হাইকোর্টের ২১ বিচারপতির শপথগ্রহণ

0

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর নিয়োগ পাওয়া ২১ জন বিচারপতি হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন। বুধবার দুপুরে সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ তাদের শপথবাক্য পাঠ করান।

শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী। এ সময় আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গতকাল মঙ্গলবার জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর নিয়োগ পাওয়া হাইকোর্টের ২২ অতিরিক্ত বিচারপতিকে স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেয় সরকার।

তারা হলেন বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদার, সৈয়দ এনায়েত হোসেন, মো. মনসুর আলম, সৈয়দ জাহেদ মনসুর, কে এম রাশেদুজ্জামান রাজা, মো. যাবিদ হোসেন, মুবিনা আসাফ, কাজী ওয়ালিউল ইসলাম, আইনুন নাহার সিদ্দিকা, মো. আবদুল মান্নান, তামান্না রহমান খালিদী, মো. শফিউল আলম মাহমুদ, মো. হামিদুর রহমান, নাসরিন আক্তার, সাথীকা হোসেন, সৈয়দ মোহাম্মদ তাজরুল হোসেন, মো. তৌফিক ইনাম, ইউসুফ আব্দুল্লাহ সুমন, শেখ তাহসিন আলী, ফয়েজ আহমেদ, মো. সগীর হোসেন, শিকদার মাহমুদুর রাজী। তাদের মধ্যে বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেন অসুস্থ থাকায় আজ শপথ নেননি।

একই সময়ে নিয়োগ পাওয়া বিএনপি নেতা নিতাই রায় চৌধুরীর ছেলে বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর বয়স ৪৫ বছর পূর্ণ না হওয়ায় তাকে স্থায়ী করা হয়নি। পরে তাকে স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হবে বলে সুপ্রিম কোর্ট থেকে জানানো হয়েছে।

এর আগে ২০২৪ সালের ৯ অক্টোবর ২৩ জনকে হাইকোর্টের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেয় সরকার। ২৩ জনের মধ্যে দেবাশীষ রায় চৌধুরী ছিলেন।

নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার নিষিদ্ধ: নির্বাচন কমিশন (ইসি)

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটের প্রচারণায় প্রথমবারের মতো পোস্টার ব্যবহার পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি ড্রোন ব্যবহার এবং বিদেশে যে কোনো ধরনের প্রচারণা কার্যক্রমেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

সোমবার (১১ নভেম্বর) রাতে ইসি নতুন বিধিমালা গেজেট আকারে প্রকাশ করেছে। এই বিধিমালা নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সুপারিশ ও ২০০৮ সালের আচরণবিধির সঙ্গে সমন্বয় রেখে প্রণয়ন করা হয়েছে।

বিধিমালা অনুযায়ী, পরিবেশ দূষণ রোধ ও ব্যয় নিয়ন্ত্রণের জন্য নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহার একেবারেই নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া প্রার্থীর পক্ষে ২০টির বেশি বিলবোর্ড, ব্যানার বা ফেস্টুন ব্যবহার করা যাবে না।

ইসি জানিয়েছে, ‘ড্রোন ব্যবহার ও বিদেশে প্রচারণা কার্যক্রমে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা থাকবে।’

নতুন বিধিমালায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও কঠোর নিয়ন্ত্রণ আনা হয়েছে। অসৎ উদ্দেশ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে প্রচারণা চালানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

প্রার্থীদের এখন থেকে আচরণবিধি মেনে চলার অঙ্গীকারনামা ইসিতে জমা দিতে হবে। এছাড়া প্রথমবারের মতো সব প্রার্থীকে একই মঞ্চে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করতে হবে।

বিধিমালা লঙ্ঘন করলে কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। কোনো প্রার্থী আচরণবিধি ভঙ্গ করলে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড ও দেড় লাখ টাকা জরিমানা হতে পারে। রাজনৈতিক দলের ক্ষেত্রেও দেড় লাখ টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে। গুরুতর লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে তদন্তের পর প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করার ক্ষমতাও ইসিকে দেওয়া হয়েছে।

আমি রাজনীতি করতে এসেছি দেশ ও মানুষের জন্য: ঢাকা -১৭ আসনে প্রার্থী দোহারের হায়দার বেপারী

0

“আমি রাজনীতি করতে এসেছি দেশ ও মানুষের জন্য, ক্ষমতার লোভে নয়” — ফ্রান্সপ্রবাসী দোহারের সন্তান, তৃণমূল বিএনপির ইউরোপীয় ইউনিয়নের সভাপতি ও ঢাকা-১৭ আসনের তৃণমূল বিএনপি প্রার্থী প্রত্যাশী মো: হায়দার আলী বেপারী।

সাক্ষাৎকার নিয়েছেন: নিউজ ৩৯ এর স্টাফ রিপোর্টার ও দোহার প্রেসক্লাবের সদস্য, সিনিয়র সাংবাদিক মাহমুদুল হাসান সুমন।
স্থান: প্যারিস ও অনলাইন (ভিডিও কলের মাধ্যমে)

নিউজ ৩৯:
প্রথমেই ধন্যবাদ আপনাকে নিউজ ৩৯কে সময় দেওয়ার জন্য। কেমন আছেন?

মো: হায়দার আলী বেপারী :যে যেখান থেকে আমার এ বক্তব্য শুনছেন,সকলকে সালাম জানাচ্ছি, আসসালামু আলাইকুম। আপনাকেও ধন্যবাদ। আমি ভালো আছি।

নিউজ ৩৯: জানতে চাই—আপনি একজন ফ্রান্সপ্রবাসী, সফল প্রবাস জীবন ছেড়ে বাংলাদেশে রাজনীতিতে আসার প্রেরণা কী?

মো: হায়দার আলী বেপারী :
আমি জন্মেছি দোহারের মাটিতে, বেড়ে উঠেছি সেই গ্রামীণ পরিবেশে। প্রবাসে দীর্ঘদিন ধরে দেশের কথা, মানুষের কষ্টের কথা ভেবে কষ্ট পেয়েছি। আমি বিশ্বাস করি, পরিবর্তন আনতে হলে শুধু সমালোচনা নয়—নিজেকে মাঠে নামাতে হয়। তাই আমি তৃণমূল বিএনপির রাজনীতির মাধ্যমে সক্রিয়ভাবে মানুষের পাশে দাঁড়াতে চাই। আমি রাজনীতি করতে এসেছি দেশ ও মানুষের কল্যাণের জন্য, ক্ষমতার লোভে নয়।

নিউজ ৩৯:
ঢাকা-১৭ আসন একটি অভিজাত এলাকা হিসেবে পরিচিত—গুলশান, বনানী, বারিধারা, মহাখালী, নিকেতন, শাহজাদপুর ও ক্যান্টনমেন্ট এলাকা নিয়ে গঠিত। এই এলাকায় প্রতিযোগিতা কঠিন হবে। আপনি কীভাবে এখানে নিজেকে প্রার্থী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চান?

মো: হায়দার আলী বেপারী :
আপনি ঠিকই বলেছেন—ঢাকা-১৭ একটি গুরুত্বপূর্ণ আসন। এখানে দেশের অর্থনীতি, কূটনীতি, এবং নাগরিক সংস্কৃতির মিলন ঘটেছে। তবে আমি শুধু অভিজাত এলাকার ভোটারদের নয়—প্রতিটি ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষ, শ্রমজীবী, চাকরিজীবী, রিকশাচালক, গৃহকর্মী—সবাইকে নিয়েই কাজ করতে চাই। আমার মূল লক্ষ্য হলো “জনগণের প্রতিনিধি” হওয়া, কোনো শ্রেণির প্রতিনিধি নয়। আমি বিশ্বাস করি, আন্তরিকতা ও স্বচ্ছ রাজনীতি দিয়ে এখানকার মানুষের আস্থা অর্জন করা সম্ভব।

নিউজ ৩৯:
আপনি তৃণমূল বিএনপির রাজনীতি করছেন। এই দলটি তুলনামূলকভাবে নতুন, কিন্তু মাঠে কর্মী বাড়ছে। আপনি কীভাবে এই দলটিকে সংগঠিত করতে চান?

মো: হায়দার আলী বেপারী :
তৃণমূল বিএনপি মানুষের হতাশা ও পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা থেকে জন্ম নেওয়া একটি আন্দোলন। আমরা বিশ্বাস করি, রাজনীতি মানে সেবা—দুর্নীতি বা সুবিধাবাদ নয়। আমি দেশে এবং প্রবাসে থাকা তরুণ ও অভিজ্ঞ মানুষদের নিয়ে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে চাই।
ফ্রান্সসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে আমাদের প্রবাসী কমিউনিটি এখন তৃণমূল বিএনপির পাশে দাঁড়িয়েছে। দেশে ফিরে আমি ঢাকা-১৭-এর প্রতিটি ওয়ার্ডে “মানুষের সমস্যা শুনুন, সমাধান দিন” প্রোগ্রাম চালু করতে চাই।

নিউজ ৩৯:
আপনার নির্বাচনী ইশতেহারে কী কী বিষয় অগ্রাধিকার পাবে?

মো:হায়দার আলী বেপারী :
আমার ইশতেহারে চারটি মূল অগ্রাধিকার থাকবে—

১️⃣ জনগণের অংশগ্রহণমূলক উন্নয়ন: নাগরিকদের মতামত নিয়ে বাজেট পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন।
২️⃣ যুবশক্তি ও কর্মসংস্থান: আইটি, ফ্রিল্যান্সিং ও স্টার্টআপে প্রশিক্ষণ ও সহায়তা।
৩️⃣ স্বচ্ছ ও নৈতিক রাজনীতি: দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন ও রাজনৈতিক জবাবদিহিতা।
৪️⃣ প্রবাসী বাংলাদেশিদের সম্পৃক্ততা: প্রবাসীদের বিনিয়োগ ও উন্নয়ন সহযোগিতার পথ সহজ করা।

নিউজ ৩৯:
আপনি দীর্ঘদিন ফ্রান্সে আছেন। প্রবাস জীবন থেকে আপনি বাংলাদেশের রাজনীতিতে কী শিখেছেন বলে মনে করেন?

মো:হায়দার আলী বেপারী :
বিদেশে থেকে আমি দেখেছি—রাষ্ট্র তখনই এগিয়ে যায়, যখন সিস্টেম শক্তিশালী হয়। ফ্রান্সে নাগরিকদের মতামত, জবাবদিহিতা, এবং নৈতিক নেতৃত্বের ওপর জোর দেওয়া হয়। আমি চাই বাংলাদেশেও এমন সংস্কৃতি গড়ে উঠুক। প্রবাসীরা শুধু রেমিট্যান্স পাঠায় না—তারা পরিবর্তনের দূত। আমি সেই দূতের ভূমিকা পালন করতে চাই।

নিউজ ৩৯:
বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে আপনার বিশ্লেষণ কী?

মো:হায়দার আলী বেপারী :
বাংলাদেশে এখন মানুষ রাজনীতিতে আস্থা হারাচ্ছে—এটাই সবচেয়ে বড় সংকট। আমি মনে করি, এই আস্থা ফিরিয়ে আনতে নতুন ধরনের রাজনীতি দরকার—যেখানে থাকবে সততা, দায়িত্ববোধ, এবং জনসম্পৃক্ততা। তৃণমূল বিএনপি সেটাই করতে চায়। আমরা “মানুষ আগে, দল পরে” এই নীতিতে বিশ্বাস করি।

নিউজ ৩৯:
ঢাকা-১৭ এর ভোটারদের উদ্দেশ্যে আপনার বার্তা কী হবে?

মো: হায়দার আলী বেপারী :
আমার বার্তা খুব সরল—আমি আপনাদের একজন। আমি হয়তো প্রবাসে থেকেছি,কিন্তু আমার মন পরে আছে দেশে।দেশের জন্য আমি কিছু করতে চাই।

নিউজ ৩৯:
আপনার নির্বাচনী ইশতেহার কেমন হবে,ধারনা চাচ্ছি।

মো:হায়দার আলী বেপারী:ধন্যবাদ।অবশ্যই জানবেন। আপনার মাধ্যমে আমার ঢাকা ১৭ আসনের জনগণকেও জানাচ্ছি।

০১.আধুনিক ও পরিকল্পিত নগর উন্নয়ন:
#গুলশান, বনানী, বারিধারা ও মহাখালীর রাস্তাঘাট সংস্কার ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন।
#ফুটপাত, পার্কিং ও হেঁটে চলার উপযোগী শহর পরিকল্পনা।
#বারিধারা-গুলশান লেক পুনরুদ্ধার ও নান্দনিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি।
#ভবিষ্যত শহর পরিকল্পনায় নাগরিক পরামর্শ কমিটি গঠন।

২. ট্রাফিক ও গণপরিবহন সমাধান:
#স্থানীয় রুটে “স্মার্ট বাস সার্ভিস” চালু।
#স্কুল ও অফিস সময়ের জন্য নির্দিষ্ট ট্রাফিক জোন।
#রাইডশেয়ার ও ইলেকট্রিক ভেহিকল ব্যবহারে প্রণোদনা।
#সিগন্যাল ও ক্যামেরা-ভিত্তিক স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ।

৩. স্বাস্থ্য ও জনকল্যাণ:
#প্রতিটি ওয়ার্ডে ২৪ ঘণ্টা হেলথকেয়ার সেন্টার।
#বার্ধক্যজনিত ও মানসিক স্বাস্থ্যের বিশেষ উদ্যোগ।
#শহরের ক্লিনিক ও ফার্মেসিতে মান নিয়ন্ত্রণ।
#স্থানীয় ক্লাব ও পার্কে “ফিটনেস জোন” স্থাপন।

৪. পরিবেশ ও সবুজ ঢাকা:
#গুলশান লেক, বনানী লেক ও ক্যান্টনমেন্টের সবুজ এলাকা সংরক্ষণ।
#প্লাস্টিক বর্জ্য হ্রাসে কমিউনিটি রিসাইক্লিং উদ্যোগ।
#ছাদের বাগান ও সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে উৎসাহ।
#প্রতি বছর “সবুজ ঢাকা-১৭” বৃক্ষরোপণ অভিযান।

৫. বিদ্যুৎ, পানি ও গ্যাস ব্যবস্থাপনা:
#নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিতকরণ।
#পানি সংকটমুক্ত মহল্লা গড়তে স্মার্ট মিটারিং সিস্টেম।
#গ্যাস বিতরণে জবাবদিহিমূলক অনলাইন অভিযোগ ব্যবস্থা।

৬. কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন:
#তরুণদের জন্য “স্টার্টআপ সাপোর্ট হাব”।
#নারী উদ্যোক্তাদের জন্য মাইক্রো লোন ও অনলাইন মার্কেটপ্লেস সংযোগ।
#ফ্রিল্যান্সারদের জন্য কো-ওয়ার্কিং স্পেস ও প্রশিক্ষণ।
#শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান-শিল্প প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ইন্টার্নশিপ নেটওয়ার্ক।

৭. শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন:
#স্কুলে কোডিং, রোবোটিক্স ও ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন।
#সরকারি স্কুলগুলোর মানোন্নয়ন ও ইংরেজি মাধ্যমের বিকল্প তৈরি।
#শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব ও নাগরিক সচেতনতা কর্মসূচি।

৮. নাগরিক নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা:
#সিসিটিভি কভারেজ ১০০% নিশ্চিত।
#নারী ও শিশুদের নিরাপত্তায় বিশেষ টহল ব্যবস্থা।
#স্থানীয় বাসিন্দাদের অংশগ্রহণে “কমিউনিটি পুলিশিং” জোরদার।

৯. সংস্কৃতি, ক্রীড়া ও নাগরিক জীবন:
#গুলশান ও মহাখালীতে আধুনিক কমিউনিটি সেন্টার।
#স্থানীয় শিল্পী ও সংগীতশিল্পীদের জন্য “ঢাকা-১৭ সাংস্কৃতিক উৎসব”।
#খেলাধুলা ও তরুণ নেতৃত্ব বিকাশে ক্লাব পুনরুজ্জীবন।

১০. সুশাসন ও জবাবদিহিতা:
#“জনঅভিযোগ হেল্পলাইন” চালু করে সরাসরি জবাবদিহিতা।
#অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে কাজের অগ্রগতি প্রকাশ।
#নাগরিকদের সাথে মাসিক ওপেন মিটিং।
#উন্নয়ন তহবিলের স্বচ্ছ ব্যবহার নিশ্চিতে বার্ষিক রিপোর্ট।

আমার প্রতিশ্রুতি:
আমি “স্মার্ট ঢাকা-১৭” গড়ব — যেখানে নাগরিক সুবিধা, নিরাপত্তা ও পরিবেশ একসাথে সমন্বিত হবে।
আমি রাজনীতি করব জনগণের জন্য, ক্ষমতার জন্য নয়।
আমি বিশ্বাস করি: উন্নত দেশ গড়তে হলে প্রথমে উন্নত সংসদীয় এলাকা তৈরি করতে হবে।আমি সকলের দোয়া চাই।আসসালামু আলাইকুম।

আজ শহীদ নূর হোসেন দিবস

0

নব্বইয়ের দশকের শেষ ভাগে তৎকালীন স্বৈরশাসকের পতন ঘটানো শহীদ নূর হোসেন দিবস আজ।

১৯৮৭ সালের এই দিনে নূর হোসেনের রক্তে রঞ্জিত হয়ে ঢাকার রাজপথ। গণতন্ত্রকামী মানুষের আন্দোলনকে অনিবার্য পরিণতির দিকে এগিয়ে নিয়ে যায় দার সেই আত্মত্যাগ।

নিজের শরীরে ‘গণতন্ত্র মুক্তি পাক, স্বৈরাচার নিপাত যাক’ লিখে বিক্ষোভ করছিলেন। এমন সময়ই তাকে গুলি করে বসে পুলিশ। তার এ প্রয়াণ দিবস গণতন্ত্র মুক্তি দিবস হিসেবেও পালিত হয়ে আসছে।

১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর ছিল সামরিক স্বৈরশাসকের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ জনতার উত্তাল আন্দোলনের এক দিন। এই দিনে নূর হোসেন ছাড়াও যুবলীগের আরেক নেতা নূরুল হুদা বাবুল এবং কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরের ক্ষেতমজুর নেতা আমিনুল হুদা টিটো শহীদ হন। সেদিন হাজারো প্রতিবাদী যুবকের সঙ্গে জীবন পোস্টার হয়ে রাজপথে নেমে এসেছিলেন নূর হোসেনও। নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আজ দিবসটি পালন করবে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন।

গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে সেই সময়ের অকুতোভয় এই নূর হোসেনদের জন্যই প্রবল শক্তিশালী স্বৈরশক্তিও মাথনত করতে বাধ্য হয়। স্বৈরাচারের লেলিয়ে দেওয়া বাহিনী নির্বিচারে গুলি চালিয়ে নূর হোসেনের বুক ঝাঁঝরা করে দেয়। তার আত্মত্যাগে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন আরও বেগবান ও তিন জোটের সংগ্রাম অপ্রতিরোধ্য রূপ লাভ করে।

নারিশায় উঠান বৈঠকে খোন্দকার আবু আশফাক- জনগণের ভোটেই পরিবর্তন আসবে

মোঃ আল-আমিন (দোহার): ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার নারিশা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের (ঝুনকি) গ্রামের উদ্যোগে এক নির্বাচনী উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (৮ই নভেম্বর) এশারের নামাজের পর আব্দুল হান্নান বেপারীর বাড়ির উঠানে এ উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দোহার উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আব্দুল হান্নান বেপারী, এবং প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি ও ঢাকা-১ (দোহার-নবাবগঞ্জ) আসনের বিএনপির মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী খন্দকার আবু আশফাক।

এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাসুদ পারভেজ, ঢাকা জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও যুবদল নেতা হাসেম বেপারী, জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন মোল্লা, দোহার উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের সকল অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ বিপুল সংখ্যক স্থানীয় নেতা-কর্মী ও গ্রামবাসী।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে খন্দকার আবু আশফাক বলেন:“দোহার-নবাবগঞ্জবাসী অনেকদিন ধরে অবহেলিত। জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনতে আমরা মাঠে নেমেছি। এই দেশ, এই আসন, এই জনগণ বিএনপির। ইনশাআল্লাহ, জনগণের ভোটেই পরিবর্তন আসবে। আমরা একটি সুষ্ঠু, অংশগ্রহণমূলক ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য লড়ছি। এই লড়াই জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই।”

তিনি আরও বলেন,
“বিএনপি জনগণের পাশে আছে এবং থাকবে। দোহার-নবাবগঞ্জের প্রতিটি ইউনিয়ন, প্রতিটি গ্রাম, প্রতিটি পরিবারে আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে উন্নয়ন, ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার। আপনারা ঐক্যবদ্ধ থাকুন, ধৈর্য ধরুন—বিজয় আমাদের হবেই।”

উঠান বৈঠকে স্থানীয় নেতা-কর্মী ছাড়াও এলাকাবাসীর ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। উপস্থিত সবাই প্রধান অতিথিকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান এবং বিএনপির পক্ষে ঐক্যবদ্ধ থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

সুতারপাড়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডে উঠান বৈঠক ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মোঃ আল-আমিন (দোহার): ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার সুতারপাড়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের উদ্যোগে উঠান বৈঠক ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (৮ই নভেম্বর) সন্ধ্যায় ইউনিয়নের ডাইয়ারকুম, ডায়াগজারিয়া, মারুয়া পোতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১ (দোহার-নবাবগঞ্জ) আসনে বিএনপির দলীয় প্রার্থী ও ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাক।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন—
দোহার উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাসুদ পারভেজ,ঢাকা জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি হাসেম বেপারী, জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন মোল্লা, সুতারপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, দোহার উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা নাসির মোল্লা, ইউনিয়ন যুবদল নেতা আবদুর রহমান ফকির এবং দোহার থানার যুবদল নেতা রহুল আমিনসহ স্থানীয় বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের অসংখ্য নেতাকর্মী।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে খন্দকার আবু আশফাক বলেন:“আজ জনগণ আর ভয় পায় না, তারা পরিবর্তন চায়। বিএনপি জনগণের দল, আমরা মাঠে আছি জনগণের অধিকার ফেরাতে। দোহার-নবাবগঞ্জের মানুষ পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত, ইনশাআল্লাহ আগামী নির্বাচন হবে গণজাগরণের নির্বাচন। আমি জনগণের পাশে আছি, থাকব— যত বাধাই আসুক না কেন।”

তিনি আরও বলেন,“নির্বাচনে জয়-পরাজয় নয়, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো মানুষের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া। তাই সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকুন, সংগঠনের শক্তিই আমাদের মূল ভরসা।”

সভায় বক্তারা বলেন, দোহার-নবাবগঞ্জে বিএনপি আবারও জনআন্দোলনের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে দলকে আরও সংগঠিত করতে এই ধরনের উঠান বৈঠক অব্যাহত থাকবে।

সভা শেষে দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করা হয়।

যানবাহন চলাচলের জন্য চালু হলো টিটিপাড়া আন্ডারপাস

0

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর টিটিপাড়া আন্ডারপাস সর্বসাধারণের যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। শনিবার (৮ নভেম্বর) সকাল ১০টা থেকে এটি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয় বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।

সকালে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের নিয়োজিত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. শেখ মইনউদ্দিন পরিদর্শনে গিয়ে এটি চালু করার নির্দেশ দেন।

একপাশে অতিশী দীপঙ্কর রোড, আরেক পাশে কমলাপুর আউটার সার্কুলার রোড— মাঝখানে এই টিটিপাড়ার লেভেল ক্রসিং। সড়কপথের যানবাহন ও ট্রেন চলাচল নির্বিঘ্ন করতে লেভেল ক্রসিংটিকে আন্ডারপাসে রূপান্তর করা হয়। এ কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল রাজধানীর ব্যস্ত এই সংযোগপথ। ফলে অফিসগামী, শিক্ষার্থী এবং শহরের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে যাতায়াতকারী লাখো মানুষকে ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে।

পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের আওতায় প্রায় দুই বছরের কর্মযজ্ঞ শেষে তৈরি হয়েছে এই আন্ডারপাস। নিচ দিয়ে ছয় লেনের সড়কের মধ্যে চার লেন থাকবে যান্ত্রিক যানবাহনের জন্য। পাঁচ মিটার উচ্চতার গাড়ি নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারবে এই পথে। দুই পাশে রিকশা ও সাইকেলের জন্য আলাদা লেনের পাশাপাশি পথচারীদের জন্য রাখা হয়েছে প্রশস্ত ফুটপাত।

প্যাডেলচালিত যানবাহনের জন্য ঢাল কম রাখতে দুই পাশের লেন মাঝের চার লেনের তুলনায় কিছুটা উঁচু করা হয়েছে। এখন ওপরে ট্রেন আর নিচে অন্যান্য যানবাহনের চলাচল হবে বাধাহীনভাবে। রোড মার্কিং, মাঝের ডিভাইডারে ফুলের গাছ, সড়কের দুই পাশে ল্যাম্পপোস্ট— সব মিলিয়ে আন্ডারপাসটি এখন চোখে পড়ার মতো সৌন্দর্য পেয়েছে।

মূল সড়ক থেকে ১১ মিটার নিচ দিয়ে তৈরি এই আন্ডারপাসে বর্ষাকালে যেন পানি না জমে— এমন আধুনিক নিষ্কাশন ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

ঢাকা-১ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পাওয়ায় খন্দকার আবু আশফাককে নবাবগঞ্জ ছাত্রদলের শুভেচ্ছা

নবাবগঞ্জ (ঢাকা): আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১ (দোহার-নবাবগঞ্জ) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর পক্ষ থেকে মনোনয়ন পাওয়ায় ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাককে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছে নবাবগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদল।

শুভেচ্ছা জ্ঞাপনের সময় উপস্থিত ছিলেন নবাবগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি ইশতিয়াক আহমেদ চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক সুমন খান, এবং ছাত্রদল নেতা আসিফ হোসেন, ইমন আহমেদসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

ছাত্রদল নেতারা বলেন, খন্দকার আবু আশফাক দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থেকে তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনকে শক্তিশালী করেছেন। তাঁর অভিজ্ঞতা ও জনপ্রিয়তা তাঁকে ঢাকা-১ আসনের যোগ্য প্রার্থী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

তারা আশা প্রকাশ করেন, জনগণের বিপুল সমর্থন নিয়ে খন্দকার আবু আশফাক বিজয়ী হবেন এবং দোহার-নবাবগঞ্জ অঞ্চলের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।

নবাবগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা জানান, তারা ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষে সর্বাত্মকভাবে কাজ করবেন এবং নির্বাচনে বিজয় নিশ্চিত করতে মাঠে থাকবে সর্বদা।

১৫ নভেম্বরের মধ্যে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করবে এনসিপি

আসন্ন জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে আগামী ১৫ই নভেম্বরের মধ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করবে।

আজ বুধবার (৫ই নভেম্বর) সকালে নারায়ণগঞ্জে এক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি একথা বলেন।

এখন পর্যন্ত এককভাবে নির্বাচনে যাওয়ার প্রস্তুতি নিলেও ‘জুলাই সনদে’ কোনো দলের সাথে মিল হলে ঐক্যের বিষয়টি ভাবা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

নাহিদ ইসলাম আরও জানান, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় যারা অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন, তাদের প্রতি সম্মান জানিয়ে কয়েকটি আসনে প্রার্থী না দেয়ার কথাও ভাবছে তার দল।

তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া আহত যোদ্ধাদের নিরাপত্তা ঝুঁকি রয়েছে। নির্বাচনী ডামাডোলে তাদের নিরাপত্তার বিষয়টি যেন উপেক্ষিত না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখার জন্যও তিনি আহ্বান জানান।

ভোটারপ্রতি ১০ টাকা ব্যয় করতে পারবেন প্রার্থী

একজন সংসদ সদস্য প্রার্থীর নির্বাচনী ব্যয় ভোটার প্রতি ১০ টাকা হার নির্ধারণ করা হয়েছে। এর থেকে বেশি খরচ করলে ওই প্রার্থীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে পারবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

সোমবার (৩ নভেম্বর) আইন মন্ত্রণালয় এ অধ্যাদেশ গেজেট আকারে প্রকাশ করে।

এবারের সংশোধনায় নির্বাচনী ব্যয় ও রাজনৈতিক দলের অর্থ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হয়েছে।

অনুদান হিসেবে প্রাপ্ত অর্থের বিস্তারিত তালিকা প্রকাশের জন্য বিশেষভাবে নির্দেশনা যোগ করা হয়েছে, যা প্রার্থীরা তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করবেন।

চূড়ান্ত আরপিও-র অনুচ্ছেদ ৪৪-এ নতুন সংযোজন অনুসারে, প্রার্থীর নির্বাচনি ব্যয় ভোটার প্রতি সর্বোচ্চ ১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়াও অনুচ্ছেদ ১৩-এ প্রার্থী হতে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দিতে হবে ৫০ হাজার টাকা জামানত, যা আগে ২০ হাজার টাকা ছিল।

এ পদক্ষেপের মাধ্যমে নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও খরচ নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়ায় সমতা নিশ্চিত করা হবে বলে আইন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।