দোহারে ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে ইমাম গ্রেপ্তার

ঢাকার দোহার উপজেলার মধুরচর এলাকায় এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে ফরহাদ মোল্লা (৪০) নামের এক ইমামকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এর আগে ফরহাদের বিরুদ্ধে কিশোরীর বাবা আ. জব্বার বাদি হয়ে দোহার থানায় ধর্ষণের মামলা করেছেন। রোববার বিকালে ধর্ষণ মামলায় তাকে আদালতে প্রেরণ করে পুলিশ।

আটককৃত মাওলানা ফরহাদ মোল্লা উপজেলার চরকুশাই গ্রামের আব্দুর রহমান ওরফে বানু মোল্লার ছেলে এবং দোহার বাজার সংলগ্ন শহর মোল্লা বাড়ির ভাড়াটিয়া।

পরিবার, এলাকাবাসি ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, প্রায় তিন বছর পূর্বে মধুরচর জামে মসজিদের ইমাম হিসেবে যোগদান করে ফরহাদ মোল্লা। এরপর ফরহাদ মোল্লা সাথে কিশোরীর বাবা আ. জব্বারের সুসম্পর্ক গড়ে উঠে। আ. জব্বার তার কিশোরী মেয়েকে মাও. ফরহাদের কাছে আরবি পড়তে দেন। কিছুদিন যেতে না যেতেই ফরহাদ কিশোরীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে যৌন হয়রানি করতে থাকেন এবং কৌশলে তা ভিডিও করেন এবং কিছু ছবি তুলেন। গত তিন বছর বছর যাবত সেই সব ভিডিও এবং ছবি দেখিয়ে নিয়মিত কিশোরীকে ধর্ষণ করে আসছিলেন ফরহাদ মোল্লা। তবে এক বছর আগে ঘটনাটি ফাঁস হয়ে গেলে মসজিদ কমিটি সালিশের ব্যবস্থা করেন।

ফরহাদ সালিশে উপস্থিত না হওয়ায় তাকে চাকুরী অব্যাহতি দেন মসজিদ কমিটি। তবে ফরহাদ ভোক্তাভোগী পরিবারটি নানা মাধ্যমে হুমকি দিতে থাকেন এবং কিশোরীকে ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করতে থাকেন। বাধ্য হয়ে গত শুক্রবার ও শনিবার দুইবার গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে কিশোরী মেয়েটি। পরে মেয়েটির বাবা মো. জব্বার বাদী হয়ে ফরহাদের বিরুদ্ধে দোহার থানায় ধর্ষণ মামলা করলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই নুর মোহাম্মদ খান জানান, ধর্ষকের বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়েছে। আসামীকে আটক করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া ভিকটিমকে মেডিকেল চেক আপের জন্য ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রমান পেলে আসামীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে বাংলাদেশ বিশ্বদরবারে প্রতিষ্ঠিত হতো নাঃ সালমান এফ রহমান 

প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা  ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য সালমান এফ রহমান বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ৭ই মার্চের ভাষণের পর থেকে পুরো বাঙালি জাতি স্বাধীনতার জন্য এক কাতারে নেমে এসেছিল। আজকের এই দিনে  যাদের রক্তের বিনিময়ে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে বাংলাদেশ নামে একটি দেশ বিশ্বদরবারে প্রতিষ্ঠিত হতো না। তাই আজকের এই দিনটি বাঙালি জাতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

দেশ উন্নয়নে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সকলকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। বলেন, পাকিস্তানিরা এখন বাংলাদেশের মতো উন্নত হতে চায়। এক সময় তারা বলতো দেশ ভাগ হলো ঠিকই কিন্তু টিকবে না। বর্তমান পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বলেছেন পাকিস্তানকে সুইডেনের মতো বানাতে চান তিনি। তার উত্তরে ওই দেশের এক রাজনীতিক বলেছেন  সুইডেন না পাকিস্তানকে বাংলাদেশের মতো করে  উন্নত বানিয়ে দেখান।

বঙ্গবন্ধু এ দেশের জন্য অনেক কষ্ট করেছেন। জেল খেটেছেন। শুধু সোনার বাংলাদেশ গড়ার জন্য। জননেত্রী শেখ হাসিনা তার বাবার স্বপ্নকে বুকে লালন করে বাস্তবে রূপ দিতে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। ফলে দেশ আজ উন্নত হয়েছে। আর সেই জন্যই আজ বিদেশিরা এদেশটাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখছেন। আগামীর বাংলাদেশ পাল্টে যাবে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে। গতকাল সকালে নবাবগঞ্জ সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক আয়োজিত মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সালমান এফ রহমান এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তোফাজ্জল হোসেন।

সালমান এফ রহমান আরো বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান। তাদের অবদান আমরা কখনোই ভুলতে পারবো না। তাদের রক্তের বিনিময়ে আজকের বাংলাদেশ বিশ্বদরবারে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তিনি বলেন, দোহার-নবাবগঞ্জ উপজেলাকে বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে আধুনিক উপজেলা বানাতে চাই। ইতিমধ্যে সরকার দেশের ৬টি উপজেলাকে সম্পূর্ণরূপে মাদকমুক্ত করার পদক্ষেপ নিয়েছে। তার মধ্যে দোহার-নবাবগঞ্জ উপজেলা রয়েছে। আগামী ৬ মাসের মধ্যে নবাবগঞ্জ উপজেলাকে মাদকমুক্ত ঘোষণা করা হবে। এর আগে সকালে উপদেষ্টা উপজেলা কমপ্লেক্স চত্বরে স্মৃতিস্তম্ভে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরে তিনি উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির সদস্য আব্দুল বাতেন মিয়া, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পনিরুজ্জামান তরুণ, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক মিজানুর রহমান ভূঁইয়া কিসমত, নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাসির উদ্দিন আহমেদ ঝিলু প্রমুখ।

দোহার ও নবাবগঞ্জে নির্মিত স্মৃতিসৌধে স্বাধীনতা দিবসেঃ সালমান এফ রহমানের শ্রদ্ধা

আজ ২৬ মার্চ, বাংলাদেশের ৪৯ তম মহান স্বাধীনতা দিবস। দিবসটি উপলক্ষে দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে নির্মিত স্মৃতিসৌধে স্বাধীনতা যুদ্ধে শাহাদাৎ বরণকারী সকল শহিদদের প্রতি সম্মান জানিয়ে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে করেছেন ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য ও প্রধানমন্ত্রী বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা পূর্ণ মন্ত্রী মর্যাদা সালমান এফ রহমান। এসময় উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম বাবুল, সাধারণ সম্পাদক আলী আহসান খোকন শিকদার, নবাবগঞ্জ উপজেলার আবদুল বাতেন, পনিরুজ্জামান তরুণ সহ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা।

দোহার উপজেলা নির্বাচন ভোট প্রার্থনায় এগিয়ে শামীমা ইসলাম বীথি

ঢাকা জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ও এলাকার নারী হিসেবে শামীমা ইসলাম বীথি এবারের ঢাকার দোহার উপজেলা নির্বাচনে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী। ভদ্র, শিক্ষিত ও মার্জিত ব্যবহারের সমন্বয়ে একটি সাদামাটা নারী হিসেবে এলাকায় পরিচিতি তার। নির্বাচনের মাঠে এসে ভোট প্রার্থনায় এই প্রার্থীর প্রকৃত রূপের বহিঃপ্রকাশ ঘটছে। যে আন্তরিকতা ভোটারদের কাছে টানছে অকপটে। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ছুটছেন ভোটারদের দরজায়। গতকাল সকালে নির্বাচনী প্রচারণায় উপজেলার বিলাশপুর ইউনিয়নের মাঝিরচর বাজারে দেখা যায় তাকে। আবেগাপ্লুত হয়ে পরম মমতায় এক বয়োবৃদ্ধাকে জড়িয়ে ধরে ভোট ও দোয়া চান নিজের জন্য। ভোটারদের বক্তব্য, অন্য প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচারণায় মাঠে থাকলেও সব কিছু ছাপিয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় এগিয়ে বীথি।

বংশমর্যাদা শিক্ষাগত যোগ্যতা আর মার্জিত ব্যবহারের কারণে তার অবস্থান শীর্ষে। এ অবস্থান থেকে আসছে ৩১শে মার্চ নির্বাচনের মাঠ ধরে রাখতে ছুটছেন এক মাথা থেকে অন্য মাথা পর্যন্ত। মুক্তিযোদ্বা পরিবারের একজন সদস্য হওয়ায় ভোটারদের কাছে তার মূল্যায়নও কিছুটা শীর্ষে।
নির্বাচনের জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী শামীমা ইসলাম বীথি বলেন, একজন মানুষের মূল্যায়ন তার বংশমর্যাদায় সীমাবদ্ধ নয়, ব্যক্তি হিসেবে তার সমাজে কতটুকু গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে, নির্বাচনে আসার পেছনে তার অসৎ কোনো উদ্দেশ্য আছে কিনা, যদি না থাকে তাহলে তার দ্বারা সমাজের উন্নয়নমূলক কোনো কর্মকাণ্ড হবে কিনা তাও দেখতে হবে। উপজেলা মুক্তিযুদ্ধকালীন কমান্ডার রজ্জব মোল্লার বোন আমি। ভাইয়ের আদর্শ শিল্পপতি স্বামীর সঠিক দিকনির্দেশনা নিয়ে অবহেলিত মানুষের পাশে থেকে অসাম্প্রদায়িক সমাজ গড়ে তুলতে চান বীথি। তাই আসছে নির্বাচনে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে হাঁস মার্কা প্রতীক নিয়ে লড়বেন শামীমা ইসলাম বীথি।

দোহারের কাপড় ব্যবসায়ী নজরুল হত্যা মামলায় ১৫ জনের ফাঁসি

ঢাকা জেলার দোহারের কাপড় ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম হত্যা মামলায় ১৫ আসামিকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। এছাড়া প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করেছেন আদালত। বুধবার (২০ মার্চ) ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক  প্রদীপ কুমার রায় এ আদেশ দিয়েছেন।

ফাঁসির  দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সিরাজ ওরফে সেরু কারিগর, মিনহাজ ওরফে মিনু, খলিল কারিগর, শাহজাহান কারিগর, কালু ওরফে কুটি কারিগর, আজহার কারিগর, মিরাজ উদ্দিন, মোজ্জামেল ওরফে সুজা, জালাল, বিল্লাল, আ. লতিফ, দিদার, এরশাদ, আ. জলিল কারিগর ও ইব্রাহিম। আর বাকি চারজন পলাতক রয়েছেন।

এছাড়া যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক দুই আসামি হচ্ছেন- চায়না বেগম, মজিদুল ওরফে মাজেদ।

মামলার বাদী তার অভিযোগে বলেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে ব্যবসায়ী নজরুল ইসলামকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। বিভিন্ন ধরনের দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাও ওপর হামলা করে আসামিরা। তার স্ত্রী ও মা বাধা দিতে এলে তাদেরও মারধর করা হয়।

২০০৮ সালের ৩ এপ্রিল ভিকটিম নজরুলের মামা ডা. নাজিম উদ্দিন আহম্মেদ দোহার থানায় এ মামলা করেন। পরে একই বছরের ২৬ জুলাই জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) এসআই আনোয়ারুল করিম ১৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলাটির বিচার চলাকালে ফৈমুদ্দিন নামে এক আসামি মারা যান। পরে আসামির সংখ্যা দাঁড়ায় ১৭ জনে।

২০০৯ সালের ২৫ মে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। আদালতে ১৪ জন সাক্ষী তাদের সাক্ষ্য দেন।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন কাজী শাহানারা ইয়াসমিন। আর আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট কামরুজ্জামান ও অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল ইসলাম চৌধুরী। এছাড়া  পলাতক আসামিদের পক্ষে রাষ্ট্র নিয়োজিত আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট কামরুজ্জামান।

পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ও সাজা পরোয়ানা ইস্যুর আদেশ দেন আদালত। রায় ঘোষণার পর তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।

দোহার-নবাবগঞ্জ পেশাজীবী পরিষদের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন

ঢাকা জেলার দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলার চিকিৎসক, আইনজীবী, প্রকৌশলী, ব্যাংকার, সাংবাদিক, সরকারি/বেসরকারি চাকরিজীবী ও  শিক্ষকদের সমন্বয়ে গঠিত দোহার-নবাবগঞ্জ পেশাজীবী পরিষদের ২১ সদস্য বিশিষ্ট একটি কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে আওয়াজ ফাউন্ডেশনের পরিচালক আনিসুর রহমান খানকে সভাপতি, কাস্টমস অফিসার মো. মোয়াজ্জেম হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক ও   সামাজিক সংগঠন সেভ দ্য সোসাইটি এন্ড থান্ডারস্টর্ম অ্যাওয়ারনেস ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মো. রাশিম মোল্লাকে সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়েছে। এছাড়া, দুই জনকে সংগঠনের উপদেষ্টা করা হয়েছে। এরা হলেন দৈনিক মানবজমিনের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক বাবর আশরাফুল হক, জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. কবিরুল বাশার। আজ সকালে রাজধানী সেগুনবাগিচার বাগিচা রেস্টুরেন্টে এক সভায় এ কমিটি গঠন করা হয়।

কমিটির অন্যরা হলেন সহ-সভাপতি এবি ব্যাংকের চৌধুরী মোশাররফ আলী বেগ সনজু ও পদ্মা কলেজের প্রভাষক তারেক রাজীব, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. হরোগোবিন্দ সরকার  অনুপ ও সুপ্রিম কোর্টের এডভোকেট আবু সাঈদ, যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক কাস্টমস অফিসার মফিজুল শিশর ও মোহনা টিভির সাংবাদিক খালিদ হোসেন সুমন।

অর্থ সম্পাদক ব্যাংকার খালিদ বিন ওয়াহিদ (কনক), সহ অর্থ সম্পাদক ইখতিয়ার খান পরাগ, দপ্তর সম্পাদক শেরতাজ হোসেন খান, প্রচার সম্পাদক ব্যাংকার রানা ভূঁইয়া, ক্রীড়া সম্পাদক পদে চ্যানেল ২৪ এর সাংবাদিক রেদওয়ান শুয়েব, সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক অর্থমন্ত্রণালয়ের মো. মোজাম্মেল হোসেন, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক শিক্ষানবিশ আইনজীবী মোস্তাক আহমেদ, স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক পদে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডা. আব্দুল্লাহ সাঈদ খান।

এছাড়া, কার্যনির্বাহী সদস্য মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আনোয়ার হোসাইন, এডভোকেট ইবরাহীম আবীর ইবু, আব্দুল গনি শিকদার ও শিক্ষক জাফর আহমেদ।

উল্লেখ্য, এই সংগঠন সকলের মধ্যে সুসম্পর্ক ও এলাকার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রম পরিচালনা করবে। ২০১৮ সালের ৯ই সেপ্টেম্বর দোহার-নবাবগঞ্জ পেশাজীবী পরিষদ এর আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়।

সাতভিটায় সন্ত্রাস, ইভটিজিং ও মাদকবিরোধী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার নারিশা ইউনিয়নের ৯নং সাতভিটা ওয়ার্ডে সন্ত্রাস, ইভটিসিং ও মাদকবিরোধী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। গত ১৬ মার্চ শনিবার বিকাল ৪ ঘটিকার সময় সভাটি আরম্ভ হয়।

মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আই. জি. আর. খান মো. আব্দুল মান্নান। এসময় তিনি মাদক থেকে দূরে রাখার জন্য সন্তানের প্রতি কড়া নজরদারি রাখতে বলেন উপস্থিত অভিভাবকদের।

দোহার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সাজ্জাত হোসেন বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে আমরা জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছি। সন্ত্রাস ও ইভটিজিং নির্মূলে আমাদের টিম বদ্ধপরিকর।

দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি বেল্লাল মোল্লার সভাপতিত্বে এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, জেলা সেচ্চাসেবক লীগ সভাপতি মাহবুব বেপারি, দোহার থানা সেকেন্ড অফিসার সৌমেন মৈত্র, আওয়ামী লীগ নেতা বাবুল কাজী, মো. জসিম, যুবলীগ নেতা সাদিকুল মোল্লা, শাহিদ খানসহ অত্র এলাকার সচেতন নাগরিক।

দোহারে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ৮

ঢাকার দোহার উপজেলায় পৃথক পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ৮ জন আহত হয়েছে। বুধবার সকালে উপজেলার মেঘুলা ও চরকুসাই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

জানা যায়, বুধবার সকালে উপজেলার মেঘুলা এলাকায় দুইটি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৫জন আহত হয়। আহতরা হলেন, বাবু (১৫), ইউসুফ( ২০), আলামিন ( ২০), সজিব (১৮) ও চালক রনি।

একই দিন সকালে উপজেলার চরকুসাই থেকে মৈনট ঘাটে যাওয়ার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ট্রাক খাদে পড়ে যায়। এতে  মো. রমজান ( ২১), মো. রিপন ( ২৮) ও ট্রাক চালক মো. রফিক আহত হয়।

আহতদের উপজেলা স্বাস্খ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

দোহারের রায়পাড়া ও নয়াবাড়ি ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা

ঢাকার দোহার উপজেলার রায়পাড়া ও নয়াবাড়ি ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। গত ১৮ মার্চ দোহার উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আমিনুল ইসলাম ও সাধারন সম্পাদক উদয় হুসাইনের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেন।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয় এই দুই ইউনিয়নের কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ায় দলের নীতিমালা অনুযায়ী কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে।

দোহার উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক উদয় হুসাইন বলেন, রায়পাড়া ও নয়াবাড়ি ইউনিয়নের ছাত্রলীগের কমিটির মেয়াদ অনেক আগেই শেষ হয়েছে। তাই এই কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। খুব শীঘ্রই সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন কমিটি ঘোষণা করা হবে।

মাহমুদপুরে কিশোরীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

ঢাকার দোহার উপজেলায় খাদিজা আক্তার (১৭) নামে এক কিশোরীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার। নিহত খাদিজা উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের মির্জা মোল্লার একমাত্র মেয়ে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার বিকেলে খাদিজাকে বসত ঘরের আড়ার সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে তার মা নুরি বেগম। তার আতচিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ লাশ থানায় নিয়ে এসেছে। সুরতহাল শেষে লাশ ময়না তদন্তের জন্য স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হবে। রিপোর্ট পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।