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামীমা রাহিম শীলা।

দোহারের প্রানকেন্দ্র জয়পাড়া বাজারের ব্যবসায়ীদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাতের সময় তিনি জয়পাড়া বাজার ব্যবসায়ীদের খোঁজখবর নেন। কোথাও কোন অসুবিধা, সমস্যা হচ্ছে কিনা সেই ব্যাপারেও খোজ খবর নেন দোহার উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামীমা রাহীম শীলা।  এই সময় তিনি বাজারের বিভিন্ন দোকান ঘুরে দেখেন। তিনি ব্যবিসায়ীদের আসস্থ করে বলেন, কোন ধরনের চাঁদাবাজি, হয়রানী ছাড় দেয়া হবে না। প্রশাসন ব্যবসায়ীদের পক্ষে আছে।

শামীমা রাহিম শীলা

এই সময় দোহার উপজেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠন ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মিরা তার সাথে উপস্থিত ছিল।

দুদকের গণশুনানিঃ তোপের মুখে দোহারসহ ঢাকার সব সাব-রেজিস্ট্রাররা

নিজস্ব প্রতিবেদক : অফিসে ঘুষ লেনদেনে দালালের দৌরাত্ম্য, জমির শ্রেণি পরিবর্তনের নামে রাজস্ব ফাঁকি ও রেজিস্ট্রেশনের নামে অবৈধভাবে বিভিন্ন ফি আদায়সহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে অনেকটা তোপের মুখে রাজধানীর কয়েকটি সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের কর্তাব্যক্তিরা।

বুধবার সকালে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে সাব-রেজিস্ট্রি অফিস বিষয়ে ফলোআপ গণশুনানিতে বিভিন্ন অঞ্চলের সেবাগ্রহিতাদের অভিযোগের এমন অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়।

ঘুষ গ্রহণসহ অবৈধ সম্পদের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কিছু অভিযোগের ভিত্তিতে ঢাকা সদরের সাব-রেজিস্ট্রার কুদ্দুস হাওলাদের বিরুদ্ধে এবং জমির শ্রেণি পরিবর্তনের নামে সরকারের বিপুল রাজস্ব ফাঁকির বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) ড. নাসিরউদ্দিন অনুসন্ধানের ঘোষণা দেন।

আজ কোতোয়ালি, গুলশান ও তেজগাঁওসহ কয়েকটি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের বিষয়ে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

গণশুনানিতে দোহারের আবুল কাসেমের অভিযোগ, দলিল করতে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে সেরেস্তা ফি নামে টাকা নেওয়া হচ্ছে। দলিল লেখকরা একটি দলিলের জন্য কত টাকা নিতে পারেন সে বিষয়ে প্রশ্ন রাখেন তিনি।

এ বিষয়ে গুলশানের সাব-রেজিস্ট্রার বলেন, সেরেস্তা ফি নামে কোনো ফি নেই, এখন পে-অর্ডারের বাইরে কোনো টাকা নেওয়া হয় না।

এ বিষয়ে ঢাকা জেলা রেজিস্ট্রার বলেন, ২০১৪ সালে দলিল লেখকদের ফি সংক্রান্ত নীতিমালা হয়েছিল, কিন্তু এ নিয়ে জটিলতার কারণে সেখানে হয়রানির হচ্ছে। এ বিষয়টি মাননীয় আইজিআরকে দ্রুত নিষ্পত্তি করতে আমরা অনুরোধ জানাব।

সাভারের কামরুজ্জামান অভিযোগ করেন, সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে স্টাফ না এমন অনেকে থাকেন, তারাই ঘুষের টাকা হ্যান্ডেলিং করেন। নিয়ম না থাকলেও সেরেস্তা ফি বাবদ ৭০০ টাকা নেওয়া হয়। বিশেষ কৌশলে সরকারের কোটি কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া হচ্ছে।

এ বিষয়ে নাসিম আনোয়ার বলেন, রাজস্ব ফাঁকি হচ্ছে কিনা সেই বিষয়ে আমরা অনুসন্ধান করব। এছাড়া সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে স্টাফ না এমন যারা আছেন সেই বিষয়টি ঢাকা জেলা সাব-রেজিস্ট্রার দেখবেন। তবে যারা ঘুষের টাকা হ্যান্ডেলিং করেন তাদেরকে দুদক বিশেষ কৌশলে আইনের আওতায় আনবে বলে তিনি জানান।

আশুলিয়া থেকে আসা রহিম উদ্দিন বলেন, স্থানীয় সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দালালে ভরা। সারাদেশেই একই অবস্থা বিদ্যমান।

এ বিষয়ে নাসিম আনোয়ার বলেন, বিষয়গুলো আমরা অনুসন্ধান করার চেষ্টা করছি। কেউ যদি ঘুষ চায় আপনারা দেবেন না। আপনারা ১০৬ নাম্বারে ফোন করে দুদকে অভিযোগ জানাবেন। ঘুষ দেবেন না, এমন সংস্কৃতি চালু করেন।

কেরানীগঞ্জের বেগম বেদৌরা আলী বলেন, জমি রেজিস্ট্রারের সময় শ্রেণি পরিবর্তন করা হয়। সেটা অহরহ হচ্ছে, এর কারণে সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে। রেজিস্ট্রেশনের জন্য অন্যায়ভাবে হাজার হাজার টাকা নেওয়া হয়ে থাকে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

এ নিয়ে নাসিম আনোয়ার বলেন, শ্রেণি পরিবর্তন করে দলিল করার অভিযোগে গাজীপুরের এক সাব-রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে দুদক মামলা করেছে। এ ধরনের আরও ঘটনা থাকলে দুদকে অভিযোগ জানাতে তিনি অনুরোধ করেন।

তিনি বলেন, ‘সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে পাসপোর্ট অফিসের মতো দালাল চক্র আছে। কমিশন তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে।

লালবাগের বাসিন্দা গাজী শহিদুল্লাহ অফিযোগ করে বলেন, আমি ২০১০ সালের একটি দলিলের কপি তুলতে তেজগাঁওয়ের সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে যাই। দলিলের রশিদের ফটোকপি ও থানার জিডি নিয়ে দলিল উদ্ধারে ঢাকা সদর সাব-রেজিস্ট্রার অফিস গেলে সেখান থেকে জনৈক রাসেল (দালাল) ১৩ হাজার টাকা ঘুষ হিসেবে দাবি করেন। বিষয়টি নিয়ে সাব-রেজিস্ট্রার কুদ্দুস হাওলাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি রাসেলের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন। টাকা না দেওয়ায় ওই দলিল তুলতে পারিনি। তাছাড়া দলিল তুলতে কেন আমি এত টাকা দেব?

তিনি বলেন, তেজগাঁও সাব-রেজিস্ট্রার অফিস দালাল চক্রের আস্তানা। ওই অফিসের রাসেল ছাড়া মামুন নামের আরো একজন রয়েছে যারা মূলত সাব-রেজিস্ট্রারের ঘুষের টাকা সংগ্রহ করে থাকেন।

এ বিষয়ে সঞ্চালক ও দুদক পরিচালক নাসিম আনোয়ার সাব-রেজিস্ট্রার কুদ্দুসের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, রাসেল তার অফিস স্টাফ নয়। তবে কেন একজন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তার রুমে থাকে, এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি কোনো উত্তর দিতে পারেননি।

এ সময় উপস্থিত সবাই সাব-রেজিস্ট্রার কুদ্দুস হাওলাদারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির তদন্ত করার দাবি করা হলে দুদক পরিচালক নাসিম আনোয়ার বলেন, আমরা তথ্য সংগ্রহ করে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেব। এ বিষয়ে আমি কমিশনার নাসিরউদ্দিনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। পরবর্তীতে কমিশনার নাসিরউদ্দিন অনুসন্ধানের ঘোষণা দেন।

গণশুনানিতে ঢাকা জেলা রেজিস্ট্রার দীপক কুমার সরকার বলেন, এসব বিষয়ে আমরা বিভাগীয় তদন্ত করব। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণ পাওয়া গেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শাহজাহানপুর থেকে আসা মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী পারভিন রশিদ অভিযোগ করেন, শাহজাহানপুরের শহীদবাগে তার শ্বশুরের মালিকানাধীন একটি জমি বিক্রি না হলেও অন্য একটি জমি তাদের চৌহদ্দি দেখিয়ে বিক্রি হয়েছে। যে কারণে তারা জমিটি হারিয়েছেন। এতে দলিলের সময় সাব-রেজিস্ট্রার এই কাজটি করতে সহায়তা করেছেন বলে তিনি অভিযোগ করেন।

এ বিষয়ে গুলশান সাব-রেজিস্ট্রার আসাদুল ইসলাম বলেন, এটা রেজিস্ট্রি সংক্রান্ত বিষয় না। চৌহদ্দির বিষয়ে সাব-রেজিস্ট্রারের হাত দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

ঢাকা জেলা সাব-রেজিস্ট্রার বলেন, যেহেতু জমিটি দখল হয়ে গেছে, এক্ষেত্রে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে এ সমস্যা সমাধান সম্ভব। এছাড়া উচ্ছেদের জন্য তিনি মামলাও করতে পারেন। বিষয়টি জেলা প্রশাসনকে দেখার জন্য দুদকের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হবে বলে কমিশনার নাসিরউদ্দিন জানিয়েছেন।

গণশুনানিতে দুদক কমিশনার ড. নাসিরউদ্দিন বলেন, সরকার বা সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে প্যানিক সৃষ্টি করার কাজ আমাদের নয়। অন্যায় করে কেউ পার পাবে না। জমির শ্রেণি পরিবর্তন করে সরকারকে রাজস্ব বঞ্চিত করার অভিযোগ বিষয়ে সাভার সাব-রেজিস্ট্রার অফিসকে ‘কেস স্টাডি’ হিসেবে নেওয়া হলো বলে জানান তিনি। গত এক বছর এই অফিসে যত দলিল হয়েছে, তা পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে সরকারের কত টাকা রাজস্ব ফাকিঁ দেওয়া হয়েছে, তা খুজেঁ বের করবে দুদক। একই সঙ্গে ঢাকা মহানগর ও পাশের সাব-রেজিস্ট্রার অফিসগুলোকে কঠোর নজরদারির মধ্যে আনা হবে এবং এসব অফিস দালালমুক্ত করতে বারবার ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার জন্য ঢাকা জেলা রেজিস্ট্রার দীপক কুমার সরকারকে নির্দেশ দেন দুদকের এ কমিশনার ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান।

জাতীয় “শিক্ষা প্রশিক্ষণ ব্যাবস্থাপনা প্রশিক্ষণে” শ্রেষ্ঠ পদ্মা কলেজের অধ্যক্ষ

রাহুল চক্রবর্তী/গাজী নাদিমঃজাতীয় শিক্ষা ব্যাবস্থাপনা একাডেমী নায়েক কর্তৃক আয়োজিত ২১ দিন ব্যাপী  “শিক্ষা প্রসাশন ব্যাবস্থাপনায়” একমাত্র অধ্যক্ষ হিসাবে এ+ পেয়ে শ্রেষ্ঠ হয়েছেন পদ্মা কলেজের অধ্যক্ষ জালাল হোসাইন। সারাদেশ থেকে বাছাইকৃত ৩১ জন প্রিন্সিপালের মাঝে তিনি এই শ্রেষ্টত্ব অর্জন করেন। এছাড়া কলেজের ক্ষেত্রে সহ-শিক্ষা কার্যক্রমের উপর প্রতিবেদনে তিনি দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে।

তার এই সাফল্যে পদ্মা কলেজ পরিবার তাকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে।

এ ব্যাপারে পদ্মা কলেজের অধ্যক্ষ(ভারপ্রাপ্ত) জালাল হোসাইন বলেন, অভিজ্ঞতা, প্রজ্ঞা, পদ্মা কলেজের পরিবারের আস্থা ও সহযোগীতা আমাকে এই সাফল্য অর্জনে অনুপ্রাণিত করেছে।

তিনি সকলকে ধন্যবাদ জানান ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি মহান স্রষ্ঠা আল্লাহ সুবহানুতায়ালার নিকট শুকরিয়া জ্ঞাপন করেন।

কর্মশালায় নায়েমের ডিজি প্রফেসর ড. সৈয়দ মো: গোলাম ফারুক ও প্রশিক্ষণ বিশেষজ্ঞ ড. তাহমিনা বেগম উপস্থিত ছিলেন।

নবাবগঞ্জ ,দোহার, শ্রীনগরে চলছে প্রাকৃতিক সম্পদ অনুসন্ধান জরিপ

রাহুল চক্রবর্তী, নিউজ৩৯, শ্রীনগর : ২০১৩-১৪ অর্থবছরে বহিরঙ্গন কর্মসূচীর আওতায় প্রস্তাবিত পদ্মা সেতুর সংযোগ সড়ক ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার ভূতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য নিরুপনের জন্য মাদারীপুর, শরীয়তপুর, ফরিদপুর জেলাসমূহের শিবচর, জাজিরা, ভাঙ্গা এবং ফরিদপুর সদর, ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ ও দোহার, মুন্সিগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান, লৌহজং এবং শ্রীনগর উপজেলার ভূতাত্ত্বিক ও ভূপ্রাকৃতিক মানচিত্রায়ন এবং পদ্মা ও মেঘনা নদীর গতিপথ সংক্রান্ত জরিপকাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। এখন চলছে খনিজ গ্যাস ও প্রাকৃতিক সম্পদ প্রাপ্তির অনুসন্ধান ও প্রাপ্ত তথ্যের যাচাই-বাছাই। ইতোমধ্যে জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রাণালয়ের অধীনে শ্রীনগরের লৌহজং তথা পদ্মা তীরবর্তী অঞ্চলে চলছে অনুসন্ধান। একটি জাপানি প্রতিনিধি দল সেখানে ভূতাত্বিক জরিপ ও প্রাকৃতিক সম্পদ অনুসন্ধানের কাজ করছে। এছাড়া পদ্মা তীরবর্তী অঞ্চলের বাঘরা, শ্রীনগর, লৌহজং, ভাগ্যকূল ও মাওয়ার বিভিন্ন পয়েণ্টে মাঝে মাঝে পুকুরের মাঝে বা গভীর নলকূপের আশে পাশে বুদ বুদ আকারে পকেট গ্যাস উঠতে দেখা যাচ্ছে; যা একই সাথে জনমনে ভয় ও আশার সঞ্চার করেছে।

দোহারের গাজী রাকায়েতসহ পাঁচ জন নির্মাতা পাচ্ছেন চলচ্চিত্র অনুদান

২০১৭-১৮ অর্থ বছরে চলচ্চিত্রের জন্য সরকারি অনুদান ঘোষণা করা হয়েছে।
বুধবার (৬ জুন) তথ্য মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে জানানো হয়, চলচ্চিত্র বিভাগে ৫ জনকে এবার চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য অনুদান দেওয়া হচ্ছে। এরমধ্যে ২০১৩ সালের ১৭টি শাখায় জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাওয়া ‌‘মৃত্তিকা মায়া’র পরিচালক গাজী রাকায়েতের নাম রয়েছে। গাজী রাকায়েত পদ্মা কলেজের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও তার বাড়ী দোহারের শাইন পুকুরে। সারাদেশের ন্যায় দোহারেও তার রয়েছে চারুনীড়ম সংঘ। নিউজ৩৯ এর সম্পাদক তারেক রাজীব, দোহারের চারুনীড়মের সাধারণ সম্পাদক।
অনুদান প্রাপ্তরা হচ্ছেন মানিক মানবিক (আজব ছেলে), আবিদ হোসেন খান (অবলম্বন), গাজী রাকায়েত (গোর), সাইদুল আনাম টুটুল (কালবেলা) ও হাবিবুর রহমানের (অলাতচক্র)।
এরমধ্যে অনুদান হিসেবে প্রামাণ্যচিত্র ‘অবলম্বন’ পাবে ৪০ লাখ আর বাকি ৪টি পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা পাবে ৬০ লাখ টাকা করে।

নাজমুল হুদার তৃণমূল বিএনপি প্রাথমিক বাছাইয়ে নিবন্ধনের অযোগ্য – ইসি

নিবন্ধনের জন্য আবেদিত ৭৬টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে কেবল বাংলাদেশ কংগ্রেস ও গণ-আজাদী লীগ প্রাথমিকভাবে যোগ্য হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। এছাড়া বাকি ৭৪টিই অযোগ্য হিসেবে চিহ্নিত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। জানা গেছে, কমিশন অযোগ্যঘোষিত রাজনৈতিক দলগুলোই প্রতি বছর আবেদন করে। নিবন্ধনের শর্ত পূরণে বারবার ব্যর্থ হয়েও নামসর্বস্ব রাজনৈতিক দলগুলো আবেদন করার পর প্রাথমিক বাছাইয়ে বাদ পড়ে যায়। যে কারণে প্রত্যেকবারই উল্লেখযোগ্য সংখ্যক রাজনৈতিক দল আবেদন করলেও হাতে গোনা দুই-একটি নিবন্ধন পায়।

ইসির প্রাথমিক বাছাইয়ে মাহমুদুর রহমান মান্নার নাগরিক ঐক্য, ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার তৃণমূল বিএনপি, জোনায়েদ সাকির জগণসংহতি আন্দোলন ও ববি হাজ্জাজের দল জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম)সহ আলোচিত দলগুলোর কোনোটিই নিবন্ধনে যোগ্য বলে বিবেচিত হয়নি।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, কেএম নূরুল হুদার নেতৃত্বাধীন বর্তমান ইসি গত অক্টোবরে নতুন দলের নিবন্ধনে আবেদন চেয়ে গণবিজ্ঞপ্তি দেয়। এতে সাড়া দিয়ে নিবন্ধন পেতে ৭৬টি দল আবেদন করে। এর মধ্যে প্রাথমিক তথ্য যাচাইকালে প্রথম দফায় ১৯টি দলকে বাতিল করে বাকি দলগুলোর কাছে আরো তথ্য চেয়ে চিঠি দেয় ইসি। এতে সাড়া না দিলে দ্বিতীয় দফায় আরও ৮টি দলের আবেদন নাকচ করে। পরে ৪৯টি দলের তথ্য যাচাই করে তার মধ্যে মাত্র দু’টি দলকে প্রাথমিকভাবে যোগ্য মনে করছে কমিশন। জানা গেছে, মাঠপর্যায়ে তদন্ত করে দল দু’টির প্রদত্ত তথ্যের সঙ্গে বাস্তবতার মিল পেলেই কেবল দল দু’টিতে নিবন্ধন দেওয়া হবে।

ইসি কর্মকর্তারা জানান, নিবন্ধন বাছাই কমিটি নিবন্ধন অযোগ্য দলগুলোকে পাঠানো হবে। সেখানে কী কারণে বিবেচনায় নেওয়া হয়নি সেটা উল্লেখ করা হবে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাছাই কমিটির প্রধান নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোখলেসুর রহমান বলেন, ‘আমরা যাচাই-বাছাই করে কমিশনে রিপোর্ট জমা দিয়েছি। আমরা দু’টি দলের মাঠপর্যায়ে খোঁজ নেওয়া যেতে পারে বলে সুপারিশ করেছি। এখন কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে।’

প্রাথমিক বাছাইয়ে বেশিরভাগ দলই বাদ পড়েছে উল্লেখ করে নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার বলেন, ‘যা প্রয়োজন, তা দলগুলো পূরণ করতে পারেনি। এখন সবকিছু চূড়ান্ত হয়নি। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তালিকা চূড়ান্ত করবো।’

এর আগে নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘নতুন দলের নিবন্ধনের জন্য যেসব শর্ত দেওয়া হয়েছিল, এখন তো দেখি নিবন্ধনযোগ্য দল পাওয়া মুশকিল হয়ে পড়েছে। হয় একজন নেতা আছেন, কোনও অফিস নেই, গঠনতন্ত্র ঠিক নেই।’

নিবন্ধনের শর্ত: নিবন্ধন পেতে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ও রাজনৈতিক দল নিবন্ধন বিধিমালা-২০০৮-এর এই সংক্রান্ত শর্ত পূরণ করতে হবে। শর্তগুলো হলো—দেশ স্বাধীন হওয়ার পর যেকোনও জাতীয় নির্বাচনের আগ্রহী দলটিতে যদি অন্তত একজন সংসদ সদস্য থাকেন। যেকোনও একটি নির্বাচনে দলের প্রার্থী অংশ নেওয়া আসনগুলোয় মোট প্রদত্ত ভোটের ৫ শতাংশ পায়। আরেকটি শর্ত হলো—দলটির যদি একটি সক্রিয় কেন্দ্রীয় কার্যালয়, দেশের কমপক্ষে এক-তৃতীয়াংশ (২১টি) প্রশাসনিক জেলায় কার্যকর কমিটি এবং অন্তত ১০০টি উপজেলা/মেট্রোপলিটন থানায় কমপক্ষে ২০০ ভোটারের সমর্থন সংবলিত দলিল থাকে, তাহলে নিবন্ধনের জন্য আবেদন করতে পারবে।

৩০০ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীতার সম্ভাব্যতাঃ ঢাকা – ১ আব্দুল মান্নান খান

নিউজ৩৯: সাধারণ নির্বাচন সামনে রেখে ২০১৭ সালের সারাদেশব্যাপী গোয়েন্দা প্রতিবেদন, একটি বেসরকারী টেলিভিশন জরিপ ও একটি এনজিও মাঠ পর্যায়ের তথ্যের উপর ভিত্তিতে আপাতত একটি খসড়া  জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনেই প্রার্থী রাখছে আওয়ামী লীগ। তবে গোয়েন্দা প্রতিবেদনে মূলত সাংগাঠনিক নেতা কর্মিদের সাক্ষাৎ ও মতামত নেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।গোয়েন্দা সূত্রের ভিত্তিতে এই ৩০০ আসনকে প্রাথমিক বিবেচনায় রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে সেটা আরো কয়েকটি জরিপো মাঠ পর্যায়ের প্রতিবেদনের পরই চূড়ান্ত হবে বলে, জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট নেতৃত্বস্থানীয় সূত্র এই পূর্বাভাস দিয়ে জানিয়েছে, নির্বাচন নিয়ে বিএনপি’র ভবিষ্যৎ নীতিনির্ধারণী কুট-কৌশলের ওপরই নির্ভর করছে আওয়ামী লীগের প্রার্থিতার বিষয়টি। এ জন্য বিএনপি’র প্রতি ক্ষমতাসীন দলটির সর্তক পর্যবেক্ষণও রয়েছে।

বিএনপি এককভাবে নির্বাচন করলে আওয়ামী লীগও এককভাবে নির্বাচনী লড়াইয়ে দেখা যেতে পারে। এ চিন্তাভাবনা থেকেই হাইকমান্ড ৩০০টি সংসদীয় আসনেই প্রার্থিতা চূড়ান্ত করে রাখছে। অপরদিকে, বিএনপি জামায়াতকে নিয়ে জোটগতভাবে লড়াইলে নামলে আওয়ামী লীগও বর্তমান শরীকদের নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। সেক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সংখ্যক আসনে দলীয় প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেবে। সম্ভাব্য ওই আসনগুলোতে মাঠে নামার নির্দেশ দেয়া হবে। যদিও মনোনীত এসব প্রার্থীদের সময়মতো জোটের প্রশ্নে ছাড় দেয়ার মানসিকতায় নিজেদের তৈরি রাখার ইঙ্গিত থাকছে। ফলত, এ প্রার্থী তালিকার ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে গোটা নির্বাচনী লড়াইয়ের হিসাব-নিকাশের ওপর।

 বিএনপি-জামায়াত নির্বাচন বর্জন করলে আওয়ামী লীগ বর্তমান শরীক দলগুলোকে নিজ নিজ দলীয় প্রতীকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার পরামর্শ দেবে। শরীক দল জাতীয় পার্টির ন্যায় অপর ১৪টি দলের সঙ্গে আসনভিত্তিক আঁতাত গড়ে তুলবে। সেক্ষেত্রে তাদের বর্তমান আসনগুলোকে প্রাধান্য দেয়া হবে। সূত্র মতে, বিএনপি-জামায়াত জোট নির্বাচন বর্জন করলে আসম আব্দুর রবের জাসদ, মোজাহিদুল ইসলাম সেলিমের সিপিবি ও বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকীর কৃষকশ্রমিক জনতা লীগসহ অন্যান্য ছোট দলগুলোকেও নির্বাচনে নিয়ে আসার চেষ্টা করবে আওয়ামী লীগ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের দু’জন প্রভাবশালী সদস্য বলেছেন, বিএনপি নির্বাচন বর্জন করে ভুল করবে বলে মনে হয় না, কিন্তু বর্জন করে বসলেও নির্বাচন হবে। বিগত নির্বাচনে ১৫৩টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতার যে অজুহাত তার পুনরাবৃত্তি হতে দেয়া হবে না। জাতীয় পার্টিসহ শরীকরা স্ব স্ব প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ থাকবে না। নির্ধারিত সময়েই নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা জানান এই দু’নেতা। এছাড়াও আওয়ামী লীগ মনে করছে, যুদ্ধাপরাধীদের চলমান বিচারকার্যের দিকটি গুরুত্ব দিয়ে এককভাবেই নির্বাচন করতে পারে বিএনপি। ‘৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের ন্যায় নির্দিষ্টসংখ্যক আসনে জামায়াতের সঙ্গে পরোক্ষভাবে আঁতাত করতে পারে দলটি।

গোয়েন্দা সূত্রগুলো সরকারকে বিএনপির নির্বাচনমুখী সকল তৎপরতার ওপর নজর রাখতে বলা হয়ে সরকারের হাইকমান্ড থেকে। এদিকে সরকারের হাইকমান্ড গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর পৃথক রিপোর্ট বিচার-বিশ্লষণপূর্বক ৩০০ আসনে একটি প্রার্থী তালিকা তৈরি করে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র। সূত্র মতে, নির্বাচনকে সামনে রেখে হাইকমান্ড প্রার্থি তালিকা তৈরির ক্ষেত্রে শরীক দলগুলোর বর্তমান আসনগুলোর প্রতি দৃষ্টি রেখেছেন। স্বল্পসংখ্যক আসন প্রার্থী নির্বাচন বাদ রাখা হয়েছে শরীক দলগুলোর কয়েকজন সংসদ সদস্যের কথা মাথায় রেখে। নির্বাচনের প্রাক্কালে তারা মনোনয়নের বিনিময়ে আওয়ামী লীগে যোগদান করবেন বলে জানা যায়। হাইকমান্ড কর্তৃক তৈরিকৃত মনোনয়ন তালিকাটি এই মুহূর্তে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ না করলেও শিগগিরই মনোনীত প্রার্থীদের মৌখিকভাবে মাঠে নামার নির্দেশ দেয়া হবে হাইকমান্ড থেকে। প্রার্থী তালিকাটি যথাসময়ে দলের সংসদীয় বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত হয়ে আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবে বলেও জানা গেছে। অনিবার্য কারণ ব্যতীত তালিকায় খুব একটা যোগ-বিয়োগের সম্ভাবনা নেই বলে দাবি করেছে এ সূত্রটি। সূত্র মতে,”অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা” নেয়ার নীতিগ্রহণ করে আওয়ামী লীগ তার গতি প্রকৃতি নির্ধারণ করছে। আওয়ামী লীগের প্রার্থী তালিকায় অন্তর্ভুক্ত নাম ও আসন নিম্নে দেয়া হলো। ঢাকা-১ আব্দুল মান্নান খান,( সালমান এফ রহমান), ঢাকা-২ শাহীন আহমেদ (কামরুল ইসলাম), ঢাকা-৩ নসরুল হামিদ বীপু, ঢাকা-৪ ডঃ আওলাদ হোসেন ঢাকা-৫ মশিউর রহমান সজল, ঢাকা-৬ শাহে আলম মুরাদ, ঢাকা-৭ ডাঃ মোস্তফা জালাল মহিউদ্দীন, ঢাকা-৮ ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট, ঢাকা-৯ মোজাফফর হোসেন পল্টু, ঢাকা-১০ শেখ ফজলে নূর তাপস, ঢাকা-১১ একেএম রহমতউল্লাহ, ঢাকা-১২ আসাদুজ্জামান খান কামাল, ঢাকা-১৩ জাহাঙ্গীর কবির নানক, ঢাকা-১৪ সাবিনা আকতার তুহিন, ঢাকা-১৫ গাজী মেজবাউল হোসেন সাচ্চু, ঢাকা-১৬ এম এ মান্নান কচি, ঢাকা-১৭ মুহম্মদ ফারুক খান, ঢাকা-১৮ অ্যাডঃ সাহারা খাতুন, ঢাকা-১৯ তৌহিদ জং মুরাদ, ঢাকা-২০ বেনজীর আহমেদ। নারায়ণগঞ্জ-১ গোলাম দস্তগীর গাজী,নারায়ণগঞ্জ-২ নজরুল ইসলাম বাবু, নারায়ণগঞ্জ-৩ কায়সার হাসনাত, নারায়ণগঞ্জ-৪ একেএম শামীম ওসমান, নারায়ণগঞ্জ-৫ এস এম আকরাম। গাজীপুর-১ আকম মোজাম্মেল হক,গাজীপুর-২ জাহিদ আহসান রাসেল,গাজীপুর-৩ জামিল হাসান দুর্জয়,গাজীপুর-৪ সিমিন হোসেন রিমি,গাজীপুর-৫ আখতারুজ্জামান। মুন্সিগঞ্জ-১ ডাঃ বদিউজ্জামান ডাব্লু মুন্সিগঞ্জ-২ অ্যাডঃ মাহবুবে আলম,মুন্সিগঞ্জ-৩ মৃণাল কান্তি দাস। কিশোরগঞ্জ-১ সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ-২ সোহরাব উদ্দিন, কিশোরগঞ্জ-৩ ডঃ মিজানুল হক, কিশোরগঞ্জ-৪ রেজওয়ান আহমেদ তৌফিক, কিশোরগঞ্জ-৫ আফজাল হোসেন, কিশোরগঞ্জ-৬ নাজমুল হাসান পাপন। নরসিংদী-১ নজরুল ইসলাম,নরসিংদী-২ কামরুল আশরাফ খান, নরসিংদী-৩ সিরাজুল ইসলাম মোল্লা, নরসিংদী-৪ নুরুল মজিদ হুমাউন, নরসিংদী-৫ রাজিউদ্দীন আহমেদ রাজুর পুত্র। গোপালগঞ্জ-১ শেখ রেহানা, গোপালগঞ্জ-২ শেখ ফজলুল করিম সেলিম, গোপালগঞ্জ-৩ শেখ হাসিনা। মাদারীপুর-১ নূরে আলম চৌধুরী লিটন, মাদারীপুর-২ শাহজাহান খান ও মাদারীপুর-৩ আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম। শরিয়তপুর-১ বি এম মোজাম্মেল হক,শরিয়তপুর-২ একেএম এনামুল হক শামীম, শরিয়তপুর-৩ নাহিম রাজ্জাক। ফরিদপুর-১ ডাঃ দিলীপ রায়, ফরিদপুর-২ আয়মন আকবর চৌধুরী, ফরিদপুর-৩ ইঞ্জিনয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ফরিদপুর-৪ মজিবর রহমান চৌধুরী। কুমিল্লা-১ সুবিদ আলী ভুঁইয়া, কুমিল্লা-২ সেলিমা আহমেদ, কুমিল্লা-৩ ইউসুফ আব্দুল্লাহ হারুন, কুমিল্লা-৪ রাজী মোহাম্মদ ফখরুল, কুমিল্লা-৫ আব্দুল মতিন খসরু, কুমিল্লা-৬ আফম বাহাউদ্দীন বাহার, কুমিল্লা-৭ ডাঃ প্রাণ গোপাল দত্ত, কুমিল্লা-৮ অধ্যাপক আলী আশরাফ, কুমিল্লা-৯ তাজুল ইসলাম, কুমিল্লা-১০ আহম মোস্তফা কামাল, কুমিল্লা-১১ মজিবুল হক মুজিব। চট্রগ্রাম-১ ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, চট্টগ্রাম-২ চট্টগ্রাম-৩ মাহফুজুর রহমান মিতা, চট্টগ্রাম-৪,চট্টগ্রাম-৫, চট্টগ্রাম-৬, চট্টগ্রাম-৭ ডঃ হাসান মাহমুদ, চট্টগ্রাম -৮, চট্টগ্রাম-৯ মহিবুল হাসান নওফেল, চট্টগ্রাম-১০ মঞ্জুরুল আলম, চট্টগ্রাম-১১ আব্দুল লতিফ, চট্টগ্রাম-১২ শামসুল হক চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১৩ সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, চট্টগ্রাম-১৪ নজরুল ইসলাম চৌধুরী। চাঁদপুর-১ গোলাম হোসেন, চাঁদপুর-২ মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া,চাঁদপুর-৩ সুজিৎ রায় নন্দী, চাঁদপুর-৪ শামসুল হক ভুঁইয়া ও চাঁদপুর-৫ রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম। বাকী অংশ পরের পাতায়ঃ বাকী অংশ বরিশাল-১ আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ, বরিশাল- ২ গোলাম ফারুক, বরিশাল-৩ তালুকদার মোহাম্মদ ইউনুস, বরিশাল-৪ পঙ্কজ দেবনাথ, বরিশাল-৫ জেবুন্নেছা হক, বরিশাল-৬ সৈয়দ মাসুদ রেজা। পটুয়াখালী-১ শাজাহান মিয়া, পটুয়াখালী-২ আসম ফিরোজ,পটুয়াখালী-৩ আখম জাহাঙ্গীর হোসাইন, পটুয়াখালী-৪ মাহবুবুর রহমান তালুকদার। বরগুণা-১ ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু, বরগুনা-২ শওকত হাছানুর রহমান। ঝালকাঠি-১ মনিরুজ্জামান মনির, ঝালকাঠি-২ আমির হোসেন আমু। ভোলা-১ তোফায়েল আহমেদ, ভোলা-২ আলী আজম মুকুল, ভোলা-৩ নুরুন্ববী চৌধুরী শাওন ও ভোলা-৪ আব্দুল্লাহ আল জ্যাকব। পিরোজপুর-১ অ্যাডঃ রেজাউল করিম, পিরোজপুর-২ শাহে আলম ও পিরোজপুর-৩ ইসহাক আলী খান পান্না। শেরপুর-১ আতিয়ার রহমান আতিক, শেরপুর-২ বেগম মতিয়া চৌধুরী, শেরপুর-৩ ফজলুল হক। ময়মনসিংহ-১ জুয়েল আরেং, ময়মনসিংহ-২, ময়মনসিংহ-৩, ময়মনসিংহ-৪ আব্দুস ছাত্তার, ময়মনসিংহ-৫, ময়মনসিংহ-৬ মোসলেম উদ্দীন, ময়মনসিংহ-৭ এম এ হান্নান, ময়মনসিংহ-৮, ময়মনসিংহ-৯ আনোয়ার আবেদীন তুহিন, ময়মনসিংহ-১০ ফাহমী গোলান্দাজ বাবেল। নেত্রকোনা-১ ছবি বিশ্বাস, নেত্রকোনা-২ মোশতাক রুহী, নেত্রকোনা-৩ ইত্তেকার তালুকদার, নেত্রকোনা-৪ রেবেকা মোমিন। যশোর-১ শেখ আফিল উদ্দীন, যশোর-২ মনিরুল ইসলাম, যশোর-৩ কাজী নাবিল আহমেদ, যশোর-৪, যশোর-৫ স্বপন ভট্টাচার্য, যশোর-৬। খুলনা-১ পঞ্চানন বিশ্বাস, খুলনা-২ মিজানুর রহমান, খুলনা-৩ মন্নুজান সুফিয়ান, খুলনা-৪ মোস্তফা রশিদী সূজা, খুলনা-৫ নারায়ণ চন্দ্র চন্দ। রাজবাড়ি-১ কাজী কেরামত আলী, রাজবাড়ী-২ জিল্লুল হাকিম। সাতক্ষীরা-১ সাতক্ষীরা-২ মীর মোশতাক আহমেদ রবি, সাতক্ষীরা-৩ অধ্যাপক ডাঃ তআফম রুহুল হক, সাতক্ষীরা-৪ এসএম জগলুল হায়দার। মাগুরা-১ মাগুরা-২ বীরেন শিকদার। নড়াইল-১ কবিরুল হক মুক্তি, নড়াইল-২ শেখ হাসিনা। বাগেরহাট-১ শেখ হেলাল উদ্দীন, বাগেরহাট-২ বাগেরহাট-৩ তালুকদার আব্দুল খালেক বাগেরহাট-৪ নোয়াখালী-১ এইচ এম ইব্রাহিম, নোয়াখালী-২ মোরশেদ আলম, নোয়াখালী-৩ মামুনুর রশীদ কিরণ, নোয়াখালী-একরামুল করিম চৌধুরী, নোয়াখালী-৫ ওবায়দুল কাদের, নোয়াখালী-৬ আয়েশা সিদ্দিকী। লক্ষ্মীপুর-১ আবদুল্লাহ, লক্ষ্মীপুর-২ মোহাম্মদ নোমান, লক্ষ্মীপুর-৩ শাহজাহান কামাল, লক্ষ্মীপুর-৪। ফেনী-১ আলাউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, ফেনী-২ নিজামউদ্দীন হাজারী, ফেনী-৩ সাইফুদ্দীন আহমেদ নাসির। বান্দরবান- বীর বাহাদুর ও রাঙামাটিঃ দীপঙ্কর তালুকদার। জয়পুরহাট-১ শামসুল আলম দুদু জয়পুরহাট-২ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন।

স্মার্টফোন আসক্তি কমানোর ৫ উপায়

দৈনন্দিন জীবনে কিছু অভ্যাসে পরিবর্তন এনে সহজেই স্মার্টফোন আসক্তি থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। চলুন এক নজরে দেখে নেওয়া যাক স্মার্টফোন আসক্তি থেকে মুক্তির ৫ উপায়।

১. অপ্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন বন্ধ রাখুন:  অপ্রয়োজনীয় সব নোটিফিকেশন বন্ধ রাখুন, বিশেষ প্রয়োজন থাকলে ব্যতিক্রমের তালিকা আপডেট করে কেবল তাদের নোটিফিকেশনই চালু রাখুন।  ফেসবুকের নোটিফিকেশন বন্ধ করতে চাইলে এর নিজস্ব সেটিংসে যেতে হবে।

২. নিয়মিত ডিটক্স করুন:  আপনি যখন বাথরুমে যাচ্ছেন বা খাবার খাচ্ছেন সে সময়ে স্মার্টফোনটি আপনার কাছ থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করুন। এমনকি প্রতি শনিবার এটি বন্ধ রাখার চেষ্টাও করতে পারেন। ফোনের সংস্পর্শে না থাকাটা আপনার মস্তিষ্ককে রিসেট করতে সাহায্য করবে।

৩. সময় নির্ধারণ করুন:  সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো আমাদের প্রতিদিনের অনেকটুকু সময় কেড়ে নেয়। এক্ষেত্রে ফেসবুক বা ই-মেইলে বা যেকোনও মাধ্যমের তাৎক্ষণিক বার্তা পড়ার জন্য দিনের একটি নির্দিষ্ট সময় বরাদ্দ রাখুন। ওই নির্ধারিত সময়ের বাইরে আপনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কোনও চেকইন এবং স্ক্রলিং করবেন না। পাশাপাশি আপনার ফোনের ফেসবুক অ্যাপটি মুছে ফেলার চেষ্টা করুন। শুধু একটি কম্পিউটার থেকে ফেসবুক ব্যবহার করুন।

৪. অটোপ্লে বন্ধ রাখুন:  ইউটিউব ও নেটফ্লিক্স-এর মতো যা যা আছে সেগুলো প্রায়ই একটি ভিডিও দেখার পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরবর্তী ভিডিওটি বা সমগোত্রের ভিডিও শো করে। এসব কাজে ব্যাঘাত ঘটায়। আপনার স্মার্টফোনে এসব সাইটের অটোপ্লে অপশন বন্ধ রাখুন।

৫. অ্যালার্ম ঘড়ি ব্যবহার করুন: হিউম্যান টেকনোলজি সেন্টার নামের একটি সংস্থার তথ্যানুযায়ী বিছানাতে কখনোই স্মার্টফোন রাখা উচিত নয়। স্মার্টফোন নিরবচ্ছিন্ন ঘুমে ব্যাঘাত ঘটায়। ফোন থেকে যে নীল আলো বের হয় তা আমাদের শরীরের মেলাটোনিন অবমুক্তির পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। আর এই মেলাটোনিন রাতে ঘুমাতে সাহায্য করে।  সুতরাং, রাতে ঘুমানোর সময় আপনার ফোনটি বিছানা থেকে একটু বেশিই দূরে রাখুন এবং অ্যালার্ম দেওয়ার প্রয়োজন হলে আলাদা অ্যালার্ম ঘড়ি ব্যবহার করুন।