নবাবগঞ্জে সাদাপুর সেতুর জরাজীর্ণ অবস্থা

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলা সদর থেকে ২ কিলোমিটার দূরে বান্দুরা সাদাপুর মধ্যপাড়া আঞ্চলিক সড়কে অবস্থিত সেতুটির জরাজীর্ণ অবস্থা দীর্ঘ দিন। নির্বাচনের সময় স্থানীয় চেয়ারম্যানসহ জনপ্রতিনিধিরা ভোট চাইতে আসলেও সেতুটি সংস্কারে তাদের কোন উদ্যোগ নেই বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ।

তাদের দাবি, উপজেলা সদরের নিকটবর্তী ঢাকা বান্দুরা সড়কের পাশে সাদাপুর মধ্যপাড়া আঞ্চলিক সড়কে অবস্থিত এই সেতু দিয়ে বর্তমানে কোন পরিবহন চলাচল করতে পারে না। বর্তমান সেতু সংলগ্ন সড়টিরও বেহাল অবস্থা। সড়কের পাশে খাল থাকায় প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে রাস্তাটির বিভিন্ন অংশের মাটি ভেঙ্গে খালে চলে যাওয়ায় প্রতিনিয়ত সড়কটি ছোট হয়ে আসছে। ফলে এলাকাবাসী জরুরি প্রয়োজনে কোন পরিবহন নিয়ে যাতায়াত ও শিক্ষার্থীরা সময় মতো বিদ্যালয়ে পৌঁছাতে পারছে না।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ১৯৯৭ সালের ১২ জানুয়ারি, সাদাপুর মধ্যপাড়া আঞ্চলিক সড়কে অবস্থিত সেতুটির ভিত্তি প্রস্তরের শুভ উদ্বোধন করেন তৎকালীন নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ এবং বাস্তবায়নে নবাবগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশল অধিদফতর (এলজিডি) নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স ডিসিকে এন্টার প্রাইজ। এলাকাবাসীর অভিযোগ অতি নিম্নমানের সামগ্রী ব্যাবহার করায় সেতুটি বর্তমানে বেহাল দশা।

বান্দুরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সামসুল হক বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে নবাবগঞ্জ ও দোহারে ব্যাপক উন্নয়ন কাজ হলেও বান্দুরা ইউনিয়নের অভ্যন্তরীণ ব্রীজ ও সড়ক গুলো বেহাল অবস্থা চলছে বহু বছর। স্থানীয় চেয়ারম্যানসহ জনপ্রতিনিধিরা দীর্ঘদিন ধরে এ বিষয়ে কোন পদক্ষেপ না নেওয়ায় বর্তমানে এ অবস্থা বিরাজ করছে।

উপজেলা কৃষকলীগ সভাপতি অ্যাডভোকেট জাহিদ হায়দার উজ্জল বলেন, সেতুটি খুবই ঝুঁকিপূর্ণ ও বিপদ জনক। ছোট ছোট ছেলে মেয়েরা সেতুটি দিয়ে সাদাপুর প্রগতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়তে আসে। এলাকাবাসীর সাথে তিনি সংহতি জানিয়ে বলেন, দ্রুত সেতুটি সংস্কার করা হোক।

নবাবগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশল অধিদফতর (এলজিডি) এর প্রকৌশলী আনোয়ার রহমান বলেন, সেতুটির বিষয় খোঁজ নিয়ে দেখা হবে ও দ্রুত সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে জানানো হবে।

সালাউদ্দীন মঞ্জু নবাবগঞ্জ উপজেলার নতুন ইউএনও

ঝিনাইদহের কৃতি সন্তান এইচ.এম সালাউদ্দীন মঞ্জু ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে পদায়ন পেয়েছেন। সালাউদ্দীন মঞ্জু যুদ্ধকালীন ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু থানার ডেপুটি কমান্ডার (মুজিব বাহিনী), বর্তমান ঝিনাইদহ জেলা ইউনিট কমান্ডের সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সহকারী কমান্ডার ও সাবেক জেলা প্রাথমিক শিক্ষা মনিটরিং কর্মকর্তা জনাব, মোঃ মছির উদ্দীন এবং মাতা মোছাঃ সালেহা বেগমের তিন পুত্রের মধ্যে প্রথম।

তিনি ঝিনাইদহ কাঞ্চননগর মডেল স্কুল এন্ড কলেজ থেকে থেকে স্টার মার্কসহ ২০০০ সালে এস.এস.সি, ঝিনাইদহ সরকারী কে.সি কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এইচ.এস.সি এবং সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এপ্লাইড ম্যাথ এন্ড সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়রিং বিষয়ে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতোকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

৩১তম বি.সি.এস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে তিনি প্রশাসন ক্যাডারে কর্মজীবন শুরু করেন। রবিবার (২১ এপ্রিল) অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার কে.এম তরিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে তাঁকে বদলীকৃত কর্মস্থলে যোগদানের নিমিত্তে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়, ঢাকা থেকে অবমুক্ত করা হয়।

 

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে তিনি মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলায় নির্বাহী অফিসার হিসেবে যোগদান করবেন।

তিন ভাইয়ের মধ্যে তিনি বড়। মেজো ভাই এইচ.এম সাইফুদ্দীন সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োকেমিস্ট্রি এন্ড মলিকুলার বায়োলজী বিষয়ের সহকারী অধ্যাপক। প্রধানমন্ত্রী ফেলোশিপে তিনি বর্তমানে ইংল্যান্ডের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি করছেন।

ছোট ভাই এইচ.এম সাঈদউদ্দীন স্টামফোর্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে মাইক্রোবায়োলজীর স্নাতক (সম্মান) শেষ বর্ষে অধ্যয়নরত।

ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলার ফতেপুর তাঁদের গ্রামের বাড়ী। বর্তমানে ঝিনাইদহের ৭নং ওয়ার্ড মহিষাকুণ্ডুতে পিতা-মাতা বসবাস করেন।

বাংলাদেশ দৈবক্রমে সৃষ্টি হয়নিঃ সালমান এফ রহমান

প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বলেছেন, পরিকল্পনা অনুযায়ীই বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটেছিল। দৈবক্রমে বা দুর্ঘটনাবশত নয়। বাংলাদেশ গত দশ বছরে যে বিস্ময়কর উন্নতি করেছে, তা বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত। এমনি এমনি এই উন্নয়ন হয়নি। ব্যাপক এ উন্নয়ন করা সম্ভব হয়েছে কেবল স্বাধীনতার চেতনা পুনঃপ্রতিষ্ঠার ফলেই।

জুনিয়র চেম্বার ইন্টারন্যাশনাল (জেসিআই) বাংলাদেশ আয়োজিত ‘বাংলাদেশ লিডারশিপ কনক্লেভ ২০১৯- টুগেদার টুয়ার্ডস টুমরো’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। হোটেল লা মেরিডিয়েনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে তরুণ উদ্যোক্তা, পেশাজীবী ও ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দকে তিনি বাংলাদেশের ইতিহাস ও স্বাধীনতার চেতনা নিয়ে অধ্যয়নের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সমাজের সুবিধাপ্রাপ্ত শ্রেণির অংশ হিসেবে এ বিষয়ে ভাবা ও অধ্যয়ন করা আপনাদের দায়িত্ব।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব, প্রজ্ঞা ও দূরদৃষ্টির কারণেই বাংলাদেশ  এতটা এগোতে পেরেছে। যে কোনো জাতির উন্নয়নের প্রথম ও প্রধানতম পূর্বশর্ত হলো নিজের ওপর বিশ্বাস রাখা। প্রধানমন্ত্রী জনগণের মধ্যে এই বিশ্বাস সঞ্চার করেছেন। বর্তমানে দেশ যেখানে এসেছে, সেটি তারই স্বাভাবিক ফলাফল মাত্র। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে কাজটি করেছেন তা হলো জাতীয় মননে স্বাধীনতার প্রকৃত চেতনা প্রোথিত করা। বিশ্বের খুব অল্প কয়েকটি দেশই স্বাধীনতা সংগ্রামের মধ্য দিয়ে স্বাধীন হয়েছে। এটি কোনো ছোটখাটো বিষয় নয়।

সালমান এফ রহমান আরও বলেন, যারা ‘৭৫-এর পর ‘৯৬ পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিল, তারা দেশের সবচেয়ে বড় ক্ষতি করেছে। ওই সময়ের ক্ষমতাসীনরা এই প্রচার চালাতে লাগল যে, বাংলাদেশ আসলে দৈবক্রমে সৃষ্টি হয়ে যায়, পরিকল্পনামাফিক নয়। তারা বলত যে, ভুট্টো যদি ‘৭০-এর নির্বাচনের পরপর পার্লামেন্টের অধিবেশন ডাকতে দিত, তাহলে বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না! এতটাই ভয়াবহ ইতিহাস বিকৃতি তারা করেছিল। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সম্পর্কে তৎকালীন পাকিস্তানি গোয়েন্দাদের নথির ভিত্তিতে গ্রন্থিত বই ‘সিক্রেট ডকুমেন্টস অব ইন্টেলিজেন্স ব্রাঞ্চ অন ফাদার অব দ্য নেশন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’-কে উদ্ৃব্দত করে তিনি বলেন, অথচ এই নথিগুলো থেকে দেখা যাচ্ছে যে, বঙ্গবন্ধু সেই তরুণ বয়স থেকে, যখন তিনি একজন ছাত্রনেতা ছিলেন, তখন থেকেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা নিয়ে চিন্তা করেছেন। প্রধানমন্ত্রী যেটা করেছেন সেটা হলো তিনি ইতিহাসের বিকৃতি সংশোধন করে দিয়েছেন। আর এ কারণেই বাংলাদেশের এই উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এখন চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সময়। এর ফলে যে চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশের সামনে তৈরি হবে, তা হবে ভীষণ কঠিন। এ জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার জন্যও তিনি তরুণদের আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, এফবিসিসিআইর জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম। অনুষ্ঠানে জেসিআইর প্রেসিডেন্ট ইরফান ইসলাম, ভাইস প্রেসিডেন্ট আরমান এ খান ও নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট আমজাদ হোসেন বক্তব্য রাখেন।

দোহারে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ; ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা

ঢাকার দোহার উপজেলার নয়াবাড়ি ইউনিয়নের পশ্চিম ধোয়াইর গ্রামের এক বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

মেয়েটির মা বলেন, নদী ভাঙ্গার কারনে উক্ত গ্রামের আওয়ামীলীগের ওয়াড সভাপতি আ. সাত্তারের বাড়ির পাশে আশ্রয় মিলে। আমি অন্যের বাড়িতে বাড়িতে কাজ করি বিধায় মেয়ে কে একা বাসায় রেখে যেতে হয় সব সময়।

এই সুযোগে আশ্রয় দাতা আ. সাত্তারের ছেলে আল আমিন আমার মেয়ে কে দ্বীর্ঘদিন যাবত ধর্ষণ করে আসছে। যখন সাত মাসের অন্তঃ সত্ত্বা তখন আমি মেয়েকে মারি আর প্রশ্ন করি তখন আমার মেয়ে বলে আল আমিনের নাম।

এ বিষয়ে দোহার থানায় ৪ জনকে আসামি করে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার প্রধান আসামি আল আমিন দেশের বাইরে আছে। তিনি ঘটনার পরে দুবাই চলে গেছেন। ধর্ষকের পরিবার কে বিষয়টি জানালে তারা ধর্ষিতা ও তার মাকে উচ্ছেদ করে দেয়। এছাড়া ধর্ষক আল আমিন দুবাই থেকে মৃত্যুর হুমকি দেয় বলে অভিযোগ ধর্ষিতার মায়ের।

আ. সাত্তার বলেন, আমার ছেলে যদি দোষী হয় ছেলেই রাখবো না। মেয়েটির কি হবে এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, আমি কিছু জানি না। আমার ছেলেই জানে।

এ ঘটনায় দোহার থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, মামলার প্রধান আসামি দুবাই আছে দেশের বাইরে আর বাকি ৩ জন পলাতক রয়েছে।

এছাড়া দোহার উপজেলা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আফরোজা আক্তার রিবা বলেন, আমরা উপজেলা প্রশাসন মেয়েটির পাশে আছি। অবশ্যই অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে।

দোহারে আরাম ও নগর পরিবহনের চাপাকলে শিক্ষার্থী ও সাধারণ যাত্রীদের ভোগান্তি

ঢাকা থেকে দোহার উপজেলায় দূরত্ব রয়েছে মাত্র ৫৫ কি. মি.। দোহারের মানুষকে শহরে যাতায়াতের জন্য চালু রয়েছে দুটি বাস পরিবহন সার্ভিস। একটি আরাম অন্যটি নগর পরিবহন। এই দুটি পরিবহনের চাপাকলে পিশে মরছে দোহারের শিক্ষার্থী ও সাধারণ যাত্রীগণ।

যাহার প্রতিক্রিয়া ফুটে উঠেছে শিক্ষার্থী ও সাধারণ যাত্রী অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নারিশা উচ্চ বিদ্যালয়ে আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে।

দোহার উপজেলার নারিশা উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে মঙ্গলবার বিকেল ৪টার দিকে এ বিষয়ে আলোচনার আয়োজন করে দোহারের শিক্ষার্থী ও সাধারণ যাত্রী অধিকার সংরক্ষণ কমিটি। উক্ত মিটিংয়ে যে চিহ্নিত কিছু  সমস্যাসমূহ নিয়ে আলোচনা করা হয় তা নিন্মরুপঃ

১। যাত্রী ভাড়া সহনীয় পর্যায় নেই।

২।নিবন্ধনে সিটিং সার্ভিস থাকলেও, বাস্তবে সিটিং সার্ভিস নাই।

৩। নগর পরিবহন আরাম পরিবহনকে আটকিয়ে রাখে,  সাইড দেয় না। এতে সাধারণ মানুষ ভুগান্তির শিকার।

৪। জয়পাড়া থেকে মেঘুলা পর্যন্ত বাস চলে পিঁপড়ার গতিতে। নগর আরামকে পথ দেখিয়ে নেয়, যেন মা তার শিশুকে পথ দেখিয়ে নিচ্ছে!

৫।পর্যাপ্ত পরিমানে পরিবহন ব্যবস্থা নাই।

৬। শিক্ষার্থীদের সাথে ভাড়া নিয়ে দুর্ব্যবহার করে, স্টুডেন্ট ভাড়া দেওয়ায় অপমান ও অসদাচরণ করে।

৭। মহিলা, শিশু ও প্রতিবন্ধীদের জন্য সংরক্ষিত আসনের  ব্যবস্থা নাই।

৮। বাসের সিটে অসহনীয় দুর্গন্ধ, পরিষ্কার থাকে না।

৯। ঢাকা যাতায়তে স্টুডেন্টদের জন্য হাপপাশ নেই।

১০। সিডিউল মত বাস পাওয়া যায় না।

১১। বৃহস্পতিবার এবং উৎসবগুলোতে মাত্রাতিরিক্ত ভাড়া বাড়ায়।

১২। কাউন্টারগুলোতে অযথা লেট করে।

১৩। মহিলা এবং শিক্ষার্থী দেখলে বাস থামাতে চায় না।

এমতাবস্তায় মিটিংয়ে গৃহিত সিদ্ধান্ত ও পরামর্শঃ

১। স্থায়ী ভিত্তিতে যাত্রী অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ গঠন করতে হবে।

২। দোহারের প্রতিটা ইউনিয়নের চেয়ারম্যানদের অবগত করে তাদেরকে সাথে নিয়ে সমস্যা সমাধান করতে হবে।

৩। উপজেলা ভিত্তিক কমিটির মাধ্যমে সবসময় যাত্রী অধিকার সংরক্ষণ করতে হবে।

৪। প্রতিটি স্কুল ও কলেজে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সচেতন করতে হবে।

৫। দোহারের প্রাণকেন্দ্র জয়পাড়াতে ও শ্রীনগরের বালাশুরে শিক্ষার্থী ও যাত্রীদের নিয়ে মানববন্ধন করতে হবে।

৬। যাত্রী অধিকারের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট পরিবহন কর্তৃপক্ষেকে অবহিত করতে হবে।

৭। উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউএনও ও প্রশাসনকে সাথে নিয়ে,  তাদের সাথে আলোচনা করে পরিবহন সমস্যা সমাধান করবো।

৮। এ বিষয়ে ঢাকা-১( দোহার,নবাবগঞ্জ) আসনের সাংসদ সালমান এফ রহমান, মুন্সিগঞ্জ-১( শ্রীনগর ও সিরাজদিখান) আসনের সাংসদ মাহী বি চৌধুরী, কেরানীগঞ্জের সাংসদ কামরুল ইসলাম ও নসরুল হামিদ বিপুর এবং প্রত্যেকটি উপজেলা চেয়ারম্যানের নিকট স্মারকলিপির অনুলিপি প্রদান করতে হবে।

৯। সালমান এফ রহমানের সহয়তা নিয়ে এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি প্রদানের মাধ্যমে বিআরটিসি বাস চালু করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে।

দোহার পৌরসভার নির্বাচনী জট খুলবে কবে

সীমানা জটিলতায় ১৭ বছর ধরে আটকে আছে রাজধানীর পার্শ্ববর্তী দোহার পৌরসভার নির্বাচন। এদিকে বছরের পর বছর কাঙ্ক্ষিত সেবা না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পৌরবাসী।

একটি প্রভাবশালী মহল এই পৌরসভার নির্বাচনের পথে বাধা হয়ে আছে বলে অভিযোগ উঠেছে। দোহার উপজেলার জয়পাড়া, রাইপাড়া, সুতারপাড়া ও মাহমুদপুর ইউনিয়নের আংশিক নিয়ে ২০০০ সালে গঠিত হয় দোহার পৌরসভা। ওই বছর ২৬ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হয় প্রথম নির্বাচন। এর পর সীমানা জটিলতা, রাজনৈতিক প্রভাব ও নামকরণ নিয়ে আদালতে মামলা থাকায় কেটে যায় ১৩ বছর। ২০১৩ সালে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হলেও ভোট গ্রহণের মাত্র তিন দিন আগে মাহমুদপুরের বাসিন্দা আব্দুস সোবহান সীমানা জটিলতা নিয়ে উচ্চ আদালতে রিট করেন। এতে নির্বাচন আবার ঝুলে যায়। আব্দুস সোবহানের অভিযোগ, মাহমুদপুরের যে অংশটি দোহার পৌরসভায় পড়েছে, তারা নাগরিক সেবা থেকে বঞ্চিত। তাদের বাদ দিয়ে পৌরসভা সীমানা নির্ধারণের দাবি জানান তিনি।

পৌরবাসী মনে করেন, ১৭ বছর ধরে তারা গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে বঞ্চিত। ভোটাধিকার প্রয়োগ করে তারা মেয়র ও কমিশনার নির্বাচনের সুযোগ পাচ্ছেন না। পৌরসভার বাসিন্দা কুদ্দুস জানান, বর্তমানে পৌর এলাকায় নাগরিক সুবিধা নেই বললেই চলে। পৌর কর্তৃপক্ষ নিয়মিত বাজেট প্রকাশ হলেও চোখে পড়ার মতো কাজ হয়নি। বছরের অধিকাংশ সময় পৌর শহরের প্রধান সড়কগুলো থাকে খানাখন্দে ভরা। মশা নিধনে নেই কোনো ব্যবস্থা।

রাইপাড়া ইউনিয়নের আলমগীর হোসেন অভিযোগ করেন, তাদের কাছ থেকে পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ ট্যাক্স নিচ্ছে। কিন্তু রাস্তাঘাটের উন্নয়নের কথা বললে দুই পরিষদ থেকে একে অন্যের ওপর দায় চাপানো হয়। স্থানীয় ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন জানান, দুই সংস্থার টানাহেঁচড়ায় পৌরবাসী কুপোকাত। রাস্তায় খুঁটি আছে তো বাতি নেই। তাই রাতের শহরে সড়কবাতি জ্বলে না। অন্ধকারে চলাফেরা করতে তাদের সমস্যা হয়। এই সমস্যা থেকে পরিত্রাণের উপায় কী তা তারা জানেন না। এদিকে গত ২৪ মার্চ অতিরিক্ত কর আদায়ের প্রতিবাদে পৌরসভা কার্যালয় ঘেরাও করে ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডবাসী। এ সময় কিছু অতি উৎসাহী পৌরসভায় ভাঙচুর চালায়।

পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। পরে আন্দোলনকারীদের একিটি প্রতিনিধি দল মেয়র আ. রহিমের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করে। পৌরসভার নির্বাচনসহ বিভিন্ন সমস্যা সম্পর্কে জানতে চাইলে মেয়র আব্দুর রহিম মিয়া সব দায় সরকারের ওপর চাপিয়ে দিয়ে বলেন, ‘সরকার চাচ্ছে না দেখে নির্বাচন হচ্ছে না। আমি এখান থেকে সরে যেতে পারলে বাঁচি।’

মেয়র আরও বলেন, ১৭ বছর ধরে নির্বাচন হয় না। জনসাধারণও ঠিক সময়ে ট্যাক্স দিচ্ছে না। ট্যাক্স সংগ্রহ করতে গেলে কর্মকর্তাদের মারতে আসে। আমি কোথা থেকে উন্নয়ন করব। সরকারের কাছ থেকে বছরে মাত্র ৬০ লাখ টাকা পাই। এত কম টাকায় উন্নয়ন হবে কেমনে। সীমানা জটিলতা ও মামলার ব্যাপারে মেয়র কোনো মন্তব্য করতে চাননি।

খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিয়ে গণতন্ত্র চর্চার পথে ফিরে আসুনঃ আ’লীগকে দুদুর আহবান

বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিয়ে গণতন্ত্র চর্চার পথে ফিরে আসার আহবান জানিয়েছেন বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান ও কৃষক দলের আহ্বায়ক শামসুজ্জামান দুদু।

বিএনপি’র চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপি’র যুগ্ম-মহাসচিব হাবিবুন নবী খান সোহেলের মুক্তির দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে চেতনা বাংলাদেশ কতৃর্ক আয়োজিত এক মানববন্ধন করা হয় । মানববন্ধনে প্রধান অতিথী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান ও কৃষক দলের আহ্বায়ক শামসুজ্জামান দুদু । প্রধান অতিথীর বক্তবে দুদু এ আহবান জানান।

আজকের মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি,দোহার উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও জাতীয়তাবাদী মহিলাদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সদস্য শামীমা রাহিম শীলা ।

দুদু বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি এই অবৈধ সরকার জুলুম করছে । বেগম জিয়াকে অবৈধ ভাবে কারাগারে আটকে রেখেছে । বেগম জিয়াকে কারাগারে আটকে রাখা মানে, এদেশের গনতন্ত্রকে কারাগারে রাখা। এ সরকার সুকৌশলে বেগম জিয়াকে আটকে রেখে একদলীয় শাসন কায়েক করার চেষ্টা করছে । দুদু আরো বলেন, এ সরকারে স্পষ্ট ভাবে বলতে চাই বেগম জিয়াকে অবিলম্বে মুক্তি দিন। তাকে মুক্তি দিয়ে গনতন্ত্র চর্চা করার পথে আসুন । এদেশে ২৯ তারিখ মধ্যে রাতে যে ভোট ডাকাতির ইতিহাস তৈরি করেছেন । সেটা এদেশে নিজিরবীহিন। এ পার্লামেন্ট অবৈধ, এ সরকার অবৈধ । যত দ্রুত সম্ভব বেগম জিয়াকে মুক্তি দিয়ে সুন্দর সুষ্ট একটা নির্বাচন করার পরিবেশ তৈরি করুন । মানববন্ধনে বিশেষ অতিথী হিসেবে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষত ড.সুকুমার বড়ুয়া। এছাড়া ছিলেন ঢাকা জেলা যুবদলের যুগ্ম-আহ্বয়ক এড.বেলায়েতি প্রমুখ ।

দোহার ও নবাবগঞ্জে উৎসবমূখর পরিবেশে বর্ষবরণ পালন; ট্রাকে উন্মত্ত বখাটেরা 

ঢাকার দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলায় উৎসবমূখর পরিবেশে বাংলা নববর্ষ-১৪২৬ কে বরণ করা হয়। নতুন বছরকে বরণ করতে রবিবার সকালে দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা বের করা হয়। এসময় শোভাযাত্রাটি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। যদিও সুন্দর অনুষ্ঠানের মাঝে কালো দাগ হিসাবে দেখা গেছে ট্রাকে করে বখাটে শ্রেনীর ঊশৃঙ্গখল আচরন।

মঙ্গল শোভাযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরোজা আক্তার রিবা, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সালমা খাতুন, থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সাজ্জাদ হোসেন, উপজেলা নবনির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান সুজাহার বেপারী, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামীমা ইসলাম বিথীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও বিপুল সংখ্যক শিশু-কিশোর।

নবাবগঞ্জে মঙ্গল শোভাযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান নাসিরউদ্দিন আহমেদ ঝিলু, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তোফাজ্জল হোসেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মনজুর হোসেন, থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মোস্তফা কামাল, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সাধারণ সম্পাদক জালাল উদ্দিনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও বিপুল সংখ্যক শিশু-কিশোর।

এরই মাঝে দেখা গেছে ট্রাকে করে বখাটেদের বখাটেপনা। এই সকল যুবক বিভিন্ন গ্রুপে দল বেধে আলাদা আলাদা ভাবে ট্রাক ভাড়া করে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ট্রাকে করে ঘুরে বেড়ায় দোহার-নবাবগঞ্জের বিভিন্ন রাস্তায়। যদিও বাংলা নববর্ষ উদযাপনের এই রীতি হয়তোবা দোহার-নবাবগঞ্জ ছাড়া আর কোথাও এটির দেখা মিলবে না! বেশ কয়েক বছর ধরেই এই ট্রাকে করে গান বাজনার মাধ্যমে নববর্ষ উদযাপনের দৃশ্য চোঁখে পরছে সবার। আবার তাদের সাথে তাল মিলিয়ে ছোটরাও আটো রিকশা ভাড়া করে গান বাজনা বাজিয়ে বৈশাখকে উদাযাপন করে।

অনেকেই দাবী করেন এই সকল কার্যক্রম গুলা বখাটে ছেলেপেলের দ্বারা পরিচালিত হয়, অনেক সময় তারা রাস্তাঘাটে মেয়েদের দল বেধে উত্যক্ত করেন, দল ভারী থাকার কারনে কেউ কিছু বললেও তেড়ে আসেন এই সব ট্রাকে করে ঘুরা যুবকেরা। ফলে একদিকে যেমন ট্রাকে করে এরা যৌন হয়রানী করছে অপরদিকে ট্রাকের বেপারোয়া ড্রাইভিং ও যুবকদের উন্মত্ত আচরন রাস্তায় স্বাভাবিক চলাচলেরও ব্যঘাত ঘটছে।

 

 

আমি প্রতিজ্ঞা করেছি, ঢাকা জেলায় উন্নয়নের বিপ্লব ঘটাব: মাহবুবুর রহমান

ঢাকা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা মো. মাহবুবুর রহমান বলেছেন, আমি খুব সততা নিয়ে রাজনীতি করি। কখনো কারও কার থেকে চাঁদা তুলে সভা সমাবেশ করেনি। প্রতিহিংসার রাজনীতি বিশ্বাস করি না। বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমার উপর আস্থা রেখে ঢাকা জেলা পরিষদের দায়িত্ব দিয়েছেন। আমি সততা দিয়ে আমার দায়িত্ব পালন করছি। আমি প্রতিজ্ঞা করেছি ঢাকা জেলায় উন্নয়নের বিপ্লব ঘটাব।” বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার মহব্বতপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান আরো বলেন, আমাদের সৌভাগ্য আমরা সালমান ফজলুর রহমানের মতো একজন জনপ্রতিনিধি পেয়েছি। তার মতো মানুষ জনসেবায় এগিয়ে এসেছেন এটা আমাদের জন্য গর্বের। তিনি নির্বাচনের পূর্বে বলেছিলেন, দোহার নবাবগঞ্জ উপশহরে পরিণত হবে। নগরায়ন হবে, নগরায়ন মানে ঢাকা নগরের মানুষ যে সুবিধা পায় দোহার নবাবগঞ্জের মানুষও সেই সুবিধা পাবে। ইতিমধ্যেই তিনি কাজ শুরু করে দিয়েছেন।

অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে মাহবুবুর রহমান বলেন, বাবা-মার দায়িত্ব আপনার সন্তুান ঠিক মতো স্কুলে গিয়েছে কি না, আবার যথাসময়ে বাড়িতে ফিরলেন কি না সেদিকে খেয়াল রাখা। সন্ধ্যার পর আপনার ছেলে কোথায় যায়, কি করে এই খোঁজটুকু রাখেন। মা-বাবা যদি সতর্ক হয় তবে ছেলেমেয়েরা বিপদগামী হবে না।

এসময় তিনি জেলা পরিষদের অর্থায়নের বিদ্যালয়ের বাউন্ডারী ওয়াল নির্মাণ, ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণ ও কম্পিউটার এবং ল্যাবের জন্য ৩ লাখ টাকা আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস দেন।

বিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মমতাজ উদ্দিন অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী (ভূমি) কমিশনার মো. মনজুর হোসেন, থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মোস্তফা কামাল, বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক মো. বাদশাহ মিয়া, সমাজ সেবক মুক্তিযোদ্ধা নাসিরউদ্দিন পান্নু ও বিদ্যালয়ের বর্তমান প্রধান শিক্ষক সুধীর কুমার প্রমূখ।

নবাবগঞ্জে সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেপ্তার

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলা থেকে সাজাপ্রাপ্ত আসামীকে গ্রেফতার করেছে নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে নবাবগঞ্জ উপজেলার ভাওয়ালিয়া গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে আদালতে অর্থজারি মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামী মহি উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। সে ভাওয়ালিয়া গ্রামের মৃত জামাল উদ্দিনের ছেলে।

নবাবগঞ্জ থানার সহকারী উপপরিদর্শক হাসানুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, অর্থজারি মামলা নং-৩৪৬/১৭ এর আদালতের রায়ে সাজাপ্রাপ্ত আসামী মহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা ছিল। শুক্রবার সকালে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।