নিরাপদ হবে পুরান ঢাকা, সিরাজদিখানে হচ্ছে কেমিক্যাল পল্লি

মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে কেমিক্যাল পল্লি স্থাপন করা হচ্ছে। সম্প্রতি পুরান ঢাকার চুড়িহাট্টায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর এ সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। এর আগে ৫০ একর জমিতে এটি কেরানীগঞ্জে কেমিক্যাল পল্লি গড়ে তোলার কথা থাকলেও এলাকটি জনবহুল হওয়ায় সিরাজদিখানকে বেছে নেওয়া হয়েছে। কেমিক্যাল পল্লির জন্য এখন জমির পরিমাণ বাড়িয়ে ৩১০ একর করা হয়েছে। এ জন্য ১ হাজার ৬৪৮ কোটি ৯০ লাখ টাকা ব্যয়ে সংশোধন করা হচ্ছে ‘বিসিক কেমিক্যাল পল্লি’ প্রকল্পটি।

প্রক্রিয়াকরণ শেষে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন পেলে চলতি বছর থেকে ২০২২ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। এটি বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক)।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে প্রকল্পটির দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিকল্পনা কমিশনের শিল্প ও শক্তি বিভাগের সদস্য (সচিব) শামীমা নারগিস জানান, গত ৩১ মার্চ প্রথম সংশোধনী প্রস্তাবের ওপর প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় বেশকিছু সুপারিশ করে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) পুনর্গঠন করার জন্য শিল্প মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। এখনো সংশোধিত ডিপিপি পরিকল্পনা কমিশনে আসেনি। হাতে পেলেই পরবর্তী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।

পরিকল্পনা কমিশনের একাধিক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, পুরান ঢাকাকে নিরাপদ সরকার কাজ করছে। এরই অংশ হিসেবে কেমিক্যাল পল্লিতে ২ হাজার ১৫৪টি প্লট তৈরি করা হবে। ফলে ঢাকা মহানগরীর বিশেষ করে পুরনো ঢাকার কেমিক্যাল কারখানা ও গোডাউনগুলো একটি পরিবেশবান্ধব এবং অপেক্ষাকৃত কমজনবহুল স্থানে স্থানান্তর করা সম্ভব হবে। এ জন্য সকল প্রকার অবকাঠামোগত সুযোগ সুবিধা সম্বলিত একটি কেমিক্যাল পল্লি গড়ে তোলা হচ্ছে। যেখানে প্রায় ২০ হাজার লোকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে অগ্নি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) অবদান রাখবে।

শিল্প মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ৪ হাজার কেমিক্যাল গোডাউন রয়েছে। এসব কেমিক্যাল বিস্ফোরক জাতীয় এবং অত্যন্ত দাহ্য পদার্থ হওয়ায় এসব গোডাউন কারখানা সংলগ্ন এলাকায় আবাসিক বসবাসের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

২০১০ সালের ৩ জুন পুরানো ঢাকার নবাব কাটরার নিমতলিতে অবস্থিত কেমিক্যাল গোডাউন সংঘটিত দুর্ঘটনার বহু হতাহতসহ সম্পদের ব্যাপক ক্ষতি হয়। এ ধরনের দুর্ঘটনা রোধসহ আবাসিক এলাকা থেকে কেমিক্যাল কারখানা গোডাউন অপসারণের জন্য ঢাকার কেরানীগঞ্জে ৫০ একর জমিতে আধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্বলিত একটি বিসিক কেমিক্যাল পল্লি স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ জন্য মোট ২০১ কোটি ৮১ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে ২০১৮ সালের জুলাই হতে ২০২১ সালের জুনে বিসিক কেমিক্যাল পল্লি ঢাকা শীর্ষক প্রকল্পটি ২০১৮ সালের ৩০ অক্টোবর অনুমোদন দেয় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক)।

প্রকল্পের প্রধান কার্যক্রম হচ্ছে, ৩১০ একর ভূমি অধিগ্রহণ, ১৭৮ দশমিক ৯০ বর্গমিটার অফিস ভবন নির্মাণ, ৪৬ দশমিক ৫০ বর্গ মিটার পাম্প ড্রাইভার কোয়ার্টার, ২টি মেইন গেট, একটি ফায়ার সার্ভিস ইউনিট, ৫ হাজার ৭৩০ মিটার শিল্প নগরীর সীমানা প্রাচীর, ৩২৬ বর্গফুট পুলিশ ফাঁড়ি, ৩টি নলকূপ স্থাপন, ৩১ হাজার ৩২৫ মিটার পানির লাইন, ৩১ হাজার ৯৪০ মিটার বিদ্যুৎ লাইন, ৬ হাজার মিটার গ্যাস লাইন, দুটি জেটি নির্মাণ, একটি সিইটিপি ও ডাম্পিং ইয়ার্ড ও ইনসিনেরেটর এবং ১৮৫ দশমিক ৮৬ বর্গমিটার পুকুর পাড়ে প্যালাসাইটিং নির্মাণ করা হবে।

অন্যদিকে যতদিন এই কেমিক্যাল পল্লি স্থাপন না হচ্ছে ততদিন পুরান ঢাকাকে নিরাপদ করতে অস্থায়ী ভিত্তিতে স্থাপন করা হচ্ছে ৫৪টি কেমিক্যাল গোডাউন। পুরান ঢাকার চুড়িহাট্টার অগ্নিকাণ্ডে  অধিক সচেতনতার অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ঢাকার কদমতলীর শ্যামপুরে এসব  গুদাম নির্মাণের লক্ষ্যে ‘অস্থায়ী ভিত্তিতে রাসায়নিক দ্রব্য সংরক্ষণের জন্য গুদাম নির্মাণ’ নামের একটি প্রকল্প প্রস্তাব করা হয়েছে পরিকল্পনা কমিশনে। এটি বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয়েছে ৭৯ কোটি ৪১ লাখ টাকা। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে জনগণের নিরাপত্তার স্বার্থে রাসায়নিক দ্রব্যাদি নিরাপদ স্থানে সংরক্ষণ করা, পুরনো ঢাকার ঝুঁকিপূর্ণভাবে সংরক্ষিত রাসায়নিক পদার্থগুলো দ্রুত স্থানান্তর নিরাপদ সংরক্ষণের জন্য গুদাম নির্মাণ  এবং বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে বিভিন্ন দাহ্য পদার্থের নিরাপদ সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রক্রিয়াকরণ শেষে একনেক বৈঠকে অনুমোদন পেলে চলতি মাস থেকে ২০২০ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি)।

পরিকল্পনা কমিশনের একাধিক কর্মকর্তা জানান, প্রকল্পটি চলতি অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) অন্তর্ভূক্ত নেই। কিন্তু রাষ্ট্রীয় অতীব গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনায় অত্যন্ত দ্রুততম সময়ে গত ১৪ মার্চ পিইসি সভা করা হয়েছে। বর্তমানে একনেক বৈঠকে উপস্থাপনের চূড়ান্ত প্রস্তুতি রয়েছে।  প্রকল্পের আওতায় প্রধান কার্যক্রমগুলো হচ্ছে, ৫৪টি গুদাম নির্মাণ, গুদাম সংশ্লিষ্টদের জন্য দুটি অফিস ভবন নির্মাণ, বিসিআইসি’র জন্য একটি অফিস ভবন ও মসজিদ তৈরি, ১ লাখ গ্যালন ধারণ ক্ষমতার একটি আন্ডার গ্রাউন্ড পানির ট্যাংক নির্মাণ, ১ হাজার লিটার  বা ঘণ্টা শোধন ক্ষমতা সম্পন্ন দুটি ইটিপি স্থাপন, ৯টি ফায়ার হাইড্রান্টসহ স্বয়ংক্রিয় অগ্নি নির্বাচন ব্যবস্থা স্থাপন, ৩০টি সিসি ক্যামেরা ও অনলাইন মনিটরিং সিস্টেম স্থাপন, এক লাখ ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন একটি ওভারহেড পানির ট্যাংক, বৈদ্যুতিক সাবস্টেশন-ট্রান্সফরমান-জেনারেটর, রাস্তা, ড্রেন ও বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ প্রভৃতি।

ঢাকা জেলা বিএনপির নতুন কমিটির সভায় হাতাহাতি, অবরুদ্ধ নেতারা

বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর নয়াপল্টন ভাসানী ভবনে ঢাকা জেলা বিএনপির নবগঠিত কমিটির পরিচিতিসভায় ঢাকা জেলা বিএনপির নবগঠিত কমিটির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পদবঞ্চিতদের হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। হৈ-হট্টগোল ও চরম উত্তেজনার মধ্যে একপর্যায়ে সভা পণ্ড হয়ে যায়। নতুন কমিটির নেতাসহ কেন্দ্রীয় নেতাদের অবরুদ্ধ করে রাখেন পদবঞ্চিতরা। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমানের গ্রুপের নেতাকর্মীদের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে।

গত ২৭ মার্চ মো. সালাউদ্দিনকে সভাপতি ও খন্দকার আবু আশফাককে সাধারণ সম্পাদক করে ২৬৬ সদস্যের ঢাকা জেলা বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়। অভিযোগ উঠেছে- এই কমিটিতে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের অনুসারীদের প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। বাদ পড়েছেন চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমানের সমর্থকরা। তাই নবগঠিত কমিটির পরিচিতিসভায় এ ঘটনার প্রতিবাদ জানান পদবঞ্চিতরা।

একপর্যায়ে দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ সময় আমানের সমর্থকরা ভাসানী ভবনের দরজা ভেঙে ফেলার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে ঢাকা জেলা বিএনপির এক নেতা আহত হন। সভা পণ্ড হয়ে যায়।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত নয়াপল্টন ভাসানী ভবনে নতুন কমিটির নেতাদের অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। এ সময় আমানউল্লাহ আমানের সমর্থক ‘অবৈধ কমিটি, মানি না মানব না’সহ বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দেন।

নতুন কমিটির পরিচিতিসভায় বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য নিপুণ রায় চৌধুরী, মো. সালাউদ্দিন ও খন্দকার আবু আশফাকসহ ঢাকা জেলা বিএনপি নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে, ঢাকা জেলা কমিটিতে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের নির্বাচনী এলাকা থেকে ৭৭ জন, দেওয়ান সালাউদ্দিনের এলাকা থেকে ৭২, আশফাকের এলাকা থেকে ৭৮, আমানউল্লাহ আমানের এলাকা থেকে ১৭, ধামরাই থেকে ২০ জনকে রাখা হয়েছে। কমিটিতে আমানপন্থীদের সংখ্যা কম থাকায় কমিটি ঘোষণার পর থেকে ক্ষোভে ফুঁসছিল একটি অংশ। আজ তার বহির্প্রকাশ ঘটল।

নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন : কে কত ভোট পেল

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। ১৪টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত নবাবগঞ্জের মোট ভোটার সংখ্যা ২লাখ ৬৪ হাজার ৯শ ৪৪ ভোট। উপজেলার কেন্দ্র রয়েছে ১০৪টি। নাসির উদ্দিন আহমেদ ঝিলু আনারস প্রতিক নিয়ে ৬৫ হাজার ১’শ ৮৪ ভোট পেয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে টিউবওয়েল প্রতিক নিয়ে তাবির হোসেন খান পাভেল ৩৪ হাজার ৩শ ২৭ ভোট এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে প্রজাপতি প্রতিক নিয়ে ইয়াসমিন আক্তার ৪৩ হাজার ৫শ ৫১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

চেয়ারম্যান প্রার্থীঃ

১। নাসির উদ্দিন আহমেদ ঝিলু (আনারস)-   ৬৫ হাজার ১শ ৮৪ ভোট

২। আ. বাতেন মিয়া (নৌকা)-   ৪২ হাজার ৯৭ ভোট

৩। আ. রাজ্জাক মোল্লা  (দোয়াল কলম)-   ১ হাজার ৯১ ভোট

 মোট বৈধ ভোটের সংখ্যা- ১০,৮৩৭২

 মোট অবৈধ ভোটের সংখ্যা- ২,৪৪৮

 মোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা- ১১,০৮২০

ভাইস চেয়ারম্যানঃ

১। তাবির হোসেন খান পাভেল (টিবওয়েল)- ৩৪ হাজার ৩শ ২৭ ভোট

২। পত্তনদার মো. রকিবুল রহমান রাকিব ( বৈদ্যুতিক বাল্প)- ১৮ হাজার ২শ ১৯ ভোট

৩। আরিফুর রহমান খান (আইসক্রিম)- ১২ হাজার ৪শ ৬ ভোট

৪। শওকত ওসমান ( টিয়া পাখি)- ৮হাজার ৪শ ৯১ ভোট

৫। চন্দন মন্ডল ( উড়োজাহাজ)- ৭ হাজার ৬৯ ভোট

৬। শেখ হান্নান উদ্দিন (গ্যাস সিলিন্ডার)- ৬ হাজার ২শ ৬৬ ভোট

৭। স্বপন কুমার সরকার (তালা)- ৬ হাজার ২শ ৪৫ ভোট

৮। মো. হুমায়ন কবির (চশমা)- ৫ হাজার ২শ ৪০ ভোট

৯। মো. সোহরাব হোসেন (মাইক) -৩ হাজার ৬শ ১০ ভোট

১০। মো. জসিম উদ্দিন (বই) -৩ হাজার ১৩ ভোট

১১। আনোয়ার হোসেন বিদ্যুৎ (পালকি)- ১ হাজার ৪শ ৬২ ভোট

 মোট বৈধ ভোটের সংখ্যা- ১০৬৩৪৮

 মোট অবৈধ ভোটের সংখ্যা- ৪৫১০

 মোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা- ১১০৮৫৮

মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানঃ

১। ইয়াসমিন আক্তার (প্রজাপতি)-  ৪৩ হাজার ৫শ ৫১ ভোট

২। মরিয়ম মুস্তফা শিমু (হাঁস)- ৪০ হাজার ২শ ১৯ ভোট

৩। রেশমা আক্তার (কলস)- ১১ হাজার ৬শ ৯৪ ভোট

৪। শিরিন চৌধুরী  (সেলাই মেশিন)- ৮ হাজার ৪শ ৩৯ ভোট

৫। সুহানা জামান (ফুটবল)- ২ হাজার ৮শ ৫৫ ভোট

 মোট বৈধ ভোটের সংখ্যা- ১০৬৭৫৮

 মোট অবৈধ ভোটের সংখ্যা- ৪০৭২

 মোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা- ১১০৮৩০

সালমান এফ রহমানের এপিএস হিসেবে নিয়োগ পেলেন নবাবগঞ্জের ইউএনও

প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও উন্নয়ন বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমানের একান্ত সহকারী সচিব হিসেবে ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তোফাজ্জল হোসেনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সোমবার (১লা এপ্রিল) তাকে এ পদে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

আদেশে বলা হয়েছে ‘প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও উন্নয়ন বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান যতদিন এ পদ অলংকৃত করবেন অথবা মো. তোফাজ্জল হোসেনকে উক্ত পদে বহাল রাখার অভিপ্রায় পোষণ করবেন ততদিন এ নিয়োগ আদেশ কার্যকর থাকবে।’

২২ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়ী নাসির উদ্দিন আহমেদ ঝিলু

নবাবগঞ্জে উপজেলা চেয়ারম‌্যান পদে ২২ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয় লাভ করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাসির উদ্দিন ঝিলু। আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী আব্দুল বাতেন মিয়ার ৪২০৯৭ ভোটের বিপরীতে তিনি পেয়েছেন ৬৫১৮৪ ভোট। এছাড়া ভাইস চেয়ারম‌্যান পদে তাবির হোসেন পাভেল, মহিলা ভাইস চেয়ারম‌্যান পদে ইয়াসমিন আক্তার বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

ভাইস চেয়ারম্যান পদে মোহাম্মদ তাবিড় হোসেন খান (টিউবওয়েল) ৩৪ হাজার ৩২৭ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী পত্তনদার মোহাম্মদ রাকিব (বৈদ্যুতিক বাল্ব) পেয়েছেন ১৮ হাজার ২১৯ ভোট।

নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪৩ হাজার ৫৫১টি ভোট পেয়ে ইয়াসমিন আক্তার (প্রজাপতি) জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মরিয়ম মোস্তফা (হাঁস) পেয়েছেন ৪০ হাজার ২১৯ ভোট।

এ উপজেলায় মোট কেন্দ্র ১০৪টি। ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৬১ হাজার ৯৪৪ জন।

দোহারে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচনেঃ হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে বিজয়ী সুজাহার ব্যাপারী

0

দোহারে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে বিজয়ী হয়েছেন সুজাহার ব্যাপারী।  সর্বশেষ খবরে জানা যায় ৭৬ টি কেন্দ্রের ফলাফলে দেখা যায় সুজাহার বেপারী টিয়াপাখি মার্কায় ১৪৩৭৪ ভোট পেয়ে জয়ী হওয়ার খবর পাওয়া গিয়াছে।তার নিকটতম তৈয়বুর রহমান টিউবওয়েল মার্কায় ১২৫০১ভোট পেয়ে দ্বিতীয় হয়েছেন।অপরদিকে তালা রাকিব পেয়েছেন ৯৭৬০ ।

উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে ভোট গননা শেষ বেসরকারিভাবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরোজা আক্তার রিবার সভাপতিত্বে,নির্বাচন কমিশনার রেজাউল ইসলাম এ ফলাফল ঘোষনা করেন। মোট ৭৬ টি কেন্দ্রের মধ্যে ১লক্ষ ৭৮ হাজার ৩ শত ৪৫ ভোট সংখ্যা নিয়ে এ নির্বাচনে মোট তিনজন ভাইস চেয়ারম্যান ও তিনজন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, দোহার থানা ওসি তদন্ত মো.ইয়াসিন মুন্সী,সকল প্রার্থী সহ বিভিন্ন নেত্রীবৃন্দ।

দোহারে উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচনেঃ শামীমা বীথি’র একতরফা জয়

0

ঢাকা দোহার উপজেলা নির্বাচনে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রতিদ্বন্দ্বীতায় শামীমা ইসলাম বীথী হাঁস মার্কায় ২৬১২৯ জয়ী হয়েছেন, তার নিকটতম প্রার্থী সাজেদা ইসলাম রুনু প্রজাপতি মার্কায় ৬৮০৭ভোট পেয়ে দ্বিতীয় হয়েছেন।আর কলস প্রতীকে রাহিমা পেয়েছেন ৩৩২৩ । উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে ভোট গননা শেষ বেসরকারিভাবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরোজা আক্তার রিবার সভাপতিত্বে,নির্বাচন কমিশনার রেজাউল ইসলাম এ ফলাফল ঘোষনা করেন। মোট ৭৬ টি কেন্দ্রের মধ্যে ১লক্ষ ৭৮ হাজার ৩ শত ৪৫ ভোট সংখ্যা নিয়ে এ নির্বাচনে মোট তিনজন ভাইস চেয়ারম্যান ও তিনজন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, দোহার থানা ওসি তদন্ত মো.ইয়াসিন মুন্সী,সকল প্রার্থী সহ বিভিন্ন নেত্রীবৃন্দ।

ঢাকা জেলার শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষ নবাবগঞ্জের আলমাস আলী খান

‘জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০১৯’তে ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার শিকারীপাড়া তোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী কলেজের অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ আলমাস আলী খান এবারো ঢাকা জেলার মধ্যে শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষ নির্বাচিত হয়েছেন। শুক্রবার উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. ফারুক আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন। শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, ঢাকা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. বেনজীর আহম্মদের স্বাক্ষরিত এক প্যাডে ২০১৯ সালের জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে নবাবগঞ্জ উপজেলার তোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী কলেজের অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ আলমাস আলী খান শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষ নির্বাচিত হন। এছাড়াও তিনি নবাবগঞ্জ উপজেলা পর্যায়ে ২০১৭, ২০১৮ এবং ২০১৯ শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষ নির্বাচিত হন এবং ঢাকা জেলা পর্যায়ে ২০১৮ এবং ২০১৯ সালে তিনি বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে এ শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট অর্জন করেন। এদিকে তার এ অর্জনে ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী এবং সহকর্মীদের মধ্যে আনন্দের জোয়ার বইছে।

দোহার পৌরসভা ভাংচুরের দায়ে থানায় জিডি

দোহার পৌরসভা ভাংচুরের দায়ে থানায় জিডি করেছে এক নির্বাচনে ১৯ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা পৌর মেয়র আব্দুর রহিম। ২৭ মার্চ বুধবার দোহার পৌরসভায় অতিরিক্ত কর আদায়ের প্রতিবাদে পৌরসভা কার্যালয় ঘেরাও করে স্মারকলিপি দেয় পৌরবাসী। এ সময় কিছু লোক পৌর কার্যালয়ে ভাংচুর চালায়। তারা পৌরসভার ১, ২ ও ৩নং ওয়ার্ড পৌরবাসী অতিরিক্ত কর আদায়ের প্রতিবাদে পৌর মেয়র আ. রহিমের কাছে স্মারকলিপি দেয়। যেখানে স্বারকলীপিতে ১১ টি অনুচ্ছেদের মধ্যে উল্লেখ করা হয়েছে, পৌরসভা গঠনের এই ১৯ বছর চলমান রয়েছে। যেখানে দোহার পৌরসভা প্রথম শ্রেণীর স্থান অধিকার করেছে। কিন্তু সে অনুযায়ি পৌরবাসীর কোনোরুপ আশার বাস্ত বায়ন ঘটেনি। উল্লেখ্য, স্বারকলীপির ৫ম অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে, ১০-১২ বছর যাবত পৌরসভা কর্যালয়ে বিশাল আকৃতির একটি পানির ট্যাংক রয়েছে যা থেকে দেখে পৌরবাসীর মনে করেছিলো তাদের পানির দুঃখ ঘুচবে। কিন্তু পৌরবাসী সেই সুবিধা থেকে বঞ্চিত বলে কড়ের অর্থ বাড়ানোর যৌক্তিকতা মনে করে না। আবার স্বারকলীপির ৮ নং অনুচ্ছেদে দেখাযায়, পৌরসভা কর্তৃক পৌরবাসীর পানি নিষ্কাশনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই। কোথাও ২/১ টি পানি নিষ্কাশনের ড্রেন থাকলেও ময়লা-আবর্জনা পরে তা ভরে রয়েছে। ফলে মশা-মাছি আর দুর্গন্ধে বসবাসের অনুপযোগী হলেও পৌর কর্তৃপক্ষ কোনোরুপ পদক্ষেপ গ্রহন করে বলে স্বারকলীপিতে অভিযোগ করা হয়। যার ফলে কড়ের অর্থ বাড়ানোর যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেন তারা।  মেয়র কার্যালয়ে স্মারকলিপি প্রদানকালে নিচে অবস্থানরত কিছু লোক নীচতলার অফিসের জানালার কাচ ও ফুলের টব ভাংচুর করে। দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেন জানিয়েছেন, পৌরসভা কার্যালয়ে হামলাকারীদের খুঁজে বের এবং আইনের আওতায় আনা হবে।

রাজপথ উত্তপ্ত করতে পারলে তবেই বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি

বাংলাদেশের বর্তমান নির্বাচন শীর্ষক আলোচনা সভার প্রধান অতিথি বক্তব্য এড. খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, আমার দুঃখ হয় পুরো জাতি যখন ঐক্যবদ্ধ ছিলো তখন হাসিনার অধীনে কেনো নির্বাচনে যাওয়া হলো । এই ব্যর্থতার দায় জনগনের না । এ দায় আমাদের আমরা যারা নেতৃত্ব দিয়েছি । আমাদের নেত্রীকে জেলে নেওয়া হয়ছে রাজনৈতিক কারনে । বেগম জিয়াকে আইনিভাবে মুক্ত করতে পারবো না । রাজপথ উতপ্ত করতে হবে তাহলে বেগম জিয়াকে বের করতে পারবো । আমরা নির্বাচনে গিয়েছিলাম পৃথিবীকে দেখাতে আ,লীগের অধিনে নির্বাচন সুষ্ঠ হয় না । সেটা দেখিয়েছি। এতো কিছুর পরেও কেনো রাজপথে নামতে পারলাম না। এ দায় কার আমাদের। আমি নিজে দেখেছি বেগম জিয়া এক পা নারাতে পারছেনা। নেতৃত্বে যদি ব্যর্থ হন তাহলে পদ ছেড়ে দিন । ব্যর্থতার দায় নিয়ে চলে যান । রাজপথে যারা উতপ্ত করতে পারে তাদেরকে দায়িত্ব দেন । তাদেরকে জায়গা করে দেন । এই নির্বাচনের ব্যর্থতা আমাদের খুজে বের করতে হবে । আমি একটা কথাই বলতে চাই বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলন করতে হবে ।আন্দোলনে যারা রাজপথ উতপ্ত করতে ব্যর্থ হবেন তারা সরে দাড়ান। নতুনদের দায়িত্ব দেন । আসুন আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাজপথে আন্দোলন গড়ে তুলি ।

প্রধান বক্তার বক্তিতায় মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, আমি প্রথমেই বনানীর ঘটনায় শোক জানাচ্ছি । এই সরকারের আমলে আগুনে খেয়েছে সব চেয়ে বেশি মানুষ । এই দেশ এখন মৃত্যুর রাজ্যে পরিনত হয়েছে । গাড়ি চালকের লাইসেন্স নেই, লাইসেন্স চায় কে দেশ যে চালাচ্ছে তার নিজেরই তো লাইসেন্স নেই। নির্বাচন নিয়ে কি আলোচনা করবো, দেশে তো নির্বাচনই নেই । উনি বলে নির্বাচন এতো সুন্দর করলাম তা নিয়েও বিতর্ক । উনাকে সবাই ঘৃনা করে । বিশ্বের বড় বড় মিডিয়া বলছে এই নির্বাচন সুষ্ঠ হয় নি এটা বিতর্কিত নির্বাচন হয়েছে । ঢাকা উওর সিটি নির্বাচনে কোন ভোটার ভোট দিতে যায় নি । তেমন উপজেলা নির্বাচনে ও ভোটার ভোট দিতে যায় নি । নির্বাচন কমিশন তো আল্লাহর দেয়া নাম। উনার তো কোন লজ্জা নেই

৭৩ বছর বয়সী একজন নারী, তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, দুইবারের বিরোধী দলীয় নেত্রী তাকে মিথ্যা একটা মামলায় আজ জেলে রাখা হয়েছে । বেগম জিয়াকে যেখানে রাখা হয়েছে সেটা ভুতের বাড়ি । আপনার নামে মামলা ছিলো ১৩ টি সব মামলায় বিচার হবে । কথায় কথায় উন্নয়ন ,কিসের উন্নয়ন,কার উন্নয়ন । এরা চোর, এরা ভোট ডাকাত,এরা লুটেরার ।এদের বিচার বাংলাদেশে হবে । বিশেষ অতিথির বক্তবে খন্দকার আবু আশফাক বলেন, গত নির্বাচন আপনারা দেখেছেন, ২০১৪ সালের নির্বাচনও দেখেছেন। কেউ ভোট দিতে যায় নি । অর্নিবাচিত সরকার ভোট ডাকাতির মধ্যে দিয়ে সরকার গঠন করেছে । সদ্য জাতীয় নির্বাচন ৩০ শে ডিসেম্বর সে নির্বাচনে ভোট হয়েছে রাতে । পৃথিবীর কোন দেশে নির্বাচন রাতে হয় না শুধু একমাত্র দেশ বাংলাদেশ যেখানে নির্বাচন হয় রাতে । শেখ হাসিনা নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়েছে । নির্বাচনের পরে শুরু হয়েছে গায়েবি মামলা । আমরা যারা নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষনা করেছে হাসিনা । সে আইনে নিজের মত করেই ব্যবহার করেছেন । আশফাক আরো বলেন, এই সরকারে কাছে খালেদা জিয়ার মুক্তি চেয়ে কোন লাভ নেই । আন্দোলনের মাধ্যমে দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে । আন্দোলন ছাড়া কোন মুক্তিই সম্ভব না ,আন্দোলনের কোন বিকল্প নেই । রাজপথে আন্দোলন করতে পারলেই আমাদের গনতন্ত্রের মায়ের মুক্তি মিলবে । ভোটের অধিকার, বাকস্বাধীনতা ফিরিয়ে আনতে হলে রাজপথ আমাদের আসল পথ।

বগুড়া ০৪ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোশারফ হোসেন বলেন, আপনি তো ভোট চোরের শীর্ষে, এই সরকার হায়েনার চেয়েও খারাপ। বাঙ্গালি এতো বোকা না যে আপনি যা বোঝাবেন তাই বুঝবে । সেটা আপনি ভুল ভাবছেন । ভোট চুরির জবাব আপনি পাবেন । মোশারফ আরো বলেন গনতন্ত্রের মা বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে। মুক্ত করতে হলে আমাদের রাজপথে আন্দোলন দিতে হবে । আন্দোলন করতে হবে। শপথের বিষয়ে মোশারফ হোসেন বলেন আমার দল যদি মনে করেন শপথ নিতে হবে তাহলেই শপথ নিবো । যদ না চাইলে নিবো না। তিনি আরো বলেন আমি মোশারফ কথা দিচ্ছি প্রয়োজন হলে পদত্যাগ করে চলে যাবো তাও বেগম খালেদা জিয়াকে রেখে আমি মোশারফ শপথ নিবো না না না ।

সভাপতির বক্তব্যে দোহার উপজেলার সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামীমা রহিম শীলা বলেন, দেশ নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবিলম্বে মুক্তির দাবি জানাচ্ছি । রাজপথে আন্দোলনের মাধ্যমেই আমাদের মায়ের মুক্তি করতে পারব।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক  খন্দকার আবু আশফাক। বগুড়া ০৪ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোশারফ হোসেন।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন, শামীমা রহিম শীলা, সভাপতি, চেতনা বাংলাদেশ ও ভাইস চেয়ারম্যান মহিলা দোহার উপজেলা পরিষদ ।