প্রতিদিনের হাদিস: মৃত্যু ও জানাজা

0

হাদিস নং ১৯৯৫: আবূ কামিল জাহদারী ফূযয়াল ইবনু হুসায়ন ও উসমান ইবনু আবূ শায়বা (রহঃ) … আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের মধ্যে মুমূর্ষদের “লা-ইলাহ ইল্লাল্লাহ” এর তালকীন দাও। (তার সামনে কলেমা পাঠ করতে থাক যেন সে শুনে আল্লাহকে স্মরণ করে।)

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

হাদিস নং ১৯৯৮: ইয়াহয়া ইবনু আয়্যুব, কুতায়বা ও ইবনু হুজর (রহঃ) … উম্মে সালামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি যে, কোন মুসলমান যখন কোন বিপদে পতিত হয়, তখন সে যদি আল্লাহর নির্দেশানুযায়ী “ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন” বলে এবং এ দু’আ পাঠ করে “হে আল্লাহ! আমাকে বিপদে ধৈর্য ধারণের সাওয়াব দান কর এবং এর চেয়ে উত্তম স্থলাভিষিক্ত দাও”। তবে আল্লাহ তাকে উত্তম স্থলাভিষিক্ত দিয়ে ধন্য করবেন। যখন আবূ সালামার (তাঁর স্বামী) ইন্তেকাল হল তখন আমি বললাম, আবূ সালামা (রাঃ) থেকে কে উত্তম হতে পারে? তাঁর পরিবারই প্রথম পরিবার যারা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে হিজরত করেছিল।

এরপর আমি ঐ দুআ পাঠ করলাম। ফলে আল্লাহ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে আমার জন্য দান করলেন। উম্মে সালামা (রাঃ) বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার নিকট হাতিব ইবনু আবি বালতায়াকে দিয়ে বিবাহের পয়গাম পাঠালেন। আমি বললাম, আমার একটি মেয়ে রয়েছে আর আমি একটু অভিমানী। তিনি বললেন, তোমার মেয়ের জন্য আমি দু’আ করছি যেন আল্লাহ তার সুব্যবস্থা করে দেন এবং এটাও দুআ করছি যে, তিনি তোমার অভিমানকে দুর করে দেন।

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

হাদিস নং ১৯৯৯: আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বা (রহঃ) … ইবনু সাফিনা (রহঃ) বলেন, তিনি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সহধর্মিনী উম্মে সালামা (রাঃ) কে বলতে শুনেছেন যে, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি, কোন মানুষের উপর যখন কোন বিপদ আসে তখন যদি সে বলে “ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলায়হি রাজিউন” এবং বলে, হে আল্লাহ! আমাকে বিপদে ধৈর্যধারণের ক্ষমতা দাও এবং উত্তম স্থলাভিষিক্ত দান কর” তবে আল্লাহ তাকে ধৈর্য ও উত্তম স্থলাভিষিক্ত দিবেন।

উম্মে সালামা (রহঃ) বলেন, যখন আবূ সালামার ইন্তেকাল হল তখন আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নির্দেশ অনুযায়ী দুআটি পাঠ করলাম। ফলে আল্লাহ আমাকে তার চেয়ে উত্তম স্থলাভিষিক্ত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে দান করলেন।

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

হাদিস নং ২০০২: যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) … উম্মে সালামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবু সালামা (রাঃ) এর কাছে গেলেন। তখন তার চোখগুলো উল্টে রয়েছে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার চোখ বন্ধ করে দিলেন এবং বললেন, রুহ যখন নিয়ে যাওয়া হয়, তখন চোখ তৎপ্রতি অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে। এ কথা শুনে তার পরিবারের লোকেরা উচ্চস্বরে কেদে উঠলেন। তিনি বললেন, তোমরা নিজেদের জন্য অমঙ্গলজনক কোন দু’আ কর না। কেননা ফিরিশতাগণ তোমাদের কথার উপর আমীন বলে থাকেন। তিনি তারপর বললেন হে আল্লাহ! তোমরা আবূ সালামাকে মাফ করে দাও, হিদায়াতপ্রাপ্তদের মধ্যে তার দরজাকে বুলন্দ করে দাও এবং তার উত্তরাধিকারীদের মধ্য থেকে প্রতিনিধি নিযুক্ত কর। হে রাব্বুল আলামীন! আমাদেরকেও তাকে মাফ করে দাও তার জন্য কবরকে প্রশস্ত করে দাও এবং তার কবরকে আলোকময় করে দাও।

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

গ্রন্থঃ সহীহ মুসলিম

অধ্যায়ঃ জানাযা সম্পর্কিত

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নবাবগঞ্জের মদের গ্রাম রূপারচরের ১৫ মাদক ব্যবসায়ীর আত্মসমর্পণ

ঢাকার নবাবগঞ্জের শোল্লা ইউনিয়নের মদের গ্রাম নামে খ্যাত রূপারচরের চিহ্নিত ১৫ মাদক ব্যবসায়ী প্রশাসনের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে রূপারচর বাজারে শোল্লা ইউনিয়ন পুলিশিং সেল আয়োজিত জঙ্গি, সন্ত্রাস ও মাদকবিরোধী মতবিনিময় সভায় তারা আত্মসমর্পণ করে। ঢাকা জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অপরাধ দক্ষিণ মাছুম আহমেদ ভূঁইয়া ও নবাবগঞ্জ ইউএনও তোফাজ্জল হোসেন স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসায় তাদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। এ সময় তারা সব ধরনের বাংলা মদ তৈরি, মাদক বিক্রি ও সেবন থেকে নিজেদের বিরত রাখার শপথ নেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাকা জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ-দক্ষিণ) মাছুম আহমেদ ভূঁইয়া বলেন, আজ যারা শপথ নিলেন তাদের সাধুবাদ জানাচ্ছি। সৎ পথে চলুন, সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হবে। এরপর কেউ মাদক ব্যবসা করলে তাদের ছাড় দেওয়া হবে না।

ইউএনও তোফাজ্জল হোসেন বলেন, মাদক ব্যবসায়ীরা আমাদেরই সমাজের অংশ। আমরা চেয়েছি তাদের সুযোগ দেওয়ার জন্য। যারা সুযোগটা গ্রহণ করলেন তাদের সাধুবাদ জানাচ্ছি।

আত্মসমর্পণকারীরা হলেন রূপারচরের রবিউল মিয়া, রতন মিয়া, সুজন, নুরু, মহর, টুটুল, মহিল, সেলিনা, জুসনি, সাহেদা, আ. খালেক, আ. মালেক, লাল চাঁন, হবি ও নজরুল মিয়া।

আত্মসমর্পনকারী প্রবীণ নুরু বলেন, আজ থেকে আমরা এই রূপারচরে মদ বানামু না, বেচমু না আর কাউকে বানাতে দিমু না।

স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসা জুসনি বেগম বলেন, আমরা এখন থেকে মদের ব্যবসা করুম না। ভালো হয়ে যামু। মাদক জীবনে কোনো শান্তি নাই।

নবাবগঞ্জ থানার ওসি মোস্তফা কামাল বলেন, রূপারচরের ১৫ মাদক ব্যবসায়ী স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসেছে। আশা করি বাকিরাও তাদের পথ ধরে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবেন। শোল্লা ইউপি চেয়ারম্যান দেওয়ান তুহিনুর রহমান তুহিনের সভাপতিত্বে সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আ.লীগের সভাপতি নাসিরউদ্দিন আহমেদ ঝিলু, কলাকোপা ইউপি চেয়ারম্যান ইব্রাহিম খলিল কৈলাইল ইউপি চেয়ারম্যান পান্নু মাদবর, শায়েস্তা ইউপি চেয়ারম্যান মুসলেম উদিদ্দন চোকদার, প্রেস ক্লাবের সম্পাদক আজহারুল হক প্রমুখ।

দোহারে সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার

দুই মাসের সাজাপ্রাপ্ত ও ২ লাখ ৭৭ হাজার ৪২৬ টাকা জরিমানার পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে দোহার থানা পুলিশ। সাজাপ্রাপ্ত আসামি হলেন উপজেলার দোহারঘাটা গ্রামের শেখ নুর জামানের ছেলে মো. জিসান জামান।

শনিবার বিকেলে দোহার থানার ওসি সিরাজুল ইসলামের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে জয়পাড়া এলাকা থেকে সাজাপ্রাপ্ত আসামি মো. জিসান জামানকে গ্রেফতার করা  হয়। এ বিষয়ে ওসি জানান,  সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

কুসুমহাটিতে প্রবাসীদের নিয়ে কর্মশালা

দোহারের কুসুমহাটি ইউনিয়নে অভিবাসনে সুশাসন নিশ্চিতকরন ও বিদেশ -ফেরতদের পুনরেকত্রীকরন ‘শীর্ষক ইউনিয়ন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসময় বিদেশ ফেরত কর্মীদের নিয়ে কথা বলা হয় এই কর্মশালায় এবং বাংলাদেশে তাদের কি করে বেকারত্ব দূর করা যায় ও তাদের কাজের প্রশিক্ষন দেওয়া যায় তা নিয়েও আলোচনা করা হয়। আর এই অভিবাসন প্রক্রিয়ার মধ্য রয়েছে।

১. বিদেশে যাবার ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণ।

২.অভিবাসন কালীন।

৩.প্রাক-অভিবাসন।

৪.পুনরএকএীকরণ।

এ সময় কর্মসালায় সভাপতি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কুসুমহাটি ইউনিয়ন পরিষদের সচিব আব্দুল মোতালেব। প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন  কুসুমহাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন আজাদ।

বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কার্তিকপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফারুক-ই-আজম।

দোহারে ৯ মাদক ব্যবসায়ী আটক

দোহার উপজেলায় পুলিশের পৃথক মাদকবিরোধী অভিযানে ৫ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে। আটকরা হলো- উপজেলার উত্তর জয়পাড়া এলাকার শহিদুল ইসলাম, চরকুশাই এলাকার মিরাজ, পশ্চিম রায়পাড়া এলাকার ফারুক, কার্তিকপুর এলাকার আবুল বেপারীর ভাড়াটিয়া রাকিবুল ইসলাম ও পশ্চিম ধোয়াইর এলাকার নাঈম।

গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর উপজেলার বিভিন্ন মাদক বিক্রির স্পটে দোহার থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে এ পাঁচ মাদক ব্যবসায়ীকে ১৫৭ পিস ইয়াবা, ৩৭ পুরিয়া গাঁজা ও ৮৭ পুরিয়া হেরোইনসহ আটক করা হয়। পরে আটকদের নামে মামলা করে আদালতে সোপর্দ করা হয়।

প্রতিদিনের হাদিস: শিষ্ঠাচার

0

হাদিস নং ২৭৬৬: জাবির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের মাঝে কেউ যখন পিঠের উপর চিৎ হয়ে শয়ণ করে তখন যেন সে এক পা অপর পায়ের উপর না রাখে।

সহীহঃ সহীহাহ (৩/২৫৪)।

এ হাদীসটি একাধিক বর্ণনাকারী সুলাইমান আত-তাইনীর সূত্রে বর্ণনা করেছেন। সানাদে বর্ণিত খিদাশ অপরিচিত। সুলাইমান আত-তাইনী তার বরাতে একাধিক হাদীস বর্ণনা করেছেন।

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

হাদিস নং ২৭৬৮: আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জনৈক ব্যক্তিকে পেটের উপর উপুড় হয়ে শুয়ে থাকতে দেখে বললেনঃ আল্লাহ তা’আলা এ রকম শোয়া পছন্দ করেন না।

হাসান সহীহঃ মিশকাত (৪৭১৮, ৪৭১৯)

তিহফা ও ইবনু উমার (রাযিঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেন, ইয়াহইয়া ইবনু আবী কাসীর উক্ত হাদীস আবূ সালামা হতে, তিনি ইয়াঈশ ইবনু তিহফা হতে, তিনি তার বাবার সুত্রে বর্ণনা করেছেন। তিহফার স্থলে তিখফা উচ্চারণও আছে। তবে তিহফা-ই সঠিক। আবার তিগফা উচ্চারণও আছে। কিছু সংখ্যক হাদীসের হাফিয বলেন যে, তিখফা উচ্চারণই যথার্থ। ইয়াঈশ সাহাবীদের অন্তর্ভুক্ত।

হাদিসের মানঃ  হাসান (Hasan)

হাদিস নং ২৭৬৯: বাহয ইবনু হাকীম (রাহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার বাবা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি প্রশ্ন করলাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের লজ্জাস্থান কতটুকু ঢেকে রাখব এবং কতটুকু খোলা রাখতে পারব? তিনি বললেনঃ তোমার স্ত্রী ও দাসী ছাড়া সকলের দৃষ্টি হতে তোমার লজ্জাস্থান হিফাযাত করবে। তিনি আবার প্রশ্ন করলেন, পুরুষেরা একত্রে অবস্থানরত থাকলে? তিনি বললেনঃ যতদূর সম্ভব কেউ যেন তোমার আভরণীয় স্থান দেখতে না পারে তুমি তাই কর। আমি আবার প্রশ্ন করলাম, মানুষ তো কখনো নির্জন অবস্থায়ও থাকে। তিনি বললেনঃ আল্লাহ তা’আলা তো লজ্জার ক্ষেত্রে বেশি হাকদার।

হাসানঃ ইবনু মা-জাহ (১৯২০)

আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান। বাহযের দাদার নাম মুআবিয়াহ ইবনু হাইদাহ আল-কুশাইরী। আল-জুরাইরী হাকীম ইবনু মু’আবিয়ার সূত্রে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তিনি হলেন বাহযের বাবা।

হাদিসের মানঃ  হাসান (Hasan)

হাদিস নং ২৭৭০: জাবির ইবনু সামুরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে তার বাম পার্শ্বদেশে বালিশে হেলান দিয়ে শুয়ে থাকতে দেখেছি।

সহীহঃ মুখতাসার শামা-য়িল (১০৪)

আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান গারীব। একাধিক বর্ণনাকারী ইসরাঈল হতে, তিনি সিমাক হতে তিনি জাবির ইবনু সামুরাহ (রাযিঃ) হতে এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন, তাতে বাম “পার্শ্বদেশ” কথাটুকু নেই।

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

হাদিস নং ২৭৭২: আবূ মাসউদ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন ব্যক্তির প্রভাবাধীন এলাকায় কেউ ইমামতি করবে না এবং তার বাড়ীতে তার নির্দিষ্ট আসনে তার অনুমতি ব্যতীত বসবে না।

সহীহঃ ইরওয়াহ (৪৯৪), সহীহ আবূ দাউদ (৫৯৪)।

আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ।

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

হাদিস নং ২৭৭৩: বুরাইদাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, কোন একদিন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম  (কোথাও) হেঁটে যাচ্ছিলেন। তখন জনৈক ব্যক্তি একটি গাধা সাথে নিয়ে এসে বলল, হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আপনি আরোহণ করুন, এবং সে পিছনে সরে গেল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ না, তুমি পিছনে যেও না, তুমি তোমার বাহনের সামনে বসার অধিকার, তবে আমার জন্য স্বেচ্ছায় ছেড়ে দিলে ভিন্ন কথা। লোকটি বলল, আমি তা আপনাকে দিয়ে দিলাম। বর্ণনাকারী বলেন, তারপর তিনি সাওয়ার হলেন।

সহীহঃ মিশকাত (৩৯১৮), ইরওয়াহ (২/২৫৭)।

আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান এই সূত্রে গারীব। কাইস ইবনু সাদ ইবনু উবাদা (রাযিঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে।

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

গ্রন্থঃ সূনান আত তিরমিজী

অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার

পাবলিশারঃ হুসাইন আল-মাদানী

বিএনপি-আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা তদবিরে কেউ লন্ডন, কেউ ঢাকায়ঃ ঢাকা-১ এ গিয়াস আহমেদ সচেষ্ট

0

বাংলাদেশে নির্বাচনী ময়দানের প্রতি প্রবাসীদের মনোযোগ ক্রমেই গভীর হচ্ছে। বিশেষ করে যারা মনোনয়ন পেতে আগ্রহী, তারা ইতিমধ্যেই নানামুখী তদবির শুরু করেছেন। এ বাবদ নগদ-নারায়নেরও ছড়াছড়ি হচ্ছে। বড় দল, ছোট দল সকল স্তরেই এক ধরনের খবর আসছে যে, মোটা অংকের টাকা হলেই মনোনয়ন পাওয়া যাবে। এরপর এক ডলারে ৮৫ টাকা হারে বস্তা ভর্তি টাকা ছড়াতে হবে এলাকার প্রচারাভিযানে। এমন পরিস্থিতি মেনে নিয়েই কেউ কেউ মাঠে নেমেছেন।

এরই মধ্যে ঢাকা-১ থেকে বিএনপি’র মনোনয়ন পেতে জোর লবিং চালাচ্ছেন বলে জানা গেছে দোহারের বাশতলা গ্রামের গিয়াস আহমেদ। বিএনপি’র সাবেক আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক গিয়াস আহমেদ একসময় বর্তমান ক্ষমতাসীন দলীয় প্রার্থী হিসাবে আমেরিকায় সিনেট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দীতা করেছিলেন।

মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে প্রায় সকলেই রাজনৈতিক দলের সাথে জড়িত বহুদিন যাবত। কষ্টার্জিত অর্থ বিনিয়োগ করে নানা কর্মসূচিতেও সোচ্চার থাকেন। নেতা-নেত্রীরা যুক্তরাষ্ট্রে এলে কাজ-কর্ম ছেড়ে তাদের আতিথেয়তায় ব্যস্ত হন। ফেরার সময় লাগেজ ভর্তি উপঢৌকন, ক্ষেত্রবিশেষে ডলারের বান্ডেল দিতেও কার্পণ্য করেন না। মাঝেমধ্যেই বাংলাদেশ থেকে ফোন পেয়ে বড় বড় স্টোরে গিয়ে দামি সেন্ট অথবা আইফোন কিংবা টাই-স্যুট, কোন কোন সময় ডায়মন্ড ক্রয় করতেও দ্বিধা করেন না। এগুলো গোপন কোন বিষয় নয়। দলের লোকজনেরও জানা। অর্থাৎ বড় কিছু পাবার আশায় নিজেকে উজাড় করে দেন প্রবাসে দেশি রাজনীতির বলয়ে ঘুরপাক খাওয়া এসব নেতারা। তারপরও মনোনয়নের সময় বস্তাভর্তি টাকার প্রসঙ্গ আসে। এ নিয়ে উচ্চবাচ্য করার সাহস নেই সংশ্লিষ্টদের। কার কাছে যাবেন-এমন প্রশ্ন নিয়ে? সবখানে একই জবাব- টাকা ছাড়া নির্বাচন হবে না। মাঠের কর্মীদের কাছেও একই প্রত্যাশা।

‘বিদেশে বহু কামিয়েছেন, এখন কিছু ছাড়ুন, আমরা আপনার পক্ষেই মাঠে থাকবো-যদি দল নমিনেশন দেয়।’ অর্থাৎ নমিনেশন পাবার পরও নিস্তার নেই। ভোটের দিন পর্যন্ত টাকার ওপর ভর করেই থাকতে হবে। এমন বাস্তবতাকে মেনে নিতে পারলেই সারা জীবনের স্বপ্নপূরণ হতে পারে।

আওয়ামী লীগ থেকে নমিনেশন প্রত্যাশীদের অন্যতম হলেন জাতিসংঘে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালনকারি রাষ্ট্রদূত ড. এ কে এ মোমেন (সিলেট), যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান (বগুড়া), সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা-চেয়ারম্যান নিজাম চৌধুরী (ফেনী), ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ, নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এডভোকেট মোর্শেদা জামান (সরিষাবাড়ি), যুক্তরাষ্ট্র পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদের সাবেক আহবায়ক ড. মহসিন আলী (রাজশাহী), বিটিআরসির সদ্য বিদায়ী চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ (রংপুর), যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ ফারুক আহমেদ (সিলেট), যুব সম্পাদক মাহবুবুর রহমান টুকু (বরগুনা), নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক হাজী আব্দুল কাদের মিয়া (সন্দ্বীপ) প্রমুখ।

এরমধ্যে শীর্ষ পর্যায়ের সুনজর রয়েছে ড. মোমেনের প্রতি। সিলেট-১ আসন থেকে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত অবসর নেয়ার কথা। সেই আসনে তারই ছোটভাই ঝানু এই কূটনীতিককে মনোনয়ন দেবেন বলে শোনা যাচ্ছে। ড. শাহজাহান মাহমুদের ব্যাপারেও নমনীয় ভাব রয়েছে হাই কমান্ডের। তারই দক্ষতাপূর্ণ নেতৃত্বে বাংলাদেশ মহাকাশ জয়ে সক্ষম হয়েছে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের মধ্য দিয়ে। ড. সিদ্দিক এবং নিজাম চৌধুরী যদি বগুড়া ও ফেনী এলাকার আওয়ামী লীগের সমর্থন লাভে সক্ষম হন, তাহলে ভাগ্য প্রসন্ন হতে পারে। অন্যদের ব্যাপারেও আগ্রহ রয়েছে শীর্ষ পর্যায়ের, তবে ছাড়পত্র লাগবে এলাকার সাংগঠনিক ফোরাম থেকে।

বিএনপি থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে সাবেক আন্তর্জাতিক সম্পাদক গিয়াস আহমেদ (ঢাকা), সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আলহাজ্ব সোলায়মান ভূইয়া  (ফেনী), সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা কামাল পাশা বাবুল (সন্দ্বীপ), ফ্লোরিডা বিএনপির সভাপতি দিনাজ খান (বিক্রমপুর), তারেক পরিষদ আন্তর্জাতিক কমিটির চেয়ারপার্সন ও যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আকতার হোসেন বাদল (চাঁদপুর), সাবেক ছাত্রনেতা ও যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সক্রিয় নেতা পারভেজ সাজ্জাদ (চট্টগ্রাম), জাসাসের কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক সম্পাদক ও যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক গোলাম ফারুক শাহীন (বরিশাল), বিএনপি নেতা আবুল হাশেম বুলবুল ( ফেনী) অন্যতম।

উল্লেখ্য, ৫ বছর আগে থেকে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির কোন কমিটি না থাকায় সকলেই সাবেক পরিচয়ে কর্মকাণ্ড চালাচ্ছেন। তারা নিজ নিজ এলাকায় সভা-সমাবেশের সমন্বয় করছেন। সাংগঠনিক নেটওয়ার্কেও সক্রিয় রয়েছেন। হাইকমান্ডের বিভক্ত অংশে যোগাযোগ রাখছেন। কেউ কেউ মাঝেমধ্যে লন্ডনে যাতায়াতও করছেন। মনোনয়ন পেলে সরাসরি এলাকায় গিয়ে মাঠে নামবেন বলেও তাদের প্রস্তুতি রয়েছে। তবে সবটাই নির্ভর করছে দলীয় সিদ্ধান্তের ওপর।

বিএনপির কেন্দ্রীয় পর্যায়ের কোন কোন নেতা ইতিমধ্যেই তাদেরকে জানিয়ে দিয়েছেন যে, চেয়ারপার্সনের মুক্তির লক্ষ্যে মার্কিন রাজনীতিতে যারা জোরালো লবিং প্রদর্শনে সক্ষম হবেন, তাদের ভাগ্য প্রসন্ন হবে দেন-দরবার ছাড়াই। এ সংবাদ জানাজানি হবার পর সংশ্লিষ্টরা কংগ্রেসম্যান ছাড়াও রিপাবলিকান নীতি-নির্ধারক এবং ভারতে কানেকশন রয়েছে-এমন রাজনীতিক-কূটনীতিকদের সাথে দেখা-সাক্ষাৎ শুরু করে দিয়েছেন। খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেন-দরবারের লক্ষ্যে তারেক রহমানের তৈরি করা একটি ফাইল নিয়ে তারা দৌড়-ঝাঁপ করছেন।

এ ব্যাপারে গোপনীয়তা রক্ষা করা হচ্ছে। এ ধরনের তৎপরতা কানাডাতেও রয়েছে বলে জানা গেছে। একইসাথে তারেকের পক্ষ থেকে এসব নেতাদের আরও জানিয়ে দেয়া হয়েছে যে, খালেদা জিয়াকে মুক্তি না দিলে নির্বাচনে যাবার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ। এমন দ্বিধা-দ্বন্দ্ব সত্বেও বিএনপির অনেকেই সর্বোচ্চ প্রস্তুতিতে রয়েছেন নির্বাচনের জন্যে। অর্থাৎ বেগম খালেদা জিয়া মুক্তি না পেলেও বিএনপি নামে কেউ যদি নির্বাচনে অংশ নেয়, তাহলে সেখান থেকেই ওই শ্রেণির রাজনীতিবিদরা অংশ নিতে কুণ্ঠাবোধ করবেন না। তারা মনে করছেন, নির্বাচিত হলে খালেদা জিয়ার মুক্তি আন্দোলন জোরদার করা সহজ হবে।

অপরদিকে, আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থীরা নিজ এলাকার সাথে যোগাযোগ রক্ষা করছেন সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে অর্থ-সহায়তার মাধ্যমে। মাঝেমধ্যে তারা এলাকাতেও যাচ্ছেন। একইসাথে দলীয় সভাপতির সুনজরে আসার লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পরিচালনাও করছেন। উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী পরিবারের কাজকর্মের ওপর বিশেষ দৃষ্টি রয়েছে ডিজিটাল বাংলাদেশ’র স্বপ্নদ্রস্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের। তার ‘গুড বুকে’ যারা রয়েছেন তাদের সুপারিশ যাবে সভাপতি শেখ হাসিনার টেবিলে। এর আগে পর্যন্ত কিছুই জানা সম্ভব হবে না নমিনেশনের ব্যাপারে। সেপ্টেম্বরে সভাপতি শেখ হাসিনার জাতিসংঘ সফরের সময়েও সম্ভাব্য প্রার্থীরা শো-ডাউন করবেন বলে শোনা যাচ্ছে।

জাতীয় পার্টি, জাসদ থেকেও মনোনয়ন লাভের চেষ্টা করছেন ডজনখানেক সংগঠক। কেউ কেউ ইতিমধ্যেই বাংলাদেশে চলে গেছেন।  এর মধ্যে রয়েছেন মাহবুবুর রহমান চৌধুরী, আব্দুল মোসাব্বির প্রমুখ। মৌলভীবাজারের একটি আসনের সাবেক এমপি এম এম শাহীনও এখন কুলাউড়ায় রয়েছেন মনোনয়নের প্রত্যাশায়।

বিডি প্রতিদিন

দোহার উপজেলার শ্রেষ্ঠ ইউনিয়ন কুসুমহাটি ইউনিয়ন

দোহার উপজেলার শ্রেষ্ঠ ইউনিয়নের পুরস্কার পেলেন উপজেলার কুসুমহাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো.আমজাদ হোসেন আজাদ। বুধবার দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কার্যালয়ের সভা কক্ষে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় এ বছর শ্রেষ্ঠ ইউনিয়ন পরিষদ হিসাবে নির্বাচিত হন কুসুমহাটি ইউনিয়ন। এ সময়ে অত্র ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষে একটি সম্মাননা স্মারকলিপি ও সার্টিফিকেট গ্রহন করেন চেয়ারম্যান মো. আমজাদ হোসেন আজাদ। স্মা

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপ-সচিব স্থানীয় সরকার ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো.জিয়াউল হক,উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেন,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরোজা আক্তার রিবা, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমী) সালমা খাতুন,দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)সিরাজুল ইসলাম শেখ পিপিএম,ওসি (তদন্ত) ইয়াসিন মুন্সী, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবারপরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা.জসিম উদ্দিন, কুসুমহাটি ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মো. মোতালেব প্রমুখ।

ডিএন কলেজের ছাত্র শিক্ষকের ভুল বোঝাবুঝির অবসান

ঢাকার নবাবগঞ্জের দোহার নবাবগঞ্জ কলেজের ছাত্র সংসদের ছাত্রলীগ সাধারন সম্পাদক নাহিদুল ইসলাম নাদিম ও ডিএন কলেজের প্রিন্সিপাল আনোয়ার হোসেনের সাথে ভুলবোঝাবুঝির অবসান হয়েছে। গত ১১ জুলাই বুধবার দুপুরে দোহার নবাবগঞ্জের নির্বাচিত সাংসদ সালমা ইসলামের যমুনা ফিউচার পার্কের নিজস্ব অফিসে তার সভাপতিত্বে নবাবগঞ্জের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের উপস্থিতে ছাত্র শিক্ষকের মাঝে ছাত্র-সংসদের নির্বাচনের তফসিলের ঘোষণা নিয়ে যে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয় কোলাকুলির মাধ্যমে তার অবসান ঘটে।

এবিষয়ে ছাত্রলীগ নেতা নাহিদুল ইসলাম নাদিম বলেন, প্রিন্সিপাল স্যার আমাদের শুধু শিক্ষাগুরুই নন তিনি আমার বাবার মত, তার সাথে যদি কোনো আমার ভুলক্রমে কিছু হয়ে থাকে তার জন্য আমি ক্ষমাপ্রার্থনা করছি।

ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, ছাত্ররা হচ্ছে আমার সন্তান সমতুল্য। যখন তাদের ভুল বুঝতে পেরে নিজেদেরকে অপরাধী মনে করে ক্ষমা প্রার্থনা করে। ক্ষমা করা ছাড়া তখন আর কোন কিছু থাকেনা। নাদিম একজন ভাল ছেলে । এসময় গভর্নিং বডির সকল কর্মকর্তার পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন জাতীয় কমিটির সদস্য আব্দুল বাতেন মিয়া, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি নাসির উদ্দিন ঝিলু, , কলাকোপ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ইব্রাহীম খলিল,ঢাকা জেলা পরিষদের সদস্য ও উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এসএম সাইফুল ইসলাম, শোভন শিকদার, আসাদসহ বিভিন্ন ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ।

উল্লেখ্য ছাত্র সংসদ নির্বাচনের দাবিতে ঢাকার দোহার-নবাবগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. আনোয়ার হোসেনকে টেনেহিঁচড়ে বের করে পিটিয়ে আহত করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টার দিকে দোহার-নবাবগঞ্জ কলেজে এ ঘটনা ঘটে। একই সঙ্গে অধ্যক্ষের কক্ষে ভাঙচুর করে তাণ্ডব চালায় ছাত্রলীগ। গতকাল কলেজ ছাত্রসংসদ নির্বাচন সাময়িকভাবে স্থগিত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হলে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে ছাত্রলীগ।

বাংলাবাজার খালে সেতু হলে পাল্টে যাবে যোগাযোগের চালচিত্র

ঢাকার নবাবগঞ্জ থেকে মানিকগঞ্জ, সাভার, ধামরাই এবং এয়ারপোর্ট যাওয়ার সহজ পথ হচ্ছে বান্দুরা থেকে বাংলাবাজার হয়ে জামশা সড়ক। অথচ বান্দুরা-বাংলাবাজার-জামশা সড়কে মাত্র একটি সেতুর অভাবে সেই সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এলাকাবাসী। উপজেলা নয়নশ্রী ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রবাহিত এই খালটি বাংলাবাজারকে দুই ভাগে বিভক্ত করেছে। বান্দুরার ইছামতি নদী হতে শুরু হয়ে বালুখন্ডের কালিগঙ্গা নদীতে মিলিত হয়েছে খালটি। খালের উপর কোন সেতু না থাকায় বিভিন্ন ক্ষেত্রে পিছিয়ে রয়েছে স্থানীয়রা।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, খালটিতে কোন পানি নেই। খালের মধ্যে মাটি ফেলে অস্থায়ী কাঁচা সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে। অথচ খালের দু’পাশে পাকা সড়ক। কয়েকটি অটো ঝুঁকি কাঁচা সড়কটি দিয়ে খালটি পাড় হচ্ছে। অটো ও মোটর সাইকেল চলাচল করতে পারলেও খালের উপর সেতু না থাকায় ভাড়ি যানবাহন চলাচল করতে পারে।

বাংলাবাজার মডার্ন কিন্ডার গার্টেন এর শিক্ষক ইউসুফ রানা বলেন, বাংলাবাজারের উত্তর পাশ থেকে অনেক শিক্ষার্থীরা আমাদের স্কুলে পড়তে আসে। শুষ্ক মৌসূমে অসুবিধা না হলেও বর্ষা ও বৃষ্টি হলে শিক্ষার্থীদের আসতে খুব কষ্ট করতে হয়। খালটি পায়ে হেঁটে পার হয়ে সর্বোচ্চ ২ মিনিট লাগবে। অথচ শিক্ষার্থীদের প্রায় ১০/১৫ মিনিট ঘুরে আসতে হয়। খালটির উপর একটি ব্রিজের দাবি আমাদের দীর্ঘদিনের।

অটোরিক্সা চালক মজনু মিয়া বলেন, আমরা যাত্রী নিয়ে বান্দুৃরা থেকে এসে বাংলাবাজার খালের এপার নামিয়ে দেই। যাত্রীদের আবার খাল পাড় হয়ে উত্তর পাশে দিয়ে অটোর জন্য দাঁড়িয়ে থাকেত হয়। ব্রিজটি হলে আমরা সরাসরি জামশা যেতে পারতাম। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়ে যাত্রীরা। আবার যাত্রীর অভাবে আমাদেরকেও দীর্ঘক্ষণ বসে থাকতে হয়।

নয়নশ্রী ইউপি চেয়রম্যান রিপন মোল্লা বলেন, নবাবগঞ্জের উত্তরাঞ্চলের যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি শুধু মাত্র একটি ব্রিজের কারনে যথাযথ ব্যবহার করা যাচ্ছে না। আমি এমপি মহাদয় ও উপজেলা প্রকৌশলীর সাথে কথা বলেছি। ওনারা ব্রিজটির ব্যাপারে খুব আন্তরিত। আশা করি অতি শীঘ্রই ব্রিজটির ব্যাপারে সুখবর পাব। এই ব্রিজটি হলে এলাকার বিপুল উন্নয়ন হবে বলে জানান তিনি।

নবাবগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী শাহজাহান ভূইয়া বলেন, বাংলাবাজার খালের উপর ব্রিজের ব্যাপারে আমি অবগত। পর্যায়ক্রমে ব্রিজটি নির্মাণ করা হবে।