কাটাখালী মিছের খান উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া ও বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত

দোহার উপজেলার কাটাখালী মিছের খান উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া বিজ্ঞান প্রযুক্তি ও কৃষিমেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার সকাল ১১টায় বিদ্যালয়ের মাঠে অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অহিদুল ইসলাম অনু’র সভাপতিত্ত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট আব্দুল মান্নান খান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এডভোটেক আব্দুল মান্নান শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, তোমাদের প্রধান কাজ লেখাপড়া করা। তোমরা লেখাপড়া করে পরিবার , সমাজ ও রাস্ট্রের মুখ উজ্জল করবে। তোমরাই হবে আগামী দিনে এদেশের কর্ণধার। তোমাদের পড়াশোনায় মনোযোগী হতে হবে এবং যে কোন প্রতিকূল অবস্থা মোকাবেলা করে টিকে থাকতে হবে। লেখাপড়াকে চ্যালেঞ্জিং হিসেবে গ্রহন করতে হবে।

এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফজলুল হক, দোহার উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফরোজা আক্তার বিরা, দোহার উপজেলা কমিশনার ভূমি সালমা খাতুন, যুবলীগ নেতা জুলহাস উদ্দিন । অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি আব্দুল মান্নান খানসহ অতিথিরা বিজ্ঞান প্রযুক্তি ও কৃষি মেলার বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন।

পুলিশ সেবা সপ্তাহ উপলক্ষে নবাবগঞ্জ থানার বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা

পুলিশ সেবা সপ্তাহ উপলক্ষে ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা করেছে নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ। রোববার বেলা সাড়ে ১২ টায় থানার প্রধান ফটক থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের  হয়ে উপজেলার প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে পরে পুনরায় থানা কার্যালয়ে ফিরে আসে। শোভাযাত্রায় নবাবগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ মো. মোস্তফা কামাল নেতৃত্ব দেন।

এই শোভাযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন ওসি তদন্ত মো. সাইফুল ইসলাম, নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. জালাল উদ্দিন, ঢাকা জেলা পরিষদের সদস্য ওয়াহিদুজ্জামান রনি, এস এম সাইফুল ইসলাম, ইউপি চেয়াম্যান আব্দুল ওয়াদুদ মিয়া, মো. ইব্রাহিম খলিল, নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. পলাশ, শ্রমিকলীগের আহবায়ক আমির হোসেন কুটি, পুলিশের উপ-পরিদর্শক সফিকুল ইসলাম সুমন, মো. কামরুল হাসান,মুন্সী আশিকুর রহমান, আওয়ামীলীগ নেতা আমিনুর রশিদ মো.শাহিন খান প্রমুখ।

পুলিশ সেবা সপ্তাহ উপলক্ষে দোহার থানার বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা

 ‘সেবাই পুলিশের ধর্ম। পুলিশকে সহায়তা করুন, সেবা নিন।’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ঢাকার দোহার উপজেলায় পুলিশ সেবা সপ্তাহ শুরু করেছে দোহার থানা পুলিশ। এই সেবা সপ্তাহ উপলক্ষে সোমবার সকাল ১১টায়  দোহার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাজ্জাদ হোসেনের নেতৃত্বে থানার প্রধান ফটক থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। র‌্যালীটি উপজেলার প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে পুনরায় থানা কার্যালয়ে ফিরে এসে শেষ হয়। র‌্যালীতে বিভিন্ন পেশাজীবির মানুষ অংশগ্রহণ করেন। এই সময় দোহার উপজেলা প্রেসক্লাব, আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীরা শোভা যাত্রায় অংশ নেন।

দোহারে বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ও সচেতনতা মূলক কর্মসূচি পালিত

 ঢাকার দোহারে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন দোহার ব্লাড ব্যাংকের উদ্যোগে এবং লটাখোলা আশা ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার এর সহযোগিতায় উপজেলার মালিকান্দা স্কুল এন্ড কলেজ প্রাঙ্গণে আজ (২৬ শে জানুয়ারি) শনিবার বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ও সচেতনতা মূলক কর্মসূচী পালিত হয়েছে। মালিকান্দা স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ অজয় কুমার রায় এর উদ্ভোধনী বক্তব্যের মাধ্যেমে কর্মসূচি আরম্ভ হয়। সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৩ টা পর্যন্ত এ কর্মসূচি চলে। এতে প্রায় চার শতাধিক শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ও রক্তদান সম্পর্কে সচেতন করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে অধ্যক্ষ অজয় কুমার রায়, অধ্যাপক আবু তাহের এবং অন্যান্য শিক্ষক মণ্ডলী সহ ব্লাড ব্যাংকের অর্ধশতাধিক কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপির স্থায়ী কমিটি: শূন্য পদে আলোচনায় যারা

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘অবিশ্বাস্য’ বিপর্যয়ের পর বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ে বিরাজ করছে রাজ্যের হতাশা। এ অবস্থা থেকে দলকে বের করে আনতে নানা উদ্যোগ নিয়েছে বিএনপির হাইকমান্ড। আপাতত দল গোছানোর লক্ষ্যে দ্রুত মূল দল পুনর্গঠন এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনগুলোর বিভিন্ন পর্যায়ের কাউন্সিল করতে চাইছেন তারা। তৃণমূলের সরাসরি ভোটে নেতৃত্ব নির্বাচনের পক্ষে বিএনপির হাইকমান্ড।

প্রশাসন ও ক্ষমতাসীন দলের ধরপাকড় ছিল সত্য; কিন্তু এর বিপরীতে বিএনপির মেরুদণ্ডহীন সাংগঠনিক চিত্র ধরা পড়েছে সবার চোখেমুখে। কোথাও প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেনি দলটি।

এমনকি বহু কেন্দ্রে এজেন্টেই দিতে পারেনি দীর্ঘদিন নির্বাচনী রাজনীতির বাইরে থাকা দলটি। সব মিলিয়ে লেজেগোবরে অবস্থা বিএনপির।

সেই হতাশা কাটিয়ে দলকে সাংগঠনিকভাবে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নিয়েছে বিএনপি। দলের চেয়ারপারসন কারাবন্দি হওয়ায় দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দল গোছানোর উদ্যোগ নিয়েছেন। আগামী দিনে রাজপথের বিরোধী দল হিসেবে মাঠে সক্রিয় ভূমিকা রাখার জন্য যা করা দরকার, সেই উদ্যোগ তিনি দূর থেকে নেবেন। সে জন্য সাংগঠনিকভাবে দলকে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। দলের প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির শূন্যপদগুলো পূরণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার কারাবন্দি জীবনের এক বছর পূর্ণ হচ্ছে। গত ১১ মাস ধরে তারেক রহমানের নির্দেশনায় দলের স্থায়ী কমিটিই বিএনপিকে পরিচালনা করেছে। এর সমন্বয় করেছেন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বিএনপির নীতিনির্ধারক কয়েকজন নেতা জানান, দলের চেয়ারপারসন ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অনুপস্থিত। বর্তমানে জাতীয় স্থায়ী কমিটির বেশ কয়েকটি পদ শূন্য। এ পরিস্থিতিতে স্থায়ী কমিটি যোগ্য ও ত্যাগী নেতাদের সমন্বয়ে পুনর্গঠন জরুরি। বর্তমানে স্থায়ী কমিটির সদস্য না হয়েও বেশ কয়েকজন ভাইস চেয়ারম্যান ও উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। তবে স্থায়ী কমিটির আনুষ্ঠানিক নীতিনির্ধারণী বৈঠকে ওই নেতাদের রাখা সম্ভব হয় না। অনেক সময় বিশেষ আমন্ত্রণে কাউকে কাউকে বৈঠকে রাখা হয়। আবার অনেক সময় বৈঠকের আগে এবং পরও ওই গুরুত্বপূর্ণ নেতার মতামত ও পরামর্শ নিতে হচ্ছে স্থায়ী কমিটিকে। এ নিয়ে এক ধরনের অস্বস্তি কাজ করছে স্থায়ী কমিটির পদপ্রত্যাশী জ্যেষ্ঠ নেতাদের মধ্যে।

বিএনপিতে স্থায়ী কমিটি বরাবরই একটি আকর্ষণীয় ও মর্যাদাসম্পন্ন পদ। আজীবন বিএনপির রাজনীতি করা পোড় খাওয়া নেতাদের টার্গেট থাকে শেষ জীবনে হলেও স্থায়ী কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হওয়া। দু-একটি ব্যতিক্রম বাদে এ ফোরামে সাংগঠনিকভাবে যোগ্য, পরীক্ষিত, ত্যাগী ও দলে তুলনামূলক গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদেরই স্থান হয়। তাই প্রায় সব জ্যেষ্ঠ নেতার আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু স্থায়ী কমিটির সদস্য হওয়া।

এ কমিটি নির্বাচনের প্রার্থী চূড়ান্ত, কর্মসূচি প্রণয়ন থেকে শুরু করে সার্বিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাজগুলো করে। স্থায়ী কমিটির সুপারিশের আলোকেই বেশিরভাগ সময় বিএনপির শীর্ষ নেতারা সিদ্ধান্ত দিয়ে থাকেন। অন্তত খালেদা জিয়ার ক্ষেত্রে এমনটি হয়েছে।

বিএনপির কাউন্সিলের কথা উঠলেই অনেকে স্থায়ী কমিটির পদ বাগিয়ে নিতে নানা কৌশল ও তদবির শুরু করেন। এবার বিএনপির কাউন্সিল কবে হবে তা নিয়ে এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না।

কারাবন্দি দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ছাড়া জাতীয় কাউন্সিল করার কথা ভাবছে না বিএনপি। আগের কমিটি ঠিক রেখে কমিটির শূন্যপদগুলো পূরণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তাই দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির পাঁচটি শূন্যপদ পূরণের উদ্যোগ নিয়েছে শীর্ষ নেতৃত্ব।

ইতিমধ্যে এ ব্যাপারে সম্মতিও দিয়েছে দলটির হাইকমান্ড। স্থায়ী কমিটির দুই সদস্য রাজনীতি থেকে অবসর নিতে পারেন। সে ক্ষেত্রে পরীক্ষিত ও ত্যাগী প্রবীণ নেতার পাশাপাশি অপেক্ষাকৃত কম বয়সী নেতাদেরও স্থায়ী কমিটিতে স্থান দিতে চায় দলটি।

এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক নীতিনির্ধারক যুগান্তরকে বলেন, মার্চে দলের নির্বাহী কমিটির মেয়াদ শেষ হচ্ছে। কিন্তু আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কারাবন্দির এক বছর পূর্ণ হবে। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানও দেশের বাইরে রয়েছেন। লাখ লাখ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা, তারা ঘরে থাকতে পারছেন না।

হাজারও নেতাকর্মী রয়েছেন কারাগারে। এমন অবস্থায় নতুন করে দলের জাতীয় কাউন্সিল করার মতো পরিস্থিতি নেই। তাই এখন স্থায়ী কমিটি ও জাতীয় নির্বাহী কমিটির শূন্যপদ পূরণের বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান পরামর্শ দিয়েছেন। এ ব্যাপারে চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অনুমতির অপেক্ষায় রয়েছি আমরা। অনুমতি পেলেই শূন্যপদগুলো পূরণ করা হবে।

সর্বশেষ ২০১৬ সালের ১৯ মার্চ ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিল করেছিল বিএনপি। দলটির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী জাতীয় নির্বাহী কমিটি তিন বছরের জন্য নির্বাচিত হবে এবং পরবর্তী জাতীয় নির্বাহী কমিটি দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত এ কমিটিই দায়িত্ব পালন করবে।

কমিটি ঘোষণার সময়ই ১৯ সদস্যের স্থায়ী কমিটির দুটি পদ ফাঁকা ছিল। বাকি ১৭ সদস্যের মধ্যে তরিকুল ইসলাম, আ স ম হান্নান শাহ ও এমকে আনোয়ার মারা গেছেন। ফলে বর্তমানে পাঁচটি পদ ফাঁকা। লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান ও ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া অসুস্থতার কারণে নিয়মিত সময় দিতে পারছেন না। স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ কমিটি ঘোষণার আগে থেকেই ভারতের শিলংয়ে আছেন। তিনি কমিটির একটি বৈঠকেও যোগ দিতে পারেননি।

সূত্র জানায়, গত মঙ্গলবার গুলশান কার্যালয়ে নীতিনির্ধারকদের এক বৈঠকে দলের জাতীয় কাউন্সিল নিয়ে অলোচনা হয়। স্থায়ী কমিটির একজন সিনিয়র সদস্য বিষয়টি বৈঠকে তোলেন। তবে অন্য সদস্যদের এ ব্যাপারে আগ্রহ না থাকায় এ নিয়ে বেশি আলোচনা হয়নি।

বিএনপির একজন সিনিয়র নেতা যুগান্তরকে বলেন, দলের স্থায়ী কমিটির শূন্যপদ পূরণের বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মহাসচিবকে নির্দেশনা দিয়েছেন। আগামী সপ্তাহে কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে স্থায়ী কমিটির সদস্যরা দেখা করতে পারেন। সে সময় চেয়ারপারসনের সঙ্গে এ বিষয়টি নিয়েও আলাপ করার কথা রয়েছে।

জানা গেছে, স্থায়ী কমিটির দুই সদস্য শারীরিক অসুস্থতার কারণে রাজনীতি থেকে অবসর নেয়ার কথা ভাবছেন। এ নিয়ে ওই দুই নেতা তাদের ঘনিষ্ঠজনদের সঙ্গে কথাও বলেছেন।

সব মিলিয়ে স্থায়ী কমিটিতে সাতটি পদ ফাঁকা হচ্ছে। এসবের অন্তত পাঁচটিতে নতুন মুখ দেখা যেতে পারে। বাকি দুটি পদ ফাঁকাই রাখা হতে পারে।

স্থায়ী কমিটির একটি পদে জিয়া পরিবারের সদস্য ও তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জোবায়দা রহমানের অন্তর্ভুক্তির দাবি রয়েছে দলের বিভিন্ন পর্যায় থেকে। খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হওয়ায় ক্লিন ইমেজের ডা. জোবায়দা দলকে গোছাতে পারবেন বলে ধারণা অনেকের।যদিও এ বিষয়ে জিয়া পরিবার কিংবা বিএনপির নীতি নির্ধারণী পর্যায়ের কোনো নেতা কোনো কথা বলতে রাজি হননি।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, স্থায়ী কমিটির শূন্যপদে আসতে পারেন বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, আবদুল আউয়াল মিন্টু, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সেলিমা রহমানের মতো প্রবীণ নেতারা।

এদের মধ্যে আবদুল্লাহ আল নোমান ও আবদুল আউয়াল মিন্টু বিএনপির দুই শীর্ষ নেতার পছন্দের। তারা বিভিন্ন সময়ে আস্থা মূল্য দিয়েছেন।

গতবার কাউন্সিলের আগে স্থায়ী কমিটিতে অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে আলোচনায় ছিলেন প্রবীণ নেতা শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন ও দলের ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রম।এই দু’জনকে স্থায়ী কমিটির শূন্যপদে দেখা যেতে পারে।

গত কাউন্সিলে আলোচনায় ছিলেন ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকা ও ড. ওসমান ফারুক। এ দুজনই এখন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। তাই শূন্যপদে তাদের কারোরই অন্তর্ভুক্তির সম্ভাবনা নেই।

ভাইস চেয়ারম্যান ও উপদেষ্টামণ্ডলী থেকে অন্তত দুজনকে স্থায়ী কমিটিতে পদোন্নতি দেয়া হতে পারে। চট্টগ্রামের প্রবীণ বিএনপি নেতা এম মোরশেদ খান ও দলের ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহান জিয়া পরিবারের বিশ্বস্ত। তাদের কোনো একজনকে দেখা যেতে পারে স্থায়ী কমিটিতে।বয়সের কারণে মোরশেদ খান বাদ পড়লেও মোহাম্মদ শাহজাহানের জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।

বিএনপির আইনজীবীদের মধ্যে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন স্থায়ী কমিটিতে আসুক এমনটি চাওয়া অনেকের।খালেদা জিয়ার আইনজীবী প্যানেলের এ সদস্য ইতিমধ্যেই আস্থা অর্জন করেছেন বিএনপি নেতাদের কাছে।

এছাড়া অপর আইনজীবী নেতা সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেনও গত কাউন্সিলে স্থায়ী কমিটিতে অন্তর্ভূক্তির বিষয়ে আলোচনায় ছিলেন।কমিটি পুনর্গঠন করা হলে তাকেও স্থায়ী কমিটিতে দেখা যেতে পারে।

বিএনপির নীতিনির্ধারণী ফোরাম চাচ্ছে দূরদর্শী ও মাঠে থাকার মতো নেতারা স্থায়ী কমিটিতে আসুক। সেই বিবেচনায় দুজন অপেক্ষাকৃত কম বয়সী নেতাকেও এ পদে অন্তর্ভুক্ত করার কথা উঠছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন কোনো মন্তব্য করতে চাননি।

তবে দলটির সিনিয়র নেতারা চাচ্ছেন যে করেই হোক শত সঙ্কটেও বিএনপি ঘুরে দাঁড়াক। প্রয়োজনে যেকোনো ছাড় দিতে রাজি তারা। যেমনটি ফুটে উঠেছে গত শুক্রবার বিকালে দলের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জন্মবার্ষিকীর আলোচনা সভায়। সেখানে স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘বিএনপিকে এখন ঘুরে দাঁড়াতে হবে। এ জন্য দলকে পুনর্গঠন করতে হবে। ২০০৮ সালে এমনিভাবে ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে পরাজিত হয়েছিলাম। তার পর পরই কিন্তু আমরা দলের কাউন্সিল করে ঘুরে দাঁড়িয়েছিলাম এবং সারা দেশে আমাদের নেতাকর্মীরা সাহসের সঙ্গে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল। আমরা যারা ব্যর্থ বলে পরিচিত হয়েছি, তাদের পদ ছেড়ে দিতে হবে। তরুণদের জায়গা করে দিতে হবে।’

একই সুরে কথা বলেন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদও। তার ভাষ্য- ‘যারা এই দুঃসময়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, যারা দলের জন্য কাজ করেছেন; তাদের সামনের দিকে এনে দলকে পুনর্গঠন করতে হবে। দরকার হলে আমরা যারা আমাদের বয়স হয়ে গেছে, আমরা সরে যাব, তারপরও এ দলটিকে তো রাখতে হবে। এ কাজ আমাদের কয়েক মাসের মধ্যেই করতে হবে। তা হলেই আমরা আবার মোড় ঘুরে দাঁড়াতে পারব।’

দোহার – নবাবগঞ্জে উপজেলা নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ ৩১ মার্চ

0

নিউজ৩৯,নির্বাচন কমিশন,জাকির হোসেনঃ
মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সভার কার্যবিবরণী থেকে জানা গেছে যে, দোহার – নবাবগঞ্জে উপজেলা নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ ৩১ মার্চ । পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মোট পাঁচ ধাপে সারা দেশের ৪৮১টি উপজেলায় ভোট গ্রহণ করা হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম ধাপে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অর্ধেকের মতো জেলার সব উপজেলায় ভোটগ্রহণ করা হবে। এই ধাপে ভোটগ্রহণের জন্য নির্ধারিত উপজেলার সংখ্যা ৬৯ টি। তবে ইসি সচিবালয়ের একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, ৮ মার্চ শুক্রবার। একই দিন বিশ্ব নারী দিবস। যে কারণে ৯ মার্চ ভোটগ্রহণের তারিখ নির্ধারণ হতে পারে। এ ছাড়া দ্বিতীয় ধাপে ১৮ মার্চ ১২৫টি উপজেলায়, তৃতীয় ধাপে ২৪ মার্চ ১১১টি এবং ৩১ মার্চ চতুর্থ ধাপে ১৫৯টি উপজেলায় ভোটগ্রহণের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। রমজানের পরে পঞ্চম ধাপে জুনের দিকে ১৭টি উপজেলায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
দোহার-নবাবগঞ্জে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন হয়েছিল সর্বশেষ ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪। সেসময় ঢাকার দোহারে নির্বাচিত হয়েছিলেন বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী কামরুল হুদা ও নবাবগঞ্জে নির্বাচিত হয়েছিলেন বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী আবু আশফাক।
উল্ল্যেখ্য ২৬ জুন,২০১৪ সাবেক চেয়ারম্যান কামরুল হুদার মৃত্যুতে দোহার উপজেলায় এ পদটি শূন্য হয়। এরপর ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৫ এই উপজেলায় উপ-নির্বাচন হয়। সেই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর হোসেন আনারস প্রতীক, বিএনপি ও নাজমুল হুদা সমর্থিত প্রার্থী উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম ভূলু দোয়াত-কলম প্রতীক নিয়ে, ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মেহবুব কবির মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন। উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর হোসেন আনারস প্রতীকে বিপুল ভোতে বিজয়ী হন। বর্তমানে তিনি সেই দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
এ ছাড়া সারা দেশের যেসব উপজেলা পরিষদের মেয়াদ ২১ মার্চের মধ্যে শেষ হবে, সেগুলোতেও একইদিন ভোটগ্রহণ করা হবে।
ইতিমধ্যে ইসি সচিবালয়ের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ গণমাধ্যমকে বলেছেন, প্রথম ধাপে ৮ অথবা ৯ মার্চ ভোটগ্রহণের জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে।
ইসির কার্যবিবরণী থেকে আরও জানা যায়, দ্বিতীয় ধাপে রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগের অর্ধেকের বেশি জেলার সব উপজেলাতে ভোট হবে। সারা দেশের যেসব উপজেলার মেয়াদ ২৬ মার্চ শেষ হবে সেগুলোর নির্বাচনও এই ধাপে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
তৃতীয় ধাপে খুলনা, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অবশিষ্ট জেলার সব উপজেলায় ভোটগ্রহণ করা হবে। সারা দেশের যেসব উপজেলার মেয়াদ ৩০ মার্চ শেষ হবে সেগুলোর নির্বাচনও এই দিন অনুষ্ঠিত হবে।
চতুর্থ ধাপে ঢাকা ও বরিশাল বিভাগের সম্পূর্ণ জেলা এবং চট্টগ্রাম বিভাগের বাকি জেলার সব উপজেলা ভোটগ্রহণ করা হবে। সারা দেশের যেসব পরিষদের মেয়াদ ১৯ জুনের মধ্যে শেষ হবে সেগুলোর নির্বাচনও চতুর্থ ধাপে অনুষ্ঠিত হবে।
যেসব পরিষদের প্রথম সভা ২০১৪ সালের ২০ জুনের পরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল সেগুলোতে রমজান মাস শেষে ঈদের পরে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
ইসি সচিবালয় সূত্র জানায়, প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচনের জন্য আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে। নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করবেন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এবং সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করবেন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তারা।
ইসি সচিবালয় থেকে আরও জানা যায়, এ বছর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া বা হওয়ার চেষ্টা এবং অন্যান্য কারণে ৩২ জন উপজেলা চেয়ারম্যান মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই পদত্যাগ করেছেন। এসব উপজেলার নির্বাচনও প্রথম ধাপে ৮ অথবা ৯ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে।
দেশের প্রধান বিরোধী দল বিএনপি ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্জন করেছিল। তবে একই বছর অনুষ্ঠিত চতুর্থ উপজেলা নির্বাচনে দলটি অংশ নিয়ে ১১৬টি উপজেলায় জয় পেয়েছিল। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ জিতেছিল ২৬২টি উপজেলায়। সেবার প্রথম দুই ধাপের নির্বাচন গ্রহণযোগ্য ছিল এবং বিএনপি সরকারি দলের সঙ্গে সমান তালে পাল্লা দিয়ে বিভিন্ন উপজেলায় জয় পেয়েছিল। তবে তৃতীয় ধাপ থেকে ষষ্ঠ (শেষ ধাপ) ধাপ পর্যন্ত নির্বাচন ব্যাপক অনিয়মের ঘটনা ঘটে।
গত ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট মাত্র আটটি আসনে জয় পেয়েছে। নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হয়নি দাবি করে দলটি এ নির্বাচনের ফল বর্জন করেছে এবং সংসদে শপথ নেওয়া থেকে বিরত আছে।
সংসদ নির্বাচনের এই প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বিএনপি ইতিমধ্যে জানিয়েছে, তারা উপজেলা নির্বাচনে অংশ নেবে না।

স্যামস-৯২ ও কোরিয়া-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির দুই দিন ব্যাপী সামাজিক কার্যক্রম

স্যামস-৯২ ও কোরিয়া-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির দুই দিন ব্যাপী সামাজিক কার্যক্রম সম্মন্ন হয়েছে। এরই মাঝে তারা শীতার্তদের মাঝে বস্ত্র বিতরন, জয়পাড়া বাজার পরিস্কারকরনের মতো বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করে। স্যামস-৯২ নামে একটি সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন আমন্ত্রণে দোহারে আসা ৩৫ জন কোরিয়ান নাগরিক দুইদিন ব্যাপী বিভিন্ন সচেতনতা ও সেবামূলক কাজে অংশ নেয়।

স্যামস ৯২

শনিবার সকালে দোহারের মালিকান্দায় স্যামস-৯২’এর কার্যালয় থেকে দুইদিনব্যাপী সেবামূলক এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। সেখানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করেণ কোরিয়া থেকে আসা চিকিৎকরা। পরে মধুরচর আশ্রয়ণ প্রকল্পে বসবাসরত পরিবারগুলোর মাঝে কম্বল বিতরণ করেণ তারা।

এছাড়া ঢাকার দোহারের প্রাণকেন্দ্র জয়পাড়া বাজারে প্রতীকী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করেছে কোরিয়ানরা। এর অংশ হিসেবে বুধবার সকাল ১০ টা থেকে ১২ টা পর্যন্ত দুইঘন্টা জয়পাড়া বাজারের ময়লা-আবর্জনা অপসারণে অংশ নেন।

স্যামস ৯২

এই সময় স্যামস ৯২ এর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. ফজলুর রহমান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. কবিরুল বাশার, কোরিয়া বাংলাদেশ ফ্রেন্ড সোসাইটির সভাপতি খাদেমুল ইসলাম সহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

সেবামূলক এমন কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন বক্তারা।

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির এলাকা পরিচালক পদে আউলাদ হোসেন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ফের নির্বাচিত

0

ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর আওতাধীন দোহার উপজেলার জয়পাড়া, রাইপাড়া, কুসুমহাটি ও নয়াবাড়ি ইউনিয়নের (৭নং অঞ্চলের) পরিচালক পদে নির্বাচনে পরিচালক পদে আউলাদ হোসেন পুনরায় নির্বাচিত হয়েছে। মঙ্গলবার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তাকে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়। ওই পদে মোট তিনজন মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন। এর মধ্যে দুইজনের মনোনয়ন বাতিল হলে আউলাদ হোসেন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।

এর আগে ২০১৪ সালে একই পদে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আউলাদ হোসেন ১৪০ ভোটে জয়লাভ করেছিলেন। ওই নির্বাচনে বিজয়ী আউলাদ হোসেন মাছ প্রতীক নিয়ে পেয়েছিলেন ১৩৩৮ ভোট, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোজাম্মেল হোসেন চেয়ার প্রতীক নিয়ে পেয়েছিলেন ১১৯৮ ভোট।

নবাবগঞ্জ থেকে ইয়াবাসহ আটক ৩

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় মোহনপুর থেকে ইয়াবা ও মাদক বিক্রির টাকাসহ তিন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার  দুপুরে নবাবগঞ্জ উপজেলার মোহনপুর এলাকার আমিনুল ইসলামে বাড়ি থেকে তাদের আটক করা হয়।

নবাবগঞ্জ থানার গালিমপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপ-পরিদর্শক নাজমুল হক জানায়, আমিনুল ইসলাম রনি এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। সে দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিল। মঙ্গলবার দুপুরে আমিনুল ইসলাম বাড়িতে ইয়াবা বিক্রয় করছে এমন গোপন সংবাদ পেয়ে সেখানে অভিযান চালায় পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে আমিনুল, হেদায়েত ও কক্সবাজারের আরিফকে আটক করা হয়। এসময় আটকৃতদের কাছে ১৯৫ পিস ইয়াবা ও মাদক বিক্রির নগদ ২ লাখ ৮৩ হাজার ২৩০ টাকা পাওয়া যায়।

গালিমপুর তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক আব্দুর রাশিদ জানান, তারা দীর্ঘদিন যাবত এলাকায় মাদক ব্যবসা করে আসছিলেন। আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলার প্রক্রিয়া চলছে।

আটককৃতরা হলেন, উপজেলার আগলা ইউনিয়নের মোহনপুর গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে আমিনুল ইসলাম রনি (৩২), টিকরপুরের হারুন অর রশিদের ছেলে হেদায়েত (২৪) ও কক্সবাজার জেলার লাইট হাউস এলাকার  মো. খোকার ছেলে আরিফ (২৫)।

সোহরাওয়ার্দীতে সমাবেশে নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের মিছিল

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরস্কুশ বিজয় উদযাপনের লক্ষ্যে শনিবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের বিজয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে শনিবার দুপুরে ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা বিশাল মিছিল নিয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অংশগ্রহন করেন৷ মিছিলটি গুলিস্তান, পুলিশ হেডকোয়ার্টার, দোয়েল চত্বর হয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশে প্রবেশ করেন। এসময় মিছিলে উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির সদস্য আব্দুল বাতেন মিয়া, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পনিরুজ্জামান তরুন, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক মিজানুর রহমান ভূঁইয়া কিসমত, কেন্দ্রীয় যুব লীগের সহ- সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন, নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাসির উদ্দিন ঝিলু, সাধারন সম্পাদক জালাল উদ্দিন, ঢাকা জেলা পরিষদের সদস্য ওয়াহিদুজ্জামান রনি, আওয়ামী লীগ নেতা অসীম সরকার প্রমুখ৷