নাজমুল হুদার মনোনয়নপত্র বাতিল

0

ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। রোববার (২ ডিসেম্বর) রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক তার মনোনয়নপত্রটি বাতিল করেন।

জানা গেছে, হলফনামায় তিনি নিজেকে মহাজোটের প্রার্থী বললেও তিনি মহাজোট প্রধানের চিঠি দেখাতে পারেন নি। এরপর তিনি রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে নিজেকে সতন্ত্র প্রার্থী দাবি করলেও হলফ নামার সাথে তার কথার মিল না থাকায় তার মনোনয়ন পত্র বাতিল ঘোষনা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। এছাড়া ঋণখেলাপীর অভিযোগেও ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার মনোনয়ন বাতিল হওয়ার অন্যতম কারন। । এদিকে ওই আসন থেকে মনোনয়ন কিনেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।

সালমান এফ রহমানের মনোনয়নপত্র বৈধ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি উন্নয়ন বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের মনোনয়ন পত্র বৈধ ঘোষনা করেছে ঢাকা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা। আজ রবিবার দুপুর সাড়ে বারোটায় তার মনোনয়ন পত্র বৈধ ঘোষনা করা হয়। দুপুর সাড়ে বারোটায় ঘোষনা করা এই ঘোষনার সময় সালমান এফ রহমানের পক্ষ থেকে তার প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

২০০১ সালের পর ভোটের মাঠের লড়াইয়ে সালমান এফ রহমান। সেবার মাত্র ২০০০ ভোটের ব্যবধানে পরাজয় বরন করেছিলেন তৎকালীন বিএনপি নেতা ও সাবেক যোগাযোগ মন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার কাছে। ১৭ বছর পর আবার নির্বাচনে অংশ নিতে যাচ্ছেন এই বর্ষিয়াব ব্যবসায়ী নেতা।

ফাহিমা হোসাইন জুবলীর মনোনয়ন অবৈধ

বিএনপি নেত্রী ও ইডেন কলেজের সাবেক ছাত্রদল নেত্রী ফাহিমা হোসাইন জুবলীর মনোনয়ন পত্র অবৈধ ঘোষনা করেছে ঢাকা জেলা রিটার্নিং অফিসার। আজ সকালে মনোনয়ন পত্র বাছাইয়ের সময় ফাহিমা হোসাইন জুবলির মনোনয়ন পত্র অবৈধ ঘোষনা করে ঢাকা জেলা রিটার্নিং অফিসার। এই সময় ফাহিমা হোসাইন জুবলির প্রতিনিধি হিসাবে মনোনয়নপত্র বাছাই প্রকৃয়ায় অংশ নেন দোহার উপজেলা যুবদল নেতা সাজ্জাদ হোসাইন হিটু মোল্লা। তিনি নিউজ৩৯কে মনোনয়ন পত্র অবৈধ ঘোষনাকে কেন্দ্র করে বলেন, এই সরকার চায় না বিএনপি নির্বাচনে অংশ নিক। নির্বাচন কমিশনে পাঠানো বিএনপির চিঠিতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সাক্ষরের সাথে মনোনয়ন পত্রে সংযুক্ত করা ফাহিমা হোসাইন জুবলির বিএনপির মনোনয়ন পত্রের চিঠির সাথে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সাক্ষরের মিল না থাকায় তার মনোনয়ন পত্র বাতিল করা হয়েছে। আমরা উচ্চ আদালতে যাচ্ছি। উচ্চ আদালতের রায় সাথে নিয়ে এসেই আমরা এর মোকাবেলা করবো।

খন্দকার আবু আশফাকের মনোনয়ন অবৈধ

 

ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক ও নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সদ্য সাবেক চেয়ারম্যান খন্দকার আবু আশফাকের মনোনয়ন পত্র অবৈধ ঘোষনা করেছে ঢাকা জেলা রিটার্নিং অফিসার। আজ সকালে মনোনয়ন পত্র বাছাইয়ের সময় খন্দকার আবু আশফাকের মনোনয়ন পত্র অবৈধ ঘোষনা করে ঢাকা জেলা রিটার্নিং অফিসার। এই সময় খন্দকার আবু আশফাকের প্রতিনিধি হিসাবে মনোনয়নপত্র বাছাই প্রকৃয়ায় অংশ নেন ঢাকা জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক অ্যাডভোকেট মনির হোসাইন রানা। তিনি নিউজ৩৯কে মনোনয়ন পত্র অবৈধ ঘোষনাকে কেন্দ্র করে বলেন, যথাসময়ে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের (সিনিয়র সচিব, স্থানীয় সরকার) কাছে উপজেলা চেয়ারম্যানের পদত্যাগপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। সুতরাং, নমিনেশন বাতিলের কোন সুযোগ নেই। আইনানুগ প্রক্রিয়া চলছে। সারা দেশে বি এন পি মনোনিত উপজেলা চেয়ারম্যানদের পদত্যাগ গৃহিত না করে হয়রানি করার উদ্দ্যেশে ঢাকা-১ (দোহার-নবাব গঞ্জ) আসনের বি এন পি প্রার্থী খন্দকার আবু আশফাক এর প্রার্থীতা বাতিলের ঘোষনা দেয়া হয়েছে। উচ্চ আদালতের মাধ্যমে সমস্যা সমাধান করে ভোটের মাঠে এর সমচিত জবাব দেব।

তিনি আরো বলেন, এটা বড় কোন কিছু না। আমরা অচিরেই উচ্চ আদালতে আপিল করবো। অচিরেই উচ্চ আদালতের রায় আমরা নির্বাচনে কমিশনে প্রেরন করবো। সাময়িক কিছু অসুবিধা তৈরি হলেও এতে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। ঢাকা জেলা রিটার্নিং অফিসার যে বিষয়টি নিয়ে খন্দকার আবু আশফাকের মনোনয়ন পত্র বৈধ নয় মর্মে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তা সঠিক নয়, অতি দ্রুত উচ্চ আদালতে ব্যাখা নিয়ে আমরা ফিরবো ইনশাআল্লাহ।

সালমা ইসলামের মনোনয়ন বৈধ

জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য, সাবেক প্রতিমন্ত্রী অ্যাড. সালমা ইসলামের ঢাকা-১ আসনে স্বতন্ত্র মনোনয়ন পত্র বৌধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। আজ রবিবার মনোনয়ন পত্র বাছাইয়ে তাঁর মনোনয়ন পত্রটি বৈধ ঘোষণা করা হয়। মহাজোট থেকে মনোনয়ন না পাওয়ায় গত বুধবার জেলা প্রশাসক ও ঢাকা জেলা রিটানিং কর্মকর্তার কাছে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সালমা ইসলামের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়।

জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য সালমা ইসলাম গত নির্বাচনে মহাজোটের অধিনে ঢাকা-১ আসন থেকে লাঙ্গল প্রতিক নিয়ে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও গৃহায়ন ও গনপূর্ত প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান খানকে পরাজিত করে নির্বাচনে জয় লাভ করেন।

সালমান এফ রহমানের হলফ নামায় কি কি আছে।

একাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহনের জন্য তার দাখিল করা হলফনামা থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

হলফনামায় তিনি উল্লেখ করেছেন, তার আয়ের মধ্যে রয়েছে- বাড়ি/ এপার্টমেন্ট/ দোকান বা অন্যান্য ভাড়া থেকে ৩ লাখ ৯৯ হাজার, ব্যবসা থেকে ৬ লাখ, শেয়ার/ সঞ্চয়পত্র/ ব্যাংক আমানত ডিবিডেন্ট থেকে ৪ কোটি ২৫ লাখ ৮৭ হাজার ৭৭৮ টাকা, চাকরি (সম্মানি ভাতা) থেকে ৪১ লাখ ৯২ হাজার ২০০ টাকা, বাংলাদেশ এক্সপোর্ট ইমপোর্ট কোম্পানির বোনাস শেয়ার ও আইএফআইসি ব্যাংকের বোনাস শেয়ার বাবদ ৪ কোটি ৫৬ লাখ ৯৮ হাজার ৬৫০ টাকা।

তবে তার উপর নির্ভরশীলদের কোনো আয় নেই বলে তিনি হলফনামায় উল্লেখ করেন।

সালমান ফজলুর রহমানের স্থাবর সম্পদ রয়েছে ২৭৬ কোটি ৪৮ লাখ ৩৯ হাজার ৬৯৪ টাকা। এর মধ্যে রয়েছে নগদ অর্থ ২ কোটি ১০ লাখ টাকা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা করা অর্থের পরিমাণ ২ কোটি ৮৬ লাখ ৭০ হাজার ১২৮ টাকা, বন্ড/ ঋণপত্র/ স্টক এক্সচেঞ্জ তালিকাভুক্ত ও তালিকাভুক্ত নয় এমন কোম্পানির শেয়ার ৭৫ হাজার ও ২৫০ কোটি ৮৪ লাখ ৭৪ হাজার ১৩৬ টাকা, বাস/ ট্রাক/ মটরগাড়ি/ লঞ্চ/ স্টিমার/বিমান ও মটরসাইকেল ইত্যাদির মূল্য ৩৪ লাখ, স্বর্ণ ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতু ও পাথর নির্মিত অলঙ্কারাদি ১৫ লাখ ৫ হাজার এবং আত্মীয় স্বজন ও বিভিন্ন কোম্পানিকে দেওয়া সুদমুক্ত ঋণের পরিমাণ ২০ কোটি ১৭ লাখ ৮২ হাজার ৯৩০ টাকা।

তার স্ত্রীর স্থাবর সম্পদ রয়েছে, ১৩ কোটি ৪৪ লাখ ৪৬ হাজার ৩৭০ টাকা। এর মধ্যে রয়েছে নগদ অর্থ ৬০ হাজার টাকা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা করা অর্থের পরিমাণ ৪৫ লাখ ৫১ হাজার ১০৯ টাকা, স্বর্ণ ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতু ও পাথর নির্মিত অলঙ্কারাদি ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা, আত্মীয় স্বজন ও বিভিন্ন কোম্পানিকে দেয়া সুদমুক্ত ঋণের পরিমাণ ১২ কোটি ৯৬ লাখ ৫৫ হাজার ২৬১ টাকা।

এই মনোনয়নপত্র জমা দেয়া এই প্রার্থীর অস্থাবর সম্পদ ২ কোটি ১১ লাখ ৬৫ হাজার ৮৬৬ টাকা। এর মধ্যে রয়েছে অকৃষি জমি ২ কোটি ৩ লাখ ১২ হাজার ৬৮৭ টাকার ও ৮ লাখ ৫৩ হাজার ১৭৯ টাকা মূল্যের দালান, আবাসিক/ বাণিজ্যিক সম্পদ।

তার স্ত্রীর অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ২৮ কোটি ৯২ লাখ ৭৫ হাজার ৫৫৭ টাকা। এর মধ্যে রয়েছে ৩ কোটি ৭৩ লাখ ৩ হাজার ৭০৮ টাকা মূল্যের অকৃষি জমি ও বিল্ডিং কন্সট্রাকশন বাবদ ২৫ কোটি ১৯ লাখ ৭১ হাজার ৮৪৯ টাকা।

চলতি বছরের ৩০ জুলাই পর্যন্ত তার দায়-দেনার মধ্যে রয়েছে ৬৮ কোটি ৫১ লাখ ৫৭ হাজার ২৭০ টাকা ও ১৫ কোটি ২৭ লাখ ৯৬ হাজার ১৪০ টাকা। তার বিরুদ্ধে বর্তমানে কোন ফৌজদারি মামলা নেই বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।

হলফনামা সালমান এফ রহমান উল্লেখ করেন, ‘আমি একক বা যৌথভাবে আমার ওপর র্নিভরশীল কোন সদস্য অথবা কোন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান, ম্যানেজিং ডিরেক্টও বা ডিরেক্টর হওয়ার সুবাদে আমি কোন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ গ্রহণ করি নাই।’

ফজলুর রহমান ও সৈয়দা ফাতিনা রহমানের সন্তান সালমান ফজলুর রহমান। তিনি ঢাকার দোহার উপজেলার মুকসুদপুরের বেথুয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। গত ২৭ নভেম্বর তিনি হলফনামা জমা দেন।

হলফনামায় ম্যাজিস্ট্রেট/নোটারি পাবলিক এ এ এম মনিরুজ্জামান বলেন, ‘এর মাধ্যমে সনাক্তকৃত হইয়া অদ্য ২৭ নভেম্বর আমার সম্মুখে শপথপূর্বক উপরে বর্ণিত হলফনামা প্রদান করিয়াছেন।’

একাদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচনী ম্যানুয়েল অনুযায়ী, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুসারে হলফনামায় কোন প্রার্থী তথ্য প্রদান না করলে অথবা কোন অসত্য তথ্য প্রদান করলে বা হলফনামায় উল্লিখিত কোন তথ্যের সমর্থনে যথাযথ সার্টিফিকেট, দলিল ইত্যাদি দাখিল না করা অপরাধ। এ ক্ষেত্রে রিটার্নিং কর্মকর্তা নিজ উদ্যোগে অথবা আদেশের ১৪ অনুচ্ছেদে উল্লিখিত কোন ব্যক্তির আপত্তির পরিপ্রেক্ষিতে সংক্ষিপ্ত তদন্ত করে মনোনয়নপত্র বাতিল করতে পারবেন।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর জাতীয় রাজনীতিতে দেশের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসেবে আবির্ভূত হন সালমান এফ রহমান। মনোনীত হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত উপদেষ্টা প্যানেলে। শেখ হাসিনার বেসরকারি বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পান এই ব্যবসায়ী। ফলে রাজনৈতিকভাবে আওয়ামী লীগে সক্রিয় না থাকলেও বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ সন্তান ও প্রধানমন্ত্রীর বড় ভাই শেখ কামালের বন্ধু সালমান এফ রহমান পরিণত হন বাংলাদেশ সরকারের অন্যতম শীর্ষ প্রভাবশালী এক ব্যক্তিতে।

নবাবগঞ্জে মাদ্রাসা ছাত্র নিখোঁজ

নবাবগঞ্জ উপজেলায় আরিফ হোসেন (১৫) নামে এক মাদ্রাসা ছাত্র গত ১৭ নভেম্বর থেকে নিখোঁজ রয়েছে। সে গালিমপুর জামিয়া মদীনাতুল উলুম মাদ্রাসার হিফজুল কুরআন বিভাগের ছাত্র। আরিফ উপজেলার বক্ধসঢ়;সনগর ইউনিয়নের চক বক্ধসঢ়;সনগর জামে মসজিদের ঈমাম কারী আব্দুল হাইয়ের ছেলে। কারী আব্দুল হাই জানান, ১৭ নভেম্বর সকালে মাদ্রাসা থেকে নিখোঁজ হয়। তার সাথে করো বিরোধ ছিল না। আত্মীয়-স্বজন, পরিচিতদের বাড়িতে খোঁজ করা হয়েছে। পরে গত ২৮ নভেম্বর রাতে নবাবগঞ্জ থানায় নিখোঁজ সংক্রান্ত সাধারণ ডায়েরী করা হয়।

নবাবগঞ্জ থানার ওসি মোস্তফা কামাল বলেন, নিখোঁজ ছাত্রের খোঁজে আশপাশের থানা গুলোতে বার্তা পাঠানো হয়েছে।

দোহারে অগ্নিকান্ড ২০ লক্ষ টাকার ক্ষয়-ক্ষতি

বৃহস্পতিবার সন্ধা সাতটার দিকে দোহার উপজেলার লটাখোলা করম আলীর মোড় সংলগ্ন মার্কেটে অগ্নিকান্ডের ঘটনায়  ২০ লক্ষ টাকার ক্ষয়-ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে। ক্ষতিগ্রস্থ দোকান মালিক সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সন্ধা সাতটার দিকে উপজেলার করম আলীর মোড় সংলগ্ন পণ্যের একটি গোডাউন থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহুর্তের মধ্যেই তা ছড়িয়ে পড়ে পাশের গোডাউনে। খবর পেয়ে দোহার উপজেলা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলের এলেও ততক্ষণে তিনটি দোকান (গোডাউন) ও ভেতরে থাকা বিভিন্ন ধরণের পণ্য আগুণে পুড়ে যায়। রাত নয়টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।
অগ্নিকান্ডে দোহার উপজেলা ডিলার সমিতির সভাপতি লুৎফর রহমানের দুটি গোডাউন ও মো. সেলিম নামে এক ব্যবসায়ীর একটি গোডাউনের ভেতরে থাকা যাবতীয় মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীরা বলেন, অগ্নিকান্ডে আনুমানিক ১৫/২০ লাখ টাকার ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে।

নির্বাচনে লড়তে আবু আশফাকের উপজেলা চেয়ারম্যান পদ হতে পদত্যাগ

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১ (দোহার-নবাবগঞ্জ) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী খন্দকার আবু আশফাক নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের পদে ইস্তফা দিয়েছেন। গত বুধবার ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে তিনি পদত্যাগপত্র দিয়েছেন।

আবু আশফাক নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের দুবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান। তিনি বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক।

খন্দকার আবু আশফাক প্রথম আলোকে বলেন, ‘ঢাকা-১ আসন থেকে দল আমাকে মনোনয়ন দেওয়ার কারণে দলীয় হাইকমান্ডের নির্দেশে আমি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছি। আমার পদত্যাগপত্র ঢাকা জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব গ্রহণ করেছেন।’

দোহার ও নবাবগঞ্জের স্থানীয় নেতা-কর্মীরা বলেছেন, খন্দকার আবু আশফাক ঢাকা-১ আসনের যোগ্য প্রার্থী। তিনি কর্মীবান্ধব নেতা। জনপ্রিয়তার কারণেই তিনি দুবার বিপুল ভোটে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন। বিভিন্ন মামলা-হামলাকে উপেক্ষা করে কয়েক বছর ধরে তিনি নির্বাচনী এলাকায় প্রায় প্রতিটি ইউনিয়ন, ওয়ার্ড ও পাড়া-মহল্লায় উঠান বৈঠক, পথসভা করেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে বর্তমান সরকারের আমলে বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক মামলা হয়েছে।

নাজমুল হুদার মেয়ে অন্তরা পেলেন না বিএনপির চিঠি

ঢাকা- ১ আসন থেকে আগামী নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার জন্য দলীয় মনোনয়ন জমা ও স্বাক্ষতকার দেন বিএনপির সাবেক নেতা ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার মেয়ে অন্তরা সেলিমা হুদা। কিন্তু রিটানিং অফিসে মনোনয়ন জমা দেয়ার শেষ দিনেও দলীয় চিঠি পেলেন না অন্তরা।

বুধবার দুপুরে তিনি নিজেই গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ের সামনে আসেন।  দীর্ঘ সময় অপেক্ষা শেষে চিঠি না পেয়ে তিনি চলে যান। গুলশান অফিসে অবস্থানরত বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলামের কর্মকর্তা এসে অন্তরাকে জানান, আপনার বিষয়টি পরে জানানো হবে। এরপর তিনি দুপুর ১২ টা থেকে ৩ টা ১০ মিনিট পর্যন্ত মনোনয়নের জন্য অপেক্ষা করে তিনি চলে যান।