নবাবগঞ্জের নয়নশ্রী ইউনিয়নে সরকারী চাল নিয়ে চালবাজি

ঢাকার নবাবগঞ্জ থানার নয়নশ্রী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ রিপন মোল্লার বিরুদ্ধে সরকারী রেশনের চাল নিয়ে চালবাজির প্রমান পাওয়া গেছে। গত ৬ জুন বৃহস্পতিবার পরিষদ প্রাঙ্গনে এমপির বিষেশ কোঠায় বরাদ্দকৃত চাউল ঈদ উপলক্ষে হত-দরিদ্রের মাঝে বিতরণ শুরু করলে ১/২ ঘন্টার মধ্যে শেষ হয়ে যায় বলে জানান চেয়ারম্যান রিপন মোল্লা,এতে পরিষদের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে রোজা মুখে পায়ে হেটে আসা মহিলা শিশুরা ক্ষিপ্ত হয়,এবং তাৎক্ষনিক প্রতিবাদ করতে শুরু করে।

বিষয়টি পুরা ইউনিয়নের সাধারন মানুষের মাঝে গুঞ্জন শুরু হলে ইউনিয়নের আওয়ামী যুবলীগের মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক মোঃ সোহরাব হোসেন সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়েছে বলে মনে করে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট লিখিত অভিযোগ করেন। যার অনুলিপি কপি সাংবাদিক সহ বিভিন্ন দপ্তরে পঠান।

এবিষয় পরিষদের চেয়ারম্যান রিপন মোল্লার নিকট মুঠোফোনে জানতে চাইলে তাদের (ভুক্তভোগী) ধৈর্যধারন করতে বলেন,এবং আগামী রবি,সোমবার বাকী কার্ডধারীদের চাউল দেওয়া হবে বলে জানান। এদিকে আগামীর সময় প্রতিনিধি সরজমিনে ভুক্তভোগী অনেকের কাছে জানতে চাইলে তাহারা চেয়ারম্যানের প্রতি চরম অসন্তুষ্টির কথা জানান এবং তাহারা বলেন সুধু ১৫০/২০০ লোকের চাউল পাইনি তা নয়। ১০ কেজি চাউলের যায়গায় ৭ কেজি চাউল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করে বলেন। অপরদিকে অনেকের ফেইসবুক আইডি থেকে এর ভিডিও সহ প্রতিবাদ জানিয়ে পোস্ট করা হয়েছে বলে জানা যায়। এব্যাপারে গতকাল ছুটির দিন থাকায় সরকারী কোন কর্মকর্তা পাওয়া যায়নি।

শুধু নবাবগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ মোস্তফা কামাল বলেন আমি অনুলিপি কপি হাতে পেয়েছি। এমন ঘটনা যদি ঘটে থাকে সত্যিই দুঃখজনক। যদি উপরের কোন নির্দেশনা পাই তাৎক্ষনিক আমলে নিয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নবাবগঞ্জে ইছামতীর মাদক বিরোধী আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল

ঢাকার নবাবগঞ্জে ইছামতি ছাত্র সংগঠনের মাদকমুক্ত আদর্শ সমাজ গঠনে শিক্ষার্থীদের ভুমিকা শীর্ষক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৮জুন) উপজেলার দোহার-নবাবগঞ্জ কলেজের শ্রেণি কক্ষে এ দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে মুখ্য আলোচক ছিলেন, তোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী কলেজের অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ আলমাস আলী খান। আরও বক্তব্য রাখেন, নবাবগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি ও কলাকোপা ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ইব্রাহিম খলিল, বারডেম জেনারেল হাসপাতালের মেডিসিন ও হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ মো. বাবুল মিয়া প্রমুখ।

এসময় বক্তারা বলেন, বর্তমান সরকার মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার। জঙ্গীবাদরা যখন মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে চেয়েছিলো ঠিক তখনই তাদেরকে শক্ত হস্তে দমন করা হয়েছে। ঠিক তেমনি মাদকের হাত থেকে এই সোনার বাংলাদেশটাকে রক্ষা করার জন্য সারা দেশে মাদকের বিরুদ্ধে সাড়াশি অভিযান চলছে।

বক্তারা আরো বলেন, কেবল তারাই মাদক সেবন করে যারা নিজেকে ভালবাসে না। মাদকসেবীরা সমাজ ও রাষ্ট্রের কীট। এখনি সময় বর্তমান সরকারের সাথে একত্বতা প্রকাশ করে এই কীটদেরকে সমাজ থেকে বিতারিত করার। একজন মাদকসেবী শুধু তার পরিবারকেই নয়, সমাজ ও রাষ্ট্রকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়। তাই আসুন আমরা মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার হই। স্বপ্নের এই দেশটাকে সোনার বাংলায় রূপান্তিত করি।

অনুষ্ঠানে মো. মাসুম বিন মোশারফ তুষারের সভাপতিত্বে এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, নবাবগঞ্জ ব্লাড ডোনার্স ক্লাবের সভাপতি তাসদিদ আহমেদ, সংগঠনের সহ-সভাপতি মাহমুদুল হাসান নাফিজ, সাধারণ সম্পাদক রিফাত কাজী, সিনেট সদস্য সাদরুল ভুঁইয়া সহল প্রমুখ।

দোহারে দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক

ঢাকার দোহারে আব্দুল মান্নান বেপারী (৪৮) ও মোঃ সোহেল রানা (৩৫) নামে দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে বলে সংবাদ পাওয়া গেছে। মাদক ব্যবসায়ীদের থেকে ১০০ পুড়িয়া হিরোইন ও ৫৬ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে পুলিশ। আঃ মান্নান বেপারী দোহার উপজেলার নারিশা ইউনিয়নের ঝনকি গ্রামের হুকুম আলী বেপারীর ছেলে ও সোহেল রানা উপজেলার দক্ষিণ জয়পাড়া এলাকার বাসিন্দা।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাত ২ টা ৩০ মিনিটে দোহার থানার ওসি শেখ সিরাজুল ইসলামের নেতৃত্বে এসআই আঃ বারেক ও এসআই সিদ্দিকুর রহমান উপজেলার মেঘুলা বাজার এবং দক্ষিণ জয়পাড়া এলাকার বাংলা লিং টাওয়ারের পাশে অভিযান পরিচালনা করে মান্নান বেপারী ও সোহেল রানা নামে দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে। মান্নানের ১০০ পুড়িয়া হিরোইন ও সোহেল রানার কাছে থাকা ৫৬ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে পুলিশ।

ঘটনার সত্যতা জানিয়ে ওসি শেখ সিরাজুল ইসলাম জানায়, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দোহার থানায় মামলা রুজু করে দুইজনকে কোর্ট প্রেরণ করা হয়েছে।

নবাবগঞ্জে দুস্থদের মাঝে ঈদবস্ত্র মানুষ মানুষের জন্যের বিতরণ

ঢাকার নবাবগঞ্জে অসহায়- দুস্থদের মাঝে ঈদবস্ত্র বিতরণ করেছে ‘মানুষ মানুষের জন্য’- নামে একটি সামাজিক সংগঠন। শনিবার সকালে থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলা কাশিমপুর ও বাগমারার প্রায় ৩ শতাধিক দুস্থ ও পথমানুষের মাঝে ঈদবস্ত্র দেন সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

সংগঠনের সভাপতি ও নবাবগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান রানা বলেন, ঈদের আনন্দটা সবাই মিলে ভাগাভাগি করে নিতে চাই। দুস্থ মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারলেই আমরা সার্থক। সবাই সবার জায়গা থেকে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো উচিত। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম, সদস্য রবিন, মো. মাসুদ, সাজ্জাদ, বিশাল, মো. রুবেল, অলিভসহ আরও অনেকে।

প্রথম মেধার ফল প্রকাশ আজ

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য আবেদনকারীদের প্রথম মেধার ফল প্রকাশ করা হবে আজ। রাত ১২টা ০১ মিনিটে এ ফল প্রকাশ করা হবে জানিয়েছে আন্তঃ শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা। ভর্তির জন্য মনোনীত শিক্ষার্থীদের তালিকা তিনটি ধাপে প্রকাশ করা হবে। প্রথম ধাপের ফল আজ, দ্বিতীয় ধাপের ফল ২১শে জুন এবং তৃতীয় ধাপের ফল ২৫শে জুন প্রকাশ করা হবে। আন্তঃবোর্ডের সমন্বয়ক ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মু. জিয়াউর হক বলেন, ভর্তির ফল প্রকাশের সব প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। আজ (রোববার) রাত ১২টা ০১ মিনিটের পর যেকোনো সময় ফল প্রকাশ করা হবে।

তিনি জানান, বুয়েটের কারিগরি শাখার সংশ্লিষ্টরা সব রকম পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষ করেছেন। আশা করি এবার ঝামেলা ছাড়াই এ ফল প্রকাশ করা যাবে।

শিক্ষার্থীদের ফলাফল ভর্তির আবেদনের সময় দেয়া মোবাইল নম্বরে ক্ষুদে বার্তার মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হবে। ক্ষুদে বার্তায় একটি গোপনীয় পিন নম্বর প্রদান করা হবে। এই পিন নম্বরটি পরবর্তী ভর্তি নিশ্চয়নের জন্য সংরক্ষণ করতে হবে। এ ছাড়াও শিক্ষার্থীর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার রোল নম্বর, বোর্ড, পাসের সন, রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করে ভর্তির ওয়েব সাইট িি.িীরপষধংংধফসরংংরড়হ.মড়া.নফ থেকে বিস্তারিত ফলাফল পাওয়া যাবে। এ ছাড়াও শিক্ষার্থীরা তাদের আবেদনকৃত কলেজের নোটিশ বোর্ডের ফলাফল দেখতে পারবেন।

বোর্ড কর্মকর্তারা জানান, প্রথম ধাপে মনোনীত শিক্ষার্থীরা আগামী ১১ই জুন থেকে ১৮ই জুন পছন্দের কলেজে ভর্তি নিশ্চয়ন করতে হবে। না হয়, তার আবেদন বাতিল হয়ে যাবে। দ্বিতীয় পর্যায়ে আবেদন করা যাবে ১৯ ও ২০শে জুন। প্রথম মেধা তালিকার মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশ করা হবে ২১শে জুন। একই দিনে দ্বিতীয় মেধার ফল প্রকাশ করা হবে এবং পরের দিন অর্থাৎ ২২ ও ২৩শে জুন ভর্তির নিশ্চয়ন ও আবেদন বাতিল করা হবে। ২৪শে জুন তৃতীয় পর্যায়ে আবেদন শুরু এবং পরের দিন ২৫শে জুন দ্বিতীয় মেধার মাইগ্রেশনের ফল ও তৃতীয় মেধা তালিকার ফল প্রকাশ করা হবে। তৃতীয় মেধার শিক্ষার্থীদের নিশ্চয়ন করতে হবে ২৬শে জুন। তিন পর্যায়ের মনোনীত শিক্ষার্থীদের ভর্তি প্রক্রিয়া চলবে ২৭ থেকে ৩০শে জুন পর্যন্ত। আর ক্লাস শুরু ১লা জুলাই থেকে। তবে বিলম্ব ফি দিয়ে ভর্তির সুযোগ থাকছে জুলাই মাসের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত। সে তারিখ পরবর্তীতে বোর্ড থেকে জানিয়ে দেয়া হবে।

চলতি বছর বিভাগীয় এবং জেলা সদরের কলেজে ভর্তির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ১০০ শতাংশ আসন সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। মেধার ভিত্তিতে নির্বাচন করা হবে। মেধার ভিত্তিতে ভর্তির পরে যদি বিশেষ অগ্রাধিকার প্রাপ্ত কোনো আবেদনকারী থাকে তাহলে মোট আসনের অতিরিক্ত হিসেবে ভর্তি করানো হবে।

ফলাফল প্রকাশ সময় যদি সমান জিপিএ প্রাপ্তদের ক্ষেত্রে সর্বমোট প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম নির্ধারণ করতে হবে। মাদ্‌রাসা, কারিগরি এবং বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এর ক্ষেত্রে গ্রেড পয়েন্ট ও প্রাপ্ত নম্বর সমতুল্য করে হিসাব করতে হবে। বিজ্ঞান গ্রুপে ভর্তির ক্ষেত্রে সমান মোট নম্বর প্রাপ্তদের মেধাক্রম নির্ধারণের ক্ষেত্রে সাধারণ গণিত, উচ্চতর গণিত/জীববিজ্ঞানে প্রাপ্ত জিপিএ বিবেচনায় আনা হবে। প্রার্থী বাছাইয়ে জটিলতা হলে পর্যায়ক্রমে ইংরেজি, পদার্থ ও রসায়নে প্রাপ্ত জিপিএ বিবেচনায় নেয়া হবে। মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা গ্রুপর ক্ষেত্রে সমান জিপিএ নিষ্পত্তির জন্য পর্যায়ক্রমে ইংরেজি, গণিত ও বাংলায় অর্জিত জিপিএ বিবেচনা করা হবে। এক বিভাগেরপ্রার্থী অন্য বিভাগে ভর্তির ক্ষেত্রে মোট গ্রেড পয়েন্ট একই হলে প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম নির্ধারণ করতে হবে। এক্ষেত্রে প্রার্থী বাছাইয়ে জটিলতা হলে পর্যায়ক্রমে ইংরেজি, গণিত ও বাংলায় অর্জিত নম্বর বিবেচনায় আনা হবে।

প্রতিদিনের হাদিস: লাইলাতুল কদর

হাদিস নং ২৬৬৫: সাঈদ ইবনু আমর ইবনু সাহল ইবনু ইসহাক ইবনু মুহাম্মাদ ইবনুল আশ’আস ইবনু কায়স আল কিন্‌দী ও আলী ইবনু খাশরম (রহঃ) ….. আবদুল্লাহ ইবনু উনায়স (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আমাকে কদরের রাত দেখানো হয়েছিল। অতঃপর তা ভুলিয়ে দেয়া হয়েছে। আমাকে ঐ রাতের ভোর সম্পর্কে স্বপ্নে আরও দেখানো হয়েছে যে, আমি পানি ও কাদার মধ্যে সাজদাহ করছি। রাবী বলেন, অতএব ২৩ তম রাতে বৃষ্টি হল এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের সাথে (ফজরের) সলাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করে যখন ফিরলেন, তখন আমরা তার কপাল ও নাকের ডগায় কাদা ও পানির চিহ্ন দেখতে পেলাম। রাবী আবদুল্লাহ ইবনু উনায়স (রাযিঃ) বলতেন, তা ছিল ২৩ তম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৪২, ইসলামীক সেন্টার ২৬৪১)

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

হাদিস নং ২৬৬৭:  মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম ও ইবনু উমার (রাযিঃ) ….. যির ইবনু হুবায়শ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি উবাই ইবনু কাব (রাযিঃ) কে বললাম, আপনার ভাই আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) বলেন, যে ব্যক্তি গোটা বছর রাত জাগরণ করে- সে কদরের রাতের সন্ধান পাবে। তিনি (উবাই) বললেন, আল্লাহ তাকে রহম করুন, এর দ্বারা তিনি এ কথা বুঝাতে চাচ্ছেন যে, লোকেরা যেন কেবল একটি রাতের উপর ভরসা করে বসে না থাকে। অথচ তিনি অবশ্যই জানেন যে, তা রমযান মাসে শেষের দশ দিনের মধ্যে এবং ২৭তম রজনী। অতঃপর তিনি দৃঢ় শপথ করে বললেন, তা ২৭তম রজনী। আমি (যির) বললাম, হে আবূল মুনযির! আপনি কিসের ভিত্তিতে তা বলছেন? তিনি বললেন, বিভিন্ন আলামাত ও নিদর্শনের ভিত্তিতে- যে সম্পর্কে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে অবহিত করেছেন। যেমন, সেদিন সূর্য উদয় হবে কিন্তু তাতে আলোকরশ্মি থাকবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৪৪, ইসলামীক সেন্টার ২৬৪৩)

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

হাদিস নং ২৬৬৮:  মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ….. উবাই ইবনু কা’ব (রাযিঃ) কদরের রাত সম্পর্কে বলেন, আল্লাহর শপথ! কদরের রাত সম্পর্কে আমি খুব ভাল করেই জানি। শু’বাহ বলেন, আমার জানামতে তা হচ্ছে, সে রাত যে রাতে জেগে ইবাদাত করার জন্য রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন। তা হচ্ছে রমযানের ২৭তম রজনী। “তা হচ্ছে সে রাত, যে রাতে ইবাদাত করার জন্য রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন।” এ বাক্যটুকু সম্পর্কে শুবাহ সন্দেহে পতিত হয়েছেন এবং বলেছেন, আমার এক বন্ধু তার শায়খের সূত্রে আমার নিকট ঐ কথা বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৪৫, ইসলামীক সেন্টার ২৬৪৪)

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

হাদিস নং ২৬৬৯:  মুহাম্মাদ ইবনু আব্বাদ ও ইবনু আবূ উমর (রহঃ) ….. আবূ হুরায়রাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সামনে কদরের রাত সম্পর্কে আলাপ-আলোচনা করছিলাম। তিনি বললেন, তোমাদের মধ্যে কে সে (রাত) স্মরণ রাখবে, যখন চাঁদ উদিত হবে থালার একটি টুকরার ন্যায়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৪৬, ইসলামীক সেন্টার ২৬৪৫)

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

গ্রন্থঃ সহীহ মুসলিম

অধ্যায়ঃ সিয়াম (রোযা)

পাবলিশারঃ হাদিস একাডেমি

দোহারে আইজিআর কে এম মান্নানের দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

ঢাকার দোহার উপজেলায় শুক্রবার ৮ জুন শুক্রবার মহাপরিদর্শক,নিবন্ধন বাংলাদেশ ও সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ বীর মুক্তিযোদ্ধা ডক্টর কে এম আব্দুল মান্নান ওরফে জজ মান্নানের মুকসেদপুরের বাসায় বাৎষরিক ইসালে সোয়াব,দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

দোহার নবাবগঞ্জ তথা ঢাকা জেলার রাজনৈতিক,সামাজিক,মুক্তিযোদ্ধা পেশাজীবি সহ সর্বশ্রেনী পেশার হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতে অত্যন্ত সুন্দর সুশৃংখল একটি বিশাল ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়। দোয়া ও ইফতার মাহফিলে অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন,তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল এ আর খান, সাবেক মন্ত্রী ব্যারিষ্টার নাজমুল হুদা, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি বেনজির আহমেদ,ঢাকা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুর রহমান, ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার শাহ মিজান শাফি-উর-রহমান,আওয়ামী  লীগ জাতীয় কমিটির সদস্য আব্দুল বাতেন মিয়া, বাংলাদেশ কৃষক লীগ সহ সভাপতি এটিএম আনিসুর রহমান বুলবুল, স্বেচ্ছাসেবক লীগ সিনিয়র সহ- সভাপতি নির্মল রঞ্জন গহ,বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা  ঐক্য পরিষদ এর কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা  জেলা সভাপতি একে এম করম আলী সহ সর্বস্তরের নেতা কর্মিরা।

নবাবগঞ্জ প্রেসক্লাবে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

ঢাকার নবাবগঞ্জে উপজেলা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে প্রতিবছরের ন্যায় এবারও দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ জুন) রমজান মাসের ২১তম রোজা উপলক্ষে প্রেসক্লাবের প্রাঙ্গণে এ দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় বক্তারা বলেন, ‘সাংবাদিকরা সমাজের দর্পন। সাংবাদিকরা আছে বলেই সমাজ ও রাষ্ট্রে দুর্নীতি কমে গেছে। তাদের ঝাঝালো লেখনির ফলে দুর্নীতিবাজরা মাথাচারা দিয়ে উঠতে পারে না। তারা সমাজ ও রাষ্ট্রের অনিয়ম ও অসংগতি তুলে ধরে সমাজকে জাগ্রত করেন। আমরা সকলে তাদের সর্বাঙ্গীন সফলতা কামনা করি।’

আলহাজ্ব ইব্রাহিম খলিলের সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন, নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তোফাজ্জল হোসেন, দোহার উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেন, নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল, ওসি (তদন্ত) শামীম আহমেদ, ইউপি চেয়ারম্যান আবেদ হোসেন, আলহাজ্ব আলিমুর রহমান খান পিয়ারা, ওয়াদুদ মিয়া, রিপন মোল্লা, দেওয়ান তুহিনুর রহমান তুহিন প্রমুখ।

ব্যস্থ সময় কাটাচ্ছে দোহার-নবাবগঞ্জের তাঁতিরা

দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলার তাঁতে বোনা লুঙ্গির সুনাম দেশজুড়ে। এরই ধারাবাহিকতায় দোহার এ ঈদকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছে তাঁতিরা।  তার মধ্যে এখন জয়পাড়া লুঙ্গি দেশের গণ্ডি পেরিয়ে যাচ্ছে বিদেশে। প্রায় ১শ’ বছর আগে তাঁতে বোনা লুঙ্গির গোড়াপত্তন হয়েছিল এখানে। সেই থেকে নানা প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে পূর্বপুরুষদের ঐতিহ্যকে ধরে রেখে লুঙ্গি তৈরি করে চলেছেন তাঁতীরা। একসময় খুবই জমজমাট ছিল দোহারের জয়পাড়া লুঙ্গির হাট। তবে আধুনিক মেশিনে প্রস্তুত লুঙ্গির সঙ্গে হাতে বোনা লুঙ্গি প্রতিযোগিতায় টিকতে না পারায় দিন দিন লোকসানী প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে তাঁত শিল্প। ফলে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছেন দোহারের তাঁতীরা। একসময় জয়পাড়া লুঙ্গির হাটকে কেন্দ্র করে উৎসব এ পরিণত হতো। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা পাইকারদের ভিড়ে সরগরম থাকতো সপ্তাহের সোম ও বৃহস্পতিবার বিকেলটা ক্রেতার ভিরে মুখময়। সারা দেশে লুঙ্গির যে ক’টি হাট রয়েছে তার মধ্যে জয়পাড়ার লুঙ্গির হাট প্রসিদ্ধ। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পাইকাররা লুঙ্গি কিনতে ছুটে আসেন এই হাটে। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে তা এখন ভারত, মালয়েশিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্রসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে যাছে। প্রায় চারদিন অক্লান্ত পরিশ্রমের পর তৈরি হয় এক ভিম (ছয়টি) লুঙ্গি। প্রতিটি ভিমের দাম পাইকারী মূল্যে ২৪শ’ থেকে প্রায় ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত।

স্থানীয় কারিগর দোহার লটাখোলার বিলের পাড় এর মুকসেদ এর সঙ্গে কথা বললে  তিনি নিউজ৩৯ কে জানায়, সূতার মূল্য বৃদ্ধি, দক্ষ শ্রমিকের অভাব, শ্রমের মূল্য বৃদ্ধি, যুবকদের বিদেশ গমন ও পাওয়ার লুম যন্ত্র স্থাপনের ফলে জয়পাড়া এলাকার অনেক তাঁতী পরিবারই কাজ ছেড়ে দিয়েছেন। তারপরও শত বাধা-বিপত্তি উপেক্ষা করে আমাদের এখান কার কিছু স্থানীয় তাঁতীরা লুঙ্গি তৈরি করছেন নিজেদের ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখতে।

অন্যদিকে নবাবগঞ্জ এর শিকাড়িপাড়ার সংকরদিয়া গ্রামের মুসলেম জানায় যে তাঁত শিল্প এখন আর আগের মত নাই পাওয়ার লুম এর কারনে লঙ্গির দাম কমে গেছে অথচ লঙ্গির সূতার দাম কমে নাই আর তাঁতিদের নিয়ে কাজ করলে আমাদের তাদের বেতন দিতে কষ্ট হয়ে যায় তাই এখন অনেক এ তাঁত ছেড়ে দিয়ে অটো রিস্কা চালাচ্ছে। আর এই করনে এখন আমাদের এখানে তাঁত শিল্প নেই বলেই চলে।

নবাবগঞ্জ থেকে ইয়াবা ব্যবসায়ী আটক

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলা সুজাপুর সাকিনস্থ আসামীর নিজ বাড়ীর পাশ থেকে কাচা রাস্তার উপর হইতে ঐ এলাকার  ৫৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মোঃ চুন্নু খান ওরফে কনু (৩৬),এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ। শনিবার সকাল ৯:২০ মিঃ দিকে সুজাপুর গ্রামের তাহার নিজ বাড়ি পাশ থেকে চুন্নু খানকে আটক করা হয়। সে ঐ এলাকার  পিতা-মৃত আফাজ উদ্দিন, সাং-সুজাপুর,  থানা-নবাবগঞ্জ, জেলা-ঢাকা তার ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার সকাল ৯.২০ মি: এসআই/ কামরুল হাসান, এএসআই/ মোঃ রবিউল আলম সহ সঙ্গীয় ফোর্সের সহায়তায় বিশেষ অভিযান ও মাদকদ্রব্য অভিযান পরিচালনা করে তাকে অটক করা হয়। বারুয়াখালী তদন্ত কেন্দ্রের এসআই/ কামরুল হাসান, এএসআই/ মোঃ রবিউল আলম বলেন যে সে অনেক দিন ধরে আইনশৃংখলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে মাদক ব্যবসা করতেছিল আমরা প্রমান সহ তাকে ধরার অপেক্ষায় ছিলাম এবং উক্ত আসামীর বিরুদ্ধে নবাবগঞ্জ থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ান্ত্রণ আইনের একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। যাহার মামলা নং-০২, তাং-০৯/০৬/১৮  খ্রিঃ, ধারা-১৯৯০ সনের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ১৯(১) এর ৯(খ)।