ঘরে বসে না থেকে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ভোট চাইতে হবে: সালমান এফ রহমান

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি খাত উন্নয়ন বিষয়ক উপদেষ্টা ও বেক্সিমকোর ভাইস চেয়ায়ম্যান সালমান এফ রহমান বলেছেন, ঢাকা-১ আসনে জাতীয় নির্বাচনে মহিলা ভোটাররা যাকে ভোট দিবে তার নির্বাচিত হওয়ার সম্ভবনা বেশি। তাই আর ঘরে বসে না থেকে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোট চাইতে হবে। সোমবার (৩ ডিসেম্বর) সোমবার দোহারে দিনব্যাপী কেন্দ্র ভিত্তিক উঠান বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি খাত উন্নয়ন বিষয়ক উপদেষ্টা ও বেক্সিমকোর ভাইস চেয়ায়ম্যান সালমান এফ রহমান বলেন, বঙ্গবন্ধুর কন্যার দক্ষ নেত্রিত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। বিশ্ব ব্যাংক বাংলাদেশকে ঋণ না দেওয়ার পরেও বাংলাদেশে পদ্মা সেতু হচ্ছে। সাহসী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড়া পদ্মা সেতুর মত এতো বড় প্রকল্প কারো পক্ষে করা সম্ভব নয়।

তিনি আরো বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার আছে বলেই নারীদের উন্নয়ন হচ্ছে। দেশের উচ্চ পর্যায়ে এখন নারীদের অবস্থান। এসকল কর্মকাণ্ড শেখ হাসিনা সরকার ছাড়া কারো পক্ষে সম্ভব নয়।

এ সময় অনুষ্ঠান মালায় উপস্থিত ছিলেন, দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেন, দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম বাবুল, সাধারণ সম্পাদক আলী আহসান খোকন শিকদার, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. ফজলুল হক, মহিলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আনার কলি পুতুল, ঢাকা জেলা যুব মহিলা লীগের সম্পাদিকা লাবন্য আক্তার ভুইয়া, ঢাকা জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মাসুদ মোল্লা, যুবলীগ নেতা নুরুজ্জামান, রাশেদ চোকদার প্রমুখ।

ঢাকা-১: বিএনপির দলীয় প্রার্থী না থাকায় নেতা-কর্মীরা ক্ষুব্ধ

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গতকাল রোববার যাচাই-বাছাইয়ে ঢাকা-১ (দোহার-নবাবগঞ্জ) আসনে বিএনপির দুই প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। এ নিয়ে বিএনপির স্থানীয় নেতা-কর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া দুই প্রার্থী হলেন খন্দকার আবু আশফাক ও ফাহিমা হোসাইন জুবলী। তাঁদের মনোনয়নপত্র বাতিলের কারণ হিসেবে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ঢাকার জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মোহাম্মদ ফেরদৌস খান জানান, আবু আশফাকের উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের পদে পদত্যাগের কাগজপত্র নির্বাচন কমিশনে এসে পৌঁছায়নি। ফাহিমা হোসাইনের মনোনয়নপত্রটি বাতিল করা হয় স্বাক্ষর–সংক্রান্ত জটিলতার কারণে।

দোহার ও নবাবগঞ্জের বিএনপির কর্মী-সমর্থকেরা বলছেন, এই অঞ্চলের নেতা খন্দকার আবু আশফাক গত ২৮ নভেম্বর নির্বাচনের সব নিয়মকানুন মেনে তাঁর দলীয় মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তিনি উপজেলা চেয়ারম্যানের পদে ইস্তফা দিয়েছেন। এখন বলা হচ্ছে, তাঁর মনোনয়নপত্র নাকি রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পৌঁছায়নি। প্রকৃতপক্ষে তাঁকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখার ষড়যন্ত্র চলছে।

দোহার উপজেলা বিএনপির সভাপতি শাহাবুদ্দিন আহম্মেদ বলেন, ‘ঢাকা-১ আসন বিএনপির ঘাঁটি—এটা সবাই জানে। আর বিএনপির কোনো প্রার্থী নির্বাচন করলে সহজে বিজয়ী হবেন, এটা আওয়ামী লীগ জানে। এখানকার বিএনপির কর্মী-সমর্থকেরা দীর্ঘ ১০ বছর ধরে তাঁদের ভোটের অধিকার প্রয়োগ করতে পারছেন না। এবার তাঁরা ভোট দেবেন। কিন্তু সরকার বিভিন্নভাবে বিএনপিকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখতে কৌশল অবলম্বন করছে।’

নবাবগঞ্জ উপজেলা বিএনপি নেতা শাহীন রহমান বলেন, ‘ঢাকা-১ আসনে বিএনপির প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করে আওয়ামী লীগকে জায়গা করে দিচ্ছে সরকারের এজেন্টরা। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। বিএনপির প্রার্থীদের প্রার্থিতা ফিরিয়ে দিয়ে তাঁদের নির্বাচন করার সুযোগ করে দিতে হবে। অন্যথায় সবার জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি হবে না।’

দোহারের স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা বিকাশ চন্দ সরকার বলেন, ‘ঢাকা-১ আসন থেকে বিএনপি সংসদ নির্বাচন করতে পারবে না এটা মেনে নেওয়া যায় না।’

মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া প্রসঙ্গে খন্দকার আবু আশফাক বলেন, ‘আমি গত ২৮ নভেম্বর জেলা প্রশাসন ও আমার নির্বাচনী এলাকা নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলাম। সুতরাং আমার মনোনয়নপত্র বাতিলের কোনো সুযোগ নেই। কিন্তু আজকে দেখলাম পদত্যাগপত্র গৃহীত হয়নি এমন অজুহাতে আমার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। আমি এর বিরুদ্ধে  আপিল করব।’ তিনি বলেন, ‘এটি সরকারের নীলনকশা। আবার ৫ জানুয়ারির মতো ভোটারবিহীন নির্বাচন করার জন্য সরকার নির্বাচন কমিশন দিয়ে কাজ করাচ্ছে।’ বিএনপির অপর প্রার্থী ফাহিমা হোসাইন বলেন, ‘৫ ডিসেম্বর বিকেল পাঁচটার আগেই প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আমি আপিল করব।’

অনলাইনে ‘ফেক নিউজ’ চেক করবেন যেভাবে

কৌশল প্রয়োগ করলেই চেনা যাবে ফেক নিউজআসছে জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে অনলাইনে অপপ্রচার বা অপরাধ বাড়ার শঙ্কা দিন দিন প্রকট হচ্ছে। অনলাইনের কোন বিষয়টি সঠিক আর কোনটি বেঠিক, কোনটি শুদ্ধ, কোনটি ভুল বা ভুয়া তা জানতে না পারলে সেই নিউজ অনেক ধরনের সমষ্যা তৈরি করতে পারে। সামান্য ট্যাপ, ক্লিক কিংবা শেয়ারিং-এর মাধ্যমে অপূরণীয় ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন। সেই ক্ষতি থেকে মুক্তি পেতে অনলাইনের ভুয়া বা গুজব চেনার কয়েকটি সহজ উপায় তুলে ধরা হলো।

কীভাবে ছড়ায়?

ভুয়া খবর বা গুজব ছড়ায় বাতাসের বেগে। তবে এর উৎসমূলটিও থাকে বাতাসের মতো অধরা কিংবা নড়বড়ে। কাণ্ডজ্ঞান হীনতা, অতি আবেগ কিংবা অজ্ঞতাকে পুঁজি করে অনলাইনে বিস্তার ঘটে ভুয়া কিংবা গুজবের। সাইর্চ ইঞ্জিন, ওয়েব সাইট কিংবা সোশ্যাল মিডিয়া হয়ে এসব খবর বা গুজব হ্যামিলিয়নের বাঁশি ওয়ালার মতোই আকর্ষণ করে ডিজিটাল সিটিজেনদের। ভুয়া বা গুজব ছড়ায় মূলত নকল ওয়েব সাইট, সোশ্যাল মিডিয়ার নকল প্রোফাইল থেকে। একইভাবে ছড়ায় অপরিচিত, অবিশ্বস্ত লিংক থেকে। তাই আসল বা নকল চিনতে না পারলে ভুয়া বা গুজবের খপ্পরে পড়ার শঙ্কা থেকেই যায়।

যেভাবে চিনবেন বাহকটি ভুয়া বা গুজব:  ভুয়া তথ্য বা গুজব সবসময়ই একটু থ্রিলধর্মী হয়। শব্দে-ছবিতে থাকে চমক। বেশ সম্মোহনী হয়ে থাকে। তাই এই খবর বা ছবি কোথা থেকে প্রচার হচ্ছে তা দেখে নেওয়াটাই সবচেয়ে নিরাপদ। কেননা এসব খবর বা ছবি কেবল বিভ্রান্তই করে না, বিপদও ডেকে আনে। গুজব বা ভুয়া খবর আসলে একটি বড়শির মতো, যার অগ্রভাগে গাঁথা থাকে মুখোরচক খাবার। অর্থাৎ খাবারটা গ্রহণ করা মানেই বড়শির টোপ গিলে ফেলা।

তাই অনলাইন জীবনে ওয়েব সাইট ভিজিট বা পরিভ্রমণের ক্ষেত্রে যেসব ওয়েব ঠিকানায় http এর পরে ‘s’ থাকে না সেগুলো সবসময় ঝুঁকিপূর্ণ। এছাড়া মূল ওয়েবসাইটের ডোমেইন নামের বানান খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কেননা নামের বানান এদিক ওদিক করে হর নকল ওয়েবসাইট তৈরি করা হয়। তাই একটু কষ্ট করে https://whois.icann.org/en এই ঠিকানায় গিয়ে ওয়েবসাইটটি কবে তৈরি হয়েছে, কে তৈরি করেছে সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়।

তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া গুজব/ভুয়া তথ্য-উপাত্ত চেনাটা বেশি কঠিন। এক্ষেত্রে তথ্য-উপাত্তের শিরোনামে বিভ্রান্ত হওয়ার চেয়ে এর উৎসটি যাচাই করা মঙ্গল। ফেসবুকের ক্ষেত্রে ভেরিফায়েড পেজ ছাড়াও প্রোফাইলের ছবি বা নেচারও গুরুত্বপূর্ণ। একটু বুদ্ধি খাটালেই নকল প্রোফাইলের ফাঁদ থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। এক্ষেত্রে কেউ যদি কোনও বিষয় নিয়ে দ্বিধান্বিত হন তখন ফেসবুকে ফ্যাক্ট চেকার গ্রুপ https://www.facebook.com/bdfactcheck থেকে অথবা ওয়েবসাইট থেকে https://bdfactcheck.com কিংবা https://www.jaachai.com -এর সাহায্য নিতে পারেন। তবে নিজেই যদি আসল-নকল, শুদ্ধ-অশুদ্ধ, ভুয়া চিহ্নিত করতে চান তা-ও সম্ভব।  আবার https://twitter.com/StopFakingNews থেকে টুইটারে ছড়িয়ে পাড়া ভুয়া খবর, নকল বা মিথ্যা তথ্য সম্পর্কে অজানা যায়। এক্ষেত্রে অনলাইনে ছবি ও লেখা উভয় বিষয়টিই যাচাই করতে হবে আলাদা আলাদাভাবে।

নকল ছবি বা ভিডিও চিহ্নিত করা: ছবি আসল-নকল যাচাই করার ক্ষেত্রে কিছু সাধারণ জ্ঞান কাজে লাগানো যেতে পারবে। যদি কোনও ছবির আকার ছোট ও রেজ্যুলেশন কম হয় তবে তা নকল হওয়ার ‍সুযোগ বেশি। মূলত ভুয়া ছবিগুলো বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মূল ছবিকে ক্রপড, এডিট ও মিরর করে ছবির ক্যাপশন পরিবর্তন করে তা নকল হিসেবে ছড়ানো হয়। তাই যাচাইয়ের ক্ষেত্রে অবশ্যই ছবিটির প্রকৃত তারিখ, স্থান এবং এটি প্রকাশের প্রেক্ষাপট জানা জরুরি।

গুগল রিভার্স সার্চ-এর মাধ্যমে ছবির শুদ্ধতা যাচাই করা যেতে পারে। অ্যাডোবি ফটোশপের মাধ্যমে বিশেষ বার্তাবাহী ছবিটি সম্পাদনা করা হয়েছে কিনা তা জানতে গুগল ইমেজ রিভার্স সার্চ  অপশনটি ব্যবহার করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে https://images.google.com/ ঠিকানায় গিয়ে ছবি বা ছবির লিংকটি সার্চ মেনুতে ড্রপ করতে হবে। অনুসন্ধান বা যাচাইয়ের ক্ষেত্রে টুল মেনু থেকে ভিজ্যুয়াল সিমিলার বা মোর সাইজ নির্বাচন করারও সুযোগ রয়েছে। অনেক সময় ছবিতে মিরর ইফেক্ট ব্যবহার করেও ধাঁধার জন্ম দেয়া হয়। এসব ক্ষেত্রে টিন আই (https://www.tineye.com) থেকেও সাহায্য মিলবে।

ছবির মতো নকল ভিডিও বের করতে ভিডিওর মধ্যে কোথাও কোনও অসামঞ্জস্যতা আছে কিনা তা বুঝতে চেষ্টা করুন। সাধারণত, ভিডিওতে শ্যাডো, রিফ্লেকশন, আলো ও পারিপার্শ্বিক বিভিন্ন উপাদানের শার্পনেস থেকে তা বোঝা যায়। ভিডিওর পরিবেশ-প্রকৃতির অসামঞ্জস্যতা থেকে জোড়া লাগানো, বিকৃত অনুপাত উপলব্ধি করা যায়। এক্ষেত্রে আমরা ক্রমো ব্রাউজার থেকে InViD টুলস ব্যবহার করতে পারি। ইউটিউব, ভিমো, ইন্সটাগ্রাম, ফেসবুক কিংবা টুইটারে প্রকাশিত ছবির লিংকটি ইনভিড এর কি-ফ্রেমস উইন্ডোতে সাবমিট করে থাম্বনেইলগুলো পর্যবেক্ষণ করলেই প্রকৃত রহস্য উন্মোচন হয়ে যাবে। এছাড়া প্রকৃত ভিডিও বিষয়ে নিশ্চিত হতে আমরা ব্যবহার করতে পারি অ্যামেনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ইউটিউব ডাটা ভিউয়ার (https://citizenevidence.amnestyusa.org)।

ভুয়া খবর বা তথ্য চিহ্নিত করা: ফেসবুকের মতো বিভিন্ন অনলাইন সামাজিক মাধ্যমে অভিমতকে তথ্য হিসেবে উপস্থাপন করে ভুল শিরোনামে বানোয়াট খবর উপস্থাপন করা হয়ে থাকে। তাই খবরের ক্ষেত্রে যে গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে বা লোগো ব্যবহার করে কোনও সংবাদ বা ছবি অনলাইনে প্রচার করা হচ্ছে তার সত্যতা নিশ্চিত হতে অবশ্যই সেই সংবাদ মাধ্যমের মূল ওয়েবসাইটে যেতে হবে। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলা ট্রিবিউন, বিবিসি বাংলা ও প্রথম আলো এমন নকলবাজদের কবলে পড়ে। তাই এমন অবস্থা থেকে পরিত্রাণের জন্য আবেগতাড়িত খবর কেবল একাধিক সূত্রের মাধ্যমে জেনে তারপরই গ্রহণ-বর্জনের সিদ্ধান্ত নেওয়া ভালো। খবরের ক্ষেত্রে অবশ্যই নিজের কমনসেন্স, তথ্যসূত্র, সূত্রের বিশ্বাসযোগ্যতার বিষয়টি নজরে আনতে হবে। খবরের বর্ণনা বাদ দিয়ে যদি বিষয়বস্তুকে প্রাধান্য দেওয়া হয় তাহলে তা বিনা দ্বিধায় গ্রহণ না করাই শ্রেয়। আন্তর্জাতিক খবর যাচাইয়ের ক্ষেত্রে গুগল ছাড়াও https://www.snopes.com লিংক ব্যবহার করতে পারেন। বাংলার ক্ষেত্রে ফ্যাক্ট ওয়াচে ঢুঁ দেওয়া যেতে পারে (https://www.fact-watch.org)।

আর গুগলে অন্যদের করা দাবির পর্যালোচনা করে এমন ওয়েব পৃষ্ঠা যদি আপনার থাকে, তাহলে আপনি আপনার ওয়েব পৃষ্ঠাতে ClaimReview স্ট্রাকচার্ড ডেটা এলিমেন্ট অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন। যখন সেই দাবির জন্য সার্চ ফলাফলে আপনার পৃষ্ঠাটি দেখানো হয় তখন এই উপাদানটি গুগল সার্চ ফলাফলে সত্যতা যাচাইয়ের সংক্ষিপ্ত ভার্সন দেখানো হয়। এক্ষত্রে সার্চ ফলাফলে সত্যতা যাচাইয়ের অন্তর্ভুক্তি স্বয়ংক্রিভাবে নির্ধারণ করা হয়। সাইটের প্রোগ্রাম্যাটিক র‍্যাংকিং-এর ওপর ভিত্তি করে সত্যতা যাচাই উপাদানের মান দেওয়া হয়। পৃষ্ঠা র‍্যাংকিংয়ের মতোই সাইটগুলোর মূল্যায়ন করা হয়: যদি সাইট র‍্যাংকিং যথেষ্ট ভাল হয়, তাহলে আপনার পৃষ্ঠার সঙ্গে সার্চ ফলাফলে সত্যতা যাচাইয়ের উপাদান দেখানো হতে পারে। সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি কম্পিউটার প্রোগ্রামিং অনুযায়ী চলে; মানুষের হস্তক্ষেপ তখনই করা হয় যখন ব্যবহারকারীর মতামত সত্যতা যাচাইয়ের জন্য গুগল নিউজ প্রকাশকের মানদণ্ড অথবা স্ট্রাকচার্ড ডাটার জন্য সাধারণ নির্দেশাবলী লঙ্ঘন করছে হিসেবে লেখা হয় অথবা যখন প্রকাশক (নিউজ সাইট হতে পারে আবার নাও হতে পারে) গুগল নিউজের সাধারণ নির্দেশাবলী অনুযায়ী স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা দায়বদ্ধতা এবং স্বচ্ছতা অথবা সাইটের মিথ্যা বর্ণনা সম্পর্কিত যথাযথ মান পূরণ না করেন। তাই অনলাইনে খবরের সত্যতা যাচাইয়ের ক্ষেত্রে মেধা-মনন ও প্রজ্ঞার বিকল্প নেই।

প্রতিদিনের হাদিস: তোমাদের দু’আ তোমাদের ঈমান

0

নাবী সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর বাণীঃ ইসলাম পাঁচটি স্তম্ভের উপর প্রতিষ্ঠিত।

وَهُوَ قَوْلٌ وَفِعْلٌ وَيَزِيدُ وَيَنْقُصُ قَالَ اللهُ تَعَالَى : }لِيَزْدَادُوا إِيمَانًا مَعَ إِيمَانِهِمْ وَزِدْنَاهُمْ هُدًى{ }وَيَزِيدُ اللهُ الَّذِينَ اهْتَدَوْا هُدًى{ }وَالَّذِينَ اهْتَدَوْا زَادَهُمْ هُدًى وَآتَاهُمْ تَقْوَاهُمْ{ وَقَوْلُهُ }وَيَزْدَادَ الَّذِينَ آمَنُوا إِيمَانًا{ وَقَوْلُهُ }أَيُّكُمْ زَادَتْهُ هَذِهِ إِيمَانًا{ فَأَمَّا الَّذِينَ آمَنُوا فَزَادَتْهُمْ إِيمَانًا وَقَوْلُهُ جَلَّ ذِكْرُهُ }فَاخْشَوْهُمْ فَزَادَهُمْ إِيمَانًا{ وَقَوْلُهُ تَعَالَى }وَمَا زَادَهُمْ إِلاَّ إِيمَانًا وَتَسْلِيمًا{ وَالْحُبُّ فِي اللهِ وَالْبُغْضُ فِي اللهِ مِنَ الإِيْمَانِ وَكَتَبَ عُمَرُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ إِلَى عَدِيِّ بْنِ عَدِيٍّ إِنَّ لِلْإِيمَانِ فَرَائِضَ وَشَرَائِعَ وَحُدُودًا وَسُنَنًا فَمَنْ اسْتَكْمَلَهَا اسْتَكْمَلَ الإِيْمَانَ وَمَنْ لَمْ يَسْتَكْمِلْهَا لَمْ يَسْتَكْمِلْ الإِيْمَانَ فَإِنْ أَعِشْ فَسَأُبَيِّنُهَا لَكُمْ حَتَّى تَعْمَلُوا بِهَا وَإِنْ أَمُتْ فَمَا أَنَا عَلَى صُحْبَتِكُمْ بِحَرِيصٍ وَقَالَ إِبْرَاهِيمُ صلى الله عليه وسلم }وَلَكِنْ لِيَطْمَئِنَّ قَلْبِي{ وَقَالَ مُعَاذُ بْنُ جَبَلٍ اجْلِسْ بِنَا نُؤْمِنْ سَاعَةً وَقَالَ ابْنُ مَسْعُودٍ الْيَقِينُ الإِيْمَانُ كُلُّهُ وَقَالَ ابْنُ عُمَرَ لاَ يَبْلُغُ الْعَبْدُ حَقِيقَةَ التَّقْوَى حَتَّى يَدَعَ مَا حَاكَ فِي الصَّدْرِ وَقَالَ مُجَاهِدٌ }شَرَعَ لَكُمْ{ مِنْ الدِّينِ أَوْصَيْنَاكَ يَا مُحَمَّدُ وَإِيَّاهُ دِينًا وَاحِدًا وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ }شِرْعَةً وَمِنْهَاجًا{ سَبِيلاً وَسُنَّةً

আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর বাণীঃ ইসলামের স্তম্ভ হচ্ছে পাঁচটিঃ মুখে স্বীকার এবং কাজে পরিণত করাই হচ্ছে ঈমান এবং তা বৃদ্ধি পায় ও হ্রাস পায়।* আল্লাহ্ তা‘আলা বলেনঃ ‘‘যাতে তারা তাদের ঈমানের সঙ্গে ঈমান মজবুত করে নেয়- (সূরাহ্ ফাত্হ ৪৮/৪)। আমরা তাদের সৎ পথে চলার শক্তি বাড়িয়ে দিয়েছিলাম- (সূরাহ্ কাহাফ ১৮/১৩)। এবং যারা সৎপথে চলে আল্লাহ্ তাদের অধিক হিদায়াত দান করেন- (সূরাহ্ মারইয়াম ১৯/৭৬)। এবং যারা সৎপথ অবলম্বন করে আল্লাহ্ তাদের হিদায়াত বাড়িয়ে দেন এবং তাদের সৎপথে চলার শক্তি বাড়িয়ে দেন- (সূরাহ্ মুহাম্মাদ ৪৭/১৭)। যাতে মু’মিনদের ঈমান বেড়ে যায়- (সূরাহ্ মুদ্দাসসির ৭৪/৩১)। আল্লাহ্ তা‘আলা আরো বলেন, এটা তোমাদের মধ্যে কার ঈমান বাড়িয়ে দিল? যারা মু’মিন এ তো তাদের ঈমান বাড়িয়ে দেয়- (সূরাহ্ আত্-তাওবাহ ৯/১২৪)। এবং তাঁর বাণী, ‘‘সুতরাং তোমরা তাদের ভয় কর; একথা তাদের ঈমানের দৃঢ়তা বাড়িয়ে দিল’’- (সূরাহ্ আলে-ইমরান ৩/১৭৩)। ‘‘এতে তাদের ঈমান ও আনুগত্য আরও বৃদ্ধি পেল’’- (সূরাহ্ আহযাব ৩৩/২২)।

আর আল্লাহর জন্য ভালবাসা ও আল্লাহর জন্য ঘৃণা করা ঈমানের অংশ। ‘উমার ইবনু ‘আবদুল ‘আযীয (রহ.) ‘আদী ইবনু ‘আদী (রহ.)-এর নিকট এক পত্রে লিখেছিলেন, ‘ঈমানের কতকগুলো ফার্য (ফরয), কতকগুলো হুকুম-আহকাম, বিধি-নিষেধ এবং সুন্নাত রয়েছে। যে এগুলো পরিপূর্ণরূপে আদায় করে তার ঈমান পূর্ণ হয়। আর যে এগুলো পূর্ণভাবে আদায় করে না, তার ঈমান পূর্ণ হয় না। আমি যদি বেঁচে থাকি তবে অচিরেই এগুলো তোমাদের নিকট ব্যক্ত করব, যাতে তোমরা তার উপর ‘আমল করতে পার। আর যদি আমার মৃত্যু হয় তাহলে জেনে রাখ, তোমাদের সাহচর্যে থাকার জন্য আমি আকাঙ্ক্ষিত নই।’

ইবরাহীম (‘আ.) বলেন, ‘তবে এ তো কেবল চিত্ত প্রশান্তির জন্য’- (সূরাহ্ আল-বাক্বারাহ ২/২৬)। মু‘আয (রাঃ) বলেন, ‘‘এসো আমাদের সঙ্গে বস, কিছুক্ষণ ঈমানের আলোচনা করি।’’ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) বলেন, ‘ইয়াকীন হল পূর্ণ ঈমান।’ ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলেন, ‘বান্দা প্রকৃত তাকওয়ায় পৌঁছতে পারে না, যতক্ষণ পর্যন্ত সে, মনে যে বিষয় সন্দেহের সৃষ্টি করে, তা পরিত্যাগ না করে।’ মুজাহিদ (রাঃ) এ আয়াতের ব্যাখ্যায় বলেন, ‘‘অর্থাৎ হে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আমি আপনাকে এবং নূহকে একই ধর্মের আদেশ করেছি’’- (সূরাহ্ শূরা ৪২/১৩)। ইবনু ‘আববাস (রাঃ) বলেন, ‘‘অর্থাৎ পথ ও পন্থা’’- (সূরাহ্ আল-মায়িদাহ ৫/৪৮)।

}قُلْ مَا يَعْبَأُ بِكُمْ رَبِّي لَوْلاَ دُعَاؤُكُمْ{ وَمَعْنَى الدُّعَاءِ فِي اللُّغَةِ الإِيْمَانُ.

এ মর্মে আল্লাহ তা‘আলার বাণীঃ ‘‘বলে দিন, আমার প্রতিপালক তোমাদের একটুও পরোয়া করবেন না যদি তোমরা ‘ইবাদাত না কর’’- (সূরাহ্ আল-ফুরক্বান ২৫/৭৭)। অভিধানে দু‘আর অর্থ করা হয়েছেঃ ‘‘ঈমান’’।

হাদিস নং ৮: ইবন ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, ইসলামের স্তম্ভ হচ্ছে পাঁচটি। ১. আল্লাহ্ ব্যতীত প্রকৃত কোন উপাস্য নেই এবং নিশ্চয়ই মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর রাসূল-এ কথার সাক্ষ্য প্রদান করা। ২. সালাত কায়িম করা। ৩. যাকাত আদায় করা। ৪. হাজ্জ সম্পাদন করা এবং ৫. রমাযানের সিয়ামব্রত পালন করা। (৪৫১৪; মুসলিম ১/৫ হাঃ ১৬, আহমাদ ৬০২২, ৬৩০৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৭)

* কোন কোন ফকীহদের নিকট ঈমান বাড়েও না কমেও না। বরং সমান থাকে। তাদের নিকট একজন নবীর ঈমান ও ইবলিসের ঈমান এক সমান। তাদের এই ‘আকীদাহ কুরআন ও সুন্নাহ বিরোধী। এটা মুরজি’আহ সম্প্রদায়ের ভ্রান্ত ‘আকীদাহর অন্তর্ভুক্ত।

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

বর্ণনাকারী রাবীঃ আবদুল্লাহ ইব্‌ন উমর (রাঃ)

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী

অধ্যায়ঃ ঈমান (বিশ্বাস)

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন

দোহারে ৩০ ইয়াবাসহ যুবক আটক

দোহার থানার অফিসার ইনচার্জ মো: সাজ্জাদ হোসেন স্যারের নেতৃত্বে দোহার থানা এলাকায় মাদক উদ্ধারের বিশেষ অভিযান পরিচালনাকালে ৩০ (ত্রিশ) পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট সহ আসামী মোঃ কামরুল ইসলাম ওরফে অন্তর হাসান (২৭)। তার পিতা-শেখ তাসের আলী, সাং-ডাইয়ারকুম, থানা-দোহার।

রবিবার সন্ধ্যা ৭.৩০টায়  দোহার উপজেলার ডাইয়াগজারিয়া সাকিনস্থ ডাইয়াগজারিয়া তিন রাস্তার মোড়ে জনৈক ইলিয়াস এর মুদি দোকানের সামনে পাকা রাস্তার উপর হইতে দোহার থানার এসআই সৈয়দ মেহেদি হাসান, এসআই মো: শরিফুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্সদের সহায়তায় গ্রেফতার করে সোমবার আদালতে সোপর্দ করে।

এসএসসি উত্তীর্ণ বৃত্তিপ্রাপ্ত  শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রকাশঃ দোহারে ট্যালেণ্টপুলে ১০ ও সাধারণ গ্রেডে ২১ বৃত্তি

0

এসএসসি উত্তীর্ণ বৃত্তিপ্রাপ্ত  শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রকাশঃ দোহারে ১০ জন ট্যালেণ্টপুলে ও ২১ জন সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি

নিউজ৩৯, আছিফুর রহমানঃ ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের  অধীনে এসএসসি উত্তীর্ণ বৃত্তিপ্রাপ্ত  শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। সোমবার (৩ ডিসেম্বর) শিক্ষা বোর্ড এ তালিকা প্রকাশ করে। মেধাবৃত্তিপ্রাপ্ত প্রত্যেক শিক্ষার্থী মাসিক ৬০০ টাকা ও সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্ত প্রত্যেক শিক্ষার্থী মাসিক ৩০০ টাকা হারে বৃত্তি পাবেন। বই পত্র ও যন্ত্রপাতি কেনার অনুদান হিসাবে  মেধাবৃত্তি প্রাপ্ত প্রত্যেক   শিক্ষার্থী বাৎসরিক ৯০০ টাকা ও সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্ত প্রত্যেক শিক্ষার্থী  বাৎসরিক ৪৫০ টাকা এককালীন অর্থ সাহায্য পাবেন। দোহার থেকে ১০ জন ট্যালেণ্টপুলে ও ২১ জন সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি পেয়েছে। সবচেয়ে ভালো ফলাফল মুকসুদপুর শামসুদ্দীন শিকদার উচ্চ বিদ্যালয়ের; এখান থেকে ৪ জন ট্যালেণ্টপুলে ও ১০ জন সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি পেয়েছে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা জানান, বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা বিনা বেতনে অধ্যয়নের সুযোগ পাবেন। সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত ও শিক্ষা বোর্ডের অধিভুক্ত কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে মাসিক বেতন আদায় করতে পারবে না।বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে মাসিক বেতন আদায় করলে ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মেধাবৃত্তি ও সাধারণ বৃত্তি সরকারি নির্দেশনামতে ছাত্র ও ছাত্রী উভয়ের মধ্যে ৫০ শতাংশ বণ্টনকৃত। এ বৃত্তিগুলোর মেয়াদ ২০১৮ খ্রিস্টাব্দের জুলাই মাস হতে ২০২০ খ্রিস্টাব্দের জুন পর্যন্ত দুই বছর। তবে অনিয়মিত শিক্ষার্থী বৃত্তি পাবে না।

কোনো কারণে অর্থবছরের নির্দারিত সময় পার হয়ে গেলে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের অনুমোদন নিয়ে  সর্বোচ্চ এক বছরের তামাদি বা বকেয়া বৃত্তি প্রদান করা যাবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বৃত্তির টাকা উত্তোলন করে বৃত্তিধারীদের মধ্যে বিতরণে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধানের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেবে বোর্ড কর্তৃপক্ষ।

বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছেন যারাঃ

১. আরাফাত হোসেন – মুকসুদপুর শামসুদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়

২. পারভেজ আহমেদ – মুকসুদপুর শামসুদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়

৩. শাকিল মাহমুদ সজীব – মুকসুদপুর শামসুদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়

মানবিক বিভাগ থেকে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছেন যারাঃ

১. সুমাইয়া মেহেরিন – কবি নজরুল উচ্চ বিদ্যালয়

২. সামিয়া আক্তার – কাটাখালি মেছের খান উচ্চ বিদ্যালয়

ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছেন যারাঃ

১. মনির হোসেন – বাহ্রা হাবিল উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়

২. ফয়সাল আহমেদ রাতুল – মুকসুদপুর শামসুদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়

৩. সাবিহা সুলতানা – লটাখোলা আজাহার আলী উচ্চ বিদ্যালয়

৪. আরিফা আক্তার – নারিশা উচ্চ বিদ্যালয়

৫. অপর্ণা শীল – বেগম আয়েশা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়

বিজ্ঞান বিভাগে সাধারণ বিভাগে  বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছেন যারাঃ

১. রাকিব হোসেন – মুকসুদপুর শামসুদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়

২. ইমরান খান – মুকসুদপুর শামসুদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়

৩. মিহাদ হোসেন – মুকসুদপুর শামসুদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়

৪. মেহজাবিন সুলতানা – মুকসুদপুর শামসুদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়

৫. শায়লা আক্তার শাম্মী – মুকসুদপুর শামসুদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়

৬. আফসানা মিম অর্পা – মুকসুদপুর শামসুদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়

মানবিক বিভাগে সাধারণ বিভাগে  বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছেন যারাঃ

১. শেখ হিমেল – নারিশা উচ্চ বিদ্যালয়

২. পান্নু বণিক – লটাখোলা আজাহার আলী উচ্চ বিদ্যালয়

৩. মোঃ আলী –  মুকসুদপুর শামসুদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়

৪. রওশানারা আলিফ – কবি নজরুল উচ্চ বিদ্যালয়

৫. সাদিয়া আক্তার আশা – কবি নজরুল উচ্চ বিদ্যালয়

৬. খাদিজা আক্তার পলি – কবি নজরুল উচ্চ বিদ্যালয়

৭. সায়মা আক্তার শিপ্রা – কাটাখালি মেছের খান উচ্চ বিদ্যালয়

ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে সাধারণ বিভাগে  বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছেন যারাঃ

১. তারিকুল ইসলাম – মুকসুদপুর শামসুদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়

২. মোঃ আশরাফ – মালিকান্দা মেঘুলা স্কুল এণ্ড কলেজ

৩. বিক্রম ভট্টচার্য – জয়পাড়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়

৪. আরাফাত হোসেন শুভ – মুকসুদপুর শামসুদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়

৫. মোঃ জমির – লটাখোলা আজাহার আলী উচ্চ বিদ্যালয়

৬. ফাহিম শেখ সিয়াম – লটাখোলা আজাহার আলী উচ্চ বিদ্যালয়

৭. রিফাত হোসেন – মুকসুদপুর শামসুদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়

৮. তৃপ্তি খানম – বেগম আয়েশা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়

বেকার সমস্যার সমাধানে দোহারে ‘অর্থনীতি অঞ্চল’ হয়েছে – বিলাশপুরে সালমান রহমান

নিউজ৩৯ঃ সোমবার দোহারের বিলাশপুরে কেন্দ্রীয় ওয়ার্ড প্রোগ্রামের আওতায় আওয়ামী লীগ সভাপতির বেসরকারি খাত উন্নয়ন বিষয়ক উপদেষ্টা, বিশিষ্ট  শিল্পপতি বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমান বলেছেন সজীব ওয়াজেদ জয়ের দক্ষ নেতৃত্বে বাংলাদেশ তৃণমূল পর্যায়ে ডিজিটালে রূপান্তরিত হয়েছে। আমরা আজ ঘরে বসে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে যোগাযোগ করতে পারছি। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেস, চট্টগ্রামে কর্ণফুলি নদীর নিচে ট্যানেল, পায়রাবন্দর নির্মাণের ফলে পাল্টে গেছে বাংলাদেশের চিত্র।  নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতু নির্মাণ বর্তমান সরকারের সবচেয়ে বড় অবদান।  যেটা মানুষের স্বপ্ন ছিল এখন তা বাস্তব- এটা সম্ভব হয়েছে জননেত্রী শেখ হাসিনার দক্ষ নেতৃত্বের কারণে।

তিনি আরো বলেন, দোহারে ৩শ’ ৫০ একর জমির উপর ‘অর্থনীতি অঞ্চল’ পাস হয়েছে। এর ফলে  দোহার-নবাবগঞ্জের বেকার সমস্যার সমাধান হবে। বর্তমান সরকার দোহার-নবাবগঞ্জে শতভাগ বিদ্যুতায়িত করেছে। ঘরে ঘরে আজ বিদ্যুৎ পৌঁছেছে।  তাই জননেত্রী শেখ হাসিনাকে পুনরায় রাষ্ট্রনায়ক করতে হলে আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে আগামী নির্বাচনে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, পদ্মাসেতু নির্মাণের ফলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পাশাপাশি কেরানীগঞ্জ, দোহার, নবাবগঞ্জ, শ্রীনগরে ব্যাপক উন্নয়ন হবে, পাল্টে যাবে এই অঞ্চলের চিত্র। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নৌকা মার্কার বিকল্প নাই।

সোমবার বেলা ৩ টা থেকে দোহার উপজেলার বিলাশপুরে ইউনিয়নে কেন্দ্রভিত্তিক আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের তৃণমূলের নেতাকর্মী ও ভোটারদের সঙ্গে উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় ছিলেন আওয়ামীলীগ সভাপতি নজরুল ইসলাম বাবুল, সাধারণ সম্পাদক আলি আহসান খোকন শিকদার, উপজেলা চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন,  উপজেলা ছাত্রলীগ, কলেজ ছাত্রলীগ, পৌরসভা ছাত্রলীগ, স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-পাঠাগার সম্পাদক আরমান হোসেন অপু।

ইসিতে আশফাক ও জুবলীর আপিল

সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে এসে ঢাকা-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী খন্দকার আবু আশফাক মনোনয়ন অবৈধ ঘোষণার বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেছেন।

তবে এই আসনে বিএনপি মনোনীত আরেক প্রার্থী ফাহমিদা হুসেইন জুবলীর মনোনয়নে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের স্বাক্ষর না মেলায় মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে বলে জানান সাবেক সংরক্ষিত আসনের এমপি ও ইডেন মহিলা কলেজের ছাত্রী নেত্রী জুবলী। তিনিও আপিল আবেদন করেছেন বলে জানা গেছে।

 এর আগে গতকাল রোববার আশফাকের মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। উপজেলা চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ না করার বিষয়টি উল্লেখ করে তার মনোনয়ন বাতিল করা হয়।

তবে এই আসনে বিএনপি মনোনীত আরেক প্রার্থী ফাহমিদা হুসেইন জুবলীর মনোনয়নে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের স্বাক্ষর না মেলায় মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে বলে জানান সাবেক সংরক্ষিত আসনের এমপি ও ইডেন মহিলা কলেজের ছাত্রী নেত্রী জুবলী।

এ আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সালমান এফ রহমান ও এ আসনে জাতীয় পার্টির বর্তমান এমপি অ্যাডভোটেক সালমা ইসলাম এবার স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

ঢাকা ১ আসনে মেনানয়ন বৈধ ৭, বাতিল ৫

আওয়ামী লীগের প্রার্থী সালমান ফজলুর রহমান, স্বতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান সংসদ সদস্য অ্যাড. সালমা ইসলাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. কামাল হোসেন, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির আবিদ হোসেন, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সেকান্দার হোসেন, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির মো. করম আলী এবং বিকল্পধারার মো. জালাল উদ্দিনের মনোনয়ন পত্রও বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

অন্যদিকে, বাতিল করা হয়েছে বিএনপির দুই প্রার্থী খোন্দকার আবু আশফাক ও ফাহিমা হোসাইন জুবলীর মনোনয়ন পত্র। জানা যায়, আবু আশফাকের উপজেলা চেয়ারম্যান থেকে পদত্যাগের কাগজপত্র নির্বাচন কমিশনে এসে না পৌছায় তাঁর মনোনয়ন পত্র বাতিল করা হয়। আর ফাহিমা হোসাইন জুবলীর মনোনয়ন পত্রটি বাতিল করা হয় স্বাক্ষর সংক্রান্ত জটিলতার কারনে। একইসাথে জাকের পার্টির মো. সামসুদ্দিন আহম্মেদ, জাসদের আইয়ূব খান ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আনোয়ার হোসেনের মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়।

দোহারে খাল রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন

‘খাল হোক প্রবাহমান-মধুরচরের পরিবেশ বাঁচান’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে ঢাকার দোহার উপজেলার সুতারপাড়া হলের বাজার এলাকায় ধাপাড়িয়া খালের অভিমুখে দাঁড়িয়ে গতকাল সকালে মানববন্ধন করেছে  মধুরচর গ্রামের বাসিন্দারা। মধুরচর ঐতিহ্যবাহী ধাপাড়িয়া খালের ওপর কালভার্ট ও রাস্তা নির্মাণ এবং পদ্মার সঙ্গে সংযোগ মুখ উন্মুক্ত করার দাবি জানান মানববন্ধনকারীরা। মানববন্ধনে মধুরচরের শত শত বাসিন্দা অংশগ্রহণ করেন। মানববন্ধনকারীরা জানান, ১৯৮২ সালে এই খালের ওপর চলাচলের জন্য প্রধান সড়ক নির্মাণ হলে খালটি দুইটি অংশে বিভক্ত হয়ে যায়। তবে, পানি প্রবাহের কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় খালের পানি প্রবাহের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়। এ ছাড়া খালের বিভিন্ন স্থান দখল হয়ে যাওয়া এবং পদ্মার সঙ্গে সংযোগ স্থলটি বন্ধ থাকায় মধুরচরের হাজারো মানুষ বন্যা এলেই পানিবন্দি হয়ে পড়ে। বর্তমানে ময়লা আবর্জনা ও দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ স্থানীয়রা। খালটি উন্মুক্ত করে খালের পানির স্বাভাবিক গতি ফিরিয়ে আনার দাবি জানান এলাকাবাসী।